Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতের ভয় – অজেয় রায়

    বাড়িতে একটা বিচ্ছিরি চুরি হয়ে গেল। রাত্রিবেলা নয়, একা বাড়িতে নয়, নির্জন ঘরে নয়, একেবারে কড়কড়ে দুপুরের জনাকীর্ণ শোবার ঘরের আলমারি থেকে। সবাই জিজ্ঞেস করলে হৈমন্তী দেবী তার সময়ও বলে দিতে পারলেন, “বেলা দুটো থেকে পৌনে পাঁচটার মধ্যে।” যাকে বলে ভোজবাজি। সাড়ে তিন হাজার টাকা। টাকাটা ছিল একটা তালা-দেওয়া পিতলের ঝালির মধ্যে, ঝালিটা ছিল দেওয়াল আলমারির মেজো তাকে। আলমারিতে তালা দেওয়া ছিল। বিলিতি তালা। আলমারি যেমন আটকানো থাকে তাই আছে, খুলে দেখা গেল ভিতরে ঝালিটি নেই।

    হৈমন্তী দেবীর মাথায় হাত। এখন কী করবেন তিনি? কলকাতা থেকে বেড়াতে এসেছেন শান্তিনিকেতনে, মাঝে মাঝেই আসেন, এসে থেকে যান কয়েকদিন করে। এবার এসেছেন একটু বেশিদিনের জন্য। দু’-একটা জরুরি কাজ আছে, সেরে যেতে হবে। সঙ্গে বরাবরের মতো তাঁর আয়া পদ্মা আছে, আর আছে এই বাড়িটি যে দেখাশুনো করে সেই আদিবাসী মেয়ে রঙ্গি। পদ্মা তাঁর কাছে আছে বছর সাত-আট হয়ে গেল। রঙ্গিও আছে তিন বছর ধরে। এসেই এই কাণ্ড।

    ঠিক মনে আছে একটার সময় তিনি স্নান করতে গেলেন, ফিরে এসে দেখলেন মাছওলা দাঁড়িয়ে আছে টাকার জন্যে, ঝালি থেকে তাকে টাকা দিলেন। পদ্মাকে বললেন, “শোন, ঝালিতে অনেক টাকা। এটা এক্ষুনি আলমারির মধ্যে ঢুকিয়ে রাখ।” তারপর হেসে বললেন, “সবাই বলে, দেখবেন আপনার এই ঝালি একদিন ঠিক চুরি হয়ে যাবে। কেউ সুযোগ বুঝে হাতে ঝুলিয়ে নিয়ে চলে যাবে।”

    পদ্মাও হেসে বলে, “বুঝলে মা, যারা মতলব করে তারা তোমার আলমারি থেকেও চুরি করতে পারে। তুমি তো সক্কলকে দেখিয়ে এটা থেকে টাকা বার করো।”

    “ঠিক আছে, তুই না করলেই হয়। এখন তো তুই-ই আমার গার্জেন, তোর হাতেই তো আমার সব।”

    রঙ্গি এসে বলল, “পোদ্মা বুলছে, উর বিহাতে উ তোমার কাছ থেকে একটা সোনার হার লিবে।”

    “সোনার হার! ওরে বাপ রে! সোনার কত দাম জানিস? ভারী তো শখ দেখছি তোর।”

    রঙ্গি বলল, “হামিও ছাড়বুনি, হামিও লিব। তুমি ঘোটা করে পদ্মার বিহা দিবে আর আমাকে একটা রূপহার পৈছে গড়িয়ে দিবে না, সে হোবেনি।”

    কুল খেতে খেতে মুখ সাদা করে ছুটে এল অন্তু। সে যে কখন কোথায় থাকে ধরতেই পারেন না হৈমন্তী দেবী। সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুরছে। সারা শান্তিনিকেতন তার নখদর্পণে। কত বন্ধু যে জুটিয়ে নিয়েছে, তার ঠিক নেই। সে ব্যস্তসমস্ত হয়ে বলল, “শোনো দিদা, আমি খেয়ে উঠেই সুমনকাকুর বাড়ি যাচ্ছি, কাকুর সঙ্গে আলমবাজার যাব। কাকুর ফরেস্টের বন্ধু দারুণ দাবা খেলে, আমি তাকে হারিয়ে দেব।”

    অন্তু হৈমন্তী দেবীর নাতি। এখন তার ছুটি, তাই সে দিদার সঙ্গে এসেছে। মহা দুষ্টু, কিন্তু হাতে একখানা বই ধরিয়ে দিলে আর কথা নেই। বই তার নেশা। গোগ্রাসে গেলে। বই পেলে বিশ্বসংসার ভুলে যাবে। এখানে এসে বই পাচ্ছে না, যে দুটো নতুন নিয়ে এসেছিল, কোন জন্মে শেষ হয়ে গেছে। কেবল ডিটেকটিভ বই পড়বে। বয়েস এগারোর কাছাকাছি। হৈমন্তী দেবী ঠিক করেছেন, এবার থেকে ওর রুচিটা একটু বদলাবার চেষ্টা করবেন। কিন্তু অন্তু যে বড় হয়ে ডিটেকটিভই হবে, এ বিষয়ে তাঁর নিজের মনে কোনও সন্দেহ নেই। সুমন মুখার্জি এখানকার এসডিপিও, হৈমন্তী দেবীর বন্ধুর ছেলে। অন্তুর বেকার অবস্থার দুষ্টুমি দেখে একটা দাবার সেট কিনে এনে দিয়েছে। দুর্দান্ত বুদ্ধি। দু’দিনেই চমৎকার শিখে নিয়েছে। এখন ডিটেকটিভ বই ভুলে সারাদিন শুধু দাবা আর দাবা। দাবা বিনে কথা নেই।

    হৈমন্তী দেবী পদ্মার হাতে চাবি দিলেন, পদ্মা আলমারি খুলে দ্বিতীয় তাকে ঝালিটা রাখল, আলমারি বন্ধ করল, টেনে দেখল, তারপর চাবিটা আবার হৈমন্তী দেবীর হাতে দিল। হৈমন্তী দেবী সেই চাবি কোমরে গুঁজে অন্তুকে নিয়ে খেতে এলেন খাবার ঘরে। ঘড়িতে তখন ঠিক দুটো বাজতে সাত।

    খেয়ে উঠে একটু বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন, মালির সাইকেল নিয়ে অন্তু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে প্যাডেল করতে করতে চলে গেল সুমনের বাড়ি। অন্তুর সাইকেল চালানো দেখে হৈমন্তী দেবীর হাসি পেল। সিটে বসলে নাগাল পায় না, তাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে প্যাডেল করে কী অদ্ভুতভাবে যাচ্ছে। এই অন্তটার জন্যই তিনি কলকাতা ছাড়তে পারেন না, নইলে কবে এখানকার বাসিন্দা হয়ে যেতেন। শান্তিনিকেতন তাঁর খুব ভাল লাগে।

    তিনি যতক্ষণ বারান্দায় বাগানে একটু ঘোরাঘুরি করলেন, ততক্ষণে পদ্মা আর রঙ্গি কাজকর্ম গুছিয়ে স্নান করে খেতে বসল। রঙ্গি বলেছিল, আজ একবার বাড়ি যাবে। খেয়ে উঠে বলল, “আজ আর যাবুনি।”

    তিনি বললেন, “সেই ভাল। রোজ রোজ কার জন্য ঘরে যাস? কেউ তো নেই।”

    তা ঠিক। রঙ্গির কেউ নেই। একটা মেয়ে ছিল, খুব নাকি সুন্দর ছিল। এনসিসি-র এক সাহেব বিয়ে করে দিল্লি নিয়ে গেছে। রঙ্গি তার ঠিকানা জানে না, কেবল একে-ওকে জিজ্ঞেস করে। শেষে কী ভেবে ফাঁকা ঘরে গিয়ে বসে থাকে অনেকক্ষণ। লেপেপুছে পরিষ্কার করে ফেলে ঘরটা।

    হৈমন্তী দেবী ঘরে এসে কোমর থেকে চাবি খুলে বালিশের কাছে রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঘুম ভেঙে দেখলেন, বেলা পড়ে এসেছে। মালির ছেলে দাশু বলল, “আমি দোকানে যাচ্ছি। সর্ষের তেল আর চাল আনতে দেবেন বলেছিলেন।”

    হৈমন্তী বললেন, “হ্যা, হ্যাঁ, দাঁড়া। টাকা নিয়ে যা।”

    ঘরে এসে চাবি নিয়ে আলমারি খুললেন, অবধারিতভাবে নির্দিষ্ট জায়গায় হাত দিলেন, তারপরেই তাকিয়ে তাঁর চোখ কুঁচকে গেল। ঝালিটা সেখানে নেই। অন্যান্য তাক হাতড়ালেন, নেই। কাপড়চোপড় জিনিসপত্র সব ঘেঁটে সরিয়ে দেখলেন, নেই। বিস্মিত হয়ে ভয়ের গলায় ডাকলেন, “পদ্মা, পদ্মা।”

    পদ্মা খাবার জল ধরছে বাইরের কল থেকে, ছুটে এসে বলল, “কী হয়েছে মা?”

    “নেই।”

    “কী নেই?”

    “দ্যাখ তুই, আমি তো পাচ্ছি না।”

    “কী পাচ্ছ না?”

    “ঝালিটা।”

    “ও ঝালিটা? সে তো আমি মেজো তাকে রেখেছি।” পদ্মা এগিয়ে এল। তারপর সে-ও আলমারি তছনছ করে ফেলল, ঝালিটা সত্যি নেই।

    গেল কোথায়? নেবে কে? আলমারি তো তালা দেওয়া। চাবি তো তাঁর কাছে। রঙ্গিও তন্নতন্ন করল, নেই তো নেই। আলমারি ছেড়ে তখন সারা বাড়ি খোঁজা শুরু হল। রান্নাঘর, বাথরুম পর্যন্ত। অবস্থা দেখে দাশু বলল, “এখন আমি যাই মা, কাল সব এনে দেব।”

    হৈমন্তী স্তম্ভিত।

    আলাদা করে এবার তিনি পদ্মা আর রঙ্গির সঙ্গে কথা বললেন, “দ্যাখ, তোরা ছাড়া তো বাইরের কেউ নেই, কে নেবে? যদি হঠাৎ কোনও লোভবশত করে থাকিস আমাকে বল, আমি এ-নিয়ে আর কাউকে কিছু বলব না।”

    ওরা কাঁদো কাদো গলায় বলল, “বিশ্বাস করো, আমরা নিইনি মা। আমরাও অবাক হয়ে যাচ্ছি ঝালিটা গেল কোথায়। অতগুলো টাকা। এদিকে আলমারি বন্ধ।”

    বেলা পাঁচটা থেকে সন্ধে সাতটা হয়ে গেল ঝালি তো খুঁজে পাওয়া গেল না, কে চোর তাও বোঝা গেল না। ভোম্বল এল। ভোম্বল তাঁদের কলকাতার প্রতিবেশী, অবসরপ্রাপ্ত জজবাবুর নাতি, অবিনাশ ব্যারিস্টারের ছেলে। লেখাপড়ায় ভাল না হোক, দেখতে বড় সুন্দর ছেলেটা। হৈমন্তী দেবী খুব ভালবাসেন। ভোম্বল বলল, “দিদা, আমি কিছুতেই দুপুরে আসতে পারলাম না। আমার এক মামাতো ভাই আমাকে জোর করে সিনেমায় নিয়ে গেল, রেস্টুরেন্টে খাওয়াল, বলল কলকাতায় এই দিদার কাছে তো বারোমাসই থাকিস, বারোমাসই খাস, আজ আমি খাওয়াব। তুমি রাগ করোনি তো?”

    ভোম্বলও কয়েকদিন হল কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে শান্তিনিকেতন বেড়াতে এসেছে। সকালের দিকে প্রায়ই আসে। আজও এসেছিল। হৈমন্তী দেবী বলেছিলেন, “দুপুরে এসে আমার সঙ্গে খাস।” আসেনি। এল এখন। তিনি বললেন, “আজ বাড়িতে বিশ্রী একটা কাণ্ড হয়েছে।”

    ভোম্বল উদ্বিগ্নভাবে বলল, “কী?”

    হৈমন্তী দেবী বললেন, “আমার ঝালিটা চুরি হয়ে গেছে।”

    “তোমার ঝালিটা? ওই সুন্দর ঝালিটা। বেশি টাকাপয়সা ছিল না তো?”

    “তা ছিল।”

    “ছিল? কত?”

    “সে-কথা বলে আর কিছু লাভ নেই। কিন্তু কী করে গেল সেটাই তাজ্জব ব্যাপার।”

    সতেরো বছরের ভোম্বল, যাট বছরের বুড়োর মতো পাকা গলায় বলল, “এ যে একদিন হবে তা আমি জানতাম। কলকাতায় হয় না, সেখানে অনেক লোক। এখানে আর অসুবিধে কী? আমি তো সকালেও দেখে গেলাম, ঝালি খুলে রঙ্গিকে তুমি বাজারের পয়সা দিচ্ছ।”

    “সকালে কেন, দুপুরেও ছিল। আলমারির ভিতরে চাবি দেওয়া ছিল।”

    “তা সেখান থেকে কী করে যাবে? তালা ভাঙল কে?”

    “তালা তো ভাঙেনি। সেটা যেমনকে তেমনই আছে। শুধু ভিতরে ঝালিটা নেই।”

    “চাবি কোথায় ছিল?”

    “যেমন থাকে, বালিশের তলায়।”

    ভোম্বল ঠোঁট ভ্যাটকাল, “দেখলে তো, তোমার অত আদরের অত ইয়ে, কীরকম বিশ্বাসী। আরে বাবা, ওই পথের মানুষকে পথেই মানায়। ঘেঁটুফুল ফুলদানিতে মানায় না।”

    বোঝা গেল ঘেঁটু ফুলটা কে। পদ্মাকে হৈমন্তী দেবী বলা যায় পথের থেকেই কুড়িয়ে এনেছেন। সাত-আট বছর আগে পদ্মা বালিকাই ছিল। মিষ্টি চেহারার সরল নিস্পাপ মুখ একটা মেয়ে। পথে বসে কাঁদছিল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। কোথাও যেতে যেতে তাকে দেখতে পেয়ে তিনি থামলেন, পিঠে হাত বুলিয়ে বললেন, “কাঁদছিস কেন রে?” আদরে যদিও ফোঁপানিটা বেড়ে গেল, কিন্তু ছোট্ট জীবনের ইতিহাসটি ও বলল— মা-বাবা নেই, জ্যাঠা-জেঠিমার কাছে থাকত, আজ তারা মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে, তাই শহরে এসেছে খেটে খাবে বলে। কিন্তু যাদের সঙ্গে এসেছিল, তাকে তারা ফেলে যে কোথায় গেল আর খুঁজে পাচ্ছে না, তাই পথ হারিয়ে কাঁদছে। হৈমন্তী দেবী তক্ষুনি তাকে রিকশাতে তুলে নিয়ে বাড়ি চলে এলেন। সেই থেকে সে আছে এতদিন। বলা যায় প্রায় বাড়িরই মেয়ে। তেমনই আদরেই তাকে তিনি রাখেন। বাড়ির সব্বাই তাকে ভালবাসে। বিশেষত অন্তু। অন্তু একেবারে পদ্মাদি অন্ত-প্রাণ।

    একটা বিয়ে ঠিক করেছেন। তাঁদেরই ড্রাইভারের ছেলে। টেন পর্যন্ত লেখাপড়া শিখে এখন কোন গ্যারাজে কাজ শিখে মেকানিক হয়েছে, ভাল রোজগার করে, ছেলেও খুব ভাল। ভোম্বলের কথায় হৈমন্তী দেবী দুঃখিত হলেন, কিন্তু প্রতিবাদও করতে পারলেন না। কে জানে কার মনে কখন কী পাপ ঢোকে, কী দুর্মতি হয়। সোনার হার করে করে যা অস্থির। তিনি যতই দিন সোনার হার তো দেবেন না? সারা দুপুর তিনি নিজে আর পদ্মা-রঙ্গি ছাড়া তো কেউ ছিলও না। সুযোগও ছিল। পদ্মা জানত ঝালিতে কত টাকা আছে। ম্লান মুখে চুপ করে রইলেন।

    ভোম্বল এরপরে সাংঘাতিক চোটপাট করল ওদের উপরে। উত্তেজিত হয়ে অনেক খোঁজাখুঁজিও করল। তারপর বলল, “বাবা বলে দিয়েছেন, আমাকে আজই বাড়িতে ফিরতে হবে। এখন সিউড়ি যাচ্ছি, সেখান থেকে চলে যাব। ওই কথাই বলতে এসেছিলাম। কিন্তু তোমার যা অবস্থা দেখছি, এভাবে একা রেখে যাই কী করে? অথচ না গেলেও তো নয়।”

    ব্যস্ত হয়ে হৈমন্তী দেবী বললেন, “না, না, তুই থেকে কী করবি? যা হবার তা তো হয়েইছে। ওরা আছে।”

    “ওরা আছে।” রাগে গরগর করল, “দুটো ডাকাত। তোমার অতিরিক্ত সাহস। তুমি এক্ষুনি পুলিশে খবর দাও। রিটন কমপ্লেইন দাও, নয়তো কাজ হবে না। তুমি লিখে দাও, আমি বরং যাবার পথে দিয়ে যাই।”

    হৈমন্তী দেবী বিষণ্ণভাবে বললেন, “এখানকার এসডিপিও সুমন মুখার্জি আমার খুব চেনা। এক্ষুনি এসে যাবে অন্তুকে নিয়ে। তারপর দেখি কী হয়।”

    “হ্যাঁ, হ্যাঁ, অন্তু কই? চুরির খবরে অন্তুর কথা জিজ্ঞেস করতেই ভুলে গেছি।”

    সুমনের আসতে বেশ দেরি হল। অন্তু টগবগ করে লাফাচ্ছে, সুমনকাকার সঙ্গে সে একটা খুনের জায়গায় গিয়েছিল। একজন বড় গোয়েন্দাও সঙ্গে ছিল। সুমন বলল, “আর বলবেন না মাসিমা, গিয়েছি বন্ধুর কাছে ছুটির দুপুর কাটাতে, গিয়েই এই সংবাদ। ছুটতে হল গাঁওহরিদ্রায়, পথ কি কম নাকি? উঁচু-নিচু গ্রামের মাঠ দিয়ে যাওয়া, পুলিশ নিয়ে, জিপ নিয়ে— ওই জন্যই দেরি হয়ে গেল ফিরতে। আপনি চিন্তা করেননি তো?”

    হৈমন্তী দেবী হাসলেন, “অন্তু তবে একটা জলজ্যান্ত গোয়েন্দা চোখে দেখে এল? তার উপরে খুনের তদন্ত? কিন্তু বাড়িতেও যে একটি তদন্তের ব্যাপার ঘটে গেছে সুমন, তার কী করি বলো তো?”

    “কী হল?”

    “তুমি তো দেখেছ, ব্যাবসাদারদের যেমন একটা হাত-বাক্স থাকে, আমার ঠিক তেমনই একটা ঝালি থাকে পাশে। শুধু এটা আনতে হবে, সেটা আনতে হবে—সারাদিন পঞ্চাশবার উঠে উঠে আলমারি খোলা মহা ঝামেলা। ওই ঝালির তালা খুলেই পয়সা টাকা যে যা চায় দিই।”

    “হ্যাঁ, হ্যাঁ, সে তো আমি বরাবর দেখে আসছি।”

    “ওই ঝালিটি চুরি গেছে।”

    “মানে?”

    “কিছু বেশি টাকা ছিল তার মধ্যে, সেজন্য বেশি সাবধান হয়ে ওটাকে আলমারির ভিতরে ঢুকিয়ে চাবি দিয়ে রেখেছিলাম।”

    “অর্থাৎ ঝালিতেও তালা ছিল, আলমারিতেও চাবি ছিল?”

    “হ্যাঁ।”

    ‘তারপর?”

    “আলমারি খুলে দেখি ঝালিটা নেই।”

    “সে কী! কত টাকা ছিল?”

    “সাড়ে তিন হাজার।”

    “সাড়ে তিন হাজার?”

    “হ্যাঁ।”

    “সেই টাকাসুদ্ধ ঝালিটা নেই? অথচ আলমারি বন্ধ আছে।”

    “হ্যাঁ।”

    “আশ্চর্য, কখন টের পেলেন?”

    “বেলা দেড়টা নাগাদ ওটা খুলে আমি টাকা বার করেছি, তারপর তালা বন্ধ করেছি, তারপর আমার সামনে পদ্মা আলমারি খুলে ঝালি রেখে আলমারি বন্ধ করে চাবি আমার হাতে দিয়েছে।”

    “সেই থেকে চাবি আপনার কাছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “আলমারিটা বন্ধ করেছে কি করেনি, তা কি আপনি নিজে টেনে দেখেছিলেন?”

    “না।”

    “ওই তো আপনাদের দোষ। সকলকে এত বিশ্বাস করেন? বাড়িতে তখন আর কে ছিল?”

    “আমি রঙ্গি আর পদ্মা।”

    “কেউ এসেছে তার মধ্যে?”

    “না।”

    “তা হলে আর তদন্তের প্রয়োজন কী? চোর তো আপনার ঘরেই রয়েছে। কাকে সন্দেহ করেন? পদ্মা, না রঙ্গি? নাকি দু’জনেরই সাঁট আছে, এত টাকা যখন।”

    “আমি তো কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না সুমন। এদের সন্দেহ করতে আমার খুব খারাপ লাগছে, অ্যাদ্দিন ধরে আছে…”

    “দাড়ান দেখছি। পদ্মা…” সুমনের পুলিশি গলা বেরিয়ে এল। পদ্মা ভয়ে জড়সড় হয়ে এসে দাঁড়াল।

    “দুপুরবেলা তুমি আর রঙ্গি ছাড়া আর কেউ বাড়িতে ছিল?”

    “না দাদাবাবু।”

    “শুধু তোমরা দু’জন ছিলে?”

    “হ্যাঁ।”

    “কী করছিলে?”

    “ঘুমোচ্ছিলাম।”

    “রঙ্গি কী করছিল?”

    “ও-ও ঘুমোচ্ছিল।”

    “মাসিমাও ঘুমোচ্ছিলেন?”

    “আজ্ঞে হ্যাঁ।”

    “দরজা বন্ধ রইল, আলমারি বন্ধ রইল, তোমরা ঘুমিয়ে রইলে, ঘরে আর কেউ ঢুকল না, তবে ঝালিটা গেল কোথায়?”

    “আমি কিছু জানি না, আমি কিছু করিনি, আমি নিইনি দাদাবাবু।”

    সুমন প্রচণ্ড গলায় ধমক দিয়ে বলল, “ন্যাকামি কোরো না। বলো টাকা কোথায় গেল। ও-সব মেকি কান্না ঢের দেখেছি।”

    “আমি জানি না, দাদাবাবু!” হাউমাউ করে উঠল পদ্মা আর সঙ্গে সঙ্গে অন্তুও কেঁদে ফেলে বলল, “পদ্মাদিকে কেন বকছ, পদ্মাদি নেয়নি।”

    অন্তুর অবস্থা দেখে হৈমন্তী দেবী বললেন, “আজ বরং থাক সুমন, কাল যা হয় হবে।”

    “তা তো হবেই। আমি কি ছাড়ব নাকি? টাকা তো এরাই নিয়েছে। সাড়ে তিন হাজার টাকা কি কম? কী দুর্জয় সাহস। রতিদারোগাকে পাঠিয়ে দেব কাল। দু’-চারটে রুলের গুঁতো না খেলে কি সিধে আঙুলে ঘি উঠবে?”।

    “না, না, না।” অন্তু পদ্মাকে জড়িয়ে ধরল।

    চলে গেল সুমন। বলে গেল এক্ষুনি গিয়ে একটা পুলিশ পাঠিয়ে দিচ্ছি, এদের চোখে চোখে রাখা দরকার।

    পরের দিন সুমন আবার সেই খুনের তদন্তে কোথায় চলে গেল, আসতে পারল না। কিন্তু পুলিশ প্রহরায় রইল, দারোগাও এলেন। তিনি এসে একেবারে নাস্তানাবুদ করে ফেললেন পদ্মা আর রঙ্গিকে। হৈমন্তী দেবীকে বললেন, “আপনার আদিবাসী মেয়েটি মক্রমপুরের। মক্রমপুর হচ্ছে এখানকার বিখ্যাত গুন্ডা-বদমাশদের আড্ডা। যদূর সম্ভব দুটোতে মিলে সাঁট করেই করেছে। ওই জন্যেই বাড়ি গেল না। কিন্তু কিছুতেই স্বীকার করানো যাচ্ছে না। আসলে পিছনে মস্ত গ্যাং আছে, তাই ভয় কম। জানে ওরাই রক্ষা করবে। আজ রোববার, কিচ্ছু করা যাবে না। কাল থানায় নিয়ে গিয়ে যা করব, তখন দেখা যাবে এত সাহস বাছাধনদের থাকে কোথায়।”

    হৈমন্তী ভীত গলায় বললেন, “মারধর করবেন না তো?”

    দারোগা বললেন, “প্রয়োজনমতো সবই হবে, দুটো-চারটে আঙুল ভেঙে দিলেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসবে সব কথা।”

    “না, না, না।” হৈমন্তী দেবী প্রায় আর্তনাদ করে বললেন, “যা বলবার বাড়িতে জিজ্ঞেস করুন। ওসব থানাটানার দরকার নেই।”

    সে-কথা গ্রাহ্য না করে চলে গেলেন দারোগাসাহেব।

    পুরো দুটো দিন দুটো রাত কারও ঘুম নেই, খাওয়া নেই, কী অবস্থা! টাকার কষ্ট ভুলে এখন হৈমন্তী দেবীর পদ্মা আর রঙ্গির চিন্তাই বড় হয়ে উঠেছে। একথা ভেবেই বেশি কষ্ট বোধ করছেন, এই অপকর্মটি ওরা কেন করল? ধরা যে পড়বেই সে তো জানা কথা। এদিকে অন্তু সাংঘাতিক মনমরা হয়ে আছে! কারও সঙ্গে কথা বলছে না, বিশেষত দিদার উপরই তার রাগ বেশি। দারোগাবাবু এসে মারবার মতো করে কত বিশ্রী বিশ্রী গালিগালাজ করে গেলেন, টেবিলে হান্টার মেরে মেরে কত ভয় দেখালেন, অথচ দিদা একটুও প্রতিবাদ করল না। সেজন্য দিদাকে সে কিছুতেই ক্ষমা করতে পারছে না।

    দুপুরবেলা খুব মন খারাপ করে শুয়ে ছিল। দিদা পাশে শুয়ে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়েছেন। বাকুম বাকুম পায়রা ডাকছে বাইরে, শিরীষ গাছের শুকনো ফলগুলো বাতাসে নড়ে নড়ে গানের মতো আওয়াজ করছে। শুনতে শুনতে সে আস্তে আস্তে উঠে বসল। খাট থেকে নামল, তারপর নরম পায়ে ঘুরতে লাগল ঘরের মধ্যে। সেই মুহূর্তে নিজেকে সে অন্তু ভাবছিল না, কোনও বইয়ের কোনও বড় ডিটেকটিভের সঙ্গে একাত্ম বোধ করছিল। কচি মুখের চেহারা। তাদের মতোই পাশ করে রীতিমতো গম্ভীর। আজ সে একটা হেস্তনেস্ত করবেই করবে, এই তার পণ। তার দৃঢ় ধারণা, যে-কোনওভাবে হোক, একটা চোর ঘরে ঢুকেছিল। পদ্মাদি কক্ষনও চুরি করেনি। রঙ্গিদিও না।

    সব ঘর ঘুরে রান্নাঘরে এল। দেখল দরজাটা আধো খোলা, সংলগ্ন চাতালের রোদে পদ্মাদি আর রঙ্গি শুয়ে ঘুমোচ্ছে। ওরা রোজই এরকম ঘুমোয়। তাদের পাশ কাটিয়ে সে বাইরে এল। কিন্তু তারা জেগে গেল না, আর তক্ষুনি মনে হল চোর এভাবেই ঢুকেছিল। সে আবার পাশ কাটিয়ে যেন চোর ঢুকছে সেভাবেই ঘরে ঢুকল, এখনও তারা টের পেল না। এবার অন্তু সন্তর্পণে দিদার মাথার কাছে এসে আস্তে চাবিটা নিল। তবু দিদা টের পেলেন না। চাবি নিয়ে আলমারি খুলল। মজা তো! তবে তো চোর এই পথেই এসে এইভাবেই আলমারি খুলে চুরি করেছে। যেখানে ঝালিটা ছিল হাত দিল সেখানে। কোণের দিকে কী একটা হাতে লাগতে টেনে এনে দেখল একটা ছোট্ট গোল, চারপাশে সোনালি কাজ করা আয়না। বুকের ভিতরে বিদ্যুৎ চমকে উঠল। চকচক করল চোখ, বুঝে ফেলল চোরমশায়টি কে।

    তক্ষুনি চাবি ছুড়ে ফেলে আলমারি খোলা রেখে ধাক্কা মেরে দিদাকে জাগিয়ে গায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলল, “দিদা, আমি চোর ধরেছি, এই যে তার চিহ্ন। কেমন করে কীভাবে ঘরে ঢুকেছে, তাও আমি দেখিয়ে দিতে পারি। তুমি পুলিশ পাঠিয়ে ওকে এক্ষুনি অ্যারেস্ট করে নিয়ে এসো।”

    অন্তুর মুখ লাল, উত্তেজনায় সে থরথর করে কাঁপছে।

    ঘুম-চোখে কিছুক্ষণ নাতির মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে দিদাও উত্তেজিতভাবে উঠে বসলেন, “কী বলছিস তুই? কে চোর? কোথায় চোর।”

    “এই দ্যাখো, এই দ্যাখো।”

    “কী এটা?” তারপরেই আয়নাটা দেখে অবাক হয়ে বললেন, “ওমা, এটা তুই কোথায় পেলি? এ-আয়নাটার কথা তো আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। কী সুন্দর আয়নাটা, তোর ছোটপিসি দিয়েছিল আমাকে। সবসময়ে আমার ব্যাগে থাকত, তারপর হঠাৎ একদিন দেখি নেই।”

    “এটা তোমার আয়না?”

    “পাঁচ-সাত বছরের মধ্যেও তো আয়নাটার কথা আমার মনে পড়েনি। কী লক্ষ্মী ছেলে, কেমন তামার আয়নাটা খুঁজে পেয়েছে।”

    হাত বাড়িয়ে আদর করতে গিয়েছিলেন, অন্তু সবেগে সরে দাঁড়িয়ে ক্রুদ্ধভাবে বলল, “এটা মোটেও তোমার আয়না নয়। এ-আয়না ভোম্বলদার, সবসময় ভোম্বলদার পকেটে থাকে। এ-আয়না আমি আলমারিতে পেয়েছি। ওই ঝালি ভোম্বলদা চুরি করেছে। ভোম্বলদার পকেট থেকে এ-আয়না পড়ে গেছে সেখানে।”

    “ভোম্বলদা!” অন্তুর কথা শুনে হৈমন্তী দেবী অবাক।

    “হ্যাঁ, ভোম্বলদা। ভোম্বলদা মিছে কথা বলেছে, দুপুরে এসে নিজে চুরি করে সন্ধেবেলা এসে পদ্মাদির নাম বলেছে।”

    “অন্তু!” তিরস্কারের গলায় নামটা উচ্চারণ করে হৈমন্তী দেবী বললেন, “তুমি কাকে কী বলছ, তা জানো না।”

    “জানি। ভোম্বলদা ভাল না। একটুও ভাল না। আমি একদম দেখতে পারি না ভোম্বলদাকে। আমি ক্লাসে ফার্স্ট-সেকেন্ড হই বলে একা পেলেই আমার মাথায় টকাটক চাঁটা মারে, আর বাড়ির কাউকে দেখলে আদর করে।”

    “যা বলেছ আমার কাছে বলেছ, আর যেন কখনও এ-কথা কেউ তোমার মুখ থেকে না শোনে। ছি ছি ছি, নিজের দাদার মতো, কত ভালবাসে, চকোলেট এনে দেয়, ক্যারম খেলে বসে বসে।”

    লজ্জায় মরে গেলেন হৈমন্তী দেবী। ভোম্বলকে কেন যে অন্তু দেখতে পারে না, কে জানে। “ভোম্বলের বাবা অবিনাশ যদি শোনে এ-কথা? ছি ছি। ওর দাদু জজবাবু যদি শোনেন। কত সম্রান্ত লোক—ছি ছি…”

    দিদার গরম গলা শুনে অন্তু ধড়াস করে বিছানায় শুয়ে পড়ে বালিশে মুখ ঢেকে ফুলে ফুলে কাঁদতে লাগল। এতখানি বয়সে কোনওদিন তো দিদার গলায় এরকম গরম শোনেনি। মা বকেন বলে কত রাগ করেন। আর আজ কিনা সে ওই দুষ্ট ভোম্বলদাটার জন্য বকুনি খেল?

    হৈমন্তী দেবী তক্ষুনি পদ্মা-রঙ্গিকে ডেকে সব গুছিয়ে নিতে বললেন। আর এখানে থাকা নয়। কাল ভোরের ট্রেনেই চলে যাবেন কলকাতা। সুমন সন্ধেবেলা এলে বললেন, “টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করে দরকার নেই। যা গেছে, গেছে। কারা নিয়েছে সে তো বোঝাই গেল। রঙ্গিকে ছাড়িয়ে দিয়ে যাব। পদ্মার ব্যবস্থা যা হয় কলকাতা গিয়ে হবে। এখানে থাকাটা অন্তর পক্ষে ক্ষতিকর হচ্ছে।”

    রাত্রিবেলা সাড়ে ন’টার ট্রেনে এক অপ্রত্যাশিত অতিথি এসে হাজির। সকলের খাওয়া-দাওয়া সারা, অন্তু ঘুমিয়ে পড়েছে, পদ্মা-রঙ্গিও শুয়ে পড়েছে, হৈমন্তী দেবী জানালা দিয়ে দেখে দরজা খুলে অবাক হয়ে বললেন, “তুমি! হঠাৎ! এখানে?”

    “এর মধ্যেই শুয়ে পড়েছিলেন?”

    “আর কী? শান্তিনিকেতনে তো এখন গভীর রাত। আমার বাড়িতেই আলো। কী ব্যাপার? এসো, এসো। এই পদ্মা, ওঠ দ্যাখ কে এসেছে।”

    অতিথি বলল, “খুব একটা জরুরি কাজে এসেছি মাসিমা। কথাটা ব্যক্তিগতভাবে আপনাকেই শুধু বলতে চাই।”

    “বলো।”

    অতিথি কোনও ভণিতা না করে বলল, “আমার পুত্রটি একটি গুণধর। নানারকম কু-অভ্যাস তো হয়েইছে, তা বলে তার অধঃপতন যে এতদূর, এ আমি কল্পনাও করতে পারিনি। যাই হোক, সংক্ষেপে ঘটনাটা এই, ভোম্বল চুপিচুপি দুপুরবেলা এসে আপনার আলমারি থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা চুরি করে কলকাতা গেছে। সিনেমার হিরো হবে। ওই টাকা নিয়ে পালিয়ে বম্বে যাচ্ছিল আর-এক বন্ধুর সঙ্গে। ওর মা ধরে ফেলেছেন। আমার হাতে যথেষ্ট মার খেয়ে শেষে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে, এ-টাকা সে কোথায় পেল, কীভাবে চুরি করল। এই সেই টাকা।”

    রাবার-ব্যান্ড আটকানো টাকার বান্ডিলটা ভোম্বলের বাবা অবিনাশ বালিশের তলায় গুঁজে দিলেন।

    হৈমন্তী দেবীর মুখে আর বাক্য সরল না। চকিতে একবার অন্তুর দিকে তাকালেন শুধু।

    ১৬ মার্চ ১৯৮৮

    অলংকরণ: কৃষ্ণেন্দু চাকী

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }