Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অমৃত কুম্ভের সন্ধানে – কালকূট (সমরেশ বসু)

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প349 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমৃত কুম্ভের সন্ধানে – ১৩

    ১৩

    সকাল থেকে যেন ঝড়ের গতিতে কেটে গেল এতক্ষণ। সবাই প্রাণভরে ডুব দিল সঙ্গমে। টেরও পাই নি, জানিও নে, কী অমৃতের সঞ্চার হয়েছিল আজ সেখানে! সবাই কি নিয়ে এলো বুক ভরে, কীসের নেশায় মাতাল হলো মানুষ! প্রথম দিন থেকে, পরিচিত সকলের মুখগুলি ভেসে উঠলো চোখের সামনে। সকলের সব কথা।

    সত্য, আমি ভগবান পেতে ছুটে আসি নি! ডুব দিতে এসেছিলাম লক্ষ হৃদি-সায়রে। এখন, এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, আমার সারা বুক ভারী। সে যে কীসের ভারে এমন পাষাণ হয়েছে জানি নে। এত লক্ষ লক্ষ লোক। আমি ডুব দিলাম, কি ডুব দেওয়ার সময় হয়েছে জানি নে। কিন্তু প্রাণভরে একটা নিশ্বাসও নিতে পারছি নে। কিসে ভরে উঠলো মন এমনি করে! আমি কী পেলাম!

    দিন শেষ হয়ে আসছে। সারাটি দিন ঘুরছি পাগলের মতো। দেখা হলো অনেকের সঙ্গে। এবার সময় আসছে নিজের সঙ্গে দেখা হওয়ার। আজও এই উত্তর প্রদেশের মাঘের আকাশে মেঘ ছিল। খুব সামান্য। তাতে শেষ রোদের ঝলক লেগেছে। শেষ হওয়ার আগে রঙ ছড়ায় বেশি।

    উচিত মনে হলো, আশ্রমে ফিরে যাওয়া। কিন্তু পেটের জ্বালাটি কেমন থিতিয়ে গিয়েছে। ওদিকে বড় টান বোধ করছি না। ব্রজবালার অভিমান-ক্ষুব্ধ চোখ দু’টি দেখতে পাচ্ছি, উঁকি দিয়ে আছে তাঁবুর আড়াল থেকে। তবুও বিরল নৌকা ও স্নানার্থীহীন যমুনার দিকে পা চললো আপনি আপনি।

    চলতে চলতে কিসে আটকে গেল পা। অবাক হলাম। কে চেপে ধরেছে পা! ভিক্ষুক। রাগতভাবে তাকাতে গিয়ে দেখি, একমুখ হাসি। বিকলাঙ্গ বলরাম।

    বলতে যাচ্ছিলাম, ‘বলরাম যে!’ তার আগেই সে পাগলের মতো গলা ছেড়ে গান গেয়ে উঠল—

    ‘তুমি কে-এ, পাগলপারা হে!
    বহুদিনের চেনা বলে মনে হতেছে,
    পাগলপারা হে!’

    খোলা গলার এ উদাত্ত স্বর আকাশ ছুঁল গিয়ে। চকিতে মনে হলো, বুকে ছিল আমার স্তব্ধ জলরাশি। সে অশ্রু কিনা জানি নে। তাতে হাওয়া লাগল, ঢেউ বইল, আর পাগলা মাঝির মতো বলরাম সেই জলে চালিয়ে দিল তার পাসি। পাগল তো আমি নই। পাগল যে সে! কৌতূহলী কিছু নরনারীও এ বিচিত্র দৃশ্য দেখছিল। কিন্তু থামাই কী করে! বললাম, ‘বলরাম শোনো। ‘

    বলরাম তবু গেয়ে উঠল—

    ‘বইসেছিলাম বুক পেতে,
    আজ ধরা দিলে হে!
    পাগলপারা হে!
    য্যাতই মাখো ধূলাবালি,
    নেপ য্যাতই কালো কালি,
    চইলবে না আর ফাঁকিবাজি
    ছাইড়ব না আর হে,
    পাগলপারা হে।’

    বলরামের আনন্দ দেখে, রুষ্ট হতে পারি নে। তবু, কৌতূহলী নরনারীর লজ্জা যে পারি নে কাটাতে। তার হৃদয়াবেগের ধারে লজ্জার অন্ধকার হয় তো কেটে যায়। আমার যে সে উত্তরণ হয়নি। ডাকলাম, ‘বলরাম! ‘

    বলরাম হেসে গেয়ে মাতাল। বোধ হয় গানের সুর এখনো নতুন করে ছুটে আসছে তার গলায়। বললো, ‘বলেন।’

    বললাম, ‘লোক জমছে।’

    ‘বেশ, তবে চলেন, কোথায় চইলছিলেন। কিন্তু ঠাকুর! ছেইড়ে দেব না।’

    ছি ছি ছি, বলরাম আমাকে বার বার ঠাকুর বলে আমার মানুষিক অস্তিত্বটাকে যেন বেশি করে জানিয়ে দিতে লাগল। বললাম, ‘যমুনার ধারে–-’

    কথা শেষের আগেই সে বলে উঠলো, ‘সেই ভালো, সেই ভালো।’

    বলে সে আমার আগে, হেঁচড়ে হেঁচড়ে, দু’হাতে ভর দিয়ে চললো। আমাকে সে-ই পথ দেখিয়ে চললো নিয়ে। তার স্বাভাবিক চলার কষ্ট দেখে নিজেরই কষ্ট হয়। কিন্তু তাকে থামানো যাবে না। কেল্লার কোলের যমুনার তীরে এসে সে বসলো। হেসে ঘাড় কাত করে বললো, ‘বইসতে হবে কিন্তুন।’

    শুল্ক বালুসৈকত। মাথার গামছাখানি খুলে তাড়াতাড়ি পেতে দিল বলরাম। জানি, আমার অনেক আত্মাভিমান আছে, ধুলোবালির বাছবিচার আছে। তা বলে এখানেও গামছা পাতা কেন? বলরাম এত খুশি, আমি একটু বসতে পারি নে? বললাম, ‘গামছা থাক।’

    বলরাম জিভ কেটে মাটি দেখিয়ে গুনগুন করে উঠলো—

    ‘ভুঁয়ে নি সে বইসবেরে ধন?
    বইসবে হিয়ের মাঝখানে।।’

    বলে, আঙুল দিয়ে দেখাল খোলা বুক! বললো, ‘ওই গামছা আমার মনে হিদয় কইরে দিলাম, বইসতে হইবে।’

    বসলাম। বলরামের কথার বাগানে আমি দীন।

    বলরাম বললো, ‘এমন কইরে আর একদিনও যমুনার পাড়ে আসি নাই। যদি আইসলাম। তবে একটু গান গাই, অনুমতি দেন।’

    বললাম, ‘গাও।’

    অমনি মিষ্টি গলায় যমুনার দিকে ফিরে গান ধরলো সে-

    ‘যমুনে, এই কি তুমি সেই যমুনা
    পোরবাহিনী।
    ও যার বিশাল তটে রূপের হাটে
    বিকাত নীলকান্তমণি।।
    কোথা চারু চন্দ্রাবলী, কোথা সেই জলকেলি
    কোথা শ্যাম রাসবিহারী বংশীধারী
    বামেতে রাই বিনোদিনী।।’

    যমুনার রূপ ফিরিয়ে দিল বলরাম। রঙ বদলে দিল। সন্ধ্যাকাশের রক্তরাগে কালিন্দীর এক অংশ আচমকায় লাল হয়ে উঠেছে। আর সারা ঘননীলে ব্যাকুল কালো চোখের ছলছল ঢেউ। শীত, তবু বাতাস বহে ঝিরিঝিরি। বলরাম বললো, ‘কত চোখের জলে নীল হইছ তুমি, সে আমি জানি।’ তাকিয়ে দেখলাম, বলরাম হাসছে আমার মুখের দিকে চেয়ে। বললো, ‘এই তো সেই জল। ভাবি, এখনো কি বাঁশি বাজে ঠাকুরের! ছুটে ছুটে আসে রাইঠাকরুণ? সুরে তাল নাই। বাঁশি বাজবে, পায়ের মলের তাল বাজবে না?’

    বলে তার কী হাসি! হেসে বললো, ‘তা হইলে, এই যমুনার পাড়ে বইসেই কই, একবার কি মনে করতেও নাই? লক্ষ লক্ষ গলা পাইছেন, তাই বুঝি আমারে ভুলছেন।’

    বললাম, ‘না, তোমার আশ্রমটি তো চিনি না।’

    বললো, ‘ওইতো, কেল্লার কাছেই। নন্দগোপাল মাধবাচার্য বাবাজীর আশ্রম। আজ কিন্তুন্ যাইতে হইবে। আমি কি একলা? আর নোক রইছে বইসে আপনার জন্য। রোজ আমারে জিজ্ঞেস করে, ‘তোর সে কোথায়?’

    বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কে বলরাম? লক্ষীদাসী?’

    সে বললো হেসে, ‘শুধু নক্কীদাসী কেন? সে আছে, আরো আছে। নিজের চোখে গিয়া দেখতে হবে। যাবেন তো?’

    বলরামের মুখের দিকে তাকিয়ে আর ‘না’ বলতে পারলাম না।

    প্রাক্-চন্দ্রোদয়-মুহূর্তে প্রদোষকালের মতো হাল্কা অন্ধকার ছড়িয়ে পড়েছে। দেখতে দেখতে যমুনা কালিন্দী হলো। দুর্গের গাঢ় ছায়া দুলতে লাগলো ঢেউয়ে ঢেউয়ে। সঙ্গমের কোণ-ভূমিতে অস্থায়ী টাওয়ারটি যেন শহরের ওয়াটার ট্যাঙ্কের মতো দেখাচ্ছে। রাজকীয় অতিথিদের জন্য ওটি তৈরি হয়েছে। সাধারণের আরোহণে চার আনা দর্শনী।

    টাওয়ারের পাশ দিয়ে, লোকের ভিড় ঠেলে চললাম বলরামের সঙ্গে সঙ্গে। বলরাম আমার পাশে পাশে। আমার হাঁটুতে ঠেকছে তার মাথা। কী আমার ভাগ্য! জন্মবিকলাঙ্গ এক সঙ্গী আমার। না পাই তার মুখ দেখতে। পাশ ফিরিয়ে না দেখি তাকে। সে চলেছে আমার সঙ্গে, মাটি হেঁচড়ে।

    আলো জ্বলে উঠেছে এখানে সেখানে। আজ বড় ভিড়। দোকান সম্ভারে পরিপূর্ণ স্তূপাকার বেলোয়ারি চুড়ি নিয়ে দিকে দিকে বসেছে চুড়িওয়ালী ও ওয়ালার দল। আলো পড়ে রঙের বাহার লেগেছে রামধনুর। ঘিরে বসেছে ঝি-বহুড়িরা। তাদের কলহাসি রঙ ছড়াচ্ছে আরো। এদেশের রেওয়াজ। পালা-পার্বণে, উৎসব-আনন্দে লক্ষপতির বউ থেকে দরিদ্র গৃহিণী সকলেই পরেছে রাশি রাশি কাচের চুড়ি। শখ যাদের আরো বেশি তারা কণ্ঠে পরেছে পুঁতির হার। রঙবেরঙের পুঁতির পাহাড় বসেছে। আজমগড়ের কুমোরেরা ছড়িয়ে বসেছে বিবিধ কারুকার্যপূর্ণ মাটির জিনিস নিয়ে। সিগারেট-ফোঁকা বাবুদের মন-ভোলানো ছাইদানি থেকে, আহা মরি মরি,. ভাবের গাঁজার কলকেটি পর্যন্ত। ফুলদানি, টি-পটেরও অভাব নেই।

    পা আর মন ওই দিকে ছুটে যায়। বলরামকে ছেড়ে যেতে পারি নে। এই রাতের ভিড়। বলরামকে কেউ মাড়িয়ে দিলেও তার কিছু করার নেই। সঙ্গে যখন রয়েছি, তাকে তো ছেড়ে যেতে পারি নে। কিন্তু আশ্চর্য! হাতে ভর দিয়ে চলেছে, কিন্তু গুনগুনানির কামাই নেই।

    বলরাম ডাকলো, ‘ঠাকুর!’

    বললাম, ‘বলরাম, ওই নামটি কি বাদ দেওয়া যায় না?’

    বলরাম বললো, ‘মন ডাকে। আমি কি ডাকি? ওইটে আপনার নাম নয়, পরাণ ওই বলে ডাইকল আপনেরে। তাতে তো এই সোসারে কেউ দুঃখু পাইবে না। তবে?’

    তবে ওই নামেই ডাকুক বলরাম। দুঃখ পাই নে, ভয় পাই। বললাম, ‘কী বলছিলে?’

    বলরাম বললো, ‘বলতেছিলাম, আমার ঠাকুরের মুখখানি অমন শুকু শুকু ক্যান? এই কয়দিনে মুক্তিখানিও বড় রোগা হইয়েছে। কষ্টে আছেন?

    যার এত কষ্টের জীবনযাত্রা, সে আমাকে জিজ্ঞেস করে, কষ্টে আছি কিনা! কিন্তু বলরামের মন ও প্রাণ সম্পর্কে আর সংশয়ের অবকাশ ছিল না। এ সংসারে কতকগুলি চোখ আছে, যাদের কাছে কিছুই ফাঁকি দেওয়া যায় না। তাদের চোখের এক অদৃশ্য মাইক্রোস্কোপ প্রতিটি বিন্দু দ্যাখে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। বলরাম দেখেছে ঠিক। আখড়াবাসী মূল গায়েন, সংসারের আসন কথাগুলি দেখছি জানে ঠিক।

    বললাম, ‘মেলার ব্যাপার। ঘুরে ঘুরে দিন কেটে যায়, তাই হয়তো—’

    বলরাম হঠাৎ থেমে বললো, ‘একা-একা কিনা, তাই! সঙ্গে কেউ থাইকলে চখে চখে রাইখতে পারতো। ব্যামো হইলে যে বড় বিপদ হইবে ঠাকুর। সাবধানে বইয়েন।’

    বলে সে বাঁক ফিরে, দু-পাশের তাঁবুর মাঝে সরু পথে পড়ল। দুর্গপ্রাকার সামনেই। কানে এলো খোল-করতালের শব্দ। বাঙলা নাচ-গান চলেছে ভারি উল্লসিত কণ্ঠে।

    বলরাম থামল। আমিও থামলাম। একটি তাঁবুর কাছে কে দাঁড়িয়েছিল।

    অদূরস্থ একটি হ্যাজাক লাইটের আলো এসে পড়েছে তার মুখে। তাঁবুর পর্দার বাইরে সে মূর্তি মেয়েমানুষের

    বলরাম তাকে কী বলতে গেল। কিন্তু চকিত কটাক্ষের ঝিলিকে সে একবার বলরামকে দেখে ভেতরে ঢুকে গেল।

    বলরাম গলা বাড়িয়ে বললো, ‘যাইও না, কারে ধইরে নিয়ে আসছি, একবার দ্যাখ গলা নামিয়ে বললো আমাকে, ‘গোঁসা কইরেছে আমার উপুর। চিনতে পারে নাই। আপনারে।’ বলেই বলরামের হাসি। হাসতে হাসতেই গাইল—

    ‘মানের বশে যাইও না গো, রখো মিনতি,
    ভাবো আমার কি হইবে গতি।’

    বুঝলাম, মূল গায়েনের লক্ষ্মীদাসী। আমঘাটার আখড়ার অধ্যক্ষা। রাগ করেছে খুবই। কিন্তু, মধ্যবয়সী লক্ষ্মীদাসীর চোখেও অমন অগ্নিবর্ষণ হয়? বুঝি প্রাণে আগুন আছে আরো অনেক। মধ্যমা ঋতু আশ্বিনের ঢলঢল মদালসা গাঙের বিস্তারে চকিত বাতাসের শিহরণ।

    জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলাম, এত রাগ কেন! তার আগেই আবার দেখা দিল লক্ষ্মীদাসী। চল্লিশ বছরের বালিকা। লজ্জায় বিস্ময়ে ভরে উঠলো তার বালিকার মতো চোখ দু’টি। কিন্তু হাসতে গিয়ে শীতে ফাটাফাটা ঠোঁট বিস্ফারিত হতে পারে না। তাড়াতাড়ি কাছে এসে বললো, ‘ঠাকুর! আসেন, আসেন! মনে পড়েছে?

    বলরাম অমনি বলে উঠলো, ‘মনে কি পড়ে গো! মনে পড়াইতে হয়। ধ্যান কইরে নিয়ে আইসলাম।’

    কিন্তু লক্ষ্মীদাসী চেয়ে দেখলো না বলরামের দিকে। হাত জোড় করে বললো, ‘ভিতরে আসেন, এট্টুস বইসতে হইবে, এখনি ছাইড়ব না।’

    বলরাম বললো, ‘আসেন ঠাকুর।’

    দু’টি তাঁবুর মাঝখান দিয়ে এসে উঠলাম একটি উঠোনে। উঠোনের উপরে সতরঞি পাতা। পুবদিকে একটি ছোট পিতলের শিবিকা। মধ্যে রয়েছে ফুটখানেক দীর্ঘ রাধাকৃষ্ণের যুগলমূর্তি। সামনে নামাবলীধারী কিছু লোক বসে খোল-করতাল সহযোগে ঢুলে ঢুলে দুলে দুলে নাচ-গানে মত্ত। একজন দাঁড়িয়ে ভাবাবেশে হাত তুলে দুলছে। বৈদ্যুতিক আলো নেই। একটি মাত্র হ্যাজাক জ্বলছে। তাঁবু ও হোগলার ঘরগুলিতে কোনো কোনোটাতে জ্বলছে কেরোসিনের বাতি।

    বুঝলাম, চারপাশের তাঁবু আর হোগলার ঘরের ঘেরাওয়ের মধ্যে এই উঠোনটি হলো শ্রীআনন্দগোপাল মাধবাচার্যের আশ্রম। সম্ভবত, এই তাঁবু ও ঘরগুলি এ আশ্রমের শিষ্যদের।

    আমাকে দেখে একটু বে-তাল হলো আসর। বেশভূষার মিল নেই। বোধ হয় আমার চেহারাতেও বিলক্ষণ গরমিল ছিল আশ্রমের সঙ্গে। নিতান্ত নিরীহ মুখগুলি তুলে বাবাজীরা বড় বড় চোখে কৌতূহলী হয়ে দেখলো। এলাহাবাদ স্টেশনে কাউকে কাউকে দেখেছি এদের লক্ষীদাসীর সঙ্গে। তাদের গায়ে মুখে সর্বদাই গ্রাম্য দরিদ্র বোষ্টমের ছাপ। বুঝলাম, আমার মতো মানুষ এমন আড়ম্বরহীন আশ্রমে আসে না, আসে নি এ ক’দিনে। চোখেই পড়ে না সম্ভবত। আমারও পড়বার কথা নয়। টেনে নিয়ে এলো বলরাম।

    আসরের কাছ থেকে খানিকটা দূরে একটি হোগলার ঘরের মধ্যে ঢুকতে হলো। লক্ষ্মী আসন পেতে দিয়ে বললো, ‘বসেন।’

    বললাম, ‘দেরী হয়ে যাবে যে।’

    বলরাম হাসি মুখখানি তুলে বললো, ‘দেরিতে যে আসছেন। সাধ মিটবে না ঠাকুর, কিন্তু যতটুকুন মিটে ততটুকুন না মিটাইয়ে ছাড়ি কেমনে?’

    বলে, লক্ষ্মীর দিকে ফিরে বললো, ‘নক্কীঠাকরুণ, ঠাকুরের মুখখানি বড় শুকু শুক মনে হইতেছে। রাধামাধবের পেসাদ একটুস—’

    তাড়াতাড়ি বাধা দিয়ে বললাম, ‘থাক না—’

    বলরাম বললো, ‘থাইকতে নাই। কোনো কিছু থেইমে থাকে না। বুকে হাত দিয়া দেখেন, সেও থেইমে নাই। থাক কইয়ে তারে থামাইয়ে রাইখতে পারেন? যেদিন থাইমবে সেদিন সবই থাইমবে। যতক্ষণ চলে, চইলতে দ্যান ঠাকুর।’

    জানতাম, বলরামের সঙ্গে কথায় পারবো না। তার তো শুধু কথা নয়! কথার সঙ্গে ছিল তার কালো মুখের নিরন্তর হাসি। ওই হাসি যেন প্রসন্ন বাতাস, উদার আকাশ। সেদিকে তাকালে মূক-মুগ্ধতায় স্তব্ধ হতে হয়। বলরাম ততক্ষণে চোখ বুজে গুনগুন করে গান ধরেছে-

    ‘চল চল চল রে মন,
    কোথায় খোঁজো মনেরি জন।
    তুমি যত চল, সেও চলে,
    চলে, দিবানিশি সব্বোক্ষণ।’

    ফিরে দেখি লক্ষ্মীদাসী। হাতে দু’টি পিতলের ঘটি। কিন্তু সে নিথর বিহ্বল। তার সেই কালো চোখ দু’টি মেলে, সব ভুলে তাকিয়ে আছে বলরামের দিকে। যেন, গুনগুনানির সুরের মধ্যে ডুবে গিয়েছে, একাত্ম হয়েছে গানে। গানে শুধু নয়, রূপে অন্ধ হয়েছে। আমি একটা মানুষ, তাকে নজরে পড়লো না লক্ষ্মীদাসীর। কী দেখছে অমন করে তার মূল গায়েনের দিকে? গুনগুনানি থামিয়ে চোখ তাকালো বলরাম। তার দিকে চোখ পড়তেই দৃষ্টি সরিয়ে নিল লক্ষ্মীদাসী। একটি উদ্ধৃত নিশ্বাস চেপে ঘটি দু’টি বসিয়ে দিল আমাদের দু’জনের সামনে। দিয়ে পিছনে এসে ধরে দিল দু’টি শালপাতা। দেখলাম, রয়েছে খানিকটা খিচুড়ি, বেগুন ভাজা, বাঁধাকপির তরকারি, খানিকটা খোয়া। বলরামকেও তাই।

    বলরাম বললো, ‘আমাকেও দিলে? ঠাকুরের সঙ্গেই?’

    বড় লাগে নিজেরই কানে। জানি নে কী দিয়ে বলরামের মন পেয়েছি! একটি সিগারেট ছাড়া তো কিছুই দিইনি। কিন্তু ‘ঠাকুর ঠাকুর’ করে সে এবার আমাকে ঠাকুর বলিয়ে ছাড়বে।

    লক্ষ্মীদাসী বললো, ‘আপনেরা খান ঠাকুর।’

    বলে, আমাকে লুকিয়ে লক্ষ্মী আড়চোখে দেখল বলরামকে। খেতে খেতে ভাবলাম, না, বলরামকে আমি হিংসে করবো, সেকথা এ বিশ্বে কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু সত্যি বলি, ভাবতে পারি নি, বলরামের জীবনের চারপাশে নিরাপত্তার একটি সুরক্ষিত পাঁচিল আছে। তার খাওয়ায় পরায় আহারে বিহারে কোনো সযত্ন হাতের স্পর্শ থাকতে পারে, একথা মনে আসেনি, তাকে যখন প্রথম দেখেছিলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম পথেরই ভিখারি, তারপরে আখড়ার মূল গায়েন। আজ আমারই এক পংক্তিতে সে আহারে বসেছে। আমার ঢাকা চোখের সামনে বিস্মিত মুক্ত প্রাঙ্গণ কে খুলে দিলে বুঝতে পারলাম না। লক্ষ্মীদাসী, না বলরাম? হৃদয়াবেগ, ভক্তি ও জ্ঞানের পরিচয় মিলেছিল বলরামের গানে ও কথায়। সে একদিক। আর-এক দিক দেখিয়ে দিল তার লক্ষ্মীদাসী।

    হঠাৎ লক্ষ্মীদাসী ডাকলো, ‘ঠাকুর।’

    তাকিয়ে দেখি, চোখে তার জল। অবাক হয়ে বললাম, ‘কী বলছ?’

    লক্ষ্মী বললো, ‘নালিশ আছে, বিচার কইরতে হইবে আপনারে।

    বিচার? এত বড় ভয়ানক দায়িত্ব তো আমাকে কেউ কখনো দেয়নি। তাকিয়ে দেখি, বলরামের হাসি এ-কথায় বাগ মানছে না। সে তাড়াতাড়ি বললো, ‘আমারো মন কইরতেছিল গো নক্কীদাসী, আসো, দুইজনে বিচার চাই এনার কাছে। বেশ, তবে বাদী আগে বলুক, আমি হইলেম পিতিবাদী অর্থাৎ কিনা আসামী।’

    বলে, বলরাম হেসে উঠলো। সারাদিনের পর পেটে আহার পড়ে ঝিমনো মনটাও গা-নাড়া দিয়ে উঠলো খানিকটা।

    লক্ষ্মীদাসী বললো, ‘ওই তো দেখেন মানুষটা। আর এই মেলা। মেলা নয়, যেন শহরের সড়ক। মানুষ হাতি ঘোড়া গাড়ির কামাই নাই। কথা নাই বাত্তা নাই, য্যাখন ত্যাখন বাহির হইয়ে যায়। কোথায় গিয়ে বইসে থাকে। এট্টা বিপদ আপদ হইলে আমি কোথায় যাইব, বলেন তো?’

    বলে, চোখের জল নিয়ে তাকালো লক্ষ্মীদাসী। এতক্ষণে বুঝলাম, কেন লক্ষ্মীদাসী অভিমান করেছে। সত্যি, বিকলাঙ্গ বলরাম। বাইরের ভিড়ে তো সর্বক্ষণই তার প্রাণ-সংশয়।

    বলরাম অমনি হাসি মুখখানি তুলে বললো, ‘অনুমতি করেন, এইবার এই নিধম জবাব দেউক।’ বলে, লক্ষ্মীর দিকে একবার দেখে সে বললো, ‘ঠাকুর, জন্মোলুলা আমি। এখেনে নক্কীদাসী আমারে আনতে চায় নাই। জোর কইরে আসছি। কিন্তু এখেনে আইসে যে আমি আর থির থাইকতে পারি না! আমার শরীলখানি ভাঙা, মন যে রয় না। সে যে মানে না। কে আমারে ডাইকলো, জানি না। যদি আইসলাম, তবে এই আখড়ায় পইড়ে থাকি কেমনে! ঠাকুর, আমি যে লুলা, এমন কইরে আর কোনোদিন বুঝি নাই। আইজ বার বার দৌড়বার নেগে য্যাখন ছটফট কইরতেছি, পাখা য্যাখন মেইলতে চাইতেছি, ত্যাখন দেখি, এ পাখা উইড়তে পারে না। যদি আইসলাম, তবে যেটুকু ঠেইকতে ঠেইকতে পারি।’

    লক্ষ্মীদাসী আমার দিকে ফিরেই বললো, ‘যদি এট্টা বিপদ আপদ হয়?’

    বলরাম বললো, ‘অমঙ্গলের চিন্তা নাই। সোসারে সবই আছে, সেই ভেইবে কি বইসে থাকে কেউ?

    লক্ষ্মীদাসী বললো, ‘কিন্তু যদি কিছু হয়, তবে আমার আখড়া যে অন্ধকার হইবে। রাধামাধব তো আর কারুর গানে তুষ্ট নয়!

    রাধামাধবের অনুভূতি সম্পর্কে আমার নিতান্ত মানুষসুলভ মন চৈতন্যহীন। মনে হলো, যদি বলরামের বিপদ হয়, তবে এক জায়গায় অন্ধকার নেমে আসবেই। তার গান না শুনলে কোনো এক হৃদয়ের রাধামাধব চিরদিনের জন্য দরজা বন্ধ করবে।

    বলরাম বললো, ‘নক্কীদাসী, বাইরে কত নোক! সামনে যমুনে কেমন কলকল কইরে বইতেছে। সেখানে তিনি কান খাড়া কইরে রইয়েছেন। আমি যে আসলজনারে গান শুনাইতে চাই।’

    বলে, সে হঠাৎ গলা ছেড়ে গান গেয়ে উঠলো-

    ‘তুমি যেথায় আছ, সেথায় আছি।
    আমার মিছা ভাবনা নাই মনে।
    তুমি ডাকলে আপনি কপাট খোলে
    তোমার বাতাসে তাল দিয়া নাচি।’

    আর কথা নেই লক্ষ্মীদাসীর মুখে। দু-চোখ মেলে তাকিয়ে রইলো সে বলরামের দিকে। কোথায় গেল নালিশ, বিচার! এইটুকুনির জন্যই বোধ হয় নালিশ, এইটুকুনি পেলে আর কিছু চাওয়ার নেই।

    কিন্তু অবাক মানল মন। এই বিকলাঙ্গ মূল গায়েন যে এমনি করে একটি নারীর হৃদয় জুড়ে রয়েছে, তা না দেখলে বিশ্বাস করতে মন চায় না। বুঝলাম, এ সংসারে হৃদয়ের রীতি বড় বিপরীত পথে ধায়।

    লক্ষ্মীদাসীর ধ্যান ভাঙাল বলরাম। বললো, ‘কই, তুমি যে ঠাকুরকে কী বলবা বলতেছিলে আমারে। ধইরে নিয়া আসলাম, বল। একবার পরখ কইরে ল্যাও, কারে ঠাকুর কইছি।’

    বলে আমাকে বললো, ‘এই গানখানি সেই আতাউল বাউলের, ঠাকুর।’

    লক্ষ্মীদাসী বললো, ‘ঠাকুর, আপনারে সেই কইলকেতার রবি বাউলের গান একখানি শুনাইতে হইবে।’

    মনটা চমকে উঠলো। আবার সেই কথা। বলরামের গান শুনে এক নিঃশব্দ সুরতরঙ্গ আপনি দোল খাচ্ছিল আমার গলায়, আমার বুকে, আমার রক্তধারায়। জানি নে কে আতাউল, কিন্তু সে কথা ও সুরের রাজা, সন্দেহ নেই। তা বলে রবীন্দ্রনাথকে সেই দলে নিয়ে আসতে আমার সঙ্কীর্ণ মন বার বার বাধা পেল, তবু শিল্পাচার্য নন্দলাল বসু অঙ্কিত সেই রবি বাউলের একতারা বাজানো মূর্তিখানা বার বার ভেসে উঠছে চোখের সামনে। বললাম, ‘তাঁর অনেক গান। কোন্ গান যে বাউল তা তো ঠিক জানি নে। তাছাড়া আমি তো গান গাইতে পারি নে।’

    বলরাম বললো, ‘তা বইললে শুনব না ঠাকুর। ছলছল চোখে, ছলো হাসি হাসো, তোমায় চিনি গো, চিনি। ওনার একখান গান শুনান, যিনি কন—কবে তুমি আইসবে বইলে রইব না বইসে, তানার গান না শুনলে আমার আমঘাটায় ফিরা যাওয়া বেরথা ঠাকুর।’

    ধন্য কথা বলরামের, ধন্য তার স্মৃতিশক্তি। একবার বলেছিলাম, ঠিক মনে রেখেছে। তবু, এই বলরাম যেন সুরের নদী। আজ আমি তার সেই সুর-দরিয়ায় ডুব দিয়েছি। মুখে যা-ই বলি, আমার সমস্ত লজ্জা ও অক্ষমতার সঙ্কোচ ধুয়ে দিয়েছে। সুর ও কথা আপনি ভেসে এলো মনে। বাউল গান জানি নে। তবু ধরে দিলাম। আমার জীবন, সমাজ ও পরিবেশ ভুলে এক নতুন সংসারে মেতে উঠলাম

    ‘আমার মন বলে চাই, চাই, চাই গো—যারে নাহি পাই গো।
    সকল পাওয়ার মাঝে আমার মনে বেদন বাজে—
    নাই, নাই, নাই গো।।
    হারিয়ে যেতে হবে,
    আমায় ফিরিয়ে পাব তবে।
    সন্ধ্যাতারা যায় যে চলে ভোরের আলোয় জাগবে ব’লে—
    বলে সে–যাই, যাই, যাই গো।।’

    বলরাম ঝাঁপ দিল প্রায় পায়ের কাছে, ‘তবে, তবে ঠাকুর! ফাঁকি দিয়ে পলাইতে চাইছিলেন?’

    লক্ষ্মীদাসীর চোখে জল। বললো, ‘আহা, সন্ধ্যাতারা যায় যে চইলে, ভোরের আলোয় জাইগবে বইলে। কী কথা।’

    আমার বিস্ময়ের অবধি ছিল না। উচ্চারণে গ্রাম্য দোষ। তবু রবীন্দ্রনাথের গান যে এই গ্রাম্য অশিক্ষিত মানুষগুলির মনকে এমনি করে ভাসিয়ে দেবে, তা কোনোদিন ভাবিনি। মনে করেছিলাম, সে শুধু আমাদের, আমাদেরই। আমাদের এই বঙ্গ-রঙ্গমঞ্চের চাপা-গলা দুর্বল স্বরের প্যানপ্যানানি-ওয়ালাদের। ফিরে দেখি, হোগলা ঘরের দরজার কাছে জোড় হাতে, দাঁড়িয়ে আরও কয়েকজন। একজন বললে, ‘আর-একখান কিরপা করেন।’

    ছি-ছি-ছি। ছিঃ, শেষটায় আমাকে গানের আসরে অনুরোধ!

    কিন্তু আর তো বসতে পারি নে। বললাম, ‘আর না বলরাম, এবার উঠব। অন্যদিন হবে।’

    বলরাম বললো, ‘আচ্ছা ঠাকুর, এখেনে আর ধইরে রাখব না।’ বলে লক্ষ্মীর দিকে ফিরে বললো, ভাব, মূল গায়েন করবা কিনা?’ বলে হাসতে হাসতে আমার সঙ্গে এলো।

    বললাম, ‘তুমি আর এসো না, আমি নিজেই যাচ্ছি।’

    বলরাম বললো, ‘নিজে তো যাইতে পারবেন না। আমারে নিয়া যাইতে হইবে।’

    বললাম, ‘কোথায় হে?’

    সে কথার জবাব না দিয়ে লক্ষ্মীদাসীর দিকে চেয়ে হাসলো। লক্ষ্মীদাসীও। তারপর বললো, ‘চলেন, নিয়া যাই। আমারে রোজ জিজ্ঞেস করে, সে কথার জবাব দিতে পারি না। আজ জবাব দিয়া আস।’

    লক্ষ্মী পেছন থেকে সামনে এসে দাঁড়াল। বললো, ‘ঠাকুর, রোজ একবার দেখা দিতে হইবে যদ্দিন আছেন।

    বললাম, ‘চেষ্টা করব।’

    তাঁবুর বাইরে এসে দেখি, জ্যোৎস্নালোকে ভরে গিয়েছে সারাটি মেলা। আকাশ জুড়ে উঠেছে পূর্ণিমার চাঁদ।

    বললাম, ‘বলরাম, এখন আর কোনো আখড়ায় যাব না।’

    বলরাম বললো, ‘আখড়ায় নয় ঠাকুর। কিন্তু একবার না গেলে যে চইলবে না।’

    জিজ্ঞেস করলাম, ‘সেখানে কে আছে?’

    ‘যাইয়া দেখবেন।’

    পেছন থেকে ছুটে এলো লক্ষ্মীদাসী। তাড়াতাড়ি একখানি কম্বল মুড়ে দিল বলরামের সর্বাঙ্গে। দিয়ে আবার একবার আমাকে মিনতি করে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপালামৌ – সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    Next Article পৃথা – কালকূট (সমরেশ বসু)

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }