Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পোড়োবাড়ির রহস্য – অজেয় রায়

    টুনুকে তার বাবা মামার বাড়ি চালান করে দিল। এ ছাড়া আর উপায়ও ছিল না। ঠিক একমাস পরে টুনুর ম্যাট্রিক পরীক্ষা, আর শহরে গোলমাল শুরু হয়ে গেল।

    গোলমাল বলে গোলমাল। শহরের লোকগুলো যেন সবাই একসঙ্গে খেপে উঠল। সময়ে অসময়ে বোমার শব্দ, গলির মোড়ে মোড়ে একটা-দুটো লাশ। আর সে সব লাশ প্রায়ই টুনুর বয়সি সব ছেলেদের।

    টুনুর বাবাই বললেন মাকে, শোনো, এই আবহাওয়ায় টুনু পরীক্ষার পড়া তৈরি করবে কী করে? তুমি তোমার দাদাকে বরং লিখে দাও, এসে টুনুকে নিয়ে যাক।

    মা আপত্তি করেছে, কিন্তু ওই অজ পাড়াগাঁয়ে টুনু থাকতে পারবে?

    এ ছাড়া উপায় কী? দেখছ তো শহরের অবস্থা। পড়াশোনা করবে কী, তার প্রাণ নিয়ে টানাটানি হবে।

    অতএব টুনু মামার সঙ্গে হরগোবিন্দপুরে এসে হাজির হল। তাও কি একটুখানি পথ। ট্রেনে তিন ঘণ্টা, তারপর গোরুর গাড়িতে পুরো আড়াই ঘণ্টা। পথ নেই, শেষ ঘণ্টাখানেক শুধু মাঠের ওপর দিয়ে যাত্রা।

    গোরুর গাড়ি থামতে একটা টিমটিমে লণ্ঠন, গোটাতিনেক লোক টুনুকে অভ্যর্থনা জানাল।

    তার মধ্যে একজন মামি, একজন মামাতো বোন আর শেষের লোকটি তুলসীচরণ। একাধারে চাকর, পাচক, মামার দেহরক্ষী।

    বাড়ির মধ্যে ঢুকতে গিয়ে টুনুর গা ছমছম করে উঠল। পুরনো, শ্যাওলা-পড়া, ইট বের করা একতাল জমাট বাঁধা গুপসি আস্তানা। টুনুর মনে হয়েছিল বাড়িটা বোধহয় পাঠান আমলের। বহু শতাব্দীর ঝড় জল অত্যাচারে আজকের এই ভয়াবহ অবস্থা।

    সেই মুহুর্তে টুনুর ইচ্ছা হয়েছিল চিৎকার করে কেঁদে উঠবে। না, মা বাবার জন্য নয়, আলোকিত শহরের জন্য। হোক সে খুনের শহর।

    দিন সাতেকের মধ্যে টুনু অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে এল। ভোরবেলা উঠে পুকুরের পাড়ে সবুজ নারকেল গাছের গুঁড়ির ওপর বসে ছাই দিয়ে দাঁত মাজা। তারপর মামাতো বোনের আনা মুড়ি-নারকেল সহযোগে চা। সে চায়ের রং আলকাতরার মতন, স্বাদে যেন পাঁচন।

    তারপর কোণের ঘরে বই নিয়ে বসা। ইংরাজি, বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস, অঙ্ক, বীজগণিত, জ্যামিতি। পড়ার যেন আর শেষ নেই।

    পুকুরে স্নান, দুপুরে খেয়ে নিয়ে একটু নিদ্রা, তারপর উঠে আবার পড়া। বিকালে তুলসীচরণের সঙ্গে গাঁয়ের পথে একটু হাঁটা। আবার হারিকেনের আলোয় পড়তে বসা।

    এর একটু এদিক-ওদিক নেই। দিনের পর দিন এক রুটিন।

    ওরই মাঝে একটু বৈচিত্র্যও দেখা যায়।

    যেমন একদিন পড়তে পড়তে খসখস আওয়াজে টুনু চমকে উঠেছিল। প্রথমে ভেবেছিল, বাতাসে শুকনো পাতার শব্দ। কিন্তু শব্দটা যেন খুব কাছে।

    মুখ তুলে দেখেই টুনুর শরীর হিম হয়ে গিয়েছিল। মাথার চুল শজারুর কাঁটার মতন খাড়া।

    বাইরে থেকে জানলা দিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকছে। দেয়াল বেয়ে। কালো কুচকুচে রং। বাঁশ পাতার মতন সরু চেরা জিভ। লাল রক্তকম্বলের মতন দুটি চোখ।

    টেবিলের ওপর দাঁড়িয়ে উঠে টুনু প্রাণপণ শক্তিতে চিৎকার করে উঠেছিল।

    তার মামাতো বোন ছুটে ঘরে এসেছিল।

    কী হল কী? টেবিলের ওপর দাঁড়িয়েছ কেন?

    টুনু ভাল করে কথা বলতে পারেনি। জানলার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলেছিল, সা-সাপ।

    মামাতো বোন বিন্দু হেসেই খুন।

    জানলার কাঠে আস্তে আস্তে চাপড় মেরে বলেছিল, যা, যা, এখান থেকে। বাইরে কলসিতে যা।

    আশ্চর্য কাণ্ড, সাপটা ঘুরে জানলা দিয়ে বাইরে চলে গিয়েছিল।

    সাপটা চলে যেতে বিন্দু টুনুর দিকে ফিরে হিহি করে হেসে বলেছিল, আরে ভয় কী। ওটা বাস্তু সাপ। কোনও অনিষ্ট করে না। একজোড়া আছে।

    টুনুর ভয় ভাঙেনি। বাবা, একটাতেই রক্ষা নেই, আবার একজোড়া।

    একটু একটু করে সব ঠিক হয়ে গেল। ক্রমেই পড়ার চাপ বাড়তে টুনুর অন্য কোনওদিকে আর নজর দেবার সুযোগই হল না। অন্য বিষয়গুলো যাও-বা একটু তৈরি হয়েছে, ইতিহাস নিয়ে টুনু অথই চলে পড়েছে। বিশেষ করে কয়েকটা ব্যাপার।

    বাবর আর হুমায়ুন, কে বাপ আর কে ছেলে কিছুতেই মনে রাখতে পারে না। তাজমহল মমতাজের স্মৃতিচিহ্ন না নূরজাহানের, গোলমাল হয়ে যায়। তা ছাড়া ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেছিল শের শাহ, এ-কথাটার অর্থ টুনু ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। তার মানে শের শাহের আগে কি ঘোড়া ডাকত না?

    উপায় নেই, পরীক্ষা ক্রমেই এগিয়ে আসছে। এখানে পড়ার অনন্ত অবসর। বাড়ি ফাঁকা। কোনও গোলমাল নেই।

    ভোরবেলা মামা বেরিয়ে পড়ত। মাইল চারেক দূরে তার জমি। চাষিরা চাষ করত, মামা করত তদারক। ধান, পাট আর তামাক। টুনু বুঝতে পারে না এমএসসি পাশ মামা চাষবাস করে কেন?

    মামা যখন বাড়ি ফিরত তখন চারদিক অন্ধকার। দাওয়ায় বসে কিছুক্ষণ ভুড়ুক ভুড়ুক করে তামাক খেয়ে তারপর খেতে বসত।

    সারাটা দিন মামি আর মামাতো বোন বিন্দু কাজে ব্যস্ত। দু’বেলা খাবার সময় শুধু তাদের সঙ্গে দেখা হত।

    টুনুর পড়ার ঘর একেবারে কোণের দিকে। সেটা তার শোবার ঘরও। ছেলেপিলেদের হইহল্লা নেই, শহরের চেঁচামেচি নয়, একেবারে নিঃঝুম।

    রাতের বেলা অবশ্য নানারকম শব্দ শোনা যায়। পেঁচার চিৎকার, ঝিঁঝির আওয়াজ, প্রহরে প্রহরে শিয়ালের ডাক।

    এসব এখন টুনুর গা-সহা হয়ে গেছে। তা ছাড়া পড়ার মধ্যে মন চলে গেলে চারপাশের আওয়াজ কানেই আসে না।

    একরাতে কিন্তু সবকিছু পালটে গেল।

    পড়ার বই থেকে মুখ তুলে জানলা দিয়ে দেখেই টুনু আর মুখ ফেরাতে পারল না।

    জানলার বাইরে আকন্দ, রাংচিতা, ফণীমনসার ঝোপ। তারপর অনেকটা জায়গা জুড়ে জলা জায়গা। দিনে বকের পাল ঘুরে বেড়ায়, রাতের বেলা মনে হয় কে যেন বিরাট একটা শ্লেট পেতে রেখেছে।

    সেই কালো শ্লেটের বুকে দপ করে আলো জ্বলে উঠল। তীব্র আলো। মনে হল একসঙ্গে বুঝি চল্লিশটা টর্চ টিপে কেউ সংকেত করছে।

    টুনু বই ছেড়ে জানলার ধারে সরে এল।

    আলোটা আর নেই। জমাট কালো অন্ধকার।

    আটটা বাজলেই গ্রাম নিশুতি। এত রাতে কে এমনভাবে আলো জ্বালবে। বিশেষ করে এত জোরালো আলো।

    জানলা থেকে সরে আসতে গিয়েই টুনু দাঁড়িয়ে পড়ল।

    আবার সেই আলো। একই রকম কিন্তু ঠিক এক জায়গায় নয়। একটু যেন সামনে সরে এসেছে।

    শুধু আলো নয়, আলোর সামনে খোঁচা খোঁচা চুল বেঁটে চেহারার গোটা তিন-চার প্রাণী সবেগে মাথা নাড়ছে।

    ভাল করে কিছু বোঝবার আগেই দপ করে আলো নিভে গেল।

    আধ ঘন্টার ওপর দাঁড়িয়ে থেকেও টুনু আর আলো দেখতে পেল না।

    টুনু পড়ার টেবিলে ফিরে দু’ গালে দুটো হাত দিয়ে বসে রইল।

    বাবর, জাহাঙ্গির, হুমায়ুন যে যার কবরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। শের শাহ আর তার ঘোড়ার ডাক নিশ্চিহ্ন। এমনকী বীজগণিত, জ্যামিতি সব বেমালুম চাপা রইল বইয়ের স্তূপের মধ্যে।

    নতুন চিন্তায় টুনুর মন আলোড়িত হতে লাগল।

    আচমকা এই আলোর দীপ্তি। তার পাশে খর্বকায় লোকদের ইশারা। কী হতে পারে?

    কোন শত্রুর গুপ্তচর এভাবে সংকেত করছে।

    ভাবতে ভাবতে হঠাৎ কথাটা মনে হল।

    জানলার দিকে চোখ ফিরিয়ে দেখল, অনেক দূরে আলোর ক্ষীণ বিন্দু। জ্বলে উঠেই নিভে গেল।

    বেশ কিছুদিন আগে শহরের সব কাগজে বের হয়েছিল। আনন্দবাজারে তো ছিলই।

    উড়ন্ত চাকি, উড়ন্ত চাকি। দেশ-বিদেশে নানা বয়সের লোক বিভিন্ন সময়ে এই উড়ন্ত চাকি দেখেছে।

    পিরিচের মতন আকাশের একদিক থেকে বিদ্যুৎগতিতে আর-একদিকে ছুটে চলে গেল। পলকের মধ্যে অদৃশ্য।

    দু’-একজন আবার বেশিও দেখেছে।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় এক চাষি চাষ করতে করতে দেখল তার মাঠের মাঝখানে পাতলা নীল পোশাক-পরা অদ্ভুত দর্শন একটি লোক এদিক-ওদিক দেখছে। চাষির দিকে নজর পড়তেই ছুটে একটা গাছের নীচে চলে গেল। আর তাকে দেখা গেল না।

    ইরানে প্রায় একই ব্যাপার। একজন ক্লান্ত পথিক পথের ধারে বিশ্রাম করছিল, হঠাৎ দেখল, পাহাড়ের গা বেয়ে দু’জন ছোট্ট মানুষ, লম্বায় দু’ ফিটের বেশি নয়, তরতর করে নেমে আসছে। কিছুটা নেমে তারা দাঁড়িয়ে পড়ল, তারপর ঝোপের পিছনে হারিয়ে গেল।

    পথিক ছুটে তন্নতন্ন করে ঝোপ অনুসন্ধান করল। কেউ নেই, শুধু ঝোপের সবুজ পাতাগুলো আগুনে ঝলসে যেন লালচে হয়ে গেছে।

    পত্রিকাগুলো মন্তব্য করেছিল, খর্বকায় এই লোকগুলো নিঃসন্দেহে অন্য গ্রহের বাসিন্দা। আমরা যেমন অন্য গ্রহ সম্বন্ধে আগ্রহী, তারাও তাই। পৃথিবীতে নেমে এখানকার জল হাওয়া, মাটির অবস্থা, লোকের হালচাল নিরীক্ষণ করে।

    কারও দেখা পেলেই অদৃশ্য বায়ুযানে মিলিয়ে যায়।

    পত্রিকাগুলো এও লিখেছে।

    এরা বোধহয় এসেছে মঙ্গলগ্রহ থেকে, কারণ একমাত্ৰমঙ্গলগ্রহে এ পর্যন্ত জলের চিহ্ন দেখা গেছে। জল আছে বলেই জীবন থাকা সম্ভব।

    টুনু ঠিক করে ফেলল, আজ সে যাদের মাথা নাড়তে দেখেছে তারা নির্ঘাত মঙ্গলগ্রহ থেকে ঘুমন্ত এই গ্রামের ওপর নেমেছে। তারা কল্পনাও করতে পারেনি, এই পৃথিবীর এক কিশোর তাদের হালচালের ওপর নজর রেখেছে।

    টুনু মতলব করল, দিনে যতটা সম্ভব পড়ে নেবে, আর রাত্রে এই মঙ্গলগ্রহের এই প্রাণীগুলোর ওপর নজর রাখবে। ওই আলোটা আর কিছু নয় জ্বলন্ত হেলিকপ্টার জাতীয় কিছু। অন্ধকার কক্ষপথে পথ দেখানোরও কাজ করে।

    আনন্দে টুনুর নাচতে ইচ্ছা করল।

    পড়াশোনার হয়তো একটু ক্ষতি হবে। তা হোক। ম্যাট্রিক পাশ করে কে আর দিগ্বিজয়ী হয়েছে। তার চেয়ে এমন একটা আবিষ্কারের ব্যাপার যদি ফলাও করে কাগজে ছাপাতে পারে, বিশদ বিবরণ দিয়ে, তা হলে টুনুকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের ভিড় জমে যাবে। কাগজে কাগজে তার ফোটো ছাপা হবে।

    তার ওপর কোনওরকমে যদি ওই খুদে চেহারার অন্তত একটা বাসিন্দাকেও খাঁচার মধ্যে পুরতে পারে, তা হলে তো কথাই নেই। সারা পৃথিবী টুনুকে নিয়ে লোফালুফি করবে।

    মুখে বললেও সেরকম কিছু করতে টুনুর সাহস হল না। বিজ্ঞানে ওরা যথেষ্ট এগিয়েছে। খাঁচা চাপা দিতে গেলে এমন অস্ত্র টুনুর গায়ে ছুঁইয়ে দেবে যে টুনু কালো তরল পদার্থ হয়ে যাবে।

    পরের দিন মামি দেখে বলবে, ওমা, এখানে গুড় ফেলল কে? বলেই পাতা দিয়ে মুছে নেবে।

    সারাটা রাত টুনুর ঘুম হল না। এপাশ আর ওপাশ করল।

    মাঝে মাঝে উঠে জানলা দিয়ে দেখল। কোথাও একটু আলো নেই।

    ভোরে উঠেই টুনু স্থির করল, এসব গোপন কথা কাউকে বলবে না। আরও কিছুদিন মঙ্গলগ্রহের বাসিন্দাদের আনাগোনা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হয়ে, তবে সবকিছু ফাঁস করবে।

    কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টুনু ছটফট করতে লাগল।

    কাউকে কথাটা বলতে না পারলে তার পেট ফেটে যাবার দাখিল।

    এতবড় একটা কথা কাকেই বা বলবে!

    মামা ভোরবেলা থেকে বাড়িছাড়া। মামির বেশিরভাগ সময় কাটে রান্নাঘরে। বাকি থাকে বিন্দু।

    টুনু ঠিক করল কথাটা বিন্দুকে বলবে।

    বিন্দু যখন ঘর মুছতে এল, তখন টুনু বলল, বিন্দুদি একটা কথা আছে।

    আমার সঙ্গে? কী কথা?

    জানো তো, আমাদের পৃথিবী যেমন গ্রহ, তেমনই আশেপাশে আরও অনেক গ্রহ আছে। মঙ্গল, শুক্র, হার্সেল, বৃহস্পতি।

    বাধা দিয়ে বিন্দু বলল, ওমা, তা আবার জানি না। গ্রহ কম আছে নাকি! মা তো কথায় কথায় বলে, কোন গ্রহ আমি সামলাব! বাবা বলে, গ্রহের ফের চলেছে।

    টুনু তর্ক করল না। তর্ক করলে আসল কথা বলা হবে না।

    তাই সে বলল, ওইসব গ্রহে প্রাণী আছে। মানে আমাদের মতন প্রাণী।

    এবার বিন্দু মেঝের ওপর বসে পড়ল।

    উৎসাহিত হয়ে টুনু বলতে লাগল।

    প্রাণী আছে বটে কিন্তু দেখতে আমাদের মতন নয়। ছোট ছোট চেহারা। মাথায় লোহার মতন শক্ত শক্ত চুল। তুমি শুনে আশ্চর্য হয়ে যাবে কোন একটা গ্রহ থেকে অদ্ভুত চেহারার সব প্রাণী তোমাদের গাঁয়ে নেমেছে।

    আমাদের গাঁয়ে? বিন্দুর দুটো চোখ বিস্ফারিত।

    হ্যাঁ বিন্দুদি, শুধু তোমাদের গাঁয়ে নয়, এই পিছনের মাঠে। আমি কাল রাত্রে স্বচক্ষে দেখেছি। একবার নয়, বার দুয়েক। জ্বলন্ত একটা প্লেন এসে নামল। তারপর খুদে খুদে সব লোকেরা বের হল সেটা থেকে।

    বিন্দু উঠে দাঁড়াল। তুমি নিজের চোখে দেখেছ?

    আলবত। তুমি রাত্রে যদি এ ঘরে আসো তোমাকেও দেখাব। এই জানলা দিয়ে স্পষ্ট দেখা যায়।

    টুনুর কথা শেষ হবার আগেই বিন্দু ছুটে বেরিয়ে গেল।

    টুনু গালে হাত দিয়ে ভাবতে বসল।

    এত বড় একটা আবিষ্কারের ব্যাপার পৃথিবীর লোককে কী করে সে জানাবে। এমন ব্যাপার হবে জানলে, সে নিজের ক্যামেরাটা নিয়ে আসত। কয়েকটা ফোটো তুলে নিতে পারলে কেউ অবিশ্বাস করতে পারত না।

    টুনু যখন চিন্তায় বিভোর, তখন আচমকা পিছন থেকে কে তাকে জাপটে ধরল।

    প্রথমে টুনু ভাবল অন্য গ্রহের বাসিন্দারাই কেউ হবে, কিন্তু একটু পরেই বিন্দুর চিৎকারে তার সংবিৎ ফিরে এল।

    ভাল করে ধরে থাকো মা, আমি তেলটা মাথায় ঢেলে দিই।

    তারপরই মামির গলা, আহা রাতদিন পড়ে পড়ে বাছার আমার মাথাটাই বিগড়ে গেছে গো, নইলে এরকম আবোল তাবোল কথা বলে! মধ্যমনারায়ণ তেলে পাগলেরও মাথা ঠান্ডা হয়। দে বিন্দু একটু বেশি করে ঢেলে দে।

    হড়হড় করে টুনুর মাথায় তেলের স্রোত নামল। গন্ধে অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসবার জোগাড়। বহু কষ্টে সে বমি সামলাল।

    টুনু অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে ছাড়াতে পারল না। মামির বজ্ৰবন্ধন। বিন্দুও রীতিমতো জোরে চেপে ধরেছে।

    নিরুপায় হয়ে টুনু বসে রইল।

    সেই তেল কপাল বেয়ে গালের ওপর। সেখান থেকে টপটপ করে শরীরে। রাগে, দুঃখে, অপমানে টুনুর দু’চোখ জলে ভরে গেল।

    টুনু একবার ভাবল, সারাদিন কিছু খাবে না। চুপচাপ এইভাবে বসে থাকবে।

    তারপর তার মনে পড়ে গেল বিজ্ঞানের সাধনায় অনেক বাধা। যুগে যুগে দেশে দেশে বহু বিজ্ঞান সাধককে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে, মৃত্যুও বরণ করতে হয়েছে।

    আজ যারা এরকম ব্যবহার করছে, ভাবছে টুনুর মাথায় গোলমাল হয়েছে, তারাই একদিন ফুলের মালা নিয়ে টুনুর কাছে এসে দাঁড়াবে।

    অনেকক্ষণ ধরে টুনু সাবান ঘসে ঘসে স্নান করল। সাবান ফুরিয়ে গেল, কিন্তু গন্ধ বিশেষ কমল না। গম্ভীর হয়ে খাওয়াদাওয়া সারল। কারও সঙ্গে বিশেষ কথা বলল না। তবে বুঝতে পারল, বিন্দুদি আর মামি তাকে কেমন সন্দেহের চোখে লক্ষ করে যাচ্ছে।

    সারা দুপুর টুনু বসে বসে পড়ল। এ ছাড়া উপায় নেই। আজ সারা রাত জেগে বসে থাকবে। অন্য গ্রহের বাসিন্দারা যদি নামে, তবে তাদের হালচাল নোট করবে।

    রাতের খাওয়া তাড়াতাড়ি সেরে টুনু জানলার ধারে বসল। একটা বই দিয়ে হারিকেনটা আড়াল করল, যাতে আলোর রেখা বাইরে কোথাও না পড়ে। কী জানি কাছাকাছি আলো দেখলে গ্রহের বাসিন্দারা সাবধান হয়ে যেতে পারে।

    বরাত টুনুর।

    একটু পরেই আলোর ঝলক দেখা গেল। সেই সঙ্গে খাড়াচুল বেঁটে চেহারার বাসিন্দাদের মাথা নাড়া।

    টুনু উত্তেজনায় উঠে দাঁড়াল। আজকের আলো খুব তীব্র। একবার নিভেই তপ করে আবার জ্বলে উঠল।

    এ দৃশ্য টুনু কাকে ডেকে দেখাবে। ভাবল মামি কিংবা বিন্দুদিকে ডেকে আনবে। তারা নিজের চোখে দেখুক।

    কথাটা ভাবার সঙ্গে সঙ্গে মামার কাশির শব্দ কানে এল। খাওয়ার পর মামা দাওয়ায় বসে অনেকক্ষণ তামাক খায়।

    চেঁচিয়ে মামাকে ডাকতে টুনুর সাহস হল না। কী জানি যদি গ্রহের বাসিন্দাদের কানে আওয়াজ যায়। তারা কোনওরকম আলোর রশ্মি ফেলে টুনুকে ছাই করে দেয়।

    তাই টুনু ঘর থেকে বেরিয়ে আমার পিছনে গিয়ে আস্তে আস্তে ডাকল, মামা, শিগগির আসুন। দেরি করবেন না।

    হুঁকো সরিয়ে মামা উঠে দাঁড়াল। কীরে সাপ নাকি?

    টুনু কোনও উত্তর না দিয়ে মামার হাত ধরে টেনে ঘরের মধ্যে নিয়ে এল।

    জানলার কাছে নিয়ে গিয়ে বলল, বাইরে দেখো।

    মামা দেখল। জমাট অন্ধকার। মাঝে মাঝে শুধু জোনাকির জ্বলা-নেভা।

    টুনু মনে মনে কপাল চাপড়াল। হায়রে মামাকে কিছুই দেখানো গেল না।

    মামা জিজ্ঞেস করল, কী দেখব কী বাইরে? শেয়াল টেয়াল দেখেছিস, না কি?

    না, না, টুনু মাথা নাড়ল, তুমি বিশ্বাস করবে কিনা জানি না মামা। আমি স্পষ্ট দেখেছি, অন্য গ্রহ থেকে একটা জ্বলন্ত যান ওইখানে নামে আর বেঁটে বেঁটে খাড়াচুল বাসিন্দারা মাথা নেড়ে ইশারা করে।

    অ্যাঁ? মামা অবাক হয়ে যায়।

    সঙ্গে সঙ্গে দূরে আবার আলোর দীপ্তি। খাড়াচুল বেঁটে লোকগুলো মাথা দোলায়।

    ওই দেখো মামা, নিজের চোখে দেখো।

    মামা দেখল। বারবার তিনবার আলো জ্বলে উঠল আর নিভল।

    দেখা শেষ করে মামা হো হো করে হেসে উঠল। এত জোরে যে বিন্দু আর মামি ঘুম ছেড়ে উঠে টুনুর ঘরের দরজায় এসে দাঁড়াল।

    মানে, তুমি একে শহরের ছেলে তার ওপর বিজ্ঞানের ছাত্র নও, তাই আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারোনি। ওদিকটা জলা। আমরা বলি ভৈরবের জলা। ওইসব জলা জায়গায় ওইরকম গ্যাস দেখা যায়। মিথেন গ্যাস। তার সঙ্গে ফসফিন যোগ হলেই ওইরকম জ্বলে ওঠে।

    টুনুর মুখটা কালো হয়ে গেল। অনেকক্ষণ পরে সে আমতা আমতা করে বলল, কিন্তু ওই বেঁটে খাড়াচুল মানুষগুলো?

    মামা আবার হাসিতে ফেটে পড়ল।

    ওগুলো মোটেই ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা নয়। তালগাছের চারা। একসঙ্গে গোটা চার-পাঁচ। আলেয়ার আলোয় ওরকম দেখাচ্ছে, আর বাতাসে পাতাগুলো নড়ছে বলে তুমি ভাবছ, মাথা নেড়ে ইশারা করছে। কাল সকালে তুমি নিজে গিয়ে দেখে এসো। তা হলেই আমার কথা সত্যি না মিথ্যা বুঝতে পারবে।

    এবার শুধু মামা নয়, মামার সঙ্গে মামি আর বিন্দুও খিলখিল করে হেসে উঠল।

    শ্রাবণ ১৩৮২

    অলংকরণ: মদন সরকার

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }