Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪-৫. হোটেল ছেড়ে

    ৪.

    ঠিক আটটায় ওরা হোটেল ছেড়ে বের হল। কিছুদিন আগে একটা চমৎকার সামারজ্যাকেট কিনেছিল অর্জুন, মেজরের সঙ্গে, টাইম স্কোয়ারের একটা দোকান থেকে। সেটা চাপানোয় এখন গরম লাগছে। লস অ্যাঞ্জেলিসের আবহাওয়া পাজামা-পাঞ্জাবি পরার মতো। নিউইয়র্কের ভয়ংকর শীতের ছায়াও এখানে নেই। ওরা খানিকটা হাঁটতে মেজর লাঠিটা ঠুকে ফুটপাতের দিকে ওর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। অর্জুন দেখল, ফুটপাতের ওপর পেতলের প্লেট সার-সার আটকানো। প্রতি প্লেটে এক-একজন বিখ্যাত অভিনেতা অভিনেত্রী অথবা পরিচালকের নাম খোদাই করা। ডগলাস ফেয়ারব্যাঙ্ক, ক্যাথরিন হেপবার্ন, গ্রেগরি পেক, রক হাডসন, গ্রেটা গার্বো থেকে শুরু করে চার্লি চ্যাপলিন, হিচকক, সর্বত্র ছড়িয়ে। এঁদের ওপর দিয়ে মানুষজন হেঁটে যায়। হাঁটার সময় প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হয়, এঁরা ছিলেন। হেনরি বললেন, ফুটপাতের প্লেটে নাম না-ওঠা পর্যন্ত হলিউডের শিল্পী-পরিচালকরা জাতে ওঠেন না। অর্জুনের খুব মজা লাগছিল। সে জানত, খোদ হলিউড এখান থেকে বেশি দূরে নয়। বস্তুত এখানেই তার কিছুটা গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ডানদিকে এক জাপানি বাজিকর বাজি দেখাচ্ছে টিকিট বিক্রি করে। প্রেক্ষাগৃহের সামনে জাপানিদের ভিড়। টেলিফোনের হুঁশিয়ারির কথাটা অর্জুন এখনও মেজরকে জানায়নি। জানালে উনি যেমন বুক চিতিয়ে, থ্রি পিস সুট পরে লাঠি ঝুলিয়ে হাঁটছেন, তেমন হাঁটতেন কিনা সন্দেহ। হেনরি ডিমকও বেশ সাজগোজ করেছেন।

    সাহেব দারোয়ান সেলাম করে দরজা খুলে দিতেই একটা রেস্তোরাঁর ভেতর ঢুকে গেল ওরা। চোরা আলোর ব্যবস্থা থাকলেও টেবিলে টেবিলে মোমবাতি জ্বালিয়ে খাবার সার্ভ করে এরা। কোণের দিকে একটা টেবিলে বসল ওরা। অর্জুনের মনে হল জায়গাটা বেশ অভিজাত। মেজর এবং হেনরি হলিউডের ইতিহাস নিয়ে গল্প করছেন। ব্যাপারটা সত্যিই মজাদার, কিন্তু অর্জুনের নজর চারপাশে ঘোরায় সে মন দিতে পারছিল না। মৃত্যু বারবার খালি হাতে ফিরে যায় না। যারা তাদের সব খবর রাখছে, তারা নিশ্চয়ই এখানে অনুসরণ করে এসেছে। কিন্তু এখানে এই অভিজাত জনসাধারণের মধ্যে কে তাদের লক্ষ করছে, তা ধরা শক্ত। সে চোখ ঘোরাতেই চমকে উঠল। ঠিক তাদের পাশের টেবিলে এক ভদ্রমহিলা একজন কিশোরের সঙ্গে খাচ্ছেন। ভদ্রমহিলাকে তার খুব চেনা মনে হচ্ছে। এবং তখনই নামটা মাথায় এল, সোফিয়া লোরেন। জলপাইগুড়ির সিনেমা হলে সে টু উইমেন’, ইয়েসটারডে টুডে টুমরো’ দেখেছে। লম্বা স্বাস্থ্যবতী ভদ্রমহিলা, মুখ ফেরাতেই মনে হল বয়স হয়েছে, কিন্তু খুব পালটাননি। সে কোনওদিন সোফিয়া লোরেনের এত কাছে বসে থাকবে ভাবা যায়? এই সময় আর এক লম্বা ভদ্রলোক সাদা হাফস্লিভ আর খয়েরি রঙা প্যান্ট পরে অতি সাধারণ ভঙ্গিতে সোফিয়া লোরেনের টেবিলে এসে কিশোরের মাথায় হাত বুলিয়ে চেয়ার টেনে বসলেন। এবং বসামাত্র অর্জুন প্রায় লাফিয়ে উঠতে যাচ্ছিল। মেজর অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কী হল?

    গ্রেগরি পেক। গানল অব নাভারোন-এর নায়ক, রোমান হলিডে…।

    হেনরি ডিমক বললেন এখানে তো প্রায় সব ফিল্মস্টার খেতে আসেন। চোখ মেলে থাকলেই সবাইকে দেখতে পাবে। এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে ওঁরা বিরক্ত হতে পারেন।

    অর্জুন সেটা জানে। কিন্তু এমন অভাবনীয় ব্যাপার দেখে নিজেকে সামলানো শক্ত হল। হেনরি অর্ডার দিয়েছিলেন, এখন সেটা পরিবেশিত হল। কিছুটা খাওয়ার পর অর্জুনের আর খেতেই ইচ্ছে করছিল না। এই মুহূর্তে যে সে সব বিস্মরিত। গানল অব নাভারোন’-এর পাহাড়ে ওঠার সময় গ্রেগরি পেক একটা গর্তে হাত ঢোকানো মাত্র বিশাল একটা বাজপাখি চিৎকার করে বেরিয়েছিল, সেই দৃশ্যটার কথা বারবার মনে পড়ছে। এইসময় মেজর জিজ্ঞেস করলেন, কী হল, খাবে না?

    আর ভাল লাগছে না। কিন্তু নষ্ট করতেও ইচ্ছে করছে না। অর্জুন। জানাল।

    মেজর বললেন, জোর করে খেয়ো না। দাও, আমি তোমাকে সাহায্য করছি। তিনি অর্জুনের বাটিগুলো টেনে নিতেই বিদ্যুৎ-চমকের মতো একটা চিন্তা অর্জুনের মাথায় ঝিলিক দিয়ে উঠল। মেজর তখন কাঁটা-চামচ দিয়ে অর্জুনের খাবার আক্রমণ করেছেন। ধরা যাক ওই স্মোকড চিকেনে বিষ মেশানো আছে। ওটা অর্জুনের পেটে যেত। এখন মেজর খেয়ে নিতেই আততায়ী লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। প্লেনেও তো একই ব্যাপার হতে পারে। যে ছেলেটি খুন হল, সে জানত না অর্জুনের জন্যে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেচারা খিদের চোটে সেটাই খেয়ে নিয়েছিল। অর্জুন যে পার্কিং লটে গিয়ে খবর নিয়েছে, রিনসেক কোম্পানিতেও হাজির হয়েছিল, তা যদি প্রতিপক্ষের জানা হয়ে গিয়ে থাকে, তবে জোন্স অ্যান্ড জোন্স কোম্পানির ব্যাপারটাও অজানা নেই। সেক্ষেত্রে ওরা যদি তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা…হ্যাঁ, তাই তো, নইলে বলবে কেন, মৃত্যু বারবার খালি হাতে ফিরে যায় না। সে বিল মেটানো পর্যন্ত অপেক্ষা করল। তারপর হেনরি ডিমককে বলল আমি এয়ারপোর্টে যাব।

    হেনরি অবাক, কেন?

    একটু ইতস্তত করে অর্জুন তার সন্দেহের বিষয় এবং টেলিফোনের কথাটা জানাল। সব শুনে মেজর হাত নেড়ে উড়িয়ে দিলেন, এজন্যে এয়ারপোর্ট অথরিটির কাছে যাওয়ার কী দরকার! এসব কথা বিস্তারিত জানাতে গেলেই হিরেটার কথাও বলতে হবে। কাল সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করি। সি ওয়ার্ল্ড থেকে ঘুরে এসে না হয় সব বলা যাবে।

    হেনরি বললেন, তা ছাড়া অনুমানটায় একটা বড় ফাঁক থেকে যাচ্ছে। বিষ মেশাল কে? প্লেনে যে খাবার সার্ভ করা হয়, তা অত্যন্ত দায়িত্ববান কেটারার সাপ্লাই করে। যদি বিশেষ একটি প্লেটে বিষ মেশানো থাকে, তা হলে সে প্লেটটা বিশেষ এক যাত্রীর কাছে সে পৌঁছে দিতে পারে না। তোমার অনুমান যদি সত্যি হয়, তা হলে বিষটা মিশিয়েছে যে এয়ারহোস্টেস, তোমাকে প্লেটটা দিয়েছে সে-ই। এয়ারলাইনসের কোনও হোস্টেস এমন কাজ করবে না। কারণ তাতে তার সরাসরি ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

    অর্জুন মাথা নাড়ল, আমি কিছু জানি না। কিন্তু এ ছাড়া ওর মরে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। থাকলে টেলিফোনটা আসত না।

    হেনরি বললেন, তাহলে আমি একটা ফোন করছি এয়ারপোর্ট অথরিটিকে। তোমার গলা শুনলে ওরা বুঝতে পারবে যে, আমেরিকান নয়।

    রাস্তার পাশেই একটা বুধে ঢুকে পড়লেন হেনরি। মেজর লাঠি দিয়ে ফুটপাত ঠুকছিলেন। অর্জুন সেদিকে তাকিয়ে হাসল। মেজর কি নার্ভাস? ওই লাঠির ভেতরে লুকোনো সম্পত্তিটির জন্যে একদল লোক এখন মরিয়া। এবং তারপরেই মনে হল, খাবারের ব্যাপারটা মাথায় ঢোকামাত্রই সে এমন উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল যে, বেরোবার আগে পাশের টেবিলের দিকে তাকাতেই ভুলে গেছে।

    এখন প্রায় সাড়ে দশটা বাজে। অথচ অন্ধকারের বালাই নেই। বিকেল বিকেল ছায়া মেলেছে শুধু। সে দেখল, পথের পাশেই একটা স্ট্যাচু রয়েছে। একজন মানুষ এক পায়ে দাঁড়িয়ে টুপি পেতে রয়েছে। সে কয়েক পা এগিয়ে স্ট্যাচুটার সামনে দাঁড়াল। বাড়ানো টুপিতে বেশ কিছু ডলার পড়েছে। স্ট্যাচুকে কেউ ভিক্ষে দেয়? সে মুখের দিকে ভাল করে তাকাতেই স্ট্যাচুর একটা চোখ বন্ধ হয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেল। চমৎকার! এটাও এক ধরনের অভিনয়, এই স্ট্যাচু সেজে থাকা। খুব কষ্ট হচ্ছে মানুষটার, হাত-পা-মুখ মায় সমস্ত শরীরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হচ্ছে। শুধু পয়সার জন্যে?

    হেনরি বেরিয়ে এসেছেন দেখে অর্জুন ফিরে এল। হেনরি মাথা নাড়লেন, ইউ আর রাইট। আমি রিপোর্টার পরিচয় দিতে ওরা জানাল, লোকটির পেটে বিষ পাওয়া গিয়েছে। বিষক্রিয়া শুরু হওয়ার তিন মিনিটের মধ্যে হার্ট ব্লক হয়েছে। লোকটা যে খাবার খেয়েছিল, তাতেও একই বিষ পাওয়া গিয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে ওরা এয়ারহোস্টেস ও কোরারের লোককে গ্রেফতার করেছে। এখন ওরা সেই ইন্ডিয়ান ছেলেটির খোঁজ করছে, যে ওর পাশে বসেছিল।

    শোনামাত্র অর্জুনের শরীরে শীতল স্রোত বয়ে গেল। লস অ্যাঞ্জেলিসের পুলিশ তাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করবে? সে খামোখা ওই ছেলেটাকে খুন করতে যাবে কেন? তারপরেই সেই অফিসারের দৃষ্টি চোখের সামনে ভেসে উঠল। সে যখন মৃতদেহ খুঁটিয়ে দেখছিল, ভদ্রলোক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়েছিলেন। একদম অজানা সহযাত্রীর পায়ের জুতোর তলা কেউ খুঁটিয়ে দেখে না। সে নিজেই ওদের হাতে সন্দেহের সূত্র তুলে দিয়ে এসেছে।

    মেজর চিৎকার করে উঠলেন, ইন্ডিয়ান ছেলে? মানে তুমি? তোমাকে খুঁজলেই হল? মামদোবাজি? চলো, আমরা সবাই মিলে এয়ারপোর্টে গিয়ে জিজ্ঞেস করি, এর মানে কী?

    অর্জুনের সত্যি অস্বস্তি হচ্ছিল। ওরা ইচ্ছে করলে তাকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু নিশ্চয়ই প্রমাণ করতে পারবে না যে, সে খুন করেছে। কিন্তু এখন এয়ারপোর্টে গেলে আর হিরের ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখা যাবে না। অবশ্য পুলিশ যদি ইচ্ছে করে, তা হলে হোটেলেই তাকে ধরতে পারে। সে হেনরি ডিমকের দিকে তাকাল। ডিমকসাহেবের যদি শুধু সি-ওয়ার্ল্ডে গিয়ে দুটো হিরের মিলিত আলো দেখাই উদ্দেশ্য হয়, তা হলে সেটা পুলিশের সঙ্গে গিয়েও দেখা যেতে পারে। তিনি আলাদা যেতে চাইছেন কেন?

    হেনরি বললেন, অবশ্য পুলিশ যে আমাদের খুঁজছে, তা আমাদের জানার কথা নয়। চলো, হোটেলে ফিরে যাই।

    আবার হাঁটা শুরু হতেই অর্জুন মুখ ফিরিয়ে সেই স্ট্যাচু হয়ে থাকা লোকটির দিকে তাকাতেই দেখল, সেখানে কেউ নেই।

    .

    ৫.

    ভাড়া করা গাড়ির ড্রাইভিং-সিটে হেনরি ডিমক, তার পাশে অর্জুন, পেছনের আসনে মেজর শরীর এলিয়ে রেখেছেন। এখন সকাল। লস অ্যাঞ্জেলিস শহর ছাড়িয়ে গাড়ি ছুটছে চওড়া হাইওয়ে ধরে। রাস্তার ওপরে পথ-নির্দেশ টাঙানো। ইংরেজি অক্ষর, কিন্তু নামগুলো ইংরেজি নয়। এই এলাকাটায় স্প্যানিশ নামের ছড়াছড়ি। একটু আগে মেজর এই অঞ্চলের ইতিহাস বলছিলেন। ইংরেজরা যেমন আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপন করে থেকে গেল, তেমনি পোর্তুগিজ এবং স্পেনীয়রা এদেশে এসেছে, থেকেছে। কালিফোর্নিয়াতে তাই স্প্যানিশ ভাষা এবং নমের বহুল প্রচলন আছে।

    গত রাত্রে চমৎকার কাণ্ড ঘটেছে হোটেলে। মাছরাত্রে কেউ বা কারা তাদের দুটো ঘরে হানা দিয়েছিল। সমস্ত জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করেছে এবং বোঝা যাচ্ছে, আগন্তুকরা মন খারাপ করে ফিরে গিয়েছে। তবে তারা জুতোর শুকতলা পর্যন্ত উলটে দেখেছে, কিন্তু হ্যাট-র্যাকে ঝোলানো মেজরের লাঠিটা ছোঁয়নি। অর্জুনের সম্পত্তি বিশেষ কিছু ছিল না। কিন্তু সেগুলো এলোমেলো করে রেখে গেছে ওরা। আর এটা ঘটেছে ওরা যখন ঘরেই ছিল। এমন কিছু ব্যবহার করা হয়েছিল, যাতে ওদের ঘুম ভোরের আগে না ভাঙে। সকালে এসব দেখে মেজর হোটেল-কর্তৃপক্ষের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে খেপে উঠেছিলেন। হেনরি তাকে বুঝিয়েছেন, সেটা করলে পুলিশ ওদের হদিশ জেনে যাবে। যখন আসল জিনিস খোয়া যায়নি, তখন এ নিয়ে ঝামেলা বাড়িয়ে কোনও লাভ নেই। সকলেই ওরা ব্যাপারটা সম্পর্কে মুখ বন্ধ করে হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে গাড়ি ভাড়া করে।

    মাঝে মাঝে দু’পাশে ঢেউ-খেলানো সবুজ মাঠ, চটজলদি এসে যাওয়া রঙিন একগুচ্ছ বাড়ি, আর হাইওয়েতে সমুদ্রাভিমুখী গাড়ির ভিড় দেখতে ওরা স্যান ডিয়াগোতে এসে পৌঁছোল। এখন দশটা বেজে গেছে। শহরে ঢুকলেই সমুদ্র দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু লোনা জলের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

    হেনরি কোথাও না থেমে একটা বিশাল পার্কিং লটে পৌঁছে গেলেন। অন্তত তিনটে ফুটবল-মাঠ জুড়লে এত বড় পার্কিং লট হতে পারে। থিকথিক করছে গাড়ি। মেজর আর অর্জুনকে একটা জায়গায় নামিয়ে, তিনি গাড়ি পার্ক করতে গেলেন। বেশ ভাল ব্যবস্থা। পরিচয়পত্র দেখিয়ে, গাড়ি ভাড়া নিয়ে, সারাদেশ ঘুরে বেড়ানো যায়।

    অর্জুন বাঁদিকে তাকাল। পাঁচিল-ঘেরা একটা বড় বাড়ির ওপর লেখা রয়েছে সি-ওয়ার্ল্ড। ভিড় দেখা যাচ্ছে তার সামনে। অর্জুন মেজরকে বললে, আমরা তো ওদিকেই যাব, না?

    বোধহয়। তবে হেনরির জন্যে অপেক্ষা করা ভাল। দলবদ্ধ হয়ে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। অর্জুনের মনে হল মেজর বেশ নার্ভাস হয়ে পড়েছেন।

    ওরা যখন টিকিট কেটে ভেতরে ঢুকল, তখন আশেপাশে কেউ নেই। ঢোকার সময় একটা নোটিশ দেখে অবাক হয়েছিল অর্জুন। তাতে লেখা আছে, কোনও হরেকৃষ্ণ প্রচার এই এলাকায় চলবে না। নিউইয়র্কে ওর চোখে সাহেব বৈষ্ণব-বৈষ্ণবী পড়েছে। এখানে তাদের প্রতি এই নিষেধাজ্ঞা কেন, তা বুঝতে পারল না।

    হেনরি বললেন, আমাদের তিনজনের একসঙ্গে হাঁটাটা ঠিক হবে না। দাঁড়াও, সি-ওয়ার্ল্ডের ম্যাপটা নিয়ে নিই।

    পাশের কাউন্টার থেকে তিনটি ম্যাপ নিলেন হেনরি। সমুদ্রের তলায় যাদের বাস, তাদের নিয়ে নানান মজাদার ব্যবস্থার আয়োজন আছে বিভিন্ন ব্লকে। সবকিছু ঘুরে দেখতে গেলে একটা দিন ফুরিয়ে যাবে। হেনরি আঙুল রাখলেন যেখানে হাঙরদের আস্তানা। বললেন, ঠিক দু’ঘণ্টা পরে আমরা তিনজনে এখানে উপস্থির হব। ঘড়ি মিলিয়ে নাও সবাই। এই দু’ঘণ্টা আমরা আলাদা-আলাদা ঘুরব। মেজর, লাঠিটা এবার আমাকে দেবে নাকি?

    অর্জুন প্রতিবাদ করল, যদি কেউ আমাদের অনুসরণ করে থাকে সে নিশ্চয়ই লাঠিটার হাতবদল লক্ষ করবে।

    হেনরি একটু হতাশ হলেন বলে মনে হল। তারপর ঘড়ি মিলিয়ে নিয়ে তিনজনে বেরিয়ে পড়লেন। কয়েক পা এগিয়ে অর্জুন ঠিক করল, সে মেজরের অজান্তে ওঁর পেছন পেছন ঘুরবে। যদি কেউ মেজরকে অনুসরণ করে, তা হলে সেটা তার চোখে পড়বে। বেশ কিছুটা দূরত্ব রেখে সে মেজরের পেছনে হাঁটছিল। ছেলে-মেয়ে-বুডোর ভিড় চারধারে। আইসক্রিম থেকে বুড়ির মাথার পাকাচুল বিক্রি হচ্ছে এখানেও। মেজর মাঝে মাঝেই ঘড়ি দেখছেন এবং লাঠি ঘুরিয়ে হাঁটছেন। এখনও পর্যন্ত কোনও অনুসরণকারী চোখে পড়ল না। হাতের ম্যাপ দেখে মেজর এবার একটা সিঁড়ি ভাঙতে শুরু করলেন। প্রচুর মানুষ তার আগেপিছে উঠছে। অর্জুন পা চালাল। ওপরে উঠে অর্জুন দেখল একটা ছোট্ট স্টেডিয়াম। সামনে মাঝারি সুইমিং পুল। তার নীল জল টলটল করছে। স্টেডিয়াম লোকে ভরতি। সে মেজরকে খুঁজে বের করে ধীরে ধীরে ওঁর দুটো সারি পেছনে গিয়ে বসল।

    একটু বাদেই অনুষ্ঠান শুরু হল। একজন মানুষ সুইমিং পুলের ওপাশ থেকে জলের গায়ে এসে দাঁড়িয়ে শিস দিতেই জলে আলোড়ন শুরু হল। ওদের চমকে দিয়ে জল কাঁপিয়ে দুটো ডলফিন সেই মানুষটির নির্দেশে মজার খেলা দেখাতে লাগল। শূন্যে ছুঁড়ে দেওয়া বল ঝল ছেড়ে ভারী শরীর নিয়ে অনেকটা উঁচুতে উঠে প্রায় হেড দেওয়ার ভঙ্গিতে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। সুন্দরী এক মহিলা ডলফিনের পিঠে চড়ে অনেকটা ঘুরে বেড়ালেন। শেষপর্যন্ত ডলফিনটি সবাইকে চমকে দিয়ে তার ট্রেনারকেই জলে ফেলে দিতে সমস্ত স্টেডিয়াম হোহো করে হেসে গড়িয়ে পড়তে অর্জুনের নজরে এল, মেজর নেই।

    সে দেখল, মেজরের লাঠিটা একপাশে পড়ে আছে, জায়গাটা ফাঁকা। অর্জুন দ্রুত উঠে গেল হেসে লুটিপাটি লোকগুলোকে কাটিয়ে। তখনও মজার খেলা চলছে। এক্সকিউজ মি, এক্সকিউজ মি,’ বলতে বলতে সে লাঠিটা কুড়িয়ে নিয়ে ছুটে ওপরে উঠে আসতেই দেখতে পেল, মেজর হেঁটে যাচ্ছেন। তার দুপাশে দুটো লোক ঘনিষ্ঠ হয়ে হাঁটছে। সঙ্গে সঙ্গে অর্জুনের মাথার ভেতরে চিন্তাটা চলকে উঠল, লাঠিটাকে ত্যাগ করতে হবে। তার বয়সি ছেলে লাঠি হাতে ঘুরে বেড়ায় না। দ্রুত পাঁচ খুলে ঝাঁকাতেই হিরেটা বেরিয়ে এল। লাঠিটাকে আবার ঠিক করে পাশের দেওয়ালে ঠেকিয়ে রেখে দ্রুত নেমে পড়ল অর্জুন।

    মেজর নিশ্চয়ই নিজের ইচ্ছায় যাচ্ছেন না। তার হাঁটার ভঙ্গি বলে দিচ্ছে পাশের লোকদুটোর কাছে অস্ত্র রয়েছে। অর্জুন যথেষ্ট দূরত্ব রাখছিল। এখন কী করা যায়, বুঝতে পারছিল না সে। আর যাই হোক, ওদের নজর এড়িয়ে তাকে মেজরকে সাহায্য করতে হবে। সেটা কী করে সম্ভব?

    ভিড়ের মধ্যে দিয়ে লোকদুটো যেভাবে মেজরকে নিয়ে হাঁটছে তাতে বোঝা যায় ওরা এসব ব্যাপারে রীতিমতো পেশাদার। সি-ওয়ার্ল্ডের একেবারে শেষপ্রান্তে এসে ওরা দাঁড়াল। অর্জুন লক্ষ করল, এদিক দিয়েও বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার পথ আছে। একটা আইসক্রিমের দোকানের আড়ালে দাঁড়িয়ে অর্জুন ওদের লক্ষ করছিল। সেইসময় একজন দাড়িওয়ালা লোক ওদের সামন এসে দাঁড়াল। লোকটা মেজরকে কিছু প্রশ্ন করল। কিন্তু মেজরের দুই প্রহরী পাশ থেকে সরছিল না। মেজর মাথা নাড়লেন। বোধহয় তিনি অস্বীকার করছেন। আর এইসব হচ্ছে হাজার হাজার লোক যেখানে ঘুরছে, সেখানে, দিনদুপুরে। দাড়িওয়ালা আরও কিছু কথা বলার পর মেজর একইভাবে মাথা নাড়লেন। দূরে থাকায় অর্জুন ওদের সংলাপ শুনতে পাচ্ছিল না। এবং তারপরেই বিস্ময়কর ঘটনাটা ঘটল। ওদিকের একটা ঝোঁপ থেকে আরও দুটো লোকের মাঝখানে হেঁটে এলেন হেনরি ডিমক। তার মুখ শুকিয়ে আমসি হয়ে গেছে। দাড়িওয়ালা লোকটি হেনরিকে দেখিয়ে মেজরকে কিছু বলতে মেজর চিৎকার করতে গিয়ে যেন থেমে গেলেন। হেনরি মাথা নেড়ে কিছু বললেন। অর্জুনের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আচমকা তাকে সতর্ক করল। কারণ, দাড়িওয়ালার হুকুমে একটি লোক তখন ছুটছে সুইমিং পুলের দিকে। অর্থাৎ লাঠিটার কথা মেজর বলতে বাধ্য হয়েছেন। একটু বাদেই ওরা যখন লাঠিটা খোলার পর দেখবে যে, ওতে হিরে নেই, তখন…।

    অর্জুন হঠাৎ একটা ছায়া দেখল বাঁ-চোখের কোণে। ছায়াটা মানুষের, কিন্তু নড়ছে না। সে আর দাঁড়াল না। উলটোদিকে জোর পায়ে কিছুটা হাঁটতেই মনে হল ছায়াটা পিছু পিছু আসছে। চোখের সামনে একটা পুলিশ বুথ। দু’জন স্বাস্থ্যবান পুলিশ সেখানে দাঁড়িয়ে। কিছু না ভাবতে পেরে অর্জুন সোজা তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। আমার দু’জন সঙ্গী খুব বিপদে পড়েছেন। তাদের কেউ বন্দুক দেখিয়ে আটকে রেখেছে।

    কোথায়? একজন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করল।

    ওই ওপাশে, আইসক্রিমের দোকানের উলটোদিকে।

    অ্যাঁ? সি-ওয়ার্ল্ডের ভেতরে? পাগল! নিজের কাজে যাও।

    অর্জুন কী বলবে বুঝতে পারছিল না। সে চারপাশে তাকিয়ে কোনও অনুসরণকারীর ছায়া দেখতে পেল না। লোকটা আবার ধমকের গলায় বলল, গেট লস্ট।

    তখন অর্জুন পকেট থেকে সেই কার্ডটা বের করল। কার্ডের লেখাটা পড়ে পুলিশ দুটোর চেহারা পালটে গেল। অর্জুন ওদের একজনকে সঙ্গে নিয়ে ছুটল আইসক্রিমের দোকানের দিকে। দ্বিতীয়জন বুথ থেকে টেলিফোনে অন্যদের খবর দিচ্ছিল।

    কেউ কোথাও নেই। জায়গাটা যেন মুহূর্তেই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। পুলিশটা ওর দিকে আবার অবিশ্বাসের চোখে তাকাল। অর্জুন তাকে বোঝাতে চাইছিল, ব্যাপারটা মনগড়া নয়। কিন্তু লোকটা আর কোনও কথা শুনতে রাজি নয়। ওরা আবার বুথে ফিরে আসতে দ্বিতীয় পুলিশটি ওকে জিজ্ঞাসা করল তোমার পাসপোর্ট সঙ্গে আছে?

    অর্জুন মাথা নেড়ে সেটা এগিয়ে দিতেই লোকটা দ্রুত চোখ বুলিয়ে নিয়ে বলল, লস অ্যাঞ্জেলিস পুলিশ তোমাকে খুঁজছে। তোমাকে গ্রেফতার করা হল।

    অর্জুন হতভম্ব হয়ে বলল, কেন?

    আমি জানি না। তোমার খবরটা টেলিফোনে হেড কোয়ার্টার্সে জানানো মাত্র ওরা বলল একজন ভারতীয় যুবককে খোঁজা হচ্ছে, যার নামের সঙ্গে তোমার কোনও ফারাক নেই।

    আমাকে খুঁজলেই গ্রেফতার করতে হবে?

    পুলিশ গ্রেফতার করার জন্যেই মানুষকে খোঁজে।

    এবার অন্য পুলিশটি বলল, কিন্তু ওর কাছে যে কার্ড আছে, তা তো অন্য কথা বলছে জেমস। বসদের বলো এখানে এসে কথা বলতে।

    অর্জুন বলল, শোনো, আমি চোর-বদমাশ নই। আমি একজন সত্যসন্ধানী। তোমাদের এখানে হাঙরের বাক্সের হিরেটা চুরি গিয়েছে, সেটার ব্যাপারে এসেছি।

    হাঙরের বাক্সের হিরে? লোকটা অবাক হল। তুমি সেটা খুঁজতে এসেছ?

    হ্যাঁ। অর্জুন নরম পুলিশটিকে বলল, আমি একবার হাঙরের ঘরে যেতে চাই। তুমি আমাকে সেখানে নিয়ে যাবে? তোমার ওপরওয়ালারা এখানে আসার আগেই আমরা ফিরে আসব কথা দিচ্ছি।

    প্রথম পুলিশটি বলল, লুক! তুমি একবার বললে তোমার দু’জন সঙ্গীকে কেউ বন্দুক দেখাচ্ছে, আবার বলছ হিরে খুঁজতে এসেছ। কোনটা বিশ্বাস করব?

    কিছুক্ষণ তর্কবিতর্কের পর দ্বিতীয় পুলিশটি ওকে নিয়ে রওনা হল। অর্জুন বুঝতে পারছিল, সরকারি নির্দেশের কার্ড সঙ্গে থাকায় ওরা কিছু করতে সাহস পাচ্ছে না। যেতে যেতে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, দ্বিতীয় হিরেটা এখন কোথায় আছে?

    সেটাও দিন দশেক হল নেই।

    নেই মানে?

    প্রথম ভোয়া গিয়েছিল হাঙর কাচ ভেঙে ফেলার পর। দ্বিতীয়টা এতদিন ওই বাক্সের মধ্যেই ছিল, কিন্তু দশদিন ওটাকে দেখা যাচ্ছে না।

    দেখা যাচ্ছে না মানে?

    হাঙরের বাক্সের ভেতরে একটা হুকে ওই হিরেটা ছিল। দিনদশেক আগে দেখা যায়, সেই হুকে কিছু নেই। হাঙরের বাক্সে কেউ হিরে রাখে? যেমন বুদ্ধি!

    রেখেছিল কেন?

    কোনও এক বিজ্ঞানীর মাথায় কী একটা এক্সপেরিমেন্টের ইচ্ছে খেলেছিল।

    কথা বলতে বলতে ওরা ম্যাপে দেখানো জায়গার কাছে চলে এসেছিল। এদিকটায় বেজায় ভিড়। বাইরে তিনটে চৌবাচ্চায় হাঙরের বাচ্চা ছাড়া রয়েছে। তারা নিরীহ ভঙ্গিতে আপনমনে ঘুরছে। অর্জুন চারপাশে তাকাল। চেনা মুখগুলোকে চোখে পড়ছে না। মেজর এবং হেনরি ডিমকের জন্যে তার অস্বস্তি হচ্ছিল। যারা বন্দুক দেখিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে চাপ দিতে পারে, তাদের কাছে খুন করা কিছুই নয়।

    পুলিশটির সঙ্গে অর্জুন ভিড়ের সঙ্গে মিশে হাঙরের ঘরে ঢুকেই অবাক হয়ে গেল। বিশাল হলঘরে প্রকাণ্ড কাঁচের বাক্সে জল ভরে তাতে হাঙর ছাড়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটা। হাঙরগুলো আপনমনে সাঁতরাচ্ছে। মাঝে মাঝে এক-একচা ভয়ংকর চেহারার হাঙর ছুটে এসে কাঁচে ঢু মারছে। সেই শব্দ বাইরে থেকে ভীতিকর শোনাচ্ছে। বাইরের মানুষের মুখ দেখে ওরা। ক্রুদ্ধ হয়ে যখন হাঁ করছে, তখন শিউরে উঠতে হয় বীভৎস দাঁত দেখে। অর্জুনের মনে পড়ে গেল রূপমায়াতে দেখা জস’ ছবিটার কথা। সবচেয়ে বড় চেহারার হাঙরটকে অবিকল সেইরকম দেখতে। অর্জুন কয়েক পা এগিয়ে কাঁচের সামনে দাঁড়াল। বড় হাঙরটার শরীরের সবকিছু এখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। অনেকটা দূরে পিছিয়ে গিয়ে সেটা তেড়ে এল এমনভাবে অর্জুনের দিকে যে, সে দু’পা না পিছিয়ে পারল না। আর তখনই তার নজরে পড়ল দাড়িওয়ালা লোকটিকে। হাঙরের বাক্সের বিপরীত দিকে দাঁড়িয়ে একদষ্টিতে তাকে লক্ষ করছে।

    হেনরি ডিমক ঠিক কী করতে চেয়েছিলেন, তা অৰ্জুন জানে না। কিন্তু সে বুঝতে পারছিল, তার হাতে আর বেশি সময় নেই। সে চট করে পকেট থেকে। হিরেটা বের করে কাঁচের দেওয়ালের সামনে নিয়ে গিয়ে ঘোরাতে লাগল। কোনওরকম আলো যে এর থেকে বের হচ্ছে, তা অর্জুনের মনে হল না। পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশটি এই কাণ্ড হাঁ করে দেখছিল। এবার জিজ্ঞেস করল, হোয়াটস দ্যাট?

    আর তখনই ঘটনাটা ঘটল। বড় হিংস্র হাঙরটা আর একবার ঢু মারার জন্যে অর্জুনের দিকে ছুটে আসছিল। হঠাৎ সেটা সেই গতি নিয়ে ডিগবাজি খেতে লাগল। যেন প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ছটফট করছে সে জলের ভেতর। অর্জুন। হিরেটাকে স্থির রাখছিল। হিরেটা থেকে কোনও আলো বের হচ্ছে কিনা, বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু হাঙরটা যেন পাগল হয়ে গেল। সমস্ত শক্তি দিয়ে সে কাঁচের ওপর আঘাত করতে লাগল। অথচ পেছন দিকে সরে যাওয়ার ক্ষমতা। তার নেই, বোঝা যাচ্ছিল। এবং তখনই অর্জুনের মনে হল, দুটো হিরের আলো একত্রিত হলে যে রেখা তৈরি হয় বলে সে শুনেছে, তাই হয়তো হয়ে গেছে। আর তা হলে অন্য হিরেটা নিশ্চয়ই হাঙরটার শরীরে রয়েছে। সে দ্রুত অন্য হাঙরদের দিকে হিরেটা ঘুরিয়ে দেখল, তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া হল না। ওরা অবাক হয়ে তাদের নেতার দুরবস্থা দেখছে। অর্জুন হিরেটা সামান্য সরাতেই সম্ভবত হাঙরটা কিঞ্চিৎ শক্তি ফিরে পেয়েছিল। পঁত বের করে সে এবার অর্জুনের দিকে যেন ঝাঁপিয়ে পড়তেই সে আবার হিরেটা তাক করল। অর্জুন খেয়ালই করেনি, দর্শকরা ভীত হয়ে কাঁচের বাক্সটা ছেড়ে অনেকটা দূরে চলে গিয়েছে। তারা এবার অর্জুনকে লক্ষ করেছে। পুলিশটি কী করবে বুঝতে পারছে না। এবার হাঙরটা পাগলের মতো পাক খাচ্ছে। অর্জুন চিৎকার করে বলল, এখানকার কর্তৃপক্ষকে ডাকো। শিগগির!

    চারপাশে ততক্ষণে শোরগোল পড়ে গেছে। পুলিশটি চিৎকার করল, তুমি কী করছ?

    অর্জুন চোখ না সরিয়েও যেন দাড়িওয়ালা লোকটাকে এগিয়ে আসতে দেখতে পেল। সে পুলিশটিকে বলল, ওই দাড়িওয়ালাটাকে ধরো। হি ইজ এ মার্ডারার।

    পুলিশটি ফ্যালফ্যাল করে দেখছিল। অর্জুন কয়েক পা পিছিয়ে এসে দাড়িওয়ালার দিকে নজর দিতেই লোকটা ক্ষিপ্রগতিতে কাঁচের বাক্সের সামনের দিকে ছুটে এল। অর্জুন অজান্তেই হাঙরটার দিকে হিরেটা তুলে ধরতে অদ্ভুত ব্যাপার হল। দাড়িওয়ালা লোকটা যেন এগিয়ে আসার চেষ্টা করেও পারছে না। তার পিছু হটার পথ কাঁচের বাক্স থাকায় বন্ধ। দু’ফুট জায়গায় দাঁড়িয়ে লোকটা ছটফট করছে। চিৎকার করে বলছে অর্জুনকে হিরেটা সরিয়ে নিতে।

    অর্জুনের মুখে হাসি ফুটে উঠল। দুটো হিরের সংযোগ-রেখা যদি হাঙরের পক্ষে অতিক্রম করা অসাধ্য হয়, তা হলে মানুষ তো পারবেই না।

    এইসময় একজন বৃদ্ধ দৌড়োতে দৌড়োতে ভেতরে ঢুকলেন। তাঁর পেছনে তিনজন পুলিশ অফিসার। বৃদ্ধ পেছন দিক দিয়ে অর্জুনের কাছে চলে এসে চিৎকার করতে লাগলেন, ইয়েস, ইটস দেয়ার? হি গট ইট।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল চোখ না সরিয়ে, আপনি কে?

    আমি, আমি প্রোফেসর লুইস জ্যাকব। আমিই ওই বিচিত্র হিরে দুটো নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করছিলাম। সেবার একটা হাঙর পাগল হয়ে কাচ ভেঙে ফেলায় একটা হিরে হারিয়ে গিয়েছিল। অন্যটাকে আমি ভেতরে রেখে দিয়েছিলাম, কিন্তু ওর একার রি-অ্যাক্ট করার ক্ষমতা ছিল না। সেই হিরেটাও অদ্ভুতভাবে মিসিং। অথচ বাক্সটা ইনট্যাক্ট আছে।

    কথা শেষ হওয়ামাত্র অর্জুন বলল, প্রোফেসর, আপনার ভেতরে রাখা হিরেটা এখন ওই বড় হাঙরটার পেটে। দ্বিতীয়টা আমার হাতে। এটা আমি আপনাকে দিচ্ছি, কিন্তু তার আগে বন্দি হয়ে থাকা ওই দাড়িওয়ালা লোকটাকে অ্যারেস্ট করতে বলুন।

    হিরেটা সরিয়ে নিতেই প্রোফেসর চেঁচিয়ে উঠলেন, অ্যারেস্ট হিম।

    পুলিশের হাত এড়াবার উপায় ছিল না দাড়িওয়ালার। প্রোফেসর হিরেটাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছিলেন। একদম ছেলেমানুষ মনে হচ্ছিল তাকে। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে কাঁচের ওপর হাঙরটাকে লক্ষ করে হিরেটাকে চেপে ধরলেন। হাঙরটা ছটফট করল। হঠাৎ জলের রং পালটে গেল। লাল ঘোলা জল পেছনে রেখে হাঙরটাকে পেছনের দিকে ছুটে যেতে দেখল সবাই। জল পরিষ্কার হলে একটা সাদা আলোর রেখা দেখা গেল। প্রোফেসরের হাত থেকে বেরিয়ে রেখাটা গিয়ে মিশেছে বালির ওপরে, যেখানে হাঙরটা শুয়েছিল। সেখানে এখন দ্বিতীয় হিরেটা পড়ে আছে। প্রোফেসর বললেন, লেটসল হোপ ওর উন্ডটা যেন নিজে থেকেই শুকিয়ে যায়। তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে অর্জুনকে জড়িয়ে ধরলেন, ইয়ংম্যান, যেটা এতদিন ধরে করতে চেয়েছি, আজ তা পূর্ণ হল। এবং সেটা তোমার জন্যেই সম্ভব হল। এই দুটো হিরের সমান্তরাল রেখা এক মিটারের মধ্যে এলে হাঙরের পেটে ছিদ্র করতে সক্ষম হয়। জলের বাইরে মানুষকেও আটকে রাখতে পারে। আই অ্যাম গ্রেটফুট টু ইউ। হোয়াটস ইয়োর গুড নেম?

    মিনিট দশেক পরে সি-ওয়ার্ল্ডের সিকিউরিটি রুমে বসে অর্জুন হিরের গল্পটা শেষ করল। তারপর দাড়িওয়ালা লোকটাকে জিজ্ঞেস করল, ওদের কোথায় রেখেছেন?

    দাড়িওয়ালা মুখ খুলল, ওরা নিজেদের ভাড়া করা গাড়িতেই বসে আছে। পার্কিং লটে গেলেই দেখতে পাবে।

    অর্জুন উঠতে যাচ্ছিল, পুলিশ অফিসার তাকে থামালেন। আপনি যেতে পারেন না। এয়ারপোর্ট পুলিশ আপনাকে খুঁজছে একটা মার্ডারের জন্যে।

    অর্জুন বলল, কিন্তু আমি সে মার্ডার করিনি।

    অফিসার বললেন, সেটা আপনাকে প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু এই ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে আপনার চার্জ শুধু আপনার দুই সঙ্গীকে বন্দুক দেখিয়ে আটক রাখার, তাই না?

    না। অর্জুন বলল, ইনি লস অ্যাঞ্জেলিস থেকে একজন পেশাদার চোরকে নিউইয়র্কে নিয়ে গিয়েছিলেন হেনরি ডিমকের বাড়িতে হিরে চুরি করানোর জন্যে। আমার বিশ্বাস সেই চোরকে উনিই খুন করিয়েছেন।

    মিথ্যে কথা। দাড়িওয়ালা প্রতিবাদ করে উঠতেই অর্জুন আচমকা হাত চালাল। সঙ্গে সঙ্গে দাড়ির খোলস খুলে মিস্টার রেগনের মুখ বেরিয়ে এল। প্রোফেসর চিৎকার করে উঠলেন, ওঃ মাই গড। ইটস ইউ? রেগন!

    রেগন তখন দুই হাতে মুখ ঢেকেছেন। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, প্রোফেসর, আপনি ওঁকে চেনেন?

    প্রোফেসর মাথা নাড়লেন, ইয়েস। এই হিরের জন্যে আমার কাছে ও কয়েকবার এসেছে, অনেক টাকা দাম দিতে চেয়েছে। আমি চেয়েছিলাম এই হিরে দিয়ে যাতে অস্ত্র ছাড়া অপারেশন করা যায় তার চেষ্টা করা। ওকে তাই বিক্রি করিনি। কিন্তু তুমি ওকে চিনলে কী করে?

    অর্জুন বলল, ওঁকে কয়েক মিনিটের জন্যে দেখেছিলাম নিউইয়র্কের ম্যাকডোনাল্ডে। তখনই ওঁর বাঁ হাতে লাল পাথরের আংটিতে লেখা আর শব্দটা চোখে পড়েছিল। প্লেনে আমাদের পেছনের সিটে বসে থাকা একজন দাড়িওয়ালা যাত্রীর হাতেও ওই লাল আংটি দেখেছিলাম।… অফিসার, ওকে থামান।

    অর্জুন চিৎকার করে উঠতেই দেখা গেল, লাল আংটির পাথরটা ঘুরিয়ে রেগন সেটা মুখে পুরেছেন। সাদা কিছু গুঁড়ো গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে। রেগন হাসলেন, ব্যস, আমি ফ্রি। হ্যাঁ। আই কিলড দ্যাট ম্যান। এই আংটির বিষ খাবারে মিশিয়ে দিয়েছিলাম এয়ারহোস্টেস যখন এই ছোকরার জন্যে খাবার এনেছিল। ওরা নিজেদের আসনে না থাকার সময় ওর প্লেটে ঢেলেছি এয়ারহোস্টেসের অজান্তে। কিন্তু আমার লোভী লোকটি ওর খাবার খেয়ে নিল লোভের বশে। প্রোফেসর, ওই হিরে আপনাকে বিক্রি করেছিলেন আমার কাকা। তিনি এর মূল্য জানতেন না। এটুকু বলার পরেই হঠাৎ চিরকালের জন্যে চুপ করে গেলেন রেগন। বাইরের পার্কিং লটে মেজর এবং হেনরি ডিমকের ঘুমন্ত শরীর পাওয়া গেল গাড়ির ভেতরেই। অনেক কষ্টে তাদের জাগানো হল। ছেলেটির পেটের বিষের সঙ্গে রেগনের আংটির বিষ মিলে গেল পরীক্ষায়।

    নিউইয়র্কে মেজরের ফ্ল্যাটে বসে ওরা গল্প করছিল। এবার দেশে ফিরতে হবে অর্জুনকে। বিষ্টসাহেব সুস্থ হয়ে উঠছেন, কিন্তু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে দেরি হবে। বন্দুকের ভয়ে লাঠির কথা ফাঁস করায় মেজর মুষড়ে পড়েছেন। রেগনের ভাড়াটে লোকদের পুলিশ ধরতে পারেনি। এইসময় একটা ট্রাঙ্ককল এল। টেলিফোন ধরে কথা বলে মেজর উত্তেজিত গলায় চিৎকার করে উঠলেন, ব্যাটা মার্শাল! ছুঁচো! আমাকে ফাঁকি দিয়ে মুক্তো দিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করছে ব্ল্যাকপুলে! চলো অর্জুন, দেশে ফেরার আগে হিথরোতে নামবে আমাদের সঙ্গে?

    অর্জুন হতচকিত হয়ে বলল, মার্শাল কে? আর হিথরোটা কোথায়?

    মার্শাল আমার অভিযাত্রী বন্ধু। হেনরির মতো। আর হিথরো হল লন্ডনের এয়ারপোর্ট। মেজর উঠে দাঁড়ালেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতীর্থযাত্ৰী – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }