Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধ্যরাত শেষ হতে কিছু সময় বাকি

    দেয়ালের দক্ষিণ কোনার তারকাঁটাটা নড়বড়ে অবস্থায় কোনোরকমে দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো দিন খুলে আসবে। রেবেকা রান্নাঘর থেকে মসলা বাটার শিল নিয়ে আসে। তারপর তারকাটাটি সোজা করে দেয়ালে গেঁথে দেওয়ার জন্য আস্তে আস্তে বাড়ি দিতে থাকে। ঠকঠক শব্দ হচ্ছে। তারকাঁটার দুপাশেই দেয়াল। সেখানে শিলের মাথাটুকু ভালো করে পৌঁছাচ্ছে না। তাও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে। যতটা সম্ভব সাবধানে, যেন আঙুলে ব্যথা না লাগে। রাত বাড়ছে। দূরে কোথাও ঝিঁঝি পোকার একঘেয়ে ডাক থেকে থেকে ভেসে আসছে। ভ্যাপসা গরম। কোনো বাতাস নেই। মাথার ওপরে যে পাখা চলছে কেউ বুঝতে পারবে না। খাবার ঘর থেকে খুটখাট শব্দ হচ্ছে। নিশ্চয়ই চম্পার মা, রাতের খাবার খেয়ে বাদবাকি সবকিছু গোছাতে শুরু করেছে। কিছু খাবার কি বাইরে রেখে দেওয়া উচিত? সে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকে। দরদর করে ঘাম ঝরছে শরীর থেকে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই গোসল করতে হবে। না করলে হবে না। এই গরমে নিজের নিশ্বাসও আগুনের তাপের মতো মনে হচ্ছে। ঝিঁঝি পোকার ডাকের সাথে একটা রাতজাগা পাখি করুণ সুরে ডেকে ওঠে হঠাৎ। রেবেকা ওড়নার এক প্রান্ত দিয়ে কপালের ঘাম মোছে। আজকাল মশারি টাঙাতে গিয়েই এত ক্লান্ত কেন লাগে? মনে হয় সারাদিনের সবচেয়ে বিরক্তিকর কাজ এটি। অথচ একটা সময় নানুবাড়ি গেলে সবার ঘরের মশারি সেই টাঙিয়ে দিত। প্রতিঘরের মশারি টাঙিয়ে এক টাকা করে পেত। এখন মনে হয় এই ক্লান্তিকর কাজের জন্য কেউ পঞ্চাশ টাকা দিলেও সে রাজি হবে না। দেয়ালঘড়ির দিকে তাকায় সে। ঘড়িটা বন্ধ হয়ে আছে বহুদিন। ব্যাটারি দেওয়া হয়নি। বিকেল চারটা পাঁচ বেজে থেমে আছে। তাও ভালো সারা দিনে দুবারের জন্য হলেও তো ঘড়িটি ঠিক সময় জানায়। প্রতিদিন অন্তত দুবার তো চারটা পাঁচ বাজে।

    ঘড়ি থেকে চোখ সরিয়ে আবার তারকাটা সোজা করে গাথার চেষ্টা করতে থাকে। পারা যায় না, বরং শিলের চাপে হালকা বাঁকা হয়ে যায়। রেবেকা সেভাবে রেখেই মশারির শেষপ্রান্তটি আটকে দেয়। বিছানা থেকে নেমে এসে বসার ঘরে যায়, আম্মা টেলিভিশন দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে গেছেন। সে ক্ষীণস্বরে ডাকে, আম্মা ঘুমাতে আসুন। আম্মার ঘুম পাতলা। নিমিষেই চটে যায়। গায়ের ম্যাক্সি আর ওড়না ঠিক করতে করতে তিনি রেবেকার হাতে ভর দিয়ে দাঁড়াতে চেষ্টা করেন। তাঁকে সাবধানে ধরে এনে বিছানায় শুইয়ে দেয়। বাতি নিভিয়ে দেয়। বাইরে থেকে তোশকের নিচে মশারি খুঁজে চলে আসার সময় আম্মা বললেন, আমার বালতি রাখছিস?

    রেবেকা নিঃশব্দে বাথরুমে চলে যায়। কল ছেড়ে ছোট একটি নীল বালতিতে অল্প একটু পানি নেয়। তারপর ফিরে এসে খাটের নিচে মাথার কাছে রেখে দেয়। আম্মার এসিডিটির সমস্যা আছে। রাতে অল্প বমি করলে আর বাথরুমে যান না। বালতিতেই ফেলে দেন। সে চলে যাবে এমন সময় আবার আম্মার স্বর ভেসে এলো,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Library
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    পানির বোতলটা রাখছিস?

    জি

    আর এসিডিটির ওষুধটা?

    সেটাও রাখছি।

    তসবিহ?

    হুঁ।

    একশত দানা আর হাজার দানা দুইটাই রাখছিস?

    রেবেকা হালকা নিশ্বাস ফেলে বলে, হাজার দানাটা বসার ঘরে আছে, নিয়ে আসতেছি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা গল্প
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস

     

    হাজার দানার তসবিহ রাখার পরে তিনি বলেন, কপালে একটু বাম লাগায়ে দে। মাথা চিন চিন করতেছে। রেবেকা ড্রয়ার থেকে বাম নিয়ে এসে অন্ধকারেই মশারির ভেতরে গিয়ে বসে।

    মশারির ভেতরে পুরা আয়। মশা ঢুকব তো। আম্মার কণ্ঠে বিরক্তি। সে মশারির ভেতরে পা গুটিয়ে নেয়। তারপর হাতের তর্জনীতে অল্প একটু বাম নিয়ে কপালের চারপাশে ঘড়ির কাটা এবং উলটো ঘড়ির কাঁটার মতো করে লাগিয়ে দেয়। হালকা আরামে আম্মা উহ-আহ শব্দ করেন। বিড়বিড় করে সুরা পড়েন। রেবেকা মিনিট তিনেক কপাল টিপে দিয়ে চলে আসে। আম্মা এখন ঘুমিয়ে যাবেন দ্রুত। আর চিন্তা নেই। বসার ঘর বাদে আর কোথাও আলো জ্বলছে না। আলো-আঁধারির মায়াজালে ডুবে আছে এ বাড়ির বাকিসব বিবর্ণ ঘর। রেবেকা খাবার ঘরের জানালা খুলে দেয়। বাইরের বাতাসে ধুলার ঘ্রাণ। কেমন যেন গুমোট হয়ে আছে চারদিক। প্রচণ্ড ঘামে বুকের মাঝটুকু ভিজে একাকার হয়ে আছে। জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকায় সে। বড় বড় সাদা মেঘ জাহাজের মতো ভেসে যাচ্ছে আকাশে। এত এত মেঘ, অথচ কোনো বাতাস নেই কেন? আজ কি তা হলে মাঝরাতে ঝড়-বৃষ্টি হবে? চাঁদ কি উঠেছে? দেখা যায় না। তবু কেমন যেন একটা হালকা অপার্থিব আলো চারপাশে। জানালা গলে সেই হালকা আলো মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে আলো-অন্ধকারের ছায়া মিলিয়ে কেমন যেন একটা নকশা হয়ে যায়। যেন একটা অচেনা ফুল, এখনই সুবাস ছড়াবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    রেবেকা পায়ে পায়ে হেঁটে রান্নাঘরে যায়, চম্পার মা বিছানা করে শুয়ে পড়েছে। লম্বা আর গভীর নিশ্বাস ফেলছে। বেচারিকে খুব ভোরে উঠতে হবে। তারপর চার বাড়ি ছুটা কাজ করতে হবে। এভাবেই চলে সপ্তাহের ছয়দিন। সাত নম্বর দিনে শুধু সে আধাবেলা কাজ করে বাকি দিন বিশ্রাম নিতে পারে। কষ্টের জীবন। রেবেকা রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে এসে শেষপ্রান্তে রাখা বেসিনের কল ছেড়ে দেয়। বড় বড় পানির ঝাঁপটা দিয়ে মুখ ধুতে থাকে। ঠান্ডা পানির প্রলেপ এসে জলরঙের মতো ক্লান্তি সরিয়ে দেয়। ভাগ্যিস ছাদের পানির ট্যাঙ্কটা এমন জায়গায় আছে যেখানে পাশের বাড়ির দেয়াল আর মস্তবড় বটগাছের জন্য রোদ পড়ে না। সে জন্যই পানি ঠান্ডা থাকে। তা না হলে এই পানিও উত্তপ্ত হয়ে যেত।

    হঠাৎ চারপাশ কেমন যেন নিশ্চুপ হয়ে যায়। রেবেকা ভেজা মুখ তোয়ালে দিয়ে মোছে না। ভেজা রেখেই কল বন্ধ করে দেয়। বসার ঘরে আলো জ্বলছে। আর থেকে থেকে ফিসফাস কথার শব্দ আসে। পায়ে পায়ে হেঁটে যায় সে, গিয়ে দেখে রাবিতা কানে ইয়ারফোন দিয়ে কারো সাথে কথা বলতে বলতে হাসছে। তাকে দেখেই অপ্রস্তুত হয়ে বলে, ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেছে। এই জন্য তোমার ঘর থেকে এ ঘরে এলাম। কালকে একটা কুইজ আছে বলে টিনার সাথে কথা বলছি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই ডাউনলোড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ভাষা
    Library
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    রেবেকা কিছু বলতে গিয়েও বলে না। এ বাসায় শুধু দুইটি ঘরে আইপিএস আছে। বসার ঘরে আর খাবার ঘরে। বাকি কোনো ঘরে নেই। আম্মার ঘরে শুধুই ফ্যান চলে। বাতি নেই। লোডশেডিং হলে তাই বাকিসব ঘরগুলো জমাট অন্ধকারে ডুবে থাকে। রান্নাঘরে আছে একটা চার্জার। যা চম্পার মার কাছেই থাকে। খাবার ঘরের বাতিটা আজকাল প্রায়ই টিমটিম করে জ্বলে-নেভে। তাই এমন অবস্থায় বসার ঘরই সম্বল। রাবিতাকে দেখে যদিও মনে হয় না টিনার সাথে কথা বলছে। কিন্তু তার ইচ্ছে করে না আগ বাড়িয়ে খতিয়ে দেখতে। জটিলতা বাড়িয়ে লাভ কী? পাশের বাড়ি থেকে ছোট্ট শিশুর কান্নার শব্দ ভেসে আসে। এতরাতে জেগে আছে কেন কে জানে? নাকি ঘুম ভেঙে গেছে?

    রাতের খাবার খাওয়া হয়নি। পেটের ভেতর খিদে আছে কিন্তু কিছুই খেতে ইচ্ছে করছে না। এরচেয়ে গোসল করে ফেলা যাক। নিজের ঘরে গিয়ে অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে কাপড়ের ড্রয়ার খোলে। কোনোমতে আন্দাজ করে একটা আরামদায়ক কামিজ-সালোয়ার বের করে নেয়। কাপড় ও তোয়ালে নিয়ে বসার ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আবার রাবিতার হাসির শব্দ ভেসে আসে। রেবেকা ঘরে উঁকি দেয়। রাবিতা কান থেকে ইয়ারফোন সরিয়ে বলে, কিছু বলবে?

    আমি গোসল করতে যাচ্ছি। আম্মার যদি ঘুম ভেঙে যায়, যদি আমাকে ডাকে, তুই খবর নিস।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    PDF
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    কথা শুনে রাবিতা কোনো উত্তর না দিয়ে ঘাড় বাঁকা করে কেমন যেন একটা ভঙ্গি করে। বাড়ির পাশ দিয়ে একটা বড় মাইক্রোবাস যাওয়ার জন্য মোড় নেয়। তার তীব্র হেডলাইটের আলো বাসার ভেতর চলে আসে। আধখানা একটা মোমবাতি জ্বালায় রেবেকা। তারপর বাথরুমে চলে যায়। পাঁচ টাকা দামের দুর্বল মোম। বারকয়েক চেষ্টা করার পরেও বেসিনের পাশে আটকে রাখা যায় না। বাধ্য হয়ে ব্রাশ-পেস্টের ঝুড়ির মধ্যে কোনোরকমে মোমটাকে আটকে রাখে। অদ্ভুত এক মরা আলোয় ভরে ওঠে স্যাঁতসেঁতে বাথরুমটা। সে জানে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আম্মার ঘুম ভেঙে যেতে পারে। তারপর তিনি রাবিতাকে না ডেকে তাকেই ডাকবেন। রাৰিতা সেই ডাক শুনেও না শোনার ভান করে বসে থাকবে। এক পর্যায়ে আম্মা রাতের সব নৈঃশব্দ্য খান খান করে জোরে জোরে ডাকবেন এবং কারো সাড়া পেলেই গালাগালি শুরু করবেন। তাকে দ্রুত গোসল সারতে হবে। একবার যদি আম্মা জেগে ঠিকমতো সাড়া না পান, এ নিয়ে উনি বাকি রাত কথা বাড়াবেন। এক সময় হয়তো এটাই বলবেন, সে তখন মশারির ভেতরে পুরোপুরি বসেনি বলে মশা ঢুকেছে। সে জন্যই উনি ঘুমাতে পারেননি। উনি আগেই জানতেন রেবেকা মায়ের জন্য যত্ন নিয়ে বিছানা গোছায় না। আসলে আম্মা আগের-পরের সবকিছুর সাথে যোগসূত্র জুড়ে দিতে সক্ষম। হয়তো চম্পার মা একটা গ্লাস ভেঙে ফেলল। উনি সাথে সাথেই বলবেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটবে আজ। সারাদিন মন্দ কিছু না ঘটলে দেখা যাবে রাতে উনি নিজেই খাটে বসতে গিয়ে কাঠে ধাক্কা খেয়ে কোমরে ব্যথা পেয়েছেন। সে ঘটনা নিয়েই চম্পার মাকে আর গ্লাস ভাঙার ঘটনা নিয়ে শাপশাপান্ত করবেন। আম্মার খাটটা তুলনামূলকভাবে বেশ উঁচু, সেকেলে একটা খাট। নানাভাইয়ের বানিয়ে দেওয়া। বহুদিন সে বলেছে খাট বদল করে তাদের ঘরেরটা নিতে। আম্মা রাজি হননি। সেই খাটই উনি রাখবেন। দুর্ঘটনা ঘটাতে ইচ্ছে হলে বার বার উঠতে গিয়ে হাঁটুতে বা কোমরে ব্যথা পাবেন তবু নিজের জেদ ছাড়বেন না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বই
    Library
    বিনামূল্যে বই

     

    রেবেকা মগভর্তি পানি নিয়ে ঝুপ ঝুপ করে মাথায় ঢালতে থাকে। ঝরনা ছাড়তে পারলে ভালো হতো। কিন্তু ঝরনাটা আগের মতো ভালো নেই। বেশি পানি বের হয় না। অল্প অল্প করে পানি পড়ে। গোসল করে শান্তি পাওয়া যায় না। ঠিক করাবে করাবে ভেবেও করা হয়নি। গরমে, উত্তাপে ডুবে থাকা শরীরে ঠান্ডা পানি আলোড়ন সৃষ্টি করে। প্রশান্তি ছড়িয়ে যায়। হঠাৎ টুং করে শব্দ হয় বাইরে। কলিংবেল বাজল কি? নাকি শোনার ভুল? নাকি পাশের বাড়ির বেড়ালটা আবার এসে কিছু ফেলে দিয়েছে। আর পারা গেল না। দ্রুত অল্প কিছু পানি ঢেলে পোশাক বদলে রেবেকা বের হয়ে এলো। বসার ঘর বাদে এখনও সারাবাড়ি অন্ধকার। তোয়ালেতে ভেজা চুল জড়িয়ে সে আম্মার ঘরে যায়। আম্মার বিছানা থেকে হালকা নিশ্বাসের শব্দ আসছে। নিশ্চিন্ত হয়। এই মানুষটা জেগে থাকলে কেন যেন পৃথিবীটাকে খুব ভারী মনে হয়, মনে হয় যেন একটা ভীত হরিণ এসে তার বুকের মধ্যে প্রাণপণে আশ্রয় খুঁজছে। অচিন বনের মতো শূন্যতা কাজ করে মনে। আম্মা কী চান আসলে? রোকেয়া আপার মতো সেও যদি স্বামীর মার খেয়ে খেয়ে শ্বশুরবাড়িতে পড়ে থাকত তা হলে কী উনি খুব আনন্দিত হতেন? আপোস করলে সবাই ভালো, আর আপোস করতে না পারলেই খারাপ? রোকেয়া আপা তো স্কুলে শিক্ষকতা করে, শিশুদের নীতিবাক্য শেখায় তারপর মাস শেষে সবটুকু বেতন তুলে দেয় স্বামীর কাছে। শ্বশুরবাড়ির নানা অপবাদ শোনে, ঝগড়া হলে স্বামীর মার খায় তবু পড়ে থাকে সেখানে। আম্মাকে দেখতে আসতে পারে না প্রায় বছর তিনেক হলো। অথচ এখান থেকে খুলনার দূরত্ব কত? বছর তিনেকের ব্যবধান হওয়ার মতো কি? তবু প্রথম সন্তান রোকেয়া উনার দৃষ্টিতে ভালো। নামের মতোই মহান নারী। যে নারী সংসারের মর্ম বোঝে। পরিবার নামের ফুলবাগানে যে ভেতরে ভেতরে রক্তাক্ত গোলাপ হয়ে গেলেও বাইরে স্নিগ্ধ হলুদ-সাদা ফুল হয়ে সুবাস ছড়ায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    PDF

     

    রোকেয়া আপার নামটা আব্বার দেওয়া। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে। তার নামটিও আব্বারই দেওয়া। তবে কোনো মহান ব্যক্তিত্বের সাথে মিলিয়ে নয়, বরং শুধুই বড় আপার নামের সাথে নাম মিলিয়ে। একমাত্র রাবিতার নাম আম্মা দিয়েছিলেন। স্কুল পেরিয়ে অবশ্য সে নিজের নামের সাথে মিলিয়ে বিখ্যাত চরিত্র খুঁজে পেয়েছিল। আলফ্রেড হিচককের সিনেমার চরিত্র, রেবেকা। যদিও বাসার কাউকে সেটা বলতে পারেনি। বড় আপার মতো কখনো হতে চায়নি সে। হতে পারবেও না। আর তাই তো মহসিন যেদিন প্রথম গায়ে হাত তুলল সেদিনই সে বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে চেয়েছিল। তারপর বাধা পেয়ে থেকে গিয়েছিল। সারারাত বসে ছিল বারান্দায়। পতঙ্গের মতো সেঁটে ছিল দেয়ালের সাথে। নিজের নিশ্বাসে নিজেকেই বার বার ছুরিকাঘাত করছিল। মাছের মতো নিষ্পলক হয়ে যাচ্ছিল সময়। কাটছিলই না। এভাবে আরও কিছুদিন গেল। এরপরের বার অবশ্য সরাসরি গায়ে হাত তোলা ছিল না। তুমুল ঝগড়ার মাঝে একটা আচমকা ধাক্কা এসেছিল অপরজনের থেকে। রেবেকা তাল সামলাতে পারেনি। হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল শক্ত মেঝেতে। এরপর শুরু হলো, সন্দেহ সন্দেহ খেলা। যাদের হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায় তারা কি আর কোনো কিছুতে থামে? সেই সন্দেহ সন্দেহ খেলায় তাই মহসিন নিজেই পরাজিত হলো। এক গোপন বাক্স থেকে বের হলো ছবি, হোটেলের টিকেট। সেদিন প্রশ্ন তুলতেই মহসিন পালটা আক্রমণ করেছিল। একটা চড় সশব্দে। এড়াতে পারেনি রেবেকা। তবে নিজেও আর চুপ করে থাকেনি। কোনো এক বিচিত্র উপায়ে সারা শরীরে সেদিন। ওর আগুন জ্বলে উঠেছিল। যেন সে একটা মশাল কিংবা বারুদ, জ্বলছিল সে নিয়ত। ঠিক কতগুলো আঘাত মহসিনকে করতে পেরেছিল মনে নেই ঠিক। কিন্তু এটা দিব্যি মনে আছে স্তম্ভিত মহসিন আঘাত করা তো দূরের কথা, বাধা দিতে পর্যন্ত ভুলে গিয়েছিল। কোনোদিন কল্পনাও করেনি নিজের স্ত্রী এমন করতে পারে। আর রেবেকা? সে তখন থেকে থেকে স্বামীকে আঘাত করছিল আর অচেনা এক পথ খুঁজছিল। ফেরার কিংবা হারিয়ে যাওয়ার। একটা অচিন শাড়ির আঁচল ফেলে চলে এসেছিল সে। যে আঁচলে আর কোনোদিন তার এই সত্তা বাঁধা পড়বে না। আম্মা ঘুমের ঘোরে কাকে যেন বিড়বিড় করে গালি দিলেন। তারপর পাশ ফিরে আবার শুয়ে পড়েন। রেবেকা নিঃসাড় দাঁড়িয়ে রইল। তার বিরুদ্ধে মহসিন ও তার পরিবারের দেওয়া মামলা চলছে। এতে তার নিজের কিছু যায় আসে না কিন্তু এই পরিবারের অনেক চিন্তা। আম্মার ভাষ্যমতে অনেক বড় পাপ আর অন্যায় করে এসেছে সে। অপবাদ তার প্রাপ্য। তার জন্যই পরিবারের পতন ঘটছে। অথচ পতন শুরু হয়েছে বহু আগেই। বেদনার নীল আকাশ ছড়িয়ে পড়েছে বহু বছর থেকেই। রোকেয়া আপাকে যখন পড়া শেষ করতে না দিয়েই বিয়ে দেওয়া হলো। যখন তাকে মেডিকেলের ভর্তি কোচিংয়ে না দিয়ে বিউটি পার্লারের কাজ শিখতে পাঠানো হলো। উপার্জন বাড়াতে হলে শিক্ষা বাড়াতে হয় এই জ্ঞানটুকু যদি আরও আগে থেকে থাকত তাদের, তাহলে হয়তো সময়টা অন্যরকম হতো। এই ছায়াঘেরা পুরোনো বাড়ি, একলা চাঁদ, মলিন জীবন, মরচে পড়া জীবনের হাহাকার শুনতে হতো না। যেমন চম্পার মাকে বেতন দেওয়া হয় না বহুদিন। দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই। তাই সে থাকা আর খাওয়ার বিনিময়ে রয়েছে। বাইরে চারটি বাড়িতে ছুটা কাজ করে উপার্জন করে, এরপর গ্রামে টাকা পাঠায়। থাকা-খাওয়ার বিনিময়ে এ বাড়ির অল্প কিছু কাজ করে দেয়। যেটুকু না করলেও চলে। সে চলে যেতে পারে, তাকে রাখার মতো এ বাড়ির অবস্থা চলে গেছে বহু আগেই। আব্বার নীরব মৃত্যুর পরেই। তবু কী এক অচেনা মায়ায় মানুষটা পড়ে আছে। মাসের শেষে যখন বাজার থাকে না ঘরে, রাবিতার কলেজের বেতন দেওয়ার সময় চলে আসে, বাড়ির গ্যাস, পানি, আলোর বিল বাকি পড়ে, তখন মাঝে মাঝে আম্মা হুট করে অবুঝের মতো বড় মাছ কিংবা শিং মাছের সাথে তিতাশাকের ঝোল খেতে চান। রেবেকার তখন দুচোখে পৃথিবী তলিয়ে যায়। ঝড়ে দুলে ওঠা ঝাউবনের মতো হাহাকার ওঠে অন্তরে। অতি সন্তর্পণে তখন চম্পার মা কাজ শেষে সন্ধ্যা করে বাড়ি ফেরার পথে বাজার থেকে অল্প কিছু শিং মাছ কেনে। দূরের মিয়াবাড়ির বাগানে গিয়ে মুঠোভরে তিতাশাক নিয়ে আসে। তারপর কাউকে কিছু না জানিয়ে বেঁধে ফেলে। রেবেকা জানে না এই অনুভূতির নাম কী? কৃতজ্ঞতা, করুণা নাকি ভালোবাসা। তবে শেষের শব্দটাই বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে। যদিও রাবিতা বলে, এই সময়ে একঘরের ভাড়ার যা দাম, তার কিছুই তো খরচ করতে হয় না এই মহিলাকে। সেই সাথে একবেলার খাওয়া আর নিরাপত্তা পাচ্ছে। এই সুবিধা পাবে কোথায়?

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    বই
    অনলাইন বই

     

    রেবেকা পা টিপে টিপে আম্মার ঘর থেকে চলে আসে। কেন যেন তার মনে হয় মহসিনের প্রতারণা বা আঘাতও তাকে অতটা দুর্বল করতে পারেনি যতটা তার আম্মা বা রাবিতার সামনে গেলে লাগে। কেন এমন হয়? কাছের মানুষদের কাছেই নাজুক আর একলা হয়ে যেতে হয়! খুট খুট করে শব্দ হয় আবার কোথাও। বিদ্যুৎ আসেনি এখনও। ভেজা ভোয়ালেটা খাবার টেবিলের চেয়ারের ওপর মেলে দিয়ে রেবেকা মূল দরজার কাছে চলে আসে। দরজায় আবার হালকা খুট খুট শব্দ হচ্ছে।

    কে?

    আমি… চাপা স্বর ভেসে আসে।

    আমি কে?

    আপা, দরজা খোল। রেবেকা দরজা খুলে দেয়। বসার ঘর থেকে রাবিতা ছুটে আসে। বাইরে একরাশ অন্ধকারের মাঝে খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রক্তিম। রাবিতা দাদা বলে রক্তিমের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রক্তিম ঘরের বাইরে দাঁড়িয়েই রাবিতাকে এক হাতে শক্ত করে আগলে রাখে আর রেবেকার দিকে তাকিয়ে বলে, ভালো আছিস?

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    Books
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    বুকের মধ্যে মেঘের গুরুগুরু আর চোখের পাতায় বিষাদ নিয়ে রেবেকা খোলা দরজার এক পাশে সরে যায়। এই গুমোট, বন্ধ আবহাওয়ায় কোত্থেকে যেন মিষ্টি বাতাস বয়ে যায়। রাতের আকাশকে ঘুলঘুলি বানিয়ে চকমকে কিছু তারা কৌতূহল ভরে উঁকি দেয় যেন। রেবেকার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে।

    এখনও লোডশেডিং বাড়ি ছেড়ে যায়নি। তাই বসার ঘরের সেন্টার টেবিলে খাবারগুলো রাখতে হয়। আয়োজন খুব বেশি না। ছোট ছোট বাটিতে সবজি ভাজি, দুটুকরা মুরগির মাংস, ডিমের তরকারি আর ভাত। রেবেকা মনে মনে নিজেকে ধন্যবাদ দেয়। ভাগ্যিস রাতে সে খায়নি। তাই তো এখন খাবারগুলো দেওয়া গেল। রক্তিম আসায় চম্পার মা মধ্যরাতে বিছানা গুটিয়ে আম্মার ঘরে ঘুমাতে যায়। অন্য রাত হলে আম্মা এর মাঝে দু-তিনবার জেগে যেতেন। আজ কী হলো কে জানে, এখনও ঘুমাচ্ছেন। রক্তিম হাত-মুখ ধুয়ে খেতে বসে। ফর্সা চামড়া রোদে পুড়ে তামাটে হয়েছিল বহু আগেই। এখন সেই তামাটে রঙের ওপরেও কালচে প্রলেপ পড়ে আছে। গা-ভর্তি তামাকের চাপা গন্ধ। একটা চেকশার্ট আর জিনস পরে আছে। চুলগুলো পেছন দিয়ে সুন্দর করে কাটা। সামনে ঈষৎ এলোমেলো। ভাত খাচ্ছে বড় বড় লোকমা নিয়ে। রাবিতা পাশে বসে বক বক করে যাচ্ছে কলেজে কী হয়েছে, এবার কোথায় ওদেরকে পিকনিকে নেওয়া হবে, কোন পরীক্ষায় সবচেয়ে বাজে গার্ড পড়ে, তার বান্ধবী নতুন কোন ফোন কিনেছে এসব। এত কথা তার সাথে কখনো বলে না রাবিতা। অথচ আজ রক্তিমকে দেখে যেন গল্পের পসরা সাজিয়ে বসেছে। খেতে খেতে রক্তিম বলে, আমাকে একটু চা বানিয়ে দিবি?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    রাবিতা ছুটে রান্নাঘরে চলে যায়। রেবেকা আড়চোখে দেখে মুঠোফোন আর ইয়ারফোনটা নিমিষেই কী অবহেলায় ফেলে চলে গেল রাবিতা। অথচ সে হাজার বলেও এই কাজ করাতে পারত না ওকে দিয়ে।

    আপা বসবি না একটু? কতক্ষণ থেকে দাঁড়িয়েই আছিস।

    রেবেকা মুখোমুখি চেয়ারে বসে।

    আমার ওপর অনেক রাগ করে আছিস?

    তুই কিংবা তোরা কি আমার ওপর রাগ করে আছিস? পালটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় রেবেকা।

    আর কারও কথা জানি না। তবে আমি রাগ করে নেই। কেন থাকব?

    তোরা কি আসলেও বিশ্বাস করিস আমি মহসিনকে ছুরি মেরে আহত করে ও বাড়ি থেকে চলে এসেছি?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    আমি বিশ্বাস করি না। কোনোদিন করব না। যদিও-বা করি, ভাবব তুই নিজেকে বাঁচাতেই এমন করেছিলি। আম্মার কথা বা আত্মীয়দের কথায় কান দিস না। চলে এসে ভালো করেছিস। আমি তো বাসায় থাকি না। আম্মা অসুস্থ, রাবিতার বাড়ন্ত সময়। কে দেখত এসব?

    কবে থেকে আবার বাসায় থাকবি তুই? এমন জীবন কি হওয়ার কথা ছিল তোর?

    খাওয়া থামিয়ে কিছুটা চুপ করে থাকে রক্তিম। তারপর প্লেটের অবশিষ্ট খাবারটুকু নিঃশব্দে খেয়ে নেয়। শূন্য থালায় আঁকিবুকি কাটতে কাটতে হঠাৎ কিছুটা আনমনা হয়ে বলে, এমন জীবন কি আমাদের কারো হওয়ার কথা ছিল, বল?

    রেবেকা ভেতরে ভেতরে অলিখিত এক পথের রেখা খুঁজতে থাকে। হয়তো কিছুটা ভাঙতেও থাকে। তার মনে হয় এই কথার উত্তর দেওয়ার চেয়ে নিঃশব্দে দরজার হুড়কো খুলে হাট খোলা দরজা রেখে অনেক দূরে কোথাও হারিয়ে গেলে ভালো হতো। কিংবা কোনো জলাশয়ের মাঝে নেমে শরীর ডুবিয়ে তলিয়ে গেলে হয়তো আরও ভালো হতো।

    কী হলো আপা? কথা বলবি না? তোকে কিন্তু আমি বলিনি, যেদিন শুনেছি তুই চলে এসেছিস আমি মনে মনে প্রচণ্ড খুশি হয়েছি। মনে হয়েছে যা আমি তোকে বলতে চেয়েছিলাম, তুই তাই করেছিস। এটুকু বলেই রক্তিম চুপ করে যায়। চুপ করে থাকে রেবেকাও। একটা নিঝুম ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। রান্নাঘর থেকে শুধু চায়ের কেতলির তপ্ত পানির শো শো বাতাস আর রাবিতার গুনগুন করা গানের শব্দ ভেসে আসে।

    আম্মার খুব ছেলে সন্তানের শখ ছিল। দুটো মেয়ের পর যখন এক পড়ন্ত বিকেলে টকটকে লাল সূর্যের মতো রক্তিম জন্ম নিল, আর তারস্বরে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি মাথায় তুলে ফেলল সেদিনের মতো আনন্দের দিন এ বাড়িতে খুব কমই এসেছে। এমনকি রাবিতার জন্য আরেকটি পুত্র সন্তানের প্রত্যাশাতেই হয়েছিল। সে কারণেই হয়তো তার জন্মের পর আশপাশের বাসায় মিষ্টি পর্যন্ত বিলানো হয়নি। এমনকি আকিকাও হয়নি ঠিকমতো। সব ভাই-বোনের মধ্যে রক্তিম ছিল আদুরে ও কোমল। এত কোমল তাদের মধ্যে আর কেউই ছিল না। রোকেয়া পর্যন্ত ছিল বেশি সচেতন। এত মার খেয়ে শুধু সংসার ও সন্তানের জন্য সে থেকে যায়নি। বরং এখানে ফিরে এলে যে অনিশ্চয়তার জীবন শুরু হবে সেই ভীতিটুকুই তার স্বামীর বাড়িতে রয়ে যাওয়ার শক্ত কারণ। রক্তিম সেখানে শিশুকাল থেকেই খুব

    স্পর্শকাতর। পাড়ার নেড়ি কুকুর মরে গেলে সে দাওয়ায় বসে ভরদুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাঁদত। সেই রক্তিমের মতো একজন কীভাবে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠে সব ভুলে রাজনীতি শুরু করে দিল কে জানে। এরপর শুধু দল আর দল, মিটিং, আচ্ছা, সম্মেলন, আরও কতকিছু। রেবেকার মাঝে মাঝে জানতে ইচ্ছে করে রক্তিম এসবের কী বোঝে? ওর চেয়ে বছর তিনেকের বড় হয়েও তো আজ পর্যন্ত বুঝতে পারল না সে।

    আপা, চাকরির খবর আছে কোনো?

    গত সপ্তাহে একটা ইন্টারভিউ ছিল। এখনও আর কিছু বলেনি। দেখি কী হয়।

    সব জায়গাতেই আসলে নেটওয়ার্ক লাগে রে। এবারের নির্বাচনটা যাক। আশা করছি তোর চাকরির জন্য কোথাও বলতে পারব।

    তোর সুপারিশ লাগবে না আমার।

    আমি নিজে করব কে বলল? এখনও সে সময় আসেনি আমার। বলব এক বড় ভাইকে। একটা প্রাইভেট ব্যাংকের এমডি উনি। একসময় তুমুল দল করতেন। এখনও করেন তবে প্রকাশ্যে আসেন কম। উনাকে বললে একটা ব্যবস্থা হবেই। এরপর যখন আমার নিজের অবস্থানটুকুও শক্ত হবে। তখন আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

    কবে শেষ হবে তোর এসব? কবে নিয়মিত বাড়ি থাকবি তুই? যেভাবে আছিস এটাকে কি থাকা বলে?

    আর অল্প কটা দিন। সময় বদলে যাবে। সামনেই তো নির্বাচন। দলটা ক্ষমতায় এলেই এতদিনের শ্রম সার্থক হবে।

    তোদের দল নিয়ে লোকে নানা কথা বলে। ভালো কথা তো কমই শুনি।

    সব দল নিয়েই ভালোমন্দ কথা থাকে। আমি এখন যাদের সাথে কাজ করছি তারা খুবই ভালো আপা। দেশ নিয়ে কিছু স্বপ্ন আছে, পরিকল্পনা আছে। অন্যদের মতো শুধুই নিজেদের উদরপূর্তি করার পরিকল্পনা করছে না এরা। দেখবি ভালো কিছু হবেই।

    রক্তিম হাত ধুতে খাবার ঘরে চলে যায়। বাতি জ্বালাতে চেষ্টা করে। বাতি টিম টিম করে জ্বলতে-নিভতে থাকে। টিউব লাইট না কিনলেও একটা একশ ওয়াটের বাতি লাগানো উচিত। নাহ! কালই লাগাবে। রাবিতা একটা বড় মগে চা নিয়ে আসে। এত রাত হয়েছে অথচ চোখে মুখে কোনো ঘুম নেই। বরং আনন্দের আভা ছড়িয়ে আছে।

    চা খাবি রাবিতা?

    খাব দাদা। আমার চাটুকু কেতলিতে আছে। তুমি মগটা নাও। আমি কাপে করে নিজের জন্য আনছি।

    আপার জন্য চা আনিসনি? রক্তিমের প্রশ্ন শুনে রাবিতা কিঞ্চিত থমকায়। অপ্রস্তুত হয়ে বলে, সে তো বলেনি।

    রাবেয়া গতিহীন স্বরে আলতো করে বলে, লাগবে না। এখন খেলে রাতে ঘুম হবে না।

    এ্যাই, দৌড় দিয়ে একটা কাপ নিয়ে আয় তো রান্নাঘর থেকে। আপা তুই আমার থেকে নিস।

    রাবিতা রান্নাঘরে চলে যায়। আগের মতো আর অত গরম লাগছে না। বসার ঘরের দুর্বল পাখাটা দিয়েই কাজ চালানো যাচ্ছে। কিন্তু চা খেলেই হয়তো আবার গরম লাগবে। রক্তিমকে কি আজ রাতটা তাদের ঘরে থাকতে বলা উচিত? ড্রয়িংরুমের খাটটা সে রাগ করে নামিয়ে ফেলেছিল কিছুদিন আগে। পাতলা তোশকটা ঠিকই দু-ভাজ করে সুন্দর চাদর দিয়ে বিছানো আছে কিন্তু খাট নেই। পা লম্বা করে আরাম করে শোয়া যাবে না।

    রক্তিম, আমাদের ঘরে গিয়ে খাটের ওপর আরাম করে বসবি? অবশ্য ও ঘরে আইপিএস নেই। জানালা খুলে দিলে বাতাস পাবি হয়তো। চাইলে এখানেও বসতে পারিস। ঘুমানোর সময় ও ঘরে চলে যাস। বসার ঘরে আমি আর রাবিতা ঘুমাব।

    আনমনা হয়ে কী যেন ভাবে রক্তিম। তারপর বলে, চল ও ঘরে গিয়ে বসি। খাটে পা তুলে বসে, চা খেতে খেতে তিনজন গল্প করব।

    রেবেকাদের ঘরের জানালাটা বেশ বড়। বলা যায় ঘরের একটা দেয়ালের পুরোটা জুড়েই জানালা। কেন এমন বিচিত্রভাবে এই ঘরের নকশা করা হয়েছিল কে জানে। অনেকটুকু আকাশ দেখা যায়। তবে বৃষ্টি এলে পুরোনো জানালা বন্ধ থাকলেও কাঁচের পাশ গলে বিছানায় পানি ঝরতে থাকে। সব জানালা খুলে দিয়ে হালকা অন্ধকারে ওরা তিনজন খাটে এসে বসে। রক্তিম জানালার কাছে চলে যায়। এরপর হালকা স্বরে বলে, একটা সিগারেট খেতে হবে। তোরা অনুমতি দিলে এখানেই খাব। নইলে বাইরে থেকে খেয়ে আসি। খাওয়ার পর অন্তত একটা না খেলে হয় না।

    দাদা, এখানেই খাও। যেতে হবে না কোথাও। অন্ধকারে দেখা তো যাবে না। রাবিতা কলকল করে বলে ওঠে।

    খা এখানেই। শান্তস্বরে বলে রেবেকা। তারপর নিঃশব্দে নেমে গিয়ে ঘরের দরজা টেনে দেয় যেন আম্মার ঘরে ঘ্রাণ না যায়। অন্ধকারে ঘরটাকে বড় অচেনা লাগে। সিগারেটের পোড়া ঘ্রাণ আর জোনাকপোকার মতো ছোট্ট আগুনের ওঠানামা দেখতে দেখতে বিষণ্ণতার ভাজ খুলে ফেলে রেবেকা। ইচ্ছে করে রক্তিমকে বলে কাপড় বদলে ঘুমাতে যা। কিংবা জিজ্ঞেস করে এভাবে রাতের পর রাত বাইরে থেকে কীভাবে বাঁচিস। কিছুই বলা হয় না। মনে পড়ে একটা শিমপাতার রঙের ফতুয়া ছিল রক্তিমের। পরলে এত সুন্দর লাগত। কতদিন হয়ে গিয়েছে ওর কাপড়গুলো আলমারি-বন্দি হয়ে আছে। মাঝে মধ্যে এসে ও কিছু নিয়ে যায়। এভাবেই চলছে। বাইরে থেকে হু হু করে বাতাস আসে। অনেক শীতল নয়, আবার খুব উষ্ণও নয়। হালকা ঠান্ডা, ভালো লাগে। রাবিতা থেকে থেকে হালকা শব্দ করে চায়ের কাপে চুমুক দেয়। ওরা তিন ভাই-বোনই কোনো অজ্ঞাত কারণে চুপ করে থাকে। রোকেয়ার কথা মনে পড়ে। সে এখন কী করছে? গভীর ঘুমে তলিয়ে আছে নাকি বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছে? আগে রেবেকাদের এই ঘরের পেছনে ছোট্ট লেকের মতো ছিল। ছোট ছোট মাছ পাওয়া যেত। আর সবুজ কচুরিপানায় ছেয়ে থাকত পানি। সেই পানিতে যখন কচুরিপানার ফুল ফুটত তখন মনে হতো পৃথিবীর সব রূপবতী পরি এসে ভর করেছে এখানে। মাঝে মাঝে দু-একটা শাপলা ফুটত। সাদা আর গোলাপি। বাতাসের কারুকাজে কাঁপত তির তির করে। এত ভালো লাগত।

    রাবিতা উশখুশ করছে। মনে হচ্ছে রেবেকা চলে গেলে তার আনন্দ লাগবে। দাদার সাথে গল্প করতে পারবে। এমন নিশ্চুপ সময় তার ভালো লাগছে না। রেবেকা কী বলবে ভেবে পায় না। চুপ করে থাকে। মনে মনে ভাবে আজ রাতে কেন আম্মার বার বার ঘুম ভাঙছে না?

    আমি আর আধ ঘণ্টা পর চলে যাব আপা। অন্ধকার থেকে হুট করে কিছু শব্দ ছড়িয়ে দেয় রক্তিম। ভেতরে ভেতরে চমকে যায় রেবেকা। রাতটুকুও থাকবে ্না ও?

    না দাদা, আজকে রাতে থাকতেই হবে। আমরা সারা রাত গল্প করব। রাবিতা একগুঁয়ে স্বরে বলে ওঠে।

    আজ নয় রে। সামনে বেশ কিছু জরুরি কাজ আছে। মাত্র মাস দুয়েক ব্যস্ত থাকব। এরপর আমি বেশ সময় পাব বাড়িতে থাকার। তখন দেখবি প্রতিরাতেই গল্পের আসর বসাব। লুডো খেলব, সিনেমা দেখব। খুব আড্ডা দেব।

    রাবিতা ঠিকমতো কথা শেষ করতে দিল না। আধ ঘণ্টা পর চলে যাবে শুনেই নানা কিছু নিয়ে কথা বলতে শুরু করল। রক্তিমও আগ্রহভরে উত্তর দিতে থাকে। রেবেকা ঘর থেকে বের হয়ে আসে। বাকিটুকু সময় রাবিতা নিক গল্প করুক প্রাণভরে। আবদার করুক। আব্বার পরে রক্তিম বাদে আর কাউকে সে সহ্য করতে পারে না, কারও সাথে নিজের মনের কথা বলে না। রক্তিমের মাঝেই সে আব্বাকে খুঁজে নিয়েছে। নিক। যে যেভাবে ভালো থাকে থাকুক। বাড়ির দরজা খুলে সে বাইরে মোড়া পেতে বসে। বাতি নিভে এসেছে আশপাশের সব বাড়িগুলোর। অন্ধকারে কিছুটা নিমগ্ন হতে চায়। আবার কবে আসবে রক্তিম। আবার কত রাত পর মধ্যরাতে দরজায় খুট খুট শব্দ হবে? বুদবুদ করে বাতাসে আবেগ ভাসবে? বিন্দু বিন্দু সুখ এসে ক্ষণিকের জন্য ভর করবে মনে? আবার কবে?

    আপা, একা বসে আছিস কেন? সিগারেট আর চা-পাতার মৃদু ঘ্রাণ মাখা রক্তিম এসে কখন দাঁড়িয়েছে টের পায় না সে।।

    একাই তো… কথা শেষ না করে চুপ হয়ে যায় রেবেকা।

    এই খামে হাজার পনের টাকা আছে। হাজার দুয়েক রাবিতার। বাদবাকি সব তুই বুঝে খরচ করিস। আপাতত এই দিতে পারলাম। নির্বাচন শেষ হোক। সময় বদলাবে।

    তুই… তুই অন্যায় কিছু করছিস না তো? অস্বস্তি নিয়ে বলে রেবেকা।

    কী বলিস আপা। আমাকে এমন মনে হয় তোর? ভুল কিছু করলে তোদর মুখোমুখি এভাবে বসে থাকতে কিংবা তাকাতে পারতাম? আজ যাচ্ছি। খুব জলদি আবার আসব।

    আম্মার সাথে দেখা করে গেলি না? উনাকে জাগাব?

    না, আজ নয়। আমাকে দেখলেই কাঁদবেন খুব। তখন চলে যাওয়াটা আরও কঠিন হবে। তারপর কিছুটা থেমে বলে, শোন, আসলে হাজার তিনেক টাকা আম্মার হাতেও তুলে দিস আমার নামে। বাদবাকি তুই রাখ সংসারের জন্য।

    সবটাই দেব উনাকে খুশি হবেন উনি। হালকা ভাঙা ভাঙা স্বরে বলে রেবেকা। রক্তিম চলে যাবে ভেবেই তার মনে হচ্ছে সে পাতালে চলে যাচ্ছে। আকাশ গলে যাচ্ছে বেদনায়। দরজায় রাবিতা এসে দাঁড়িয়েছে। রক্তিম চুপ করে আছে যেন অনুমতি পেলে বিদায় নেবে। পাশের বাসা থেকে বহুক্ষণ পর আবার শিশুকান্নার শব্দ তীক্ষ্ণভাবে ভেসে আসে। শিশুটা কাঁদছে অবিরত। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। একটা পুরুষ কণ্ঠ তাকে শান্ত করতে চাইছে। না পেরে বাধ্য হয়ে শিশুটিকে কোলে নিয়ে বাড়ির বারান্দায় চলে আসে। কান্নার সাথে সাথে মৃদু ছড়া বলার ছন্দ শুনতে পাওয়া যায়। ওরা তিনজন একই সাথে সেই বারান্দার দিকে তাকিয়ে থাকে।

    মধ্যরাতে ভোলা উঠানে উত্তরের বাতাসে অচেনা এক তৃষ্ণার ঘ্রাণ। ক্রমশ তীব্র হচ্ছে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }