Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ম্যাচিস ভূত – অজেয় রায়

    শিরকুণ্ডা মন্দিরের সাধু – ঋতা বসু

    গাজিয়াবাদ থেকে মসুরিতে বদলির খবরে শ্যামবাবু খুবই খুশি হয়েছিলেন। আধা-শহর এই জায়গাটায় দু’বছরেই তিনি হাঁফিয়ে উঠেছিলেন। শ্যামলবাবু ব্যাঙ্কে কাজ করছেন আজ পঁচিশ বছর। প্রমোশন পেয়ে গাজিয়াবাদে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হয়ে এসেছিলেন। জায়গাটা প্রথম থেকেই তাঁর ঘোরতর অপছন্দ। কলকারখানায় ভরতি—ধোঁয়া, ধুলো। সেইজন্য দু’বছরের মাথায় মসুরিতে বদলির অর্ডারটা পেয়ে শ্যামলবাবু বেজায় খুশি হলেন।

    মসুরিতে পা দিয়ে খুশির ভাবটা আরও বেড়ে গেল। বেশ জমজমাট জায়গা। ব্যাঙ্কেরই আর-একজন কর্মী মি.ভুটিয়া সহাস্য বদনে অভ্যর্থনা জানালেন। গাড়োয়ালের লোকজনের প্রতি শ্যামলবাবুর বিশেষ দুর্বলতা আছে। এঁরা সাধারণত সৎ, সাদাসিধে ও ধর্মভীরু হন।

    ব্যাঙ্কের ওপরেই থাকার জায়গা। বাইরে থেকে ভালই লাগল। একপাশে পাহাড়। বাড়ির সামনে দিয়ে বাজার যাওয়ার রাস্তা নীচে নেমে গিয়েছে। অনেকখানি খোলা জায়গা সামনে। আশপাশে বাড়িঘর বিশেষ নেই। সামনের খোলা জায়গায় পায়চারি করতে করতে শ্যামলবাবু ভাবলেন― ভালই হয়েছে কাছে-পিঠে লোকজন না থাকায়। অফিস থেকে ফিরে তিনি হয় বইটই পড়েন, নয়তো প্রিয় খেলা ওয়ার্ড-পাল নিয়ে বসে যান। আধচেনা লোকের “এই যে দাদা” করে খেজুরে গল্প তাঁর বেজায় অপছন্দ।

    এই খুশির ভাবটা অবশ্য বেশিক্ষণ বজায় রইল না। বাড়ির ভেতর পা দিতেই একটা ভ্যাপসা গন্ধ নাকে লাগল। দরজা-জানালা খুলে দেওয়া সত্ত্বেও গন্ধটা রয়েই গেল। গন্ধটা বাড়ির মধ্যে থেকেই আসছে অথচ উৎসটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। শ্যামলবাবু জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখে রুম ফ্রেশনার স্প্রে করে আপাতত গন্ধের হাত থেকে রেহাই পেলেন।

    পরদিন রবিবার। ছুটির দিন। মি.ভুটিয়া বলে গেলেন মসুরি থেকে ঘণ্টা দুয়েকের রাস্তা শিরকুণ্ডা দেবীর মন্দিরে নিয়ে যাবেন। ধনোল্টি হয়ে মন্দিরে যেতে হয়। ধনোল্টি জায়গাটা নাকি খুব সুন্দর। চারিদিকে পাইন বন। মসুরির চেয়ে ঠান্ডা এবং বেশ নির্জন। শিরকুণ্ডা দেবীর মন্দিরে দু’ কিলোমিটার খাড়াই রাস্তা ধরে পাহাড়ের ওপরে উঠতে হয়। সবসুদ্ধ হাইট প্রায় দশ হাজার ফিট। শিবের প্রলয় নৃত্যকালে সতীর মস্তক নাকি এখানেই ভূপতিত হয়েছিল। সেইজন্য সিদ্ধপীঠ হিসেবে এর স্থানমাহাত্ম্য অসাধারণ। বহুদূর থেকে সারাবছরই ভক্তসমাগম ঘটে। মি.ভুটিয়া নানাভাবেই দেবীমাহাত্ম্য বর্ণনা করতে লাগলেন। শ্যামলবাবুর অবশ্য দেবদ্বিজে তেমন ভক্তি নেই। ছুটির দিন বেড়াতে যাওয়ার মন নিয়েই বেড়াতে যাবেন ঠিক করলেন।

    পরদিন সকাল আটটার মধ্যেই শ্যামলবাবু বেড়াবার জন্য তৈরি হয়ে নিলেন। মি. ভুটিয়া আসামাত্রই ধনোল্টির উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লেন। বাইরের আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক, সবচেয়ে যেটা আশ্চর্যের ব্যাপার, বাইরে এসে শ্যামলবাবু বুঝতে পারলেন― বাড়ির মধ্যে তাঁর একটা অস্বস্তি হচ্ছিল। বাড়ির মধ্যের গন্ধটাই মনে হচ্ছে অস্বস্তির কারণ। শ্যামলবাবু ঠিক করলেন ফিরে গিয়ে কার্পেটটা তুলে ফেলতে হবে। অনেক সময়ে পুরনো কার্পেট থেকে একটা গন্ধ উঠে আসে। কিন্তু এই গটা ঠিক যেন পরিচিত নয়। সারারাত্রি উনি ভাল করে ঘুমোতে পারেননি। নতুন জায়গা বলে খাপ খাইয়ে নিতে একটু অসুবিধে হচ্ছে― এই বলে মনকে প্রবোধ দিয়েছেন।

    এখন গাড়িতে করে যেতে যেতে ভাবলেন, বয়স হচ্ছে―অসুখ-বিসুখ হয় না বলে ডাক্তারও ইদানীংকালে দেখানো হয়নি। হার্টটা একটু চেক-আপ করালেও হয়। মি. ভুটিয়াকে শ্যামলবাবু জিজ্ঞেস করলেন, “মসুরিতে ভাল হার্টের ডাক্তার আছে নাকি জানাশোনা?”

    মি, ভুটিয়া বললেন, “ডাক্তার তো অনেক আছে, তবে দেরাদুনে ভা, নাগাল খুবই নামকরা। তা হঠাৎ হার্টের ডাক্তারের খোঁজ করছেন কেন? আপনার কি কোনও প্রবলেম আছে? দেখুন মি, সরকার, আপনার সেরকম মনে হলে পাহাড়ে ওঠা ঠিক হবে না। রাস্তা কিন্তু প্রচণ্ড খাড়াই।”

    শ্যামলবাবু হেসে উড়িয়ে দিলেন, “আরে না না, সেসব কিছু না। নতুন জায়গায় এলাম, তাই জেনে রাখছি কখন কী দরকার পড়ে।”

    পাহাড়ি পথ দিয়ে গাড়ি চলেছে। সুন্দর শান্ত পরিবেশ। শ্যামলবাবু যত বাইরে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করছেন, ঘুরেফিরে নিজের বাড়িটার ছবি মনে ভেসে উঠছে। লালচে কার্গেট পাতা বসার ঘর, তারপর শোয়ার ঘর। শোয়ার ঘরের লাগোয়া বাথরুম। বাথরুমের দেওয়াল পাথরের। পাথরের নকশা জুড়ে একটা অদ্ভুত ছবি তৈরি হয়েছে দেওয়ালের গায়ে। প্রথমটা কীসের ছবি শ্যামলবাবু ঠিক ধরতে পারেননি। পরে ভাল করে তাকিয়ে দেখেছেন, পুজোয় যেমন ধুনুচি ব্যবহার হয় অনেকটা যেন সেইরকম। উনি একটু অবাকই হয়েছিলেন ছবিটা দেখে। পাথরের গ্রেনে এই জাতীয় নকশা আগে কখনও চোখে পড়েনি। শোয়ার ঘরের অন্যদিকে রান্নাঘর। পুরো বাড়িটাই ছায়া ছায়া। ঠিক যেমন আর পাঁচটা পাহাড়ি অঞ্চলের বাড়ি হয় তেমনই। শুধু ওই অদ্ভুত অপরিচিত গন্ধটা একেবারেই নতুন।

    অন্যমনস্ক ভাবটা কাটিয়ে শ্যামলবাবু জোর করে মি. ভূটিয়ার সঙ্গে গল্পগুজবে মন দিলেন।

    ধনোল্টির রেস্টহাউসে বসে কফি খেতে খেতে মি.ভুটিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন শ্যামলবাবু, এই সুন্দর জায়গাটিতে নিয়ে আসার জন্য। পাইন বনের মধ্যে দিয়ে শন শন শব্দে হাওয়া বইছে। চারদিক একেবারে নিস্তব্ধ, নির্জন। পাহাড়ের একটা নিজস্ব গন্ধ আছে। খানিকক্ষণ শাস নিলেই মনে হয় যেন দশ বছর আয় বেড়ে গেল।

    মি. ভুটির তাড়ায় চটপট কফি শেষ করে শিরকুণ্ডা দেবীর মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দিলেন।

    পাহাড়চূড়ায় মন্দির! নীচে দোকানপাট। পাহাড়ের নীচে গাড়ি রেখে দু’জনে মিলে ধীরে ধীরে চড়াই ভেঙে চলা শুরু করলেন। নানা বয়সের স্ত্রী-পুরুষ-শিশুর দলও উঠছে, আবার নামছেও। শ্যামলবাবু এমনিতে বেশ শক্ত সবল! অসুখবিসুখে খুব একটা ভোগেন না। কিন্তু রাস্তা যে এতটা খাড়া, এটা আগে ধারণা করতে পারেননি। মি. ভুটিয়া পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ। তিনি বেশ তরতর এগিয়ে যাচ্ছেন দেখে শ্যামলবাবু বললেন, “আমি একটু বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে এগোব, আপনি আমার জন্য অপেক্ষা করবেন না। একেবারে চুড়োয় গিয়ে দেখা হবে।” মি. ভুটিয়া উদ্বিগ্ন মুখ করে কাছে এগিয়ে আসতেই শ্যামলবাবু একটু জোর করেই বললেন, “আমি কিন্তু একা হাঁটতেই পছন্দ করি মি.ভুটিয়া।”

    হার্টের ডাক্তারের কথা জিজ্ঞেস করা যে কত বড় ভুল হয়েছে, শ্যামলবাবু তা হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারলেন। কিন্তু হাপরের মতো হাঁফাতে হাঁফাতে মি. ভূটিয়ার সঙ্গে ওঠার চেয়ে নিজের মনে বিশ্রাম নিয়ে ধীরেসুস্থে যাওয়াটাই শ্যামলবাবুর পছন্দ। আর এ তো অফিসে যাওয়ার মতো ব্যাপার নয় যে, নির্দিষ্ট সময়েই পৌঁছতে হবে। উনি যাবেন ওঁর খুশিমতো, ইচ্ছে না হলে পুরোটা উঠবেনই না। অগত্যা মি. ভূটিয়া এগিয়ে গেলেন।

    অজগর সাপের মতো রাস্তাটা পাহাড়টাকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে উঠে গিয়েছে। মাঝে মাঝে তীর্থযাত্রীদের বসবার জায়গা আছে সিমেন্টে বাঁধানো। শ্যামলবাবু চারদিকের শোভা উপভোগ করতে করতে ধীরে ধীরে এগোতে লাগলেন।

    হঠাৎ তিনি দেখেন, স্থানীয় দুটি ছেলে রাস্তা ছেড়ে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পায়ে হাঁটা শুড়িপথ দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। শ্যামলবাবুর মনেও হঠাৎ ছেলেমানুষি অ্যাডভেঞ্চারের শখ জেগে উঠল। উনি ভাবলেন শর্টকাট রাস্তা ধরে গিয়ে মি. ভুটিয়াকে চমকে দেবেন। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে খানিকটা পথ গিয়ে একটা বাঁকের মুখে শ্যামলবাবু ছেলে দুটিকে হারিয়ে ফেললেন। তাতে উনি অবশ্য দমে গেলেন না। ঝকঝকে রোদুর, চারদিকে লোকজনের ওঠানামার শব্দ, পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে। উনি আপনমনে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এগোতে লাগলেন।

    হঠাৎ খেয়াল হতে দেখলেন জঙ্গলটা অপেক্ষাকৃত ঘন আর চারদিক একেবারে নিস্তব্ধ। পায়ে-চলা পথটাও আর দেখা যাচ্ছে না। শ্যামলবাবু ভয় না-পেয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে মূল রাস্তাটা কতদূর তা বুঝবার চেষ্টা করতে লাগলেন। পেছনে খড়মড় আওয়াজ হতে চমকে সরে দাঁড়াতেই পাথরের আড়াল থেকে একটা লোক বেরিয়ে এল। শ্যামলবাবু সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে লোকটির দিকে তাকালেন। মাথায় জটা। এই ঠান্ডাতেও গায়ে কিছু নেই। একটা লালচে রঙের কাপড় লুঙি করে পরা। হাতে একটা ধুনুচি। লোকটি একদৃষ্টিতে শ্যামলবাবুর দিকে চেয়ে আছে। শ্যামলবাবু ঠিক ভয় পাননি। এই রোগা লোকটি কীই বা করতে পারে! কিন্তু এর মতলবটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।

    শ্যামলবাবু কিছু বোঝার আগেই লোকটি ধুনুচিটা মাটিতে নামিয়ে খপ করে শ্যামলবাবুর হাতটা ধরে কবজিতে একটা লাল সুতো জড়িয়ে দিল। তারপর ধুনুচিটার দিকে হাত দেখিয়ে বলল, “মায়ের নামে এখানে কিছু দিয়ে যা। তোর সামনে খুব বিপদ।”

    শেষ কথাটা শুনে শ্যামলবাবুর আপাদমস্তক জ্বলে উঠল। সেই চির পরিচিত কায়দা। ভয় দেখিয়ে ভিক্ষে আদায়। উনি হাত থেকে লাল সুতোটা ছিঁড়ে ফেলে এগোবার চেষ্টা করতেই লোকটি বলল, “পুজো না দিয়ে চলে যাচ্ছিস, তোর ভাল হবে না।”

    শামলবাবুর আর এক মুহূর্তও এই লোকটির সামনে থাকতে ইচ্ছে করছিল না। ছুটির দিনের আমেজটাই নষ্ট হওয়ার জোগাড়। তাড়াহুড়ো করে যেতে গিয়ে ধুনুচিটায় পা লেগে উলটে গেল। শহুরে অভ্যাসমতো “সরি” বলে উনি ধুনুচিটা সোজা করে রেখে এগিয়ে গেলেন। হাতে একটু ছাইয়ের মতো লেগে গেল। পকেট থেকে রুমাল বার করে মুছতে মুছতে দেখেন লোকটি জ্বলন্ত দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। শ্যামলবাবু আর বিশেষ পাত্তা না দিয়ে আন্দাজে পাকদণ্ডীর রাস্তাটার খোঁজে এগিয়ে গেলেন। রুমালটা হাতেই ধবা রইল।

    পুরো ঘটনাটাই এত আকস্মিক যে, এই ঠান্ডা আবহাওয়াতেও শ্যামলবাবুর কপালে বিনবিন করে ঘাম দেখা দিল। গলাটাও শুকনো লাগছে। হনহন করে খানিকটা হাঁটতেই রাস্তাটা দেখা গেল। লোকজনের গলার আওয়াজ, পাখির ডাক সবই শোনা গেল। নিশ্চিন্ত মানে শ্যামলবাবু পথের ধারে একটা পাথরের ওপর বসে রুমালটা দিয়ে মুখ মুছতে গিয়েই টের পেলেন, বাড়ির মধ্যের যে গন্ধটা গতকাল থেকে তার অস্বস্তির কারণ, সেটাই তীব্রভাবে রুমালের মধ্যে এসে গিয়েছে। পরিষ্কার রুমাল নিয়ে বেরিয়েছিলেন। খানিকটা আগে শুধু ধুনুচির ছাই মুছেছেন। মাঝখানে ব্যবহার করার প্রয়োজনই হয়নি। রাগ, অস্বস্তি সব মিলিয়ে শ্যামলবাবুর একটা অদ্ভুত অনুভূতি হতে লাগল। পাহাড়চূড়ায় উঠে মন্দির দেখার ইচ্ছেটাও চলে গেল। পথের ধারে সিমেন্টের বেঞ্চিতে বসে মি. ভুটিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন। মনে মনে ঠিক করলেন জীবনে কোনও তীর্থস্থানের ত্রিসীমানায় যাবেন না। যত আধপাগল লোকের ভিড়। অযথা লোকের মনে ভীতি উৎপাদন করে এরা।

    এইসব ভাবতে ভাবতে কখন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন, বুঝতে পারেননি। সংবিৎ ফিরল মি. ভুটিয়ার ডাকে। লজ্জিত হয়ে ধড়মড় করে উঠে বসতেই মি. ভুটিয়া বললেন, “আমার মনে হয় আপনার শরীর ভাল নেই মি. সরকার। আজই একবার ডাক্তার দেখিয়ে নিন।”

    শ্যামলবাবু একেবারে উড়িয়ে দিলেন সে-কথা। বললেন, “জাস্ট পাহাড়ে চড়ার অনভ্যাসের জন্য এটা হয়েছে, বুঝলেন, বসে থাকতে ভালই লাগছিল, গতকাল ভাল ঘুমই হয়নি, কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল নেই। এতই সিম্পল ব্যাপার, এর মধ্যে ডাক্তার কী করবে?”।

    মি. ভুটিয়া পুরোপুরি বিশ্বাস না করলেও আর বিশেষ চাপাচাপি করলেন না।

    ফেরার পথে শ্যামলবাবু মি. ভুটিয়ার চোখ এড়িয়ে রুমালটা জানালা দিয়ে ফেলে দিলেন। ওই গন্ধওয়ালা রুমাল নিয়ে বাড়ি যাওয়ার কোনও বাসনা তাঁর নেই।

    বাড়ির কাছে শ্যামলবাবুকে নামিয়ে মি. ভুটিয়া আর দাঁড়ালেন না। আর-একবার শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবার কথা মনে করিয়ে বিদায় নিলেন।

    সারাদিন ঘোরাঘুরি হওয়ায় শ্যামলবাবুও আর রাত না করে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লেন। পরদিন অফিস। নতুন জায়গা। একটু আগেও যাওয়া উচিত প্রথম দিন।

    মাথার কাছের আলোটা নেভাতেই বাথরুমের ধুনুচিটার ছবি চোখের সামনে ফুটে উঠল। জঙ্গলের লোকটার হাতেও অনেকটা এই ধরনের জিনিস ছিল। রাত্রিবেলা ছবিটা কি একটু বেশি গাঢ় দেখাচ্ছিল? হয়তো আলো পড়ে সকালের চেয়ে রাত্রে বেশি চোখে পড়ছে। এইরকম সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন খেয়াল নেই। ঘুম ভেঙে গেল তীব্র গন্ধে। এইরকম অভিজ্ঞতা শ্যামলবাবুর জীবনে হয়নি। উনি জোর করে ঘুমোবার চেষ্টা করতে লাগলেন। উপুড় হয়ে বালিশে মুখটা চেপে ধরলেন। গন্ধটা সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। এত জমাট জ্যান্ত অস্তিত্ব যে, মনে হয় গন্ধের যেন হাত-পা আছে। এবং সেই হাত দিয়ে পিঠের ওপর বসে যেন মুখটা ঠেসে ধরেছে বালিশে। শ্যামলবাবু অসহায়ভাবে হাত-পা নাড়বার চেষ্টা করলেন। বিছানা থেকে উঠে বাইরে আসার চেষ্টাও করলেন কিন্তু এক ইঞ্চিও নড়তে পারলেন না। গন্ধটা ভারী হয়ে তাঁর সমস্ত শরীরটাকে যেন চেপে পিষে ফেলতে লাগল।

    পরদিন মি. ভুটিয়া অফিসে এসে খবর শুনে আফসোস করে বললেন, “ওঁর কথা শুনে আমার ছেড়ে দেওয়াটা ঠিক হয়নি। হি ওয়াজ নট ওয়েল। জোর করেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে হয়তো হার্ট অ্যাটাকের মতো দুর্ঘটনাটা এড়ানো যেত।”

    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০২

    অলংকরণ : সুব্রত চৌধুরী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }