Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদেখা ভুবন – ডিউক জন

    ডিউক জন এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অদেখা ভুবন – ১.২৫

    পঁচিশ

    কুপার পরিবারের সবাই মাইকেলের দু’পাশে দাঁড়িয়ে গোগ্রাসে গিলছে যেন মনিটরের দৃশ্যগুলো। দেখতে পাচ্ছে ওরা, সেলারের দরজা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করল টনি, তাহিতি আর পিটার পারকার।

    পিন-পতন নিস্তব্ধতা বাড়ি জুড়ে।

    সুইচ টিপে জ্বেলে দিল বাতিটা টনি।

    .

    টনি আর তাহিতিকে অনুসরণ করে প্রায় খাড়া সিঁড়ির ধাপ বেয়ে নামছে পিটার পারকার। এক সময় পৌঁছে গেল ওরা তলাটায়।

    এক মুহূর্ত সময় নিল টনি। তাকাল বেইসমেন্টের চারপাশে। এর পর নজর বোলাল হাতে ধরা ইএফডি-টাতে।

    ১ আর ২-এর মাঝখানে লাফাচ্ছে কাঁটাটা!

    কিছু একটা নিশ্চিত রয়েছে এখানে! আওড়াল টনি মনে মনে।

    আরও ভিতরদিকে এগিয়ে চলল ও।

    ‘ঠিক আছে, বন্ধু…’ বিড়বিড় করে শান্ত করার প্রয়াস পাচ্ছে নিজেকে। ‘নজরেই রয়েছ তুমি আমাদের…

    নীরবতা।

    ‘সঙ্কেত দাও… সঙ্কেত দাও যে, আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাও তুমি…’

    সেলারের চারদিকে ক্যামেরা ঘোরাচ্ছে পিটার। নিজেও নিশ্চিত নয়, কীসের খোঁজে। মিস্টার ডায়েসের উপরে এসে স্থির হলো ক্যামেরা।

    অপর পক্ষের সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে টনি। কিন্তু না… নিথর নীরবতা যেন ভরাট করে রেখেছে ভূগর্ভস্থ কামরাটা।

    ‘দরজাটা বন্ধ করতে পারো… জায়গা থেকে সরাতে পারো কোনও কিছু…’ বাতলে দিচ্ছে ও। ‘করো কিছু একটা… যে-কোনও কিছু…’

    অপেক্ষা…

    তাকাল টনি ইএফডি-র দিকে। পাগলের মতো নাচানাচি করছে কাঁটা।

    অপেক্ষা… অপেক্ষা… অপেক্ষা…

    .

    ব্যর্থ মনোরথে বেরিয়ে আসছে ওরা বেইসমেন্ট থেকে, রোজমেরি, অ্যালবার্ট আর মাইকেল রডম্যান ভিড় করল দরজার মুখটায়।

    প্রশ্ন উপচে পড়া রোজমেরি-কুপারের-চোখের দিকে তাকাল টনি।

    ‘যেমনটা বলেছিলাম আপনাকে,’ কৈফিয়ত দিচ্ছে যেন। ‘যখন যেরকম চাই, তেমনটা ঘটে না সব সময়।’

    ঘুরতে যাচ্ছে দরজাটা বন্ধ করার জন্য, বিকট দড়াম করে লেগে গেল পাল্লাটা। ঠিক ওর মুখের উপরে!

    বন করে ঘুরে গেল প্রত্যেকে। সবচেয়ে বেশি চমকেছে পারকার।

    স্বামীর দিকে চকিত চাউনি হানল ‘রোজমেরি, যদিও বুঝতে পারছে না লোকটা, কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছোবে ও এ ঘটনা থেকে।

    ছাব্বিশ

    রাত। কিচেন-কাউন্টারের ঘড়িটা সময় দেখাচ্ছে: একটা তেত্রিশ।

    রান্নাঘরে প্রবেশ করল পিটার। দেখতে পেল, ভেজিটেবলের একটা কনটেইনার ফ্রিজ থেকে বের করে নিচ্ছে মাইকেল।

    ‘খাবেন?’ জিজ্ঞেস করল পিটারকে।

    ‘নাহ, পেট ভরা।’

    কফিপটটার কাছে গেল অফিসার।

    ‘কী মনে হয় আপনার,’ জিজ্ঞেস করল রসিক মাইকেল। ‘লবণ দিয়ে কী করছেন তেনারা?’

    পটটার পাশেই লবণ আর মরিচের শেকারটা দেখতে পেল পিটার কাউন্টারে।

    ‘এই তো, এখানে।’ নির্দেশ করল হাত নেড়ে। সল্ট শেকারটা তুলে দিল মাইকেলের হাতে।

    ‘ধন্যবাদ,’ বলল ডায়েসদের সহকারী। জোরে জোরে ঝাঁকি দিয়ে পুরু করে লবণ ছড়াতে লাগল ও খাবারটার উপরে।

    ‘কৌতূহল হচ্ছে, বুঝলেন?’ মন্তব্য করল হাত চালাতে চালাতে। ‘ওইভাবে যে দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল দরজাটা, কী মতামত আপনার এই ব্যাপারে?’

    দুর্বলভাবে শ্রাগ করল পিটার। :…বাতাসের কারণে হতে পারে।’

    শুনে মনে হলো, আমোদ পেয়েছে মাইকেল। মুখে পুরল ও এক চামচ ভেজিটেবল।

    ‘মজা পেলাম, ভাই। যত জোরেই হোক না কেন বাতাস, বাতাসে কখনও ব্যাঙ গিলে ফেলা চেহারা হয় না আমার! দেখেছিলেন না তখন?’

    জবাব দেয়ার দরকার পড়ল না। কথা তো সত্যি।

    ‘এই জন্যই, বুঝলেন… এই কারণেই যন্ত্রপাতি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি আমি। কারণ হচ্ছে, আবেগ কিংবা অনুভূতি নেই যন্ত্রের, কখনও তৈরিও হয় না। যন্ত্র হয় কাজ করে, নয় তো করে না।’ আরেক চামচ সবজি ঢুকল মাইকেলের মুখের মধ্যে। ‘তা আপনি যদি বিশ্বাস না-ই করবেন এসবে, এসে জুটলেন কন আমাদের সাথে?’

    ‘টাকার জন্য,’ সরাসরিই জবাব দিল পিটার। ‘বাপ হতে চলেছি আমি। যে টাকাটা পাব এখান থেকে, কাজে লাগবে আমার।’

    ‘তার মানে… আপনার কি ধারণা, এগুলো আসলে বানায় মানুষে—তিল থেকে তাল?’

    ‘মনে পড়ে… ক্লজিটের মধ্যে বুগিম্যান থাকে—এই ধারণা নিয়ে বড় হচ্ছিলাম আমি। কিন্তু যখনই চেক করত মাম্মি-ড্যাডি, কিচ্ছু পেত না ওখানে।’

    হাসির ভঙ্গিতে বেঁকে গেল মাইকেলের ঠোঁটের কোনা।

    ‘কিন্তু এটা তো মানবেন যে, স্রেফ আপনি দেখতে পাচ্ছেন না বলেই যে ওখানে নেই জিনিসটা, না-ও তো হতে পারে সেটা।’ প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করল মাইকেল, ‘কাছের কাউকে হারিয়েছেন কখনও?’

    ‘…আব্বুকে, কেন?

    ‘তাহিতিকে বলতে হবে বিষয়টা। দেখা যাক, আপনার বাবার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে কি না ও।’

    আমোদের হাসিটা আটকাতে পারল না পিটার। ‘বিশ্বাস করি না আমি—কথাটার কোন্ অংশটা বোধগম্য হচ্ছে না আপনার?’

    আরেক চামচ সবজি গেল মাইকেলের মুখে।

    ‘কীসে ভয় পাচ্ছেন আপনি, বলুন তো!’ বলল ও চিবোতে চিবোতে। ‘আপনার ওই সঙ্কীর্ণ চিন্তাভাবনাগুলো হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে- সেজন্য? এক কাজ করুন না, অফিসার… কেবল আপনিই জানেন, এমন কোনও কিছুর কথা বলুন আমাকে। স্রেফ এটা বলবেন না যে, জিনিসটা কী আসলে!’

    মনে মনে খেলছে পিটার প্রস্তাবটা নিয়ে।

    ‘ওকে,’ বলল ও প্রস্তুত হয়ে। ‘কিছু একটা রেখেছি আমি আব্বুর ব্যবহার করা ছোট একটা বাক্সে। জিনিসটা আমাদের দু’জনের জন্যই বিশেষ কিছু।’

    তাহিতিকে দেখা গেল কিচেনে।

    উজ্জ্বল হয়ে উঠল মাইকেলের চেহারাটা। হাসছে ও। ‘এক্কেবারে সময়মতো এসেছ!’

    ‘কেন বলছ এ কথা?’ বলল তাহিতি ফ্রিজের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে। দরজাটা খুলে মেলে ধরল ওটার।

    ‘ছোট্ট একটা এক্সপেরিমেন্ট করছি আমরা,’ উত্তেজিত কণ্ঠে বলল মাইকেল। ‘আমাদের নৈরাশ্যবাদী অফিসার—এই যে, ইনি—কিছু একটা রেখেছেন ওঁর বাবার ছোট এক বাক্সে। জিনিসটা কী, বলতে পারবে ওঁকে?’

    একটা সোডা-বোতল তুলে নিল তাহিতি ফ্রিজের তাক থেকে। সম্মতির জন্য তাকাল এর পর পিটারের দিকে।

    অনীহা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে অফিসারের চেহারায়। হাসল তা-ও।

    ‘অবশ্যই, কেন নয়?’ উচ্চারণ করল মুখে।

    লোকটার মুখোমুখি এসে দাঁড়াল তাহিতি। কাউন্টারের উপরে রাখল সোডা-টা।

    ‘হাত দুটো দিন তো আপনার!’ তালু চিত করে নিজের হাত দুটো বাড়িয়ে ধরল তাহিতি। অফিসারের হাত জোড়া নিজের হাতে নিয়ে বন্ধ করল চোখ দুটো।

    সামান্য অস্বস্তি হচ্ছে পিটারের।

    দীর্ঘ একটা মুহূর্তের পর শুরু করল তাহিতি।

    ‘বেইসবল… হ্যাঁ, একটা বেইসবল দেখতে পাচ্ছি আর কিছু একটা লেখা রয়েছে বলের গায়ে। বড় হাতের একটা P আর একটা C ছাড়া আর তো কিছুই ভাবতে পারছি না ও- দুটোকে….’

    চোখ মেলল তাহিতি। হাত দুটো ছেড়ে দিল অফিসারের। ‘…তো?’

    কাঁধ ঝাঁকাল পিটার। ‘…হয়নি। কোনও ধরনের বল-টল রাখিনি আমি বাক্সটায়।’

    বিচিত্র অভিব্যক্তি নিয়ে লোকটার দিকে তাকিয়ে রইল তাহিতি। সত্যিই কি মেলেনি জবাবটা?

    ওহ… ঠিক আছে,’ মেনে নিল হার। ‘রুমাল তা হলে বিড়াল হয়ে গেছে!’

    .

    মনিটরের সামনে, রোজমেরি কুপারের পাশে বসে রয়েছে তাহিতি। দেখতে পাচ্ছে, সিলভিয়ার বিছানায় গুটিসুটি মেরে ঘুমাচ্ছে এ-বাড়ির দুই মেয়ে।

    ‘মনে হচ্ছে, এখানে আপনাদের উপস্থিতিতে নিরাপদ বোধ করছে ওরা,’ প্রশান্ত মন্তব্য ওদের মায়ের। ‘দেখছেন না, কেমন নিশ্চিন্ত-নির্ভার হয়ে আছে!’

    .

    জানালা ভেদ করে বৈঠকখানায় ঢুকে পড়েছে সকালের সোনালি আলোর টুকরো। উষ্ণ করে তুলছে কামরাটাকে।

    টিক করে পাঁচটা কুড়ি থেকে একুশে পৌঁছাল গ্র্যাণ্ডফাদার ক্লকের কাঁটাটা, ঘুরতে লাগল চক্রাকারে।

    টনি, তাহিতি, পিটার, মাইকেল— প্রত্যেকেরই নজর এক-একটা ঘড়িতে। না, বন্ধ হয়ে যায়নি একটা ঘড়িও।

    ‘ঠিক আছে,’ সিদ্ধান্তে পৌঁছাল টনি। ‘এবার তা হলে ডাকা যাক ওটাকে।’

    .

    বাইরে গিয়েছিল টনি আর তাহিতি, শেষ বিকেলে কুপারদের বাড়ির ড্রাইভওয়েতে এসে থামল ওদের গাড়িটা। এ-বাড়িতে দ্বিতীয় দিন আজ ওদের।

    নেমে এল ওরা গাড়ি থেকে।

    কুপারদের স্টেশন ওয়াগেনটা নেই এখন পার্কিঙে।

    এগোল তাহিতি বাড়ির দিকে।

    গোলাঘরের দিকে পা বাড়াল টনি।

    সদর দরজায় পৌঁছে টোকা দিল তাহিতি।

    …কারও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বাড়িতে।

    আরেকটু অপেক্ষা করল মহিলা। এর পর সিদ্ধান্ত নিল, ঢুকেই পড়বে ভিতরে।

    খোলাই ছিল দরজাটা। হুড়কো দেয়া হয়নি ভিতর থেকে। ঠেলা দিয়ে পাল্লাটা খুলে ফেলল তাহিতি।

    বাড়িটার সমস্ত বাতি নেভানো যদিও, জ্বলছে না অন্য কোনও আলোও, তার পরও দেখতে পেল ও রোজমেরিকে। হল-এর ওমাথায় বেরিয়ে আসছে সেলারের দরজা দিয়ে!

    দেখে মনে হচ্ছে, কেমন একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছে মহিলা। পা টেনে টেনে ঢুকে পড়ল রান্নাঘরে। টের পায়নি তাহিতির উপস্থিতি।

    কিচেনের দরজায় এসে দাঁড়াল তাহিতি। ওর দিকে পিছন ফিরে কাউন্টারে কাজ করছে রোজমেরি কুপার।

    ‘মিসেস কুপার…’ ডাকল তাহিতি মৃদু কণ্ঠে।

    ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল রোজমেরি। একটা সেকেণ্ড যেন বেশি লেগে গেল মহিলার তাহিতিকে চিনতে।

    ‘…আগে আগে চলে এসেছেন, মনে হচ্ছে…’ মুখ খুলল সংবিৎ ফিরে পেয়ে।

    ‘বিশ্বাস হচ্ছে না, সেলারে নেমেছিলেন আপনি!’

    ‘সুপ বানাচ্ছি,’ সহজ গলায় বলল রোজমেরি। ‘ক’টা বিট (গাজর-জাতীয় কন্দ বিশেষ) আনার দরকার ছিল।’

    কৈফিয়তটা মনঃপূত হলো না তাহিতির। কিন্তু আর কথা বাড়াল না এ নিয়ে।

    সাতাশ

    রাত নেমেছে।

    কোথায় যেন গিয়েছিল, ফিরে এসেছে অ্যালবার্ট মেয়েদের নিয়ে। ড্রাইভওয়েতে উঠল ওর স্টেশন ওয়াগেনটা। হেডলাইটের আলো গিয়ে পড়ল ডায়েসদের পার্ক করা গাড়িটার গায়ে।

    থামাল অ্যালবার্ট ওয়াগেনটা। ও আর মেয়েরা বেরিয়ে আসছে, নজরে পড়ল অ্যালবার্টের, দরজাটা খোলা গোলাঘরের। আলো জ্বলছে ভিতরে।

    মেয়েরা বাড়ির দিকে রওনা হলে দেখতে চলল অ্যালবার্ট।

    স্বস্তির শ্বাস ফেলল বার্নে পৌঁছে। পিকআপটা নিয়ে কাজ করছে টনি ডায়েস।

    জ্যাকের সাহায্যে উঁচু করা হয়েছে গাড়ির সামনের দিকটা। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দু’টুকরো লাকড়ি ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে ফ্রন্ট-অ্যাক্সেলের নিচে।

    ‘খেয়াল করলাম, বিয়ারিঙের কাজটা শেষ করেননি আপনি,’ সাফাই গাইল টনি। ‘কিছু মনে করেননি, আশা করি… কাজটা ফেলে রাখতে ইচ্ছা করল না আরকী।’

    ‘না-না… অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি তো বরং উপকারই করলেন আমার।’

    ‘গ্রিজ আছে আর?’

    ‘হুম… দাঁড়ান, দিচ্ছি।’

    ওয়ার্কবেঞ্চের দিকে হেঁটে গেল অ্যালবার্ট। একটা ক্যাবিনেট খুলল ও বেঞ্চের ঠিক উপরের। একটা ক্যান বের করে আনল তাক থেকে। মুখটা খুলতে খুলতে ফিরে এল আগের জায়গায়, টনি ডায়েসের হাতে দিল কৌটোটা।

    ‘থ্যাঙ্কস,’ বলল টনি।

    কাঠের এক ক্রেট টেনে নিল অ্যালবার্ট পাশ থেকে। ওটায় বসে দেখতে লাগল ডায়েসের কাজকর্ম।

    ‘মেরির কাছে শুনলাম… আপনি নাকি যাজক হতে চেয়েছিলেন?’ একটু পরে জিজ্ঞেস করল অ্যালবার্ট।

    ভাবল ডায়েস এক মুহূর্ত। আলাপ করবে কি না এ নিয়ে, চিন্তা করছে।

    ‘ইচ্ছা তো ছিল সেরকমই,’ মুখ খুলল অতঃপর। ‘কিন্তু অভিষেক-অনুষ্ঠানের সময় যত ঘনিয়ে এল, সন্দেহ জমতে শুরু করল মনে। একটা পর্যায়ে উপলব্ধি করলাম, দায়িত্বটা নেয়ার জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত নই আমি। যতটা প্রয়োজন, ততটা মনের জোর নেই আমার। সুতরাং, পিছিয়ে আসি ওখান থেকে।’

    ক’টা মুহূর্ত কেটে গেল চুপচাপ। তার পর বলল অ্যালবার্ট: ‘টাক না পড়া তক মাথার সব চুল ছিঁড়লেও বুঝতে পারব না আমি, কেন আপনি এ কাজ করছেন ওটার বদলে… এই সব ভূতপ্রেত নিয়ে…

    ‘মনে করে দেখুন তো, ছোট বেলায় এরকম কোনও ভয় কাজ করত কি না আপনার মনে… ভয় পেতেন কি না বিছানার পাশ দিয়ে হাত ঝুলিয়ে দিতে! কারণ, তখন আপনার মনে হতো, খাটের নিচ থেকে কিছু একটা বেরিয়ে এসে আঁকড়ে ধরবে হাত… ‘

    সন্দিহানভাবে মাথা দোলাল অ্যালবার্ট।

    ‘ওয়েল… ঠিক তা-ই হয়েছিল আমার ক্ষেত্রে।‘

    ‘সরি?’

    ‘কিছু একটা খপ করে হাত চেপে ধরেছিল আমার।’

    চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে অ্যালবার্ট, নির্বিকার চেহারায় বিয়ারিঙের উপর গ্রিজ ঢালল টনি।

    ‘টান দিয়ে মেঝেতে নামিয়ে এনেছিল আমাকে ওই জিনিস-টা। ওটা যে আসলে কী ছিল, বুঝতে পারিনি আমি। এত অন্ধকার ছিল বিছানার নিচটা!

    ‘…টান দিয়ে ছুটিয়ে আনলাম হাতটা। তার পর ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পালালাম কামরা থেকে।

    ‘বাবা বিশ্বাস করেননি আমাকে। তিনি করলেন কী, টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেলেন আমাকে কামরাটায়। নিষ্ঠুরভাবে জানিয়ে দিলেন, অজানা ভয়টার মুখোমুখি হতে হবে – আমাকে। সোজা কথায়, জয় করতে হবে ভয়কে।

    ‘বিছানার চাদরের নিচে গুটিসুটি মেরে গোর দিলাম নিজেকে। ভয়ে, মনে হচ্ছিল, মারাই যাব। তখনও খাটের নিচে আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি ওটার। তার পর মনে পড়ল আমার, একবার এক নান কী বলেছিল আমাকে। সকলের

    তরে সর্বত্র বিরাজমান ঈশ্বর। তিনিই তোমার রক্ষাকর্তা।

    ‘নাইটস্ট্যাণ্ড থেকে তুলে নিলাম রডম্যান ক্রোকেট চাকুটা। বিছানা থেকে নেমে এসে উঁকি দিলাম খাটের তলে। চিৎকার করে শাসালাম, যা-ই থাকুক না কেন ভিতরে, এক্ষুনি যদি চলে না যায়, লাথি মেরে তাড়াবেন ওটাকে খোদা। বার বার বলতে লাগলাম কথাগুলো। শেষ পর্যন্ত চলে গেল ওটা, চিরতরে। কখনোই ফিরে আসেনি আর।’

    ফিরে তাকাল টনি অ্যালবার্টের দিকে।

    ‘সঠিক কাজটাই করেছিলেন বাবা আমার জন্য, জীবনের সেরা শিক্ষাটা দিয়েছিলেন আমাকে। এর পর থেকে বিশ্বাস রাখতে শুরু করলাম সৃষ্টিকর্তার উপরে… প্রতিটি দিন… প্রতিটি মুহূর্তে। আর… আরেকটা কাজ করছি তখন থেকে আজ অবধি… তলাটা পরীক্ষা করছি খাটের।’

    হাতের কাজ শেষ হয়েছে টনির। ঢাকনা লাগিয়ে দিল ও বিয়ারিঙের।

    নুড়ির উপরে টায়ারের মড়মড় আওয়াজ কানে এল ওদের।

    দেখার জন্য বাইরে বেরোল অ্যালবার্ট।

    মাইকেলের ভ্যানটা নিয়ে বাইরে থেকে ফিরে এসেছে ও আর পিটার।

    আটাশ

    কফিমগ হাতে কিচেনে ঢুকল পিটার। হাই তুলল ক্লান্তিতে।

    তিনটা বেজে দশ মিনিট দেখাচ্ছে কাউন্টারের ঘড়িটা। আরেক মগ কফি নিল ও পট থেকে। ফ্রিজের সবচেয়ে উপরের তাকটা থেকে বের করল দুধের কার্টনটা। রাখল ওটা মগটার পাশে। এবারে ঘুরল সিঙ্কের উপরের তাকটার দিকে। চিনি নেবে। কিন্তু যেই না বাড়াতে গেছে হাত-

    জোরাল এক প্রতিধ্বনি হলো দড়াম্‌ম্‌ম্‌ করে।

    লাটিমের মতো বোঁ করে ঘুরে গেল পিটার পারকার।

    খোলাই ছিল ফ্রিজের দরজাটা ওর পিছনে, বন্ধ এখন!

    একই সঙ্গে বিস্মিত আর বিভ্রান্ত দেখাল অফিসার পারকারকে। কারণ, ও ছাড়া দ্বিতীয় কোনও প্রাণী নেই রান্নাঘরে!

    এবার আবিষ্কার করল, কার্টুনটা উধাও হয়ে গেছে মগের পাশ থেকে!

    টপ…. টপ… টপ… টপ করে একটা আওয়াজ পুনরায় মনোযোগ ফেরাতে বাধ্য করল ফ্রিজটার দিকে।

    বন্ধ ফ্রিজ চুইয়ে মেঝেতে নামছে দুধের ধারা!

    কম্পিত পায়ে এগিয়ে গেল অফিসার। দ্বিধা করল একটা মুহূর্ত। তার পর এক টানে খুলে ফেলল ফ্রিজের দরজা।

    টপ-শেলফে ফিরে এসেছে কার্টুনটা!

    কিন্তু পুরোপুরি ভচকে গেছে ওটা! ছলকে পড়ে একাকার ভিতরের শুভ্র তরল।

    ঊনত্রিশ

    ঝড়ের বেগে লিভিং রুমে প্রবেশ করল পিটার। তাকাল ওখানে উপস্থিত টনি, তাহিতি, রোজমেরি আর অ্যালবার্টের দিকে। সোফায় বসে ছিল ওরা; অফিসারের হাবভাব আর চেহারার অভিব্যক্তি দেখেই বুঝতে পারল, কিছু একটা ভজকট হয়েছে। মাইকেলও চোখ তুলে তাকাল মনিটর থেকে।

    ‘ক্-কিছু একটা… কিছু একটা ঘোরাফেরা করছে রান্নাঘরে!’ হড়বড় করে বলল পিটার পারকার। ‘ইধার কা মাল উধার করে দিচ্ছে!’

    .

    তাহিতি, টনি আর মাইকেলের পিছন পিছন ফের কিচেনে এসে হাজির হলো পিটার। আপনা-আপনি চোখ চলে গেল ওর ফ্রিজের দিকে

    দুধ আর চোয়াচ্ছে না ওখান থেকে!

    সত্যি বলতে, এক ফোঁটা দুধ পর্যন্ত পড়ে নেই মেঝেতে!

    সাঁত করে পিটারের দৃষ্টি সরে গেল কাউন্টারের দিকে।

    কফিমগটার পাশেই দুধের ওই কার্টনটা, ঠিক যেখানে রেখেছিল ওটা পুলিস অফিসার!

    ‘কসম কেটে বলছি,’ বলল লোকটা মরিয়ার মতো। ‘মোটেই ছিল না ওখানে কার্টনটা। ওটা ছিল ফ্রিজের মধ্যে… পুরোপুরি ভচকানো অবস্থায়… দুধ ছড়িয়ে যা-তা অবস্থা!’

    মজা পেয়ে গেছে মাইকেল। চটাস করে চুটকি বাজিয়ে বলল, ‘সম্ভবত চূড়ান্ত কিছু শুরু করার আগে খসড়া এটা। …এই তো চাই!’

    জবাবে কী বলবে, ভেবে পেল না অফিসার।

    টনি আর মাইকেল বেরিয়ে যাচ্ছে কিচেন থেকে, পিছন পিছন তাহিতিও, আলতোভাবে মহিলার কাঁধ স্পর্শ করে থামাল ওকে পারকার।

    বুকে হাত বেঁধে ঘুরে দাঁড়াল তাহিতি।

    ‘একটা সেকেণ্ড কথা বলতে পারি আপনার সঙ্গে?’ বলল অফিসার কাতর গলায়।

    ‘শিয়োর।’

    অন্যরা দূরে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল পিটার। তার পর শুরু করল:

    বেসবলের ব্যাপারে ঠিকই বলেছিলেন আপনি! ওই P আর C হচ্ছে ফিল কলিনস। আমার যখন দশ বছর বয়স, ওয়ার্ল্ড সিরিজ দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল আমাকে বাবা—খেলাটা ছিল ইয়াঙ্কি আর ডজারদের মধ্যে। মাঠের বাম ধারে বসেছিলাম আমরা, টিকেটের দাম ছিল দুই ডলার। হিট করেই জয়সূচক রান নিচ্ছে কলিনস, বাবা ধরে ফেলে বলটা, ধরেই তুলে দেয় আমার হাতে। জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মরণীয় দিন ছিল সেটা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Next Article ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    Related Articles

    ডিউক জন

    ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    সুবৰ্ণ সমাধি – ডিউক জন

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }