Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্যারাকজম

    সাঁকো

    প্রায় অনেক বছর পর এমন কারও সাথে পরিচয়। পরিচয়টুকু পথে কিংবা গলির মাথায়। বাড়ির সামনের বিখ্যাত মিষ্টির দোকানে, ব্যাঙের ছাতার মতো সদ্য গজিয়ে যাওয়া রেস্তরায়। টঙের দোকানে কারও ভীষণ শব্দ করে চায়ে চুমুক দেওয়ায়। ছাদের অলকানন্দা ফুল কিংবা খুলনার ঝপঝপিয়া নদীর তীরে। এতবার পরিচয় কীভাবে হয় ভাবতে পারে সবাই। তবে তা ব্যাখ্যা করা দুর্বোধ্য ও জটিল। তার সাথে দেখা হবার পর থেকেই বারবার, নানা স্থানে হচ্ছে পরিচয়। আমরা দুজন অবশ্য ফেসবুকে বন্ধু নই। ইন্সটাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট কিংবা টুইটারেও আমরা একে অন্যকে দেখি না। কারণ, আমি খুঁজে দেখেছি সে এসব কিছুই ব্যবহার করে না। তারপরেও কেমন অদ্ভুত জায়গায় আমাদের দেখা হয়ে যায়।

    যেমন, মৌনতার ঘরের বারান্দা দিয়ে তার ঘর দেখা যায়। জনমানবশূন্য শহরের মতো সেই মস্ত ঘরে সে বই পড়ে সময় কাটায়। সম্ভবত মৃদু শব্দে শোনে গান। বই পড়ার সময় মাঝে মাঝে অল্প মাথা ঝাঁকায়, যেন গল্পকার ও পাঠক দুটো সে নিজেই। তারপর, ঘরের এ মাথা থেকে ও মাথা হাঁটতে থাকে। তার দেখাদেখি আজকাল আমিও খুব হাঁটতে শুরু করেছি। বাড়ির ছাদে, ঘরের ভেতরে, রাস্তায় কিংবা গলিতে আমি রিকশা না ডেকে, গাড়িতে না চড়ে হাঁটতে থাকি। আমার কেবলই মনে হয় এভাবে হাঁটতে হাঁটতেই আমাদের একদিন সত্যিই পরিচয় হয়ে যাবে। এ যুগে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে জুড়ে না থাকলে একে অন্যকে কাছ থেকে দেখার আর উপায় আছে কি? নেই। তাই আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আমি মৌনতার ঘরটা ভাড়া নিয়ে থাকি, কিন্তু তা সম্ভব না। সেজন্য ছুটির দিনগুলোতে খুব ভোরে আমি ওর বাসায় চলে যাই। ওদের বারান্দায় অনেক গাছ। বাড়ির নানা পরিত্যক্ত জিনিস সেখানে বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখা। এছাড়াও বারান্দার উপরের গ্রিলের এপাশ থেকে ওপাশে টাঙিয়ে দেওয়া তিন, চারটা লম্বা নাইলনের দড়ি। দিন-রাত সেখানে শত শত রঙ-বেরঙের কাপড় শুকাতে দেওয়া হয়। একটা টুল নিয়েও বসার জায়গা নেই। ঠেস দিয়ে দাঁড়ানোর জন্য কোনো ফাঁকা দেয়ালও অনুপস্থিত। এমন একটা জায়গা থেকে আমি তাকে দেখি। বারান্দা দিয়ে তার ঘরের দেয়ালে ক্রিকেট ব্যাট দেখে মৌনতাকে জানিয়েছিলাম। শুনে ও বলেছিল, হয়তো খেলার মাঠ নিয়ে তার অনেক স্মৃতি আছে। সে হয়তো ক্রিকেট খেলতে খুব পছন্দ করে।

    শুনে আমারও বলতে ইচ্ছা করল, আমার বাড়ির পাশে একটা মস্ত বড় খেলার মাঠ আছে। আর মাঠ পেরিয়েই একটা ঘন সবুজ পার্ক। সেই পার্কের নির্দিষ্ট বেঞ্চিতে বসলে নাকি অকারণেই সবার মন খারাপ হয়ে যায়। আমার খুব ইচ্ছা করে খেলার মাঠের পাশের এই পার্কের গল্প আমি তাকে শোনাই, কিংবা ঘর থেকে একটা বাজপাখির মতো ছোঁ মেরে তাকে তুলে নিয়ে এসে বলি, চলো দেখে আসি স্টেশনের শেষ ট্রেনটা কোন গ্রামে যায়। কী আছে সেখানে? অনেক অনেক গাছ, শান্ত নদী, লেবু বাগান, বৃষ্টির পর রংধনু আর সন্ধ্যা নেমে আসার আগেই ঝিঁঝি পোকাদের ঘোরলাগা গান!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    PDF
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    এসব ছাড়াও, আমি মনে মনে অনেকবার ভাবি তার সাথে হঠাৎ করে কোথাও দেখা হয়ে যাবে নাকি? হয়তো ব্যস্ত নগরীতে ভিড়ের মধ্যে সে হুট করে সামনে এসে খুব পরিচিত ভঙ্গিতে বলবে কেমন আছ? জানি না তখন আমি কী উত্তর দেব। হয়তো পেছন ঘুরে হাঁটতে শুরু করব বিব্রত ভঙ্গিতে। মুগ্ধতা কিংবা প্রেম যে নামই হোক, আমাকে বিব্রত করে খুব। লুকাতে পারি না, আবার চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলতেও ইচ্ছে করে না। আমি জানি আর অল্প কয়মাস পরেই মৌনতারা এই বাসা ছেড়ে দিবে। এরপর তার সাথে দেখা হবে কীভাবে? জানা নেই। যদি ওর প্লে লিস্টের গানগুলো পেতাম হয়তো গানে গানে একটা সাঁকো তৈরি করে ফেলতাম দুজন। সেখানে আমাদের দেখা হতে পারত। মৌনতা আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করে, এই মানুষটাকে নিয়ে তোর পরিকল্পনা কী?

    আমি বিশেষভাবে কিছু বলতে পারি না। এই ভালোলাগা, ঘোরলাগা কিংবা আমাদের মাঝে যেন কী মিল আছে ধরনের অনুভূতির পৃথক কোনো সংজ্ঞা আমার কাছে নেই। শুধু জানি তার কথা না ভাবলে মনে হয় এবেলায় আকাশের দিকে তাকানো পাপ। আর মনে হয় সবকিছু এভাবেই থাক। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পার্ক থেকে গলা বাড়িয়ে দেওয়া ছাতিম ফুলের ঘ্রাণ ছুঁয়ে দিক তার চিবুক। টঙের দোকানের মস্ত বড় কেতলির বিকট হুইসেল আর বাম্পগুলো ঝাপসা করে দিক ওর কালো ফ্রেমের চশমা। আমি শুধু ভুলতে চেষ্টা করে কিছু স্বপ্ন দেখে ফেলি। এই যেমন কিছুদিন আগে এক রাতে দেখলাম, এক বিষাদ জাগানো ল্যাম্পপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সে। পেছনে চেনাজানা বহু মানুষ। আমি পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, যাওয়ার সময় অকপটে ছুঁয়ে দিলাম তার হাত। কেউ দেখল না, কেউ জানল না। এরপর চলে গেলাম দূরে, বহুদূরে। শান্ত হয়ে এলো চারপাশ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বই পড়ুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    বাংলা ই-বই
    PDF
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    আবার স্বপ্নে দেখলাম কোনো এক বইয়ের দোকানে দেখা হয়ে গিয়েছে আমাদের। শেলফের শতশত বইয়ের পাতাগুলোর ভেতর থেকে অনবরত পানি ঝরে একটা নদী হয়েছে। সেই নদীতে অল্প অল্প ঢেউ। ভাসছে অজস্র বই। বইয়ের খোলা পাতার ভেতর থেকে ফুটে উঠেছে কচুরিপানা ফুল। আমরা দাঁড়িয়ে আছি দুজনেই। হঠাৎ কী যেন একটা খুঁজতে চলে গেল ও। আমি একলা দাঁড়িয়ে। আমার পায়ে বাড়ছে জড়তা। যেন ডুবে যাচ্ছি আর আটকে যাচ্ছি কোথাও। মনে হচ্ছে, মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই আলো ফুটে উঠবে, আর হারিয়ে যাবে সব। আমি প্রাণপণে চোখ বন্ধ করে রাখার চেষ্টা করতে থাকি। তারপর ভুলে যাই আমি কেন সেখানে আছি। এমন সময় কোথা থেকে আসা এক অচেনা বাতাসে কচুরিপানা ফুলগুলো দুলতে থাকে। আর নিয়ম করে পুড়তে থাকে আমার স্বপ্নের তারাবাতিগুলো।

    অফবিট

    তারপর?

    তারপর আর কিছুই না।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কবিতা
    ই-বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    আশ্চর্য! এই সোশিওপ্যাথ ধরনের রহস্যময় মানুষটার সাথে তোর কোনো কথা বা কিছুই হয়নি? বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করে আমার বন্ধু জাহিদ, যাকে আমরা মজা করে জ্যাক বলে ডাকি।

    উঁহু। আমি মাথা নাড়ি। আর জ্যাক আমার দিকে একটু সন্দেহজনক দৃষ্টি ফেলে কফিকাপে শব্দ করে চুমুক দেয়।

    আমি চুপ করে থাকি। জ্যাককে কীভাবে বলি, মাঝে মাঝে এমন সময় আসে যখন মনে হয় পৃথিবীটা একই সাথে ভয়ংকর সুন্দর এবং প্রচণ্ড বেদনায় ভরপুর। আর তাই, বারান্দায় দাঁড়ালে যখন আচমকা বিপুল বাতাসের ঢেউ এসে সমুদ্রের মতো আমার ওপর আছড়ে পড়ে, তখন আমি দুচোখ বন্ধ করে ফেলি। আজকাল এত দীর্ঘশ্বাস আসে থেকে থেকে যে মনে হয় ঝড় উঠে যাবে আকাশে। গুমোট, গম্ভীর আর ভারী এই শ্বাসের ভার নিতে পারি না।

    আমি কীভাবে ওকে বলি, মৌনতারা বাসা ছেড়ে চলে গিয়েছে মাসখানেক হলো। আর আমি তবুও ঘুরেফিরে হেঁটে যাই তার বাড়ির সামনে। আর দাঁড়িয়ে থাকি। তবে এখন সম্ভবত আমি জানি যে, সেও জানে আমি হেঁটে যাচ্ছি। আর সম্ভবত তার সাথে আমার একটা গোপন প্রেম আছে। বাস্তবতায় নিয়ন্ত্রিত এবং ফ্যান্টাসিতে অনিয়ন্ত্রিত এক প্রেম। সেখানে জীবনানন্দ দাশের সোনালি ডানার গাংচিলের সাথে আবুল হাসানের সাদা চামেলি ফুলের দেখা হয়ে যায়। অবাস্তব লাগছে? হ্যাঁ, আমারও এমন লাগে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা
    বিনামূল্যে বই

     

    সে তোর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে কোনো? জ্যাক আরেক কাপ কফির অর্ডার দিয়ে আমার পাশে বসতে বসতে বলে। আমি প্রমাদ গুনি। নিশ্চয়ই এটা মৌনতার কাজ। বাড়ি বদলের পর থেকে আমি এখনও ওদের আগের বাড়ির সামনে নিয়মিত যাই এটা বোঝার পর সে অতিরিক্ত চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস সেই কিছু একটা জ্যাককে বলেছে, আর তাই সবসময় নিজের প্যাচানো দুনিয়ায় ব্যস্ত থাকা বন্ধুটি হঠাৎ করেই বেশ সময় দিচ্ছে আমাকে। এমন গ্যাড়াকলে পড়ে নিজেকে নিজেরই লাথি মারতে ইচ্ছে হয়।

    কফিশপের বাইরের স্বচ্ছ কাঁচে ঘনিয়ে আসে ছায়া। আকাশে বেশ মেঘ করছে। বখাটে বাতাস রাস্তায়। ধুলা আর ছেঁড়া কাগজ অহেতুক উড়ছে এলোমেলো। আমি আনমনা হই আর জ্যাকের চেহারা ঝাপসা হয়ে আসে ক্রমশ। আজকাল আমার তাকে নিয়ে ভাবতে আরও ভালোলাগে। চোখ বন্ধ করলে মনে হয় সে ভীষণ কাছে। এই তো পাশে। চোখ খুললে হারিয়ে যায় সব। এমন তো মনে হয়নি আগে কোনোদিন, বরং আমি অনেকটাই ঠেকে শেখা ও টুকে নেওয়া একলা মানুষ। একটা সময় ছিল যখন শামুকের মতো খুব গুটিয়ে থাকতাম, কিন্তু এই কর্পোরেট কালচার আর সিজিআইতে ভরপুর সেলুলয়েড পৃথিবী আমাকে বদলে দিয়েছে অনেকটুকু। এ কারণে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে নিহিলিস্ট হই। নিহিলিজম চর্চাই হবে আমার এগিয়ে যাওয়া। নিহিল অর্থ যেমন কিছুই না আমিও তেমন কিছুতেই কিছু যায় আসে না ধরনের জগতে থাকব। তবে কোথাও যেন তবুও কি বাকি থেকে যায়, সে কারণেই আমি হয়তো নানা জায়গায়, নানা মানুষের মাঝে গল্প খুঁজে বেড়াই। তবে এই পৃথিবীর ৭,৭৮০ মিলিয়ন মানুষের মাঝে হুট করে উল্টা কেউ আমারই গল্পে চলে আসবে, আমার সাথে বসবাস করতে শুরু করবে তা ভাবতে পারি না। তাই যেখানে তার সাথে আমার তিন থেকে পাঁচ মিনিটের জন্যও কোনোদিন মুখোমুখি আলাপ হয়নি, তবুও কীভাবে তাকে নিয়েই এতকিছু ভাবছি, এই ভেবে নিজের মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। মনের মধ্যে প্রশ্ন ঘোরে, আমাদের মাঝে ক্লিক করলটা কোথায়?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই ডাউনলোড

     

    জ্যাকের দ্বিতীয় কাপ কফি চলে আসে। এবার দেখতে পাই আমার জন্য বাটারস্কচ আইসক্রিম অর্ডার করেছিল ও। ওয়াফেলের ভেতর থেকে মোলায়েম আইসক্রিম উঁকি দিয়ে বলে, হাউডি! কফি হাতে নিয়ে স্মোকিং জোনের দিকে যেতে ইশারা করে ও। আমি ওর পিছু নিই। কী কী যেন বলতে থাকে, আমার কানে আসে না। না শুনেই মাথা নাড়ি।

    তুই কোনো কথাই শুনছিস না তাই না? প্রায় ধমকে বলে ওঠে আমার সুদর্শন বন্ধু। আমি শূন্য চোখে তাকাই।

    আমি তোকে বললাম, অফিসে এবার প্রমোশন লিস্টে আমার নাম আসেনি। তুই মাথা নাড়লি যেন এটা খুব স্বাভাবিক। বললাম, বাড়ি বদলাব, নতুন ফ্ল্যাট খুঁজছি, তুই উত্তর দিলি না। এরপর স্মোকিং জোনে আসতে আসতে বললাম, আমার বসের বউয়ের সাথে আমার ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড হয়েছে। মিড লাইফ ক্রাইসিসে ভোগা মহিলা এখন আমার পিছু ছাড়ছে না। এত চরম কথা শুনে তুই শুধুই মাথা নাড়লি। হয়েছেটা কী তোর?

    আমি থতমত খেয়ে যাই। প্রাণপণে মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে মনে মনে নার্সারির একটা হাস্যকর ছড়া কাটি,

    অল দ্য লিটল ফিশেস আর সুইমিং ইন দ্য ওয়াটার,
    সুইমিং ইন দ্য ওয়াটার, সুইমিং ইন দ্য ওয়াটার,
    অল দ্য লিটল ফিশেস আর সুইমিং ইন দ্য ওয়াটার,
    সিপ্লশ, সিপ্লশ, সিপ্লশ, স্প্লিশ, স্প্ল্যিাশ

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গল্প
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    অল্পক্ষণে ধাতস্থ হই। তারপর জ্যাককে শান্ত করার জন্য বলি, আইসক্রিমটা দারুণ। আর ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড শুনলে আমি আগে ভাবতাম ছেলেমেয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে কিস করেছে। এখন বুঝি এর মাহাত্ম। তোর প্রমোশন কি এ জন্যই আটকে গিয়েছে? নির্মমভাবে নিজের গালের ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি চুলকাতে চুলকাতে ও বলে, আসলে রাতে থাকিনি। ডিনারে গিয়েছিলাম শুধু। ডিনার থেকে অন্যকিছু হয়ে যেতে পারে বুঝতে পেরে এড়িয়ে চলে আসছি, কিন্তু মহিলা পিছু ছাড়ছে না। তুই আমার কথাকে পাত্তা দিচ্ছিলি না বলে চাপাবাজি করলাম, কিন্তু লাভ কী? তুই তো দেখছি মঙ্গল গ্রহের বাসিন্দা হয়ে আছিস। যাই হোক, আমি বের হব একটু পর। যাওয়ার আগে তোকে বাড়ির কাছে নামিয়ে যাব?

    আমি সবগুলো দাঁত বের করে মাথা ঝাঁকাই। খানিক পরেই অল্প বৃষ্টির মাঝে আমি ওর বাইকের পেছনে উঠে বসি।

    সাবধানে বস। পড়িস না আবার। সিরিয়াস কণ্ঠে বলে জ্যাক। আর মিনিট দুয়েকের মাঝে হালকা ঝাঁকুনি দিয়ে শো করে উড়ালপঙ্খীর মতো চলতে শুরু করে ওর বাইক। জ্যামের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাইকের এঁকেবেঁকে যাওয়া, সাথে প্রবল বাতাস, একটু-আধটু বৃষ্টি আমার মনের গুমোট ভাব অনেকটুকুই দূর করে দেয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Books
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বইয়ের
    অনলাইন বুক

     

    আমি আকাশের দিকে মুখ তুলে চোখ বুজি। সাথে সাথে এটাও খেয়াল রাখি যেন পড়ে না যাই। তবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের কাছে পৌঁছাতেই আবার আনমনা হই। এখানের ছাতিমগাছটা কি আমার কথা রেখেছে? আমার কথা ভেবে বকুলের ঘ্রাণ সেই মানুষটার পিছু নিয়েছে তো? সে কি জানে, নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে আমি এখন এত কবিতা পড়ি, এত বই পড়ি যে মাথা বনবন করে ঘুরতে থাকে। সারাক্ষণ পেছনে বাজতে থাকে নানারকম ইট্রুমেন্টাল মিউজিক। মনে হয়, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি মোনালিসাকে ভুলে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে ঠা ঠা করে। আর এই স্টুপিড হৃদয় তার কথা ভাবতে ভাবতে আমার চোখে আনন্দের বাষ্প এনে দেয়। মনে হয় জাদুর শহর, প্রাণের শহর সব চাপাবাজি। ঢাকা নামের এই প্রাইভেসিহীন শহরে আমি এমন কোনো শূন্য রাজপথ খুঁজে পাব না যেখানে শুধু আমরা দুজন থাকব। তার একটা হাত তুলে এনে চেপে ধরতে পারব না আমার রাত জাগা শুষ্ক গালে। সবখানে শত শত মানুষ। আমরা পালাব কোথায়? তারপর আবার প্রশ্ন জাগে, একই রকম দেখতে দুই হাত, দুই পা, ২০৬টা হাড়, একটা হৃদয়, নাক, কান, গলা সমেত একাছের মানুষদের মাঝে আমার কেন তার সাথেই একটা গাঢ় যোগসূত্র শুরু হলো? এই অতি পুরাতন কিন্তু আধুনিক, আধ্যাত্মিক ব্যাপার শুরু করল কে? আমি নাকি সে?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার

     

    এখানে নামাই। বাকি পথটুকু হেঁটে যেতে পারবি নাকি রিকশা নিবি? আমার বাড়ির সামনের মূল সড়কে এসে জিজ্ঞেস করে জ্যাক। আমি বাস্তবে ফিরি। এক গাল হেসে বলি, এটুকু পথ, হেঁটেই যাব।

    সাবধানে যা। আর আমি রাতে ফোন করে কথা বলছি আবার তোর বিষয়ে। চোখ পাকিয়ে বলে ও। আমি মনে মনে বলি, নো ওয়ে। তবে মুখে বলি, কল করিস। আমি রাতে জেগেই থাকি।

    মাথায় হেলমেট ঠিক করে একটা স্যালুট দেওয়ার ভঙ্গি করে বিদায় নেয় ও। আর খুব ধীর পায়ে আমি বাড়ির দিকে হাঁটতে থাকি। মূল সড়ক থেকে বাড়ি ফেরার এই পথটুকু আমার খুব চেনা, খুব আপন। বাড়ি থেকে ক্রমশ ফ্ল্যাটবাড়ি হয়ে ওঠা কৃত্রিম দালান, ওষুধের দোকানের পাশের নর্দমা, মুদি দোকানের অলস আনিস চাচা, একটা জারুল, দুইটা কৃষ্ণচূড়াগাছ আর পিচঢালা মসৃণ অথচ সরু পথ আমার খুব পরিচিত। কত কত বছর ধরে এখানে আমি পায়ের ছাপ ফেলে যাচ্ছি। বাড়ি ফিরছি, বাড়ি ছাড়ছি। ওদের মতো করে এই শহরের আর কোনো পথ কি আমাকে চেনে? অবশ্য মৌনতাদের বাড়ির সামনের পথটুকু আজকাল আমাকে একটু একটু করে চিনতে শুরু করেছে। সে পথকে কি আমি প্রশ্ন করতে পারি, কেন দিনের খুব ক্ষণস্থায়ী কিছু মুহূর্তে আমার দেজা-ভু হয়? কেন মনে হয় তার সাথে আমার হয়তো পরিচয়টা আগেই ছিল। কথা হয়েছিল, দেখা হয়েছিল, কিন্তু আসলে তো এসব কিছু হয়নি। আমার মস্তিষ্কের টেম্পোরাল লোব কেন আমার সাথে এমন বেইমানি করছে? কেন পৃথিবীর সব ফুলের রঙ আমার কাছে হয়ে যাচ্ছে তীব্র সুন্দর? কেন বহু দূরে অচেনা কোনো পাখি ডেকে গেলেও আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় প্রচণ্ড সচেতন হয়ে ওঠে? মধ্যরাতে ঝিঁঝি পোকারা একসাথে কোরাস গাইতে শুরু করলে কেন ইচ্ছে হয় আমি ওদের মাঝে গিয়ে মুখ ডুবিয়ে ঘুমিয়ে থাকি? ঘুম ভেঙে যায় মাঝরাতে, আর ভাবি, এই অবেলায় সে করছে কী? তারপর আবার মনে হয়, আমাদের ক্লিক করল কোথায়? কিউপিড় কি সত্যি আছে পৃথিবীতে? বিকট শব্দে হর্ন বাজিয়ে একটা গাড়ি চলে যায় আমার পাশ দিয়ে। আর ঠিক তখনই ব্যাগে থাকা মোবাইল ফোনটা বেজে ওঠে। সম্বিৎ ফিরে আসে আমার। বাসা থেকে ফোন। কলটা ধরে মৃদু স্বরে বলি, আর দুই মিনিট লাগবে।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অডিওবুক
    Books
    বাংলা কবিতা
    বাংলা লাইব্রেরী
    PDF
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বই

     

    হাতঘড়ি দেখি। রাত প্রায় আটটা। এ সময় সেও কি বাইরে থেকে নিজের বাড়ি ফেরে? আবার এমন কি হতে পারে, আমার যা হচ্ছে তা হলো প্যারালাল ইউনিভার্সের সংঘাত। অর্থাৎ, আমরা এ জগতে অচেনা হওয়ার পোশাক পরে আছি আর অন্য জগতে একসাথে বইয়ের দোকানে খুব ঘুরছি। সে কারণেই তার প্রতি আমার এত টান। আমার ইচ্ছে করে সে যখন খাবার খাবে, আমি সেই খাবারের দারুণ কোনো স্বাদ হয়ে তার মাঝে থাকি। সে যখন প্রিয় গান শোনে, সেই গানের সুর হয়ে কানের ভেতর প্রবেশ করি। কিংবা, আমি তার কোনো বেদনার স্মৃতি হই। সে যখন কাঁদবে, সেখানে আমিই কারণ হব। আবার মোবাইলটা বেজে ওঠে। আমি কলটা কেটে দিয়ে মাথা ফাঁকা করতে করতে দ্রুত পা চালাই।

    নিজের ঘরে এসে ক্লান্ত লাগে খুব। কাঁধের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলি বিছানায়। তারপর সোজা চলে যাই শাওয়ার নিতে। অনবরত মাথার উপর বৃষ্টির মতো ঝরে যাওয়া এই জলের সাথে আমার একান্ত সময়। এই সময়টা আমি সবচেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন। থাকতে পারি সবকিছু থেকে। প্রতিটি জলের ফোঁটা আমার ক্লেদ, ক্লান্তি আর বিষণ্ণতা মুছতে থাকে। দীর্ঘ সময় তাই অকারণেই ঝরনার নিচে দাঁড়িয়ে থাকি। প্রায় মিনিট চল্লিশেক পর বের হই। হালকা লাগে ভীষণ। ডাইনিংটেবিল থেকে প্লেটে অল্প কিছু খাবার নিয়ে নিজের ঘরে চলে এসে একটা সিরিয়াল ছেড়ে দিই। আসলে ওটায় মন নেই শুধুই সফট নয়েজের জন্য চালিয়ে রাখা। আশা করছি জ্যাক রাতে ফোন করবে না; প্রাক্তন প্রেমিকা, অফিসের ক্যাচাল নিয়ে এমনিতেই সে সবসময় খুব চাপে থাকা মানুষ। আজ বহুদিন পর দেখা হলো, আগে প্রতি সপ্তাহেই আজ্ঞা হতো। সেই দিনগুলো হারিয়ে গেলেও বন্ধুত্ব ঠিকই টিকে আছে। জানি না মৌনতা আমাকে নিয়ে ঠিক কতটুকু বলেছে ওকে। তবে, আমার নিজের কথা কাউকে বলতে ভালো লাগে না। একদমই না।।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পত্রিকা
    Books
    PDF
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    এরচেয়ে মনে মনে তার সাথে কথা বলা ভালো। আমি কি তার সাথে কথা বলতে যাব? একদিন সরাসরি সামনে গিয়ে বলে বসব, আমাদের কথা বলা উচিত। সে নিশ্চয়ই চোখেমুখে বিশাল বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে ফেলবে। আর আমাকে পালানোর পথ খুঁজতে হবে। নাকি কোনো পাঞ্চ লাইন দিয়ে জিজ্ঞেস করব, হ্যালো, তুমি কি কোনো বিখ্যাত ব্ল্যাক কফি? তা না হলে তোমাকে ভাবলে আমার ঘুম আসে না কেন? ছিঃ! খুব বাজে ছিল। এসব কেন ভাবছি? বাদ, সব বাদ। বরং পরিকল্পনা করি, আজকে আগে আগে ঘুমিয়ে যেতে চেষ্টা করব। তবে তা সম্ভব হয় না, আমাকে ভুল প্রমাণ করে, ঠিক মধ্যরাতে জ্যাক ফোন করে। ওর কলটা ধরব না ভেবেও ধরে ফেলি।

    তুই কী কিছু বলবি আমাকে আর ওই বিষয়ে? ফোন করেই গম্ভীর স্বরে বলে জ্যাক। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকি।

    কিছু তো বল। হালকা লাগবে। ওই বিখ্যাত সিনেমাটা দেখিসনি, যেখানে প্রশ্ন করা হয় মানুষ নিজের গোপন কথা কাউকে বলতে না পারলে কী করবে? উত্তর দেওয়া হয়, শহরের শেষপ্রান্তের কোনো গাছের ভেতর গর্ত করে, সেখানে ফিসফিস করে নিজের মনের কথা বলে গর্তটা মাটিচাপা দিয়ে বন্ধ করে দিবে। তোর তো এত খারাপ দিন আসেনি। আমাকেই একটা গাছ হিসেবে ধরে নিয়ে কিছু তো বলতে পারিস। বলতে বলতে জ্যাকের কণ্ঠ নরম হয়ে আসে কিছুটা।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস

     

    আমিও ঢোক গিলি, সময় নিই।

    তারপর বিড়বিড় করে বলি, আমার রোজকার কাজে সে নিয়ত আসা-যাওয়া করতে থাকে।

    আর? প্রশ্ন করে জ্যাক। আমি চুপ করে যাই। আর মনে মনে ভাবি, এভাবেই তাকে নিয়ে প্রাণপণে অভ্যস্ত হতে চেষ্টা করছি। যেভাবে আমি প্রথম অভ্যস্ত হয়েছিলাম যখন আমাকে মাইনাস পাওয়ারের চশমা নিতে হয়েছিল। আগে আমি ভাবতাম চশমা একটা কদাকার বস্তু, মানুষের চোখ হবে বাহুল্য ছাড়া। অথচ আশ্চর্যের বিষয়, চশমাটা আমার চেহারায় মানিয়ে গেল। গত পনের বছরে সেই বাহুল্যকে আমি আপন করে নিয়েছি। তবে আমার চশমা আমাকে পীড়া দেয় না। সে দেয়। আমার খালি মনে হয় সেও আমাকে দেখে, শুধু দেখে। সে কি অন্যজগতে আটকা পড়া মানুষ? কথা বলতে পারে না? তবে সে কথা বলতে আসলে হয়তো আমি ইশারায় বলতাম, সসসসস… তারপর তার কপালের সাথে নিজের কপাল ঠেকিয়ে চুপচাপ বসে থাকতাম কয়েকঘন্টা। আমাদের হয়তো তখন কথা হতো, কিন্তু হতো না কোনো শব্দ। এমন যোগাযোগ চলত যা শুধু আমরাই শুনতাম।

    হ্যালো, শুনতে পাচ্ছিস? কথা বলছিস না কেন? ফোনের অন্যপাশ থেকে ডাকতে থাকে আমার চিন্তিত বন্ধু। আমি তবুও চুপ করে থাকি।

    আমার সাথে কথা বল। মৌনতা আমাকে সব বলেছে। এসব ফ্যান্টাসি থেকে বের হয়ে আয়। ঠান্ডা স্বরে বলে ও।

    কী বলেছে? ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করি আমি। যা বলার বলেছে, তুই হয় আমাকে সব বলে নিজেকে হালকা কর। নয়তো মাথা থেকে সব ঝেড়ে দে। এসব কিছুই নেই।

    নেই মানে? খেই হারিয়ে ফেলার মতো প্রশ্ন করি আমি।

    নেই, এমন কোনো মানুষ নেই। ও বাসাটা খালি। বহুদিন থেকেই। মৌনতা আগেই বলেছে তোকে, তুই একাই নানাকিছু ভেবে যাচ্ছিস। এসব তোর নিজের প্যারাকজমের প্যারা। নিজের কল্পজগৎ। বাদ দে। আমি জানি চেষ্টা করলেই পারবি।

    আমার মাথায় উঠে যায় ঝড়। একটা তুমুল কালো মেঘময়, বিষণ্ণ ঝড়। সেই ঝড়ে জ্যাকের কথা আবছা হয়ে আসে। আমি শুধু ভাবি, আমার আজকাল খুব ঘুম পায়, কিন্তু শান্তিমতো ঘুমাতে পারি না। সেকি শিশুর মতো ঘুমায়? আমি কল্পনা করতে চেষ্টা করি এবং বুঝি, যে যাই বলুক, বোধ থেকে বোধের, সুর থেকে সুরের আর ঠিক-বেঠিকের সীমারেখা পেরিয়ে যে গাঢ় সবুজ মাঠ আছে, সেখানে তার। সাথে আমার যোগসূত্র। সে আমাকে দেখেছে কিন্তু আসলে শুধু আমাকে দেখেনি, সে আমার ভেতরের বইটার হার্ড কভারে হাত বুলিয়ে পড়ার জন্য পাতা উলটে ফেলেছে। আর পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত লকারে রেখে দেওয়া সেই বই কেউ দেখে ফেলেছে বুঝতে পেরে আমি ভেতরে ভেতরে থতমত খেয়ে কেঁপে উঠেছি। আমি তার হাত ধরতে চাই চাহিদা থেকে না, তার সাথে যোগাযোগ করতে, অনুভব করতে। কপালের সাথে কপাল ঠেকাতে চাই চিন্তাগুলো ছড়িয়ে দিতে। একটা। মন্থর, স্পন্দিত নদীর মতো।

    হ্যালো… তুই ঠিক আছিস? কথা বল প্লিজ। জ্যাক আবার ডেকে যায়।।

    আমি কিছুই শুনি না। হ্যাঁ, হয়তো ওরা ঠিক। আসলে হয়তো তার সাথে। আমার কিছুই নেই। আসলে এই পৃথিবীতে সে নেই। মৌনতার উল্টা দিকের বাসাটা বরাবর খালিই ছিল। সেখানে গেলে সবাই হয়তো দেখতে পাবে, ভাড়াটিয়া চাই নামে ঝুলছে বিবর্ণ কোনো সাইনবোর্ড। এইসব আমার ঘুণে ধরা মস্তিষ্কের প্যারাকজম। আমার লিখতে না পারা ভালোবাসার ১০০ সনেট। আমার আশ্চর্য সাম্রাজ্য, সুখী ফানুস। তাতে কী? আমার জন্য তো এসব সত্যি। ভীষণ সত্যি। আর তাই এই প্রত্যাখ্যাত হওয়ার খালি খালি ভাব নিয়ে যখন আমি হাওয়ায় ভেসে যাওয়া কোনো বিষণ্ণ শুকনো পাতার মতো উড়তে থাকি, তখনই জেনে যাই আমাদের মাঝে যোগসূত্রটা আসলে কোথায় এবং কীভাবে? জেনে যাই, বনভূমি লোকালয় থেকে কেন এত দূরে থাকে। হ্যাঁ, ঠিক সে কারণে, সেই একই কারণে সে আর আমি পাশাপাশি থাকি; কাছাকাছি থাকি…

    ফোনের অপর প্রান্ত থেকে আমাকে আমার কাছের কেউ বার বার ডেকে যায়। আমি উত্তর দিই না। বরং, দূরের কারও জন্য আমি সবকিছু ছেড়ে তার সাথেই জলের মতো ঘুরতে থাকি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }