Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অবগুণ্ঠিতা – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প161 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবগুণ্ঠিতা – পরিচ্ছেদ ৯

    ০৯.

    নিজের আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসায় ও লালবাজারের অফিসে অনেক সময় নানা অসুবিধা হয় বলে সুব্রত মাস দুদিন হল চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনুতে মমতাজ হোটেলের দোতলায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছে।

    হোটেলের ফ্ল্যাটটি সুব্রত নিজের নাম ভাড়া নেয়নি। ওখানে তার নাম অমিতাভ রায়। শেয়ার মার্কেটের দালাল বলে পরিচিত সেখানে সে।

    মিঃ সরকারের সার্কুলার রোডস্থিত মর্মরাবাস থেকে বের হয়ে সুব্রত গাড়ি চালিয়ে বরাবর আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাসায় ফিরে এল।

    ঘণ্টাখানেক বাদে কিছু খেয়ে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি থেকে বের হয়ে সোজা গিয়ে হ্যারিসন রোড অভিমুখে একটা ট্রামে চেপে বসল।

    ***

    সুব্রত যখন মমতাজ হোটেলে তার ফ্ল্যাটে এসে প্রবেশ করল, বেলা তখন প্রায় দেড়টা হবে। শীতের রৌদ্রে নীলাকাশ যেন ঝলসে যাচ্ছে।

    হোটেলটা একেবারে বড় রাস্তার উপরে।

    সুব্রত পকেট থেকে চাবি বের করে দরজা খুলে নিজের ঘরে গিয়ে প্রবেশ করল।

    ছোট ঘোট তিনখানি ঘর পাশাপাশি! একখানা ঘর শয়নকক্ষ। সেই ঘরে একটা ক্যাম্প খাটে ধোপদুরস্ত নিভাঁজ শয্যা বিছানো। দুখানা সোফা।

    আর আছে একটি বুক-সেলফ। বুক-সেফের পাশেই একটি উঁচু টেবিল স্ট্যান্ডের ওপরে ছোট একটি দামী রেডিও সেট! এবং একটি আলমারিতে কিছু কাপড়জামা।

    পাশের ঘরটি একটু বিচিত্র।

    দু পাশের দেয়ালে দুটি দামী প্রমাণসাইজের আয়না টাঙানো। পাশেই একটি র্যা। তাতে নানা প্রকারের সব বেশভূষা ঝুলছে। পাশেই একটি টেবিলে নানা ধরনের ছোটবড় শিশি। নানা প্রকার ক্রীম, পাউডার। তাছাড়া নানা ধরনের পরচুলা, স্পিরিটগাম, ছুরি, কাঁচি প্রভৃতিও টেবিলের ওপরে সাজানো।

    অবশ্য সুব্রতর আমহার্স্ট স্ট্রীটের বাড়িতেও ঐ ধরনের আর একপ্রস্থ সাজ-সরঞ্জাম মজুত আছে।

    এই ঘর থেকে সে মাঝে মাঝে গভীর রাতে কখনও ভিখারির বেশে, কখনও গাড়োয়ান, কখনও ঝকামুটে, কখনও ট্যাশ ফিরিংগি, কখনও অন্ধ, কখনও বা খঞ্জ প্রভৃতি নানা প্রকারের ছদ্মবেশে অভিযানে বের হয়।

    মমতাজ হোটেলের ম্যানেজার একজন মাড়োয়ারী ভদ্রলোক। তিনি সুব্রতর আসল পরিচয়টা জানেন।

    দালালবেশী সুব্রতর বেশ অন্য ধরনের। মাথার সামনের দিকে একটুখানি টাক।

    ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি, ছুঁচালো পাকানো গোঁফ। চোখে কালো কাঁচের গগলস্।

    এই বেশে সুব্রতকে চেনারও উপায় নেই।

    সুব্রত কলিং বেলটা টিপে চেয়ারের ওপরে বসল একটা কাগজ-পেনসিল নিয়ে। আজকের সকালের সমস্ত ঘটনাগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিবেচনা করলে দুটো জিনিস সহজেই চোখে পড়ে।

    এক নং, মিঃ সরকারকে এমন কোন ব্যক্তি খুন করেছে যে ও বাড়িতে বিশেষ পরিচিত। ও বাড়ির খুঁটিনাটি সব কিছুই তার নখদর্পণে। বাইরের কোন তৃতীয় ব্যক্তি নয়। দু নং, ও বাড়ির প্রত্যেকেরই সমান, মোটিভ বর্তমান।

    দরজায় এসে ভৃত্য নক্ করলে।

    ভিতরে এস, সুব্রত বললে।

    হোটেলের একজন ভৃত্য ঘরে এসে সেলাম দিয়ে দাঁড়াল।

    এক কাপ চা পাঠিয়ে দাও।

    ভৃত্য চলে গেল।

    সুব্রত কাগজটার উপরে আবার পেনসিল দিয়ে লিখতে শুরু করলে :

    প্রত্যেকের নাম সন্দেহ কোন্ কোন্ ব্যক্তিকে করা যায় ১০ নম্বর খুন করা কার কার পক্ষে সম্ভব ছিল? ১০ নম্বর।   উদ্দেশ্য বা Motive ১০ নম্বর Alibi ১০ নম্বর খুন করা সম্ভব এমন দেখতে কি?   সবসমেত নম্বর
    ১। মিঃ সরকারের ছোট ছেলে সৌরীন্দ্র মৃত ব্যক্তির ঠিক পাশের ঘরেই ছিল। অনায়াসে সে খুন করার সুযোগ পেতে পারে, তাছাড়া তার বাপের সঙ্গে টাকার ও উইলের ব্যাপার নিয়ে সেদিন রাত্রে ঝগড়া হয়ে গিয়েছিল। ৮   রাগের মাথায় খুন করা সম্ভব ছিল। এবং সে তার বাপকে শাসিয়েও ছিল। ৮ টাকা
    বাপ মারা গেলে সে উইলের টাকা পেত। ৮
    কোন কিছুই ছিল না, সারারাত্রি সে পাশের ঘরের ছিল। ৯ তেমন কিছু দেখতে নয়। ৬ ৩৯
    ২। ভাগ্নে অশোক স্বীকার করেছে সে, সে রাত্রে মৃত ব্যক্তিকে একটা antitetanus injection; কিন্তু প্রথমে সেকথা স্বীকার করেনি কেন? সন্দেহজনক। ১০ খুবই সম্ভব ছিল, কেননা সেই সর্বশেষ মিঃ সর কারকে জীবিত দেখে। তাছাড়া যদি ধরে নেওয়া যায় যে Poison করে মিঃ সরকারকে খুন করা হয়েছে, তাহলে অশোক ডাক্তারি পড়ে, তার পক্ষেই বেশী সম্ভব খুন করা। ১০ তেমন বিশেষ কিছু নয় কেননা সে জানত টাকা সে পাবেই। তাছাড়া মিঃ সরকার তাকে ভালবাসতেনও খুব। ০ কোন কিছুই ছিল না তাছাড়া অনেক রাত্রি জেগে সে পড়াশুনা করত। ৯ দেখতে সেরকম কিছুই নয়। ০ ২৯
    ৩। গণেন্দ্র সরকার পিতার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সে তিন বছর আগে পৃথক হয়ে যায়। দুর্ঘটনার দিন রাত্রে এগারোটার সময়ে ঐ বাড়িতে ও এসেছিল। কিন্তু সিনেমা গিয়েছিল বলে মিথ্যা কথা বললে কেন? এবং কেনই বা সে অত রাত্রে বাপের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। সন্দেহজনক খুবই। ৯ সম্ভব ছিল। কেননা রাত্রি দেড়টায় ও বাড়ি ফেরে। অথচ সিনেমাতেও যায়নি,  কোথায় ছিল রাত্রি দেড়টা  পর্যন্ত? ১০ কিছু নেই। ০ কোন কিছুই নেই। ৯ না না ২৮
    ৪। ছোট ভাই বিনয়েন্দ্র ভাই তাকে যথেষ্টই ভালবাসত। নির্বিরোধী মানুষ। তাছাড়া রাত্রে সে বাড়িই ছিল না। ০ সম্ভব ছিল না কেননা রাত্রে সে বাড়ি ছিল না। ০ টাকা ১০ পুরোপুরি ছিল। ০ না ০ ১০
    ৫। মিঃ সরকারের অনায়াসেই সন্দেহ করা যেতে পারে। তাছাড়া সে-ই প্রথমে মৃতদেহ আবিষ্কার করে। সুব্রত যে চিঠিখানা পেয়েছিল তার হাতের লেখা অবিকল সুবিমলের হাতের লেখার মতই। তাছাড়া লেখার কালি? সে অস্বীকার করলে কেন যে লেখা তার নয়। ৯ Rainbow club থেকে সে অনায়াসেই ফিরে এসে খুন করতে পারত। তাছাড়া এ বাড়ির সব তার কাছে খুবই পরিচিত ছিল। হঠাৎ কেউ দেখলেও তাকে সন্দেহ করতে পারত না। ৯ তার অর্থের অভাব খুবই ছিল, কেননা সে ছিল অসংযমী, বেহিসাবী। মাঝে মাঝে মিঃ সরকারের কাছে টাকাও চাইত, জুয়া খেলত। ৯ কিছুই বলতে গেলে নেই। ৯ তার দেহের আকৃতি দেখে মনে হয় তার পক্ষে খুন করা এতটুকুও অসম্ভব নয়। ৯ ৪৫
    ৬। ভৃত্য রামচরণ না ০ সম্ভব ছিল ৯ টাকা ৫ কিছুই নেই ১০ না ০ ২৪

    ইতিমধ্যে এক সময় ভৃত্য এসে চা দিয়ে গিয়েছিল।

    চা পান করতে করতে সুব্রত মোটামুটি একটা খসড়া বানিয়ে ফেললে। এবং পরে মনে মনে আলোচনা করতে লাগল এখন তার প্রধান কর্তব্য কী?

    সর্বপ্রথম : মিঃ সরকারের অ্যাটর্নী রামলাল মিত্র মহাশয়ের সঙ্গে দেখা করে উইল সম্পর্কে সমস্ত অবগত হওয়া।

    দ্বিতীয় : গণেন্দ্র সরকারের এই রাত্রে মুভমেন্টস ভাল করে পর্যালোচনা করা। কেন তিনি সব কথা গোপন করলেন?

    তৃতীয় : চিঠিটা ও কালিটা সম্পর্কে আর একটু বেশীরকম বিবেচনা করা।

    চতুর্থ : কিরীটীর সঙ্গে দেখা করে আগাগোড়া সমগ্র ব্যাপারটার একটা বিশদ আলোচনা করা প্রয়োজন।

    পঞ্চম : ময়না তদন্তের রিপোর্টটা জানা।

    কিন্তু মানুষ ভাবে এক, ঘটে আর এক।

    সেই রাত্রেই ঘটনার স্রোত সুব্রতকে সম্পূর্ণ অন্যদিকে টেনে নিয়ে গেল।

    হঠাৎ বিকেলের দিকে লালবাজার থেকে এক ফোন পেয়ে সুব্রতকে অফিসে যেতে হল। সেখানে অফিসের কাজ শেষ হতে রাত্রি প্রায় সাড়ে সাতটা বেজে গেল।

    রাস্তায় বের হয়ে সুব্রত আমহার্স্ট স্ট্রীটে আর্টিস্ট সুবোধ দত্তর ওখানে গেল।

    আমহার্স্ট স্ট্রীট থেকে একটা সরু গলিপথ বের হয়ে গেছে। সেই গলির মধ্যেই ৭ নং বাড়ি আর্টিস্ট সুবোধ দত্তের!

    দরজার গায়ে পিতলের প্লেটে লেখা শিল্পী সুবোধ দত্ত।

    দরজাটা খোলাই ছিল। সামনেই একটি আলোকিত গলিপথ থেকে ঘরখানা বেশ পরিষ্কার দেখা যায়।

    উজ্জ্বল পাওয়ারের বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলছে ঘরের মধ্যে!

    ঘরের দেওয়ালে অসংখ্য ছবি ঝুলছে। কোনটা পেনসিল স্কেচ, কোনটা ওয়াটার কলার, কোনটা ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট, কোনটা অয়েল পেনটিং।

    ঘরের মধ্যে একজন আধ্যবয়সী সুশ্রী যুবক পরিধানে ঢোলা পায়জামা ও ঢোলাহাতা পাঞ্জাবি। ইজেলের সামনে দাঁড়িয়ে ইজেলের ওপরে রক্ষিত অর্ধসমাপ্ত একটা ছবিতে পেনসিল দিয়ে টাচ দিচ্ছে।

    সুব্রত কড়াটা নাড়লে!

    কে? ভিতর হতে প্রশ্ন এল।

    এটা কি সুবোধবাবুর বাড়ি?

    হ্যাঁ, আপনি?

    সুব্রত চমকে পিছনের দিকে তাকাল। একটি চব্বিশ পঁচিশ বৎসরের স্ত্রীলোক সুব্রতর পাশে দাঁড়িয়ে তাকে প্রশ্ন করছেন। অদূরে গলির মধ্যেকার গ্যাস পোস্টের খানিকটা আলো ভদ্রমহিলার মুখের ওপরে এসে পড়ছে। কি সুন্দর মুখখানি!

    টানা-টানা দুটি চোখ। উন্নত নাসা। কয়েকগাছি চূর্ণ কুন্তল কপোল ও কপালে এসে পড়ছে।

    মাথার ওপরে আধ-ঘোমটা টানা, নিরাভরণা হাত দুটি। কিন্তু সিঁথিতে সিঁদুর রেখা, কপালে গোল একটি সিঁদুরের টিপ।

    পরিধানে কালোপাড়ের শাড়ি। নিরাভরণা সামান্য এই বেশভূষাতেও যেন ভদ্রমহিলাকে ভারি চমৎকার দেখাচ্ছিল।

    ইতিমধ্যে একটু আগে ঘরের মধ্যে দেখা যুবকটিও দরজার ওপরে এসে দাঁড়িয়েছে, এ কি রাণী? কখন এলি?

    এই আসছি দাদা। এই ভদ্রলোক বোধ হয় তোমাকে খুঁজছেন—বলতে বলতে ভদ্রমহিলা ওদের পাশ কাটিয়ে বাড়ির মধ্যে চলে গেলেন।

    কাকে চান আপনি?

    সুবোধবাবু আছেন?

    হ্যাঁ, আমারই নাম সুবোধ দত্ত। আপনি?

    আমার নাম সুব্রত রায়। আপনার সঙ্গে গোটাকতক কথা ছিল। ভিতরে আসতে পারি কী?

    ভদ্রলোক কুঞ্চিত করে কী যেন এক মুহূর্ত ভাবলেন। তারপর বললেন, আসুন।

    সুব্রত ভদ্রলোকের পিছনে পিছনে গিয়ে পাশের একটি ছোট ঘরে প্রবেশ করল।

    ছোট ঘরটি। খানকতক চেয়ার পাতা, ছোট্ট একটি টীপয়। সুবোধবাবু নিজে একখানি চেয়ারে বসে অন্য একটি চেয়ারে সুব্রতকে নির্দেশ করে বললে, বসুন।

    সুব্রত নির্দেশমত চেয়ারে উপবেশন করল।

    সুব্রতই প্রথমে কথা শুরু করলে, আমার পরিচয়টা আগেই দেওয়া ভাল মিঃ দত্ত। আমি সি. আই. ডি.-র লোক। ব্যাঙ্কার ও জুয়েলার মিঃ সরকারের খুনের তদন্ত আমি করছি।

    সুবোধবাবু নির্বিকারভাবে প্রশ্ন করলেন, কি চাই আপনার আমার কাছে?

    কয়েকটি কথা আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে চাই। আশা করি, যথাযথ উত্তর পাব। সুবিমল চৌধুরী নামে কোন ভদ্রলোককে আপনি চেনেন? মহালক্ষ্মী ব্যাঙ্কে চাকরি করেন। শুনলাম, তিনি আপনার বিশেষ বন্ধু। বহুকালের জানাশোনা আপনাদের।

    সুব্রত স্পষ্ট লক্ষ্য করলে, সুবোধবাবুর মুখখানা যেন সহসা একটু গম্ভীর হয়েই তখুনি আবার প্রশান্ত ও নির্লিপ্ত ভাব ধারণ করল, সামান্যই তার সঙ্গে জানাশোনা। তাও কিছুদিন আগে ছিল, এখন আর নেই।

    ওঃ। আচ্ছা আপনি তাকে কখনও চায়না থেকে আনা চায়নীজ ভায়োলেট রংয়ের একটি কালির শিশি উপহার দিয়েছিলেন কি?

    প্রথম কথা, জীবনে আমি চীনে কোনদিনই যাইনি। দ্বিতীয়, আপনার বর্ণনামত কোন কালির শিশিই তাকে উপহার দিইনি।

    দেননি!

    না। ভদ্রলোক গম্ভীরভাবে জবাব দিলেন।

    কিন্তু তিনি যে সেই রকম কথাই আজ সকালে আমায় বললেন!

    তিনি যদি বলেই থাকেন যে আমি তাঁকে কালিটা দিয়েছি, সেটাই সত্য হবে, আর আমার কথাটা মিথ্যে হয়ে যাবে?

    না, তা নয়। তবে—

    আচ্ছা, তিনি বলছিলেন, আপনারা দুজনে ছোটবেলার বন্ধু ছিলেন?

    না, কস্মিকালেও নয়। ছোট সংক্ষিপ্ত জবাব।

    এরপর একপ্রকার বাধ্য হয়েই সুব্রতকে উঠতে হল।

    আশ্চর্য! এভাবে সুবিমলবাবুর মিথ্যা কথা বলবার কি প্রয়োজন ছিল?

    সেরাত্রে সুব্রত আর বাড়িতে ফিরল না। সোজা মমতাজ হোটেলের দিকেই চলল। সমগ্র ব্যাপারটা যেন আগাগোড়া কেমন জটিল হয়ে উঠছে।

    চিঠিটা সত্যি তবে তাকে কে লিখল? সুবিমলবাবুর হাতের লেখার মতই অবিকল হাতের লেখা। অথচ সে কথাটা স্বীকার করল না কেন?

    ঠিক ঐ রংয়ের কালিও তার কাছে আছে। অথচ যে জায়গা থেকে সে কালিটা পেয়েছে বললে, সেটা দেখা যাচ্ছে মিথ্যা!

    কাকে সে বিশ্বাস করবে? কোন্ সূত্র ধরে কোন্ পথে ও এখন চলবে?

    সুব্রত হোটেলে যখন ফিরে এল রাত্রি তখন প্রায় নয়টা।

    অসহ্য ক্লান্তিতে সর্বশরীর অবসন্ন।

    বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন।

    ফ্ল্যাটে ফিরে প্রথমেই সে বাথরুমে ঢুকে অনেকক্ষণ ধরে ঠাণ্ডাজলে স্নান করলে।

    শরীর যেন অনেকটা ঠাণ্ডা হল।

    হোটেল থেকে ও ডিনার আনিয়ে খেল।

    ***

    রাত্রি তখন বোধ করি একটা বেজে গেছে।

    সুব্রত ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছিল। কিন্তু ঠিক কতক্ষণ যে ঘুমিয়েছিল তাও বলতে পারে না।

    হঠাৎ তার ঘুমটা ভেঙে গেল।

    অন্ধকার ঘর।

    ঘরের নিঃশব্দ অন্ধকারের মধ্যে যেন একটা অস্পষ্ট শব্দ। যেন কে বা কারা ঠিক পাশের ঘরেই নিঃশব্দ পদসঞ্চারে চলে-ফিরে বেড়াচ্ছে।

    নাকের ওপরে একটা যেন নরম তুলোর মত স্পর্শ। অথচ কী ভারি মিষ্টি একটা গন্ধ! যেন শ্বাস নিতে কষ্ট বোধ হচ্ছে।

    হঠাৎ সে হাত দিয়ে মুখের উপর থেকে টান মেরে কি একটা মেঝেতে ফেলে দিল।

    বুঝতে পারলে কেউ তার মুখের ওপরে একটা ক্লোরোফরম স্পঞ্জ দিয়েছিল।

    তাড়াতাড়ি ও উঠে বসল।

    নিকষ কালো অন্ধকার ঘরের মধ্যে যেন জমাট বেঁধে উঠল।

    প্রথমটায় ও কিছুই দেখতে পেল না।

    তারপর একটু একটু করে অন্ধকারটা চোখ থেকে সরে গেল। দুঘরের ভাঁজ করা দরজার ঈষৎ ফাঁকে একটা অস্পষ্ট মৃদু আলোর আভাস। বুঝলে, কেউ ওর ফ্ল্যাটে এসেছে।

    সুব্রত বিছানা থেকে নিঃশব্দে উঠে পড়ল।

    মাথাটার মধ্যে তখনও কিন্তু ঝিঁঝিম্ করছে। বালিশের তলা থেকে সাইলেন্সার দেওয়া রিভলভারটা নিয়ে ও পায়ে পায়ে নিঃশব্দে দরজাটার দিকে এগিয়ে গেল। দরজার ফাকে চোখ রাখতেই ও ভয়ংকর রকম চমকে উঠল। দেখলে, সবুজ ঘেরাটোপ ঢাকা টেবিল ল্যাম্পটা জ্বলছে।

    ঘরের মধ্যে দুজন মুখোশধারী লোক! তারা সুব্রতর সিক্রেট ড্রয়ার হাতড়াচ্ছে। কিন্তু সুব্রতর মাথা থেকে ক্লোরোফরমের আমেজটা তখনও যায়নি। হঠাৎ মাথাটা কেমন একটু ঘুরে উঠতেই ও সামলে নিতে গিয়ে ওর হাতের ধাক্কায় সশব্দে দরজাটা খুলে গেল। আর সঙ্গে সঙ্গে লোক দুটো খোলা জানলাপথে পালাবার চেষ্টা করলে। এবং চকিতে ওদের মধ্যে একজন হাত বাড়িয়ে। সুইচ টিপে আলোটা নিভিয়ে দিল।

    অন্ধকার। নিচ্ছিদ্র আঁধার।

    সুব্রত তবু শব্দ ও দিক লক্ষ্য করে রিভলবারের ট্রিগার টিপল। নিঃশব্দে একটা আগুনের ঝিলিক সাঁ করে অন্ধকারের বুকে ছুটে মিলিয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে একটা চাপা আর্তনাদ।

    সুব্রত ততক্ষণে আবার সামলে উঠে দাঁড়িয়েছে।

    সুব্রত তড়িৎপদে অন্ধকার ঘরের মধ্যে শব্দ ও আর্তনাদ লক্ষ্য করে ঢুকে পড়ল।

    যে লোকটা আহত হয়েছিল, তারই ঘাড়ের উপর সুব্রত অন্ধকারে হুমড়ি খেয়ে পড়ল।

    হুমড়ি খেয়ে পড়তেই লোকটা অন্ধকারে সুব্রতকে জাপটে ধরে।

    তখন শুরু হল দুজনে ঝটাপটি।

    লোকটার গায়ে বেশ শক্তি আছে। তথাপি সুব্রত তখন তাকে প্রায় ঘায়েল করে এনেছে, তখন মাথার ওপরে কে একটা প্রচণ্ড ঘূষি বসিয়ে দিল সুব্রতর। সুব্রতর মাথাটা ঝিমঝিম্ করে এল, হাতের মুঠি শিথিল হয়ে গেল।

    চোখের পলকে লোকটা সুব্রতর কবল হতে নিজেকে মুক্ত করে নিল এবং দ্রুতপদে সুব্রতর শয়নঘরের দিকে পালিয়ে গেল।

    সুব্রত আবার নিজেকে ভাল করে সামলাবার আগেই লোক দুটো অদৃশ্য হয়ে গেল।

    প্রথমে সুব্রত ঘরে আলোটা জ্বালাল।

    কিন্তু ঘর তখন খালি।

    অতঃপর সুব্রত শয়নঘরে এসে ঢুকল। শয়নঘরটাও খালি।

    দরজাটা হা-হা করছে খোলা। ও বুঝলে সে যখন ঘুমিয়েছিল, তখন এই দরজা খুলেই সুব্রতর ঘরে আততায়ীরা প্রবেশ করেছিল। সুব্রত দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    আশ্চর্য! কী নিতে ওরা তার ঘরে প্রবেশ করেছিল?

    সুব্রত আবার পাশের ঘরে এসে প্রবেশ করল।

    ড্রয়ার দুটো তখনও খোলা!

    ড্রয়ারের কাছে ও এগিয়ে গেল। অনেক আবশ্যকীয় গোপনীয় কাগজপত্র ওর ড্রয়ারে থাকে।

    হঠাৎ আবার ওর নজরে পড়ল একটা ভাঁজকরা কাগজ মেঝেতে পড়ে। একান্ত কৌতূহলবশেই ও সেটা তুলে নিয়ে আলোর সামনে মেলে ধরতেই চমকে ওঠে। একটা চিঠি সেই ডি ভায়োলেট কালিতে সেই হাতে লেখা!

    চিঠিটায় লেখা আছে :

    মানকে, গোবরা,

    আজ রাত্রেই যেমন করে তোক কাজটা শেষ করা চাই। খবর পেয়েছি, সুব্রত হোটেলেই আজ আছে এবং সেটা… ওর ঘরেই অথবা ওর জামার পকেটে নিশ্চয়ই আছে। রক্তক্ষয় বা প্রাণহানির কোন প্রয়োজন নেই। ক্লোরোফরম দিয়েই কাজ সারবে এবং কোন সূত্র রেখে এস না। ঘরে অনায়াসেই ঢুকতে পারবে। …….তোমাদের সাহায্য করবেন।

    চাবির ড়ুপলিকেটটা তার কাছে চাইলেই পাবে। আমার নাম করলেই এবং পাস ওয়ার্ডটা বললেই …না নিয়ে কোনমতেই ফিরবে না। উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবে। কাজ শেষ হয়ে গেলে রাত্রি দুটো থেকে সাড়ে তিনটের মধ্যে চিৎপুরের খালসা কেবিনে আমার সঙ্গে দেখা করো। অপেক্ষায় থাকব।

    ইতি

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিরীটী অমনিবাস ১১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article মানসী তুমি – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }