Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চেকলিস্ট

    হাফ হাতা টপস, জিনসের প্যান্ট-শার্ট, কাঁধের ফ্যাকাসে ব্যাকপ্যাক আর এলোমেলো দৃষ্টিতে চারপাশে তাকানো দেখে আমাকে অনেকেই ভাবলেশহীন এবং বদমেজাজি মানুষ ভাবতে পারে। কিন্তু আমি ছিলাম আসলে একদমই উল্টা। আর সেই ব্যাপারটাই আমার প্রেমিক অন্য সবার আগে ধরতে পেরেছিল বলে ওকে আমার পছন্দ হয়েছিল।

    ফ্রিল্যান্সিং এবং অনলাইন টিউশনির টাকায় আমাদের একসাথে সিনেমা দেখার কিংবা মেক্সিকান খাবার খাওয়ার সন্ধ্যাগুলো ছিল সবচেয়ে সুন্দর। আর সবচেয়ে কুৎসিত ছিল আমাদের শেষ ঝগড়ার বিচ্ছিরি রাতটা। সেই রাতে আমি শুধুই আমার ফেসবুকের হোমপেজে ঘুরে বেড়িয়েছি অকারণে। আর ভেবেছি ঠিক কোন মুহূর্ত থেকে আমাদের দুজনের মাঝে সমস্যা শুরু হলো। এটা ঠিক যে আমি এর আগে দীর্ঘদিন কোনো সম্পর্কে জড়াইনি তাই অনেক সময়ই বুঝতে পারি না যাকে ভালোবাসি তার সাথে আমার কেমন আচরণ করা উচিত। এও জানি আমাকে দেখতে অনেক অপরিণত মানুষ মনে হয়, যা ভেতরে ভেতরে আমাকে হীনম্মন্যতায় ভোগায়। আমি একদমই ফ্যাশন সচেতন নই। কথা বলি কম, সবকিছু নিয়মমাফিক করার জন্য অনেকগুলো চেকলিস্ট দেখি এবং আমার অল্প কিছু বন্ধু আছে। এগুলোর কোনোটাই এমন কোনো নতুন ঘটনা ছিল না যা নিয়ে আমাদের মধ্যে সমস্যা হতে পারে। বরং ও আমার জীবনে আসার কারণে কিছু সমস্যা কমতে শুরু করেছিল। আমি অনেককিছু সহজ ও স্বাভাবিকভাবে নিতে শুরু করেছিলাম যা আগে পারতাম না।

    রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমার ফোনে ফুল চার্জ থাকা এজন্য দরকার যেন আমি ফোন চার্জে রেখে না ঘুমাই। কারণ, চার্জ হতে হতে ফোনে বিস্ফোরণ ঘটলে আমি বিপদে পড়ব। পড়ে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে, প্লাস্টিকের গ্লাসে পানি রাখা, পড়তে থাকা বইয়ের কোনো পাতা যেন ভাঁজ হয়ে না থাকে তা খেয়াল রাখা, একটু পরপর হাত ধোয়া বা শাওয়ারে দীর্ঘ সময় কাটানো, এ কাজগুলো আসলে উল্লেখ করার মতো কোনো বিষয় না। এসব আমি করে আসছি অনেক বছর ধরে। ভুল হতে পারে ভেবে কিছু বারবার গুনতে থাকা, পরখ করা, একই কথা একাধিকবার বলা সিনেমা-সিরিজে বা বাস্তব জীবনে খুব হাস্যকরভাবে দেখায়। তবে এগুলো আমার জন্য অন্তত হাস্যকর ছিল না। নিজের আতংক, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, অস্থিরতা কমাতে এবং স্বাভাবিক মানুষের মতো বাঁচতে আমাকে এগুলো করতে হতো। আমি আমার প্রেমিককেও বলেছিলাম, পানির ট্যাপ বন্ধ করা আর খোলা কিংবা দরজার লক চেক করা আমার একেকটা দিনকে ভারমুক্ত করে।

    ও তখন হাসতে হাসতে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি হোয়াট অ্যাবাউট বব সিনেমার বিল মারি কিংবা অ্যাজ গুড অ্যাজ ইট গেটস সিনেমার জ্যাক নিকলসনের বাঙালি ভার্সন নাকি? উত্তরে আমি অপ্রস্তুতভাবে একটু হেসেছিলাম। আমার জন্য এটা কোনো কমেডি বা ড্রামার মতো ফ্যান্সি বিষয় ছিল না। হ্যাংওভারের মতো যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি নিয়ে যার সর্বত্র বিচরণ। সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করার জন্য তার নিজেকে ভাঙতে ভাঙতে বহুদূর নিয়ে যেতে হয়। যেকোনো জায়গায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় কমপক্ষে দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে। আর সারাক্ষণ মাথার ভেতরে কেউ কথা বলে যায়, যাকে উপেক্ষা করার কোনো স্পর্ধা থাকে না। তাই অবলা শ্রোতার মতো আমাকে শুনতে হয়,

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    পিডিএফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই

     

    চুলা বন্ধ না থাকলে গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে পুরো বাড়িতে আগুন লেগে যেতে পারে।

    ফ্রিজ খোলা থাকলে নষ্ট হয়ে যাবে সমস্ত খাবার।

    মাল্টিপ্লাগে কানেকশন দিয়ে রাখা সবকিছু ফিউজ হয়ে যাবে।

    দরজা খোলা থাকলে সিরিয়াল কিলার এসে আত্মগোপন করবে।

    আমার মাথার ভেতরে শিকড় গেড়ে বসে থাকা সত্তাটার কথাগুলো শুনে মাটিতে পাথরের মতো আটকে যেত আমার পা। কোথাও যাওয়ার জন্য যতদূরেই আগাই না কেন আবার ফিরে এসে ফ্ল্যাটের চুলা, ফ্রিজ, কল, দরজা, জানালা চেক করতে হতো। ঘরের প্রতিটি কোণ দেখে, আশ্বস্ত হয়ে তবেই আমি আবার বের হতে পারতাম। কিন্তু ততক্ষণে অন্য জায়গায় পৌঁছাতে দেরি হয়ে যেত। আমি আমার জীবনের অনেক ইন্টারভিউ, কুইজ, পরীক্ষা, সিনেমা আর আড্ডা এভাবে মিস করেছি। অনেকবার চেষ্টা করেছি এগুলো ঠিক করার কিন্তু সম্ভব হয়নি। ভার্সিটিতে, কাজে, পরিচিত মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে চাইতে আমি হয়ে উঠেছিলাম ক্লান্ত। এমন অবস্থা দেখে আমার প্রেমিক আমাকে ফ্ল্যাটের ভেতর ও পেছনের দরজায় সিসি ক্যামেরা বসিয়ে দিয়েছিল। ওর মনে হয়েছিল এতে করে হয়তো আমার দুশ্চিন্তা কমবে। কিন্তু ক্যামেরা লাগানোর পর আমি সর্বক্ষণ মোবাইল অ্যাপ খুলে পেছনের দরজা এবং বাসার ভিতরে বসানো ক্যামেরার রিয়েল টাইম ফুটেজের দিকেই তাকিয়ে থাকতাম। আমার ফ্রিল্যান্সিং কাজ জমে যাচ্ছিল, ডেডলাইন মিস করছিলাম, টাকাপয়সা উপার্জনের পরিমাণ পর্যন্ত আসছিল কমে। আমার এমন দৈন্যদশা দেখে ও একদিন বাইরে থেকে বেশ কিছু খাবার অর্ডার করে আমাকে প্রফুল্ল রাখার চেষ্টা করল এবং নন্ম স্বরে জানালো, আমার ভালোর জন্যই আসলে সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে ফেলা দরকার। আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাজি হলাম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    ছোটবেলায় মা বলতেন আমার মানসিক পুষ্টিহীনতা আছে। কথাটার অর্থ আমি তখন বুঝতাম না। আমি মনে করতাম এটা কোনো আধ্যাত্মিক ক্ষমতা যা সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে হয়। বড় হয়ে আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমার মা আসলে কী বোঝাতে চেয়েছিলেন। আমার হলুদ আলোয় ভরা ঘরগুলো, ধুলা

    জমে থাকা ফার্নিচারগুলো, অজস্র তালায় সুসজ্জিত ঘরের দরজা, জানালা সবই আসলে মায়ের বলে যাওয়া সেই কথাটাকেই বার বার সত্য করে তুলেছিল। তবে এসব কিছুর মাঝেও আমি সম্ভবত ভালোই ছিলাম। কারণ আমার একটা সম্পর্ক আছে। একজন মানুষ আছে যাকে আমি প্রেরণা, আমার বাঁচার খড়কুটো হিসেবে। ধরে নিয়েছি। কিন্তু সেখানেও সমস্যা হলো যখন ও এসে আমার সাথে একই ফ্ল্যাটে থাকা শুরু করল। প্রথম প্রথম এই সিদ্ধান্তে আমার মনে জেগে উঠেছিল প্রবল আনন্দ। কিন্তু ও এসে থাকা শুরু করার পর আমি ভেতরে ভেতরে দমে গেলাম। ভোরবেলা আলো ফোঁটার আগেই আমাকে ঘুমিয়ে থাকতে বলে ও দৌড়াতে চলে যায়। যাওয়ার আগে আমাকে হালকা চুমু দিয়ে বলে,

    আমি ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ফিরে আসব, এরপর একসাথে ব্রেকফাস্ট করব। ঠিক আছে?

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    PDF
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    আশ্চর্য! ও চলে যাওয়ার পর দরজা ঠিকমতো লাগাবে কিনা সেটারই তো ঠিক নেই। হয়তো কেউ ওর পিছু নিয়ে ফ্ল্যাটে ফেরার সময় অতর্কিত হামলা করে আমাদেরকেই খুন করে ফেলবে। হয়তো ও দরজা ভালো করে বন্ধ করেনি বলে কোনো চোর ঢুকবে। বাদবাকি সব কথা না হয় বাদই দিলাম। এগুলো পুরোপুরি চেক না করে কেউ আবার ঘুমাবে কীভাবে? আর রোমান্টিক ব্রেকফাস্ট তো বহুদূরের কথা! আতংকে আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যেত। উপন্যাসে কিংবা নাটক-সিনেমায় এইসব মানসিক বিষয়গুলোকে যেভাবে দেখায় তার সিকিভাগও যদি বাস্তব জীবন থেকে কেউ নিত তা হলে সম্ভবত আমার চিন্তাগুলোকে কেউ অস্বাভাবিক বলত না। সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা পপ কালচারে এই ধরনের সমস্যাগুলোকে বেশিরভাগ সময়ই হালকাভাবে তুলে ধরে। যার কারণে দর্শকরা সেগুলো দেখে বিনোদন পায়। চরিত্রগুলো পছন্দ করে। তবে নিজেদের চারপাশে এমন চরিত্র দেখলে কেউ আর সিরিয়াসলি নিতে চায় না। জানতে চায় না খুঁটিয়ে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জাগার পর আমার বুকের ভেতরে কেমন শঙ্কা ও ভয়ানক চিন্তা কাজ করে, তা জানলে হয়তো আমার প্রেমিক পর্যন্ত আমাকে মরবিড বলবে কিংবা স্বাভাবিকভাবে স্পর্শ করতে পারবে না।

    কারণ, তথাকথিত আঁতেল কিংবা রং মিলিয়ে সবকিছু সাজিয়ে রাখা পরিচ্ছন্ন মানুষ হওয়ার মতো এত সহজ আমার জীবন ছিল না। বহুবছর ধরেই আমার এই দৈনন্দিন জীবন ছিল ভয়াবহ। কিন্তু তা আরও দুর্বিষহ হলো যখন থেকে আমার প্রেমিক ও আমি একসাথে থাকা শুরু করলাম। সারাক্ষণ আমার মনে হতো বাড়িতে ও কোনো না কোনো অঘটন ঘটাবে যেটার কারণে আমরা দুজনই মারা পড়ব। মনে হতো মানুষ খাল কেটে কুমির ডেকে আনে আর আমি ভালোবাসার মানুষের নামে ডেকে এনেছি অকাল মৃত্যু।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের

     

    এর মাঝে আমার বাবার সাথে একদিন ফোনে প্রচণ্ড ঝগড়া হলো। আমরা প্রায় ওয়াকিটকিতে মেসেজ চালাচালির মতো করে চিৎকার করতে থাকলাম। আমার ভাই ওর টিউমারের অপারেশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিল। আমার বাবা চাইছিলেন আমি সেখানে গিয়ে সময় দিই। কিন্তু, হাসপাতালের মতো জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থাণুর মতো বসে থাকার চেয়ে মধ্যরাতে মদ খেয়ে রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ধরে কাউকে উন্মাদের মতো কাঁদতে দেখা আমার জন্য সহজ। আমার বাবাকে সেই কথাটা বলতেই সে এক পর্যায়ে আমাকে ইংরেজিতে গালি দেওয়া শুরু করে দিল। আর আমি শুনতে পেলাম ফোনের অন্যপাশে আমার মাও ততক্ষণে চিৎকার করছেন। আমি বাধ্য হয়ে কেটে দিলাম কলটা। এরপর আমার ভয়াবহ খারাপ লাগা শুরু হলো। আমার ভাইকে আমি খুবই স্নেহ করতাম। গত বছর নিউ ইয়ার পার্টিতে ওর সাথে যাওয়ার পরেই খুঁজে পেয়েছিলাম আমার বর্তমান প্রেমিককে। যদিও তখনো আমার সোশ্যাল অ্যাংজাইটি বেশ প্রকট ছিল। তাই, নানাভাবে আমি পার্টির দাওয়াতটা উপেক্ষা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পারিনি। ও জোর করে ঠিকই নিয়ে গিয়েছিল। সেই পার্টিতেই আমার প্রেমিককে প্রথম দেখি। আদতে সে ছিল কিছুটা স্বল্পভাষী ও লাজুক। এমন পুরুষদের আমার ভালোমানুষ মনে হতো বরাবরই। কারণ আড্ডায় কিংবা উৎসবে যারা আসর জমিয়ে রাখে তাদের মাঝে কোথাও না কোথাও একটা আবছা ভণ্ডামি মিশে থাকে বলে আমার মনে হয়। অভিজ্ঞতা, রাজনীতি ও ট্রেন্ডিং খবর বলে এরা মানুষের চোখেমুখে মুগ্ধতা দেখার লোভে নিজেকেই বিক্রি করতে থাকে সস্তা দামে। এমনই কিছু মানুষ থেকে নজর ফিরিয়ে চলে আসার এক ক্ষণে ওর সাথে পরিচয় হলো। কিছুক্ষণ আলাপের পর আমি নিজেই বলে বসলাম,

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন বুক
    PDF
    বাংলা ই-বই
    বাংলা গল্প
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার

     

    তোমার ফোন নম্বরের এগারটা ডিজিট কী?

    আমার ভাই না থাকলে অনেক কিছুই আমার জীবনে হতো না। হয়তো কখনোই আমার প্রেমিকের সাথেও পরিচয় হতো না। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি মনে মনে কৃতজ্ঞ থাকলেও হাসপাতালে যাওয়ার সাহস করে উঠতে পারলাম না। আমার ভাইয়ের বয়স মাত্র ২৭ বছর। জিমে যেত, ভালো খাবার খেত। সুস্থ সবল মানুষ। কীভাবে এমন একজন মানুষের মধ্যে টিউমার জন্ম নেয় এবং এত দ্রুত তা বড় হতে থাকে যা জীবনের হুমকি হয়ে যায়, আমি তা ভেবে পাইনি। মাথাব্যথা বাদে ওর কোনো অসুখের কথা আমি কোনোদিন শুনিনি। তাই প্রথম যেদিন ফোনে বলেছিল ওর এমআরআই করাতে হয়েছে টিউমারের জন্য, আমি সেদিনই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম! আরও একটা কারণে সেই দিনটা উল্লেখযোগ্য ছিল।

    আমি সেদিন বহুদিন পর বিউটি পার্লারে গিয়েছিলাম চুল কাটাতে। ওয়েটিংরুমে অপেক্ষা করার সময় টিভির স্ক্রিনে চোখ পড়ে গিয়েছিল। সেখানে একটা সিরিজে দেখাচ্ছিল, একটি মেয়ে কীভাবে সাত সংখ্যাটির মাধ্যমে জীবন পার করছে। কীভাবে সে একই চিপস সাতটা কিনে নিপুণভাবে ডাইনিংটেবিলে সাজিয়ে রাখে। যেকোনো খাবার সাতবার চাবায়। পানির গ্লাসে চুমুক দেয় সাতবার। কোনো কিছু ভালো করে দেখে নিশ্চিত হতে চোখের পলক ফেলে সাতবার। দরজার তালা সাতবার চেক না করে বাড়ি থেকে বের হয় না। এবং প্রতিদিন বাইরে যাওয়ার আগে তার নিজেকে সাহস দেওয়ার জন্য সাতবার বলতে হয়, সব কিছু ঠিক আছে। তোমার কিচ্ছু হবে না। এরপর একটা দৃশ্যে দেখা যায় সে টয়লেটে কমোডের পাশে দাঁড়িয়ে আছে গুনে গুনে সাতবার ফ্ল্যাশ করবে বলে। যতক্ষণ ট্যাঙ্কে যথেষ্ট পরিমাণে পানি না জমছে সে ফ্ল্যাশ বোতাম চাপতে পারছে না, তাই তাকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। টয়লেটের বাইরে অন্য মানুষেরা লাইন ধরে যাচ্ছে। অথচ মেয়েটি অপেক্ষা করছে ট্যাঙ্ক ভরে ওঠার। সে নিজে ও অস্থির হয়ে উঠছে। কিন্তু তার কিছু করার নেই। যদিও কেউ তাকে আটকে রাখেনি তাও সাতবার ফ্ল্যাশ না করলে সে টয়লেট থেকে বের হতে পারবে না। মেয়েটিকে লাইনে থাকা সবাই গালাগালি করছে, আর সে ফ্যাকাসে মুখে প্রতিবার ট্যাঙ্ক ভরলে একবার ফ্ল্যাশ করে পরের বারের জন্য অপেক্ষা করছে। এই ঘটনা দেখার পর আমার হৃদয়ে বয়ে গিয়েছিল একটা হিম শীতল স্রোত। মনে হচ্ছিল টিভির ভেতরের মেয়েটাই আমি। আর ওয়েটিংরুমে থাকা সব মেয়ে, মহিলারা আমাকে এক ঝলকে চিনে ফেলছে আর সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করছে। আমার নিশ্বাস ভারী হয়ে উঠেছিল, যেন এখনই শ্বাসকষ্ট শুরু হবে। মনে হচ্ছিল একটা ধারালো ছুরি দিয়ে কেউ আমাকে চিরে ফেলছে নিপুণভাবে। আমার শুধু মনে হলো, যে করেই হোক এখান থেকে আমাকে এখনই পালাতে হবে। সাথে সাথে আমি প্রায় টালমাটাল অবস্থায় ছুটে বের হয়ে এসেছিলাম পার্লার থেকে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    আমি এরপরেও যতটা সম্ভব ফোনে আমার ভাইয়ের খবর নিয়ে যাচ্ছিলাম। হাসপাতালের একঘেয়ে সময় আর পানসে খাবার বাদে আর কোনোকিছু নিয়ে ওর কোনো অভিযোগ ছিল না। বরং আমার মনে হতো ওর চেয়ে আমারই বেশি সমবেদনার প্রয়োজন। সেই দিনগুলোতে বাসায় থাকলেও আমি ভালো থাকতাম না কারণ, আমার মনে হতো আমার প্রেমিক আমার মতো বাড়ির সমস্ত বিষয়ে সতর্ক না। সিগারেট খাবার পর সেটার শেষাংশ ও দেয়ালে একবার চেপে ধরেই বারান্দায় ছুঁড়ে দিত। এটুকু দেখেই আমার দম বন্ধ করা অনুভূতি চলে আসত, যে কী হবে যদি বারান্দার বাইরে পড়ে থাকা কোনো কিছুতে লেগে আগুন ধরে যায়। ও তো দেখেইনি ঠিকমতো সিগারেটটা নিভেছিল কিনা! ওর জায়গায় আমি হলে ওই সিগারেটের বাটটুকু কমপক্ষে সাত-আটবার পরখ করতাম। টয়লেটে গিয়ে কমোডের পানির মধ্যে ফেলে ফ্ল্যাশ করতাম। ময়লার ঝুড়িতেও ভয়ে ফেলতে পারতাম না। ও যেহেতু এসব কিছু নিয়েই মাথাব্যথা দেখায় না আমাকেই তাই আরও সচেতন হতে হলো। ও রান্না করে চলে আসার পর আমাকে আবার নিশ্চিত হতে হতো চুলাগুলো আসলেই বন্ধ আছে কিনা। রান্নাঘরে গিয়ে ওর কারণেই আমার প্রতিবার কমপক্ষে দশ-পনের মিনিট নষ্ট হয়ে যেত। আমি মনে মনে বিরক্ত হলেও তা আর প্রকাশ করতাম না। ও ছিল বেশ সহজ মানুষ। রাতে বিছানায় শুয়েই ঘুমিয়ে যেত, আর ওর গাঢ় ঘুম দেখে আমি শঙ্কিত হয়ে ভাবতাম যে নিজের, আমার কিংবা আমাদের ফ্ল্যাটের নিরাপত্তা নিয়ে ওর মধ্যে কেন কোনো সতর্কতা নেই। অথচ নিউ ইয়ারের পার্টির রাতে আমি যখন বিদায় নেওয়ার সময় ওর হাত ধরেছিলাম তখন আমার মনে হচ্ছিল অন্তত ও পাশে থাকলে আমার অনেক কিছু নিয়েই দুঃসহ অনুভূতি আর দুশ্চিন্তা কাজ করবে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    পিডিএফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বুক

     

    এরপর একদিন জানতে পারলাম ডাক্তার বলেছে আমার ভাইয়ের পোলিও থেরাপি শুরু করতে হবে। পোলিও থেরাপির বিষয়ে আমার কোনো কিছুই জানা ছিল না। কিন্তু আমি ধীরে ধীরে জানতে শুরু করলাম। শুয়োপোকা রূপান্তরিত হয়ে যেভাবে প্রজাপতি হয়, সেভাবেই যেন ওর টিউমারের রূপান্তরটুকু ক্যান্সারে পরিণত হলো। একদিন আমার মা ফোন করে জানালেন, শরীরের অবস্থা শোচনীয় বলে শহরের এক নামকরা নিউরো-অনকোলোজিস্টের কাছে আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়-দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, ওর মাথার ভেতরের টিউমারটা বেশ বড়। এতই বড় যে সেটার আকার, আয়তন ও অবস্থানের জন্য কোনো রোগীর পক্ষেই স্বাভাবিক আচরণ করা সম্ভব না। আমার ভাই আসলে কীভাবে এসবের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল আমি পরিষ্কারভাবে ভাবতে পারছিলাম না। ওর কথা ভাবলে বাস্তব জীবন অল্প সময়ের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো লাগত। রাতের ঘুম আরও কমে আসত। মাঝে মাঝে আমি পা টিপে টিপে ঘর থেকে বের হয়ে, অজস্রবার ফ্ল্যাটের লক চেক করে, পথের পাশে নিরিবিলি একটা জায়গায় গিয়ে বসতাম। কিছুক্ষণ পর আমার মনে হতো সেখানে হয়তো কারও কফ, থুথু আর নোংরা স্পর্শ লেগেছে। দেয়ালের অন্যপাশ থেকে হয়তো কেউ মুহূর্ত গুনছে, কোনো ধারালো ছুরি দিয়ে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাকে নিঃশেষ করে দেওয়ার জন্য। কিংবা ঘুমের মধ্যে ফোনের চার্জারের তার পেঁচিয়ে ফেলে আমার প্রেমিক কোনো অঘটন ঘটিয়ে যেকোনো সময় হয়তো মারা পড়বে। এই সব ভেবে আমার হৃদস্পন্দন প্রচণ্ড বেড়ে যেত এবং আমি কাঁপতে কাঁপতে দ্রুত ফিরে আসতাম বাসায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কবিতা

     

    সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি দু-সপ্তাহের জন্য অফিসের কাজে দেশের বাইরে গিয়েছিল আমার প্রেমিক। আমি ভেবেছিলাম ও না থাকার কারণে হাতে জমে থাকা কাজ শেষ করে নতুন কাজ নিব। যাতে বেশকিছু টাকা উপার্জন করতে পারি। কিন্তু, হিতে বিপরীত হলো। আমি আবিষ্কার করলাম দিনের পর দিন আমি কিছু রান্না করছি না, কারণ আমার ভয় লাগছে আমি রাঁধতে গেলেই কিছু না কিছু ঘটে যেতে পারে। এর চেয়ে চুলা না জ্বালালে আমার আর কোনো চিন্তা করতে হচ্ছে না। প্রথম কিছুদিন বাইরে থেকে খাবার কিনে মাইক্রোওভেনে গরম করে খেতাম। এরপর মনে হলো খাবার গরম না করলে মাইক্রোওভেন নিয়েও চিন্তা করতে হবে না। দেখতে হবে না সেটা ঠিকমতো বন্ধ করেছি কিনা। আমি ধীরে ধীরে আমার চা বানানোর ইলেকট্রিক কেতলি, মাইক্রোওভেন, চুলা, ফ্রিজ, ফ্যান ব্যবহার করা বন্ধ করে দিলাম। পাউরুটি, জেলি, কিছু ফল, চিপস, বিস্কুট আর ক্যানড খাবারের ওপর দিন পার করতে থাকলাম। একটা সময় এমন হলো, নখ কাটতে শুরু করলাম নিজের দাঁত দিয়ে কারণ নেইলকাটার দেখলে মনে হতো নিজের আঙুল কেটে ফেলতে পারি। আর সকালে ঘুম থেকে জেগে দীর্ঘক্ষণ শুয়ে শুয়ে ভাবতাম, আমার কী কী চেক করতে হবে, কোথায় কোথায় কী ভুল হতে পারে। আমি পারতপক্ষে বাড়ি থেকে বের হওয়াও কমিয়ে দিয়েছিলাম। সাপ্তাহিক বাজার করা বাদে আমি আর কোথাও যেতাম না। আমি সব ধরনের ওষুধ পর্যন্ত কিনে এনেছিলাম যেন আমাকে কোনো কিছুর জন্য ফার্মেসিতে যেতে না হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বুক
    বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    দুই সপ্তাহ এসব করেই দ্রুত চলে গেল। আমি আমার নতুন এই রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। আমার প্রেমিক অফিসের ট্যুর শেষ করে দেখা করতে গিয়েছিল ওর বাবা-মায়ের সাথে। আমিই ওকে সেখানে আরও কিছুদিন থেকে আসার জন্য জোর করছিলাম। কারণ, ভয় পাচ্ছিলাম ও ফিরে আসলে হয়তো আমার অভ্যস্ত হয়ে থাকা জীবন আরও জটিল হয়ে যাবে। ততদিনে এমন অবস্থায় চলে গিয়েছি যে করিডরে প্রতিবেশীদের পায়ের কিংবা গলার আওয়াজ শুনলে আমি বাইরে বের হই না। করিডরে যখন পিনপতন নীরবতা নেমে আসে, তখন পা টিপে টিপে বের হই। যেন ফ্ল্যাটের দরজার তালা অজস্রবার চেক করার সময় অন্য কেউ দেখে না ফেলে। আমাকে দেখে হাসাহাসি না করে। দিন দিন আমার এমন অবস্থা হয়ে গেল যে সপ্তাহের একদিন বাজার করার সময়েও বের হতে ইচ্ছে করে না। যে দিন বাজার করতে যাব তার কয়েকদিন আগে থেকে আমি বাড়ি-ঘরের সব কিছু অসংখ্যবার চেক করতে থাকি। বার বার বাজারের লিস্ট করি। আর মনে হয় যেদিনই কেনাকাটা করতে যাব সেদিনই কোনো না কোনো ভুলের কারণে ভয়ংকর কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে।

    এর মাঝে আমার মা একদিন ভিডিও কল করে আমার ভাইয়ের সাথে কথা বলিয়ে দিল। আমি ওকে দেখে ভয়ংকরভাবে কেঁপে উঠলাম। একটা চকচকে ছবি বহুদিন স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রেখে দেওয়ার পর যেমন ম্লান হয়ে ওঠে, ওকে দেখে ঠিক তেমন কিছু মনে হচ্ছিল। ক্লান্ত, অসুস্থ। যেন দীর্ঘ যুদ্ধের পর এক পরাজিত সৈনিক। ওর আচরণও ছিল এলোমেলো, কথা যাচ্ছে জড়িয়ে। মাথায় চুল নেই। চোখের কোলে গাঢ় দাগ। ওকে দেখে মনে মনে আমি নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছিলাম। একজন প্রাণবন্ত মানুষের এ কী অবস্থা? চৈত্রের খরায় যেভাবে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় আমার তেমন এক ধরনের অনুভূতি হচ্ছিল। আমার ভাই বিচিত্রভাবে নিজের ঠোঁট নাড়িয়ে জানাচ্ছিল যে, ডাক্তাররা বলেছেন ওর অবস্থা বেশ ভালো। পেছনে বসে বিষণ্ণভাবে মাথা নাড়ছিলেন আমার মা। এই কথোপকথন আমি আর নিতে পারছিলাম না, কোনোক্রমে কাজের বাহানা দেখিয়ে কল কেটে দিয়েছিলাম। এর পরের কিছুদিন আমি আর স্বাভাবিক থাকতে পারিনি। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করত পৃথিবীতে যাদের আমার মতো এতকিছু নিয়ে ভাবতে হয় না, তারা ঠিক কতটা সুখী! তাদের জন্য জীবন কতটা সহজ? বিছানা থেকে নেমে চুলা ধরাতে আমাকে নিজের সাথে যে যুদ্ধ করতে হবে আমি কি সেটা কোনোদিন কাউকে বোঝাতে পারব? মনে হয় না। আমার সাথে আমার প্রেমিকের শেষ ঝগড়ার রাতেও আমি পারিনি। জবুথবু হয়ে নিজের খোঁয়াড়ের মধ্যে বাস করা বাদে আমার সম্ভবত আর কিছু করার নেই। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থেকে নিজের চেকলিস্টের পাশাপাশি কখনো আমার কাজিন আর কখনো আমার প্রেমিককে আমি ভাবতাম। এভাবেই আমার দিনগুলো শেষ হয়ে যাচ্ছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    বাংলা বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    তবে নতুন বছরের প্রথম দিন শুরু হলো ভিন্নভাবে। খুব ভোরে, আলো ফোঁটার আগে আমার ভাই মারা গেল। আমার মা আগেই জানিয়েছিল ডাক্তাররা বলেছেন, তাদের দিক থেকে আর কিছুই করার নেই। আর মাত্র অল্প কিছুদিন হয়তো বাকি আছে। আমার মোবাইলের গ্যালারিতে আমার ভাইয়ের সাথে যাওয়া নিউ ইয়ার পার্টির বেশ কিছু ছবি ছিল। ওর মৃত্যু-সংবাদ পাওয়ার পর আমি বিছানায় শুয়ে থেকেই মোবাইল গ্যালারি থেকে সেই পার্টির ছবিগুলো বের করে দেখতে শুরু করলাম। তখন আমার বাবা-মা আমাকে অনবরত কল করছিল, আমি জানতাম কলটা ধরলেই তারা আমাকে হাসপাতালে ডাকবে। তাই ফোনে অ্যারোপ্লেন মোড দিলাম। এরপর আবার শুরু করলাম ছবিগুলো দেখতে। সব ছবিতে ও হাসছে কিংবা বিচিত্র মুখভঙ্গি করছে। আমি বুঝতে পারলাম, আমি ওর মৃতদেহ দেখতে চাই না, এমনকি শেষ ভিডিও কলটাও স্মৃতি থেকে মুছে ফেলতে চাই। মনে রাখতে চাই ছবির উচ্ছল চেহারাটুকু। মনে রাখতে চাই আমি শেষ যে পার্টিটায় গিয়েছিলাম সেখানে ও ছিল আমার সাথে।

    আমি ভেবেছিলাম, বছরের প্রথম দিন থেকে আরেকটু নতুন করে সব শুরু করব। বেশ কিছু পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মৃত্যু-সংবাদটার জন্য সকালের অনেকটুকু সময় ব্যয় হয়ে গেল। দুপুরের দিকে আমি বিছানা থেকে উঠতে গেলাম, সাথে সাথেই মাথা ঝিমঝিম করে উঠল। চারপাশটুকু কেমন অন্ধকার ও ঘোলাটে। যেন অচেনা কোনো করিডরে আমি বিভ্রান্তের মতো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিজের ঘরের দরজা খুঁজে যাচ্ছি। আর হারিয়ে যাচ্ছি অন্য কোনো জগতে। ঘোরলাগা দৃষ্টিতে আমি চারদিকে তাকাতে চেষ্টা করলাম। এত গুমোট অন্ধকার, এর মাঝে মোবাইলের স্ক্রিনের আলোটা এত তীব্র কেন? সেই তীব্র আলোয় বিছানা, দেয়াল সব সাদা। বিছানার সাথে ছোট্ট মনিটর, অজস্র তার। যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়? আমি ভয়ে কেঁপে উঠে, শ্লেষ্ম জড়ানো কণ্ঠে সর্বশক্তি দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে করুণ আর্তনাদটা করতে চাইলাম। কিন্তু কোথাও কোনো শব্দ হলো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }