Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সান্তা মনিকা স্টেশন পেরিয়ে

    সান্তা মনিকা স্টেশন কলোনির পাশে ছোট্ট একটি ফ্ল্যাটে থাকতাম আমরা। আমি আর আমার বড় বোন। আমার বড় বোন ছিল বেশ ছোটখাটো একজন মানুষ। তার কাঁধের চেয়ে কোমর ছিল অতিরিক্ত রকমের চওড়া। ওর চোখের দু-পাশে তিনটি করে ভাঁজ জমে থাকত তীরের মতো। গালে ছিল বেশ বড় আকৃতির একটি জঙুল। মাথার অল্প কিছু পাতলা চুল নানাভাবে বেঁধে ও নিজের মুখটাকে কিছুটা স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করত। আমার বোনের বাম পা ডান পায়ের চেয়ে ছিল একটু ছোট। তাই ওকে বাম পায়ে একটু উঁচু জুতা পরে হাঁটতে হতো, তাও কিছুটা পা টেনে টেনে।

    সান্তা মনিকা স্টেশনের কাছাকাছি যে বাড়িটায় আমাদের বসবাস, সেটা ছিল বহু বছরের পুরোনো, বিবর্ণ ও স্যাঁতসেঁতে। তিনতলায় ছিল আমাদের ফ্ল্যাট। বাড়ির পাশ দিয়ে যখন ট্রেন যেত, তখন বাড়িটা ঝনঝন ঝনঝন বাজনা তুলে কাঁপত মুড়ির টিনের মতো। আমি শুনেছিলাম আমার বাবা-মা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা গেছে আমার জন্মের পরপর। তারা স্বেচ্ছায় ট্রেনের নিচে চলে গিয়েছিল নাকি ট্রেনই দুর্ঘটনাবশত তাদের ওপর চলে এসেছিল তা আমি জানি না। তবে আমার বাবা-মায়ের মৃত্যুর কারণেই হয়তো ট্রেন আসার শব্দ শুনলেই আমার মনে বিচিত্র রকমের একটা আকর্ষণ কাজ করত। একটা দুর্বার ডাক। ওই সময়টা আমি জানালায় কাঁচ সরিয়ে চুপচাপ বসে থাকতাম, যতক্ষণ ট্রেনটা তার চলে যাওয়ার সমস্ত শব্দ নিয়ে আমার চোখের সামনে থেকে মিলিয়ে না যেত ৷

    আমার বোন রান্নাবান্না খুব বেশি পারত না। বাঁধাকপির স্যুপ, ছোট মাছ ভাজা, পাতলা ডাল, আলু-টমেটো ও সবজি দিয়ে বিচিত্র এক রকমের ভর্তা বাদে আর কোনো ধরনের কিছু ওকে বানাতে দেখিনি। ঘুরেফিরে এই খাবারগুলোই খেতাম আমরা। প্রতি শনিবার খুব ভোরে আমাদের বাজারে যাওয়া হতো। আমার বোন এই এলাকার যে ছোট দোকানে হিসাবনিকাশের কাজ করে সেখানে ওকে যেতে হয় টানা ছয়দিন। শুধু শনিবার দিনটাই ছিল ওর ছুটি। তাই সেই দিনটা আমরা কাঁচাবাজারের কাজটুকু সেরে রাখতাম। আমরা কখনোই এক সপ্তাহের চেয়ে বেশি দিনের বাজার করতাম না। আমার বোনের সবকিছু হিসাব করা। তাই, শুক্রবার রাতের খাবারের সাথে সাথেই আমাদের খাবার ফুরিয়ে যেত। কাঁচাবাজার করতে যাওয়ার সময় অন্য শহর থেকে আসা বিভিন্ন দোকানদার প্রায়ই আমাদের নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠত। অকারণেই খোশগল্প জমাতে চাইত। তারা যদি অল্পবয়সি কোনো পুরুষ হতো তা হলে আমার বোন সেই দোকানে থাকত দীর্ঘ সময়। আর তারা যদি হতো মধ্যবয়স্ক বা বুড়ো তা হলে তাদের সাথে প্রতি মুহূর্তে সে শুধু সবজি বা চালের দাম নিয়ে ঝগড়া করে যেত। আসলে সে মনে মনে প্রাণপণে একজন জীবনসঙ্গী খুঁজছিল, কিন্তু কোনো ছেলে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে তার মাথার চুল কমে যাচ্ছে, দিন দিন গালের জঙুলটা আরও বড় হচ্ছে, চোখের তীর-আঁকা ভাঁজ হচ্ছে গাঢ়। গলার চামড়ায় জেগেছে ঢেউ। সব মিলিয়ে তাকে দেখতে লাগে বিকট। আমাদের প্রতিবেশীরা অনেক আগে থেকেই কানাঘুষা করে যে আমার বোনের কখনোই বিয়ে হবে না। এমনিতেও ওর অনেক বয়স হয়ে গেছে। কথা অবশ্য কিছুটা সত্য। আমার বোনের সাথে আমার বয়সের তফাৎ এতই বেশি যে বাজারে কোনো পথচারী বা নতুন দোকানি যদি আমাকে হাসিমুখে জিজ্ঞেস করে, কিরে মায়ের সাথে বাজারে এসেছিস? আমি উত্তর দেওয়ার আগেই আমার বোন অসম্ভব গম্ভীর ও শীতল স্বরে বলে ওঠে, ও আমার ছোট ভাই…। কিন্তু এই চারটি শব্দেই প্রচণ্ডভাবে বোঝা যায় প্রশ্ন করা মানুষটার ওপরে সে কী অসম্ভব রেগে গিয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস

     

    আমি যেই স্কুলে পড়ি, সেখানে এখন আমার কোনো খেলার সঙ্গী নেই ৷ আগে আমার একটা বন্ধু ছিল। কিন্তু সেই ছেলেটি এলাকা বদল করে অন্যখানে চলে গিয়েছে। তাই ক্লাসে পড়ালেখার বিষয় বাদে আমার কারো সাথেই কোনো গল্পস্বল্প হয় না। আমরা প্রতি সপ্তাহে একই ধরনের খাবার খাই, প্রতি শনিবারে যাই বাজারে, আমার বোন ছয়দিন কাজ করে, আমি পাঁচদিন ক্লাস করি আর প্রতিরাতে আমি জানালার কাঁচ তুলে ট্রেন চলে যাওয়ার সময় একইভাবে জেগে বসে থাকি। আমাদের একঘেয়ে সময় চলে যাচ্ছিল এভাবেই। যতদিন আমাদের জীবনে জোসেফ না এলো।

    জোসেফ সান্তা মনিকা শহরের অনেক পুরোনো একটা বেকারির মালিক। সে আগে মালিক ছিল না, ছিল শুধুই কর্মচারী। অল্প কিছুদিন হলো মালিক হয়েছে। আগে মালিক ছিল ওর বাবা। এরপর এক রাতে ওর বাবা হঠাৎ ঘুমের মধ্যে মারা গেল মুখে ফেনা তুলে। অনেকে বলে, তাকে আসলে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। সত্যটা কেউ জানে না। এ ঘটনার পর থেকে বেকারির দোকানের সবকিছু দেখাশোনা করছে জোসেফ। ও মধ্যবয়স্ক, মাঝারি গড়ন, মৃদুভাষী। চওড়া সোলের বুট পরে হাঁটে। ওকে এই এলাকার সবচেয়ে ভদ্র পুরুষদের একজন বলে ধরা হয়। আজ পর্যন্ত কেউ মদ খেয়ে মাতলামি করতেও দেখেনি। এর আগে কখনো দেখা যায়নি কোনো মেয়ে বা নারীর সান্নিধ্যেও। আর কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করা তো দূরের কথা। আক্ষরিক অর্থেই জোসেফ ছিল একজন সাদামাটা, ভদ্র মানুষ। জোসেফের সাথে আমার বোনের কীভাবে পরিচয় হয়েছিল তা আমি জানি না। শুধু এটাই জানি যে, সে আমাদের ফ্ল্যাটে আসা শুরু করল প্রতি সপ্তাহে এক দিন পরপর। আর সবচেয়ে ভালো বিষয় ছিল, মানুষটা কখনোই একা আসত না বা খালি হাতে আসত না। ওর সাথে সবসময় থাকত একটা খয়েরি কাগজের ব্যাগ। সেই ব্যাগে থাকত কোনো না কোনো মিষ্টি খাবার, নিজের বেকারি থেকে আনা।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    PDF
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই

     

    আমার সঙ্গে দেখা হলেই জোসেফ বলত, এই নাও স্ট্রবেরি টার্ট। খেয়ে দেখো তো মিষ্টি ঠিক আছে নাকি? কখনো সে আমার ঘরে এসে বলত, লেমন চিজ কেক কেমন লাগে তোমার? কখনো বলত, রেড ভেলভেট কেক আজকের স্পেশাল। আগামীকাল ব্লুবেরি মাফিন নিয়ে আসব। জোসেফের বেকারির নানারকম সুস্বাদু মিষ্টি কেক, পেস্ট্রি ও মাফিন দিন দিন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল যে, শহরের অন্যান্য বেকারিগুলোকে লোকজন গোনার মাঝেই রাখত না। কেউ ওখানে একবার গেলে অন্তত তিন রকমের কেক ছাড়া ফিরে আসত না। আর সপ্তাহে তিন-চার দিন একেক রকমের মিষ্টি খাবার পেতে পেতে আমার মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল ওর বেকারিরই সমস্ত খাবারের নাম ও স্বাদ। আমি একটা পর্যায়ে শুধু ঘ্রাণ শুঁকেই বলে দিতে পারতাম কোনটা অরেঞ্জ পাই, কোনটা কুকি কাস্টার্ড, কোন পেস্ট্রিতে পপি সিড দেওয়া বা কোন পুডিংয়ে কেমন চকোলেট মেশানো।

    জোসেফের জন্য প্রতি আটচল্লিশ ঘণ্টা পরপর আমি অপেক্ষা করতাম। আমার বোনের পাশাপাশি আমারও জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছিল ও। ওর আরেকটা চমৎকার ব্যাপার ছিল। মাঝে মাঝে আমার হাতে বেকারির খয়েরি ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়ে ও নিচু স্বরে বলত, আজকের কেকটা এমনভাবে খেতে হবে, যেন খাওয়ার সময় অনেক শব্দ হয়। তুমি এমন করে খাবে যেন খাবারটুকু খাওয়ার শব্দটা নিজের কানে পরিষ্কারভাবে শুনতে পারো। খাবারে প্রথম কামড়টুকু দিয়েই সবার আগে বলবে, উমমম… এরপর খাওয়া শেষে আবারও ঢকঢক শব্দ তুলে পানি খেতে হবে। তাহলেই তুমি খাবারের আসল স্বাদটুকু বুঝতে পারবে। আমি জোসেফের প্রতিটি কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতাম। আমাকে এ ঘরে মিষ্টি খাবারের সাথে বসিয়ে রেখে জোসেফ আমার বোনের পিছু পিছু চলে যেত তার ঘরে। এরপর বন্ধ হয়ে যেত ওদের ঘরের দরজা ৷

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই
    Books
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস

     

    তারপর জোসেফ যখন আধঘণ্টা পর আমার বোনের ঘর থেকে বের হয়ে আসত, তখন বাড়িজুড়ে ছড়িয়ে থাকত একটা রহস্যময় অথচ হালকা মিষ্টি ঘ্রাণ। জোসেফ চলে গেলে আমি আবারও অপেক্ষা করতে থাকতাম ওর জন্য। ভাবতাম আবার কবে ও আসবে? এর পরের বার আমার জন্য কোন খাবারটা নিয়ে আসবে? শনিবার দিনটাকে আমি নাম দিয়েছিলাম অ্যাপেল পাই, সোমবারকে রেডবেরি মাফিন, বুধবারকে বলতাম টিরামিসু, শুক্রবারকে কোকোনাট ফাজ।

    তবে আচমকা একটা ঘটনা ঘটে গেল একদিন! আমার নবম জন্মদিনের দিন আমি টের পেলাম, ঘুম থেকে ওঠার পর বদলে গেছে কিছু একটা। আমার গায়ের শার্টটা অসম্ভব ঢোলা লাগছে আর আমার পায়জামাটা এমনভাবে কোমরে আটকে গেছে যেন কেটে বসে পড়বে পেটের চামড়ার ওপর। বিছানা থেকে নামতে গিয়ে আমি প্রায় হুমড়ি খেয়ে পড়লাম। উঠে দাঁড়াতে গিয়ে আবারও হারালাম ভারসাম্য। ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না আসলে আমার কী হয়েছে! চিৎকার করে ডাকতে শুরু করলাম আমার বোনকে। ও পাশের ঘর থেকে ছুটে এলো। এরপর ঘরে ঢুকে আমাকে দেখেই থমকে গেল! বেশ কিছুক্ষণ আমার দিকে সরু ও শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে আমাকে দাঁড়াতে সাহায্য করল, বদলে দিল আমার পায়জামা। তারপর বলল, আমাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে আর নড়াচড়া না করতে। আরও জানাল আগামী কিছুদিন আমাকে স্কুলে যেতে হবে না। এরপর সে আমার বিছানার রেলিং থেকে দরজার ওপর পর্যন্ত আংটা দিয়ে একটি মোটা দড়ি টাঙাল। এরপর সে কোত্থেকে একটা লোহার বেড়ির মতো গোল জিনিস এনে আমার পায়ে আটকে দিয়ে, দরজার পাশে টাঙিয়ে রাখা দড়ির সাথে আমার বাঁ পা উঁচু করে বেঁধে দিল। আর আমার বাঁ পায়ের নিচে রেখে দিল তিনটি বালিশ। একটা পর্যায়ে এসে আমি বুঝতে পারলাম আমারও আসলে আমার বোনের মতো কাঁধ সরু হয়ে যাচ্ছে, দেহ হয়ে যাচ্ছে খর্বকায়। আমার কোমর কাঁধের চেয়ে বেখাপ্পাভাবে চওড়া হয়ে গিয়েছে। এ কারণেই আগের পায়জামা হচ্ছিল না। শুধু তাই নয়, আমারও বাম পা-টা ছোট হয়ে যাচ্ছে, যা কিছুতেই আমার বোন হতে দিতে চাইছে না। তাই সে দড়ি দিয়ে বেঁধে আমার সেই পা-টাকে লম্বা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কবিতা
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    আমি টানা এক সপ্তাহ ওভাবেই শুয়ে থাকলাম। বিছানা থেকে নামার কোনো অনুমতি আমার ছিল না। আমার বোন শুধু কাজে যাওয়ার আগে আমাকে একবার টয়লেটে নিয়ে যেত, সে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে না আসা পর্যন্ত আমার টয়লেটে যাওয়াও ছিল বারণ। এদিকে একটানা বাম পা ঝুলিয়ে বিছানায় শুয়ে থেকে আমি হয়ে উঠেছিলাম ক্রমশ বিরক্ত। আমার বোন কাজে থাকলে মাঝে মাঝে আমি চেষ্টা করতাম হেলান দিয়ে বসার। কিন্তু লোহার বেড়ি ও দড়িতে বাম পা-টা আটকে থাকার কারণে একটু নড়াচড়া করলেই আরও বেশি যন্ত্রণা বাড়ত। ওই সময়ে জোসেফের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আমার হাতে আর কোনো কাজ ছিল না। এমনকি আমি আর জানালার সামনে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারতাম না ট্রেন চলে যাওয়ার সময়। ভালো বিষয় হলো, জোসেফ আমার এই অবস্থা দেখে কোনো বিস্ময় তো প্রকাশ করেইনি বরং সে পরের দিন হাজির হয়েছিল আস্ত একটা কেক নিয়ে। কেকটা ছিল লেমন, অরেঞ্জ ও ভ্যানিলা ফ্লেভারের। আমি দীর্ঘ সময় নিয়ে, মুখ দিয়ে নানা রকম শব্দ করতে করতে কেকটা শেষ করেছিলাম।

    সেই কয়েকটা দিন আমি ঘর থেকে বের হতে পারতাম না বলে আমার বোনের ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর সেই রহস্যময় মিষ্টি ঘ্রাণটা বাতাসে ঠিক কতটুকু ছড়াত তাও আমি পুরোপুরি জানতে পারতাম না। আমার কিছুটা খারাপ লাগত। অল্প কিছুদিন পর আমার বোন হাল ছেড়ে দিল আমাকে নিয়ে। মনে হয় বুঝে গেল, আমার বাম পা আর কোনোদিন আগের মতো হবে না। এরপর আমাকেও একটা উঁচু জুতা বানিয়ে দেওয়া হলো। যেন ঠিকমতো হাঁটতে পারি। একইসাথে একটা লাঠিও দেওয়া হয়েছিল যেন জুতা ছাড়াও দাঁড়াতে পারি সোজা হয়ে। আমি আবার স্কুলে যাওয়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু, আমার এমন পরিবর্তনের কারণে ক্লাসের ছেলেগুলো আমার সাথে পড়ালেখা নিয়ে কথা বলাও বন্ধ করে দিল। আমি হয়ে গেলাম আরও একা। শুধু তাই নয়, আমার বোন আমার দিকে এমনভাবে তাকাত যেন সে আমাকে চিনতে পারছে না তবে একইসাথে সে আমাকে নিয়ে শঙ্কিত। আমি এসব কিছুর মধ্যে থেকেই কোনোক্রমে পড়ালেখা করে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে গেলাম। রাত হলে অন্ধকারে ছুটে আসা ট্রেনের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। মাঝে মাঝে আমার মনে হতো জানালা খুলে ঝাঁপ দিয়ে আমিও ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে যাই আমার বাবা-মায়ের মতো।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    PDF
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ

     

    এভাবে দেখতে দেখতে প্রায় বছর শেষ হয়ে গেল। আমার দশম জন্মদিনে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমি আবিষ্কার করলাম, আবারও বিছানা থেকে উঠতে পারছি না। তারপর বুঝতে পারলাম আমার গায়ের শার্টটা হয়ে গেছে আরও ঢিলা। কাঁধ দু-পাশ থেকে চেপে এসেছে সরু হয়ে। এবং আমার কোমরে এতই ব্যথা যে এঁটে থাকা পায়জামাটা এমনি এমনি খোলা যাবে না। সম্ভবত কেটে বা ছিঁড়ে খুলতে হবে। আমি চিৎকার করে ডাকতে থাকলাম আমার বোনকে। আমার বোন এসে, কেঁচি দিয়ে কেটে আমার পায়জামা খুলতে পারল। বাড়িতে থাকা আর কোনো পায়জামা বা প্যান্ট আমার হচ্ছিল না। তাই আমার বোন আমাকে তার বহু আগের একটা গোলাপি স্কার্ট পরতে দিল। আমি সেটা পরে গায়ে চাদর দিয়ে বসে থাকলাম আর জোসেফের জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। আমি টের পেয়েছিলাম আমার কাধ ভয়াবহ শীর্ণ হয়ে গিয়েছে এবং সম্ভবত আমার বাম পা আরও ছোট হয়ে এসেছে। আমি উপলব্ধি করতে পারলাম, আসলে আমার জন্মদিনটি একটি অভিশপ্ত দিন।

    কিন্তু জোসেফ সেদিন এলো না।

    তারপর দিনও না।

     

    আরও দেখুন
    Books
    পিডিএফ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    PDF
    বাংলা বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    এরপরেও না।

    এভাবে এক সপ্তাহের বেশি হয়ে যাওয়ার পরেও জোসেফকে আমাদের ফ্ল্যাটে একবারের জন্যও দেখা যায়নি। তার কোনো খবরও পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যা নামলেই আমার বোনকে আমি বাইরের ঘরে পায়চারি করতে শুনতাম অস্থিরভাবে। আমি বুঝতাম সে জোসেফের জন্য অপেক্ষা করছে। ভেতরের ঘরে আমিও লাঠি হাতে পায়চারি করা শুরু করে দিয়েছিলাম। এবং এভাবেই আরও কয়েকটি সন্ধ্যা কেটে যাওয়ার পর আমি একদিন বুঝতে পারলাম এটা শুধু মিষ্টি বা রঙবেরঙের পেস্ট্রি-মাফিন নয়, আমি আসলে জোসেফের জন্য অপেক্ষা করছি কারণ, আমি ওকে ভালোবাসি। তীব্রভাবে বুঝতে পারলাম, আমি আসলে ভেতরে ভেতরে হয়ে উঠছি ভিন্ন কেউ। আমি আর আগের মতো নেই। আমার বোনের উপস্থিতি দিন দিন আমাকে আরও বিবর্ণ করে তুলছিল এবং আমার মনে হচ্ছিল আমি আসলে শুধু কাঁধে কিংবা কোমরে বা পায়ের আকার-আয়তনে নয়, দেখতেও অবিকল আমার বোনের মতো হয়ে উঠেছি। আমার গালের জড়লটা আগে কোনোদিন এত বড় ছিল নাকি আমি খেয়াল করিনি। হয়তো ছিল বা ছিল না। তবে শুধু জড়লই না, সেই সাথে আসলেই দেহের গড়ন, চোখের দৃষ্টি ও আচরণ সবকিছু আমার বোনের মতো আমার মধ্যে ঢুকে যাচ্ছিল। যেন একটা ঘূর্ণিঝড় পাক খেতে খেতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে আমার ভেতরে। আমাদের মাঝে শুধু একটা দৃশ্যমান তফাৎ ছিল, তা হলো মাথার চুল। আমার ছিল মাথাভর্তি ঘন, গাঢ় চুল।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই পড়ুন

     

    আমার বোন আমাকে এত বিমর্ষ দেখে একদিন জিজ্ঞেস করেছিল, বাঁধাকপির স্যুপে অল্প একটু মাংসের কিমা ঢেলে দিলে আমার খেতে ভালো লাগবে কিনা। আমি মানা করে দিয়েছিলাম। আমি শুধু এবং শুধুই অপেক্ষায় ছিলাম জোসেফের। আমার বোন আমাকে জানিয়েছিল রুটিতে মাখন ও চিনি মাখিয়ে দিবে নাকি! আমি সেটা খেতেও আপত্তি জানিয়েছিলাম। পৃথিবীতে তখন সবকিছু বিস্বাদ। ট্রেন চলে যাচ্ছিল। রাত নেমে আসছিল। চলন্ত ট্রেনের জন্য আমাদের ঝুরঝুরে বাড়িটা তুলে যাচ্ছিল ঝনঝন শব্দ। আর আমি শুধু অপেক্ষায় ছিলাম একটা রহস্যময় মিষ্টি ঘ্রাণ পাওয়ার। শুধু দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিলাম জোসেফের ছায়া দেখার। আমি স্পষ্টভাবে মনে করতে পারতাম জোসেফ যখন খাবার দেওয়ার জন্য আমার ঘরে আসত, তখন সে আমার দিকে একটু ঝুঁকে তারপর খাবারের প্যাকেটটা দিত। এবং ওর সেই ঝুঁকে আসার ভঙ্গিটা, সেই দৃশ্যটা আমার সবচেয়ে প্রিয়। আমি মনে করতে পারতাম জোসেফের মোট কয় রঙের শার্ট আছে, ওর চুল ঠিক কতটুকু কাঁচাপাকা, ওর আঙুল কেমন শক্ত। আমি সব মনে করতে পারলাম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে।

    এভাবে ঠিক কতগুলো দিন পার করেছিলাম তা মনে নেই। তবে একদিন আমি আমার বহু কাঙ্ক্ষিত সন্ধ্যাটা পেলাম। হঠাৎ করে জোসেফ এসে উপস্থিত হলো আমাদের ফ্ল্যাটে। আমি সেদিনও আমার বোনের গোলাপি স্কার্টটা পরে ছিলাম। গায়ে ছিল আমার চার বছর বয়সে কেনা একটি মলিন শার্ট। সেদিন অনেকবার কলিংবেল বাজিয়েছিল জোসেফ। ওকে সেদিন উদ্ভ্রান্তের মতো দেখাচ্ছিল এবং একইসাথে কিছুটা ক্লান্ত। দরজা খুলে ওকে দেখামাত্রই আমার বোন প্রচণ্ড উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল। সে জোসেফের হাত ধরে টেনে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে যাচ্ছিল। আর আমি, সম্পূর্ণ বদলে যাওয়া এক অন্য আমি, আমার ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম। আমি বুঝতে পারছিলাম জোসেফ খুব জরুরি কিছু একটা ভুলে যাচ্ছে। জোসেফকে কিছুতেই এটা ভুলে যেতে দেওয়া যাবে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    PDF
    বাংলা কমিকস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা

     

    আমি জোসেফ ও আমার বোনের পিছু নিয়ে একই ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম সন্তর্পণে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }