Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অনবগুন্ঠিতা – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অনবগুন্ঠিতা – ৯

    ৯

    চন্দ্রভূষণের জীবনের প্রারম্ভে যে বিদারণ রেখা পড়েছিল, তা’ হয়তো মুছে যেতো, যদি অপদার্থ দেবুটা হঠাৎ সত্যবাদী হয়ে না উঠতো!

    কিন্তু দেবু সত্যবাদী হলো।

    তাই চম্পা নামের সেই ছোট্ট মেয়েটা তার উপর ঢেলে দেওয়া কালি মুছে ফেলে পরিশুদ্ধ হয়ে জেগে রইলো এক আলোকমণ্ডলে।

    সত্যি—চম্পাকে তরুণ চন্দ্রভূষণ যতখানি ভালবেসেছিল, তার চেয়ে অনেকখানি বেশী ভালবাসতে শুরু করলেন প্রৌঢ় চন্দ্রভূষণ স্মৃতির চম্পাকে।

    চম্পা তার দুর্ভাগ্যের সম্বলে ক্রমশই অধিকার করে বসলো চন্দ্রভূষণের সমগ্র সত্তাকে। চম্পা যেন একটা ধ্রুব—তারার মত জ্বলতে থাকলো চন্দ্রভূষণের অলক্ষ্য আকাশে।

    তারপর সেই চম্পা মূর্তি ধরে এসে দাঁড়ালো।

    চন্দ্রভূষণ ভাবলেন স্বর্গ এসে হাতের মুঠোয় ধরা দিল।

    চন্দ্রভূষণ ভাবলেন, আপন হাতেগড়া স্বর্গের পরিমণ্ডলে বাস করবেন, আর সেই পূর্ণ হৃদয়ের আবেগ আর আনন্দ নিয়ে দণ্ড দুই এসে বসবেন হাতে আসা স্বর্গের দরজায়। আর কী চাইবার আছে?

    আশ্চর্য!

    চন্দ্রভূষণ নাকি একদা বুদ্ধিমান ছিলেন!

    চন্দ্রভূষণ নাকি উজ্জ্বল ছাত্র ছিলেন!

    চন্দ্রভূষণ নাকি জীবনের কর্ম শুরু করেছিলেন অধ্যাপনা দিয়ে!

    অথচ চন্দ্রভূষণ অবিরত এক অবাস্তব বুদ্ধির দ্বারা চালিত হয়ে এলেন। চন্দ্রভূষণ ভাইদের মানুষ করতে আর বিধবা মাকে সান্ত্বনা দিতে, অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে দোকানী হতে এলেন সংস্কৃতির জীবন ত্যাগ করে। অতএব বোকা হয়ে গেলেন চন্দ্রভূষণ।

    জীবনের একটা অবাস্তব নকশা এঁকে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে রইলেন।

    তাই যখন তাঁর বিদ্যায় খাটো ছোট ভাই শান্ত স্থিরতায় ঘোষণা করলো ‘যা করতে হবে তা আইনসংগতভাবেই করতে হবে,’ তখন উত্তেজিত হলেন। হারানো মেজাজে উত্তেজিত গলায় বলে উঠলেন, ‘না হবে না। ভিটে ভাগ করা হবে না। সিন্ধুর যা টাকার দরকার, তা’ আমি পাঠিয়ে দেব, ব্যস!’

    ইন্দু এবার অবহিত হয়।

    ব্যাপারটা বুঝতে পারে।

    ইন্দু তাই আর একটু ধারাল ছুরি বার করে। বলে, ‘ওঃ! ওর পাতিলেবু পাঠানোর মত হাজার পঞ্চাশ টাকাটাও তুমি নিজের ক্যাশ থেকেই পাঠিয়ে দেবে? উত্তম কথা! তা’ আমাদের তো আর অতটা ভাগ্য হবে না, আমাদের ভাগের কী হবে?’

    চন্দ্রভূষণের উত্তেজিত কণ্ঠে আকৃষ্ট হয়ে, অথবা স্বামীদের পাঠিয়ে দিয়ে, শেফালী আর সুনন্দা এসে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল।

    শেফালী ঘরের দরজায়, আর সুনন্দা ঘরের মধ্যে এসে ঢুকলো এবার।

    কারণ সুনন্দা অন্ততঃ আর তার স্বামীর উপর আস্থা রাখতে পারছে না। চিরদিনের জবরদস্ত ভাসুর জবরদস্তির জোরে কি না কি করে বসবেন কে জানে!

    হয়তো বলে বসবেন, ‘কারুর কোনো ভাগ নেই, বাড়ি একা আমার।’

    বলতে পারেন জিদের মাথায়। দলিলটলিল তো চিরকাল ওঁরই কাছে। ভালমানুষ ভাইরা কোনোদিন বলেওনি ‘দেখি একবার।’

    তা’ উনিও ভাল ছিলেন। কিন্তু এখন তো আর নেই! এখন তো মোহিনী মায়ার কবলে পড়ে কিম্ভূত হয়ে বসে আছেন। আগের সেই প্রকৃতির কী বিকৃতিই ঘটেছে! ছোট ছেলেগুলো ছিল প্রাণতুল্য, এখন যেন তাকিয়েও দেখেন না।

    হাসিখুশির পাট নেই, সকাল থেকে বুঝভোম্বল হয়ে বসে আছেন, মুখে তালাচাবি লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, খাচ্ছেন, কাজে যাচ্ছেন, আর সন্ধ্যেটি হলেই সেই বাইজী বোষ্টুমীর মন্দিরে গিয়ে উঠছেন!

    ছি ছি!

    কী মানুষের কী পরিণতি!

    তা’ এই যখন অবস্থা, তখন আর ওঁকে বিশ্বাস কি? দলিল এই বেলা বার করে নেওয়াই সমীচীন।

    আর সেই জন্যেই রঙ্গমঞ্চে প্রবেশ করা সমীচীন।

    নতুন রান্নাঘরে রান্না করা ইস্তক সুনন্দাকে আর বড় বেশী দেখতে পাচ্ছিলেন না চন্দ্রভূষণ। আজ পেলেন। ঘরের মধ্যে এসে নিজেই কথা বললো সে, ‘আমিও সেই কথা জানতে চাইছিলাম বড়দা, আমাদের কী হবে? ভেতরের বন্ধন যখন আলগা হয়ে গেছে, তখন আর বাইরে একত্র থাকার ‘শো’তে লাভই বা কি?’

    খুবই অবশ্য নরম করে প্রশ্নটা করলো সুনন্দা, তবু চন্দ্রভূষণ নিজেকে যেন আক্রমিত মনে করলেন। আর এ আক্রমণটা নিতান্তই অপ্রত্যাশিত।

    হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে উঠেছিলেন, আবার বসে পড়ে বললেন, ‘তা’হলে আমাকে কি করতে বল তোমরা?’

    সন্ধ্যা পার হয়ে গিয়েছে বেশ কিছুক্ষণ, আর একটু পরেই দেবু দোকান বন্ধ করে খেতে আসবে, আজ আর এলেন না তা’হলে চন্দ্রভূষণ।

    না, এত রাত করেন না কোনদিন।

    একটু দেরি হয়ে গেলে, বৃষ্টিবাদল হলে, চম্পা হয়তো বলে, ‘এত কষ্ট করে আজ আর না এলেই হতো—’

    চন্দ্রভূষণ হেসে উঠে জবাব দেন, ‘অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে বলছো?’

    ‘কেন বলবো না? তোমার মত আমার অমন নেশাসক্তি নেই।’

    চন্দ্রভূষণ বলেন ‘অপমানিত হচ্ছি কিন্তু!’

    ‘হ’লে তো বয়ে গেল! সত্যিকথা বলছি! অমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম, কক্ষনো এইরকম বৃষ্টি বিদ্যুৎ বজ্রপাতের দিন শুধু মুখ দেখতে ছুটে আসতাম না। তোমার এটা স্রেফ নেশা!’

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘শক্তি থাকলে তবে নেশাসক্তি, বুঝলে? দামী নেশা ‘যে—সে’ লোকের জন্যে নয়।’

    চম্পা চা এনে জুৎ করে বসে।

    চম্পার মুখের চারপাশ ঘিরে রুক্ষ চুল ওড়ে।

    চন্দ্রভূষণ চৌকিতে বসে পা দোলাতে দোলাতে ঘরটায় চোখ বুলোন।

    কী ছোট্ট ঘরটা চম্পার, কী ছোট ছোট জানলা দরজা!… মনে পড়ে যায় নিজের ঘরটার কথা।

    সাবেক কালের চকমিলানো বাড়ি, তার ঠাটকাঠামোই আলাদা। কী উঁচু উঁচু দরজা, কত বড় বড় শার্সি খড়খড়িদার জানলা, দেড় হাত দু’হাত চওড়া কার্নিস! আর ঘরের মাপই বা কত বড়!

    দেয়ালের রং বিবর্ণ হয়ে গেছে সত্যি, জানলা দরজা অনুজ্জ্বল, তবু মরা হাতী লাখ টাকা!

    এ বাসা যেন পায়রার খোপ!

    এখানে কি চম্পাকে মানায়?

    কি করবেন, তখন তাড়াতাড়ি দেবুর ওই দোকান—ঘরটার ওপরই—আর শেষকালে সেটাই কায়েমী হল!

    চন্দ্রভূষণ ভেবেছিলেন পরে ভাল দেখে বাসা খুঁজবেন, তা হয়নি। চম্পার এটাই পছন্দ।

    চম্পা বলেছিল, ‘ছোট মানুষের ছোট ঘরই ভাল। কেন, ঘরটা কি বিচ্ছিরী লাগে তোমার?’

    চন্দ্রভূষণ তাই মাঝে মাঝে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেন। এতটুকু ঘরে কেমন পরিপাটি করে সব গুছিয়ে রেখেছে চম্পা! দেখলে চোখ জুড়োয়! চন্দ্রভূষণের অতবড় ঘরটাতেও যেন কোনো শ্রী নেই। বিচ্ছিরি বললে সেটাকেই বলতে হয়।

    চন্দ্রভূষণ হাসেন, ‘বিচ্ছিরী?’

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘একটা ঘরের মধ্যে সব রেখেও কেমন সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছ চম্পা, আমার বাড়ির বৌমাদের দেখাতে ইচ্ছে করে।’

    চম্পা হাসে। বলে, যারা জন্মাবধি অনেকখানি পাচ্ছে, তারা আর পাওয়ার মূল্য কী বুঝবে বল? ওরা গোড়া থেকেই অট্টালিকা পেয়েছে—’

    চন্দ্রভূষণ সহসাই হয়তো প্রসঙ্গান্তরে চলে যান, বলেন, ‘চম্পা, তুমি চুল বাঁধ না কেন?’

    চম্পা বলে, ‘সময় অত বাজে খরচ করতে ইচেছ করে না। কেন খুব খারাপ দেখায় বুঝি?’

    ‘খারাপ?’ চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘খারাপ দেখানো কথাটার মানে জানি না চম্পা, আমি শুধু তোমাকে দেখি, আর—’

    চম্পা বলে, ‘শুধু দেখো এটা তো বড় খাসা কথা গো, তারপরও ‘আর’ কি?’

    ‘আর ভাবি বিধাতার এ এক অদ্ভুত অপচয়ের নমুনা!’

    চম্পা মুখটা অন্যদিকে ফেরায়।

    চম্পা বোধকরি চোখের জল বস্তুটাকে আয়ত্তে আনবার চেষ্টা করে।

    চন্দ্রভূষণ তারপরই হয়তো বলে বসেন, ‘জানো চম্পা, আমি যখন কুচবেহার কলেজে পড়াতাম, তখন প্রতিদিন ভাবতাম হঠাৎ যদি তোমার সঙ্গে দেখা হয়ে যায়, কি কি ধিক্কার দেব তোমায়, কোন কোন কটু কথা বলবো।’

    চম্পা বলে, ‘ও হরি শুধু এই? শুধু কটু কথা? ছোরা নয়। বন্দুক নয়, নিদেন একটা থানইঁটও নয়, কেবল দুটো কটু কথা? কিন্তু কেন বল তো? নবদ্বীপের আখড়ার ছোট ললিতার ওপর এত রাগই বা কেন তোমার?’

    তখনো যে চম্পা রহস্যের আবরণে থাকতে চাইতো।

    তাই ও কথা বলতো।

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘তখন বুঝতে পারতাম না, এখন বুঝতে পারি, নিজের অক্ষমতাই নিজেকে অহরহ পীড়ন করতো, আর সেটাই তোমার উপর উদ্যত হয়ে থাকতো।’

    চম্পা বলে, ‘ওসব কথা থাক, তোমার মার কথা একটু শুনি বল।’

    চন্দ্রভূষণের মার কথা!

    চম্পার সে কথায় উৎসাহ কেন?

    হয়তো চম্পা বুদ্ধিমতী বলে।

    চম্পা জানে ওটাই চন্দ্রভূষণের প্রিয় প্রসঙ্গ।

    চন্দ্রভূষণ উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন ওর কথায়। শুরু করেন, ‘আগে বাবার আওতায় আচ্ছন্ন মাকে ঠিক ধরতে পারতাম না চম্পা, কত সময় তার জন্যে মায়ের উপর কত অবিচার করেছি। পরে দেখলাম—’

    মায়ের গুণপনা, মায়ের বুদ্ধিমত্তা, মায়ের ধৈর্য, সহ্য, স্থৈর্য্য, বলতে উৎসাহিত হয়ে ওঠেন চন্দ্রভূষণ।

    আর উদাহরণগুলো শুনে শুনে হাসে চম্পা।

    অতি সাধারণ আর জোলো জোলো উদাহরণ।

    চম্পা বোঝে এ মহিমা অনেকটাই আরোপিত।

    যে পুরুষের ‘সমীহর চোখ’ ভাগ হয়ে যায়নি, মা তার কাছে ষড়ৈশ্বর্যবতী!

    মার কথা থেকে বোনেদের কথা, ভাইদের কথা, সংসারের কথা।

    বৃষ্টির শব্দে চম্পা ব্যস্ত হয়, বলে, ‘ওঠো আর গল্প নয়, ভীষণ অবস্থা আকাশের—’

    চন্দ্রভূষণ সহসা বদলে যান।

    চন্দ্রভূষণ সহসা যুবকের গলায় বলে ওঠেন, ‘আমারও আজ ভীষণ অবস্থা—’

    ‘ওমা কেন?’

    ‘ইচ্ছে হচ্ছে পাদমেকং ন গচ্ছামি—তোমার এই ছোট্ট ঘরটাই বৈকুণ্ঠ মনে হচ্ছে—’

    চম্পা রেগে ওঠার ভঙ্গিতে বলে, ‘বৈকুণ্ঠ কেন, বৃন্দাবন বল! যখন পাদমেকং ন গচ্ছামি! লোভ দেখিও না বলছি, ভাল হবে না।’

    ‘লোভ? তোমার? হুঁঃ!’

    চন্দ্রভূষণ উঠে পড়েন।

    বলেন, ‘এই জলে ঝড়ে তাড়িয়ে দিচ্ছ তো?’

    চম্পা অপলকে তাকিয়ে বলে, ‘দিচ্ছি।’

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘দেখো কাল আর আসব না।’

    চম্পা বলে, ‘দেখো কাল আসতে হয় কিনা।’

    চম্পার কথাই ফলেছে, আসতে হয়েছে।

    চন্দ্রভূষণের নেশা ছুটিয়ে এনেছে তাঁকে ভবানীপুর থেকে বেলেঘাটায়।

    কিন্তু আজ সেই নিয়মের ব্যতিক্রম হলো। আজ ওই সরু সিঁড়িটায় চন্দ্রভূষণের পা পড়লো না।

    অসুখ?

    তা’ছাড়া আর কি!

    লোহার মত অটুট শরীর বলেই যে হঠাৎ কিছু হতে পারে না, তা’ তো নয়। কী অসুখ? কে জানে খুব বেশী কি না!

    চম্পা কি নেমে যাবে? দোকানে গিয়ে বলবে, ‘শুনুন খবরটা একবার নিতে পারেন? রোজ আসেন ভদ্রলোক?

    দেবুদা কী ভাববে?

    দেবুদা যদি বলে, ‘কী আশ্চর্য, একদিন মানুষের কাজ থাকতে পারে না?’

    সত্যি, অসুখই বা ভাবছে কেন চম্পা, কাজ থাকতে পারে না মানুষের?

    কিন্তু মনকে বাঁধা বড় শক্ত।

    চম্পার ভাঙা ভাগ্যের মন অবিরত ভাঙতে থাকে চম্পাকে। চম্পা জানলার ধারে এসে দাঁড়ায়। আকাশে নক্ষত্রের মেলা…চম্পা ওইদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে দূর অতীতের একটা মেলার ভিড়ে হারিয়ে যায়।

    কিসের মেলা?

    জন্মাষ্টমীর বুঝি?

    মাসী বলেছিল, ‘আমার হাতটা একবারও ছাড়বিনা চম্পি, খুব সাবধান!’

    চম্পি তবু হাত ছেড়ে দিয়েছিল।

    চম্পি ইচ্ছে করে অসাবধান হয়েছিল।

    কারণ মাসীর ছেলে আস্তে ওর কাঁধে একটা টোকা মেরে চুপি চুপি বলেছিল, ‘এই শোন, জবর একটা খবর আছে—’

    জবর খবর!

    সেই খবরের উৎসাহে টুক করে মাসীর হাত ছেড়ে দিয়েছিল, মাসীর ছেলের সঙ্গে চলে এসেছিল। ওঃ তারপর সে কী ভয়, কী আগ্রহ!

    ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমান, সব জানা যাবে। সে কী সোজা রোমাঞ্চ! মাসী মেসোর ভয় ভেসে গেল।…চম্পা নদীতে ভাসতে এলো।

    কিন্তু চম্পা কি নদীতে ভাসলো?

    ভাসলো না।

    চম্পা মরুভূমির বালুতে আছাড় খেল। কোথা দিয়ে কারা সব যেন এলো, কেমন করে যেন একখানা ভাড়াটে ঘোড়ার গাড়িতে তাকে তুললো…কোথায় যেন নিয়ে গেল সেই বোকা মেয়েটাকে।

    জ্ঞান হলে বলে উঠেছিল সে, ‘জামিরদা, তুমি এই?’

    জামির পিশাচের মুখে হেসে বলেছিল, ‘এই না হলে তোমায় পাবার উপায় কি ছিল বল?’

    কিন্তু ক’দিনের জন্যেই বা পাবার গরজ ছিল তার? চম্পাকে বেচে কিছু পয়সা যদি পাওয়া যায়, সেটা বরং তার লাভ।

    তারপর কতবারই বেচাকেনা হলো চম্পাকে নিয়ে! নবদ্বীপের আখড়াধারী মহারাজও তো পয়সা দিয়ে কিনেছিলেন তাকে!

    চম্পা ক্রুদ্ধ গলায় বলেছিল, ‘আপনি তো দেখছি তেলককাটা বৈষ্ণব, আমি মুসলমানের উচ্ছিষ্ট তা’ মনে রাখবেন।’

    বাবাজী হেসে বলেছিলেন, ‘নারী, স্বর্ণ আর ভূমি, এ কখনো উচ্ছিষ্ট হয় না রে পাগলী!’

    তখনো চম্পা ভবানীপুরের একটা জানা ঠিকানায় একটা চিঠি লিখতে পারেনি। অথচ সে ঠিকানা খোদাই করা ছিল তার বুকে। এখনো রয়েছে। এখনও পারে চম্পা সেই ঠিকানাটা খুঁজে বার করতে।

    দেবুদা কি টের পাবে?

    একটা ট্যাক্সির গিয়ে পৌঁছতে কতক্ষণ লাগে? চম্পা মনে মনে এগোতে থাকে।

    চম্পার সে বাড়ির চেহারাটা শুনে শুনে মুখস্থ হয়ে গেছে।

    চম্পা তাদের দরজা দিয়ে ঢুকলো।

    তারপর?

    তারপর যাদের দেখতে পেল, তারা?

    কিন্তু তাদের চেহারাই কি মুখস্থ হতে বাকি আছে? কে সুনন্দা, কে শেফালী, কে ইন্দু, আর কে বিন্দু, ঠিক বুঝে নেবে।…আচ্ছা বুঝে নেবার পর?

    চম্পা মনকে খাড়া করে, কি আর? জিগ্যেস করবো, ‘চন্দ্রভূষণবাবু কেমন আছেন?’

    চম্পাকে কি মারবে?

    চম্পাকে কি পুলিসে ধরিয়ে দেবে?

    করবে না তো ওসব কিছু, তবে? তবে কিসের ভয়? বড়জোর বলবে, ‘তুমি কে? তুমি কি সাহসে—’

    তখন কী উত্তর দেবে চম্পা?

    তার চাইতে চম্পা চিরতরে মুছে যাকনা!

    চম্পাই তো সকল সমস্যার মূল!

    তবে কেন চম্পা নিজেকে মুছে দেবে না?

    হ্যাঁ, আজকের এই সুবর্ণ সুযোগে পালিয়ে যাবে চম্পা!

    নিঃশব্দে নেমে গিয়ে একবার শেয়ালদা স্টেশন পর্য্যন্ত পৌঁছতে পারলেই তো নিশ্চিন্ত। না, বিশেষ কোনো জায়গার উদ্দেশে শেয়ালদা স্টেশনের কথা ভাবছে না চম্পা, ওটাই কাছাকাছি তাই! ট্রেনে একবার চড়ে পড়তে পারলে গয়া, কাশী, বৃন্দাবন, যেখানে হোক যাওয়া যাবেই। জংশনে নেমে বদল করে।

    তা’ ওতে চম্পা পোক্ত আছে।

    পালানোটা তো আজকের নতুন নয়। বরং পালানোটাই পেশা। কতবারই পালালো!…

    কখনো দিনের আলোয়, কখনো রাতের অন্ধকারে, কখনো পাশের লোকের হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে মুহূর্তে ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে।…

    কিন্তু পালিয়ে গিয়ে খেয়া নৌকায় চড়ে বসতে পেরেছে কবে? স্রোতে ভেসে ভেসে একটু এগিয়েই হয়তো বালির চড়ায় আছাড় খেয়েছে, হয়তো কুমীরের দাঁতে পড়েছে।

    আশ্চর্য্য, তবু মরতে পারেনি চম্পা।

    কোন পরম প্রাপ্তির আশায় যে ওই পালানোর পেশা নিয়ে সাত ঘাটের জল খাচ্ছে কে জানে! মনে হয়েছিল নবদ্বীপের সখীকুঞ্জের ছোট ললিতা বুঝি টিকে গেল। হয়তো শেষ পর্য্যন্ত ওই নামগান করতে করতেই চুলে পাক ধরবে, দেহে ভাঙন ধরবে, আর কোনো একদিন ওর উঠোনের তুলসীমঞ্চের নীচে শেষশয্যা বিছোবে।

    তা’ সেটা হলেই তো উদ্ধার হতিস চম্পা!

    তোর সেই শেষশয্যাকে ঘিরে নিশ্চয়ই খোল করতালের সমারোহ বসতো, নিশ্চয়ই তোর প্রাণবায়ুটা উচ্চতানের ধাক্কায় ধাক্কায় উচ্চলোকে উঠে যেত!

    কিন্তু অমন আকাঙিক্ষত পরিণাম, যা নাকি মনুষ্যজন্মে দুর্লভ, তা তোর পছন্দ হল না, তুই তোর মালিককে ঠকিয়ে গেরুয়ার ভেক নিয়ে আবার কেটে পড়লি অকূলের উদ্দেশে।

    কি হল এসে?

    বল কি হল?

    ছাইচাপা আগুনকে বাতাস দিয়ে উস্কে নিজে পুড়লি, আর একজনকে পোড়ালি! তোর এই বে—আইনি অনুপ্রবেশের ফলেই তো লোকটার সর্বস্ব গেল।

    মান গেল, সম্ভ্রম গেল, সংসারের স্নেহ ভালবাসা শ্রদ্ধা সমীহ সব গেল, এখন কে জানে প্রাণটাও যায় কিনা!

    এই তো নিত্য নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলো!

    কে বলতে পারে, হঠাৎ কোনো শক্ত অসুখ কিনা, রাস্তায় কোনো এ্যাকসিডেন্ট কিনা! না না, চম্পা আর ভাবতে পারে না। আর ভয়ঙ্কর কিছু শুনতেও পারবে না। এখানে এসে অনেক পেয়েছে চম্পা, সেই ‘পাওয়া’র পূর্ণতাখানি নিয়ে, তার পেশামত কাজটাই করবে আবার!

    সিঁড়িটায় বসে পড়লো।

    পিছন দিকে ঘরের দরজার পানে তাকালো একবার। তারপর যেন নিজেকে নিজে ব্যঙ্গ করে হেসে উঠলো।

    গোছগাছ?

    পালাবার আবার গোছগাছ কি?

    কবে আবার গুছিয়ে গাছিয়ে পালিয়েছে চম্পা?

    তবু এবার গুছিয়ে নিয়েছিল একটু।

    ঠাকুরের ছবি, হরিনামের মালা, তিলকমাটি, গেরুয়া, গামছা! আবার কি সেইগুলো সম্বল করে পথে ভাসবে?

    গেরুয়ার একটা সুবিধে।

    গেরুয়ার আবরণে নিজেকে ঢেকে বেড়ালে চারিদিকের সহস্র চক্ষু তেমন প্রশ্নে মুখর হয়ে ওঠে না। একটা গেরুয়া মোড়া জীব পথে পথে ঘুরবে এতে আর আশ্চর্যের কি আছে!

    পথই তো ঘর ওদের!

    ছোট সেই ঘরখানায় এসে দাঁড়ালো।

    একখানি যুগলমূর্তির ছবি, একটা পেতলের ঘটি। একটা দড়ির আলনায় একপাশে পরিত্যক্ত হয়ে ঝুলে আছে সেই রক্ষাকবচের পোষাক।

    পরে নিল স্বপ্নাচ্ছন্নের মত, প্রেতে পাওয়ার মত।

    যেন চম্পা নয়, যেন আর কেউ।

    যেন চুরি করতে এসে ভুলে ভুলে যাচ্ছে কি করতে এসেছে।

    টাকা নিতে হবে।

    টাকা ছাড়া পথে গতি নেই।

    মনে মনে বললো, তোমার টাকা, তোমার বিশ্বাস, তোমার সুখ সব চুরি করে নিয়ে পালাচ্ছি। তুমি আমায় ধিক্কার দেবে? ঘৃণা করবে? মন থেকে মুছে ফেলবে?

    তাই ভাল!

    তাই ভাল!

    দেবুদা কাল দোকানের টাকা রেখে গেছে আমার কাছে, নিলাম সে টাকা। দেবুদা ব্যঙ্গের হাসি হাসবে। বলবে, ‘হুঃ! জানতাম! পথের ‘কুকুরকে মন্দিরে উঠতে দিলেই কি সে তার স্বভাব ছাড়ে?’

    দরজাটা ভেজিয়ে দিল।

    সিঁড়িটার মাথাটায় দাঁড়িয়ে রাস্তাটার দিকে যতদূর চোখ চলে দেখল।

    এখন রাত হয়ে গেছে। এসব রাস্তা এখন জনবিরল। যদি একটা বোষ্টুমী ভিখিরি যায়ই, বড়ো কারো চোখে পড়বে না।

    সিঁড়িতে নামতে গিয়ে একবার বসে পড়ল চম্পা, কে জানে কি ভেবে সিঁড়ির ধুলোতে একটু হাত ঠেকিয়ে মাথায় ঠেকালো। তারপর আস্তে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এল।

    রাস্তায় পড়লো।

    আর ঠিক সেই মুহূর্তেই সেই আশ্চর্য দৃশ্যটা দেখতে পেল।

    চন্দ্রভূষণ হতাশ গলায় বললেন, ‘তা’হলে আমাকে কী করতে বল তোমরা?’

    ওরা একটু ইতস্ততঃ করলো, তারপর কাঠখোট্টা ইন্দুই ভার নিল, ‘করবার তো একটাই রাস্তা পড়ে আছে। এ বাড়িকে সেপারেট চারটে ভাগে ভাগ করা অসম্ভব। যেমন প্ল্যানের শ্রী, তেমনি ব্যবস্থা জমি ‘ওয়েষ্ট’ করবার একটা দৃষ্টান্তস্বরূপ! সে যাক, বাড়ি ভাগ যখন সম্ভব নয়, তখন বিক্রি করে টাকাটা ভাগ করে নেওয়াই বেষ্ট!’

    বিক্রি করে!

    বাড়িটা বিক্রি করে!

    সেই হাতুড়িটা যে এবার সমস্ত স্নায়ুর উপর দমাস দমাস করে ঘা মারছে।

    সেই আঘাতে চন্দ্রভূষণের প্রশ্নটা শিথিল হয়ে গেল, ‘কী? কী বললি?’

    ‘ভয়ঙ্কর অদ্ভুত কিছু বলিনি দাদা! বাড়িটা বিক্রির কথা বলছি।’

    চন্দ্রভূষণ আস্তে বলেন, ‘এই বাড়িতে মা বাবার বিয়ে হয়েছিল ইন্দু, এ বাড়িতে আমরা সবাই জন্মেছি। এ বাড়িতে আমাদের মায়ের পুজোর ঠাকুর, লক্ষ্মীর কাঠা!’

    ইন্দু এই ভাবপ্রবণতার দিকে ব্যঙ্গদৃষ্টি হেনে বলে, ‘সাবেকী বাড়িতে ওসব থেকেই থাকে। খুব একটা অভাবনীয় কিছুই নয়। তবু বাড়ীবিক্রি বলে একটা কথাও আছে। বহু অসুবিধের মধ্যেই কাটাতে হচ্ছে আমাদের। ওসব সেন্টিমেন্ট ধুয়ে জল খেয়ে লাভ নেই।’

    ‘অসুবিধের মধ্যে কাটাতে হচ্ছে? এই বাড়িতে অসুবিধেয় কাটাতে হচ্ছে তোমাদের?’ স্বর আরো শিথিল, আরো স্খলিত—

    যেন চন্দ্রভূষণকেই অক্ষমতার অপবাদ দিয়েছে কেউ।

    ইন্দু তার স্বভাবসিদ্ধ কাঠিন্যের সুরে বলে, ‘তা’ হচ্ছে বৈকি! তোমার আর কি! তোমার না আছে বৌ, না আছে ছেলে, তুমি কী বুঝবে?’

    তা’ যদি বৌ ছেলে না থাকলে বোঝা না যায়, নাচার। চন্দ্রভূষণ বুঝলেন না। চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘বেশ তো, যা যা অসুবিধে ঠিক করে নাও না? রাজমিস্ত্রী, ছুতোরমিস্ত্রী, কি চাই বল।’

    সুনন্দা ভয় পায়, শেফালী ভয় পায়। কে জানে হঠাৎ আবার কোন দানপত্রে সই পড়ে যায়। দাদার সামনে পড়লেই তো অন্যরকম হয়ে যান লক্ষ্মণভাইরা। তবু আজ তো একটু—

    সুনন্দা বলে ওঠে, ‘এই তিনপুরুষের ভাঙা পুরনো বাড়িকে ঠিক করে নেবার ইচ্ছে আর নেই বড়দা, বড়বাড়ির মোহ ঘুচে গেছে। সামান্য টাকায় ছোট্ট একটু বাড়ি করে অবস্থা অনুযায়ী চলতে চাই।’

    অবস্থা অনুযায়ী চলতে চাই! নিজেরা নিজেদের চালাতে চাই!

    এই ওদের ইচ্ছে।

    এরপর আর কী বলবার আছে চন্দ্রভূষণের? আবারও কি বলবেন, ‘বেশ তো তাই চল না, অসুবিধেয় পড়লে আমি আছি।’

    তা’ এটাই তো অভ্যস্ত কথা।

    বরাবর তো এই কথাই বলে এসেছেন চন্দ্রভূষণ, ‘ভাবছিস কেন, আমি তো আছি!’ ছেলেদের অসুখে, চাকরির গোলমালে, সর্বদা ওই অভয়বাণী যুগিয়েছেন ছোট ভাইদের।

    ‘ভাবছিস কেন, আমি তো আছি।’

    সিন্ধু দূর থেকেও লিখেছে সেকথা, ‘অসুবিধে কি, তুমি তো আছ।’

    কিন্তু আজ এদের সামনে সেই অভ্যস্ত কথাটা বলতে পারলেন না চন্দ্রভূষণ। শুধু বললেন, ‘নেহাৎ দুঃখের দশায় না পড়লে কেউ তিনপুরুষের ভিটে বেচে না সেজবৌমা!’

    সেজবৌমা আরো নরম গলায় বলে, ‘এটা একটা কুসংস্কার বড়দা! মানুষের জন্যেই বাড়ি, বাড়ির জন্যে মানুষ নয়। এ বাড়িটার দামই আছে, সৌন্দর্য সুবিধে কিছুই নেই। এর বিনিময়ে যদি অনেক ভালভাবে থাকা যায়, থাকব না কেন?’

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘তার মানে এর মধ্যে ভাগ করে নিয়ে স্বতন্ত্র হয়ে থাকাতেও তোমাদের আনন্দ নেই, কি বল? চিরকালের আশ্রয়কে রাস্তার একটা লোকের হাতে তুলে ধরে দিতে পারলেই তোমাদের শান্তি?…বিন্দু ইন্দু, তোদেরও তা’হলে তাই মত?’

    ওরা দুজনেই বলে ওঠে, ‘তা’ সেটাই যখন সহজ ব্যবস্থা! ভাগ করতে গেলেও তো সুবিচার হয় না। কে দক্ষিণ নেবে, কে পশ্চিম নেবে? এই যে আমি বরাবর উত্তর ধারের ঘরে থাকি, অথচ বাড়িতে দক্ষিণখোলা ভাল ঘরও আছে।’

    চন্দ্রভূষণ সহসা স্তব্ধ হয়ে যান।

    চন্দ্রভূষণের চোখের সামনে তাঁর নিজের ঘরের বড় বড় দুটো জানলা যেন দক্ষিণের খোলা হাওয়ায় আছড়ে পড়ে।

    বাড়ির মধ্যে সবসেরা ঘরটাই চন্দ্রভূষণের।

    সুষমাই বড় ছেলেকে সবচেয়ে ভাল আর বড় ঘরটা দিয়ে রেখেছিলেন, ভারী ভারী পুরনো আসবাবপত্র সমেত। যেটা নাকি তাঁর নিজের ছিল। আর সব ভাইদের বিয়ে হয়েছে, নতুন খাট আলমারি আরশি হয়েছে, চন্দ্রভূষণ সেই সাবেকী গুলোর মধ্যেই নিমজ্জিত আছেন। তার মানে সব থেকে বেশী সুবিধে নিচ্ছেন। এর যে রদবদল সম্ভব ভাবেননি কখনো।

    কী স্বার্থপরতা!

    কী নির্লজ্জতা!

    আর এই নির্লজ্জ স্বার্থপরতার দিকে চিরদিন তাকিয়ে থেকেছে চন্দ্রভূষণের ছোটভাইরা।

    চন্দ্রভূষণ আস্তে বলেন, ‘বেশ, তোমরা যা ভাল বোঝ কর।’

    ‘ঠিক আছে—’ ইন্দুর কাঠখোট্টা গলাও কিঞ্চিৎ উৎফুল্ল শোনায়। হয়তো ইন্দু ভাবেনি এত সহজে অনুমতি পাওয়া যাবে। ‘জয়েণ্ট প্রপার্টির’ জ্বালা যে অনেক! একজন আপত্তি তুললেই তো বিক্রী নাকচ।

    আপত্তি রইলো না, ইন্দু তাই উৎফুল্ল গলায় বললো, ঠিক আছে। সিন্ধুকে তা’হলে সেটাই লিখে দিই? বলি একটা পার্টি ঠিক করে ফেলে তোমাকে খবর দিচ্ছি, যথাসময়ে চলে এসো এবং—’

    চন্দ্রভূষণ বলেন, ‘লিখতে পারো, তবে টাকাটা ওকে আজই পাঠাতে হবে, লিখেছে খুব তাড়াতাড়ি দরকার—’

    বিন্দু হঠাৎ অনুচ্চ একটু হেসে ওঠে।

    সেই হাসির সঙ্গে মৃদু ব্যঙ্গের একটু মন্তব্য, ‘আপনিও যেমন, তাই ওই শেয়ার কেনার কথা বিশ্বাস করছেন! ওটা একটা প্যাঁচ! এ বুঝছেন না? হঠাৎ বাড়ি বেচার কথা বলতে ইয়ে হয়েছে।’

    চন্দ্রভূষণ সেই ‘প্যাঁচ’ বুঝে ফেলা মুখটার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। তারপর নিশ্বাস ফেলে বলেন, ‘ঈশ্বর যে আমায় বুদ্ধি কম দিয়েছেন, তার জন্যে ধন্যবাদ!…যাক আরো প্রস্তাব তোমাদের আমি দিচ্ছিলাম—সিন্ধুর টাকাটা যখন যোগাড় করাই হয়ে গেছে, পাঠিয়ে দিচ্ছি। আর আমিও স্থির করছি—বিজনেস ছেড়ে দিয়ে সামান্যভাবে কোথাও গিয়ে থাকবো, কাজেই এ বাড়ির ভাগে আমার প্রয়োজন নেই। শুধু তোমরা দুই ভাই যদি থাকো, সুবিধে করে নিতে পারবে না? অবশ্য বিক্রি না করে!’

    বিন্দু ভুরু কুঁচকে বলে, ‘তার মানে তুমি স্বত্ব ত্যাগ করছো?’

    ‘ধরে নাও তাই!’

    যুগপৎ দুই দুই চার জোড়া চোখের মধ্যে দৃষ্টি বিনিময় হয়ে যায়, ওঃ বোঝা গেছে রহস্য! এইবার পাকাপাকিভাবে ‘সেইটার’ বাড়িতে গিয়ে পড়ে থাকবেন! কিন্তু টাকার ব্যাপারটা—

    বিন্দু হয়তো এটাতে খুব লোকসান মনে করছিল না, ইন্দুও না। কিন্তু সহসা ঘোমটার অন্তরাল থেকে একটি নীরব কণ্ঠস্বর বেজে উঠলো, ‘বটঠাকুরকে জানিয়ে দাও সেজঠাকুরপো, তা’ হয় না। এটা হচ্ছে দান গ্রহণ! আমাদের গুরুদেবের শিক্ষার প্রধান নিষেধ ‘দান গ্রহণ’ না করা!’

    বটঠাকুরকে অবশ্য আলাদা করে জানাতে হলো না। তিনি বললেন, ‘ওঃ আচ্ছা! ঠিক আছে।’

    বিন্দুর মনে হলো প্রস্তাবটার গোড়ায় বড় চট করে কোপ পড়লো। মেজগিন্নীর সর্দারীটা বড় বেশী। ধর্মের ধ্বজা একেবারে!…বললো, ‘তা’ তোমার এতে তো লাভ হচ্ছে না কিছু!’

    চন্দ্রভূষণ বললেন, ‘বড় টায়ার্ড লাগছে বিন্দু, আমি একটু বিশ্রাম করবো।’

    অর্থাৎ চলে যাও ঘর থেকে।

    আর কি!

    বিন্দু এবং ইন্দু দুজনেই শেফালীর দিকে একটা জ্বলন্ত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে চলে যায়। ভাবপ্রবণ দাদা ঝোঁকের মাথায় করে বসেছিলেন একটা বড় দানপত্রে সই, হলো না ওর সর্দারীর জন্যে! আড়ালে একটা পরামর্শ করবি তো?—

    সুনন্দা অবশ্য ক্ষুব্ধ হয় না।

    সুনন্দা আর এই পুরনো বাড়ির ভারী দেওয়ালের খাঁজে আটকে থাকতে চায় না।

    আর এখানে থাকা মানেই তো সর্ববিধ ঠাট বজায় রাখা! সেই গৃহদেবতা, সেই লক্ষ্মী, ষষ্ঠী, মনসা, মাকাল, উঃ! এর আওতা থেকে বেরিয়ে না পড়লে মুক্তি নেই।

    আজকের এই ঘরভাঙা ঝড়ওঠা উত্তাল যুগে কে তার পিতামহীর মত সন্ধ্যাবেলায় গলায় আঁচল দিয়ে তুলসীতলায় প্রদীপ দিতে বসছে?…কে ভোরবেলা উঠে তার বালিকা কন্যাদের নিয়ে ‘পুণ্যিপুকুর’ ব্রতের পুণ্যি অর্জন করাতে যাচ্ছে? কে সেই সহস্র নীতি নিয়মের শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ে থেকে আবহমানের ধারা রক্ষা করছে?

    কেউ না।

    হয় না তা’।

    অথচ এইরকম সাবেকী বাড়ির রন্ধ্রে রন্ধ্রে যেন সেই ধারা রক্ষার অনুশাসন নিঃশব্দ ভঙ্গিতে তর্জনী তুলে শাসাচ্ছে।

    এই ইঁট কাঠের শাসন থেকে পালানো চাই।

    পালানো চাই বড়ভাসুরের ভাবপ্রবণতার কবল থেকে। পুরনো ধারার নিজে তিনি হন্তারক, শুনতে পাওয়া যায় এ সংসারে যে সামান্যতম আধুনিকতা প্রবেশ করেছে, তা’ তিনিই এনেছেন। অথচ তিনিই হঠাৎ হঠাৎ বলে বসবেন, ‘আচ্ছা মেজবৌমা, আগে সেই মা যে ‘অরন্ধন’ না কি করতেন, সে তোমরা কর না আর?…আচ্ছা মেজবৌমা, এ বাড়িতে সত্যনারায়ণ পুজো হয় না কেন বল তো? আমাদের ছেলেবেলায় সত্যনারায়ণ পুজো রীতিমত একটা উৎসব ছিল। তোমাদের ছেলেমেয়েরা সেসব কিছুই দেখলো না!’

    যেন আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্যে আর কোনো আমোদ প্রমোদের আয়োজন নেই!

    যেন ওরাও তোমাদের মত সত্যনারায়ণ পুজোকে একটা উৎসব ভাববে!

    এই অবাস্তববুদ্ধি মানুষটির জন্যেই আরো—

    বাস্তবিকই অবাস্তববুদ্ধি!

    অথচ চন্দ্রভূষণ নিজে টের পান না সে খবর। চন্দ্রভূষণ একদিকে একান্নবর্তী সুখী পরিবারের স্বপ্ন দেখেন, আর অপর একদিকে হারানো—প্রেমকে খুঁজে ফিরিয়ে পেয়ে তাকে প্রতিষ্ঠিত করবার স্বপ্ন দেখেন।

    চন্দ্রভূষণ ভাবেন, আমি যদি যথাসময়ে বিয়ে করতে পেতাম, চম্পা কি এ সংসারের ‘একজন’ হতো না?

    এখনই বা তবে হবে না কেন?

    যদি আমার বিবাহিতা স্ত্রীই ভাগ্যবিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে দীর্ঘকাল নিরুদ্দেশ থাকতো? ফিরে এলে ফিরে নিতাম না?

    বিবাহিতাই যদি বলি।

    আকাশের চন্দ্র সূর্য সাক্ষী করে কি একদিন প্রতিজ্ঞা করিনি আমরা—তুমি আমি এক!

    হতে পারে সে কৈশোরের উচ্ছ্বাস, তবু তা’ সত্য!

    আমার পিসির বিয়ে হয়েছিল ন’ বছর বয়সে, দশ বছর না পুরতেই পিসি বিধবা হয়েছিল। সেই বৈধব্যকেই তো পিসি ‘পরম সত্য’ বলে আঁকড়ে থেকেছে ঊনষাট বছর বয়েস পর্যন্ত।

    সে যে শুধুই সামাজিক শাসনে খাওয়া পরায় বঞ্চিত থাকা নয়, সে যে মনেপ্রাণে অনুভব করা—’আমার সব শেষ হয়ে গেছে, আমি একদা উৎসর্গীকৃত’, তা’ কি বোঝা যেত না?

    কিসের এই হৃদয়ের বন্দীত্ব?

    শুধু একটা অনুষ্ঠানের স্মৃতি, এই তো? আজীবন কৌমার্য নিয়েও পিসি জানতেন তিনি বিবাহিতা, জানতেন তিনি একজনের সম্পত্তি। মালিক তাঁকে ফেলে রেখে চলে গিয়েছে বলেই যে তিনি মুক্ত তা’ নয়।

    শুধু তাই নয়। পিসির শ্বশুরবাড়ির কি কি কুলপ্রথা, কি কি নীতি নিয়ম, তা’ তাঁর জ্ঞাতিগোত্রকে জিগ্যেস করে করে জেনে নিয়ে, সেই প্রথা নিয়মের মধ্যে চলতেন পিসি।

    জীবনে কখনো শ্বশুরবাড়ির ভাত খাননি, ‘অপয়া’ বলে তারা ঘরে নেয়নি, তবু পিসি যখন তখন বলতেন, ‘আমার শ্বশুরবাড়ির এই নিয়ম।’

    এ বন্ধন ‘সত্যে’র মূল্যবোধের বন্ধন!

    চন্দ্রভূষণও বাঁধা পড়ে আছেন সেই মূল্যবোধের বন্ধনে। চন্দ্রভূষণের ধারণা ছিল চম্পা নেই, চম্পা হয়তো আত্মহত্যা করেছে। তবু চন্দ্রভূষণ আর বিয়ের কথা ভাবেননি, ভাবতে পারেননি।

    এখন চন্দ্রভূষণ জানলেন, চম্পা আছে। আছে পতিত হয়ে, কলঙ্কিত হয়ে, অপবিত্র অশুচি হয়ে।

    কিন্তু চন্দ্রভূষণ একথা বললেন না, ‘কেন তুমি মূর্তি হয়ে এলে, রহিলে না ধ্যান ধারণায়’!

    চন্দ্রভূষণ কৃতার্থ হলেন। চন্দ্রভূষণ ভাবলেন, ভাগ্য ওকে যেখানেই এনে ফেলুক, ও তো নিজে অশুচি নয়।

    চন্দ্রভূষণ প্রগতিশীলতার পরাকাষ্ঠা দেখালেন—যে চন্দ্রভূষণ তাঁর ভাদ্র—বৌদের বলেন, ‘তোমাদের মেয়েরা ভোরবেলা সেই ব্রতট্রত করে না মেজবৌমা? এসব আর তোমরা মানো না বুঝি?’

    হ্যাঁ, এ প্রশ্নও করেন চন্দ্রভূষণ।

    মেজবৌমা মায়ের আমলের বৌ, তাই মেজবৌমার কাছেই সব প্রশ্ন।

    অথচ নিজেকে এ প্রশ্ন করেন না, ‘তুমি এত সংস্কার—মুক্ত হলে কি করে হে বাপু?’

    চন্দ্রভূষণ হয়তো একটা আশ্চর্য ‘উল্টোপাল্টা’র সমষ্টি! চন্দ্রভূষণ তাই অনায়াসেই অনেক আশ্চর্য ঘটনা ঘটাতে পারেন।

    যার ফলে চন্দ্রভূষণের বড় বড় ছোটভাইরা লজ্জায় মাথা হেঁট করে, আর মুখ বাঁকিয়ে বলে, ‘জানতাম শেষ পর্যন্ত এইরকমই হবে।’

    বলে, ‘কত রাত অবধি তো বসেছিলেন, গেলেনই বা কখন? ছি ছি এত কদর্য নেশা! একটা দিন বন্ধ করতে পারেন না?’

    চম্পা যখন দেবুর দোকানঘরের সামনাসামনি এসে দাঁড়িয়েছিল, দেবু তখন দোকান বন্ধ করবে বলে পিছন ফিরে জিনিসপত্র গোছাচ্ছিল, দেখতে পেল না চম্পাকে।

    চম্পা একবার ডাকতে চেষ্টা করেছিল, গলাটা কেমন শুকনো শুকনো আর ক্ষীণ হয়ে গেল।

    দেবুর কানে পৌঁছলো না।

    চম্পা আর চেষ্টা করেনি।

    চম্পা ভাবতে চেষ্টা করেছিল, এত উতলা হবার কোনো মানে হয় না।

    সত্যিই তো কত কারণ থাকতে পারে। ওর অসুখ করেছে, ও অ্যাকসিডেণ্ট ঘটিয়েছে, এত সব ভাবতে বসছি কেন?

    তারপরই ভাবলো, এই অবস্থাটা অবাস্তব। এরকম চলতে দেওয়া উচিত নয়। আমি চলে যাব।

    আমি চলে যাব।

    ওকে না জানিয়ে চলে যাব। আমি আমার দুর্ভাগ্যের পসরা নিয়ে ওর জীবনকে আর পীড়িত করবো না।

    কিন্তু যাওয়া হল কই? সেই আশ্চর্য ঘটনাটা ঘটলো যে তখুনি!

    চন্দ্রভূষণ আসছেন।

    সহজ সুস্থ চন্দ্রভূষণ!

    এর থেকে আর আশ্চর্য্যের কি হতে পারে?

    চম্পা যে ক্ষণপূর্বে হরিরলুট মানত করেছিল, এ কি তার ফল? চম্পা যে চলে যাচ্ছিল, চম্পার যে পরনে সেই গেরুয়া, সেকথা ভুলে গেল চম্পা। শুধু ভাবল, কী আশ্চর্য! কী আশ্চর্য! আমি যে একটু আগে হরিরলুট মেনেছিলাম এ তারই ফল! তারপর ভাবলো…

    কিন্তু পায়ে হেঁটে কেন?

    চম্পা শুধু সেই প্রশ্নটাই করে বসে, ‘গাড়ী কি হলো?’

    চন্দ্রভূষণ হঠাৎ হেসে উঠে বলেন, ‘কেন, গাড়ীবিহীনকে আর ভালবাসবে না?’

    হাসিটা যেন জোরকরা।

    তারপরই হঠাৎ যেন ছিটকে উঠলেন, বললেন, ‘এর মানে?’

    ‘ওমা, অমন বিদ্যুৎ খাওয়ার মতো চমকে উঠলে কেন? হলো কি?’

    আবার এই ন্যাকড়াটাকে পরেছ মানে?’

    চম্পা কি সত্যি ভুলে গিয়েছিল, না ভুলে যাওয়ার ভান করলো? চম্পাই জানে সে কথা। অথবা চম্পাও জানে না। তাই চম্পা হঠাৎ মনে পড়ার মত বলে উঠলো, ‘ওমা তাইতো! দেখে ফেললে তুমি? আমি তো আবার বৈরাগিনী হয়ে চলে যাচ্ছিলাম গো!’

    চন্দ্রভূষণ সন্দিগ্ধ গলায় বলেন, দেখ তোমার ধরনধারণ ভাল লাগছে না আমার। এখানা টেনে পরেছ কেন?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article স্বর্গকেনা – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }