Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মনিদ্র অন্ধকারে

    শিকাগো ট্রিবিউনে কাজ করা আমার এক সাংবাদিক বন্ধু ছিল। তার নিমন্ত্রণে সেখানের বিখ্যাত আর্ট মিউজিয়ামের বিশেষ একটা ছবি দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। যে ছবিটি সামনাসামনি দেখব বলে আমি অপেক্ষা করেছি অনেকগুলো বছর। মিউজিয়ামের দেয়ালে টাঙানো শত শত ছবির মধ্যে বিশেষ সেই ছবিটি খুঁজে বের করতে আমার অবশ্য বেশ কষ্ট করতে হলো। ছবিটি দূর থেকে দেখতে বেশ সাদামাটা। মৃদু আলো-ছায়া মেশানো ঘরে একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য একসাথে খাচ্ছে রাতের খাবার। একঝলক দেখে কে বিশ্বাস করবে এই ছবিটি নিয়েই বর্তমানে এত তোলপাড় চলছে বড় বড় আর্ট বিশেষজ্ঞদের মাঝে! কে বিশ্বাস করবে এই ছবির প্রকৃত শিল্পী রোমে জেগে থাকা সেইন্ট তেরেসার মতো কোনো দৈব অনুভূতিতে ছুটে গেছে অন্য এক অলৌকিক জগতে! তবে রোম থেকে নয়, বরং বাংলাদেশের এক নির্জন মফস্বল থেকে।

    দীর্ঘদিন পর যখন আমার সাংবাদিক বন্ধুর ই-মেইলটা আসে ততদিনে আমার এই আর্টিস্ট বন্ধুটিকে নিয়ে নানারকম কথার প্রচলন শুরু হয়ে গিয়েছে। সেইসব কথা, ধারণা ছড়াতে ছড়াতে হয়ে গেছে আকাশচুম্বী। শেষের দিকে এমন হতো যে ওকে নিয়ে উড়ে আসা বিচ্ছিন্ন কিছু খবর শুনে শুনে আমার নিজেকে প্রবোধ দিতে হতো, আমি যেন নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ না হারাই। কারণ ওকে আমি এককালে চিনতাম নিজের গায়ের ঘ্রাণের মতো করেই সহজভাবে। গম ও আখখেত পেরিয়ে যে নদীর পাশ থেকে আমরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতাম, সেখানে লেখা হয়ে থাকত আমাদের গল্প আর অদৃশ্য স্মৃতিচারণ। তবে আমি জানতাম, কোনো একদিন এমন সময় আসবে যেদিন সবকিছু আগের মতো করেই থাকবে, শুধু ও থাকবে না। আমার মনে কোথাও না কোথাও এই ধারণাটুকুও ছিল। কারণ ও ছিল একজন ম্যাজিশিয়ান।

    যেমন, একদিন দুপুরবেলা আমরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে শর্টকাট নিয়ে যখন নদীর পারে যাচ্ছিলাম, গমখেতের চারপাশ তখন রোদের আলো ও উষ্ণতায় রীতিমতো গলে গলে পড়ছে। একটা সুনসান নীরবতার মাঝে থেকে থেকে বাতাসের মৃদু শব্দ। এমন সময় পথের মধ্যে থেমে হঠাৎ করেই ও বলেছিল,

    এ্যাই, আমার চোখের দিকে দেখ।

    আমি সাথে সাথেই ওর চোখের দিকে তাকিয়েছিলাম। আর অবাক বিস্ময়ে দেখতে পেয়েছিলাম ওর চোখের মণিদুটা কোনো এক গভীর কুয়ার মতো কুচকুচে কালো। তবে চোখের ভেতরের ডিমের খোলসের মতো সাদা অংশটুকুতে আকাশের মতো খণ্ড খণ্ড মেঘ ভাসছে। আমি বিস্মিত হয়ে অস্ফুট একটা শব্দ করতেই ও চোখ বন্ধ করে ফেলল আর সাথে সাথেই মিলিয়ে গেল আকাশটা। ও এমনভাবে নদীর দিকে হাঁটতে শুরু করল যেন কিছুই হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন বই
    Library
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    আরেকবার বৃষ্টি শেষে স্কুল থেকে ফেরার সময় ও বলল,

    আমার কাঁধে কচ্ছপটা দেখতে কেমন লাগছে?

    আমি ওর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তখন অবিশ্বাসের সুরে বললাম,

    কই কচ্ছপ? তোর পিঠে তো স্কুলব্যাগ।

    ভালো করে দেখ। কচ্ছপ।

    এবার আমি আস্তে করে শুধু একটা শব্দ ছুঁড়ে দিলাম,

    চাপা।

    ও শব্দটা শুনেই ভীষণ মর্মাহত হতে মুখ কালো করে ফেলল। তারপর রাস্তার মাঝখানেই পিঠের ব্যাগ নামিয়ে, সেখান থেকে সমস্ত বইখাতা বের করে ব্যাগটা ছুঁড়ে দিল সামনের কাদাপানি ভরা সরু রাস্তায়। আমি দেখতে পেলাম ওর শ্যাওলা সবুজ ব্যাগটার দুপাশে গজিয়ে উঠেছে গোলাকৃতির চারটি পা। সেখানে আর কোনো ব্যাগ নেই, আছে নিষ্প্রভ সবুজ রঙের একটা ছোটখাটো প্রাণী। যে ধীরগতিতে একটু একটু করে এগিয়ে চলে যাচ্ছে ঘাসের ভেতর। আর অন্যদিকে আমার বন্ধুটি বইখাতা বুকে ধরে, ঘাড় হেঁট করে গম্ভীরমুখে হাঁটতে শুরু করেছে বাড়ির দিকে।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    Books
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বই

     

    ওর এই ম্যাজিকগুলোর কথা আমি কাউকে বলতে পারতাম না। কারণ আমি জানতাম, বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। যেমন কেউ বিশ্বাস করতে চায় না যে পাতার বাঁশি বাজালেই দুমুখো সাপ চলে আসে, নেকড়েরাও পোষ মানে, অমাবস্যার রাতে বাঘের দুধ খেলে অমরত্ব পাওয়া যায়, আর ফণীমনসাগাছ মাথার কাছে রাখলে দুঃস্বপ্ন আসে না। আমাদের মফস্বল শহরটা সবকিছুতেই নাকের ফুটার মতো দুটা আলাদা বিতর্ক সৃষ্টি করে উত্তেজনায় ফোঁসফোঁস করতে থাকত। এক দল সব অতিরঞ্জিত করে বিশ্বাস করত আর অন্য দল কিছুই বিশ্বাস করত না। আর বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে আমরা হাঁসফাঁস করতাম।

    ওর এবং আমার পরিবারের বন্ধুত্ব ছিল বহুবছরের। প্রতিবছর বার্ষিক পরীক্ষার পর আমাদের রেজাল্ট কার্ড নিয়ে পাশাপাশি বসে তুলনা করা হতো কে কত বেশি নম্বর পেয়েছে পরীক্ষায়। বলাবাহুল্য প্রতিবছরই এমন দিনের মুখোমুখি হওয়ার পর ও বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়ত। এরপর চুপচাপ বসে থাকত বাগানের এক কোণের শিউলি গাছের নিচে। ওখানেই ওর বড় ভাইকে কবর দেওয়া হয়েছিল। যার মৃত্যুশোক ভুলতে ওর বাবা-মা নিজেদের মৃত সন্তানের নামেই ওকে ডাকতেন। একদিন বিকেলে ওদের বাড়িতে গিয়ে দেখলাম ও মস্তবড় একটা সাদা কাগজে একমনে কী যেন করছে। আমাকে বলল, কবিতা লিখছে। কিন্তু সেই সাদা কাগজে কোনো কবিতা লেখা ছিল না। এমন কিছু সাংকেতিক শব্দ, ইঙ্গিত আর আঁচড় ছিল যা কিছুটা দূর দেখে একটা ছবির মতো মনে হচ্ছিল। একটা গাছ, উঁচু ঢিবি, লতাপাতা, ঘাস আর সম্ভবত আকাশের মতো একটা কিছু। পেন্সিলের অদ্ভুত আঁচড়গুলো দেখে মনে হচ্ছিল কেউ কাকের পালক ছিঁড়ে এনে এনে সমস্ত ক্যানভাস জুড়ে ছড়িয়ে রেখেছে আর এখনই পালকগুলো দিগ্বিদিক হারিয়ে তারস্বরে ডাকতে ডাকতে উড়তে শুরু করবে। ও আমাকে কবিতা দেখিয়ে ফেলার পর উন্মুখ হয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলেছিল,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার
    বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    কেমন হয়েছে?

    উত্তরে আমি ভ্রু কুঁচকে বলেছিলাম, এটা কবিতা হয়নি। কিছুই পড়া যায় না। হাবিজাবি লাগে।

    ও তখন কাগজটা ছিঁড়ে কুচিকুচি করে মাটিতে ফেলে এক ছুটে নিজের বাসায় চলে গিয়েছিল। আর পড়ে থাকা কাগজের টুকরোগুলো পিঁপড়ার মতো ছুটে পালিয়েছিল কয়েক মুহূর্তেই। সেদিনের পর আমাদের মধ্যে কিছুটা দুরত্ব চলে এলো। আমাকে দেখলেই ও এড়িয়ে যেত। তবে আমিও গোপনে, সন্তর্পণে ওকে অনুসরণ করে ঠিকই বের করে ফেলেছিলাম যে ও রোজ বিকেলে বাগানের পেছনে ওর ভাইয়ের কবরের পাশে বসে কবিতা লেখে। কিংবা আঁকে। সে যাই হোক। কয়েক বছর পর ওকে অন্য শহরে পাঠানো হলো পড়ালেখা করার জন্য। যেদিন ও চলে যাচ্ছিল আমি দূর থেকে দেখছিলাম। ওর কাঁধের ব্যাগ, ওর শরীরের দীর্ঘ ছায়া নিঃশব্দে পিছু নিয়ে ওর সাথে সাথে চলে যাচ্ছিল। আর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমার মনে হচ্ছিল কেউ আমাকে ইলাস্টিকের মতো টেনে দূরে ছুঁড়ে দিচ্ছে আর আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছি। অন্য শহরে পড়তে যাওয়ার কিছুদিন পর ও আমাকে প্রথম চিঠি লিখল। আর সেই চিঠির একদম শেষে লেখা ছিল ইতি ভিক্টর। আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটাই এখন ওর নাম। তবে ভিক্টর খুব দীর্ঘ সময় অন্য শহরে থাকেনি। এক বছরের মাঝেই আবার ফিরে এসেছিল। আমার ততদিনে কলেজ শেষ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুরু। টেনেটুনে পড়ছি। বাড়ি থেকে চাপ দিচ্ছে পাস করামাত্রই চাকরি করতে হবে। ভিক্টর ফিরে এসে আবার কলেজ শুরু করল। তবে অল্প কিছুদিনের মাঝেই এক শিক্ষকের মেয়ের সাথে প্রেমে পড়ে তার লেখাপড়া লাটে উঠল। সে নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিতে শুরু করল। অল্প কদিনের মাঝেই আশপাশের সবাই এ খবর জেনে গেল এবং ওকে

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Library
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের
    Books

     

    কলেজ থেকে বরখাস্ত করে দেওয়া হলো। ওর বাবা প্রচণ্ড রেগে ওকে বাসা থেকে বের করে দিলেন। ও আমাদের বাসায় থাকল দুদিন। এরপর এক সকালে গায়েব হয়ে গেল। আমাদের বাসায় থাকার দুইটা দিন আমি নানাকিছু বুঝিয়েছিলাম, অন্তত বোঝাতে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ও কোনো কথাই শোনেনি। একটা পার্মানেন্ট মার্কার দিয়ে শুধু আমার শোবারঘরের দেয়ালে এক নারীর অস্পষ্ট মুখ এঁকে গিয়েছিল দ্রুত গতিতে। আর মাঝপথে জিজ্ঞেস করেছিল, কেমন হচ্ছে কবিতাটা?

    ভিক্টরের পাগলামি দেখে আমার মন দুরুদুরু করছিল। ওর গম্ভীর মুখ আবার পরক্ষণেই দম ফাটানো হাসি কিংবা ছবি আঁকতে আঁকতে অলৌকিক এক আভায় মুখচ্ছবির পরিবর্তন দেখা যেন কোনো সিনেমার দৃশ্যের মতোই রহস্যময় ও মনোরম ছিল। আমাদের বাড়ি থেকে পালিয়ে ও কোথায় গিয়েছিল আমি জানতে পারিনি। ভিক্টরের তেমন বন্ধু ছিলই না, আমরা যখন মাঠে খেলতাম ও মাটিতে ইটের টুকরা দিয়ে আঁকিবুকি করত। একা বসে থাকত বেশিরভাগ সময়। ভিক্টর গায়েব হয়ে যাওয়ার কয়েকমাস পর আমি হুট করে এক সকালে ওর চিঠি পাই। চিঠির সাথে ছিল ওর আঁকা একটা ছবি। পেন্সিল স্কেচ। অল্প কথায় জানিয়েছিল ও অর্থকষ্টে আছে, চাকরি হারিয়ে শ্রমিকদের সাথে কাজ করছে। খামের গায়ে ওর ঠিকানা দেওয়া ছিল, আমি কী মনে করে জমানো টাকা থেকে অল্প কিছু টাকা পাঠালাম ওকে। ভিক্টরের পরের চিঠি যখন পাই সে তখন আবার প্রেমে পড়েছে। অচেনা সেই নারী কতটা সুন্দর তাই ও লিখেছিল নানান উপমা দিয়ে। যেমন একটা লাইনে ও বলেছিল, সেই নারী ঠিক যেন আরেকটা নতুন দিনের মতো সুন্দর।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বই
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন বুক
    PDF
    পিডিএফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস

     

    আমি তখন পড়ালেখা শেষ করতে মরিয়া হয়ে আছি। শুধু কাগজ কিনি, নোট করি, ফটোকপি করি, পড়ি আর জেগে থাকার জন্য কাপের পর কাপ চা পান করে যাই। বাবা রিটায়ারমেন্টে গেছেন, বাড়িতে গুনে গুনে বাজার আসে। কোনো বাড়তি কিছু নেই, নেই কোনো অপচয়। দিনের পর দিন বৈশিষ্ট্যহীন প্রহর পার করতে থাকি। একটা মেয়ের সাথে অল্প কদিনের পরিচয় হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। সামার প্রজেক্টে খণ্ডকালীন কাজ করতে এসেছিল মেয়েটি। তারই বদান্যতায় হাতে উঠে আসে ফেদেরিকো লোরকা আর ফার্নান্দো পেসোয়া। বাড়ির একঘেয়ে পরিবেশ আর ফ্যাকাসে হয়ে থাকা মুখগুলো থেকে বাঁচতে আমি তখন লাইব্রেরি থেকে কবিতার বই হাতে নিয়ে আমার নতুন সঙ্গিনীর সাথে বটতলায় বসে থাকি। আঁধার নেমে আসলে সঙ্গিনী আশ্চর্য কোনো শিল্পকর্মের মতো বিড়বিড় করে ওঠে–

    If I am dying,
    leave the balcony open.
    The child is eating an orange.
    (From my balcony, I see him. )
    The reaper is reaping the barley.
    (From my balcony, I hear him.)
    If I am dying,
    leave the balcony open.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    Books
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড

     

    এভাবেই লোরকার পরাবাস্তববাদে, পেসোয়ার বুক অব ডিসকোয়ায়েটে আমাদের দিন কেটে যেতে থাকে। আমরা বটতলায় বসে বসে কবিদের হেঁটেরোনিম মুখস্থ করতে থাকি। আর একেক প্রেক্ষাপটে আমি হতে থাকি একেকজন। বাড়িতে একরকম, ক্লাসে একরকম আর সঙ্গিনীর সাথে থাকলে একদম অন্যরকম। এইসব দিনে আমার ভিক্টরকে বলতে গেলে প্রায় মনেই পড়ে না। হয়তো আরও বহুদিন মনে পড়ত না, কিন্তু একদিন পরিচিত এক ছেলের কাছ থেকে খবর পাই ভিক্টরের একবারের প্রেমিকা ছিল এক বিধবা, এক সন্তানের জননী। ওর বাড়িতে এ খবর জানার পর ভিক্টরের বাবা মেয়েটির বাড়ির ঠিকানা খুঁজে বের করে তার বাবা-মায়ের কাছে তীব্র কিছু অভিযোগ এনে বাধ্য করেছেন মেয়েটি ও ভিক্টরের যোগাযোগ বন্ধ করতে। এই কথাগুলো শুনে কেমন যেন লাগে আমার। পুরোনো দুঃসহ স্মৃতি ধেয়ে আসার মতো, শরীরের রক্তমাংস পুড়ে যাওয়ার মতো জ্বলুনি কাজ করতে থাকে সারা দেহে। মনে হয় যেন ভিক্টরের সাথে না, আমার সাথেই হয়েছে এগুলো। একটু একটু করে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠি আমি আর পাগলের মতো ছুটতে ছুটতে বাড়ি ফিরে আসি ভিক্টরকে চিঠি লিখব বলে। সেদিনই খুঁজে পাই ভিক্টরের পাঠানো দুইটি চিঠি যা বিগত কিছু মাসে অন্যান্য অযাচিত সব বিজ্ঞাপন ও চিঠির সাথে পড়ে ছিল অবহেলায়। সেই চিঠিগুলো থেকে বের হয়ে আসে ভিক্টরের নিঃসঙ্গ বিবমিষা, অতঃপর বিরক্তি, ওর বাবার প্রতি ক্ষোভ-ঘৃণা আর বিদ্রুপে ভরপুর কথামালা। কয়েকটি চমৎকার ছবিও আসে চিঠির সাথে। ছবিগুলোর পেছনে বড় বড় অক্ষরে লেখা,

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বই
    Library
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের

     

    কিছু কবিতা…

    ছবিতে দেখি, কৃষক পরিবারের রাতের খাবার খাওয়া, ফুলদানিতে উজ্জ্বল ফুল, ভিক্টরের থাকার ঘরের এলোমেলো আসবাবপত্র। আমি দেখতে পাই সাদাকালো স্কেচ ফেলে ভিক্টর এখন ভ্রমরের মতো ঝুঁকে পড়েছে উজ্জ্বল রঙের দিকে এই প্রথম আমি মন খুলে ভিক্টরকে লিখে জানাই ওর আরও অনেক কবিতা লেখা উচিত। অনেক। আমার চিঠিটা বেশ দীর্ঘ হয়। চিঠির সাথে ওকে আবারও অল্প করে টাকা দিয়ে দিই। এই ঘটনার অল্প কিছুদিন পরেই ভিক্টরের বাবা মারা যান। আর বহুদিন পর মুখোমুখি হই আমি ও ভিক্টর। ওর মুখভরা দাড়ি, চোখে এলোমেলো দৃষ্টি। আমরা দুজনে ওদের বাসার পেছনের পরিত্যক্ত বাগানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকি অনেকক্ষণ। ধীরে, বড় ধীরে মৃদু বাতাস বয়ে যায়। আমরা দাঁড়িয়ে থাকি, ভিক্টর জানে না আমি তখন কী ভাবছি, আমিও জানি না কী ভাবছে ভিক্টর, তবু আমরা দুজন এমনভাবে দাঁড়িয়ে থাকি যেন নিশ্চল দুটি গাছের মতো আমাদের মাঝে ইশারায়, ইঙ্গিতে, অনুভবে কোনো কথা চলছে। আমি দেখতে পাই ভিক্টরের বড় ভাইয়ের কবরে অনেক আগাছা জমেছে। এমন সময় ভিক্টর অতীতের মতো থেমে থেমে বলে ওঠে–

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বইয়ের

     

    আমি আকাশের দিকে হাত ঘোরাব আর রঙ বদলাতে শুরু করবে… দেখবি?

    আমি মাথা নেড়ে মানা করে দিই। অনেকটা সচল কোনো ঘড়িকে ইচ্ছে করে বন্ধ করে রাখার মতোই স্থির হয়ে থাকে ভিক্টর, তারপর ক্লান্ত পায়ে পথের দিকে হাঁটতে থাকে। আর ইচ্ছে না থাকার পরেও আমি দেখতে পাই আকাশের রঙটা কেমন বদলে যেতে শুরু করেছে একটু একটু করে।

    বাবার মৃত্যুর পর আমাদের শহরটার সাথে যেন ভিক্টরের যোগসূত্র একদমই কেটে যায়। আবার দীর্ঘদিনের জন্য গায়েব হয়ে যায় ও। আমার সঙ্গিনী ফিরে যেতে চায় নিজের দেশে। আমি বুঝে উঠতে পারি না ওকে বাধা দেব নাকি যেতে দেব তাই চুপ করে থাকাই শ্রেয় মনে হয়। সঙ্গিনী আমাকে পাবলো নেরুদার নির্বাচিত কবিতার বই ধরিয়ে দিয়ে বিদায় নেয়। আর হঠাৎ কেশে ওঠা অপ্রস্তুত মানুষের মতোই আমি অসহায় হয়ে উঠি। সঙ্গিনী চলে যাওয়ার পর নিজের ছোট্টঘরে শুয়ে থেকে আমার মনে পড়ে, আমি এতদিন প্রেমিক ছিলাম। এখন থেকে আর নই।

    পাস করার পর একটা ছোট চাকরি হয়ে যায় আমার। টেবিলের নিচে বাড়িয়ে দেওয়া কাগজের বিনিময়ে চাকরি হয়ে গেছে এই আনন্দেই একটা প্রহর আপ্লুত হয়ে থাকে আমার বাবা-মা। আর কেরানি জীবনে হাঁসফাঁস করতে করতে আমি প্রতিমাসে বেতন পাওয়ার দিন গুনতে থাকি। সপ্তাহে ছয়দিন কাজ করার দিনগুলোতে ক্রীতদাসের মতো বাঁধা পড়তে থাকি। একটা দিন ছুটি পেলে মাতালের মতো ঘুমাই। কবিতা, প্রেম, ভিক্টর কিছুই তখন আর মাথায় থাকে না। জানালার কাঁচে বৃষ্টির পানি পিছলে গড়িয়ে পড়ার মতো গড়িয়ে যায়। ভিক্টরকে মনে পড়ে কখনো-সখনো কিন্তু সবসময়ই কেন যেন এমন হয় যে ওর দিক থেকে যোগাযোগ থাকলে আমার নিজ উদ্যোগে ওকে কিছু জানানো হয় না। অবশ্য জানানোর মতো কিছু ছিলও না আমার। জীবনসংক্রান্ত বিকিকিনিতে সময় গড়িয়ে যাচ্ছিল। সেবার ডিসেম্বরের দিকে প্রচুর শীত নেমে এলে এক দুপুরে সম্পূর্ণ নতুন এক ঠিকানা থেকে চিঠি এলো। চিঠিতে ভিক্টরের নিয়মিত বিষণ্নতার পাশাপাশি ওর এক নতুন শিল্পবোদ্ধা বন্ধুকে নিয়ে নানাকিছু লেখা ছিল, আর ছিল কয়েকটা ছোট ছোট ছবি। তবে এবারের ছবিগুলো খুবই উজ্জ্বল, রঙিন। যেন কেউ তাকানো মাত্রই জীবন্ত হয়ে উঠবে। আমি ছবিগুলো থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। ভিক্টরের থাকার ঘর থেকে হলুদ দেয়াল ঘেঁষে জেগে ওঠা অন্য এক শহরের ছবিগুলো আমার মতো একজন সাধারণ মানুষকেও মুগ্ধ করে তুলছিল।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বই

     

    নতুন বছর শুরু হওয়ার পর আমার প্রমোশন হলো। কাজের চাপের পাশাপাশি দায়িত্ব বাড়ল। তবে আমি খুশি ছিলাম কারণ আর্থিকভাবে আমি আগের চেয়ে সবল হয়ে উঠেছিলাম। এক সহকর্মীর সাথে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করা নিয়েই পরিকল্পনা চলল। মাসে মাসে ভিক্টরকে টাকা পাঠানো আমার জন্য আগের চেয়ে কিছুটা সহজ হয়েছিল। আর আমার রোজকার দিনের অংশ হয়ে উঠেছিল ভিক্টরের চিঠিগুলো। প্রায় রাতেই বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি নিজের ঘরে এসে একাকী ভিক্টরের চিঠিগুলো পড়তাম। ভিক্টরের তখন স্বপ্ন হয়েছিল সমস্ত কবি, শিল্পীদের নিয়ে একই কলোনিতে থাকবে। সারাদিন তারা পরস্পরের সাথে নিজেদের সৃষ্টি নিয়ে কথা বলবে। সত্যি বলতে আমার নিজের জীবনে নতুন কোনো স্বপ্ন না থাকায় ভিক্টরের স্বপ্নগুলো পড়তে ভালো লাগত। মনে হতো আমিও সেটার একটা অংশ। আমি মনে মনে ওকে ঈর্ষা করতাম নাকি ভয় পেতাম আমি জানি না। এমন অলীক স্বপ্ন দেখার সাহস আমার ছিল না, আবার এমন স্বপ্নের অংশ না হওয়ার মতো নির্মোহ আমি হতে পারতাম না। স্বপ্নহীন মানুষ মাত্রই মৃত। তাই মৃত হওয়ার চেয়ে ভিক্টরের চোখ দিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারলে আমার নিজেকে জীবিত ও আত্মবিশ্বাসী মনে হতো।

    যদি আমাকে ভুবন দাও আমি দেব সমস্ত অমিয় এই একটি লাইন লিখে ভিক্টর একদিন আমাকে চিঠি পাঠাল। আর কেন যেন এটুকু পড়েই আমি ভেতরে ভেতরে চমকে উঠলাম। কে যেন আমার কানে কানে নিনাদ বাজিয়ে বলে গেল আমি ভিক্টরকে ভালোবাসি। সমস্ত পৃথিবীতে ওকে শুধু আমিই ভালোবাসি। প্রচণ্ড কেঁপে উঠলাম এই অনুভূতি হওয়ার পর। বিমূঢ় হয়ে বসে থাকলাম দীর্ঘসময়। তারপর কোনো এক অদৃশ্য সরলরেখার দিকে এগিয়ে যাওয়ার মতো করেই আমি লিখতে বসলাম চিঠির প্রতিউত্তর। চিঠি লিখে শেষ করার আগেই সে-রাতে ঘুমের ভেতর দুঃস্বপ্ন দেখলাম, ভিক্টর আত্মহত্যা করেছে। নিজেকে নিজেই গুলি করে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে পৃথিবী থেকে। শুধু তাই নয়, গুলি করার আগে নিজের কান কেটে উপহার পাঠিয়েছে আমাকে। ভয়ে, আতংকে, আর বিচ্ছিরি বেদনায় আক্রান্ত হয়ে পরের দিনই অফিস থেকে ছুটি নিয়ে ঘোরগ্রস্ত অবস্থায় রওনা হলাম ভিক্টরের বাড়ির উদ্দেশ্যে। ভিক্টরকে যে আমার নিজের কথাটুকু বলতেই হবে। যে করেই হোক। ট্রেনে করে যাওয়ার পথে পুরোটা সময় আমি শুধু ছটফট করলাম, জানালা দিয়ে মাথা বের করে দেখলাম ঘন মেঘের ভেতর ডাকতে ডাকতে হারিয়ে যাচ্ছে শত পাখির দল। যেন পাখিগুলো ভিক্টরের নাম জপে চলেছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    পিডিএফ
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    দীর্ঘযাত্রার পর গাঢ় হলুদ রঙের দেয়াল ঘেরা যে বাড়িটিতে আমি ভিক্টরের খোঁজে গিয়েছিলাম, সেখানে ওর থাকার ঘরটায় জলজ্যান্ত ভিক্টর বাদে ওর প্রায় সবকিছুই ছিল। আঁকা ছবি, একটা কাঠের চেয়ার-টেবিল, অজস্র তুলি, ক্যানভাস, কাগজ, নানা রঙের প্যালেট-সব ছিল। শুধু ও ছিল না। ওর প্রতিবেশীরাও ওর বিষয়ে কিছু বলতে পারল না। একদিকে ভিক্টরের জন্য আমার অনুভূতি আর অন্যদিকে ওকে খুঁজে না পাওয়াটুকু, কোথায় যেন কাঁটার মতো বিঁধে থাকা বেদনা আমাকে ঝাঁকি দিতে থাকল অনবরত। আর কোনো তথ্য না পেয়ে, কিচ্ছু চিন্তা না করে আমি তাই সেই ঘরের একমাত্র চেয়ারটায় বসে ওর জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। রাতদিন, সপ্তাহ-মাস…

    ভিক্টরের সাথে আমার ঠিক কত দিন বা কত মাস পর দেখা হয়েছিল আমার ঠিক মনে নেই। ক্ষুধায়, তৃষ্ণায় আমি যখন দিনের পর দিন সেই ঘরটায় অপেক্ষায় থেকে ভঙ্গুর হয়ে উঠছিলাম, এমন সময় একদিন দেখলাম ভিক্টর এসেছে। সেই ভিক্টর, যে ম্যাজিশিয়ান। যে কবিতা আঁকে, যাকে আমি চিনি নিজের চুলের ঘ্রাণের মতোই আপন করে, যে বিগত বছর ধরে বার বার আমার সামনে এসেছে কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি, আসলে আমার জন্য সে কে? ভিক্টরের উদ্ভ্রান্ত চেহারা, বিবর্ণ পোশাক দেখার পরেও ওকে দেখতে খুব উজ্জ্বল লাগছিল। আমাকে দেখে ও অবাক হয়নি। শুধু একপলক আমার চোখের দিকে তাকিয়েই দরজার দিকে হাঁটতে শুরু করে দেয়। আমিও সব বুঝে ফেলার মতো, নিঃশব্দে পিছু নিই ওর। ভিক্টর হেঁটে হেঁটে চলে যায় বহুদূর। আমিও ওর পেছনে আগাই ছায়ার মতো। পথ, গাছ, বাড়ি, লোকালয়, দোকানপাট সমস্ত কিছু পেরিয়ে ও চলে যায় সমুদ্রের দিকে। আমিও এক-পা দু-পা করে আগাতে থাকি পিছু পিছু। একটা সময় সমুদ্রের ঢেউ এসে ভিক্টরের দু-পায়ের ওপর ভেঙে পড়ে। সেই ঢেউ ছুঁয়ে ভিক্টর খালি পায়ে ধীরে, অতি ধীরে এগিয়ে যায় সমুদ্রের দিকে। আর আমি দেখতে পাই সন্ধ্যা মিলিয়ে যাওয়া কালচে নীল আকাশের সাথে অজস্র সোনালি নক্ষত্র মিলেমিশে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রের পানি রাতের সৌন্দর্যে চকচক করছে। সেই পানিতে আকাশের ছায়া পড়েছে। নক্ষত্র চকমকি পাথরের মতো থেকে থেকে দ্যুতি দিচ্ছে, আর ভিক্টর অল্প অল্প করে সমুদ্রের গভীরে যাওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে নিয়তির মতো। আমাকে ফেলে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    গ্রন্থাগার

     

    শিকাগো ট্রিবিউনে কাজ করা আমার সাংবাদিক বন্ধু আমাকে বেশ কয়েকবারই বলেছিল আমি যেন গ্যালারিতে স্থান করে নেওয়া এই বিশেষ ছবিটার শিল্পীকে নিয়ে কিছু লিখি। যেহেতু এই ছবিটির প্রকৃত শিল্পীকে আমি দীর্ঘদিন কাছ থেকে দেখেছিলাম। যেহেতু এই ছবিটিকে তুলনা করা হচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম চিত্রশিল্পীর আঁকা একটি ছবির সাথে। কারণ মূল ছবিটির সাথে এই ছবিটির প্রতিটি আঁচড়, প্রতিটি রঙের এতই নির্ভুল মিল যা গভীরভাবে প্রভাবিত ও বিস্মিত করে তুলছে এ সময়ের সকল শিল্পবোদ্ধাদের। আমি সবকিছু জেনেও অতি বিনয়ের সাথে আমার সেই বন্ধুকে না করে দিয়েছি। তবে আজও আমার চারপাশে আছে ভিক্টরের আঁকা কবিতার প্রতিধ্বনি। আমার কাছে আছে ভিক্টরের লেখা ছয়শ আটান্নটা চিঠি। আজও আমার পুরোনো ঘরের দেয়ালে এক নারীর অস্পষ্ট মুখ। এসব কিছু একান্তই আমার আত্মমগ্নতার অংশ। সেখানে ভিক্টর আছে ও থাকবে, সে আমাকে ছেড়ে কোথাও যায়নি। যেতে পারে না। তাই মৃদু আলো-ছায়া মেশানো ঘরে একটি পরিবারের পাঁচ সদস্যের রাতের খাবার খাওয়ার ছবিটার দিকে শেষবারের মতো আরও কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আমি গ্যালারি থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে যাই। ধীর পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দেখতে পাই, আকাশের রঙ বদলে যাচ্ছে, পরিচিত কোনো ম্যাজিশিয়ানের পুরোনো কোনো ম্যাজিকের মতো। আমি মৃদু হেসে, দু-চোখে খণ্ড খণ্ড মেঘ নিয়ে, আকাশের দিকে ডান হাতটা তুলে অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ঘোরাতে থাকি আমার হাতটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }