Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. অর্জুনের ঘুম ভাঙল

    অর্জুনের ঘুম ভাঙল বাবা সিং-এর ডাক শুনে। সে চোখ খুলে দেখল বাবা সিং-এর হাতে চায়ের পট এবং গ্লাস। বাবা সিং বলল, গুড মর্নিং স্যার।

    গুড মর্নিং। অর্জুন উঠে বসল।

    উত্তমের কাছে শুনলাম, খুব কষ্ট হয়েছে কাল। বাবা সিং বলল, আগে চা খেয়ে নিন, তারপর টয়লেটে যাবেন।

    চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে অর্জুন জিজ্ঞাসা করল, খিলজিসাহেব কোথায়? বাবা সিং চারপাশে তাকাল, ওঁকে তো দেখতে পাইনি স্যার। আপনাদের দু’জনের জন্যে চা নিয়ে এসেছিলাম। দেখলাম আপনি একাই তাবুতে আছেন।

    সেকী! এই ঠান্ডায় বরফের মধ্যে কোথায় যেতে পারেন উনি। টয়লেটে যাননি তো?

    অর্জুনের প্রশ্ন শুনে বাবা সিং তাবু থেকে বেরিয়ে গেল। ফিরে এল খুব দ্রুত, না স্যার। টয়লেট ফাঁকা। এখন নরম তুষার ফাঁদ পেতে আছে সব জায়গায়। নতুন লোকের পক্ষে হাঁটতে যাওয়া খুব বিপদজনক হবে।

    অর্জুন দ্রুত তৈরি হয়ে বাবা সিং-এর সঙ্গে বাইরে এসে চিৎকার করল, মিস্টার খিলজি! মিস্টার খিলজি। তার চিৎকার শুনে উত্তম শেরিং তার তাবু থেকে বেরিয়ে এল, স্যার, উনি ভোরের আলো ফুটতেই আমার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

    বেড়াতে গিয়েছেন? এটা কি বেড়ানোর জায়গা? তুমি আপত্তি করোনি? অর্জুন জিজ্ঞাসা করল।

    করেছিলাম। কিন্তু উনি শুনলেন না। বললেন, তোমার ভাই সঙ্গে আছে, বিপদ হবে না। কাল যখন আপনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তখন আমার ভাইয়ের সঙ্গে ওঁর আলাপ হয়।

    এখন ওদের ফিরে আসার জন্যে অপেক্ষায় থাকা ছাড়া কিছু করার নেই। অর্জুন নিজের তাবুতে ফিরে এল। কিন্তু জনাব কামরুজ্জমান খিলজির এই বেড়াতে যাওয়ার আগ্রহ তার ভাল লাগছিল না।

    গত রাতের ঘটনাগুলোর কথা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ সেই ছোট ডায়েরির কথা মনে এল। ওটা পকেটেই ছিল। বের করে পাতা খুলে সে একটু হকচকিয়ে গেল। ডায়েরির পাতায় দু-তিনটে করে লাইন লেখা হয়েছে এবং সেটা উর্দু ভাষায়। সে ভাষা পড়ার ক্ষমতা অর্জুনের নেই। হঠাৎ কী মনে হল সে তাবু থেকে বেরিয়ে চারপাশে তাকাতে উত্তম শেরিংকে দেখতে পেল। তার কাছেই আসছিল লোকটা। কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, স্যার, আজকের প্রোগ্রাম কী হবে?

    মিস্টার খিলজির জন্যে অপেক্ষা করছি। উনি ফিরে এলে ঠিক করব।

    ওকে স্যার। উত্তম শেরিং ফিরে যাচ্ছিল।

    আচ্ছা, তোমার এই দলের কেউ উর্দু পড়তে জানে?

    স্যার, বাবা সিং অনেক ভাষা জানে। এমনকী স্প্যানিশও জানে। একবার একটা স্প্যানিশ টিমের সঙ্গে দু’মাস থেকে অনেক কথা বলতে শিখেছিল।?

    ঠিক আছে, ওকে পাঠিয়ে দাও। উত্তম শেরিং খবর দিতেই বাবা সিং চলে এল। অর্জুন তাকে জিজ্ঞাসা করল, তুমি শুনলাম অনেক ভাষা জানো, উর্দ পড়তে পারো?

    চেষ্টা করতে পারি। বাবা সিং বলল।

    অর্জুন তাকে ছোট ডায়েরিটা দিল। ডায়েরির প্রথম পাতা খুলে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বাবা সিং ভেতরের পাতায় চোখ রাখল। অর্জুন বুঝতে পারল বাবা সিং অর্থ উদ্ধার করতে পারছে না। কিন্তু হঠাৎ একটা পাতা দেখতে দেখতে বাবা সিং বলে উঠল, আমি ঠিক পড়তে পারছি না কিন্তু কোনও একজন মেয়ের কথা লেখা আছে।

    মেয়ের কথা?

    হ্যাঁ স্যার। বাবা সিং বলল, মেয়েটার নামও এখানে লেখা হয়েছে। কিন্তু কীরকম অদ্ভুত হাতের লেখা। নামটাও পড়া যাচ্ছে না। তবে ছোট্ট নাম। বাবা সিং তখনও পড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।

    ঠিক আছে থ্যাঙ্ক ইউ। ডায়েরিটা নিজের কাছে রেখে দিল অর্জুন। দূরে উত্তম শেরিংকে পঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাকে হাত নেড়ে কাছে ডেকে সে জিজ্ঞাসা করল, রাস্তার অবস্থা কীরকম? গাড়ি যাবে?

    না স্যার। আজ রোদ উঠলে তুষার পড়বে, আর্মি এসে রাস্তা পরিষ্কার না করা পর্যন্ত গাড়ি যাবে না। আপনি কোনদিকে যেতে চান?

    আর্মি ক্যাম্পে।

    ওরা কিন্তু অনেক প্রশ্ন করবে।

    তার জবাব দিতে আমি তৈরি।

    তা হলে তো হেঁটেই সেখানে যাওয়া যায়। তুষার-বরফের জন্যে একটু সময় লাগলেও দূরত্ব তো বেশি নয়। হেঁটে যাবেন? উত্তম শেরিং জিজ্ঞাসা করল।

    মিনিট কুড়ি অপেক্ষা করি মিস্টার খিলজির জন্যে’ অর্জুন তাঁবুর ভেতরে চলে এল। জনাব কামরুজ্জমান খিলজির হঠাৎ কিছু না বলে বেরিয়ে যাওয়াটা সহজভাবে মানতে পারছিল না সে। তারপর এই ডায়েরির ছোট্ট মেয়েলি নাম, কাল সেই গুহায় দেখা চিরুনিতে আটকে থাকা চুল যেন এই রহস্যটাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। মহম্মদ নুরউদ্দিন খিলজির সঙ্গে যে ছিল সে যদি মহিলা হয়, বাবা সিং তাই বলেছে, তা হলে তাকে আর্মি ক্যাম্পে গেলে নিশ্চয়ই দেখতে পাওয়া যাবে। হঠাৎ মনে হল জনাব কামরুজ্জমান খিলজি ওদের সন্ধানে ভোর হতে না হতেই বেরিয়ে যাননি তো! মহিলার নাম ছোট, বাবা সিং বলতে পেরেছে, সেই নামটা রোজি নয় তো! তা কী করে হবে। রোজি তো গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতাল ফেরত বাড়িতে রয়েছে। তার পক্ষে এই বরফের পাহাড়ে আসা সম্ভবই নয়।

    অর্জুন জনাব কামরুজ্জমানের হ্যামকের দিকে তাকাল। একটু ওপাশে পোর্টেবল টেবিলের ওপর তার ব্যাগ রাখা আছে। অর্থাৎ ব্যাগ নিয়ে যখন যাননি তখন নিশ্চয়ই ওঁর ফিরে আসার ইচ্ছে আছে। অথবা তাড়াহুড়োয় ব্যাগের কথা ভুলেই গিয়েছেন। অর্জুন এগিয়ে গিয়ে ব্যাগটা হ্যামকের ওপর রেখে দেখল সেটা একটা পলকা তালায় আটকানো রয়েছে। একটু চাপ দিতেই তালাটা না ভেঙে খুলে গেল। চেন টেনে ভেতরটা দেখার সময় একটু অপরাধবোধ হচ্ছিল বটে কিন্তু সেটাকে আমল দিল না সে। ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু জামা, দুটো প্যান্ট, অন্তর্বাস, আর একটা চামড়ার ছোট ব্যাগ যা পাঁচশো টাকার নোটে ঠাসা। স্বস্তি পেল অর্জুন। গ্যাংটক ছাড়ার সময় দলের সবাইকে খানিকটা অগ্রিম দিয়েছিলেন জনাব কামরুজ্জমান খিলজি। যা টাকা আছে তাতে বাকিটা দিতে অসুবিধে হবে না।

    না, ভদ্রলোকের ব্যাগে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গেল না।

    প্রায় আধঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ওদের দুজনের কেউ ফিরে না আসায় অর্জুন উত্তম শেরিংকে নিয়ে হেঁটে সীমান্তের ভারতীয় আর্মির ক্যাম্পে যাবে বলে পাহাড়ের আড়াল থেকে রাস্তার ধারে চলে এল। এখন রাস্তাটাকে একদম চেনা যাচ্ছে না। উত্তম শেরিং লাঠি চালিয়ে পরীক্ষা করে বলল, অন্তত তিনফুট তুষার পড়েছে স্যার। গাড়ি তো যাবেই না, হেঁটে যাওয়া ঠিক হবে না। ভাল রোদ উঠেছে, একটু পরেই তুষার গলতে আরম্ভ করবে। ততক্ষণ অপেক্ষা করা উচিত।

    কথাটার যুক্তি আছে। অর্জুন ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছিল কিন্তু কানে ইঞ্জিনের শব্দ ভেসে এল। উত্তম শেরিং বলল, আর্মির রাস্তা পরিষ্কার করার গাড়ি এদিকে আসছে স্যার। আড়ালে সরে আসুন।

    না না। অর্জুন বলল, আমরা তো আর্মির কাছেই যেতে চাইছিলাম। এখন আড়ালে যাব কেন? ওই যে দু দুটো গাড়ি দেখা যাচ্ছে। এসো, হাত নাড়ি।

    প্রথমে গাড়ির সামনে লাগানো ব্লেড রাস্তার তুষার দু’পাশে সরিয়ে দিচ্ছে। যেটুকু অবশিষ্ট থাকছে তা দ্বিতীয় গাড়ি করছে। দুটো গাড়ি তৈরি হয়েছে দুই কাজের জন্যে যাদের শহরের রাস্তায় দেখা যায় না।

    কাছাকাছি হতেই দেখা গেল প্রথম গাড়িতে চালকের পাশে একজন থাকলেও দ্বিতীয় গাড়িতে জনা আটেক জোয়ান এবং অফিসার আছেন যাঁরা প্রত্যেকেই আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত। অর্জুন এবং উত্তম হাত নাড়ছিল। খানিকটা তফাতে গাড়ি দুটো থেমে গেলে দু’জন অফিসার নীচে নেমে এল। একজন জিজ্ঞাসা করল, তোমাদের পরিচয় কী? এখানে কেন?

    অর্জুন বলল, আমরা একটা এক্সপিডিশন টিম নিয়ে এসেছি। আমার নাম অর্জুন।

    অর্জুন?

    হ্যাঁ। আমরা গ্যাংটক থেকে সরকারি অনুমতি নিয়ে এসেছি।

    কিন্তু সেটা নিয়ে এলেও প্রথমে আমাদের কাছে রিপোর্ট করোনি কেন?

    সুযোগ পাইনি। এই পর্যন্ত এসেই আবহাওয়া খারাপ হয়ে গিয়েছিল। অর্জুন পকেট থেকে অনুমতিপত্র বের করে এগিয়ে ধরল। একজন অফিসার তাতে চোখ বুলিয়ে ফেরত দিয়ে জিজ্ঞাসা করল, তোমাদের এক্সপিডিশনের বিষয় কী?

    মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজি আটশো বছর আগে কোন পথে এসেছিলেন তা খুঁজে দেখতে এসেছি। বুঝতেই পারছেন এর একটা ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে।

    অদ্ভুত ব্যাপার! তুমি কি জানো প্রায় এইরকম উদ্দেশ্য নিয়ে আর একটা দল এই অঞ্চলে এসেছিল? কিন্তু ভয়ংকর তুষারঝড়ে ওদের এক্সপিডিশন বাতিল হয়ে গেছে। যখন তুষারঝড় হচ্ছিল তখন তোমরা কোথায় ছিলে?

    উত্তম শেরিং জবাব দিল, এই পাহাড়ের আড়ালে ছিলাম বলে সমস্যা হয়নি।

    যাক গে, এখন আবহাওয়া ভাল নয়। আমরা ওই দলটাকে আজই ফেরত পাঠাচ্ছি। রাস্তা খারাপ বলে আমরা ওদের হেলিকপ্টারে ছাঙ্গুতে পাঠাচ্ছি। এখানে কত লোক আছে?

    সংখ্যাটা বলল উত্তম শেরিং। অর্জুন যোগ করল, কিন্তু একজনকে পাওয়া যাচ্ছে না আজ সকাল থেকে। তার খোঁজে আমরা বেরিয়েছি।

    আচ্ছা! আমরা কাল রাত্রে ওই দলটাকে রেসকিউ করেছিলাম। কিন্তু ওদের দু’জনকে আজ সকাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। এখানে হেঁটে যাওয়া খুব রিস্কি ব্যাপার।

    কিছু মনে করবেন না, ওদের একজন কি মহিলা?

    হ্যাঁ। কিন্তু পুরুষের পোশাক পরে আছে বলে সহজে চেনা যাবে না।

    ওর নাম কি রোজি? অর্জুন জিজ্ঞাসা করল।

    একজ্যাক্টলি। কিন্তু আপনি ওকে জানলেন কী করে?

    প্রশ্নটা এড়িয়ে গেল অর্জুন। বলল, তা হলে আমি অনুমান করতে পারি কোথায় গেলে এই তিনজনকে পাওয়া যাবে!

    তিনজন?

    আমাদের একজন, আপনাদের দু’জন, যাদের পাওয়া যাচ্ছে না। অর্জুন হাসল।

    কোথায় পাওয়া যাবে?

    কাল যেখান থেকে ওদের রেসকু করেছিলেন?

    অফিসার দু’জন নিজেদের মধ্যে কথা বলল খানিকক্ষণ। তারপর গাড়ি ঘোরাতে বলে অর্জুনের দিকে তাকাল। ওয়েদার যদি ভাল থাকে এবং রাস্তা যদি গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত হয়ে যায় তা হলে আজই আপনাদের নীচে নেমে যেতে হবে। আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না।

    অর্জুন মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে বলল, আপনারা কি গতরাতের স্পটে এখন যাচ্ছেন?

    হ্যাঁ।

    আমরা কি সঙ্গে যেতে পারি?

    প্রথম অফিসার হাসল, বেশ, অনুমান সত্যি হলে ভাল।

    প্রথম গাড়িতে উঠল ওরা। কয়েক মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গেল তিন বরফের চুড়োর পাশে। অফিসার দু’জনের সঙ্গে অর্জুন এবং উত্তম শেরিং রাস্তা থেকে ভেতরে ঢুকে দেখল তাবুগুলোর ওপর থেকে একটু তুষার গলেছে। তাদের ওপরটা এখন উঁকি মারছে যেন। কিন্তু কোনও মানুষের অস্তিত্ব আছে বলে বোঝা যাচ্ছে না।

    অফিসাররা বেশ কষ্ট করে তুষার সামলে গুহার ভেতর ঢুকে দুটো। সুটকেস নিয়ে বেরিয়ে এল। একজন অফিসার চেঁচিয়ে বলল, সরি, কেউ নেই এখানে। তোমার অনুমান একেবারেই ভুল।

    ঠিক তখনই তুষারের ওপর জুতোর ছাপ দেখতে পেল অর্জুন। সেটা লক্ষ করেছিল উত্তম শেরিংও। সে দ্রুত সেই ছাপ দেখে খানিকটা যেতেই শরীরটাকে দেখে চিৎকার করে উঠল। সেটা কানে যেতেই অর্জুন দৌড়াল। পেছন থেকে একজন অফিসার সতর্ক করল, সাবধান, তুষারের ফাঁদে পড়ে যাবেন।

    ততক্ষণে উত্তম শেরিং উপুড় হয়ে পড়ে থাকা শরীরটাকে চিত করে ফেলে দুই গালে চড় মারতে শুরু করেছে। অর্জুন দেখল শ্যাম শেরিং স্থির হয়ে পড়ে আছে। অফিসার দু’জন কাছে এসে পরীক্ষা করে বলল, না মারা যায়নি। তারপর একজন জোরে হুইসল বাজাল। মিনিট খানেকের মধ্যে চারজন জোয়ান ছুটে এল। তাদের নির্দেশ দিতেই তারা শ্যামকে তুলে নিয়ে বেরিয়ে গেল। গাড়ির আওয়াজ কানে এল।

    একজন অফিসার জিজ্ঞাসা করল, লোকটা কে?

    উত্তম শেরিং বলল, আমার ভাই। গাইডের কাজ করে।

    এখানে এল কী করে?

    এই দলটার গাইড ছিল শ্যাম। চিন্তা কোরো না। তোমার ভাই বেঁচে যাবে। চলো, এখানে দাঁড়িয়ে থেকে কোনও লাভ নেই। তুষার গলে গেলে তাঁবুগুলো চেক করা যাবে। ওরা যে সংখ্যা বলেছিল তত লোককেই কাল রেসকু করা হয়েছে।

    অফিসাররা পা বাড়ালেও উত্তম শেরিং শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সে চাপা গলায় জিজ্ঞাসা করল, স্যার, আমার ভাইকে কে মারল? কেন মারল?

    সেটা তোমার ভাই ঠিক বলতে পারবে। কিন্তু এখানে ওই তিনজনের থাকার কথা। নিশ্চয়ই আমাদের দেখে কোথাও লুকিয়ে আছে। অর্জুন বলল।

    হঠাৎ উত্তম শেরিং গলা খুলে চিৎকার করল, অ্যাই। সাহস থাকে তো, বেরিয়ে আয়। এটা আমাদের জায়গা। এখান থেকে বেরুতে পারবি না তোরা।

    অফিসারদের একজন ধমক দিল, চুপ করো। তোমার চিৎকারে বরফ ধ্বসে পড়তে পারে। পিছিয়ে এসে উত্তমের হাত ধরে টানল অফিসার, শান্ত হও। তোমার ভাই ভাল হয়ে যাবে।

    কিন্তু যে আমার ভাইকে মেরেছে তাকে আমি ছেড়ে দেব না।

    কাকে ধরবে তুমি। এখানে আমরা ছাড়া কোনও মানুষ নেই। অফিসার বলল, ক্যাম্প হসপিটালে চলো। তোমার ভাইয়ের জ্ঞান ফিরে এলে ওকে। জিজ্ঞাসা করবে।

    কিন্তু উত্তম শেরিং অত তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নয়। সে অফিসারের হাত ছাড়িয়ে আরও একটু এগিয়ে গিয়ে ওপরের দিকে তাকাল। তারপর চেঁচিয়ে অর্জুনকে বলল, স্যার, কাল আমরা যে গর্তটা দেখেছিলাম, লুকিয়ে থাকার পক্ষে ওটা তো ভাল জায়গা।

    অর্জুন বলল, কিন্তু ওখানে পৌঁছাতে হলে পাহাড়ে ওঠার ট্রেনিং চাই।

    না স্যার। এদিক দিয়ে উঠে যাওয়া যায়। পরপর স্টেপ ফেললে ওই গর্তের ভেতরে চলে যাওয়া যাবে। আমি দেখছি। উত্তম শেরিং পা বাড়াল।

    অফিসারদের দ্বিতীয়জন বলল, ও পাগল হয়ে গিয়েছে। আমরা বাইরে যাচ্ছি, তুমি বুঝিয়ে সুঝিয়ে ওকে নিয়ে এসো।

    অফিসাররা চোখের আড়ালে চলে গেলে উত্তম শেরিং চিতাবাঘের মতো বরফের ফাঁকে পা ফেলে ওপরে উঠে যাচ্ছিল। হঠাৎ চিৎকার ভেসে এল, স্টপ। তারপর হিন্দিতে শাসানো হল, যদি প্রাণের মায়া থাকে তা হলে এখনই এই জায়গা ছেড়ে চলে যাও।

    গলার স্বর যেদিক থেকে আসছে সেদিকে তাকিয়ে অর্জুন সেই গর্তের মুখে মহম্মদ নুরউদ্দিন খিলজিকে দেখতে পেল। লোকটার হাতে আগ্নেয়াস্ত্র। তারপর লোকটার পাশে এসে দাঁড়ালেন জনাব কামরুজ্জমান খিলজি। বেশ গম্ভীর গলায় ভদ্রলোক বললেন, অর্জুন, আপনি আমার ভাড়া করা গোয়েন্দা। আপনাকে আর আমার প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার ওই লোকজনদের নিয়ে গ্যাংটক ফিরে যান। আর হ্যাঁ, কামরুজ্জমান খিলজি কাউকে বঞ্চিত করে না। টেন্টে আমি একটা ব্যাগ রেখে এসেছি। তাতে যা টাকা আছে তা দিয়ে সবার প্রাপ্য মিটিয়ে নিজেরটা রাখতে পারবেন। আই ডোন্ট নিড ইউ এনি মোর। লিভ দিস প্লেস। এইবার ভদ্রলোকের পাশে রোজিকে দেখা গেল।

    আর যখন দরকার নেই তখন নিশ্চয়ই চলে যাব। কিন্তু আমাকে ভাঁওতা দেবার চেষ্টা করেছেন কেন? আপনার মেয়ে নাটক করছিল। আপনার পাশে যে দাঁড়িয়ে আছে তার নাম শুনেও চিনতে পারেননি। রোজিকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন। এসবের কী দরকার ছিল?

    ছিল। আমরা দুটো দলে ভাগ হয়ে কাজটা করতে চাইছিলাম। আপনার সাহায্য দরকার ছিল কিন্তু আপনাকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজি আমাদের পূর্বপুরুষ। এই সেই জায়গা যেখানে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই গুহার মুখও আটশো বছর বন্ধ ছিল। এখানেও তার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে। কিন্তু আসল গুহাটা এখানেই আছে। তাকে আমরাই খুঁজে বের করব। আপনারা ভদ্রভাবে চলে যান। জবাব কামরুজ্জমান বললেন।

    আমি এত সহজ তোমাদের ছেড়ে দেব না। আমার ভাইকে তোমরাই মেরেছ।

    না। তোমার ভাই পা পিছলে পড়ে গেছে। মহম্মদ নুরউদ্দিন খিলজি বলল।

    মিথ্যে কথা, একদম মিথ্যে কথা। আমার ভাই এই পাহাড়ে চোখ বন্ধ করে ওঠানামা করতে পারে। আমি ওপরে উঠি আগে তারপর বোঝাঁপড়া করব? ওপরে ওঠার চেষ্টা করল উত্তম শেরিং।

    ঠিক তখনই মহম্মদ নুরউদ্দিন খিলজি আগ্নেয়াস্ত্র উত্তম শেরিং-এর দিকে তাক করল। অর্জুন এক মুহূর্ত দেরি না করে একটা বরফের চাই তুলে নিয়ে লোকটার হাত লক্ষ্য করে ছুঁড়ে দিল। হাতে বরফের আঘাত লাগামাত্র ওর আঙুল ট্রিগারে চাপ দিল। কান ফাটানো আওয়াজ হলেও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বিপরীত দিকের পাহাড়ের ওপরের বরফে ঢুকে গেল। প্রচণ্ড ঘাবড়ে গিয়ে উত্তম শেরিং দ্রুত নীচে নামতে না নামতেই গুড়গুড় শব্দ শুরু হল।

    *

    বিপর্যস্ত মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজি হয়তো তিস্তা নদী কোনওক্রমে পার হয়ে এসেই মারা যেতেন যদি না তার পথপ্রদর্শক আলি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত। অবশ্য গিয়াসউদ্দিন খিলজিও তার পাশে ছিল। কোনওরকমে তারা ফিরে এলেন গৌড়ে। গৌড়ে তখন মহম্মদ আলি মর্দান খিলজির শাসন চলছে। তিব্বত অভিযানের আগে মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজি তাকেই দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন।

    মহম্মদ আলি মর্দান খিলজি দীর্ঘসময় শাসনকর্তা হয়ে থেকে ক্রমশ এমন অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে তার ইচ্ছে করত না। তা ছাড়া মাঝে মাঝে খবর পেতেন মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজির সৈন্যরা মারা পড়ছে, তার অবস্থাও খুব খারাপ। ঠান্ডায় হেরে গিয়েছেন তিনি। ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই এসব খবর তাঁর কাছে আনন্দদায়ক ছিল। সেই বক্তিয়ার খিলজি আহত, অসুস্থ অবস্থায় ফিরে এসেছে শুনে তার মাথা গরম হয়ে গেল। তার ছুরির আঘাতে মহম্মদ বক্তিয়ারের বর্ণবহুল জীবন শেষ হয়ে গেল।

    .

    ধুন্দুমার কাণ্ড হয়ে গেল পাহাড়ে। একটি গুলির তীব্র শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে যেন আদিম যুগের যাবতীয় শেকড় উপড়ে বরফের চেহারা ভয়ংকর করে তুলল। অর্জুন এবং উত্তম শেরিং কোনওমতে বাইরে পৌঁছানোর আগে বিপুল তুষার এবং বরফের স্রোত আছড়ে পড়ল তিন চুড়োর মধ্যবর্তী এলাকায়। তার বিকট আওয়াজে মানুষের হাহাকার শোনা যাওয়ার কথা নয়। তুষার ছিটকে ছিটকে ওপরে উঠতে লাগল। তার টানে তিন পাহাড়ের সমস্ত বরফ যেন ছুটে আসতে লাগল। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিশাল বরফের আস্তরণের আড়ালে চলে গেল এলাকাটা। যে গর্তটা গতরাতে মুখ দেখিয়েছিল সেটা ঠিক কোথায় তা বোঝা অসম্ভব হয়ে গেল।

    অর্জুন বুঝতে পারল যাকে গর্তের মুখ ভেবেছিল, যা একদা গুহা ছিল, যার ভেতরে খিলজি বংশের তিন বংশধর পৌঁছাতে পেরেছিল তার মুখ চিরকালের জন্যে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গিয়েছে। আটশো বছর আগে মহম্মদ বক্তিয়ার খিলজি যদি স্বেচ্ছায় গুহার মুখ বন্ধ করে দিয়ে থাকেন, তাঁর উত্তরাধিকারীরা হয়তো আরও কয়েকশো বছর বন্ধ গুহায় প্রাণহীন হয়ে পড়ে থাকবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতীর্থযাত্ৰী – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }