Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীলকুঠীর বন্দি – অজেয় রায়

    গোগোলের শরীর খারাপ। ঘরের মধ্যে খাটের বিছানায় শুয়ে আছে। পাশ ফিরে চোখ বুজে রয়েছে। মাথার বালিশের কাছে রয়েছে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা ছোটদের জন্য লেখা গল্পের বই। আর একটা কিশোর-পত্রিকা। বাবা ঘণ্টাখানেক আগে অফিসে বেরিয়ে গেছেন। মায়ের এক বান্ধবী এসেছেন, রেখামাসি। মা তাঁর সঙ্গে বসার ঘরে বসে গল্প করছেন।

    শরীর কেউ ইচ্ছে করে খারাপ করে না। মা’র ধারণা গোগোল বৃষ্টিতে ভিজে ইস্কুলে খেলতে গিয়ে ঠান্ডা লাগিয়েছে। আর তার জন্যই ওর জ্বর আর কাশি হয়েছে। অবিশ্যি জ্বর বা সর্দিকাশি কোনওটাই এমন কিছু বেশি নয়, জ্বর এখন অল্পই আছে। ওর নিজের সেই রকম ধারণা। কাশিটাও অল্পই আছে। আজ চার দিন ও ইস্কুল কামাই করে শুয়ে রয়েছে। শুয়ে থাকতে আর মোটেই ভাল লাগছে না। কিন্তু মা’র কড়া বারণ, চুপচাপ শুয়ে বিশ্রাম নিতে হবে। গোগোল বুঝেছে, সবসুদ্ধ এক সপ্তাহ ইস্কুল যাওয়া হবে না। বন্ধুরাও কেউ বাড়ি নেই যে, ডেকে নিয়ে এসে গল্প করবে। সবাই এখন ইস্কুলে গেছে।

    গোগোল মা’র কথায় বাধ্য ছেলের মতো চোখ বুজে শুয়ে ছিল। বাড়িতে নতুন কোনও বই বা পত্রিকাও নেই যে পড়বে, মাঝে মাঝে নীচে থেকে গাড়ির হর্নের শব্দ ভেসে আসছে। কোনও গাড়ি আসছে, অথবা বেরিয়ে যাচ্ছে। ওদের বিল্ডিংয়ের সামনে রাস্তা দিয়ে যাওয়া-আসা গাড়ির একটু-আধটু শব্দ শোনা যায়। আর কিছুই শোনা যাচ্ছে না।

    গোগোলের এক সময়ে একটু যেন তন্দ্ৰামতো এসেছিল। এই অবস্থায় ও শুনল, কোথায় ঠুকঠুক করে শব্দ হচ্ছে। শুনতে শুনতে ওর তন্দ্রা ভেঙে গেল, আর তখনই শব্দটাও থেমে গেল। কোথা থেকে শব্দটা আসছিল? ওদের নিজেদের ফ্ল্যাটেই কি শব্দ হচ্ছিল? বঙ্কিমদা কি কোনও ঘরের দেওয়ালে পেরেক বা কিছু পুঁতছিল?

    গোগোল মিনিট খানেক কান পেতে থেকে, আবার চোখ বুজে অন্য পাশ ফিরে শুল। তন্দ্রার ঘোরে নয়, হয়তো জ্বরের ঘোরে ভুল শুনছে, ফ্ল্যাটের মধ্যে কোনও ঘরে পেরেক ঠুকলে আরও জোরে শব্দ হয়। কিন্তু ঠুকঠুক শব্দটা শোনা যাচ্ছিল খুব আস্তে আস্তে। গোগোলের মন থেকে ভাবনাটা চলে গেল। আবার একটু তন্দ্রার ঘোর এল। ওর কানে শব্দ ভেসে এল। কেউ যেন খুব আস্তে কোথাও করাত ঘষছে। শুনতে শুনতে আবার ওর তন্দ্রা ভেঙে গেল। কেউ কোথাও করাত চালাচ্ছে? শব্দটা যেন সেইরকমই শোনাচ্ছে। কাঠের ওপরে করাত চালাচ্ছে। নাকি লোহার ওপর কিছু ঘষছে? ভাবতে ভাবতেই শব্দটা থেমে গেল। কোথা থেকে শব্দটা ভেসে আসছিল? ওদের ফ্ল্যাটের মধ্যে নিশ্চয়ই নয়। ওপরের ফ্ল্যাটে শব্দ হচ্ছে কি? ওপরের ফ্ল্যাটটা ঠিক গোগোলদের মতোই। ওদের শোবার, বসবার, খাবার, রান্নাঘর আর বাথরুমের ওপর ওপরের ফ্ল্যাটেও একই রকম সব।

    বঙ্কিমদা ঘরের মধ্যে ঢুকল। সে গোগোলদের বাড়িতে অনেক দিন আছে। গোগোলের জন্মের সময় থেকে। বঙ্কিমদা ওকে রীতিমতো শাসন করে। বাবা-মা’র সেই রকম নির্দেশ আছে। গোগোল জিজ্ঞেস করল, “বঙ্কিমদা, আমাদের ওপরের ফ্ল্যাটে কোনও কাজ হচ্ছে?”

    “কী কাজ হবে?” বঙ্কিমদা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “আমাদের ওপরে তো টুকাইদের ফ্ল্যাট।”

    গোগোল তা জানে। টুকাই ওর বন্ধু। ওদের ফ্ল্যাটের নাম্বার বাষট্টি-এ। টুকাইদের ফ্ল্যাটে কি কোনও কাজ হতে পারে না? গোগোল বলল, “টুকাইদের ফ্ল্যাটে বোধহয় কিছু কাজ হচ্ছে।”

    “কী সব আজেবাজে কথা বলছ?” বঙ্কিমদা কাঠের আলমারি খুলে কী যেন বের করে নিয়ে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে বলল, “তোমার জ্বরটা বেড়েছে নাকি?”

    গোগোল অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কেন, জ্বর তো বাড়েনি।”

    বঙ্কিমদার যেন বিশ্বাস হল না। খাটের কাছে এসে গোগোলের কপালে হাত দিয়ে দেখে, চোখ কপালে তুলে বলল, “এ কী, জ্বর তো বেশ ভালই রয়েছে। বেড়েছে বলেই মনে হচ্ছে। তাই তুমি টুকাইদের ফ্ল্যাটে শব্দ শুনতে পাচ্ছ! কিন্তু ওদের ফ্ল্যাট তো খালি। কেউ নেই। ওরা কয়েক দিনের জন্য কলকাতার বাইরে কোথায় গেছে। জ্বরের ঘোরে ও-রকম অনেক কিছু শোনা যায়। চুপ করে শুয়ে থাকো।”

    বঙ্কিমদা হাসতে হাসতে ঘরের বাইরে চলে গেল। গোগোলের মনে পড়ে গেল, তাই তো! টুকাইরা যে ওর মামাতো দিদির বিয়েতে কয়েকদিনের জন্য কৃষ্ণনগর গেছে। তা হলে কি ও ঠুকঠুক ঘঁসঘঁস কোনও শব্দ শোনেনি? নেহাতই জ্বরের ঘোরে ভুল শুনেছে? কথাটা ভাবতেই বেশ স্পষ্ট সেই ঠুকঠুক শব্দ আবার শোনা গেল! খুব আস্তে শব্দটা হচ্ছে। ঠিক যেন গোগোলের মাথার ওপরেই শব্দটা হচ্ছে। এখন তো ও আর তন্দ্রার ঘোরে নেই। রীতিমতো চোখ চেয়ে জেগে শুয়ে আছে। কোনও সন্দেহ নেই। শব্দটা হচ্ছে ওর মাথার ওপরে, ঘরের মেঝেয়। অথচ টুকাইদের ফ্ল্যাটে কেউ নেই!

    গোগোল উত্তেজনায় উঠে বসল। আর তৎক্ষণাৎ শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। কী রে বাবা! যেন ওপরে, তন্দ্রা ভাঙা আর উঠে বসার সঙ্গে শব্দ থেমে যাবার একটা যোগ আছে? ও মুখ তুলে তাকাল। সিলিং পাখা বন্ধ করা আছে। তাকিয়ে দেখে বোঝার কিছুই নেই। নিজেরই সন্দেহ লাগে, সত্যি শব্দটা শুনেছে কি না।

    আবার আচমকা বেশ ভারী কিছু পড়ার একটা শব্দ হল। কিন্তু শব্দটা এ-ঘরের মাথার ওপরে মেঝেয় হয়নি। পাশের বা পশ্চিমের ব্যালকনির দিকে ঘরের মেঝেয় যেন শব্দটা হল। বেশ ভারী কিছু যেন হঠাৎ পড়ে গেছে। শব্দটা হল মাত্র একবার। আর কোনও শব্দ নেই।

    গোগোল ওপরের দিকে তাকিয়ে বসে রইল। মনেই হচ্ছে না, ওপরের কোনও শব্দ হয়েছে। সব চুপচাপ। কিন্তু শব্দ যে হয়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। গোগোল ওর নিজের কানকে এতটা অবিশ্বাস করতে পারে না। আর এই শব্দের অভিজ্ঞতা ওর ছেলেবেলা থেকেই ভারী গোলমেলে। কাশ্মীরে পহলগামে বেড়াতে গিয়ে, একটা অদ্ভুত গাড়ির ভেতরে ইঁদুরের ঠুকঠুক শব্দ শুনে কী ভয়ংকর ঘটনাই না ঘটেছিল! বিরাট এক ব্যাঙ্ক-ডাকাতির ডাকাতরা আর টাকা সবই ধরা পড়েছিল। এই বাড়িরই ছ’তলায় ডাবুদাকে যখন চুরি করা হয়েছিল, গোগোল তখন সেই ফ্ল্যাটের ভেতরে একজনের গলার স্বর শুনতে পেয়েছিল। অথচ মহেশানিদের ফ্লাট তখন খালি ছিল। ডাবুদাকে সেই ফ্ল্যাটেই পাওয়া গেছল।

    গোগোলের হঠাৎ মনে হল টুকাইরা ফিরে আসেনি তো? বঙ্কিমদা হয়তো জানে না। কথাটা মনে হতেই, ও খাট থেকে আস্তে আস্তে নামল। মা টের পেলে খুব রেগে যাবেন। আর ও কী করতে যাচ্ছে, সে-কথা তো মাকে বলাই যাবে না। ওকে বাবার ঘরে যেতে হলে, বসার ঘরের ওপর দিয়েই যেতে হবে। তবে বসার ঘরের মাঝখানে যেতে হবে না। বসার আর খাবার ঘরের পাশ দিয়ে বাবার ঘরে যাওয়া যায়। ও ঘরের দরজা থেকে মুখ বাড়িয়ে বসার ঘরের দিকে উঁকি দিল। মা আর রেখামাসিকে খানিকটা দেখা যাচ্ছে। দু’জনেই এত ব্যস্ত, এদিকে তাকাবার সময় নেই।

    গোগোল ঘর থেকে বেরিয়ে, বাঁ দিকে ঘুরে বাবার ঘরের দরজায় চলে গেল। বঙ্কিমদা দেখলে মা জেনে যাবেন। ও বাবার ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। বাবার ঘরেই টেলিফোনটা থাকে। টুকাইদের টেলিফোন নাম্বারও গোগোলের মনে আছে। ওর ধারণা টুকাইরা কৃষ্ণনগর থেকে ফিরে এসেছে, নইলে ওইরকম শব্দ হতে পারে না। ও টেলিফোনের কাছে গিয়ে রিসিভার তুলে ডায়াল করল। টুকাইদের ফ্ল্যাটে টেলিফোন বাজছে। এখন টুকাই ইস্কুলে গেছে। ওর বাবা অফিসে গেছেন। ওর মা বা দিদি টেলিফোন ধরতে পারেন। কিন্তু কেউ টেলিফোন ধরছেন না। বেজেই যাচ্ছে।

    গোগোল রিসিভারটা চোখের সামনে তুলে দেখল। আবার কানে চাপল। সন্দেহ হল, ঠিক নাম্বার ডায়াল করেছিল তো? সন্দেহ হতেই, রিসিভার নামিয়ে রেখে আবার তুলল। ডায়ালের শব্দ হচ্ছে। টুকাইদের নাম্বারটা মনে মনে আউড়ে প্রত্যেকটি নাম্বার ধরে ধরে ডায়াল করল। রিং হচ্ছে। কিন্তু সেই একই ব্যাপার। বেজেই যাচ্ছে। কেউ লাইন ধরছে। না। গোগোল বেশ খানিকক্ষণ শুনে, হতাশ হয়ে রিসিভার নামিয়ে রাখল। হয় টুকাইদের টেলিফোন খারাপ আছে, গোগোল শুনতে পাচ্ছে, অথচ ওদের ফোনে বাজছে না। অথবা ওরা সত্যি সত্যি কৃষ্ণনগর থেকে ফেরেনি। তা হলে যে ভারী মুশকিল!

    গোগোল পা টিপে টিপে আবার নিজের ঘরে ফিরে এল। খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি করতে দেখলেই মা রেগে যাবেন। ও খাটের ওপর উঠে বসল! আর ভাবল, তবে শব্দগুলো কোথা থেকে এল? ও কি সত্যি ভুল শুনেছে? বসে না থেকে ও আবার শুয়ে পড়ল। এখন কোনও শব্দই শোনা যাচ্ছে না। ও শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বইটা টেনে নিল। সব গল্পই পড়া। মাঝখান থেকে একটা পাতা খুলল। শরদিন্দুবাবুর গল্প একবার-দু’বারের বেশিও পড়া যায়।

    পাতা মেলেও গল্প পড়া হল না। আবার শব্দ! করাত ঘষার শব্দ। খুব আস্তে শব্দটা শোনা যাচ্ছে। করাত যে কাঠের ওপর চলছে না, তা বোঝা যায়। টিন বা লোহার ওপরে খুব আলতো চেপে একটা কিছু চালানো হচ্ছে। আর শব্দটা স্পষ্ট ওর মাথার ওপরেই হচ্ছে। মিনিটখানেক শব্দটা হল। হঠাৎ ওপরের মেঝের ওপর ঠং করে একটা কিছু পড়ে যেন একটু গড়িয়ে গেল, তারপরেই আবার শব্দ বন্ধ। টুঁ শব্দটিও নেই।

    গোগোল আবার উঠে বসল। এখনও কি ওর নিজের কানকে অবিশ্বাস করতে হবে? এও কি জ্বরের ঘোর? এর পরে ওর ওপরে যাওয়া ছাড়া। কী উপায় আছে? ওকে ওপরে গিয়ে দেখতে হবে, টুকাইরা আছে কি নেই। না থাকলে, শব্দ কেন হচ্ছে? কারাই বা শব্দ করছে? ইঁদুর, ছুঁচোতে ওই রকম শব্দ করতে পারে না। কিন্তু এ রকম জ্বর নিয়ে, যদি বা বাবার ঘরে যেতে পেরেছিল, ওপরে উঠতে পারবে কি? অবিশ্যি দরজা খুললেই লিফট। কিন্তু মা যদি দেখতে পান। ও ফ্ল্যাটের বাইরে এক পা-ও বেরোতে পারবে না। তা ছাড়া বেরোতে গিয়ে যদি মাথা ঘুরে পড়ে যায়?

    “কী ব্যাপার গোগোল?” মা দরজায় উঁকি দিলেন, “বসে কী করছ? জ্বর-গায়ে তোমাকে আমি শুয়ে থাকতে বলেছি।”

    গোগোল কিছু বলতে যাচ্ছিল। রেখামাসি ঘরে ঢুকে খাটের সামনে চলে এলেন। গোগোলের কপালে আর গলায় হাত দিয়ে উৎকণ্ঠিত হয়ে বললেন, “এ কী, জ্বর তো বেশ ভালই রয়েছে। চোখও লাল দেখাচ্ছে। শুয়ে পড়ো গোগোল।”

    “গোগোল সত্যি বড় অবাধ্য হয়েছে”, মা বললেন, “ইস্কুলে খেলতে গিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে ঠান্ডা লাগিয়ে জ্বর করেছে। শুয়ে থাকতে বলেছি। দ্যাখ, উঠে বসে আছে।”

    গোগোল বাধ্য হয়ে শুয়ে পড়ল। রেখামাসি বেরিয়ে গেলেন। মা রেখামাসিকে বাইরের ঘরের দরজায় এগিয়ে দিতে গেলেন। আর তখনই আবার ঠুকঠুক শব্দ শোনা গেল। ও কি জ্বরের ঘোরে শব্দ শুনছে? মা, বঙ্কিমদা, কারও কানেই কি এই হঠাৎ হঠাৎ শব্দ যাচ্ছে না? ভাবতে ভাবতেই ঠুকঠুক শব্দ থেমে গেল। গোগোল ওপরের দিকে তাকাল। কিন্তু সেই করাত চালাবার শব্দটা শোনা গেল।

    মা রেখামাসিকে বিদায় দিয়ে ঘরে এলেন। খাটের সামনে গিয়ে গোগোলের কপালে হাত দেবার আগেই বললেন, “চোখ দেখেই অবস্থা বোঝা যাচ্ছে। সেই আগের মতোই একশো দুই জ্বর রয়েছে। আমি চান করে এসে থারমোমিটার দিয়ে দেখব। ওষুধও খাওয়াব। উঠবে না একদম। শুয়ে থাকবে।”

    গোগোল তখন অবাক। মা ঘরে ঢোকামাত্র শব্দটা বন্ধ হয়ে গেছে। ও কিছু বলতে পারল না। মা যেমনি বেরিয়ে গেলেন, আবার শব্দটা শোনা গেল। কিন্তু শব্দ কি কেবল এ-ঘর থেকে শোনা যাচ্ছে? মা বা বঙ্কিমদার কানে কি শব্দ যাচ্ছে না? কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে গোগোল উঠে বসল। খাট থেকে আস্তে আস্তে নামল। বুঝতে পারছে, ফ্ল্যাটের বাইরে যাওয়া হবে না। বঙ্কিমদা টের পাবে। একটা হইচই লেগে যাবে। ও আবার বাবার ঘরে গিয়ে ঢুকল। টেলিফোনের রিসিভার তুলে একটা নাম্বার ডায়াল করল। সঙ্গে সঙ্গে ওপার থেকে একজন ভদ্রলোকের মোটা গম্ভীর স্বর ভেসে এল, “ইয়েস।”

    “অমি বাতায়নী বিল্ডিং-এর বাহান্ন নম্বর ফ্ল্যাট থেকে বলছি।” গোগোল বলল।

    ওপার থেকে ভদ্রলোক মোটা গম্ভীর স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, “কে কথা বলছেন আপনি? কোনও মহিলা?”

    “না। আমি গোগোল বলছি।”

    “তোমার গলার স্বরটা এ রকম নাকি নাকি শোনাচ্ছে কেন?”

    “আমার জ্বর হয়েছে।”

    “কী দরকার বলো।”

    গোগোল ঘটনাটা বলল। ওপার থেকে মোটা গম্ভীর স্বর ভেসে এল, “জ্বরের ঘোরে এসব শুনছ। ঠিক আছে। যাও শুয়ে থাকোগে। ওসব শব্দ নিয়ে তোমাকে জ্বর-গায়ে আর মাথা ঘামাতে হবে না।”

    গোগোল বুঝল, কিছুই হবে না। ও রিসিভার নামিয়ে রেখে টলতে টলতে তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকল।

    গোগোল ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঘুমোবার আগে, ও সেই শব্দ শুনেছিল। ঘুমটা ভাঙল প্রচণ্ড জোরে একটা শব্দ শুনে। শব্দটা ওর মাথার ওপরেই হয়েছে। তারপরেই ওদের কলিংবেল বেজে উঠল। আর ওপরেও তখন ধুপধাপ অনেক শব্দ শোনা যাচ্ছে। ও শুয়ে শুয়েই শুনল, বাইরের ঘরে অনেকের গলার স্বর শোনা যাচ্ছে। তার মধ্যে টেলিফোনে-শোনা সেই গম্ভীর স্বরও। তিনি তখন জিজ্ঞেস করছেন, “কই কোথায় গোগোল? ওর কাছে আমাকে একবার নিয়ে চলুন।”

    মা’র সঙ্গে ঘরে ঢুকলেন উনিফর্ম-পরা একজন পুলিশ অফিসার। বেশ দশাসই তাঁর চেহারা। গোগোল তাঁকে চেনে। ওদের লোকাল থানার অফিসার-ইন-চার্জ। তিনি তাড়াতাড়ি খাটের কাছে এসে গোগোলের কপালে হাত দিলেন। বললেন, “ও যে ঘামছে। মিসেস চ্যাটার্জি, দেখুন তো জ্বরটা কি ছাড়ছে?”

    মা এসে দেখলেন, গোগোল সত্যি ঘামছে। শিয়রের কাছে রাখা তোয়ালে দিয়ে গোগোলের জামার ভেতরে মুছিয়ে দিতে দিতে বললেন, “এর মধ্যে তুমি আবার কী ঘটিয়েছ?”

    “ঘটিয়েছে খুব মোক্ষম ঘটনাই।” থানার ওসি বললেন, “আপনারা শুনতে পাননি, আপনাদের মাথার ওপরের ফ্ল্যাটে চুপচাপ মস্ত ডাকাতি হয়ে যাচ্ছিল। একটা স্টিলের আলমারিকে পেট কাটার মতো, মাঝখান থেকে কেটে ফাঁক করে ফেলেছে। ভেতরে রয়েছে সোনার গহনা, নগদ টাকা। আরও অনেক কিছু। গোগোল জ্বরের ঘোরে যেটুকু শুনেছে, তাই আমাকে টেলিফোনে জানিয়ে দিয়েছে। জ্বরের ঘোরে হলেও, গোগোলের কানে যখন ঢুকেছে তখন আমি তো ছাড়তে পারিনি। খুব সময়মতো এসে পড়েছিলুম যা হোক।”

    গোগোলের বুকের মধ্যে তখন ধকধক করছে। জিজ্ঞেস করল, “মা, আমি একটু উঠে বসব?”

    “বোসো।” মা নিজেই গোগোলকে উঠে বসতে সাহায্য করলেন।

    ঘরের মধ্যে তখন অন্যান্য ফ্ল্যাটের অনেক মহিলা, পুরুষ এসেছেন, ও-সি তাঁর টুপি খুলে বললেন, “গোগোল, জ্বরের ঘোরে তুমি আজ মস্ত বড় ডাকাতি ধরিয়ে দিয়েছ। তুমি সন্দেহ না করলে, কিছু ধরা পড়ত না। দাও, তোমার হাত দাও।”

    গোগোল হাত বাড়াবার আগেই ও-সি তাঁর মস্ত বড় হাত বাড়িয়ে গোগোলের হাত ধরলেন, বললেন, “এবার তোমার জ্বর সেরে যাবে। পরে আবার আসব। এখন ডাকাত-মহাশয়দের একটা হিল্লে করি।”

    গোগোলের দিকে সবাই অবাক মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে ছিলেন, গোগোল মায়ের কাঁধের কাছে মুখটা গুঁজে দিল। মা ওর মাথায় হাত দিলেন। জানালা দিয়ে তখন বিকেলের রোদ ঘরের মেঝেয় এসে পড়েছে।

    ২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৭

    অলংকরণ: অনুপ রায়

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }