Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অনবগুন্ঠিতা – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶

    অনবগুন্ঠিতা – ১০

    ১০

    চম্পা হঠাৎ ভারী শান্ত হয়ে যায়।

    বদ্ধ গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখে, তারপর বলে, ‘যদি বলি সত্যিই পালাচ্ছিলাম।’

    ‘পালাচ্ছিলে! পালাচ্ছিলে তুমি? কার কাছ থেকে পালাচ্ছিলে?’

    চন্দ্রভূষণের কণ্ঠস্বরে স্থিরতার অভাব।

    চন্দ্রভূষণের পা দুটোতেও যেন সেই অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    চরিত্রহীন চন্দ্রভূষণ কি তবে এবার—

    অধঃপাতের শেষ ধাপে নামছেন?

    মদ্যপও হচ্ছেন?

    বেএক্তার হয়ে এসেছেন? না কি অসুস্থই?

    চম্পা শঙ্কিত দৃষ্টিতে তাকায়। তবু স্থির গলায় কথা বলে, ‘যদি বলি নিজের কাছ থেকে?’

    ‘নিজের কাছ থেকে পালাতে পারো, আমার কাছ থেকে কেমন পালাও দেখি!’

    ‘সে ক্ষমতা নেই বলেই তো চোরের মতন চুপিচুপি—কিন্তু তুমি অমন টলছো কেন? স্বভাব খারাপ তো করেইছ, আবার মদও ধরছো নাকি?’

    চন্দ্রভূষণ হঠাৎ খাপছাড়াভাবে হেসে ওঠেন।

    বলেন, ‘সন্দেহ হচ্ছে বুঝি? ধর তাই, হা হা হা! এখন দেখ, এরপরও এই হতভাগাকে ভালবাসতে পারবে কি না।’

    চম্পা গম্ভীরভাবে বলে, ‘বিবেচনা করে দেখতে হবে। এখন চল দিকি ওপরে। মনে হচ্ছে তো জ্বর এসেছে। আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাক্যব্যয়ে কাজ নেই, চল চল।’

    চন্দ্রভূষণ স্খলিত পায়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে থাকেন।

    চম্পা দ্রুত পিছু পিছু এগোয়।

    পথের মাঝখানে গায়ে হাত দিয়ে জ্বর হয়েছে কিনা দেখে না, শুধু তীব্র কণ্ঠে বলে, ‘এমন অসুস্থ শরীর নিয়ে আসার কি দরকার ছিল?’

    ‘দরকার?’

    চন্দ্রভূষণ ফিরে দাঁড়ান, বলেন, ‘একটা প্রকাণ্ড দরকার তো ছিলই দেখতে পাচ্ছো? অহঙ্কার করে চলে যাওয়া হচ্ছিল—’

    ‘অহঙ্কার!’

    চম্পা কপালে একটা চাপড় মারে, ‘অহঙ্কার করবারই কপাল যে! গুরু রক্ষে করেছেন তাই সত্যি আরও দু’পা এগোইনি।…কিন্তু পায়ে হেঁটে কেন, সেটা তো বললে না? গাড়ীখানা বেচে খেয়েছ নাকি?’

    ‘ঠিক ঠিক, তাই।’ ঘরে ঢুকে চৌকীটার ওপর ধপ করে বসে পড়ে উত্তর দেন চন্দ্রভূষণ, ‘গাড়ী বেচে খেয়েছি, বাড়িও বেচে খাব। টাকার দরকার, বাবুদের টাকার দরকার, বৌরা আর ওই পচা বাড়িতে থাকতে রাজী নয় বুঝলে? দু’লাখ টাকার বাড়িখানা বেচে ফেলে টাকা ভাগ করে নিয়ে, আলাদা আলাদা ছোট ছোট পায়রার বাসা গড়ে বাস করবে। …ভুলে যাবে ওই বাড়িতে আমাদের ঠাকুর্দার গায়ের রক্ত মিশে আছে, ওই বাড়িতে আমার মা কনে বৌ হয়ে এসে ঢুকেছিলেন, আবার ওই বাড়ি থেকেই বিদায় নিয়েছেন। ভুলে যাবে ওই বাড়িতে আমরা সবাই জন্মেছি। আমার কাকা—জ্যাঠার ছেলেরা কেউ বাড়ি বেচলো না, আমরা বেচবো! বরাবর যারা একসঙ্গে নিশ্বাস নিচ্ছিলাম, এক ছাতের নীচে ঘুমোচ্ছিলাম, তারা পরস্য পর হয়ে যাব, কেউ কাউকে চিনতে পারব না আর! ছেলেগুলোকে কেড়ে নিয়ে চলে যাবে। ঠিক আছে, ভালই হয়েছে, তোমাতে আমাতে কাশী চলে যাব এবার। বাড়ি বেচার আগেই চলে যাব। পালিয়ে প্রাণ বাঁচাচ্ছিলে, মাথায় চেপে বসবো দেখো।…আমায় জব্দ করবে সবাই? আমি পারি না জব্দ করতে?’

    চৌকীটার উপর শুয়ে পড়েন, আধখানা শরীর ঝুলিয়ে। চম্পা একহাতে ধরে ঠেকিয়ে রেখে গলা বাড়িয়ে উদ্বিগ্নগলায় চেঁচিয়ে বলে, ‘দেবুদা! দেবুদা! শীগগির এসো, জ্বরে কাঠ ফাটছে চানুদার।’

    দেবুদা!

    দেবুদা, চানুদা!

    উন্মোচিত হল সূক্ষ্ম জালের ওড়নাটুকু, বেরিয়ে এল ভিতরের মানুষটা।

    দোকান বন্ধ করে উঠে এসে বাড়া খাবারের কাছে বসে পড়েছিল দেবু নিত্য নিয়মে, জানতেও পারেনি কি ঘটছিল এতক্ষণ। ভেবেছিল ছোট্ট কাঠের সিঁড়িটা বেয়ে ছাতে উঠে গেছে হয়তো চম্পা। চানুটা তো দেখছি আসেনি আজ!

    হঠাৎ আর্তনাদটা কানে এল, ‘দেবুদা, দেবুদা! জ্বরে কাঠ ফাটছে চানুদার।’

    ‘আজ আর তা’হলে রাত্রে ফিরলেন না—’ ইন্দু ঘরটার দরজায় উঁকি মেরে বলে, ‘এইরকমই হবে ক্রমশঃ জানতাম।’

    বিন্দুও এসে দাঁড়ায়। বলে, ‘গেলেনই বা কখন? অনেকক্ষণ পর্যন্ত তো শুয়েছিলেন—’

    ‘গেছেন উঠে। দেখে গেছি ঘরে নেই। নেশাটা তো মদের নেশার চাইতে কিছু কম নয়! যাকগে, সতীশকে বলে দাও গেটে তালা দিয়ে দিতে।’

    নিজ নিজ শয়নকক্ষে ঢুকে যায় দুজনেই।

    এবং নিজ নিজ স্ত্রীর সঙ্গে দাদার অধঃপতন সম্পর্কে আলোচনা করতে থাকে, ঘৃণা লজ্জা আর আক্ষেপের সঙ্গে।

    কিন্তু দাদার অধঃপতনের কতটুকুই বা দেখেছে ওরা এ পর্যন্ত? দেখবার আরো কত তোলা ছিল তা’ কি ভেবেছে ওই আক্ষেপের সময়? ঘুণাক্ষরেও ভেবেছে? ওরা জানে দাদা মোহিনী মায়ায় চরিত্র হারিয়েছে—এই তো!

    কিন্তু কে ভেবেছিল, দাদা সেই মোহিনীর কোলে মাথা রেখে গাড়ি চেপে ভোরবেলা এসে ওই বন্ধ গেটের চাবি খোলাবে? চাবি সতীশই খুলে দিয়েছে, ওরা শুধু পাথর হয়ে তাকিয়ে আছে।

    শেষকালে কিনা মৃত্যু হল খারাপ জায়গায়!

    কী মানুষের কী পরিণাম!

    কিন্তু নামাচ্ছে না কেন গাড়ী থেকে?

    এরা কি ছুটে এগিয়ে যাবে?

    ‘দাদা’ বলে ঝাঁপিয়ে পড়বে?

    ওই মেয়েমানুষটাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে গেটের বাইরে বার করে দেবে? যে নাকি গাড়ী থেকে নেমে গেটে ঢুকছে?

    বলবে, ‘সর্বনাশী পিশাচী, জ্যান্ত থাকতে তো মানুষটাকে গ্রাস করেছিলি, মৃতদেহটাতেও অধিকার জানাতে এসেছিস? তুই এলি কি বলে? বল কোন লজ্জায় এসে মুখ দেখাচ্ছিস?’

    কথাগুলো মনের মধ্যে তোলপাড় করছে, অথচ বলে ফেলা যাচ্ছে না। বুকের মধ্যে আরও ভয়ঙ্কর একটা তোলপাড়।

    দাদা নেই!

    দাদা মরে তাদের ওপর টেক্কা দিয়ে গেলেন!

    দাদা কি তবে ‘সেখানে’ গিয়ে বিষ টিষ খেলেন? ভাইদের ওপর এতই মর্মাহত হলেন?

    হঠাৎ দুচোখ জ্বালা করে জল আসে বিন্দুর। এতটা করবার ইচ্ছে ছিল না তার, শুধু সুনন্দার অসহিষ্ণুতাতেই—

    স্ত্রীলোক মাত্রেই অকল্যাণরূপিনী তাতে আর সন্দেহ কি!

    সময় সামান্যই।

    হয়তো মিনিট দুই, তার মধ্যেই দু’ সহস্র স্মৃতি উথলে ওঠে।

    ইদানীং নষ্ট হয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু আগের সেই দাদা? বুক দিয়ে রক্ষা করেছেন, প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছেন।…

    ওটা আবার কে নামছে গাড়ী থেকে?

    দেবুদাটা না?

    যেটা এসে জুটে দেবতাকে ভূত বানিয়ে ফেলেছে!

    ওটা সঙ্গে এসেছে।

    তা আসবেই তো। ওটাই তো দালাল! উচ্ছন্নে পাঠাবার গুরু! মৃত্যুর পরও অশুচি স্পর্শ! ছি ছি!

    আর একবার ভাবলো, কী মানুষের কী পরিণাম! তারপর সেই পাজীটাকে উদ্দেশ করেই শুকনো গলায় বলে উঠলো ইন্দু, ‘ব্যাপার কি দেবুদা? আমি তো কিছুই বুঝতে—’

    সহসা বজ্রপতন হলো সামনে।

    সেই নির্লজ্জ মেয়েমানুষটা কাছে এগিয়ে এসে সোজা সপ্রতিভ গলায় বলে উঠলো, ‘যাক তবু একজনেরও বাক্যি ক্ষমতা আছে দেখছি। ভয় হচ্ছিল ভুল করে কোনো বোবার ইস্কুলে ঢুকে পড়লাম না তো! তা আপনিই বোধহয় মেজ ভাই? নীচের তলার ঘরে একটা বিছানা পাতিয়ে দেবার ব্যবস্থা করুন তো, বিছানা না পাতিয়ে নামানো যাবে না, প্রবল জ্বর আপনাদের দাদার।’

    জ্বর!

    মৃত্যু নয়, বিষটিষ কিছু নয়, শুধু জ্বর! বিন্দুর মুখ দেখে মনে হল কে যেন দারুণ ঠকিয়েছে তাকে! অনেকটা মূল্য দিয়ে কিনে, দেখছে জিনিসটা পচা।

    আর ইন্দুভূষণ?

    তার সামনে যেন ভয়ানক একটা পাপাচার ঘটছে, মুখে সেই অনুভূতির গভীর কুঞ্চন। ঘৃণা, ধিক্কার, বিস্ময়, সব কিছু ফুটে উঠেছে তার মুখে।

    ওই মেয়েমানুষটাই তা’হলে?

    কিন্তু কত বড় জাঁহাবাজ ও, তাই এমন করে বুক জোর করে এবাড়িতে এসে দাঁড়ায়? আর কত বড় শয়তান যে অমন গলা খুলে কথা বলে?

    ব্যঙ্গ করলো!

    বোবার ইস্কুলে ঢুকে পড়েছেন বলে ভয় হচ্ছিল!

    চাবুক নেই বাড়িতে? চাবুক?

    নিদেন পক্ষে ঝাঁটা?

    কাকে দিয়ে মারানো যাবে? সতীশকে দিয়ে? নাকি পুলিশে হ্যাণ্ডওভার করে দেওয়া হবে? বলা যাবে, সহজ মানুষ রাত নটার সময় বেরিয়েছিল, এখন এই অবস্থায়—

    কে বলতে পারে পানের সঙ্গে, কি চায়ের সঙ্গে, কিছু খাইয়ে দিয়েছে কিনা। বদ মেয়েমানুষের অসাধ্য কিছু আছে নাকি?’

    হ্যাঁ পুলিশেই দিতে হবে।

    সেই সঙ্গে ওই দেবাটাকেও।

    ওর সঙ্গ মুক্ত হলে হয়তো চন্দ্রভূষণ আবার শুধরে যেতে পারেন।

    কিন্তু বিন্দু ইন্দুর স্ত্রীরা?

    যারা নাকি এখন সেই চিত্রার্পিত পুত্তলিকাবৎ দাঁড়িয়ে আছে।

    তারাও বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছিল যেন!

    এখন শিউলী ভাবলো, এইরে আবার কী গেরো দেখ!

    ভাবছিলাম, মুড়ি গরম থাকতে থাকতেই খাওয়া হয়ে যাবে, তা নয় আবার সেই তপ্ত মুড়ি জুড়বে, তবে!

    এখন তো উনি শয্যা নিলেন, কবে উঠবেন, আদৌ উঠবেন কিনা ঈশ্বর জানেন। বাড়ি বিক্রীর কথা অতএব মাথায় উঠলো এখন।

    তারপর কে জানে ভিতরে ভিতরে কি ঘটেছে।

    ওই বেহায়া মাগীটা যে রকম বুকের পাটা করে সঙ্গে এসে ঢুকছে, ওকেই যথাসর্বস্ব দানপত্র করে বসেননি তো! কিম্বা কে জানে, নীলামে তুলে বেনামী করে নিয়েছেন কিনা। তলে তলে এসব নাকি করা যায়। আর মেয়েমানুষের নামে বেনামী করা সম্পত্তিতে জ্ঞাতিবর্গের দাঁত ফোটাবার অধিকার থাকে না।

    হয়েছে, নিশ্চয় তেমনি একটা কিছু হয়ে বসে আছে! নচেৎ ও কোন সাহসে—?

    শেফালী আরও একটু ভাবে। তার বর দেওরের মতই ভাবে, ভগবান জানেন জ্বর না বিষটিষ কিছু দিয়েছে। বিষয় সম্পত্তি লিখিয়ে নিয়ে বিষ খাইয়ে মারার উদাহরণও তো আছে। হঠাৎ মরার বিষে সন্দেহ হবার সম্ভাবনা বলে হয়তো মৃদু কোনো বিষ! আছে, জগতে সবই আছে। কোনো একটা পাপিষ্ঠ ডাক্তারকে হাত করতে পারলে কি না করা যায়? তিল তিল করে মারবার মত বিষ এরাই জোগান দিতে পারে।

    তার মানে বটঠাকুর গত হবেন, আর ওঁর ওই ‘ইয়ে’র সঙ্গে মামলা লড়তে হবে আমাদের!

    গুরুদেব, তোমার মনে এই ছিল?

    কোথায় নগদ পঞ্চাশ হাজার হাতে করে সপরিবারে তোমার আশ্রমে গিয়ে পড়বার স্বপ্ন দেখছিলাম, সে জায়গায় কি না এই বিপত্তি!

    কিন্তু ওদের এই ভিতরের কথা বাইরের লোকের বোঝবার সাধ্য হয় না। সে তাই সরে এসে গায়ে পড়ে বলে ওঠে, ‘নাঃ পাথরে প্রাণ সঞ্চার হচ্ছে না দেখছি। মানুষটা জ্বরে বেহুঁস হয়ে গাড়ীতে গুঁজে বসে আছে, তুলে এনে শোওয়াতে হবে তো? দেবুদা একলা পারবে না, আপনারা কেউ এসে হাত লাগান।’

    বলা বাহুল্য হাত লাগাবার জন্যে উৎসাহ বোধ করে না কেউ। শুধু ইন্দুভূষণ এবার তীব্রস্বরে বলে ওঠে, ‘উনি কোথায় কিভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তা না জানতে পারলে তো এখন বাড়িতে নেওয়া যাবে না!’

    ‘বাড়িতে নেওয়া যাবে না?’ অবাক গলায় বলে চম্পা।

    ‘কি করে যাবে?’ ইন্দু আরো তিক্ত গলায় বলে, ‘ধরুন যদি মার্ডার কেস হয়?’ তুমি বলতে গিয়েও আপনিটাই বেরিয়ে যায়।

    চম্পা হতবাক গলায় বলে ‘মার্ডার কেস?’

    ইন্দু একটা হিংস্র আমোদ বোধ করে।

    হয়েছে, ঘায়েল করা গিয়েছে।

    এই পথেই তোমায় দেখাচ্ছি মজা।

    তাই আরো কটু গলায় বলে, ‘আশ্চর্য কি? জগতে এমন ঘটনা ঘটে না তা নয়। আপনি তো ঘরে তুলে দিয়ে সরে পড়বেন, তারপর? পুলিশ এসে আমাদের হাতে দড়ি পরাবে না?’

    ‘এই কথা!’

    চম্পার মুখে একটা অলৌকিক হাসি খেলে যায়। হাসির মত গলাতেই বলে, ‘সে ভাবনা করবেন না। ফেলে পালাব না। ইহজীবনেও না! বরং এক কাজ করুন, আপনাদের পছন্দ মত একটা ডাক্তার ডেকে আনুন, দেখুন এসে তিনি কেসটা কি? জানা ডাক্তার দেখবে বলেই সেখান থেকে এখানে ছুটে আসা।… তা কেউ যদি না ধরে, সতীশ তুইই বাবা একটু ধর। বড়বাবুর শোবার ঘর তো দোতলায়? সেখানে তুলতে গিয়ে কাজ নেই এখন, এইখানেই বৈঠকখানা ঘরে—যা বাবা আগে ছুটে বড়বাবুর ঘর থেকে একটা চাদর আর একটা মাথার বালিশ নিয়ে আয়।’

    সতীশ!

    তুই।

    ফরমাস!

    এ কী জাঁহাবাজ মেয়েমানুষ?

    আশ্চর্য যে সতীশটাও ওই হুকুমে ছুটলো। এবং মুহূর্তের মধ্যে আনলোও।

    নির্লজ্জ মেয়েমানুষটা বলে ওঠে, ‘ঠিক আছে, এবার ধরাধরি করে নামা এসে। দেবুদা সাবধানে ধরবে, দেখো যেন হাঁটুটা না দুমড়ে যায়। না বাবা, আমিও ধরি গিয়ে। …দেবুদা একটু থেমে। …এই যে তুমিই বোধ হয় সেজ বৌ সুনন্দা? চাদর বালিশটা ঠিক করে দাও তো ততক্ষণ। তারপর কেউ ছুটে গিয়ে ডাক্তার আনুক একজন।’

    হুকুম!

    নির্দেশ!

    অর্থাৎ পরিকল্পিত দুঃসাহস!

    পুত্তলিকায় প্রাণ সঞ্চার হয়। তবে ফরাশে ফরসা চাদর পেতে দিতে নয়, তীব্র একটা প্রশ্নের মধ্যে ঠিকরে ওঠে সেই লক্ষণ, ‘আপনি কে শুনতে পারি কি? উনি হঠাৎ আপনার কাছেই বা জ্বরে পড়তে গেলেন কেন? আর আপনিই বা কোন অধিকারে হঠাৎ এসে আমাকে ‘তুমি’ বলবার সাহস করছেন?’

    ‘বলছি’, মহিলাটি বলেন, ‘আগে ওঁকে শোওয়াই।… দেবুদা ভাল করে ধর ভাই!… এই সতীশ যা তুইই ছুটে যা, বিছানাটা ঠিক করে দে। …দেবুদা সাবধান!’

    হয়তো চন্দ্রভূষণের বেহুঁশ অবস্থাটা দেখেই ইন্দ্রভূষণ একটু ইতস্ততঃ করছিল, গুছিয়ে শোওয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে আসে সে, তীব্র ব্যঙ্গের সঙ্গে বলে ওঠে, ‘দেবুদার আড্ডাতেই বুঝি যাতায়াত হচ্ছিল আজকাল দাদার? তা’ দেবুদা, ইনি খামোকা দাদার মালিক হলেন কি করে শুনতে পাই না?’

    ‘ইনি’ চন্দ্রভূষণের ঘাড়ের নীচে বালিশটা ভাল করে গুঁজে দিয়ে এবার ঘুরে দাঁড়ান। তারপর খোলা গলায় হেসে উঠে বলেন, ‘জ্বরটা বেশী, মনটা ভাল নেই, তবু না হেসে থাকতে পারছি না ভাই। তুমিই বোধহয় মেজঠাকুরপো?

    তোমাদের দাদার মালিক কি আমি হঠাৎ আজ হলাম? এ যে দু’যুগের। আমি রাজশাহীর চম্পা, তোমাদের বড় ভাজ। ডাকাতে লুঠ করে নিয়ে ভারী ভুগিয়েছে অনেকদিন। তোমাদের সঙ্গে তো চেনাজানাই হয়নি।’

    চম্পা আস্তে চন্দ্রভূষণের গায়ের উপর একটা চাদর ঢাকা দিয়ে দেয়।

    সতীশের বিবেচনাপ্রসূত দুখানা চাদরের একটা।

    পুরুষরা থতমত খায়।

    রাজশাহীর চম্পা? যাকে নিয়ে দাদার বদনাম, একি তবে বেলেঘাটার সে নয়? এ আবার আর কেউ?

    শুনেছিল, সে নাকি নাকে রসকলিকাটা বৈষ্ণবী, শুনেছিল, লক্ষ্নৌয়ের নাচনা গাওনা বাঈজী, কিন্তু শোনার সঙ্গে দেখার মিল হচ্ছে না তো!

    শুকনো মুখ, রুক্ষুচুল, একেবারে তাদের মা কাকীমাদের ধরনে পরা যেমন তেমন সেমিজ শাড়ি। মুখের রেখায় উদ্বেগ আর ক্লান্তির ছাপ!

    এই মুখ নিয়ে রোগীর বিছানায় চুপ করে বসে থাকলেই মানাতো, কিন্তু সেই মানানটা না করে বেমানান কাজ করছে ও।

    কথা বলছে। তীক্ষ্ন তীব্র আর অদ্ভুত আশ্চর্য একটা কথা বলছে।

    আর বলছে একেবারে সহজ জোরের সঙ্গে। কী এটা?

    পুরুষরা ভাবছে। রাজশাহী আর চম্পা শব্দটা তাদের নাড়া দিয়েছে। তাই তারা সহসা চুপ করে গেছে।

    মেয়েরা চুপ করে থাকতে জানে না, মেয়েরা কথা বলে।

    সুনন্দা তাই কথা বলে ওঠে।

    সুনন্দা বলে, ‘বিয়েটা বুঝি সকলের অজানাতেই হয়েছে? আমরা তো জীবনেও শুনিনি।’

    চম্পা হেসে ওঠে।

    বলে, ‘ওমা, তোমরা তখন কোথায়? কখনো মামাশ্বশুরবাড়ি চক্ষেও দেখনি তো? তোমাদের মামাশ্বশুরবাড়িতেই তো আমার স্থিতি ছিল, শোনোনি বুঝি কখনো? উনি যে আমার মাসী ছিলেন। তাঁর কাছেই মানুষ, আর ইনিই তো সেইখানেই—’ একটু হেসে থেমে গেল।

    বিয়ের কথাটার অবশ্য ফয়সালা হলো না। কিন্তু সেটা ধরাও পড়লো না।

    ইন্দু এবার কথা বললো।

    ভুরু কুঁচকে বললো, ‘বিয়ের কথাই হয়েছিল শুনেছি, বিয়ে হয়ে যাওয়াটা কেমন?’

    চম্পা মৃদু হেসে বলে, ‘কেমন’ সেটা তো ভাই এই বেহুঁশ মানুষটার হুঁশ না হলে বোঝানো যাবে না!’

    ইন্দু ক্রুদ্ধ অনমনীয় গলায় বলে, ‘কেউ জানল না শুনল না, বিয়ে হয়ে গেল, একথা আর যে কেউ মানুক, আমি মানতে রাজী নই।’

    ‘না হলে নাচার। তুমি বিষয়ের ভাগ দেবার ভয়ে অরাজী হলেই তো আর ধর্মসাক্ষী করে বিয়েটা নাকচ হয়ে যাবে না। কিন্তু এখন কথা থাক ভাই, ডাক্তারের বিশেষ দরকার।’

    ইন্দু অথবা বিন্দু কেউই অবশ্য ওই বিশেষ দরকারে উৎসাহ দেখায় না। তারা শুধু স্মৃতির সাগর তোলপাড় করে।

    তবে কি বাড়িতে যে ঝড়টা উঠেছিল, সেটা বিয়ের অনুমতি প্রার্থনায় নয়? সংবাদ নিবেদনে? দু’যুগ পরে সেই বিয়ের বৌ এসে ঠেলে বাড়িতে উঠবে?

    খুব ভুল হয়ে গেল, গেট বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল। রুগী নিয়ে ফিরে যেতে হলে এতটা মুখসাপোট করতে পারতো না। … দাদার জ্বর শুনে আমরাও কেমন ‘ইয়ে’ হয়ে গেলাম! শয়তান মহিলাটি বুদ্ধিমতী খুব! জানে একটা রুগীকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলতে পারলে সহজে কিছু করা যায় না তাকে।

    যে রকম বুকের পাটা, একেবারে মিছে কথা নয় বোধ হয়। নিশ্চয় আমাদের সেই ফিচেল মামীটা—ফিচেলই, তা নয়তো অমন গুণবান পুত্ররত্নের জননী হন? তা তিনি নির্ঘাৎ ভাগ্নেটাকে কোর্টে পেয়ে বোনঝিটাকে গলায় গেঁথে দিয়েছিলেন ভুলিয়ে ভালিয়ে।

    তা সে যাই হোক, সহজে স্বীকার পাচ্ছিনা বাবা, বলবো কোথায় তার প্রমাণ? কে তার সাক্ষী? বিয়ে হয়েছিল বললেই বিয়ে প্রমাণ হয় না! ধর্ম সাক্ষী? আসুন তবে ধর্মঠাকুর সাক্ষীর কাঠগড়ায়! …আশ্চর্য, দাদা একটা রামগঙ্গা কিছুই করছে না! সত্যি বেহুঁশ না সাজা বেহুঁশ ঈশ্বর জানেন! গায়ে হাত দিয়ে দেখতেও প্রবৃত্তি হচ্ছে না যে! …ডাক্তার একটা আনছি, দেখি কি বলে সে।

    এঘরে ফ্যান নেই।

    চম্পা ইত্যবসরে ঘরের কোণে রাখা জলের কুঁজো থেকে জল নিয়ে রুগীর পকেটেরই রুমালটা ভিজিয়ে কপালে জলপটি দিয়ে, একখানা খবরের কাগজ পাট করে বাতাস দিতে বসেছিল, সতীশ কোথা থেকে একখানা রান্নাঘরের হলুদমাখা বাঁটভাঙা পাখা এনে হাজির করল।

    ‘এনেছিস? লক্ষ্মী ছেলে!’ বলে পাখাটা হাতে নেয় চম্পা। তারপর উপস্থিত সবাইকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে ওকেই উদ্দেশ করে বলে, ‘তুই তো পুরনো লোক, এদের ডাক্তারবাবুর বাড়ি চিনিস না?’

    সতীশ সমবেতদের দিকে একবার অস্বস্তির দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মৃদু উচ্চারণে বলে, ‘চিনবনা কেন?’

    ‘চিনিস? তা তুই একবার যা বাবা! দেখছিস তো তোর বাবুদের সময় হবে না!’

    এই ব্যাঙ্গোক্তিতে এবার শেফালী কথা ধরে।

    কড়া গলায় বলে, ‘আপনার সাহসটা বেশ জোরালো, সেটা স্বীকার করতেই হবে। তা’ ধর্মসাক্ষীরই ব্যাপার যখন, সাড়া শব্দ ছিল না কেন এতদিন?’

    ‘ওই তো বললাম ভাই, ডাকাতে লুঠ করে নিয়ে গিয়ে একেবারে নিঃসার করে দিয়েছিল।’

    ভাই!

    ‘ভাই’ শব্দটা কানে ছুঁচের মত ফোটে।

    তবু চট করে সে সম্পর্কে কোনো প্রতিবাদও করতে পারে না শেফালী, বিরক্ত তিক্ত গলায় বলে, ‘ওঃ, তা’ হঠাৎ এখন যে?’

    তা’ ওদেরও দোষ দেওয়া যায় না।

    সক্কাল বেলা ঘুম ভেঙেই যদি দেখা যায় মাথার উপর একটা পাহাড় পড়েছে, কে না ঘাড়টা ঝাঁকায়? কে তাকে মাথার মণি বলে আহ্লাদে গ্রহণ করে?

    এরাও করছে না।

    বলছে, ‘ওঃ তা’ হঠাৎ এখন যে?’

    তা’ বেহায়াদের বোধকরি অভিমানও থাকে না, অপমান জ্ঞানও থাকে না।

    তাই চম্পা স্বচ্ছন্দে বলে, ‘হঠাৎ আর কি, দেখছোই তো ‘কারে’ পড়ে। নইলে তোমাদের ভাসুর তো নিয়ে আসবার জন্যে অস্থির। আমিই আসতে রাজী হইনি এতদিন! বলতাম, রোজ তো দেখা হচ্ছে সেই ঢের! জা দ্যাওরদের সঙ্গে চেনাজানা নেই—তা’ ছাড়া—’ আরো হেসে ওঠে, ‘ডাকাতে লুঠে নিয়ে যাওয়া বলে যদি আবার তোমরা নাক উঁচু কর! … তা’ ভেবে দেখলাম কত লুঠের মাল তরে যাচ্ছে আজকাল, আমি কেন লোকটাকে আর কষ্ট দিয়ে মরি!’

    হ্যাঁ, এই কথাই সত্য কথা। এ কথা সাময়িকের প্রয়োজনে বানানো কথা নয়। কালকের সেই আতঙ্কিত বিনিদ্র রাত্রি, একটা নতুন সত্যের দরজা খুলে দিয়েছে তার সামনে। চম্পার সংস্পর্শে এই মানুষটা অশুচি হয়ে যাবে কেন? চম্পা কি নিজে অশুচি? চম্পার উপর যদি একটা হিংস্র বাঘ তার থাবা বসাতো, চম্পা কি তার শুচিতা হারাতো? আর এই মানুষটার আজীবনের একনিষ্ঠ ভালবাসা? তার কোনো মূল্য নেই? এতই ক্ষমতাহীন সে? সে পারবে না চম্পার সব কলঙ্ক মুছে দিয়ে চম্পাকে এ বাড়ির বড়বৌ করে তুলতে? আনুষ্ঠানিক একটা বিয়ে হয়নি বলে সব ব্যর্থ? সারারাত্রি এই প্রশ্নে ক্ষতবিক্ষত হয়ে চলে এসেছে চম্পা সকালে। দ্বিধাহীন গ্লানিহীন পরিশুদ্ধ মন নিয়ে।

    ওরা তাদের দাদার অচৈতন্য মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে। সাক্ষ্য মানবার উপায় নেই।

    অতএব দেবু।

    তীক্ষ্নকণ্ঠে বলে, ‘তা’ দেবুদাটি কোথা থেকে জুটলো?’

    ‘ওমা! শোনো কথা, দেবুদা আমারও দাদা নয়? মাসীর ছেলে তো! ওই তো আমার একমাত্তর দাদা। উঃ কত মার খেয়েছি ওর কাছে। তোমাদের দাদাই তো রক্ষা করেছেন। যাক, সব কথা পরে হবে, এখন যাও ভাই লক্ষ্মীটি, তোমাদের বাড়ির ডাক্তারবাবুকে একটা খবর দাও। তিনিই বুঝবেন ভাল। তাই ছুটেপুটে নিয়ে আসা! সতীশ সাহস পাচ্ছে না। …বাড়ি বাড়ি’ করে তো বেচারার জ্বরই এসে গেল!… শুনলাম নাকি পৈত্রিক বাড়ি বেচে দিতে চাইছ তোমরা? … আমি কিন্তু ভাই আপত্তি তুলবো তা’ বলে রাখছি।’

    যুগপৎ দুটো গলা থেকে শব্দ ওঠে, ‘আপত্তি? আপনি আপত্তি তুলবেন?’

    ‘তা’ তুলবো। বলবো তোমাদের উকিলকে, আমি বাড়ির বড়বৌ, দাদা—শ্বশুরের এই বাড়ি বেচে দেওয়ায় আমার মত নেই। … এই বাড়িতে আমার শাশুড়ী দিদিশাশুড়ীর লক্ষ্মী ষষ্ঠী মনসা মঙ্গলাচণ্ডী—সব। এ ভিটে কি নষ্ট করতে আছে? …আর তোমরাই বা তা’ করবে কেন ভাই? …দেবুদা, একটু বরফ তো আনাতে হবে! … কই ডাক্তারের কি হল গো? বিনা চিকিৎসায় মরবে নাকি তোমাদের বড় ভাই?’

    বিন্দু তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়, ইন্দু বোধকরি ডাক্তারকে খবর দিতেই রাস্তায় নামে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article স্বর্গকেনা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }