Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প204 Mins Read0
    ⤷

    ০১. খালের ধারে শাবল দিয়ে

    খালের ধারে শাবল দিয়ে খুঁড়ে মাটি তুলছিল—মহিম। মাঝে মাঝে হাত দিয়ে চটকে টিপে টিপে মাটির এক একটা ড্যালা নিয়ে পরখ করে দেখছিল। কিন্তু পছন্দ হচ্ছিল না, আবার শাবল নিয়ে উবু হয়ে খুঁড়ে চলছিল মাটি।

    এখন ভর দুপুরবেলা। নিস্তব্ধ খালপার। সূর্য হেলে পড়েছে খানিক পশ্চিমে। খালের জলের রঙ আর গতি দেখলেই বোঝা যায় নদী খুব কাছেই। তা ছাড়া, খালের এপার ওপারও ছোটখাটো একটি নদীর মতোই চওড়া। যত দূরে গেছে, তত সরু হয়ে এসেছে খাল। নদী কাছে বলেই হাওয়র গতি একটু বেশি।

    খালের ধারে বাড়ি ঘরদোর চোখে পড়ে না। খানিকটা দূরেই দু পারেই গ্রামের চিহ্ন চোখে পড়ে। পশ্চিমদিকে গিয়ে খাল দক্ষিণে মোড় নিয়েছে প্রায় আধমাইলটাক দূরে। এ আধমাইল পর্যন্তই গ্রামের চিহ্ন ক্রমশ কালচে ক্ষীণ রেখাতে দিগন্তে মিশে গেছে। মাঝে মাঝে স্পষ্ট হয়ে চোখে পড়ে কয়েকটা বেমানান তাল, নারকেল, দেবদারু জাতীয় উঁচু মাথা। ওগুলো দূরাগত যাত্রীদের গ্রাম বা পাড়া চিনতে সাহায্য করে।

    উঁচু পাড়। দেখলেই বোঝা যায় এ দেশের জমি উঁচু, মাটি শুকনো কিন্তু ফলবন্ত। বিশেষ করে খালের ধারে ধারে এ গ্রামগুলো ঐশ্বর্যবান যে বেশি, তা খালধারের সবুজ শস্যে ভরা মাঠের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। খালের উঁচু পাড়ের জমিগুলো যে পর্যন্ত চোখে পড়ে, প্রায় সম্পূর্ণই দিগন্তবিসারী ধানখেত। সবুজের সোনা। কোথাও কোথাও পাঁশুটে ছেপের হালকা আভাস দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ ধান পাকার দেরি নেই আর।

    অজস্র ধারা সূর্যের আলোতে কিশোরী ধানগাছ তার উত্তোলিত গ্রীবা বাঁকিয়ে উঁচিয়ে ধরেছে রসে-গন্ধেবর্ণে-সম্ভারে পূর্ণ যৌবনকে গায়ে ধরতে। তারই নাচন লেগেছে তার হেলানো-দোলানো নরম মাথায় কোটি মানুষকে তার মাতাল ডাকের মাথা দোলানি-ঘরে ঘরে নেশা, চোখে চোখে স্বপ্নের ছায়া ঘনিয়ে নিয়ে আসার মাথা দোলানি।

    খালের ধারে ধারে সাদাকালো বকের ঘাড় কাত করে বিচক্ষণ শিকারির ভঙ্গিতে ধীর বিচরণ চলেছে। পানকৌড়ি পাখি একটা টুকটুক করে জলে ড়ুবছে আর উঠছে পাতিহাঁসের মতো আর ঘন ঘন তার তীক্ষ্ণ ঠোঁটের ডগায় চকচক করে উঠছে মৃত্যু-যন্ত্রণায় ছটফটানো জ্যান্ত ছোট মাছ। আর তাই দেখে দেখে মাঝে মাঝে দুএকটা লোভী বক পানকৌড়ির ঠেটি থেকে মাছটা ছিনিয়ে নেবার জন্য সাঁ সাঁ করে উড়ে যাচ্ছে তার মাথার উপর দিয়ে। কিন্তু হার মানতে হচ্ছে বকগুলোকে। সামনেই একটা বেলগাছের উপর, বোধ হয় পাকা বেল দেখেই একটা দাঁড়কাক নিস্তেজ গলায় কা কা করছে। মাঝে মাঝে আকাশের কোল থেকে শিকারি চিল ঝাঁপিয়ে পড়ছে প্রায় খালের বুকে। শিকার নিয়ে চি-চিঁ কান-ফাটানো ডাক ছেড়ে আবার সোঁ সোঁ করে উঠে যাচ্ছে বহু দূর আকাশে।

    সূর্যের তেজ আছে, কিন্তু নারকেল গাছের পাতাগুলো কী সুন্দর শ্যামল চিকনধারে চকচক করছে। ঋতু শরতের রঙ এটা। খণ্ড খণ্ড সর-পড়া মেঘে-ছাওয়া আকাশ, দেশ হতে মহাদেশান্তরে পাড়ি জমানো চলন্ত মেঘ। বলা যায় না, খেয়ালি শরৎ কোন মুহূর্তে বলাকওয়া নেই বাদল ডেকে নিয়ে আসে।

    প্রকৃতির এ খেলা দেখবার এখন সময় নেই মহিমের। সে এখনও শাবল দিয়ে মাটি খুঁড়ে চলেছে। তার ঘর্মাক্ত শ্যামলাঙ্গে সুর্যের আলো পড়ে নারকেল পাতার শ্যামল চিকন বর্ণের মতোই চকচক করছে। একমাথা কোঁচকানো এলোমেলো চুল। বহুদিন না কাটার জন্য ঘাড়ের উপর দিয়ে পাকিয়ে পাকিয়ে বেয়ে পড়ছে চুল। মাঝে মাঝে ওই মাটি হাতেই রুক্ষ মাথাটা চুলকে, ধূসর মাটির রঙে ছেয়ে ফেলেছে মাথাটা। ভেজা কাদা মাটিতে অনেকখানি ড়ুবে গেছে পা দুখানি।

    তার সামান্য লম্বাটে মুখখানি বিন্দু বিন্দু ঘামে ভিজে উঠেছে। পরিশ্রমে আর রোদের তাপে চোখ দুটো হয়ে উঠেছে লাল, কোমল মুখখানিতেও রক্ত জমে শ্যামল মুখ বেগুনী রঙ ধারণ করেছে।

    আরও খানিকক্ষণ খুঁড়ে শাবল দিয়ে খোঁড়া অন্ধকার সরু গর্তটায় হাত ঢুকিয়ে দিল সে। আঁচড়ে আঁচড়ে তুলে নিয়ে এল এক খামচা মাটি। মাটির বর্ণ দেখেই তার হাসি ফুটল মুখে। টিপে টিপে দেখল। ভারী নরম আর মিহি, যেন বহু কষ্টে চটকানো এক নম্বর ময়দার দলা। টেনে টেনে দেখল। সজনে আঠার মতোই লম্বা হয়ে যায় মাটি, অল্পতেই ছাড়া মাটির মতো ছিঁড়ে ছিঁড়ে যায় না।

    এবার দ্বিগুণ উৎসাহে খুঁড়ে খুঁড়ে গর্তের মুখটা বড় করে নিয়ে খামচা খামচা মাটি তুলে সঙ্গে নিয়ে আসা বালতিটা ভরে তুলল।

    ইতিমধ্যে সূর্য অনেকটা হেলে পড়েছে পশ্চিমে। গাছের ছায়াগুলো বদিকে লম্বাটে হয়ে পড়েছে।

    খালের জল পালটা গতি নিয়ে গা দিয়েছে ভাঁটার টানে। মধ্যাহ্নের স্তব্ধতা ভেঙে, ধানখেতের পর-পার গাঁয়ের ভিতর থেকে মানুষের সাড়া-শব্দের ক্ষীণ শব্দ আসছে।

    নদীর দিক থেকে জ্বলে বৈঠার ছপছপ শব্দ তুলে ডিঙি নাচিয়ে নাচিয়ে এল শম্ভু মালা।

    এপার নয়নপুর, ওপার রাজপুর।

    মহিমকে দেখে শম্ভুর বোজা মুখটা একটু হাঁ হয়ে গেল। মুখে একটা দুঃখ প্রকাশ করবার বিচিত্র শব্দ করে চেঁচিয়ে উঠল সে, ওগো, ও মহিম, বলি খাল ধারডারে কাটবা নাকি সবখানি?

    মহিম তখন শাবল রেখে দিয়ে কোমরে বাঁধা গামছাটা খুলে গায়ের ঘাম মুছছে। শম্ভুর কথায় তার ক্লান্ত শুকনো ঠোঁটে একটু সলজ্জ হাসি দেখা দিল। কথার কোনও জবাব দিল না।

    আরে বাবারে বাবা! ছেলের কাণ্ড দ্যাখো দিনি। শম্ভু তার তামাক-খাওয়া কেশো গলায় হেসে বলল, সে কোন্ বেলাতে দেখে গেলাম, মাটি মিলল না এখনও মনের মতো।

    তারপর গলা ছেড়ে হেসে উঠল ছোট ছোট শাবল দিয়ে খোঁড়া অনেকগুলো গর্তের দিকে চেয়ে। এ যে কাঁকড়ার গর্ত করে ফেলছ গো কুড়িখানেক।

    সত্যি, মহিম করেছে কী? তাকিয়ে দেখল এবার সে নিজের চোখে। এলোমেলো গর্ত করেছে সে অনেকগুলো। আবার তাকাল সে অবিকল একটি মেয়েমানুষের মতো সলজ্জ হাসিচোখে শঙ্কুর দিকে।

    ভারী দিলদরিয়া শম্ভু মালা আবার হেসে উঠে আচমকা থেমে গেল। কিন্তু একেবারে হাসি তার মিলিয়ে গেল না। বলল, বেঁচে থাকো, বেঁচে থাকো।

    তারপর তার প্রৌঢ় দেহের পেশিগুলোর ওঠা-নামার তালে তালে বৈঠার চাড় দিল জলে। ভাঁটার টান কেটে কেটে ডিঙি এগিয়ে চলল রাজপুরের সদরঘাটের দিকে। কী যেন সে বিড়বিড় করছে ঘাড় বাঁকিয়ে মাথা নিচু করে।

    যেন কিছু মনে পড়ে যাওয়ার মতো থেমে যায় সে। যেন কেউ তাকে বারণ করে দিয়েছে অসতে, কথা বলতে। কিন্তু এও লক্ষ করেছে মহিম, সেটা আর কাউকে দেখে নয়, একমাত্র মহিমের সামনেই ঘটে থাকে তার এ ভাবপরিবর্তন।

    কিন্তু না, এ-সব কথা এখন ভাববার সময় নেই মহিমের। মাটি ভরা বালতিটা নিয়ে খাল পাড় থেকে গাঁয়ের পথ ধরল সে।

    বাড়ি এসে বালতি থেকে মাটি তুলে নিয়ে একটা কাঠের পাটাতনের উপর রাখল। ঘটিতে জল এনে দুহাত দিয়ে যদৃচ্ছা মতো ঘেঁটে চটকে কুটো কাঁটা কাঁকর সমস্ত একটি একটি করে বেছে ফেলল। সে মাটি মোটা চ্যাঁচাড়ি দিয়ে চেঁছে ঠেছে তুলল একটা মালসায়। তাতে ঘটিখানেক জল ঢেলে সাবধানে আলগোছে তুলে রাখল ঘরের এক কোণে।

    মহিমকে ঘরে ঢুকতে দেখেই ইতিমধ্যে ভিড় করেছে গুটিকয়েক ছেলেমেয়ে। অত্যন্ত নিবিষ্ট মনে, কৌতূহলে বড় বড় চোখগুলো দিয়ে তারা মহিমের কাজকর্ম দেখছিল। রোজই দেখে। ভিড় করে, গোল হয়ে বসে সবাই দেখে। কথা বলতে বারণ আছে মহিমের। অখণ্ড নীরবতার সঙ্গে বিস্মিত কৌতূহলে ড্যাবড্যাবা চোখগুলো নিয়ে চিরকালই ছোট ছেলেমেয়ের দল ভিড় করে থাকে তার দরজাটির কাছে।

    তাকে সমস্ত গুটিয়ে রাখতে দেখে একটি ছোট ছেলে জিজ্ঞাসা করল, এবার কী বানাবে মহিমকাকা?

    এবার?

    মহিমের টানাটানা চোখ দুটোতে হঠাৎ যেন স্বপ্ন নেমে আসে। চোখের দৃষ্টি অন্তরাবদ্ধ হয়ে যায়। ঠোঁট অদ্ভুত হাসিতে ফাঁক হয়ে যায়। কী অপূর্ব দৃশ্য যেন তার চোখের সামনে রয়েছে, এমনি পলকহীন বিস্ময়ে, মুগ্ধতায় স্বপ্নাচ্ছন্ন তার চোখ। এমনি বিহ্বলতায় আচ্ছন্ন থাকে সে অনেকক্ষণ।

    ছেলেমেয়েরা তর্কযুদ্ধ চালায় নিজেদের মধ্যে। মহিমের দিকে তাদের আর ততটা খেয়াল থাকে। মহিমের এমনি খেয়ালিপনা তারা অনেক দেখেছে। এমনি কথা বলতে বলতে থেমে যাওয়া, কী যেন ভাবা এমনি অন্য জগতে চলে যাওয়া। পাগলের মতো।

    হ্যাঁ, পাগলই হয়ে যায় মহিম তার নিস্পাপ কল্পনারাজ্যে বিচরণ করতে করতে। সে শিল্পী। ভাবরাজ্যেই তার বিচরণ। তার সে ভাবরাজ্য আনন্দ-বেদনায়-আশায় ভরপুর। সমস্ত হৃদয়টুকুর সবখানি অনুভূমি দিয়ে সে তার ভাবরাজ্যকে স্পর্শ করতে চায়, চায় হৃদয়ের সমস্ত সঞ্চিত রূপখানি চোখের সামনে এনে হাজির করতে। সিমিশ্রিত এক অদ্ভুত কান্নায় উদ্বেল হয়ে ওঠে সে, বুকটার মধ্যে অযথা টনটনানিতে ফেটে পড়তে চায় যেন! কেন? কেন মনে হয়, বুকটা যেন বড় ভারী, দীর্ঘশ্বাসে তা শুধু আরও ভারী হয়ে ওঠে।

    ইতিমধ্যে ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে মুখখামুখি তর্ক থেকে হাতাতাতি লেগেছে।

    মহিম গিয়ে সামনে পড়ে থামায়, ধমকায়। দু-একজন ওস্তাদ ছেলেকে কানমলাও দেয়।

    গরু নাকি এগুলা, আঁ? মারামারি করছে দ্যাখো।

    ও কেন আগেতে মারল, সেটা বলো। একজন অভিযোগ করতেই পালটা আর একজনের কান্না মাখানো গলা জবাব দেয়, দ্যাখোনা মহিমকাকা, আমি বলছি বলে কী, তুমি এবার একটা গণেশঠাকুর গড়বে, আর ও অমনি কুঁজো কানু মালার মতো করে ভ্যাংচাল।

    এ দরবার এবং বিচার-প্রহসন কতক্ষণ চলত বলা যায় না। হঠাৎ সভাস্থল একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেল একজনের আবির্ভাবে। ছোটরা সব টুকটুক সটকে পড়তে লাগল এপার ওপার।

    মহিমের বড় ভাইয়ের বউ অহল্যা। এ সংসারের বহুদিনের গিন্নি। ন বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল। আজ পঁচিশ বছর বয়সে সন্তানহীনা এই নারী পরিবারটির মধ্যে একমাত্র মেয়েমানুষ। ভাল-মন্দ আপদ-বিপদসমস্ত কিছুই যার উপর দিয়ে অহর্নিশ বয়ে চলেছে। সবকিছুতেই তাকে মানিয়ে চলতে হয়, সমস্ত দিক বজায় রেখে এই পঁচিশ বছরের বউটি সংসারের সমস্ত কর্তৃত্ব গ্রহণ করেছে। নিরবচ্ছিন্ন সুখ না হোক, সুখে-দুঃখে এ সংসারকে সে চালিয়ে আসছে। স্বার্থপর নীচ তার স্বামী, মহিমের বৈমাত্রেয় দাদা ভরতের সমস্ত দুঃশাসনকে মুখে বুজে সয়েও সে শান্ত। ভরতের স্বার্থপরতা, নীচতা ঘরের চেয়ে বাইরেই বেশি, আর তারই বিষাক্ত ঢেউ ঘরে ঢুকে অপমানে জ্বালিয়ে দেয় তাকে। ভরত ঘর ভরাতে বাইরে যে আঘাত করে, যে নিষ্ঠুরতা নিয়ে চলে—সে তো জানে না—সে নিষ্ঠুরতা তার ঘরের অন্তঃস্থলকেই কী অপমানিত বিষ-তীব্রতায় বিদ্ধ করে।

    ন’ বছর বয়সে তার বিয়ের সময় মহিম পাঁচ বছরের শিশু। দুরন্ত স্বামীকে জব্দ করতে না পারলেও, এ অতিশিশু আপমভোলা দেওরটিকে সে ভাই বন্ধুর মতো তার বালিকা চঞ্চল হরিণীর ভীত বুকটাতে জড়িয়ে ধরতে পেরেছিল। আশ্রয় পেয়েছিল তার বাপ-মা-ছেড়ে-আসা ছোট বুকটা ওই শিশুটিরই কাছে।

    শিশুটি সেদিন ওকে বুকে করে নিয়ে খেলতে দেখে অহল্যাকে ভুল ভাঙিয়ে দিতে চেয়েছিল, তোমার কিন্তু দাদার সঙ্গে বিয়ে হইছে, মোর সাথে নয়।

    অ্যাঁ? তাই নাকি গো বুড়ো? খিলখিল করে হেসে কুটোপাটি হয়েছিল অহল্যা। সই বান্ধবীদের ডেকে ডেকে বালিকা সেদিন তার শিশু অবাচীন দেওরটির গম্ভীর বুড়োর মতো ভুল ভাঙানোর গল্প বলেছিল। ও মা গো! এ কী বুড়ো ছেলেরে বাবা।

    শাসন বলতে যা বোঝায়, অহল্যার পক্ষে মহিমকে তার প্রয়োজন হয়নি কোনওদিন! তবু মাঝে মাঝে ধমক দিতে হয় বই কী। থাকতে হয় রাগ করে, না খেয়ে, কথা না বলে, যদি শান্ত মহিম কখনও-সখনও বেআদবি করে বসে।

    সবই ঠিক ছিল, তবু নিতান্তই অহল্যার বাঁধা বীণার তারে কোথায় যেন কোন্ তারে একটুখানি বেসুর বাসা বেঁধেছিল। কোথায় যেন ছিল ছোট্ট একটি কাঁটা, আর একটুখানি ক্ষত, সেখানে অনুক্ষণ ক্ষতে আর কাঁটার খোঁচাখুঁচিতে অনুদিন রক্ত ঝরে। সে কি অহল্যার এই পঁচিশ বছরের রসে-গন্ধে ভরা, মহান যৌবনের ভারে বলিষ্ঠ দেহবৃক্ষটির মূল ফলহীনা বলে? অহল্যার সন্তানহীনতাই কি সেই হারানো সুর?

    কিন্তু সেদিক থেকে সকলেই নির্বাক। ভরতের কোনও অভিযোগ থাকলেও সে আশ্চর্যরকম নীরব এই ব্যাপারে। মহিমের এ চিন্তা কখনও মনে এসেছে কি-না, সে বিষয়ে সন্দেহ আছে। এ সংসারটির যত সমস্ত চিন্তা-ভাবনা অহল্যার একলার।

    অহল্যা মুহূর্ত নিস্তব্ধ থেকে, ভ্রূ কুঁচকে ঠোঁট চেপে খুদে পলাতকদের চেয়ে দেখে। মহিম ইতিমধ্যেই একবার:অহল্যার মুখভাব দেখে নেয়। বউদি যে রেগেছে একথা বুঝতে পেরেই সে কিছু একটা বলবার উদ্যোগ করতেই অহল্যা ধমকে উঠল, থাক্। মাটি কাটা হইছে তোমার?

    বড় ভাল মাটি পেয়েছি আজ, জানলে? হাতে নিলে মুখে দিয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়।

    ত, তাই দেখলেই পারতা!

    যেমন চকিতে এল, তেমনি চকিতে দড়াম করে দরজা ঠেলে অহল্যা রান্নাঘরে গিয়ে ঢুকল।

    এ রাগ অনর্থক নয়, মহিম তা বুঝতে পারে। খুব সম্ভবত তার মাটি কাটার দেরির জন্যই এ রাগ। কিংবা হয়তো ভরত কিছু বলেছে, না হয় তো ঝগড়া করেছে পড়শীদের কারও সঙ্গে। সংসারের প্রয়োজনীয় ব্যাপারেও এমনি রাগ মাঝে মাঝে করে থাকে অহল্যা।

    সে কিছু না বলে বড় ঘরের দাওয়া থেকে খড়মজোড়া আর গামছাখানা নিয়ে বাড়ির পিছনের ডোবায় গিয়ে নামে। তাড়াতাড়ি হাত-পা ধুয়ে, গুটনো কাপড়টা ঠিকঠাক করে একেবারে রান্নাঘরে গিয়ে হাজির হয়।

    নেও, কী হইছে কও। অপরাধজনিত হাসি নিয়ে অহল্যার কাছখানটিতে বসে সে।

    কিছুক্ষণ কোনও জবাব দিল না অহল্যা। ফুটন্ত ভাতের হাঁড়ি থেকে হাতায় করে আধসেদ্ধ চাল নিয়ে টিপে টিপে দেখে। দেখে ভাত কটা হাঁড়িতে ফেলে দিয়ে বাঁ হাত দিয়ে কাত করে ঘটি থেকে জল নেয় ডান হাতে। হাত শুদ্ধ করে বড় একটা মানকচুর আধখানা কেটে নিয়ে ফেলে দিল হাঁড়িতে।

    হাত চলে, কাচের আর পিতলের চুড়িগুলো টুনটুন করে বাজে। কিছুক্ষণ মহিমও কোনও কথা বলে না। দেখে আর শোনে। নিস্তব্ধ থমথমে মুখখানি অহল্যার ধোঁয়ায় আর আলোতে ঝাপসা। সাবেক নাকছাবিটা চিকচিক করে ওঠে থেকে থেকে। বউদিকে দেখলে মাঝে মাঝে বনলতাকে মনে পড়ে মহিমের। বৈরাগীর মেয়ে বনলতা। তিনটি স্বামীকে সে পর পর হারিয়েছে। লোকে বলে, খেয়েছে। সত্যই তাই, বনলতার সঙ্গে কণ্ঠিবদল করতে ভরসা হয় না কারও বড় একটা। বনলতাও মাঝে মাঝে এমনি কারণে অকারণে মহিমের উপর রাগ প্রকাশ করে থাকে অহল্যার মততা, নিস্তব্ধ থমথমে মুখে। তবে সে হল অন্য কারণে, অন্যরকম।

    অহল্যার অভিযোগ তো তাকে শুনতেই হবে। এ যে ঘর, ঘরের ব্যাপার। সম্বন্ধ আলাদা, আলাদা কারণ।

    এখানেও আছে মান-অভিমান রাগ-দুঃখ, আছে বন্ধুত্ব। তার সঙ্গে আছে দায়িত্ব, কর্তব্য। বনলতা প্রতিবেশিনী, শৈশবের বন্ধু, একসঙ্গে পাঠশালায় পড়েছে। সেখানকার বন্ধুত্বে দায়িত্ব নেই, কর্তব্য নেই—নেই ভার!

    কী করেছি, কও, মহিম অধৈর্যের সঙ্গেই বলে, কিন্তু হাসেও।

    অহল্যা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ চোখে একবার মহিমের দিকে তাকায়। তারপর হঠাৎ কেঁজে ওঠে, তোমরা ভেবেছ কী বলল তো! মোরে কি পাগল করে ছাড়বা?

    তা কী করেছি, বলবা তো?

    বলব? দেখে মনে হয় আরও রেগে উঠেছে অহল্যা, সেই সকালে তোমাকে বলে রাখছি কী যে, ও বেলাতে পাতুর দোকান থে’ মশলাপাত আর তেলটুকুন এনে দিয়ে। তা, খুব তো দিলে?

    মহিম প্রকাণ্ড বড় করে জিভ কেটে একেবারে লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল, ইস, মাইরি বলছি বউদি, একেবারে ভুলে গেছি।

    তো ওই রকম ভুলে থাকো। তা হলেই রান্না খাওয়া সব হবেনে।

    বলে সে উনুনে আগুন উস্‌কে দিতে দিতে আপনমনে বলে, কে বলবে এ বাড়িতে দুটো পুরুষমানুষ আছে। আজ এরে বলি, কাল ওরে বলি—এটা এনে দাও, ওটা এনে দাও। কেন রে বাপু?

    সাংসারিক অভিযোগ যতগুলো আছে, সবগুলো যেন হুড়মুড় করে এখনই মনে আসতে লাগল সব অহল্যার। কদিন ধরে বলছি ডোবাটাতে আর নামা যায় না কোদাল কুপিয়ে ধাপ দুটো কেটে দিয়ো। তো সে কাকে বললাম। যেমন দাদা, তেমনি ভাই। একজন বেরুল, এর পেছনে কাটি দিতে, অমুকের মাথা ফাটাতে, মামলা লড়তে। আর একজন তো ড্যালা মাটির কারবার কেঁদে

    বসেছেন।

    এই পর্যন্ত বলেই হঠাৎ খিলখিল করে হেসে উঠল অহল্যা, তোমরা আর জ্বালিয়ো না বাপু। ইচ্ছে করে সব ছেড়েছুড়ে দিয়ে চলে যাই, যেদিকে যায় দুচোখ। এক সকালবেলা চেয়েচিন্তে তেল-মশলার কাজ চলল কোনও রকমে। চাইব আর কত মানুষের কাছে। নেও, আর জিভ বের করে মা কালীর মতো

    পেছন ফিরে হঠাৎ থেমে গেল। ওমা, কাকে বলছে সে এত কথা। যাকে বলা, সে কোন্ ক্ষণে বেরিয়ে গেছে। হঠাৎ কেমন মায়া লাগে, হাসিমিশ্রিত করুণায় বুকটার মধ্যে নিশ্বাস একটু ভারী হয়ে উঠল তার। আহা, অমন করে না বললেই হত। সেই জিভ কেটে লাফিয়ে ওঠা দেখেই সে বুঝতে পেরেছিল, মানুষটা ভুলে গিয়েছিল। আপনভোলা গোবিন্দ একেবারে।

    কিন্তু রাগ না করে, না বিরক্ত হয়েই কি উপায় আছে অহল্যার। অত ভুলোকে নিয়ে তো সংসার। চলে না। একজন যদি ভুলো হয়েছে আর একজন হয়েছে নষ্টামোর মহারাজা। মহিমকে তবু দুটো কথা বলা চলে, ভরতকে মুখের কথা বললে সে এক কুরুক্ষেত্র বাধিয়ে তুলবে। তবে সংসারে পুরুষ মানুষের কাজগুলো করবে কে? আপসে আপসে চলবে না তো। ডোবার ধার কেটে না হয় অহল্যাই নিয়েছে, নেয় না হয় ছোটখাটো এদিক ওদিককার দু-চারটে কাজ চালিয়ে কোনও রকমে করে কম্মে। তা বলে পাতুর দোকানে ওই মিনসের মেলায় তো পারে না অহল্যা সওদা আনতে যেতে। যেতে অবশ্য কোনও বাধা নেই, যেয়ে থাকে তাদের ঘরের কত বউ-ঝি বাজারে দোকানে হামেশাই। কিন্তু ভরত সেদিক থেকে ভদ্দরলোক হয়েছে। মেয়েমানুষের আব্রু রাখতে শিখেছে সে। শিখেছে তার বাপের কাছ থেকেই। অবস্থাবিশেষে যে একদিন মহাজন সেজে বসেছিল গাঁয়ে। যা, কামিয়েছিল ভাল ভরতের বাপ দশরথ। কিন্তু রেখে তো যেতে পারেনি কিছুই, কিছু পরিমাণ জমি ছাড়া। কিন্তু ওই জমির সঙ্গেই দশরথ রেখে গেছে এই আবরুটুকু বামুন কায়েতদের মতো, আর জাতছাড়া সৃষ্টিছাড়া যত ফষ্টিনষ্টি।

    কই গো, মহিম বাড়ি আছ নাকি?

    বাড়ির সামনে দেবদারু গাছের অন্ধকার তলাটা থেকে মোটা ভারী গলায় ডাক শোনা গেল। গলাটা পরিচিত, কিন্তু মানুষটাকে চিনল না অহল্যা। জবাব না দিয়ে সে চুপ করে রইল। উদ্দেশ্য, সাড়া না পেয়ে ফিরে যায় যাক। কিন্তু আবার বলল লোকটা এবার দু-চার পা এগিয়ে এসে। ঘরে আলো রইছে দেখছি। বাড়ির লোকজন গেল কই?

    কেন, কে তুমি? কেরোসিনের ল্যাম্পটা নিয়ে এবার অহল্যা রান্নাঘরের দরজাটার সামনে দাঁড়ায়।

    মহিম আছে?

    ল্যাম্পের আলোয় অহল্যা লোকটাকে ভাল করে চিনতে পারল না। বলল, না।

    আমি বাবুদের বাড়ি থে আসছি। মহিম এলে পরে বাবুদের সঙ্গে একটু দেখা করতে বলল, বুঝলে? লোকটা কথা শেষ করে চলে যাওয়ার পরিবর্তে আরও দুপা এগিয়ে এল।

    বাবুদের বাড়ি মানে, জমিদারের বাড়ি। সেখানকার এ আকস্মিক ডাকে চকিতে মনটা উৎকণ্ঠায় ভরে গেল অহল্যার।

    কী জানি, কী গোলমাল বাধিয়ে এসেছে হয়তো আবার।

    লোকটা হঠাৎ দ্রুত আরও কয়েক পা এসে হেসে বলল, কে, ভরতের বউ নাকি?

    অহল্যা একটু চমকে উঠল। ভাল করে আলো ধরে লোকটার মুখ চিনে এবার হাসল, কে, পরানদাদা? আমি বলি—কে না জানি। তা ঠাকুরপোরে ডাকল যে হঠাৎ তোমাদের বাবু?

    হাত উলটে বলল পরান, কী জানি, কী পিতিমে না কী করবে বুঝি তাই।

    এমন সময় মহিমও এল পাতুর দোকান থেকে সওদাপত্র নিয়ে। বলল, কী হয়েছে পরানদা?

    তোমার ডাক পড়েছে ভাই, একবার বাবুর সঙ্গে দেখা করে এসোগে।

    পরান চাকর, ছোট জাত, কিন্তু বড় মিষ্টি তার স্বভাব। জাতে বাগদী হলেও আজীবন বাবুদের বাড়িতে থেকে বাবুদের মতোই তার মোলায়েম কথাবার্তা। তা ছাড়া, বাবুরা যখন কলকাতায় গিয়ে বসবাস করে, পরানও বরাবর তাদের সঙ্গী হয়।

    আমার যে আবার একটু অন্য জায়গায় দরকার ছিল। ক্ষণিক দোমনা করে আবার বলল, আচ্ছা চলো দেখি, ঘুরে আসি একটু।

    রাতটুকুন পুইয়ে এসো না যেন। পিছন থেকে কথাটা ছুড়ে দেয় অহল্যা মহিমের প্রতি।

    মহিম বলে, হ্যাঁ হ্যাঁ, আসি তো আসব।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু
    Next Article অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }