Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদেখা ভুবন – ডিউক জন

    ডিউক জন এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অদেখা ভুবন – ১.৩০

    ত্রিশ

    হলওয়েতে, ক্যামেরা-ট্রাইপডের উপর বসানো ইএফডি মিটারের কাঁটা কাঁপাকাঁপি করতে লেগেছে ওয়ান পয়েন্ট সেভেন মেগাহার্টজের ঘর ছাড়িয়ে। এক পর্যায়ে এক লাফে স্পর্শ করল দশের ঘরের বাইরের প্রান্ত।

    সঙ্গে সঙ্গে শটাশট ফ্ল্যাশ জ্বলতে লাগল ক্যামেরার। মোটর ড্রাইভের ক্লিক ক্লিক আওয়াজটা মিশে যেতে লাগল ফ্ল্যাশের শব্দটার সঙ্গে।

    আলোর আচমকা ঝলকানি আর আওয়াজটা কিচেনের বাইরে তাকাতে বাধ্য করল পিটার আর তাহিতিকে। চট করে হলওয়েতে বেরিয়ে এল মহিলা। সঙ্গে সঙ্গেই হল-এর ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ ঝলসে উঠল আরেক বার।

    সিঁড়ির তলায় এসে দাঁড়িয়েছে টনি আর মাইকেল। ওদেরও দৃষ্টি সেঁটে আছে ক্যামেরার দিকে।

    এক সেকেণ্ড বাদে, সিঁড়ির মাথায় বসানো ক্যামেরাটাতেও ঝলসাতে শুরু করল ফ্ল্যাশ!

    ‘উপরে উঠছে ওটা!’ বলল টনি উত্তেজিত স্বরে।

    দ্রুত লিভিং রুমে এসে যোগ দিল ও রোজমেরি আর অ্যালবার্টের সঙ্গে। মনিটরে আঠার মতো আটকে আছে ওদের বিস্ফারিত চোখের দৃষ্টি। অন্ধকার হলওয়েতে বারংবার ফ্ল্যাশ মারছে ক্যামেরা—সেটাই দেখাচ্ছে ভিডিয়োর পরদা।

    পিটার, তাহিতি আর মাইকেল এসে হাজির হলো টনির পিছনে।

    ‘ওহ, মাই গড!’ আঁতকে উঠল রোজমেরি।

    সিলভিয়ার কামরা দেখতে পাচ্ছে ওরা মনিটরে। ছোট বোনের সঙ্গে শান্তির ঘুম ঘুমাচ্ছে মেয়েটা। রোজমেরির আঁতকে ওঠার কারণটা হলো—মেয়ে দুটোর নিঃশ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসা বাষ্প। ঠাণ্ডা হয়ে এসেছে সিলভিয়া আর সিনথিয়ার শ্বাসপ্রশ্বাস।

    ‘এত দ্রুত কখনও তাপমাত্রা নেমে যেতে দেখেছি বলে মনে পড়ছে না আমার!’ উত্তেজিত কণ্ঠে স্বীকার করল মাইকেল।

    এবার ফ্ল্যাশ করতে শুরু করল মেয়েদের কামরার ক্লজিটে রাখা ক্যামেরাটা। ফস… ফস… ফস… ফস আওয়াজের সঙ্গে উজ্জ্বল সাদা আলোর ঝলকানি।

    নড়ে উঠল মেয়েরা।

    স্থির থাকা কঠিন হয়ে উঠল অ্যালবার্টের জন্য।

    আচমকা চোখ দুটো খুলে গেল সিলভিয়ার। ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসল মেয়েটা। চেহারায় বিভীষিকার ছায়া। বাতির কাঁপা কাঁপা আলোয় ছাড়া ছাড়া একটা অবয়ব দেখতে পাচ্ছে কোনও কিছুর, জানালার বাইরে থেকে তাকিয়ে আছে যেটা ঘরের ভিতরে!

    জানোয়ার ওটা, অন্য কোনও ভুবনের! ছায়ার রূপে এর আগেও দেখা দিয়েছিল সিলভিয়াকে।

    চিল-চিৎকার দিয়ে উঠল মেয়েটা।

    তড়াক করে বিছানায় উঠে বসেছে এবার সিনথিয়া। ঠিক তক্ষুনি স্লাইড-বোল্টের জোরাল আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হতে লাগল অনবরত। খুলছে আর বন্ধ হচ্ছে ওটা নাগাড়ে।

    শব্দটা আসছে ক্লজিট থেকে। পাজি কোনও বাচ্চার কাণ্ডকারখানা যেন, বাজনা বাজাচ্ছে হুড়কো দিয়ে।

    আর অপেক্ষা করা সম্ভব হলো না অ্যালবার্টের পক্ষে। ছিটকে বেরোল ও কামরা থেকে।

    হঠাৎ করেই থেমে গেল গোলমালের ধাতব আওয়াজটা। নেমে এল শান্তির নীরবতা।

    বন্ধ হয়ে গেছে ফ্ল্যাশের ঝলকানিও। অন্ধকারে ডুবে গেছে আবার কামরাটা।

    অন্ধকারেই তীরবেগে ছুটে বেরোল মেয়েরা নিজেদের কামরা থেকে। ততক্ষণে অ্যালবার্টও পৌঁছে গেছে হলওয়েতে। ঝাঁপিয়ে পড়ল ওরা বাপের বাহুডোরে।

    হল-এর শেষ মাথায় বসানো ক্যামেরাটার ফ্ল্যাশ জ্বলে উঠল একটি বার।

    অদৃশ্য-আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠল মেয়ে দুটো।

    সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে টনি, আরেক বার ফ্ল্যাশ জ্বলল ল্যাণ্ডিঙে বসানো ক্যামেরাটায়। তার এক সেকেণ্ড পর নিচের হলওয়েতে উজ্জ্বল আলো জ্বলে ওঠায় ওদিকে মনোযোগ চলে গেল টনির।

    আরও ফ্ল্যাশ জ্বলার জন্য অপেক্ষা করছে ও। কিন্তু আর জ্বলে উঠল না আলো।

    বৈঠকখানা থেকে বেরিয়ে এসে উপরে তাকাল তাহিতি—স্বামীর দিকে।

    ‘যা-ই হোক না কেন, নিচে নেমে গেছে জিনিসটা,’ বলল টনি গম্ভীর মুখে।

    একত্রিশ

    অ্যালবার্টের কোলে সিনথিয়া, নিজেদের বিছানার প্রান্তে বসে আছে লোকটা। অন্য দিকে সিলভিয়াকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে রোজমেরি, বসেছে বিছানার আরেক কিনারে।

    তাকাল অ্যালবার্ট বউয়ের দিকে। ‘রোজি…’

    দু’জোড়া চোখ মিলিত হলো পরস্পরের সঙ্গে।

    কীভাবে বলবে কথাগুলো, বুঝতে পারছে না অ্যালবার্ট। ভিতরটা হাতড়ে খুঁজে পাচ্ছে না কোনও শব্দ বা বাক্য।

    ‘…বলতে হবে না, ডারলিং,’ শেষমেশ মুখ খুলল রোজমেরি। ‘বুঝতে পেরেছি আমি।’

    .

    নিজের সামনে একখানা ইএফডি বাড়িয়ে ধরে সিলভিয়ার ক্লজিটের দিকে এগোচ্ছে মাইকেল ধীর পায়ে। এগোতে এগোতে দৃশ্যটা ভিডিয়ো করছে পিটার পারকার।

    ক্লজিটের পিছনের দেয়াল ভালো মতো দেখার জন্য কাপড়গুলো এক পাশে সরিয়ে দিল মাইকেল।

    কামরার প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে ট্রাইপডে বসানো ক্যামেরা থেকে ফিল্ম আনলোড করছে টনি—দেখছে তাহিতি।

    ইএফডি সরিয়ে ফেলল মাইকেল দেয়ালের কাছ থেকে।

    ‘নাহ, পাওয়া গেল না কিছু,’ রিপোর্ট করল ঠোঁট উল্টে।

    এ সময় অ্যালবার্ট এসে মিলিত হলো ওদের সঙ্গে।

    কেমন আছে মেয়েরা?’ জিজ্ঞেস করল তাহিতি।

    ‘আগের চাইতে ভালো,’ বলল ওদের বাবা।

    তাকাল টনি লোকটার দিকে। ‘কসম কেটে বলছিল ওরা, ক্লজিটের ভিতর থেকেই শোনা যেত হুড়কোর আওয়াজটা…’

    ‘…হ্যাঁ।’

    ‘কিছু কি আছে দেয়ালের ওই পাশে?’ প্যানেলের গায়ে আঙুলের গাঁট দিয়ে টোকা দিল টনি।

    ‘কোনও ধারণা নেই আমার।’ অনিশ্চিতভাবে কাঁধ ঝাঁকাল অ্যালবার্ট

    ‘পরীক্ষা করে দেখলে আপত্তি আছে?’

    ‘ভেঙেও যদি ফেলেন, কিচ্ছু যায় আসে না তাতে!’ চোয়াল শক্ত হলো মিস্টার কুপারের।

    .

    খানিক বাদেই মজবুত কাঠের প্যানেলিঙের একটা অংশে হাতুড়ির সাহায্যে কসরত করতে দেখা গেল টনি ডায়েসকে। দেয়াল থেকে খসিয়ে আনার চেষ্টা করছে ও ওই অংশটা। আলগা করার জন্য বার বার প্যানেলটার উপরে-নিচে হাতুড়ির চ্যাপ্টা মাথাটা ঢুকিয়ে চাড় দিতে লাগল।

    শেষমেশ আলাদা করতে পারল টেনে।

    সবার আগে ভিতরে তাকাল তাহিতি।

    আরেকটা দেয়াল ওপাশে। দুই ফুট বাই দুই ফুট মাপের ছোট এক ট্র্যাপডোর দেখা যাচ্ছে দেয়ালের গায়ে। বাইরে থেকে হুড়কো লাগানো দরজাটায়।

    চোখ বুজল তাহিতি।

    বেজায় মোটা হাতের এক মহিলা, সসেজের মতন যার আঙুলগুলো, রাগের সঙ্গে দড়াম করে লাগিয়ে দিল দরজাটা। তার পর আটকে দিল ল্যাচ টেনে…

    অন্যরাও উঁকিঝুঁকি মারতে শুরু করেছে মহিলার দু’পাশ থেকে।

    ট্র্যাপডোরের সামনে হাঁটু গেড়ে বসল টনি। খুলে দিল ল্যাচটা। তার পর ধীরে ধীরে খুলে ফেলল দরজাটা।

    এত অন্ধকার যে ভিতরটা, বোঝাই যায় না, কী রয়েছে ওপাশে।

    ‘কেউ কি একটা ফ্ল্যাশলাইট আনতে পারবে?’ চাইল ও।

    ‘আনছি,’ বলল অ্যালবার্ট। ‘আমাদের ঘরে একটা আছে।’

    কিছুক্ষণের জন্য অদৃশ্য হয়ে গেল ও।

    স্বামীর কাঁধে হাত রাখল তাহিতি। ‘আমি ঢুকতে চাই ওখানে।’

    ছোট একটা ফ্ল্যাশলাইট নিয়ে গৃহস্বামী ফিরে এলে হামাগুড়ি দিয়ে মেঝেতে বসল তাহিতি। লাইটটা তুলে দিল অ্যালবার্ট ওর হাতে।

    যন্ত্রটার সুইচে বুড়ো আঙুল দাবাল মহিলা। আলো ফেলল খোলা দরজা দিয়ে।

    চারপাশে কাঠঘেরা, গুড়ি মেরে এগোনোর মতো সঙ্কীর্ণ এক পথ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আলো।

    শরীরের উপরের আধখানা ভিতরে ঢুকে গেল তাহিতির, হাতে ধরা ফ্ল্যাশলাইটটা আলোকিত করে রেখেছে সামনেটা।

    এত সরু জায়গা দিয়ে এগোনো কষ্টসাধ্য কাজ। তার পরও এগিয়ে চলেছে তাহিতি। কারণ, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, প্রশস্ত কোনও স্পেসে শেষ পর্যন্ত উন্মুক্ত হতে চলেছে পথটা।

    ‘কোনও ধরনের কামরা মনে হচ্ছে,’ বিড়বিড় করল মহিলা।

    কোনও রকম আভাস না দিয়েই অকস্মাৎ নিভে গেল লাইটটা। ঘুটঘুটে অন্ধকারে তলিয়ে গেল তাহিতি।

    হাতের তালু দিয়ে বার কয়েক বাড়ি দিল মহিলা। আলোয় আলোকিত হলো আবার সঙ্কীর্ণ জায়গাটা।

    আলোটা সামনে ধরতেই উদ্বেগ আর আতঙ্কে ভরা বাচ্চা দুটো ছেলেমেয়েকে দেখতে পেল তাহিতি, হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসছে ওরই দিকে!

    সোজা মহিলার শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গেল দু’জনে!

    এদেরকেই ছবিতে দেখেছিল তাহিতি!

    কাঁপছে যুবতী। তার পরও অব্যাহত রাখল এগোনো।

    এক সময় পৌছে গেল গুপ্ত কামরাটায়।

    ধীরে ধীরে সিধে হয়ে দাঁড়াল তাহিতি। অন্ধকারের চার ভাগের এক ভাগ মাত্র দূর করতে পারছে ফ্ল্যাশলাইটের দুর্বল আলো, সর্বত্র ছড়ানো মাকড়সার জালগুলোর গায়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসছে।

    পুরানো, ধুলোময় কম্বল রাখা অস্থায়ী এক বিছানার উপর গিয়ে পড়ল আলোটা। সুন্দর দেখতে একটা খেলনা বিছানাটার উপরে।

    কাছে গিয়ে তুলে নিল ওটা তাহিতি। আরও খেলনা রাখা কাঠের একটা বাক্স চোখে পড়ল ওর বিছানাটার পাশে।

    ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চারপাশে আলো ফেলল মহিলা। আবিষ্কার করল, সব ক’টা দেয়ালেই আঁকাবাঁকা অক্ষরে একই বাক্য লেখা ক্রেয়ন দিয়ে। উপরে, নিচে, ডাইনে, বাঁয়ে—সবখানে বার বার লিখে ভরিয়ে ফেলা হয়েছে দেয়ালগুলো।

    কাছে গেল তাহিতি। এবার বুঝতে পারছে, কী লেখা রয়েছে দেয়ালে।

    সরি, মা।

    সরি, মা।

    সরি, মা।

    সরি, মা…

    থমকে গেল তাহিতি। কিছু যেন অনুভব করছে ও। আস্তে করে দেয়াল থেকে আলোটা সরিয়ে ফেলল কবজির উপর।

    দাঁড়িয়ে গেছে রোমগুলো।

    এক সেকেণ্ডের জন্য বিট মিস করল হার্টটা।

    আরও কিছু একটা দেখতে পেয়েছে ও চোখের কোনা দিয়ে…

    কবজি থেকে আলোটা গিয়ে পড়ল এবার পিছনে, মেঝের উপর। রোজামাণ্ডের নোংরা, হাড়সর্বস্ব নগ্ন পা জোড়া দেখতে পেল মহিলা আস্তে করে ঘাড়টা ঘুরিয়ে; মনে হচ্ছে, মূর্ছা যাবে।

    ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই আগ্রাসীভাবে দেয়ালের মধ্যে সেঁধিয়ে গেল রোজামাণ্ড!

    অবিশ্বাস্য এই দ্রুততা কাঁপিয়ে দিল ফ্ল্যাশলাইটটাকে। হাত থেকে খসে মেঝেতে পড়ে গেল ওটা। বদ্ধ কামরায় আওয়াজ হলো বিকট।

    বত্রিশ

    আওয়াজটা কানে যেতেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হলো টনির। চট করে মাথা ঢুকিয়ে দিল ও ট্র্যাপডোরের ভিতর।

    ‘তাহিতি….?’ ডেকে উঠল উৎকণ্ঠিত গলায়।

    .

    যে মুহূর্তে হামাগুড়ি দিয়ে গুপ্ত কামরাটায় পৌঁছাল টনি, ঠিক সে-মুহূর্তেই ফ্ল্যাশলাইটটা খুঁজে পেল তাহিতি।

    ‘ঠিক আছি আমি,’ স্বামীকে আশ্বস্ত করল মহিলা। এক সেকেণ্ড পর বলল, ‘এটা ওই মহিলা, টনি!’

    তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে টনির স্ত্রী। ভালো মতন ঝাঁকি খেয়েছে একটু আগের অভিজ্ঞতাটায়।

    ‘কোনও কিছুকে এত অশুভ বোধ করিনি এর আগে!’ আবার বলল মহিলা। ‘এ-বাড়ি থেকে তাড়াতে হবে ওটাকে…..

    ট্র্যাপডোর দিয়ে বেরিয়ে এল টনি আর তাহিতি।

    মাইকেলের দিকে চাইল টনি সরাসরি।

    ‘সব ক’টা ক্যামেরা এক করো, মাইক। দেখতে চাই, কী পেয়েছি আমরা!’

    .

    ত্বরিত তৎপরতায় নিচতলার বাথরুমটাকে ছোট এক ডার্করুমে পরিণত করছে টনি আর মাইকেল। সম্যক ধারণা রয়েছে ওদের নিজেদের কাজ সম্বন্ধে

    একটা ফোটো এনলার্জার রাখা হয়েছে কাউন্টারে। পাশেই তিনখানা সলিউশনের ট্রে পর পর সাজানো। এ ছাড়া শাওয়ারের রড থেকে ঝুলছে ছোট একটা রশি।

    তিনটে ট্রের একটাতে ডেভেলপার ঢালছে মাইকেল, এদিকে বালব লাগানো শেষ হয়েছে টনির। দেয়ালের সুইচ চাপতেই গাঢ় লালচে আলোয় ডুবে গেল ভিতরটা।

    .

    লিভিং রুমে, মনিটরের সামনে বসে আছে তাহিতি; মাস্টার বেডরুম দেখাচ্ছে যেটাতে, চেয়ে রয়েছে ওটার দিকে। বিছানায় শোয়া ঘুমন্ত সিনথিয়াকে বুকের কাছে জড়িয়ে ধরে রেখেছে ওর বাবা। নিদ্রামগ্ন সিলভিয়াকেও একইভাবে আলিঙ্গনে বেঁধেছে পাশে শোয়া রোজমেরি। খোলা জানালা দিয়ে ভেসে আসছে ঝিঁঝি আর ব্যাঙের সঙ্গত।

    জোরাল এক থপ-থপ আওয়াজ বাইরে তাকাতে বাধ্য করল তাহিতিকে। দেখতে পেল, গোলাঘরের পাশের মাটিতে দাপাদাপি করছে কিছু একটা; ধুলো উড়ছে তার ফলে। যেন কোনও ধরনের জোর-জবরদস্তি হচ্ছে ওখানে!

    এক পেয়ালা ধূমায়িত কফি হাতে কামরায় প্রবেশ করলে পিটার পারকারের দিকে তাকাল মহিলা।

    ‘কিছুক্ষণের জন্য চোখ রাখবেন মনিটরে? আসছি আমি এখুনি।’

    বেরিয়ে গেল তাহিতি কামরা ছেড়ে।

    .

    যেখানটায় দাপাদাপি হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, সেদিকে এগোচ্ছে তাহিতি।

    প্রতিটা পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে থিতিয়ে আসছে যেন তোলপাড়টা।

    যখন পৌছাল ওখানে, থেমে গেল একদম।

    জিনিসটা কী, বুঝতে পারছে এখন তাহিতি। বিশাল এক গোলাঘরের-পেঁচা।

    ঘাড়টা ভাঙা। চোখ দুটো বিস্ফারিত।

    মরে গেছে পাখিটা।

    আফসোসের একটা অভিব্যক্তি খেলে গেল তাহিতির চেহারায়। তার পরই কানে এল ওর দূরাগত একটা সম্মিলিত কণ্ঠের আওয়াজ: যন্ত্রণাকাতর; আতঙ্ক আর উদ্বেগে ভরা।

    আওয়াজটা অনুসরণ করে গোলাবাড়িটার পিছনদিকে চলে এল তাহিতি।

    গাছ আর গুল্মলতার পুরু দেয়ালের ওপাশে পুরানো এক পরিত্যক্ত পায়ে-চলা পথের আভাস পাওয়া যাচ্ছে যেন, চলে গেছে গাছপালার ভিতর দিয়ে

    সামনে এগোল তাহিতি।

    .

    জঙ্গলাকীর্ণ পথটা ধরে যতই এগোচ্ছে, ততই বেড়ে চলেছে আওয়াজটা। আগ্রাসী ডালপাতা সরিয়ে কষ্টেসৃষ্টে এগিয়ে চলেছে তাহিতি। দেখতে চায়, কী রয়েছে পথটার শেষে।

    ছোট এক ফাঁকা জায়গায় বেরিয়ে এল ও এক পর্যায়ে।

    কোত্থেকে আসছে আওয়াজটা?

    ভাঙাচোরা পাথরের দেয়াল আর আগাছার জঙ্গল-ঘেরা পুরানো এক কবরখানা তাহিতির সামনে। অন্তত চল্লিশটা কবরফলক হবে ওর ভিতরে। কিছু ভেঙে গেছে, নড়বড়ে হয়ে পড়েছে কোনোটা, কিছু আবার কালের প্রবাহে ধুলোয় মিশে যা ওয়ার অপেক্ষায়।

    গলার আওয়াজটা কবরখানার ওপাশে কোথাও থেকে আসছে বলে মালুম হচ্ছে।

    ঢুকে পড়ল তাহিতি গোরস্তানের মধ্যে।

    জমিনের উপর দিয়ে ঝরাপাতা ঝেঁটিয়ে নিয়ে চলেছে বাতাস। বিশেষ একটা সমাধিফলক মনোযোগ আকর্ষণ করল মহিলার।

    কার কবর, পড়ল ও নামটা।

    রোজামাণ্ড ওয়াইল্ডার!

    সম্মোহিতের মতো এগিয়ে যাচ্ছে তাহিতি কবরটার দিকে। এদিকে সমস্বরে হয়ে চলা আওয়াজটা জোরাল হচ্ছে ক্রমেই। কানে যেন তালা লাগার জোগাড়।

    অকস্মাৎ থেমে গেল সমস্ত আওয়াজ। মৃত্যুর মতো নীরবতা নেমে এসেছে যেন চারপাশে।

    সাহস হারাতে শুরু করেছে তাহিতি। কিছু একটা যেন অনুভব করছে ও। কারও উপস্থিতি। কাছে… খুব কাছে…

    চারপাশের গাছপালাগুলো জরিপ করল তাহিতি। কিন্তু সমস্ত কিছুকেই গ্রাস করে নিয়েছে রাতের ছায়া।

    তাকিয়ে রইল তা-ও। কারণ, ও জানে, গাছগুলোর ঠিক ওপাশে রয়েছে কিছু একটা।

    এক মুহূর্ত পর ঘুরল মহিলা রোজামাও ওয়াইল্ডারের কবরটার দিকে।

    কবরফলকের সামনের মাটি ভেদ করে উঁকি দিচ্ছে কী যেন।

    ছোট এক বাচ্চার হাত ওটা! আধেক ঢাকা পাতা আর ময়লায়।

    হাতটার রং ফ্যাকাসে সাদা, নখগুলো ভাঙা ভাঙা, সম্পূর্ণ কালো হয়ে আছে নোংরায়।

    আরও কিছু পাতা উড়ে গেল জমিনের উপর দিয়ে আরেকটু উন্মুক্ত হয়ে পড়ল কোনও রকমে কবর দেয়া শরীরটা।

    ইঞ্চি কয়েক কাছিয়ে গেল তাহিতি।

    সত্যিই বাচ্চা এক মেয়ের লাশ ওটা। উল্টো দিকে কাত হয়ে রয়েছে মাথাটা। জট পাকানো চুলগুলো লেপটে রয়েছে পোরসেলিন-সাদা মুখের পাশে।

    ভালো করে দেখার জন্য ঘুরে ওদিকটায় চলে গেল তাহিতি। হ্যাঁ, এবারে দেখতে পাচ্ছে ছোট্ট মেয়েটির মুখটা…

    ভয় আর আতঙ্কে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে তাহিতি।

    এ যে ওরই মেয়ে! ছোট্ট এমিলি!

    ডুকরে উঠল মহিলা।

    বিচিত্র একটা ব্যাপার ঘটতে আরম্ভ করল তখন। ধূসর হতে শুরু করল মৃত মেয়েটির ফ্যাকাসে ত্বক। গাঢ় হতে হতে হয়ে গেল ছাইয়ের মতো। এক ঝলক বাতাস এসে ধুলোর মতো উড়িয়ে নিয়ে গেল এমিলিকে! চতুর্দিকে ছড়িয়ে গেল মৃত দেহটার প্রতিটি কণা।

    শরীর আর সত্তা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল তাহিতির। কিছু যেন পরিষ্কার হয়ে আসছে ধীরে ধীরে। উপলব্ধিটা স্থবির করে দিল ওকে কয়েক মুহূর্তের জন্য। তার পর উল্টো ঘুরে ছুট লাগাল মহিলা, ঠিক যেদিক থেকে এসেছিল।

    তেত্রিশ

    বুনো একটা ঢাল বেয়ে ফিরে আসার পথ খোঁজার প্রয়াস পাচ্ছে তাহিতি, চারদিক থেকে জামাকাপড়ে ডালের থাবা বসাতে চাইছে যেন ঝুঁকে আসা গাছপালাগুলো।

    হঠাৎ করেই ঢালের মাথায় দেখতে পেল মহিলা গোলাটাকে।

    আর, দেখা মাত্রই বিদ্যুৎ খেলে গেল শরীরে। সোজা গায়ের জোরে উড়িয়ে দিল ও সামনে পড়া ডালপাতার প্রতিবন্ধকতা। জঙ্গলের বুনট ভেদ করে উঠে এল ঢালের উপরে।

    থামল না এর পরও। প্রাণপণে বাড়ির দিকে দৌড়ে চলল গোলাটাকে পিছনে ফেলে।

    সামান্য একটু গতি কমল কেবল বাড়িটার কাছাকাছি পৌঁছে। পরের সেকেণ্ডে আক্ষরিক অর্থেই আছড়ে পড়ল মহিলা সদর দরজাটার উপরে। বুলেটের বেগে ফয়ারে পা রেখেই ছুটল ও কিচেনের দিকে

    বৈঠকখানা থেকে সবই দেখল পিটার। বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল ও মহিলার এ বিক্ষিপ্ত উত্তেজনা দেখে।

    হাঁ করে শ্বাস নিতে লাগল তাহিতি কিচেনে পৌঁছে। সুস্থির হওয়ার আগেই ছোঁ মেরে তুলে নিল ফোনটা দেয়াল থেকে। ডায়াল করল ঝড়ের গতিতে।

    ঢুকল টনি কিচেনে এসে। ফেটে পড়ছে ও কৌতূহলে। কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, হাত তুলে থামিয়ে দিল ওকে তাহিতি। কানে ঠেসে ধরেছে ও ফোনটা।

    ‘মা!’ বলল ও ওদিককার উদ্দেশে। ‘তাহিতি বলছিলাম! …ঠিক আছে তো এমিলি?’ ঠোঁট কামড়ে ওপাশের কথা শুনল চুপচাপ। ‘আপনি কি একবার দেখে আসবেন, প্লিজ?’ ছটফট করছে মহিলা। ‘দোহাই, মা! দেখে আসুন না একটি বার!’ কাতর দৃষ্টিতে চাইল তাহিতি স্বামীর দিকে। বাধ মানছে না চোখের পানি। অপেক্ষা করতে লাগল ফোনটা কানে ধরে।

    ‘কী হচ্ছে, দয়া করে বলবে আমাকে?’ শুধাল টনি বিচলিত কণ্ঠে

    ‘এমিলি!’ কেঁদে ফেলবে যেন তাহিতি।

    ‘কী বলছ এসব! কী হয়েছে এমিলির?’

    ‘ওকে দেখেছি আমি! জঙ্গলের মধ্যে… ও… ও…’

    ফোনের ওপাশে আবার কথা বলে উঠলেন তাহিতির শাশুড়ি।

    ফোঁস করে স্বস্তির দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল তাহিতি।

    ‘থ্যাঙ্ক ইউ, মা!’ বলে উঠল কান্নাভেজা কণ্ঠে। ‘এভাবে আসলে ভয় পাইয়ে দিতে চাইনি আপনাকে!’ ওপাশের কথা শুনে বলল, ‘পরে ব্যাখ্যা করব সব কিছু। … ঠিক আছে, মা। গুডনাইট।’ আস্তে করে ঝুলিয়ে রাখল ও ফোনটা।

    ‘হয়েছেটা কী তোমার, বলো তো!’ রেগে উঠল টনি। ‘দেখে মনে হচ্ছে, ভূতের তাড়া খেয়েছ!’

    ‘ভয়ানক বিপর্যস্ত দেখাচ্ছে তাহিতিকে। এখনও অশ্রু গড়াচ্ছে দু’চোখ থেকে।

    ’গোলাঘরটার পিছনে একটা কবরখানা আছে। ওখানে দেখেছি আমি এমিলিকে… মৃত অবস্থায়! এখন আমি বুঝতে পারছি, কোনও ধরনের ওয়ার্নিং ছিল ওটা! অসংখ্য প্রেতাত্মা আটকা পড়ে আছে ওখানে! ওদের গলার আওয়াজ শুনতে পেয়েছি আমি! রোজামাণ্ড… জীবিত আর মৃত—দুই জগতেই আধিপত্য রয়েছে ওই মহিলার!’

    ‘এসব বন্ধ করতে হবে তোমার!’ কঠোর কণ্ঠে বলল টনি।

    ভ্যাবাচ্যাকা খেল তাহিতি। ‘বন্ধ করব! কী বন্ধ করব?’

    স্ত্রীর কাঁধে হাত রাখল টনি ডায়েস। ‘ওগুলো… ভালো করেই বুঝতে পারছ, কীসের কথা বলছি। আগেই সাবধান করেছিলাম তোমাকে।’

    ‘মনে করেছিলাম, কিছু হয়েছে আমাদের এমিলির…’

    ‘কিচ্ছু হয়নি….’

    আলতো করে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরল টনি। সহমর্মিতা প্রকাশ পাচ্ছে আলিঙ্গনে।

    ‘যতটুকু শক্তিশালী ওটা, তার চাইতে আরও বেশি ক্ষমতা যাতে না পেয়ে যায়…’ বলল টনি ফিসফিস করে। ‘তা হলে কিন্তু খারাপ হবে ব্যাপারটা।’

    চিন্তা করে দেখল তাহিতি। উপলব্ধিতে এল ওর টনির বলা কথাগুলো। ঠিকই বলছে লোকটা। মনের জোর না হারানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এখন। হালকা নড করল মহিলা স্বামীর উদ্দেশে।

    কিচেনে মাথা ঢোকাল অ্যালবার্ট, কোলে আধা-জাগ্রত সিনথিয়া।

    ‘ঠিক আছেন তো আপনারা?’ জিজ্ঞেস করল লোকটা। টনি তাকাল তাহিতির দিকে। ফের চাইল অ্যালবার্টের উদ্দেশে।

    ‘ইয়াহ।’ এক মুহূর্ত থামল ও কথাটা বলে। ‘আপনারা?’

    ‘জেগে গিয়েছিল সিনথিয়া। ভয় পাচ্ছিল একটু একটু…’

    চৌত্রিশ

    বাথরুমে।

    ডেভেলপারের ট্রেতে চোবানো একখানা ফোটো-পেপার চিমটা দিয়ে তুলে ধরল টনি। সিঁড়ির ছবি ফুটে উঠতে শুরু করেছে ওটাতে।

    এরই মধ্যে ডেভেলপ হওয়া আরেকখানা ছবি ওয়াশ-ট্রে থেকে তোলায় ব্যস্ত মাইকেল। শাওয়ারের রডে আটকানো রশিতে ক্লিপ দিয়ে আটকাল ও ছবিটা।

    দুটো ছবিই স্পষ্ট এখন।

    চিমটায় ধরা ছবিটাতে ফুটে ওঠা কিছু একটা চোখের কাছে এনে দেখতে বাধ্য করল টনিকে।

    কীসের জানি একটা অবয়ব মূর্ত হয়ে উঠছে সিঁড়ির উপরে।

    .

    শশব্যস্তে বসার ঘরে ফিরে এল টনি।

    ঘুমিয়ে পড়েছে সিনথিয়া। গুটিসুটি মেরে রয়েছে অ্যালবার্টের পাশের সোফায়। মেয়ের চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে বাবা।

    ধপ করে মনিটরের পাশের চেয়ারে বসল পিটার পারকার।

    কাছেই একটা আসন দখল করেছে তাহিতি। ও আর অ্যালবার্ট তাকাল টনির দিকে।

    ‘একটা জিনিস দেখা দরকার তোমাদের!’ বলল টনি ফিসফিসিয়ে।

    .

    কিচেন।

    টেবিল ঘিরে দাঁড়িয়েছে টনি, তাহিতি, অ্যালবার্ট আর রোজমেরি। তাকিয়ে আছে টেবিলে রাখা ফোটোগ্রাফটার দিকে।

    মাইকেল দাঁড়িয়ে আছে টেবিলের এক ধারে। ওর হাতে আরও দুটো ফোটোগ্রাফ।

    ‘এই ছেলেটাকেই দেখেছি আমি গুপ্ত কক্ষে,’ বলল তাহিতি।

    পুরোপুরি নিরেট নয় যদিও অবয়বটা—অর্ধস্বচ্ছ এবং ঘোলাটে, তার পরও চিনে নিতে একটুও কষ্ট হচ্ছে না মহিলার। নিশ্চিত করেই বলা যায়, ছবির এই চশমা পরা ছেলেটাই দেখা দিয়েছিল গোপন কক্ষটাতে।

    সিঁড়ির মাথায় দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটা। নামতে উদ্যত। ‘এবার এটা দেখুন।’ দ্বিতীয় আরেকটা ফোটোগ্রাফ রাখল মাইকেল।

    একই অ্যাঙ্গেল থেকে উঠেছে ছবিটা ক্যামেরায়। তবে এটায় পাঁচ কদম নেমে এসেছে ছেলেটি।

    আরেকটা পার্থক্য হচ্ছে—চশমাধারীর আতঙ্কিত চেহারা। কাঁধের উপর দিয়ে চেয়ে রয়েছে ও পিছনে। কেউ বা কিছু যেন রয়েছে সিঁড়ির মাথায়।

    ‘কী দেখছে ছেলেটা?’ নিজেকেই যেন জিজ্ঞেস করল অ্যালবার্ট।

    ‘এটা…’ তৃতীয় এবং শেষ ছবিটা টেবিলে ফেলল মাইকেল।

    এই ছবিতে ছেলেটা অনুপস্থিত। ওর বদলে অশুভ উপস্থিতি রয়েছে অন্য আরেক জনের।

    রোজামাণ্ড ওয়াইল্ডার! দাঁড়িয়ে রয়েছে সিঁড়ির একেবারে মাথায়।

    ছেলেটার মতোই অর্ধস্বচ্ছ, ঘোলাটে অবয়ব রোজামাণ্ডের, তা-ও চেহারার বৈশিষ্ট্য এটায় বেশি স্পষ্ট। সবচেয়ে বেশি যেটা চোখে পড়ে, তা হচ্ছে— মহিলা-র মণিবিহীন, তুষারশুভ্র চোখ দুটো।

    ‘এই সেই মহিলা!’ দম চেপে বলল তাহিতি।

    বড় বড় হয়ে উঠেছে অ্যালবার্ট আর রোজমেরির দৃষ্টি, সারা শরীর অবশ যেন।

    ‘…মহিলাকে দেখে ভয় পাবে কেন ছেলেটা?’ সঙ্গত কারণেই প্রশ্নটা করল অ্যালবার্ট। ‘ওরা দু’জনেই তো মৃত!’

    ‘সেটা আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে,’ জবাব দিল তাহিতি। ‘কিন্তু ছেলেটার দিক থেকে দেখলে, ওই মহিলা জীবন্ত ওর কাছে। যেমন আপনার কাছে জীবন্ত আমি এবং আমরা।’ পরের কথাগুলো গুছিয়ে নিয়ে বলল, ‘ডাইনি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে বটে রোজামাণ্ডের, কিন্তু এমন এক শক্তি নিয়ে ফিরে এসেছে, যে ক্ষমতা এক মাত্র শয়তানই দিতে পারে ওকে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Next Article ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    Related Articles

    ডিউক জন

    ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    সুবৰ্ণ সমাধি – ডিউক জন

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }