Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অবগুণ্ঠিতা – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প161 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবগুণ্ঠিতা – পরিচ্ছেদ ২৪

    ২৪.

    আমহার্স্ট স্ট্রীট থেকে বের হয়ে কিরীটী ক্লাইভ স্ট্রীটে মিঃ সরকারের অ্যাটর্নীর অফিসে গিয়ে প্রবেশ করল এবং কিছুক্ষণ ধরে অ্যাটর্নীর সঙ্গে কথাবার্তা বলে যখন সে অ্যাটর্নী-অফিস থেকে। বের হয়ে এল, বেলা তখন প্রায় দুটো। অ্যাটর্নী কলকাতায় ছিলেন না, তাই এর আগে কিরীটী তার সঙ্গে দেখা করতে পারেনি।

    টালিগঞ্জের বাড়িতে ফিরে এসে কিরীটী দেখলে, বাইরের ঘরে একটা সোফার ওপরে হেলান দিয়ে চোখ বুজে পড়ে আছে সুব্রত।

    কিরীটীর পায়ের শব্দে সুব্রত চোখ মেলে তাকাল, এত দেরি হল যে?

    সব কাজ সেরে এলাম। তুই কতক্ষণ এসেছিস?

    প্রায় ঘন্টাখানেক।

    মিঃ বি. সরকারের শয়নঘর ও লাইব্রেরিঘর যা চাবি দেওয়া ছিল—সেটা নিয়ে এসেছিস তো?

    হ্যাঁ।

    সকলকেই আড়ালে ডেকে আলাদা আলাদা করে বলে এসেছিস তো যে ও-ঘরের মধ্যে যেন কেউ না ঢোকে?

    হ্যাঁ। তারপর তোমার কাজ কতদূর এগুলো?

    প্রায় কমপ্লিট। শুধু সামান্য একটু একত্সপেরিমেন্ট আজ রাত্রে যা বাকি। ব্যস, তারপরই খুনী ধরা পড়বে। তুই বোস, চট্র করে আমি স্নানটা সেরে আসছি—অনেক আলোচনা করবার আছে।

    কিরীটী বাড়ির ভিতরে চলে গেল।

    ***

    সামনে ধূমায়িত চায়ের দুটো কাপ।

    কিরীটী বলছিল, প্রথম দর্শনে কেসটা আমার বেশ জটিল বলেই মনে হয়েছিল। তার অবিশ্যি কারণ ছিল তিনটি ১নং মৃত ব্যক্তি চেয়ারে বসে ছিল কেন? মানে ঐ চেয়ারে বসা অবস্থায় ছিল কেন? ২নং, মিঃ সরকারের হাতঘড়িটা ভাঙল কি করে? আর ৩নং কারণ, সহজ দৃষ্টিতে বিচার করে দেখতে গেলে খুন করবার যে মোটিভ মিঃ সরকারের উইলের দ্বারা লাভবান হওয়া, তা ওবাড়ির প্রত্যেকের পক্ষে সম্ভব ছিল। কেন আমি একথা বলছি, কারণ ও বাড়ির প্রত্যেকের পক্ষে সম্ভব ছিল খুন করা!

    কারণ প্রথম দর্শনেই আমি স্থিরনিশ্চিত হয়েছিলাম, মিঃ গজেন্দ্র সরকারকে খুন করেছে ও-বাড়িরই কেউ। বাইরের লোকের দ্বারা ওভাবে মিঃ সরকারের খুন হওয়া একেবারেই সম্ভব ছিল না। সেকথাটা সর্বাগ্রে না বলে নিলে বাকি কথাগুলো তোমার কাছে খোলসা হবে না। সব কিছু বিচার করবার আরল আগে যে কথাটা সকলের মনেই সন্দেহের দোলা জাগাতে পারে, সেটা হচ্ছে মিঃ সরকারের মৃত্যু কী করে ঘটেছিল! ডাক্তারের ময়নাতদন্তের বিবরণ থেকে যা প্রকাশ হয়েছে, তা থেকে আমরা জানি বা জানতে পেরেছি, মিঃ সরকারের মৃত্যু ঘটেছে আনুমানিক মধ্যরাত্রিতে অর্থাৎ বারোটা-একটার মধ্যে। এবং তীক্ষ্ণ হাইড্রোসায়নিক অ্যাসি বিষে তার মৃত্যু ঘটানো হয়েছে। অ্যানালিসিস করে তাই পাওয়া গেছে।

    তার বক্ষের ফিফথ ইনটারকস্টাল স্পেসে যে পাংচার-উন্ড দৃষ্ট হয়, সেটার তাৎপর্য মৃত্যুর কারণের পরে কিছুই নেই। অন্য লোককে বিপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য ওটা স্রেফ একটা ধোঁকা মাত্র এবং হয়েছিলও তাই। তুমি তদন্ত করতে গিয়ে সেই ক্ষতচিহ্নটিকে নিয়েই বেশি মাথা ঘামাতে শুরু করেছিলে। সিরিঞ্জের ইতিহাস ও তার গুঢ় তত্ত্ব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলে। আসলে ঐ সিরিঞ্জটাও খুনীর ইচ্ছাকৃত আর একটা চাল এবং নিজের ঘাড় থেকে অন্য এক নির্দোষীর ঘাড়ে খুনের দায়টা চাপিয়ে দেবার জন্য একটা উৎকৃষ্ট উদ্ভাবিত পন্থা মাত্র।

    কিন্তু কেমন করে সেকথাটা আমার মনে পরিষ্কার হয়ে যায়?

    খুনী একটা ভুল করেছিল—সেটা বড় মারাত্মক ভুল। খুন করবার পর ঐভাবে সেটাকে সাজাবার জন্য মৃতের বক্ষে ফিফথ ইন্টারকস্টাল স্পেসে পাংচার করা ও সিরিঞ্জটা অশোকের ঘরে রেখে যাওয়া। ঐ কাণ্ড দুটো করে সে নিজের পরিচয় নিজেই দিয়ে গেছে।

    ব্যাপারটার মধ্যে যে এতটুকু সত্যি নেই, আগাগোড়াই সাজানো, তা আমি কেমন করে বুঝলাম? প্রথমত, ঐভাবে কোন নিল দিয়ে হার্টকে পাংচার করে কোন মানুষকেই মারা যায় না। দ্বিতীয়ত, ঐভাবে মারাটাও একপ্রকার অসম্ভব। ধরে নিচ্ছি মিঃ সরকারের কোন একান্ত পরিচিত লোকই মিঃ সরকারের হার্টে পাংচার করে কোন বিষ প্রয়োগের দ্বারা মেরেছে। কিন্তু মরবার সময় তিনি নিশ্চয়ই চীৎকার করে উঠতেন। কেউই ওভাবে অন্যের হাতে প্রাণ দিতে। প্রস্তুত নন। আর যদি ঘুমিয়েই থাকতেন, তবে ঐ সময় হার্ট পাংচার করবার সময় নিশ্চয়ই জেগে উঠতেন ও একটা গোলমাল হত। এই দুটো ব্যাপারেই আমার মনে হয়েছিল ফিফথ ইনটারকস্টাল স্পেসের পাংচার-উন্ড ও সিরিঞ্জটা খুনীর একটা চাতুরী মাত্র! অন্যের বিচার-পদ্ধতিকে ভুলপথে নিয়ে যাওয়া! তাহলে মীমাংসিত হল, মিঃ সরকার বিষ প্রয়োগের দ্বারাই খুন হয়েছেন এবং তাই যদি হয়ে থাকেন তবে সে বিষপ্রয়োগে কী ভাবে সম্ভব হল? এইখানেই খুনী চরম বুদ্ধির বিকাশ দেখিয়েছে।

    তোমার হয়তো মনে থাকতে পারে সুব্রত, খুনের পরদিন সকালে যখন, তুমি সবার জবানবন্দী নাও, তখন কয়েকটা কথা যা আমার মনে খটকা লাগিয়েছিল। ১নং হচ্ছে, মিঃ সরকারের হাতঘড়িটা ভাঙল কী করে? বলেছিলাম, ভাঙার তো প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু কেন ছিল না। তার কারণ তোমাদের মনে স্বতঃই একটা প্রশ্ন উঠেছিল, মিঃ সরকার নিশ্চয়ই চেয়ারে যখন অধ্যয়ন করছিলেন, এমন সময় খুনী এসে তাকে হার্টে সিরিঞ্জের দ্বারা বিষপ্রয়োগ করে খুন করেছে। তোমাদের হাইপথেসিসই যদি সত্যি বলে মানো, তবে হাতঘড়িটা তার ভাঙবে কেন? এমন নিশ্চয়ই হতে পারে না যে, খুনী খুন করবার পর ইচ্ছা করেই মিঃ সরকারের হাতঘড়িটা ভেঙে রেখে গেছে! তবে?

    দ্বিতীয় কথা, রাত্রি দেড়টার সময় রামচরণের হঠাৎ একটা শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু সে ঘরের মধ্যে উঁকি মেরে দেখে, মিঃ সরকার চেয়ারেই বসে আছেন। এখন কথা হচ্ছে, শব্দটা কিসের? শব্দটা আর কিছুই নয়, মিঃ সরকার মৃত্যুযন্ত্রণায় খাটের উপর থেকে পড়ে যাওয়ায় ঐ শব্দ হয়।

    সুব্রত বিস্মিত কণ্ঠে বললে, খাটের উপর থেকে পড়ে গিয়েছিলেন। তার মানে?

    হ্যাঁ, খাটের উপর থেকেই তিনি মেঝেতে পড়ে গিয়েছিলেন। এবং পড়বার সময় তার হাতঘড়িটা ভেঙে যায়। রামচরণের জবানবন্দীর একটা কথা তোমার মনে আছে কিনা জানি না, সে বলেছিল, মিঃ সরকার অনেক রাত্রি পর্যন্ত জেগে পড়াশুনা করতেন লাইব্রেরি ঘরে বসে। যতক্ষণ না শুতে যেতেন, ঘড়িটা তার হাতেই বাঁধা থাকত। অনেক সময় ঘড়ি হাতে বাঁধাই থাকত—শুয়ে পড়তেন। এর থেকেই প্রমাণ হয়, সে রাত্রে ঘড়িটা তার হাতেই বাঁধা ছিল এবং হয়তো মন খারাপ ছিল বলেই রাত্রে যখন শুতে যান ঘড়িটা হাত থেকে খুলে রাখতে ভুলে গিয়েছিলেন। ঐ দুটি কারণ থেকে আমি বুঝেছিলাম, মিঃ সরকার রাত্রে পড়াশুনা সেরে শয্যায় শোবার পর খুনী তাকে বিষপ্রয়োগ করে।

    কথা হচ্ছে কী ভাবে খুনী বিষপ্রয়োগ করলে? একটা জিনিস তোমার মনে আছে? মৃত ব্যক্তির বাঁ হাতের কড়েআঙুলে একটা পট্টি জড়ানো ছিল! মৃত্যুর দিন সকালে ভাঙা গেলাসের কাঁচের টুকরো তুলতে গিয়ে আঙুলটা কেটে যায়! আঙুলটার ঐ ক্ষতস্থান দিয়েই খুনী বিষপ্রয়োগ করে। বিষের ক্রিয়া শুরু হতেই মিঃ সরকারের ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু তীক্ষ্ণ বিষ হাইড্রোসায়নিক অ্যাসিডের ক্রিয়া এত দ্রুত যে, কিছু বুঝবার আগে তাঁর মৃত্যু হয় এবং ঘুম ভাঙার সঙ্গেসঙ্গেই হয়তো বিষের যাতনায় তিনি ছটফট করতে গিয়ে খাট থেকে মাটিতে পড়ে যান। খুনীর মানসিক বল অত্যন্ত বেশী। মুহূর্তে সে মৃতদেহ মাটি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চেয়ারে বসিয়ে দেয়। কিন্তু সে পালাতে পারে না, পাশের ঘরেই আত্মগোপন করে। কেননা ঠিক সেই সময় শব্দ শুনে রামচরণ ঘরে এসে ডাক দেয়। এবং রামচরণও মিঃ সরকারকে চেয়ারে বসে থাকতে দেখে কোন কিছু সন্দেহ না করে শব্দটা শোনবার ভুল ভেবে চলে যায়।

    রামচরণ চলে যাবার পর খুনী তার প্ল্যান কাজে লাগায়। পাশেই ছিল অশোকের ঘর। সমস্ত প্ল্যান সে আগেই ঠিক করে রেখেছিল। ব্যালকনি দিয়ে অশোকের ঘরে প্রবেশ করে সেখান থেকে সিরিঞ্জটা চুরি করে এনে মৃতের হার্টে পাংচার করে। তারপর ঐ পথেই ফিরে গিয়ে অশোকের ঘরে আবার সিরিঞ্জটা রেখে আসে। অশোক তখন ঘুমচ্ছে।

    এই সব কাজ শেষ হবার পর তার উর্বর মস্তিষ্কে আর একটা চাল উদয় হয়। সে সব ঘড়িগুলো দুটো বাজিয়ে বন্ধ করে দেয়! যাতে সকলের মনে হয়, রাত্রি দুটোর সময় মিঃ সরকারকে খুন করা হয়েছে!

    কিন্তু কেন, ঘড়িগুলোকে দুটো বাজিয়ে রাখবার কারণ কি?

    খুনী ঐ সময়টা একটা alibi তৈরি করে রাখে। সে দেখাতে চায়, ঐ সময় সে অন্য জায়গায় ছিল। মৃতব্যক্তির আশেপাশে কোথাও ছিল না। কিন্তু সেটা পরের কথা। পরে ভেবে দেখলেই হবে।

    খুন করবার পর সমস্ত প্ল্যান মত সাজিয়ে রেখে খুনী পালিয়ে গেল কোন পথে? এবার সেই আললাচনাই করব। কিন্তু তারও আগে আমাদের একটা কথা ভেবে দেখতে হবে, খুনী এল কোন্ পথে?

    তাহলে তুমি বলতে চাও, খুনী বাইরে থেকে এসেছিল? ঠিক যতটুকু বলেছি তার বেশী কিছুই আমি বলতে চাই না সুব্রত! বাকিটা তোমাকে ভেবে দেখতে হবে। বিচার করে দেখতে হবে কার পক্ষে খুন করা সম্ভব! আগেই তোমাকে একটা কথা বলেছি, যে খুন করেছে সে মিঃ সরকারের পরিচিত এবং সে ঐ বাড়ির সব কিছুর সঙ্গে একান্ত পরিচিত। কিন্তু সেকথা বলবার আগে আমি একটা ছোটখাটো experiment করতে চাই। আজ রাত্রে মিঃ সরকারের ঘরে সেই experiment হবে। বলতে বলতে কিরীটী চক্ষু মুদ্রিত করে সোফায় হেলান দিয়ে নীরব হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article মানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }