Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গণপতির গান – অজেয় রায়

    “চার হাজার ছ’শো বছর আগেকার জাহাজ? এখনও আছে?”

    “আছে। আস্ত জাহাজটাকে পাওয়া গেছে পিরামিডের পাশের পাতালঘর থেকে।”

    “সেই জাহাজের নকল তৈরি হচ্ছে প্লাস্টার অব প্যারিস দিয়ে?”

    “হচ্ছে এই কলকাতাতেই। মানিকতলার একটা গলিতে।”

    “তারপর?”

    “চালান যাচ্ছে ইন্ডিয়ার বাইরে।”

    “কিন্তু নকল জাহাজ নিয়ে আপনাদের মাথাব্যথা কেন?”

    ঝুঁকে বসলেন রতন দত্ত। ফরসা। সুপুরুষ। মাথাজোড়া চকচকে টাক মুখের বুদ্ধির রোশনাইকে বাড়িয়ে দিয়েছে। চোখা নাক। সুন্দর চোখ। পাতলা ঠোঁট। গালে অল্প দাড়ি— জুলপিজোড়া লম্বা হয়ে গালের অর্ধেক ঢেকে রয়েছে। থুতনি কামানো। শক্ত চিবুক তাই চট করে চোখে পড়ে। ভদ্রলোকের সারা দেহে বুদ্ধি আর ব্যক্তিত্ব ঝলমল করছে।

    উনি বললেন, “ইন্দ্রনাথবাবু, নকল জাহাজ আমাদের মাথাব্যথার কারণ নয়। ভাবিয়ে তুলেছে ক্লিয়ারিং এজেন্ট।”

    নস্যি নিল ইন্দ্রনাথ। সাতসকালেই রতন দত্ত এসেছেন। তাই গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরেই তাঁর সমস্যা শুনতে হচ্ছে। বললে ডিবে বন্ধ করে, “খোলসা করুন।”

    “কালেক্টর অব কাস্টমস পাঠিয়েছেন আমাকে। দিনা অ্যান্ড কম্পানির এক্সপোর্ট লাইসেন্স উনি সাসপেন্ড করেছেন।”

    “কী অপরাধে?”

    “দেড় কোটি টাকার নারকোটিক ড্রাগ্‌স রপ্তানিতে সাহায্য করেছিল বলে।”

    “দেড় কোটি টাকার ড্রাগ্‌স!”

    “সারা পৃথিবী লড়ছে ড্রাগ্‌স চোরাচালান বন্ধ করার জন্যে। দিনা অ্যান্ড কম্পানি এই কলকাতায় বসে সেই ক্রাইম করে চলেছে।”

    “বেশ করেছেন লাইসেন্স সাসপেন্ড করে দিয়ে।”

    “কিন্তু ওরা ট্রায়াল কোর্ট থেকে কালেক্টরের অর্ডার খারিজ করিয়েছে। আমরা গেছি হাইকোর্টে। ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির দিন আগামী বেস্পতিবার।”

    “আজ থেকে তিন দিন পরে? এর মধ্যে আমাকে কী করতে হবে?”

    “দিনা অ্যান্ড কোম্পানির অপরাধ অকাট্যভাবে প্রমাণ করার মতো কিছু মালমশলা হাতে এনে দিন। আমরা যা পেয়েছি, তার ওপরেও আপনি দিন।”

    “বুঝলাম। চেষ্টা করব। কিন্তু তার আগে বলুন, মিশরীয় জাহাজের গল্পটা আগে শোনালেন কেন?”

    “দিনা অ্যান্ড কোম্পানিই যে নকল জাহাজ রপ্তানিতে সাহায্য করে চলেছে।”

    “আ-চ্ছা!” উঠে পড়ল ইন্দ্রনাথ, “মানিকতলার কোথায় নকল জাহাজ তৈরি হচ্ছে বলুন তো?”

    আধঘণ্টা পরে মানিকতলার মোড়ে ট্যাক্সি ছেড়ে দিল ইন্দ্রনাথ। এখন ওর পরনে মুগার পাঞ্জাবি আর চুনোট করা ধুতি। কোঁচা ঢুকনো পাশ পকেটে। গায়ে ল্যাভেন্ডারের খোশবাই।

    এ-গলি সে-গলি ঘুরে একটা জরাজীর্ণ দোতলা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। রাস্তা এখানে সাতফুটের বেশি চওড়া নয়। গলিই বটে, তবে পিচবাঁধানো।

    ইট বের করা দেওয়াল। ঘুণধরা কাঠের ফ্রেম। পাল্লা দু’খানা কোনওমতে লেগে রয়েছে। ঝুলছে বললেই চলে।

    কড়া ধরে সজোরে নাড়া দিল ইন্দ্রনাথ। ঘড়ি দেখল। সকাল ন’টা। কড়া নাড়ল আবার।

    সাড়া নেই। সাতফুট চওড়া রাস্তার এদিকের জানলায় উঁকি দিল একটা মুখ। ভাঙা দরজার উলটো দিকের জানলা। বছর আট-দশের একটি মেয়ে বড় বড় চোখে তাকিয়ে আছে ইন্দ্রনাথের দিকে। অভাবী ঘরের মেয়ে। এ-পাড়ার সবাই গরিব। বাড়িগুলো পড়ো পড়ো।

    মেয়েটি বললে, “কাকে ডাকছেন?”

    ঘুরে দাঁড়াল ইন্দ্রনাথ, “ও তুমি! কী নাম তোমার?”

    “দুষ্টু।”

    “চমৎকার নাম। এ-বাড়িতে জাহাজ তৈরি হয়, তাই না?”

    “জাহাজ?”

    “সাদা রঙের জাহাজ। তুমি দ্যাখোনি?”

    “হ্যাঁ, হ্যাঁ, বিশুজ্যাঠা তৈরি করেন।”

    “আমি এসেছি জাহাজ দেখতে।”

    “কিন্তু বিশুজ্যাঠা তো এখন ঘুমোচ্ছেন।”

    “এত বেলায়?”

    “এখন ক’টা বাজে?”

    “ন’টা।”

    “তা হলে এই উঠলেন বলে। জোরে কড়া নাড়ুন।”

    দুষ্টুর পেছনে এসে দাঁড়ালেন মাঝবয়সি এক ভদ্রলোক। খালি গা। পাঁজরা দেখা যাচ্ছে। পরনে লুঙ্গি। গাল ভরতি সাবানের ফেনা। এক হাতে খোলা ক্ষুর। ক্ষুর দিয়ে আজকাল বেশিরভাগ মানুষই দাড়ি কামায় না। চেয়ে রইল ইন্দ্রনাথ।

    ভদ্রলোক বললেন, “বিশুদা সারারাত জাগেন। তাই বেলা করে ঘুমোন। ওই খুলেছে দরজা। বিশুদা, কুম্ভকর্ণের ঘুম বটে আপনার। কতক্ষণ ধরে কড়া নাড়ছেন ভদ্রলোক। যান, ভেতরে যান।”

    ভাঙা দরজা পেরিয়েই একটা সরু গলি। তারপর একটা উঠোন। মাথার ওপর টিনের ছাউনি। রকমারি মূর্তি সাজানো চারপাশে। কোনওটা মাটির, কোনওটা পাথরের।

    এইখানেই একটা বেঞ্চির ওপর বসল ইন্দ্রনাথ। বিশুবাবু বসলেন একই বেঞ্চিতে। ভদ্রলোক অসম্ভব রোগা। গায়ের রং কাজলের মতো কালো। একমুখ সাদা-কালো দাড়ি। চোখ দুটো বেশ লাল৷

    খেঁকি গলায় বললেন, “কী দরকার?”

    “জাহাজ দেখতে এসেছি।”

    “জাহাজ?”

    “চার হাজার ছ’শো বছরের পুরনো জাহাজ। এই পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো জাহাজ। মিশরের জাহাজ।”

    “আপনাকে দেখাব কেন?”

    “কিনতে চাই বলে।”

    “কিনবেন? কত পিস?”

    “একশো পিসের অর্ডার আছে এই মুহূর্তে। পরে আরও বাড়বে।”

    “কোথায় পাঠাবেন?”

    “ইন্ডিয়ার সব ক’টা টুরিস্ট সেন্টারে। কিউরিও সাপ্লাই আমার বিজনেস।”

    “দেখে তো বিজনেসম্যান বলে মনে হচ্ছে না।”

    “কী মনে হচ্ছে?”

    “কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি?”

    “জীবনে না। কেন বলুন তো?”

    “যা ড্রেস হাঁকিয়েছেন।”

    “আর্টিস্টিক?”

    “আজ্ঞে।”

    “আর্টিস্টিক ড্রেস না হলে তো আর্টের জিনিস বেচা যায় না।”

    “তা যা বলেছেন। ভগবান আমাকে মেরেছেন ও ব্যাপারে। আমাকে দেখলে কাক পর্যন্ত উড়ে যায়, মশাই।”

    “খাঁটি আর্টিস্টদের ছাপ বাইরে থাকে না।”

    “তবে কোথায় থাকে?”

    “ভেতরে।”

    লাল চোখ দুটো কুঁচকে চেয়ে রইলেন বিশুবাবু। ভদ্রলোক ভয়ানক কুৎসিত। গালের হাড় উঁচু। কণ্ঠার হাড় উঁচু। মুখখানা কঙ্কালের করোটি বললেই চলে।

    “আপনি আমার ভেতর দেখতে পাচ্ছেন?”

    “বিজনেসের চোখ দিয়ে দেখছি। খাঁটি আর্টিস্টরা সেলসম্যান হয় না। আপনিও নন। তাই পড়ে পড়ে মার খাচ্ছেন।”

    “কে বললে আমি মার খাচ্ছি?”

    “আপনার বাড়ি বলছে, আপনার চেহারা বলছে। সারারাত খেটেও আপনার রোজগার…”

    “রোজগার করে কী করব? কে খাবে?”

    “কেউ নেই আপনার?”

    “না। বউ ছিল, মারা গেছে। আমি একা।”

    “এই বাড়ি?”

    “আমার।”

    “তবে এত খাটছেন কেন?”

    “সৃষ্টি ছড়িয়ে যাক, এই আমি চাই।”

    “আপনার সেরা সৃষ্টি কি তা হলে মিশরীয় জাহাজ?”

    “না। ওটা আমার খেয়াল। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে ছবি দেখে বানিয়েছিলাম।”

    “কিন্তু ভাল মার্কেট পেয়েছেন। আমি তো আপনার ঠিকানা পেলাম কায়রো থেকে।”

    “কায়রো থেকে।” চমকে উঠলেন বিশুবাবু।

    “নকল জাহাজ সেখানেও পৌঁছেছে। মিউজিয়ামের পাশেই বিক্রি হচ্ছে। আসল জাহাজের পাশে।”

    “মানিকচাঁদের এলেম আছে বটে।”

    “মানিকচাঁদ?”

    “মানিকচাঁদ আগরওয়াল। ইমপোর্ট এক্সপোর্টের বিজনেস আছে। এক-একবারে পঞ্চাশ পিস ইজিপশিয়ান জাহাজ শুধু ও-ই নেয়।”

    “ঠিকানাটা দেবেন তো। ব্যাবসার কথা বলব। জাহাজ তৈরি করেন কোথায়?”

    “ভেতরের স্টুডিয়োতে। আসুন।”

    উঠোন থেকে একটা সরু এঁদো গলি। তারপর আর- একটা উঠোন। এখানে চৌবাচ্চা। কল। শ্যাওলা-সবুজ মেঝে। সিঁড়ি উঠে গেছে কোমরসমান উঁচু দাওয়ায়। পরপর তিনটে ঘর। তিনটে ঘরেই মালপত্র ঠাসা। কারখানা ঘর। দাওয়াতেও ছড়ানো হাবিজাবি জিনিস।

    মাঝখানের ঘরটায় শিকলি তোলা ছিল। খুললেন বিশুবাবু। পাল্লায় ঠেলা মারলেন।

    বললেন, “দেখেছেন?”

    অবাক হয়ে চেয়ে রইল ইন্দ্রনাথ। টানা লম্বা টেবিলের ওপর রয়েছে পাঁচখানা সাদা জাহাজ। একইরকম দেখতে। লম্বাটে গড়ন। দুটো সরু দিক একটু ওপরে তোলা এবং বাঁকানো। মাঝামাঝি জায়গায় কেবিনঘর। সামনের দিকে পাঁচজোড়া দাঁড়। পেছনে একজোড়া। কেবিনঘরের তলার দিকে ঝিকমিক করছে রংবেরঙের কাচ।

    কানের কাছে মৃদুস্বরে বললেন বিশুবাবু, “আসল জাহাজটা লম্বায় ১৪২ ফুট, আমি বানিয়েছি তিন ফুটের মধ্যে। আসল জাহাজে আছে মোট ১২২৪টা অংশ। আমার জাহাজ দুটো ছাঁচ থেকে তৈরি।”

    “রাজা খুফু-র জাহাজ,” যেন আপনমনে বললে ইন্দ্রনাথ।

    “হ্যাঁ। এই সেই রাজা খুফুর জাহাজ। পবিত্র জাহাজ। এই জাহাজেই নাকি রাজার মমিদেহ আনা হয়েছিল নীল নদের ওপর দিয়ে। খরস্রোতের উপযোগী করেই এত সরু গড়ন রাখা হয়েছিল…”

    “কাচগুলো?”

    “আসল জাহাজে নেই। নকল জাহাজের দু’ পাশেই আছে। মানিকচাঁদের খেয়াল। ও এনে দেয়, আমি বসিয়ে দিই। এই তো বাক্সে রয়েছে বাড়তি কাচ।”

    “ঠিকানাটা?”

    “মানিকচাঁদের? তিন নম্বর রাসচন্দ্র বোস রোড, বড়বাজার।”

    “আমি কিন্তু কাচ ছাড়াই চাইছি।”

    “কাচ পছন্দ হচ্ছে না?”

    “আপনার কি পছন্দ হচ্ছে?”

    হাসলেন বিশুবাবু। কালো কুৎসিত মুখে ওঁর হাসিটা কিন্তু সুন্দর। শিল্পীর হাসি।

    “না। মোটা রুচির ব্যাপার। কিন্তু খদ্দের যা চায়…”

    “আমার কাছে কত নেবেন?”

    “জাহাজ-পিছু দু’শো।”

    “রাজি। অ্যাডভান্স দিয়ে যাব সন্ধ্যায়। বাড়ি থাকবেন তো?”

    “কোথায় আর যাব?”

    শ্যাওলা-সবুজ উঠোনে দাঁড়িয়ে হাঁক দিলেন বিশুবাবু, “কী হল?”

    “রুমালটা …কোথায় যে পড়ল,” ঘরের ভেতর থেকে ভেসে এল ইন্দ্রনাথের গলা। পরক্ষণেই বেরিয়ে এল নিজেই। রুমাল পুরে রাখছে পকেটে, “নস্যি নেওয়ার অভ্যেস যাদের, রুমাল ছাড়া তাদের চলে না। আসি তা হলে।”

    “আসুন।”

    ইন্দ্রনাথ চৌকাঠ পেরিয়ে গলিতে নেমে মোড় ঘুরতেই দুষ্টুর বাবা সরে এলেন জানলার কাছ থেকে। সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেলেন দোতলায়। ছাদের ঘর একটাই। চৌকির ওপর বসানো একটা সাদা টেলিফোন।

    দরজা বন্ধ করে চৌকিতে বসলেন। রিসিভার তুললেন। ডায়াল করলেন।

    “মানিকচাঁদবাবু?”

    “বলছি।”

    “বিশুকাকার বাড়িতে কাউকে পাঠিয়েছিলেন?”

    “না। কেন?”

    “একজন এসেছিল। এতক্ষণ ছিল। এক্ষুনি গেল।”

    “কিছু নিয়ে গেছে?”

    “না।”

    “দেখতে কীরকম?”

    “খুব সুন্দর। সিনেমার হিরোর মতো চেহারা। ধুতি আর পাঞ্জাবি, মানিয়েছে চমৎকার।”

    “বিশু তাকে চেনে?”

    “মনে হল না।”

    “ঠিক আছে যাচ্ছি আমি।”

    বিশুবাবু তখন এক মগ জল চৌবাচ্চা থেকে তুলে মুখ ধুচ্ছিলেন। মানিকচাঁদ এসে দাঁড়াল সামনে। রূপকথার রাজপুত্তুরদের মতো চেহারা। টকটকে গায়ের রং। গোলগাল মুখ। হাতের আঙুলে হিরে, পাঞ্জাবির বোতামেও হিরে। হিরে যেন তার চোখ দুটোতেও।

    চোখের সেই জোড়া হিরেতে ঝিলিক তুলে বলল মানিকচাঁদ, “কে এসেছিল, বিশুবাবু?”

    ভেজা মুখেই বলে ওঠেন বিশুবাবু, “আপনি জানলেন কী করে? এখনও তো আধঘণ্টা হয়নি…”

    “কে এসেছিল?”

    “নামটাই জিজ্ঞেস করা হয়নি।”

    “কেন এসেছিল?”

    “নকল জাহাজ কিনবে বলে।”

    “আপনি বেচবেন?”

    “বেচব না?”

    “না,” শক্ত স্বর মানিকচাঁদের।

    কাঁধের গামছা টেনে নিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বললেন বিশুবাবু, “আপনার হুকুমে?”

    “হ্যাঁ।”

    বিশুবাবুর লাল চোখ একটু গরম হল বটে। আরও একটু কুৎসিত হল হাড়সর্বস্ব মুখখানা। তারপরেই শিল্পীর হাসি হাসলেন। বললেন, “জিনিসটা আমার। যাকে খুশি বেচব।”

    “তা হলে আমার সঙ্গে কারবার চলবে না।”

    “নিয়ে যান আপনার জিনিস।”

    মিনিট পাঁচেক লাগল প্যাক করতে। করোগেটেড বোর্ডের কার্টন বাক্স ‘ওমনি’ মারুতিতে করেই এনেছিল মানিকচাঁদ। প্রত্যেকটার মধ্যে ভরা ছিল খড়কুটো আর কাটা কাগজ। পাঁচটা জাহাজ ঢুকে গেল তাদের মধ্যে। ছোট্ট বাক্স-ভরতি বাড়তি কাচগুলো নিয়ে গটমট করে ভাঙাবাড়ি থেকে বেরিয়ে উঠে পড়ল গাড়িতে।

    গলি পেরিয়ে এসে বড় রাস্তায় পড়তেই লাল মোটর সাইকেল এসে দাঁড়াল সামনে। নেমে এল ট্রাফিক সার্জেন্ট। হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, “আপনার লাইসেন্স?”

    ভুরু কুঁচকে গেল মানিকচাঁদের। “চোদ্দো বছর গাড়ি চালাচ্ছি, লাইসেন্স সঙ্গে রাখিনি কখনও।”

    “তা হলে চলুন থানায়।”

    “থানায়?”

    সার্জেন্ট-ছোকরা বড় কড়া। কোনও আপত্তি টিকল না। সাদা ওমনিকে নিয়ে গেল মানিকতলা থানায়। মানিকচাঁদের মুখ তখন শুকনো৷ তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বসানো হল একটা ঘরে। হাতে তার বাড়তি কাচভরতি ছোট্ট বাক্স। এ-ঘরে আর কেউ নেই।

    দরজা খুলল আধঘণ্টা পর। ঘরে ঢুকলেন প্রথমে বিশুবাবু, তাঁর পেছনে ইন্দ্রনাথ রুদ্র, রতন দত্ত, আর-একজন ভদ্রলোক। এঁর চেহারা বেশ শৌখিন। চোখে সোনার চশমা। খুব দামি ওস্তাগর বানিয়ে দিয়েছেন ঝকমকে সুট।

    সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াল মানিকচাঁদ, “বিশুবাবু, এসব কী ব্যাপার?”

    বিশুবাবু এখন একটা রঙিন খদ্দরের পাঞ্জাবি পরে এসেছেন। ফলে তাঁর কালো রং আরও খোলতাই হয়েছে। আমতা আমতা করে উনি বললেন, “কী যে ব্যাপার…”

    “আমি বলছি কী ব্যাপার,” এগিয়ে এল ইন্দ্রনাথ, “বিশুবাবু আপনার ঘর থেকে বেরনোর সময়ে হাত সাফাই করেছিলাম। রুমাল খুঁজবার অছিলায় ছোট বাক্সের বাড়তি কাচগুলোর একটা পকেটে করে এনেছিলাম। কাচটা দেখেছেন ইনি। ইনি বিখ্যাত জহুরি রামেশ্বর প্রসাদ। কাচখানা উনি আটচল্লিশ লক্ষ টাকায় কিনতে চেয়েছেন।”

    ঘরের মধ্যে যেন বাজ পড়ল। প্রতিটি মানুষ থ হয়ে দেখছে ইন্দ্রনাথকে।

    রামেশ্বর প্রসাদ কেশে গলা সাফ করে নিয়ে বললেন, “আটচল্লিশ লাখে কিনে বেচব সাত কোটি টাকায়।”

    এবার বুঝি অ্যাটম বোমা পড়ল ঘরে। একখানা কাচের দাম সাত কোটি টাকা!

    ইন্দ্রনাথ বললে, “কারণ এটা কাচ নয়, ব্লু ডায়মন্ড। ওড়িশার কালাহান্ডি, ফুলবনি আর বোলাঙ্গির জেলা থেকে বেআইনিভাবে খনি থেকে তোলা হিরে। এরকম আরও দামি পাথর ওখান থেকে বেরিয়ে গেছে নানাদিকে। মোট দাম চারশো কোটি টাকা। বিশুবাবু এইগুলিকেই কাচ মনে করে নকল জাহাজের গায়ে ফিট করে দিতেন। কাচ মনে করেই সবাই ছেড়ে দিয়েছে। কোটি কোটি টাকার পাথর এভাবে খোলাখুলি পাচার হতে পারে, কেউ ভাবতেও পারেনি।”

    ঢোক গিলে বিশুবাবু বললেন, “তা হলে বাক্সভরতি হিরে-মানিক ছিল?”

    “এখনও আছে। মানিকচাঁদবাবু, অত আঁকড়ে ধরবেন না, এটা থানা। দিন, এই খুললাম ডালা। জহুরিমশায় কী বলেন?”

    একটার পর একটা পাথর তুলে চুলচেরা চোখে দেখলেন রামেশ্বর প্রসাদ, “সবই দামি পাথর। কোটি কোটি টাকা দাম।”

    রতন দত্ত আরক্ত মুখে বললেন, “এ যে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ। ড্রাগস-এর মামলায় ব্লু ডায়মন্ড।”

    “ড্রাগসও আছে,” বলল ইন্দ্রনাথ।

    “কোথায়?”

    “মৃগাঙ্ক।”

    দরজার বাইরে একটা তিন ফুট লম্বা নকল জাহাজ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। ইন্দ্রনাথের তলব শুনে ঢুকলাম ঘরে এবং ওর শেখানো কাজটা করে ফেললাম চক্ষের নিমেষে।

    সুন্দর সাদা জাহাজটাকে মাথার ওপর দু’ হাতে তুলে আছড়ে ফেললাম মেঝেতে।

    লাফিয়ে উঠেছিলেন বিশুবাবু। কিন্তু হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছিল ইন্দ্রনাথ। মিশরীয় জাহাজের ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে গোটা দুই টুকরো হাতে নিয়ে উঠে দাড়াল, “আসুন রতনবাবু, দেখতেই পাচ্ছেন প্রত্যেকটা টুকরোর মধ্যে সুড়ঙ্গ রয়েছে।”

    “রয়েছে।” গলা বসে গেছে রতন দত্তর।

    “অর্থাৎ। তিন ফুট লম্বা জাহাজের এদিক থেকে ওদিক পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ রয়েছে, যার ব্যাস দেড় ইঞ্চি।”

    “হ্যাঁ”

    “সুড়ঙ্গের মধ্যে সাদা গুঁড়ো ছিল, এখন মেঝেতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই টুকরো দুটোর গর্তে এখনও রয়েছে, একটু জিভে চেখে দেখবেন?”

    আঁতকে উঠলেন রতন দত্ত, “পাগল!”

    “পাগল নয়, পাগল নয়। বদমাশ!” আচমকা চিৎকারে চমকে ওঠে ঘরের সবাই। চোখ ঠেলে বেরিয়ে এসেছে বিশুবাবুর। ফুলে উঠেছে রগের শিরা। ভয়ানক ক্রোধে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে কুৎসিত মুখখানা, “ফোর টোয়েন্টি! সমস্ত ফোর টোয়েন্টি!”

    “চেঁচাচ্ছেন কেন বিশুবাবু?” নিরীহ গলায় বলল ইন্দ্রনাথ। বিষম কৌতুকে নৃত্য করছে তার দুই চোখ।

    “তবে কি গান গাইব? চারশো বিশের ম্যাজিক দেখাচ্ছেন?”

    “চারশো বিশের ম্যাজিক! সেটা আবার কী?”

    “দু’খানা ছাঁচ থেকে তৈরি জাহাজের ভেতর তো ফোঁপরা হবেই। তার মধ্যে সাদা গুঁড়ো এল কী করে?”

    “আপনি ভরেননি?”

    “আ-আমি ভরব ড্রাগ্‌স? জেনেশুনে?” রাগের চোটে কথা আটকে গেল বিশুবাবুর।

    “সত্যিই তো, আপনি ভরতে যাবেন কেন! আপনি হলেন শিল্পী, খাঁটি শিল্পী। ও কাজটা করেছে আপনার মানিকচাঁদ।”

    এই প্রথম তেড়ে উঠল মানিকচাঁদ, এতক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল কাঠের পুতুলের মতো, “দেখেছেন আপনি?”

    নিমেষে পালটে গেল ইন্দ্রনাথের চোখ-মুখের চেহারা। উধাও হল হাসি আর কৌতুক। যেন মশাল লকলকিয়ে উঠল দুই চোখের তারায়।

    কড়-কড়-কড়াত করে বুঝি বাজ ফেটে পড়ল গলার আওয়াজে, “পিশাচ! জানোয়ার! অমানুষ! এখনও লম্বা লম্বা কথা। টেনে জিভ ছিঁড়ে ফেলব আর একটি বাজে কথা বললে।”

    এ যে মূর্তিমান প্রলয়! ইন্দ্রনাথের এই ভয়াল মূর্তি ঘরের আর কেউ তো কখনও দেখেনি। তাই চোখ বড় বড় করে চেয়ে আছে তার রুদ্র রূপের দিকে। মুখের ওপর সপাং করে চাবুক আছড়ে পড়লে মানুষ যেমন সিঁটিয়ে যায়, মানিকচাঁদের অবস্থা এখন সেইরকম।

    কড়-কড়-কড়াত গলায় বললে ইন্দ্রনাথ, “বিস্ট! লক্ষ লক্ষ স্কুলের ছেলেমেয়েদের ড্রাগসের নেশায় ধ্বংস করছ তুমি, মানিকচাঁদ, তোমার ফাঁসি হওয়া উচিত। বিশুবাবু, মানিকচাঁদের যে ঠিকানা আমাকে দিয়েছেন, সে-নামে কোনও রাস্তা কলকাতায় নেই।”

    “সে কী!” বিশুবাবু নিজেই মিইয়ে গেছেন ইন্দ্রনাথের রুদ্ররোষে।

    “আপনি শিল্পী, এত খোঁজ নেওয়ার দরকারও হয়নি। কিন্তু আমি দেখেছি, স্ট্রিট ডিরেক্টরিতে ও রাস্তা নেই। আসল ঠিকানা আছে গাড়ির ব্লু-বুকে, যা থাকে গাড়ির মধ্যেই। তাই ট্রাফিক সার্জেন্টকে দিয়ে গাড়ি আনা হয়েছে থানায়। ব্লু-বুক-এর ঠিকানায় হানা দিয়ে কী পেয়েছি জানেন? কী হে মানিকচাঁদ? কী ছিল তোমার আন্ডারগ্রাউন্ড চেম্বারে?”

    মানিকচাঁদ কি জ্যান্ত মড়া হয়ে গেল?

    দুই চোখে অসীম ঘৃণা ছিটিয়ে বললে ইন্দ্রনাথ, “প্যাকেট প্যাকেট নারকোটিক ড্রাগ্‌স। এখান থেকে সাদা জাহাজ সেখানে পৌঁছলে ছুরি দিয়ে ঘষে খুলে আনা হয় একটা পাথর। সেই ফুটো দিয়ে ভেতরে ড্রাগস পুরে ফের পাথর বসিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কাজটা হচ্ছে কীভাবে, তা দেখে এসেছি। নিজের চোখে। মানিকচাঁদ, আর কিছু বলার আছে?”

    কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের শুনানি বেরিয়ে গেল বেস্পতিবার। ছেচল্লিশশো বছরের পুরনো মিশরীয় জাহাজের নকল বানিয়ে, তার ভেতরে চোরা সুড়ঙ্গে পাচার হত নারকোটিক ড্রাগ্‌স, চোরাই পাথর লাগানো থাকত গায়ে, কাচ মনে করে কেউ খুলেও দেখেনি, খুললেই সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ঝরে পড়ত কেজি কেজি ড্রাগ্‌স! দিনা অ্যান্ড কম্পানির লাইসেন্স সাসপেন্ড করেছেন বিচারপতিরা। ফেঁসে গেছে মানিকচাঁদ এবং আরও অনেকেই।

    ইন্দ্রনাথের তুঙ্গে এখন বেম্পতি। যেখানে গোলমালের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে, ডাক পড়ছে সেইখানেই।

    ২৮ জুন ১৯৮৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }