Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অরিগামির গোলকধাঁধায় – মাহরীন ফেরদৌস

    মাহরীন ফেরদৌস এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক কামরার ঘর

    এক কামরার ঘর

    ধীরে ধীরে চোখ খুললাম আমি। মাথা ভার হয়ে আছে বেশ, সেই সাথে ধোঁয়াটে। মনে হচ্ছে অবেলায় ঘুমিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখার পর যেমন লাগে তেমন কিছু। চারপাশে ভালো করে তাকানোর আগেই টের পেলাম শার্টের পকেটে মোবাইল ফোনটা শব্দ করছে, ঘড়ঘড়, ঘড়ঘড়…। ফোন বের করে দেখি; আর মাত্র দুই পারসেন্ট চার্জ আছে, স্টুপিড পাওয়ার সেভিং মোড। কোনোই লাভ হয় না। মনে মনে ভাবলাম। ব্যাগে চার্জার নিয়ে বের হইনি। একটা পাওয়ার ব্যাংক কিনব কিনব ভেবে কেনা হচ্ছে না। প্রোক্র্যাটিনেশান? নাকি নিজের আদিখ্যেতা? জানা নেই ৷

    পানি আছে?

    কণ্ঠ শুনে চমকে তাকাই। এ কী! এ দেখি বড় আপা! আপা এখানে কীভাবে এলো? ব্যাকপ্যাক থেকে হাতড়ে পানির বোতল বের করার চেষ্টা করতে থাকি। পোস্টার টিউব, কিছু ফাইল-খাতা ও বক্সের মাঝে বোতলটা পেয়েও যাই। পানি আছে মাত্র কয়েক ঢোক খাওয়ার মতো। আপার দিকে এগিয়ে দিই।

    আমার চোখে-মুখে ঘুরতে থাকে প্রশ্ন প্রশ্ন ভাব। তার আজকে অফিস নেই? আপা পানি খাওয়ার জন্য বোতলের ক্যাপ ঘোরাতে থাকে। আমার চারপাশটা হঠাৎ একই সাথে হয়ে ওঠে নীরব ও সরব। টের পাই কখন সে বোতলের সাদা ক্যাপটা ঘোরাল, ক্যাপটা খুলতেই ভেতর থেকে একটা ফাঁপা শব্দ বেরোল। আস্তে আস্তে সে সেটা এক হাতে মুঠো করে ধরে অন্য হাতে মুখের কাছে নিয়ে গেল। ঢোক গিলল, পানি খাওয়ার আগেই। গলা শুকিয়ে ছিল; এরপর অল্প অল্প করে পানি খেতে শুরু করল। আমি তার নিশ্বাস, ভিজে ওঠা গলার ও পানির সব ধরনের শব্দ শুনতে পেলাম। শুনতে শুনতে ভারী হয়ে উঠল আমার নিশ্বাস। টানটান হয়ে এলো ইন্দ্রিয় ও চেতনা। যেন এখনই, ঠিক এখনই আমি শূন্যে লাফ দেব। সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্ম শব্দও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল। গায়ের সব লোম গেল দাঁড়িয়ে। সাথে সাথেই লম্বা করে শ্বাস নিতে শুরু করলাম আমি। এখনই বুকের ভেতরটুকু লক্ষ টন পাথরের মতো ভারী হয়ে উঠবে, এর আগেই আমাকে শান্ত হতে হবে। এমন হয় আমার সাথে। কেন হয়, কবে থেকে হয় তাও বুঝতে পারছি। সত্যি বলতে এমন লাগাটা মন্দ লাগছে না। আরও অনেক কিছু অনুভব করতে পারছি। যেমন একাকিত্ব। আপনারা কি কখনো একাকিত্ব অনুভব করেছেন? সত্যিকারের একাকিত্ব। কোনো কবির বানোয়াট কবিতার মতো নয়। কিংবা কখনো উপেক্ষার কিংবা অপেক্ষার ঘ্রাণ নিতে পেরেছেন? এমন কি হয়েছে অদৃশ্য কিছু আপনার তর্জনী ধরে টেনে নিয়ে গিয়েছে অনেক দূরের কোনো পথে? এসব কিছু আমার সাথে হয়েছে। শুধুই আমার সাথে।

    আপার সাথেও অবশ্য অনেক কিছু হয়েছে। ও বিশ্বাস করত বাড়িতে জুতা উপুড় করে রাখলে ঝগড়া হয়। থেকে থেকে জুতা উপুড় হয়ে পড়ে থাকত দরজার কাছে। ও বারবার ঠিক করত। হলুদ রঙ পরলে মনে করত কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে। নাকফুলের পাথর কিংবা পুশ হারিয়ে গেলে ভাবত তার স্বামী মারা যাবে। এক শুক্রবার, নাকফুলটাই নাক থেকে পড়ে হারিয়ে গেল। সারাবাড়ি তন্ন তন্ন করে খুঁজেও সে পেল না। পাশের বাড়ির বাড়িওয়ালার পঙ্গু মেয়েটার সাথে জিন ছিল। সন্ধ্যারাতে সেই জিনকে ডাকা হলো নাকফুলের খোঁজে। সারা ঘর অন্ধকার, আগরবাতির তীব্র ঘ্রাণে নিশ্বাস নেওয়া দায়, মাথার ওপর শোঁ শোঁ করে ঘুরছে ফ্যান। তাতে আগরবাতির ঘ্রাণ আরও ছড়িয়ে যাচ্ছে। চারপাশে থাকা সবাই বিড়বিড় শব্দে দোয়া পড়ছিল। হঠাৎ ঠন করে একটা শব্দ হলো, কী যেন একটা পড়ল ঘরের মেঝেতে। আর জানালার বাইরে একটা বিড়াল শব্দ করে ডেকে উঠল। নিশ্চুপ হয়ে গেল সবাই। কে যেন লম্বা সালাম দিয়ে জিনকে নাকফুলের কথা জিজ্ঞেস করল, আর এমন সময় সেই গহিন অন্ধকারের মাঝে প্রায় কঙ্কালসার দেহের ভেতর থেকে আরেকজন বজ্রকণ্ঠে বলে উঠল,

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    PDF
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    নতুন উপন্যাস
    Library

     

    দক্ষিণ-পূর্ব দিকের ঘরের, ডানপাশে থাকা কাঠের আলমারির নিচে পড়ে আছে নাকফুল।

    শুকরিয়া, শুকরিয়া বলতে বলতে মুখে প্রায় ফেনা তুলে ফেলল ঘরের সবাই। ঘরের বাতি জ্বালিয়ে দিল কেউ। অবাক হয়ে দেখলাম ঠকঠক শব্দ আসছে পঙ্গু মেয়েটির কাছ থেকে। তার বিকল দু-হাতের হাড়ে অদ্ভুত ঠোকাঠুকি। তার মা ছুটে গিয়ে দোয়াদরুদ পড়ে, মাথায় পানি দিয়ে তাকে ঠান্ডা করল। নাকফুলটা পাওয়া গিয়েছিল। ঠিক আলমারির নিচেই। আপা হাসল, হাসল আম্মা; প্রতিবেশীরা। সেই পঙ্গু মেয়েটা হেসেছিল কি না জানতে পারিনি।

    আমার মনে পড়ে, ছোটবেলায় আপা নিজেকে ঘুমন্ত রাজকুমারী ভাবত। মনে করত সোনার কাঠি, রুপার কাঠি এদিক-সেদিক করে কোনো এক রাজকুমার এসে তার ঘুম ভাঙিয়ে রূপকথার রাজ্যে নিয়ে যাবে। একদিন আমাদের বাড়িতে এলো এক অন্ধ ফকির। আপা তাকে একটা বাক্সে করে খাবার দিতে গেল। সে তখন প্রশ্ন করল, বল দেখি মা, পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি জিনিসের নাম কী?

    আপা বলল, চিনি।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    হলো নারে মা, ভুল বললি। কাষ্ঠ হেসে বলল ফকির। পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি জিনিস হলো মানুষের মুখের কথা। সুন্দর কথার চেয়ে মিষ্টি কিছু নেই ৷ মা রে, তুই আর ঘুমিয়ে থাকিস না। কেউ আসবে না। কটু হলেও এই সত্য কথা তোকে বলে গেলাম। এই বলে বাক্স আর লাঠি হাতে সেই অন্ধ ফকির বাতাসে মিলিয়ে গিয়েছিল। আমিও তাই সেদিন থেকে আপাকে বলতাম, ওয়েক আপ, কেউ আসবে না তোমার জন্য প্রিন্সেস অরোরা। আর, ঘুমিয়ে থেকো না।

    আপার পানি খাওয়া শেষ। সে বোতলটা আমার দিকে এগিয়ে দেয়। আমি খালি বোতলটা হাতে নিই। পাশের দেয়ালে একটা বিশাল বড় ম্যাপ টাঙানো। এত এত দেশ, মহাদেশ থাকার পরও আমার কিউবার দিকে চোখ চলে যায়। ম্যাপে দেখতে পাই ক্যাপিটাল অব কুবা হাভানা শহরকে। এ শহরের ওল্ড টাউনেই আর্নেস্ট হেমিংওয়ে নিজের হাতে লিখেছিল,

    মাই মোহিতো ইন লা বোদেগুইতা, মাই ড্যাকেরি ইন এল ফ্লোরিদিতা।

    এই লাইনটা আমার মাথায় বাজতে থাকে। যদিও আমি মনে করতে পারি না; কবে, কোথায় প্রথম পড়েছিলাম এই লাইন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বই পড়ুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার

     

    আর পানি নেই? থাকলে আম্মাকে দেওয়া যেত। আপা আমাকে বলে।

    আমি কিছুটা চমকে উঠি। আম্মা কোথায়? ডানপাশে তাকিয়ে দেখি বেঞ্চির মতো চেয়ারে বসে আছেন তিনি। তাকে ঘিরে কিছু ধোঁয়া কিংবা কুয়াশা। ঝাপসা লাগে। শীতকাল চলে এসেছে? ভোর নাকি এখন? এবার ভালো করে ঘরটা দেখি। না, ঘর নয়–কামরা। হয়তো ট্রেনের কিংবা উন্নত মানের বড় কোনো যাত্রীবাহী বাসের। আট বাই দশ ফুট ঘর। দেয়ালের রঙ হালকা সবুজ; কিংবা কালো। আবছা আলোতে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। আপা ঘাড় কাত করে গাল চুলকাচ্ছে। তার মুখে বেশ কিছু ব্রণ। আমি সেগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি। ব্রণ থাকলেও আপার মুখে কোনো দাগ নেই। পরিচ্ছন্ন, নমনীয় মুখ। পাঁচবেলা ওজু করার কারণে হয়তো তার ত্বকে আলাদা আর্দ্রতা আছে। আবার ঘরটা দেখি আমি, দেয়াল মসৃণ। খুব মৃদু একটা রঙের ঘ্রাণ পাওয়া যায়। হয়তো রঙ করেছে অনেকদিন হয়নি। ঘরের কোণে ঝাড়বাতির মতো নকশা করা লালচে বাতি। দেয়ালে মস্ত বড় ম্যাপ। ব্যস। আর কিছু নেই। একটা জানালা থাকতে পারত হয়তো। সেটাও নেই। এমন জানালাহীন ঘর দেখতে ভালো লাগে না। আপার সাথে কোনো ব্যাগ দেখতে পাই না। টাকাপয়সা, ব্যাগ ছাড়া চলে এলো কী করে? নাকি কেউ জুতা উপুড় করে রেখেছিল বলে ঝগড়া হয়েছে কোনো। সে কারণে রাগ করে বের হয়ে এসেছে? না, না, তার তো অফিস ছিল। তা হলে হয়তো অফিসে কিছু হয়েছে। এদিকে আম্মাকে পাশে থাকার পরেও কেমন দূরের মনে হয়। এটা যদি একটা বাস বা ট্রেন হয় তা হলে এটা কোথায় যাচ্ছে? আপা কি জানে? জানে নিশ্চয়ই। এই কামরা থেকে বের হয়ে পানি খুঁজে পাওয়া যাবে তো?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    আমি ব্যাকপ্যাক কাঁধে নিই। হাতে পানির বোতল। পানি আনতে হবে। আপা চোখ তুলে আমার দিকে তাকায়। তারপর বলে, জলদি পানি নিয়ে আয়। যদি আনতে পারিস।

    আমি জানালাহীন ঘরটায় দরজা খুঁজতে থাকি। ডানে-বামে যেদিকেই তাকাই না কেন, প্রথমে খুঁজে পাই না কোথাও। এরপরেই দেখি আমার বসার জায়গার ঠিক পেছনেই একটা ছোট্ট দরজা। রঙ গাঢ় খয়েরি। সেই দরজা এতই ছোট যে একটা দশ বছরের শিশুকেও নিচু হয়ে যেতে হবে। আমি সেদিকে এগিয়ে যেতে থাকি। ব্যাগটা ভালো করে কাঁধে নিয়ে এরপর ঝুঁকে যাই। হামাগুড়ি দিয়ে অল্প করে এগোই। দরজার কাছে গিয়েই দেখি বাইরে থেকে একজোড়া চোখ আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মনে হয় আরেকটু হলেই চিৎকার করে উঠতাম। শেষ মুহূর্তে নিজেকে সামলে নিই। একজন মহিলা। বয়স চল্লিশের কাছে হবে। কোঁকড়া চুল। দৃষ্টি যেন কেমন। তাকে কিছু বলব নাকি বলব না ভাবতে ভাবতে আমি পিছিয়ে যাই দেয়ালের দিকে। আপা ছুটে আসে পাশে। আসেন আসেন বলে মহিলার এক হাত ধরে তাকে অনেকটাই টেনে কামরার ভেতর ঢোকায়।

    পানি আছে? কামরায় ঢুকেই ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠে জিজ্ঞেস করে মহিলা।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    গ্রন্থাগার
    PDF
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক

     

    আপা আর আমি মুখ চাওয়া-চাওয়ি করি। আপা বলে, আমার ভাই আনতে যাচ্ছে পানি। আমি অনিশ্চিত ভঙ্গিতে সায় দিই।

    মহিলা তখন বলে, আচ্ছা আমিও তা হলে তার সাথে গিয়ে পানি খেয়ে আসি।

    তাকে নিচু হয়ে দরজার দিকে এগিয়ে যেতে দেখে আপা কিছুটা অস্থিরতার সাথে বলে, কিন্তু আপনি তো যেতে পারবেন না। তারপর আমার দিকে ইশারা করে বলে, আসলে আমার ভাইটাও হয়তো যেতে পারবে না। তবু চেষ্টা করছিল। শুধু মনে হয় আম্মা পারবে। তাই না আম্মা?

    আম্মা কিছু বলেন না। শুধু মুখ তুলে তাকান। তার মুখের বলিরেখাগুলো কেমন প্রকট হয়ে একটা শিশুর এলোমেলো চিত্রকর্ম হয়ে যায়। আমি দেখতে পাই তিনি মুখ খুলছেন কথা বলার জন্য। ধীরে, ধীরে, খুব ধীরে। তার চোখের মণি বড় হচ্ছে, কিন্তু কথা আসছে না কিংবা বলছেন, শব্দ হচ্ছে না। আপা আম্মার দিকে কিছুটা ঝুঁকে বলেন, আপনি পানি আনতে পারবেন আমাদের জন্য? আম্মার মুখটা লম্বাটে হতে থাকে। চোয়াল স্কুলে পড়ে যেন চামড়ার ভারে। এডভার্ট মুংখের দ্য স্ক্রিম নামের পেইন্টিংয়ের মতো লাগে আম্মার মুখটা। মনে হয় এখনই সে দুই হাত দুই কানে দিয়ে মুখ হাঁ করে আর্তনাদ করে উঠবে। বোবা মানুষের মতো কিছু বলার জন্য মুখ ঘোরাতে থাকেন আম্মা। আমরা কিছুই শুনতে পাই না। পাশের মহিলা হঠাৎ ভয় পেয়ে যান।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Library
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুক

     

    বিড়বিড় করে বলেন, উনার কী হয়েছে?

    আপা বললেন, কিছুই না। আমরা যে উনাকে দেখতে পাচ্ছি উনি জানেন। তাই এমন করছেন।

    দেখতে পাবেন না কেন? উনার চারপাশে এত ধোয়া কেন? উনি কি অসুস্থ? আবার প্রশ্ন করেন মহিলা। এবার যেন ভয়ের সাথে সাথে শঙ্কা যোগ হয়।

    আপা সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকায় মহিলার দিকে, তারপর বলে–আপনি জানেন কিছু এখনও তা হলে?

    কী জানব? পাল্টা প্রশ্ন করে মহিলা।

    থাক বাদ দিন। আপা হাল ছেড়ে দেয়। এরপর গভীর মনোযোগে ম্যাপের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমার মনে হয় ম্যাপটা ঘুরছে অল্প অল্প করে মেঘের মতো। হলুদ, কমলা, গোলাপি, সবুজ, গাঢ় সবুজ, নীল সব রঙের ছড়াছড়ি। একদম উপরে ইংরেজিতে ক্যাপিটাল অক্ষরে লেখা দ্য ওয়ার্ল্ড। আপা সেদিকে তাকিয়ে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে। মহিলা তার উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখে যেন উষ্ণ হয়ে ওঠেন।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা গল্প
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    আবার ফ্যাসফ্যাসে স্বরে বলেন, বললেন না কী জানব? আপা উত্তর দেয়। মহিলা এবার আমার দিকে তাকায়। আমি চুপ করে থাকি। ঘাড় হেঁট। আমি জানি না কিছুই। কী বলব আমি? উত্তরের আশা না দেখে মহিলা আবার নিচু দরজার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। আমি বুঝতে পারি সে আমাদের উন্মাদ বা পাগল ভেবে বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। সে চলে যাওয়ার জন্য উদ্যোগ নিতেই চঞ্চল হয়ে ওঠে আপা। ঝট করে ছুটে গিয়ে মহিলাকে ধরে ফেলে। ঝটকা মেরে তাকে সরাতে চান তিনি। ধমকে উঠে বলেন, আমাকে ছাড়ুন। যেতে দিন।

    আপা রীতিমতো মরিয়া হয়ে আমার দিকে তাকায়। আমি কী করব বুঝে উঠতে পারি না। মহিলাকে ধরে রাখব? নাকি এভাবে মহিলাকে বাধা দিতে যাওয়া নিয়ে বড় কোনো ফ্যাসাদ ঘটবে? বুক ধুকপুক শুরু করে দেয়। নিরুপায় হয়ে আপা আমাকে কোনোক্রমে চোখের ইশারায় ডাকল। মহিলা এদিকে আপার সাথে ধস্তাধস্তি শুরু করে দিয়েছে। তাকে আটকে রাখতে পারছে না। আমি কাঁধের ব্যাগ ফেলে ছুটে গিয়ে মহিলার দুই হাত শক্ত করে ধরি।

    ছাড় আমাকে তোরা, ছাড়। তুই-তোকারি শুরু করে দেন মহিলা। আমি দ্বিধান্বিত হয়ে ধরে রাখি তাকে। আপার মুখ-চোখ শক্ত হয়ে আসে। সে আমাকে প্রায় ধমকে বলে, বলে দে উনাকে সব।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বই
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    আমি বিস্মিত হয়ে তাকাই, কী বলব? আমাকে কী বলতে বলা হচ্ছে বুঝে উঠতে পারি না। কী বলার ছিল এই মহিলাকে? আমি তো উনাকে চিনিই না। আগে কোনোদিন দেখিনি। তা হলে কী বলার থাকতে পারে?

    আমাকে চুপ করে থাকতে দেখে আপাই এবার চিৎকার করে ওঠে, -শান্ত হন, শান্ত হন। আপনি এই ঘর থেকে বের হতে পারবেন না এখন। এখানে এসেছেন তাও তো বেশিক্ষণ হয়নি। সে জন্য তো আরও পারবেন না। শুধু শুধু চেষ্টা করলে আরও বিপদ হতে পারে।

    -মানে? আর্তনাদ করে ওঠেন মহিলা। তার ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠ দেয়ালে বাড়ি খেয়ে ফিরে আসে। প্রতিধ্বনিত হয়। আপা এবার শক্ত হাতে আটকে ধরে মহিলাকে, তারপর কণ্ঠ শান্ত করে বলে– আপনি, আমি, আমরা এখানে সবাই এক রকম। না, আসলে ভুল বললাম, আমরা তিনজন এক। আম্মা আমাদের মতন নয়। উনি ভিন্ন। তবে আম্মা আমাদের দেখতে পাচ্ছেন। এই যে অদ্ভুত ধোঁয়া, এটা পৃথিবীর, প্রাণের। আপনি দিশেহারা না হওয়ার চেষ্টা করুন। বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আমরা বহুদূরে চলে যাচ্ছি। আর কিছুক্ষণ পর হয়তো আম্মাও আর আমাদের দেখতে পাবেন না। বাইরে কী হবে, কী আছে কে জানে? কেন অযথা ঝামেলায় পড়বেন?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা ভাষা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য
    গ্রন্থাগার

     

    আমরা তিনজন কেন এক? কেন ওই মহিলা ভিন্ন? এর মানে কী দাঁড়ায়? ভাঙা স্বরে এটুকু বলেই প্রায় মাটিতে বসে পড়েন মহিলা। আর আমরা কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই হু হু করে কেঁদে ওঠেন। এই প্রথম আমার মনে যেন বিষাদ জেগে ওঠে। এতক্ষণ কিছুই যেন বুঝে উঠতে পারিনি। আপা সবকিছু বলার পরেও। মহিলার কান্নার দমকে আমার মনে পড়ে যায়, আমিও তো তা হলে চলে যাচ্ছি কোথাও। আগের কিছুতে আর ফিরে যাওয়া হবে না। কোথায় যাচ্ছি তাও জানি না। সবকিছু বাদ দিয়ে আমার তখন শুধু একজনের মুখ মনে পড়ে। যাকে রেখে এসেছি ফেলে আসা পুরোনো জীবনে। কেমন ওলট-পালট লাগে আমার। কোনো কিছুর সাথে কোনো কিছুর পার্থক্য তুলে ধরতে পারি না। মনের মাঝে কেমন যেন ফাঁকা সংঘর্ষ কাজ করে। মনে হয় বিনা রক্তপাতেই ভেতরে ভেতরে একের পর এক গুলি খেয়ে যাচ্ছি। দেখতে পাই, আপা দুই হাতে জড়িয়ে ধরেছে মহিলাকে। আর তিনি কেঁদেই যাচ্ছেন।

    অদৃশ্য এক যন্ত্রণা আমার কানের কাছে এসে বাঁশি বাজাতে থাকে। বেশি কিছু আর ভেবে উঠতে পারি না। দেখতে পাই, আম্মা ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় আরও ঝাপসা হয়ে যাচ্ছেন। আমি কয়েক মুহূর্ত থমকাই, তারপর নিপুণভাবে আমার পোস্টার টিউব থেকে কাগজ; ব্যাগ থেকে স্কেল আর পেন্সিল বক্স বের করি। খুব দ্রুত এখন আমাকে একটা জরুরি কাজ করতে হবে। আম্মা থাকতে থাকতেই তার শেষ অভিব্যক্তিটা আঁকতে হবে। যেভাবেই হোক। পাবলো পিকাসো, সালভাদোর দালি কিংবা এডভার্ট মুংখের মতো না হলেও কারো মতো; কিংবা আমার নিজের মতো। তবু আঁকতে হবে। আমি মিডিয়াম সার্ফেস ড্রয়িং পেপারে প্রিয় ফেবার ক্যাস্টেল পেন্সিল দিয়ে আঁকতে শুরু করি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    আমার আম্মা, প্রিয় আম্মা ধীরে ধীরে মুছে যাওয়া কোনো স্মৃতির মতো ঝাপসা হতে থাকেন। আর আমি মেঝেতে কাগজ বিছিয়ে দ্রুত পেন্সিল চালাতে থাকি। আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় প্রখর হয়ে যায়। মনে হয় আমার মাথার ভেতরে কোনো সিঁড়ি জন্ম নিয়েছে, সেই সিঁড়ি বেয়ে আমি দ্রুত উঠে যাচ্ছি মহাকাশের দিকে। ধনুকের ছিলার মতো টানটান হয়ে থাকি। যেন সময় থেমে যায়, কিংবা হয়তো থেমেই ছিল। আগে বুঝতে পারিনি। এক বুক পানির তৃষ্ণা নিয়ে আমি তিন আঙুলে শক্ত করে কাঠপেন্সিলটা ধরে সাদা কাগজে ঘষতে থাকি। ঘষতেই থাকি। সবুজ দেয়ালের ঘ্রাণ, রঙিন হয়ে থাকা বিশ্বম্যাপ, অপরিচিত এক মহিলার কান্নার শব্দ আর আপার গায়ের খুব চেনা ঘ্রাণে ভরে উঠতে থাকে ছোট্ট কামরাটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন
    Next Article সাইকো ২ – রবার্ট ব্লক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }