Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অবগুণ্ঠিতা – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প161 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবগুণ্ঠিতা – পরিচ্ছেদ ২০

    ২০.

    বাবলুর কথা শুনে সুব্রত চিন্তিত হয়ে উঠল। যে উপায়ে তোক রাণুকে শত্রুর কবল থেকে উদ্ধার করতে হবে। কিন্তু তাড়াতাড়ি করলে কোন কাজই হবে না। ভেবেচিন্তে অগ্রসর হতে হবে। বাবলুর কথাগুলো ভেবে দেখবার মত। যদি সেই কথা অনুসারেই কাজ করতে হয় তবে বাবলুর নির্দিষ্ট পথ ধরেই অগ্রসর হতে হবে। বাবলুকে সঙ্গে নিয়ে গেলে হয়তো সহজেই সব জায়গাগুলো খুঁজে দেখতে পারবে। সুব্রত বাবলুর দিকে তাকিয়ে বললে, সেই ভাল বাবলু, চল তুমি আমার সঙ্গে। তুমি ওদের আড্ডার সব গলি-খুঁজি জানো।

    বাবলু চটপট প্রস্তুত হয়ে নিল।

    শিশিরের কপাল অনেকখানি কেটে গিয়েছিল। ডাঃ বোসের হাতে শিশিরের শুশ্রুষার ভার তুলে দিয়ে এবং অমিয়াদি ও ডাঃ বোসকে রাণুর সম্বন্ধে চিন্তা না করতে বলে সুব্রত বাবলুর হাত ধরে ঘর থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়ে গেল।

    রাস্তার ওপরই সুব্রতর ডিমলার গাড়িখানা অপেক্ষা করছিল। বাবলুর হাত ধরে গাড়িতে উঠে বসে ড্রাইভারকে চিৎপুরের দিকে দ্রুত গাড়ি চালাতে বললে সুব্রত।

    গাড়ি ছুটে চলল।

    চিৎপুর রোডে অবস্থিত সেই বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভারকে সতর্ক করে সুব্রত বাবলুর হাত ধরে গাড়ি থেকে নামল। রাত্রি তখন বোধ করি প্রায় বারোটা। চিৎপুরের রাস্তাটা তখন একেবারে নির্জন হয়ে যায়নি। মানুষের চলাচল তখনও বেশ আছে। দুএকটা খালি। মোষের গাড়ি পিচের সড়কের ওপর দিয়ে ঘড়ঘড় শব্দ করতে করতে চলে গেল।

    বাবলু সুব্রতর হাত ধরে এগুচ্ছিল। বাড়িটার কাছাকাছি এসে চাপা স্বরে বললে, দাদা, এ দরজা দিয়ে ঢুকবো না। ওদিককার সরু একটা গলির মধ্যে দিয়ে গেলে বাড়িতে ঢুকবার আরও একটা দরজা আছে। সেটা দিয়েই বাড়িতে ঢুকব।

    বেশ তাই চল। আমি তো চিনি না, তুমি রাস্তাটা দেখিয়ে নিয়ে চল।

    বাবলু চাপা গলায় আবার বললে, আমার সঙ্গে আসুন।

    ফুটপাতের উপর দিয়ে বাড়িটার গা ঘেঁষে ঘেঁষে কিছুদূর এগিয়ে যেতেই হঠাৎ সংকীর্ণ সরু অন্ধকার গলিপথের মধ্যে বাবলু প্রবেশ করল। সুব্রত পিছু পিছু এগিয়ে চলল।

    আলো-বাতাসহীন দুর্গন্ধময় দুটো বাড়ির মধ্যবর্তী সংকীর্ণ পথ।

    সুব্রত জিজ্ঞাসা করল, আলো জ্বালব বাবলু?

    না। আমার পিছনে পিছনে আসুন। এ পথ একমাত্র দলের লোক ছাড়া কেউ জানে না। নিকষ কালো অন্ধকারে যেন চোখের দৃষ্টি অন্ধ হয়ে যায়।

    অতি কষ্টে অন্ধকারে ঠাহর করে করে বাবলুর পায়ের শব্দ অনুসরণ করে সুব্রত এগিয়ে চলে।

    হঠাৎ একসময় চলতে চলতে বাবলু থেমে গেল, দাদা?

    এই যে আমি!

    একবার আলোটা জালুন তো!

    সুব্রত পকেট থেকে টর্চ বের করে বোতাম টিপে আলো জ্বালাল।

    সামনেই একটা জানালা। জানালার কপাট দুটো বন্ধ।

    কতকালের কাঠের পুরাতন কপাট। মসীবর্ণ, জীর্ণ।

    বাবলু উঁচু হয়ে জানালার বন্ধ কপাটের গায়ে হঠাৎ একটা ধাক্কা দিতেই কপাট দুটো ক্যাচ করে মৃদু একটা শব্দ করে খুলে গেল। জানালার গায়ে শিক বসান। মাঝখানের দুটো শিক নেই। বাকিগুলো আছে।

    এই জানালা-পথে বাড়ির মধ্যে ঢুকতে হবে দাদা। দাঁড়ান, আগে আমি ভিতরে দেখে আসি, তারপর আপনি আসবেন।

    বাবলু জানালার একটা শিক দুহাতে ধরে ঝুলে উঠে পড়ল। এবং পরমুহূর্তে জানালাপথে শিকের মধ্যবর্তী রাস্তা দিয়ে গলে অন্ধকার ঘরের মধ্যে ওপাশে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    সুব্রত হাতের টর্চ-বাতি নিভিয়ে নিঃশব্দে অন্ধকারে বাবলুর প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে রইল। কতকাল আগে কলকাতার এই শহরের উপরে এইসব বাড়ির তৈরি হয়েছিল কে জানে!

    বড় বড় সব বাড়ি। বেশির ভাগই দোতলা-তেতলা। খালি পড়ে আছে। একতলাগুলো গুদামঘর হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

    অন্ধকারে কয়েকটা মশা কানের কাছে ভন করছে। হঠাৎ পায়ের উপর দিয়ে প্রকাণ্ড একটা ইদুর সড়সড় করে চলে গেল।

    সুব্রত শশব্যস্ত সরে দাঁড়াল একটু। অতি আধুনিক শহরের সঙ্গে এই সংকীর্ণ অন্ধকার গলিপথের যেন কোন সম্পর্কই নেই।

    সুব্রতর মনের মধ্যে অনেক কথাই একসঙ্গে ঘুরপাক খেয়ে খেয়ে ফিরছিল। মাত্র চারদিনের মধ্যে ঘটনার সংঘাতে কোথায় ভেসে এসেছে।

    মিঃ সরকারের মৃত্যু তদন্তের ব্যাপারে সব কাজই এখনও বাকি। সমস্ত ব্যাপারটা ভেবে দেখবারও এখনও পর্যন্ত সময় পায়নি। কিরীটাই বা কতদূর কী করল কে জানে?

    আজ এই কদিনে যেসব ঘটনাগুলো ঘটে গেল, এগুলো কিরীটী জানতে পারলে হয়ত তদন্তের ব্যাপারে অনেকখানি আলোর সন্ধান দিতে পারত। তারপর এই মেয়েটি। দুঃখ ধান্ধার মধ্যে এই অল্প বয়সে কী টানাপোড়েনই বেচারীর চলেছে! আশ্চর্য স্বভাব। যে রাণু তাকে অনায়াসেই বিপদের মুখে ঠেলে দিতে এতটুকুও পশ্চাৎপদ হয়নি, তারই জন্য ও কতখানি ব্যাকুল হয়েই না এই বিপদের মধ্যে ছুটে এল। এতটুকু দ্বিধাবোধও করলে না।

    হঠাৎ এমন সময় ও বাবলুর ডাকে চমকে উঠল।

    দাদা!

    উঁ? সুব্রত জবাব দিল।

    দাদা, সমস্ত বাড়িটাই আমি ঘুরে দেখে এলাম। কিন্তু ওরা কেউ নেই। একমাত্র অবু আর বঙ্কা একটা ঘরের মধ্যে বসে বসে কথা বলছে। এখানে নিশ্চয়ই ওরা রাণুদিকে নিয়ে আসেনি।

    তবে?

    মিঞার ওখানে এখন যেতে হবে আমাদের। আমার মনে হয়, ওরা নিশ্চয়ই রাণুদিকে ধরে সেখানে নিয়ে গেছে।

    বাবলু আবার জানালাপথে নীচে লাফিয়ে পড়ল, চলুন মিঞার ওখানে যাওয়া যাক।

    সে কোথায়?

    বড় রাস্তার ওপরেই, অল্প দূরে।

    চল।

    ওরা দুজনে আবার গলিপথ থেকে বের হয়ে বড় রাস্তার উপরে এসে পড়ল। বড় রাস্তার উপর দিয়ে খানিকটা এগিয়ে গিয়ে আর একটা সরু গলির মধ্যে প্রবেশ করল।

    এ গলিপথটা আগেকার চাইতে সামান্য একটু প্রশস্ত বটে, তবে এখানে আলোর কোন সংস্পর্শ নেই। অন্ধকার।

    কিছুটা পথ এগিয়ে গিয়ে বাবলু একটা দোতলা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল।

    দাদা, এই বাড়িতে মিঞা থাকে। আলো জ্বেলে দেখুন, সামনে একটা ছোট পাঁচিল।

    সুব্রত বাবলুর কথামত টর্চবাতি জ্বেলে দেখলে, সামনেই প্রায় হাত আড়াই উঁচু একটা পুরাতন প্রাচীর। প্রাচীরের গায়েই একতলার ছাদ। ছাদের ওপরে একটা গঙ্গাজলের ট্যাঙ্ক দেখা যাচ্ছে।

    আলোটা নিভিয়ে ফেলুন দাদা। ঐ পাঁচিলের ওপরে উঠে জলের ট্যাঙ্কটার ওপর দাঁড়ালেই দেখতে পাবেন বারান্দা। বারান্দাটায় লাফিয়ে পড়বেন। সেটা দোতলার বারান্দা। বারান্দা দিয়ে একটু এগোলেই দেখবেন নীচে নামবার কাঠের সিঁড়ি। সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এসে আগে দরজাটা খুলে দিন।

    সুব্রত নিমেষে প্রস্তুত হয়ে নিল মালকোচা এঁটে। তারপর অন্ধকারে বার দুই লাফিয়ে চেষ্টা করতেই তৃতীয়বারে ও পাঁচিল ধরে ফেলল। নিমেষে ও হাতের ওপর ব্যালেন্স করে পাঁচিলের ওপর উঠে বসল। পাঁচিলের ওপর থেকে ট্যাঙ্কের ওপর উঠতে বেশি বেগ পেতে হল না।

    হ্যাঁ, ঠিক সামনেই সরু একটা ফালিমত বারান্দা দেখা যাচ্ছে বটে।

    অতি সন্তর্পণে লাফিয়ে সুব্রত বারান্দায় গিয়ে পড়ল।

    বারান্দায় কোন আলো নেই, অন্ধকার। একটা খালি ঘর, তার দরজা খোলা হাঁ-হাঁ করছে। সুব্রত কিছুক্ষণ কান পেতে শোনবার চেষ্টা করল। কিন্তু কোথাও কোন সাড়াশব্দ নেই। হঠাৎ যেন মনে হল অন্ধকারে কোথা থেকে একটা চাপা কান্নার শব্দ আসছে। সুব্রত থমকে দাঁড়াল, কে কাঁদে না! হ্যাঁ, তাই তো। কার কান্নার শব্দ? এমন সময় একটা চাপা গর্জন শোনা গেল, এই থাম হুঁড়ি!

    সুব্রত চমকে উঠল। কিন্তু ঠিক ঠাহর করে এবং তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চারপাশ দেখেও বুঝতে পারল কোথা থেকে শব্দটা আসছে।

    আর দেরি নয়। বাবলু একা গলিপথে নীচে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ছেলেমানুষ।

    ও বারান্দা দিয়ে আর একটু এগিয়ে গেল। আকাশের বুকে তখন সরু এক ফালি চাঁদ উঠেছে।

    চাঁদের ক্ষীণ আলোয় এই ভাঙা পুরাতন বাড়ির খানিকটা যেন ফ্যাকাসে করুণ দেখায়।

    সেই মৃদু আলোয় সুব্রত দেখতে পেল, সামনেই একটা ভাঙা পুরাতন কাঠের সিঁড়ি। নীচে, একটা সংকীর্ণ উঠান।

    উঠানটাও ক্ষীণ চালোকে অস্পষ্ট দেখা যায়।

    সুব্রত আর দেরি না করে সিঁড়ি বেয়ে সন্তর্পণে নেমে এল। উঠানের ওপাশে একটা মাত্র ঘর। ঘরের দরজাটা খোলা। আলো হাতে ঘরের মধ্যে ঢুকতেই ও দেখলে, ঘরের মধ্যে একটা খিল আঁটা দরজা। আন্দাজেই ও বুঝতে পারল, এটাই ও-বাড়ি থেকে বাইরে বেরুবার রাস্তা।

    সুব্রত খিলটা খুলে ফেলতেই দরজাটা ঠেলে বাবলু ঘরের মধ্যে প্রবেশ করল। সুব্রত চাপা গলায় বাবলুকে বললে, কার যেন চাপা কান্না শুনতে পেলাম বাবলু।

    বাবলু জবাব দিল চাপা গলায়, ঠিক, তাহলে তারা এখানেই রাণুদিকে নিয়ে এসেছে। এবারে আমার পিছনে পিছনে আসুন। বাবলু এগিয়ে চলল। উঠানটা পার হতেই আর একটা দরজা। এ দরজাটা ভেজানোই ছিল, ঠেলা দিতেই খুলে গেল। সামনেই একটা ঘর। ঘরের মাঝখানে একটা কাঠের টেবিলের ওপরে একটা ধূম্রমলিন হ্যারিকেনবাতি জ্বলছে।

    সেই টেবিলের সামনে একটা টুলের ওপরে পিছন ফিরে বসে একটা লম্বা-চওড়া লোক আপন মনে বিড়ি ফুঁকছে।

    লোকটার পরিধানে একটা লুঙ্গি, গায়ে একটা কোর্তা। মাথায় একটা মুসলমানী টুপি।

    সুব্রত মুহূর্তে সমস্ত পরিস্থিতিটা মনে মনে একবার পর্যালোচনা করে নিল। সুব্রত তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে একবার চারিধারে পরীক্ষা করে নিল। আশেপাশে আর কোন দ্বিতীয় প্রাণী নজরে পড়ে না। লোকটা চোখ মেলে বসে থাকলেও সজাগ নয়। এক্ষেত্রে একমাত্র উপায় চকিতে লোকটাকে পশ্চাৎ থেকে আক্রমণ করে ঘায়েল করা।

    মনে মনে তাই ও ঠিক করে ফেললে। লোকটাকে আক্রমণই করবে-ও।

    বাবলু চাপা গলায় বলল, ওই মিঞা বসে আছে দাদা। আপনি ওকে যদি ধরতে পারেন, তবে সেই ফাঁকে আমি ঘরের ভিতর থেকে রাণুদিকে খুঁজে আনতে পারি।

    সুব্রত মাথা হেলিয়ে সম্মতি জানালো, তাই হবে।

    সুব্রত চকিতে গিয়ে মিঞাকে পশ্চাৎ থেকে দুহাতে জাপটে ধরল সজোরে। অতর্কিতে সহসা এমনভাবে আক্রান্ত হয়ে লোকটা ভয়ানক চমকে গিয়েছিল এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল। কিন্তু সে ক্ষণমাত্র। পরক্ষণেই লোকটা প্রবল এক ঝাপটা দিয়ে গায়ের সমগ্র শক্তি প্রয়োগ করে নিজেকে সুব্রতর দৃঢ় আলিঙ্গন থেকে মুক্ত করে নেওয়ার চেষ্টা করল। লোকটার গায়ে প্রচণ্ড শক্তি। বাবলু ততক্ষণে এক দৌড়ে সামনের ঘরের ভেজানো দরজাটা ঠেলে ঘরের মধ্যে গিয়ে প্রবেশ করল।

    ছোট অপরিসর ঘরটা।

    ঘরের এক কোণে একটা কাঠের বাক্সের ওপরে একটা ধূম্রমলিন হ্যারিকেনবাতি টিটি করে আলোর চাইতে বেশি ধূমোদগীরণ করছে। ঘরের মাঝখানে একটা দড়ির খাটিয়ার ওপর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রাণু পড়ে আছে। ঘরের ম্লান আলোকে বাবলু এসে রাণুর সামনে দাঁড়ালো। রাণু বাবলুকে দেখে উঠে বসতে চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। বাঁধা হাত পা নিয়ে আবার হেলে পড়ে গেল।

    বাবলু চকিতে রাণুর ওপর ঝুঁকে পড়ে তাড়াতাড়ি রাণুর হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দিতে লাগল।

    রাণু বাবলুর ব্যবহারে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিল। সে বিস্ময়-বিস্ফারিত চোখে বাবলুর দিকে চেয়ে দেখছিল।

    বাঁধন খোলা হয়ে গেলে রাণু খাটিয়ার ওপর উঠে বসল।

    বাবলু ডাকল, রাণুদি, শীঘ্র পালিয়ে চল!

    রাণু খাটিয়ার ওপর থেকে নীচে নেমে দাঁড়াল।

    ওদিকে ততক্ষণ সুব্রত লোকটাকে ঘায়েল করে তার বুকের ওপরে চেপে বসেছে। লোকটা সুব্রতকে তার নিজের শরীরের উপর থেকে ফেলে দেওয়ার জন্য প্রবল চেষ্টা করছে।

    রাণুর হাত ধরে একপ্রকার টানতে টানতে বাবলু ওই ঘরে এসে প্রবেশ করল।

    সুব্রত লোকটাকে কায়দা করে আনলেও নিজে তখন প্রবলভাবে হাঁপাচ্ছে। বাবলু রাণুর হাত ধরে থমকে যুদ্ধরত সুব্রতর দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে গেল। ঘরের চারপাশ একবার চকিতে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বুলিয়ে দেখে নিল। সহসা ওর নজরে পড়ল ঘরের এক কোণে একটা লোহার ডাণ্ডা পড়ে। আছে। ছুটে গিয়ে বাবলু ডাণ্ডাটা হাতে তুলে নিল এবং ডাণ্ডাটা দিয়ে বসাল এক আঘাত। লোকটা একটা আর্তনাদ করে উঠল এবং দেখতে দেখতে মুষ্টি তার শিথিল হয়ে গেল।

    লোকটা জ্ঞান হারাল।

    সুব্রত উঠে দাঁড়াল এবং অদূরে দণ্ডায়মান বাবলুর মুখের দিকে তাকাল। অজস্র কৃতজ্ঞতায় সুব্রতর চোখের দৃষ্টি তখন অশ্রুসজল হয়ে উঠেছে। সুব্রত দুহাত বাড়িয়ে গভীর স্নেহে বাবলুকে বুকের ওপরে টেনে নিল। কৃতজ্ঞতায় তার কণ্ঠস্বরও বুঝি তখন রুদ্ধ হয়ে গেছে।

    কিন্তু বাবলু বাধা দিল, দাদা, শীঘ্র এখান থেকে পালিয়ে চলুন! কেউ এসে পড়তে পারে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article মানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }