Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তবে কে তিনি – অজেয় রায়

    মধ্যরাতে হঠাৎই ঘুমটা ভেঙে গেল। এরকম মাঝে মাঝেই হয়। আমি তখন অকারণেই একটু পায়চারি করি। বাথরুমে যাই। আবার শুয়ে পড়ি। আজও ঘুম ভাঙতেই উঠে পড়লাম। দেওয়াল-ঘড়িতে রাত এখন একটা। রাখহরি একপাশে ক্যাম্পখাটে শুয়ে অঘোরে ঘুমোচ্ছে। মাত্র কয়েকমাস হল আমার কাছে এসেছে ও। সারাদিনে কত কাজই না করে। আমার এই মৌড়িগ্রামের চার কাঠার চৌহদ্দির মধ্যে ছোট্ট বাড়িটাকে কী সুন্দর ঝকঝকে তকতকে করে। রেখেছে। ওরই পরিচর্যায় বাগানের গাঁদা গাছগুলি ফুলে ফুলে ভরে আছে। আমার মতো লোকের বাড়িতে এইরকমই একজনের দরকার ছিল, পেয়েছি। এখন ওকে পেয়ে আমার অবসর সময়ও বেশ ভালই কাটে।

    আমি উঠে আলো জ্বেলে বাথরুমে যাচ্ছি, এমন সময় ডোরবেলটা বেজে উঠল। থমকে দাঁড়িয়ে সাড়া নিলাম, “কে?”

    “দরজাটা একবার খুলবেন?”

    “কে আপনি?”

    “আপনার সাহায্যপ্রার্থী।”

    বালিশের তলা থেকে অটোম্যাটিকটা বার করে বললাম, “এক মিনিট।” তারপর এক টানে দরজাটা খুলতেই দেখলাম এক সুদর্শন ভদ্রলোক ক্রাচে ভর করে দাঁড়িয়ে আছেন। আমাকে দেখে হাসিমুখে বললেন, “আপনিই অম্বর চ্যাটার্জি?”

    “সব জেনেই এসেছেন দেখছি। কী ব্যাপার বলুন তো?”

    “বলব বলেই এসেছি আপনার কাছে। আমার বড় বিপদ।”

    “আসুন, ভেতরে আসুন।”

    ভদ্রলোক ভেতরে এলেন। তারপর একটা চেয়ার টেনে বসতে যেতেই আমি তাঁকে সোফাটা দেখিয়ে দিলাম। সোফায় বসেই বললেন, “জানি এইরকম সময় আমার আসাটা ঠিক হয়নি। আমি বালাশোর থেকে আসছি। আমার নাম সোমেশ্বর সামন্ত। ধৌলি এক্সপ্রেসটা রাত সাড়ে ন’টায় হাওড়ায় ঢোকবার কথা। তার জায়গায় রাত বারোটা হয়ে গেল। ভাবলাম, হাওড়া স্টেশনে রাত্রিটা কাটিয়ে ভরে আপনার কাছে আসব। কিন্তু…।”

    “কিন্তু কী…?”

    “কিন্তু এরই মধ্যে এমন একটা ব্যাপার হয়ে গেল যে, এখনই না এসে পারলাম না। এক গেলাস জল খাওয়াবেন?”

    রাখহরি জল দিয়ে চা কিংবা কফির জন্য স্টোভ ধরাল।

    সোমেশ্বর বললেন, “চাঁদিপুরের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই? আমি সেখানকার ছোটখাটো একটা লজের মালিক। কিছুদিন আগে আমার লজে একটি খুন হয়। ঘটনাটা এইরকম, এক নবদম্পতি কয়েকদিনের জন্য আমার লজের একটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন। হঠাৎ একদিন দুটি ছেলে এসে পাশের ঘরটি ভাড়া নিল। প্রথম দিনটা কাটল ভালয় ভালয়। দ্বিতীয় দিন সন্ধেবেলা দম্পতি এসে অভিযোগ করলেন, ছেলে দুটির আচার-আচরণ নাকি ভাল নয়, এবং ওঁদের খুব উত্ত্যক্ত করছে। এই না শুনেই আমি ছেলে দুটিকে আমার লজ ছেড়ে অন্য লজে চলে যেতে বলব বলে যেই না ওপরে গেলাম, অমনি দেখি ঘরের দরজায় তালা দেওয়া। আমি অনেকক্ষণ অপেক্ষা করলাম ওদের জন্য। কিন্তু না, ওরা আর ফিরল না। সম্ভবত ভয় পেয়েই পালিয়েছে। পরদিন পুলিশ ডেকে দরজা খুলেই অবাক। দেখি সেই ছেলে দুটির একজন মৃত অবস্থায় ঘরের মেঝেয় পড়ে আছে। অপরজন উধাও।”।

    “সে কী! ওদের নাম-ঠিকানা আপনার খাতায় লেখা ছিল না?”

    “ছিল। পুলিশকে যখন সেই ঠিকানা দেব বলে নীচে এলাম তখন দেখলাম খাতাটাই নেই। এই ঘটনায় ওখানে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল। নবদম্পতিও সেই ফাঁকে কখন যেন সুট করে কেটে পড়লেন।”

    “পুলিশ বাধা দিল না?”

    “না। আসলে ওঁরা ভয় পেয়েই পালিয়েছেন।”

    “এমনও তো হতে পারে ওঁদেরই যোগসাজশে খুনটা হওয়ার পর ওঁরা আপনার কাছে অভিযোগ করতে গিয়েছিলেন?”

    “তা হলে ওর বন্ধুটা পালাবে কেন?”

    “সাজানো নাটকও তো হতে পারে? তা যাক, আপনার লজে স্টাফ ক’জন?”

    “স্টাফ বলতে কিছু নেই। আমি ছাড়া চরনিয়া নামে আমার এক বিশ্বাসী কর্মচারী আছে। বহুদিনের পুরনো লোক।”

    “আপনার স্ত্রী, ছেলেমেয়ে?”

    “আমি ব্যাচেলার লোক। কেউ নেই আমার।”

    “আপনার পা গেছে কতদিন?”

    “বেশ কয়েক বছর হল। একটা মোটর দুর্ঘটনায় পা-টাকে খুইয়েছি।”

    রাখহরি তখন কফি নিয়ে এসেছে আমাদের জন্য। বলল, “আগে এটা খেয়ে নিন। তারপর কথা বলবেন।”

    আমরা তিনজনেই কফির পেয়ালায় চুমুক দিলাম।

    আমি বললাম, “আমার খবর আপনি কার কাছ থেকে পেলেন?”

    “মেজর কে. কে. ঘোষকে আপনার মনে আছে?”

    “আরে! উনি আমার বিশেষ পরিচিত।”

    “ওঁর মুখেই আপনার কথা শুনেছি এবং উনিই আমাকে আপনার কাছে পাঠিয়েছেন। যদি সম্ভব হয় তা হলে বন্ধুর মতো আপনি একটু আমার পাশে এসে দাঁড়ান। আমাকে সাহায্য করুন।”

    “বলুন তো আপনার প্রবলেমটা কী?”

    “আমার এক পুরনো শত্রু এখন আমাকে উৎখাত করবার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। মোটা টাকা অফার করছে লজটি তাকে বেচে দেওয়ার জন্য। কিন্তু কোনও কিছুর বিনিময়েই ওই কাজ আমি করব না। শুধু তাই নয়, ইদানীং প্রায়ই দেখছি একটা উড়ো চিঠিতে কেউ বা কারা যেন আমার প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। কী জ্বালা বলুন তো? আপনি কি পারবেন ওই শয়তানগুলোকে শায়েস্তা করতে?”

    “পারবই এমন কথা বলতে পারি না। তবে চেষ্টা করে দেখতে ক্ষতি কী?”

    “শুনে সুখী হলাম। এখন আমার এই অসময়ে আসার কারণটা বলি শুনুন। আমি আপনার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি, কেউ জানে না। চরনিয়াকে বলে এসেছি ভুবনেশ্বর যাচ্ছি বলে। আমি ভেবেছিলাম ধৌলিতে রাত সাড়ে ন’টায় নেমে আপনার সঙ্গে দেখা করব, তারপর ভোরের ট্রেনে আবার ফিরে যাব বালাশোরে। তা রাত বারোটা হয়ে গেল বলে স্টেশনে পায়চারি করছি এমন সময় লেট লতিফ ইস্পাত এক্সপ্রেস এসে ঢুকল। তারপরই এক চাঞ্চল্যকর ব্যাপার। ইস্পাত এক্সপ্রেসের ভেতর থেকে একটি দাবিদারহীন ট্রাঙ্ক নামাতেই দেখা গেল তার ভেতর এক তরুণীর মৃতদেহ। দেখেই শিউরে উঠলাম। পরিচিত মুখ। সেই তরুণী, যিনি আমার লজে খুনের ঘটনার দিন ছিলেন। সঙ্গে সেদিন স্বামী ছিল। আজ উনি একা। সেই দৃশ্য দেখেই আমি একটা ট্যাক্সি নিয়ে আপনার কাছে ছুটে এসেছি।”

    সোমেশ্বরের বিবরণ শুনে আমার কপাল ঘেমে উঠল। রীতিমতো রহস্যময় ব্যাপার। বললাম, “চলুন। এখুনি আমাদের যেতে হবে।”

    “এখন কোথায় যাবেন? ট্রেন তো সেই ভোরবেলায়?”

    “ভোরের আর দেরি কত? এখনই তো দুটো বাজে। এখনও গেলে হয়তো তরুণীর লাশটাকে দেখতে পাব।”

    “চলুন তবে।”

    রাখহরির হাতে ঘরের দায়িত্ব দিয়ে সোমেশ্বরকে নিয়ে সোজা চলে এলাম হাওড়া স্টেশনে। ওখানে আমার এক পরিচিত পুলিশ অফিসারের সাহায্য নিয়ে বেশ ভাল করে দেখলাম তরুণীকে। বললাম, “এ তো রীতা পারিয়াল।”

    সোমেশ্বর বললেন, “আপনি চেনেন মেয়েটিকে?”

    “আলাপ না থাকলেও বিলক্ষণ চিনি। চমৎকার অভিনয় করে মেয়েটি। কখনও শখের থিয়েটারে। কখনও সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্রে। অনেকেই চেনে।”

    আমি তখনই লোকাল থানায় আমার বন্ধু অফিসারকে ফোন করে জানালাম ব্যাপারটা। উনি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এলেন। তারপর ডেডবডি দেখে বললেন, “হ্যাঁ, এ তো সেই মেয়েটিই। আমাদের পুলিশ ক্লাবেও অভিনয় করেছিল একবার। ওর বাড়িও আমি চিনি। চলুন তো যাই।”

    পুলিশের জিপেই আমরা শালকিয়ার একটি বাড়িতে এসে দরজায় ধাক্কা দিলাম। যিনি এসে দরজা খুললেন তাঁকে দেখেই তো আমাদের চক্ষুস্থির। দেখলাম, স্বয়ং রীতা পারিয়াল আতঙ্কিত মুখে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। বললেন, “ব্যাপার কী ভাই! আপনারা?”

    বললাম, “কিছুমনে করবেন। না। এমন একজন তরুণীর মৃতদেহ আজ আমরা দেখেছি, যার সঙ্গে আপনার চেহারার হুবহু মিল আছে। তাই ছুটে এলাম খোঁজখবর নেব বলে। ঈশ্বরের ইচ্ছায় আপনি ভাল থাকুন, এই কামনা করি।”

    “আপনারা যে আমাকে বোনের মতো স্নেহ করেন সেজন্য ধন্যবাদ।”

    আমরা যখন তাঁর ঘুম ভাঙানোর জন্য ক্ষমা চেয়ে লজ্জিত হয়ে ফিরে আসছি তখন হঠাৎ কী মনে হতেই আবার ফিরে গিয়ে বললাম, “আচ্ছা, আপনার কোনও অ্যালবাম আছে? যা থেকে আপনার দু’-একটা ছবি আমরা পেতে পারি?”

    “নিশ্চয়ই পারেন।” রীতা আমাদের বসিয়ে রেখে তাঁর অ্যালবামটা দিতেই আমরা ছবির জন্য পাতা ওলটাতে লাগলাম। বেশিরভাগই অভিনয়ের ছবি। হঠাৎ একটি ছবি দেখে চেঁচিয়ে উঠলেন সোমেশ্বর, “ওই। ওই তো সেই ভদ্রলোক। এঁর ছবি এখানে কী করে এল?”

    রীতা বললেন, “আপনি কার কথা বলছেন?”

    “আপনি কি এঁকে চেনেন?”

    “কেন চিনব না? ইনি অশোক রায়। আমাদের ইউনিটের একজন ছিলেন। বিরাট বিজনেসম্যান। এখন অবশ্য লাইন ছেড়ে দিয়েছেন।”

    সোমেশ্বর বললেন, “যিনি খুন হয়েছেন তিনি এঁরই স্ত্রী। আচ্ছা, একটু মনে করে দেখুন তো আপনার মতো দেখতে আপনার আর কোনও আত্মীয়া আছেন কি না?”

    “আমার কেউ নেই। মা ছিলেন। বছর দুই আগে গত হয়েছেন।”

    আমার মনে হল উনি কী যেন চেপে যাচ্ছেন। তাই বললাম, “ঠিক আছে। আজ আর আপনাকে বেশি বিরক্ত করব না। আপাতত অ্যালবামটাই আমরা নিয়ে যাচ্ছি। কয়েকদিনের মধ্যেই অবশ্য ফেরত পেয়ে যাবেন। আজ আমরা আসি। সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।”

    আমি বাইরে এসে পুলিশ অফিসার বন্ধুটিকে বললাম রীতার দিকে একটু নজর দিতে। যাতে কোনওরকমেই এখান থেকে ও পালিয়ে না যায়। তারপর আমাকে সাহায্যের জন্য ওঁকে কী কী করতে হবে তা একটু আড়ালে গিয়ে জানিয়ে দিলাম। সোমেশ্বর টিকিট কেটে আনলেন। আমরা দু’জনে মুখোমুখি দুটি জানলার ধার দেখে বসলাম ধৌলি এক্সপ্রেসে। পাঁচটা পঞ্চাশ মিনিটে ট্রেন ছাড়ল।

    ধৌলি এক্সপ্রেস বালাশোরে পৌঁছল সকাল সাড়ে ন’টায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী সোমেশ্বর তাঁর এক বন্ধুর বাড়িতে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে ফোন নম্বরটা দিতে ভুললেন না অবশ্য। আমিও একটা অটো নিয়ে চলে এলাম চাঁদিপুর। সেখানে সোমেশ্বর সামন্তর লজ খুঁজে বার করতে আমার একটুও অসুবিধে হল না। চরনিয়া লজের দায়িত্বেই ছিল। আমি গিয়ে তাকে বললাম, “তোমাদের এই লজের মালিক আমার ছেলেবেলার বন্ধু। তাই এখানে এসেছি তার সঙ্গে গল্প করে কয়েকদিনের ছুটি কাটাতে। কোথায় তিনি?”

    চরনিয়া বলল, “বাবু তো এখানে নেই। ভুবনেশ্বর গেছেন। একটু বেলায় ফিরবেন। কিন্তু আমি তো আপনাকে চিনি না। তাই ডিপোজিটের টাকা আপনাকে অগ্রিম দিতে হবে। এরপর বাবু এসে যা ব্যবস্থা করবার করবেন।”

    আমি ওর হাতে একশো টাকার একটা নোট তুলে দিলাম। শুধু তাই নয়, সারাদিন ধরে নানাভাবে আলাপ জমাতে লাগলাম ওর সঙ্গে। কিছুদিন আগে যে খুনের ঘটনা ঘটেছিল, সে-ব্যাপারেও জিজ্ঞাসাবাদ করলাম। ওকে আমি এমনভাবে হাত করে নিলাম যে, আমার উদ্দেশ্যটা বুঝতেই পারল না ও। সারাটা দিন গেল। সন্ধের সময় বললাম, “কই হে! তোমার বাবু তো এলেন না?”

    চরনিয়ার মুখ শুকিয়ে গেল। বলল, “কী জানি? এমন তো কখনও হয় না। ওঁর পিছনে কী যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে…।”

    এমন সময় হঠাৎ ওকে অবাক করে সোমেশ্বরকে লেখা সেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া একটা চিঠি বার করে বললাম, “কী ব্যাপার বলো তো? আমার ঘরের ভেতর থেকে এই চিঠিটা পেলাম। এসব কী?”

    চরনিয়া কেমন যেন সন্দেহের চোখে তাকাল আমার দিকে। বলল, “ঘরের ভেতর থেকে পেলেন?”

    “হ্যাঁ। এইমাত্র।”

    “ওটা আমাকে দিন।”

    চিঠিটা আমি দিয়েই দিলাম ওর হাতে। তারপর পঞ্চাশ টাকার একটা নোট ওকে দিয়ে বললাম, “শোনো, আমাদের দু’জনের খাবারের ব্যবস্থা করো। আর একটু চায়ের ব্যবস্থা করো দিকিনি, গল্প করতে করতে খাই দু’জনে।”

    চরনিয়া চলে গেল। তারপর যখন রাতের খাবার আর চা নিয়ে ওপরের ঘরে এল আমি তখন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে অ্যালবামটা দেখছি। চরনিয়া সেদিকে তাকিয়ে বলল, “এসব ছবি আপনার কাছে কী করে এল বাবু?”

    “কেন? তুমি কি চেনো এদের? দ্যাখো তো, এর ভেতরে কাউকে তুমি চিনতে পারো কি না?”

    আমি দেখলাম কেমন যেন ভয়ে ভয়ে একটি নাট্যমঞ্চের স্ক্রিনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছেলের ছবির দিকে একদৃষ্টে চেয়ে আছে ও। সেদিকে তাকিয়ে দু’ চোখের পাতা পড়ছে না।

    বললাম, “চেনো নাকি ওকে?”

    চরনিয়ার মুখ সাদা হয়ে গেল। বলল, “চিনি। গোরাবাবু। আপনি যে ঘরে আছেন এই ঘরেই ও খুন হয়েছিল।”

    এবার আমি ওকে রীতার ছবিটা দেখালাম, “এঁকে চিনতে পারো?”

    “পারি।”

    “এই ভদ্রলোককে?”

    “এঁদের দু’জনকেই চিনি৷ কিন্তু এসব ছবি আপনার কাছে কী করে এল? তা ছাড়া ওই চিঠিটাও তো এ-ঘরে পড়ে থাকবার নয়। সত্যি করে বলুন তো, আপনি কে?”

    “তোমার বাবুর বন্ধু।”

    চরনিয়া কোনওরকমে চা খেয়ে ওর খাবার নিয়ে চলে যাওয়ার পর আমি অনেকক্ষণ জানলার ধারে দাঁড়িয়ে সমুদ্র দেখলাম। তারপর একসময় খেয়েদেয়ে ডিম লাইটটা জ্বেলে রেখে চুপিসারে বাইরে এসে বাড়িটার দিকে চেয়ে সেই ঝাউবনের ছায়া-অন্ধকারে চুপচাপ বসে রইলাম। মাথার ওপর তারার আকাশ। শুধু সমুদ্রের ভয়ংকর গর্জন ছাড়া আর কিছুই শোনা যাচ্ছে না এখানে। প্রায় ঘণ্টাদুয়েক বসে থাকার পর একসময় দেখলাম একজন দীর্ঘ উন্নত বলিষ্ঠ চেহারার লোক সেই লজের দিকে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আমি বেড়ালের মতো সন্তর্পণে পিছু নিলাম তার। লোকটি কোনও দিকে না তাকিয়ে নির্ভয়ে এগিয়ে চরনিয়ার দরজায় টোকা দিল। চরনিয়া দরজা খুলে বেরিয়ে আসতেই বলল, “ওই লোকটা কে রে! অনবরত ওকে নিয়ে ঘুরছিস, কী ব্যাপার?”

    “উনি তো বলছেন, উনি নাকি বাবুর বন্ধু। তবে খুবই সন্দেহজনক। ওঁর কাছে একটা অ্যালবাম রয়েছে দেখলাম। তাতে খুকুদিদিমণির ছবি। সেই যে ছেলে দুটিকে খুন করা হল তাদেরও একজনের ছবি। আমার কিন্তু খুব ভয় করছে। আমি আর এসবের ভেতরে নেই। তা ছাড়া সেদিন যে চিঠিটা আপনি বাবুকে দিয়েছিলেন সেই চিঠিটাও দেখছি ওঁর হাতে। উনি বললেন, আজই নাকি ওই ঘর থেকে পেয়েছেন। কিন্তু আজ তো বাবু নেই। আপনিও কোনও চিঠি দেননি। তা হলে?”

    লোকটি একটু গম্ভীর হয়ে বলল, “মনে হচ্ছে এ নিশ্চয়ই পুলিশের লোক। খুব সাবধান। বেঁফাস কথা একদম বলবি না।”

    “না। কিন্তু বাবু এখনও ফিরলেন না কেন?”

    “কী করে জানব? তবে লোকটার দিকে নজর রাখিস। ভোরবেলা নিশ্চয়ই সি- বিচে বেড়াতে যাবে? তুই সঙ্গে থাকবি। পারলে রাত্রি তিনটে নাগাদ ডেকে তুলবি ওকে। তারপর যা করবার আমিই করব।”

    “আপনি কি শেষকালে পুলিশ মার্ডার করবেন?”

    “প্রয়োজনে করতে হবে বইকী। আমার কথামতো না চললে তোরও পরিণাম ওই হবে।”

    লোকটা চলে গেল। আমিও ওকে যেতে দিলাম। তারপর আবার ঝাউবনে এসে একটা দেশলাই জ্বালতেই দু’জন সাদা পোশাকের পুলিশ এগিয়ে এল আমার দিকে। বললাম, “রাত্রিশেষে একটু সজাগ থেকো তোমরা। একটা কিছু ঘটতে পারে। কতজন আছ, তোমরা?”

    “আপাতত দশজন আছি।”

    “এতেই হবে।”

    আমি চরনিয়ার ঘরের দিকে এগোলাম। তারপর টকটক করে দরজায় টোকা দিতেই বেরিয়ে এল চরনিয়া, “আবার কী!” বলে আমাকে দেখেই যেন ভূত দেখার মতো চমকে উঠল, “এ কী! আপনি?”

    “হ্যাঁ। ঘুম আসছে না। তাই চলে এলাম তোমার কাছে। চলো-না একটু সমুদ্রের ধার থেকে ঘুরে আসি?”

    “এখন আমি যেতে পারব না বাবু, ঘুম পাচ্ছে।”

    “তা হলে আমার ঘরেই এসো। গল্প করি।”

    “না, ঘুম পাচ্ছে।”

    “আসতে বলছি এসো।”

    চরনিয়া ভয় পেয়ে বলল, “আপনি কে বাবু?”

    “তোমার বাবুর বন্ধু।”

    “আপনি এখানে কেন এসেছেন?”

    “এই লজটা কিনতে। কিনতে ঠিক নয়, এখন আমি এটা কিনেই ফেলেছি। তোমার বাবু ভুবনেশ্বরে গেছেন এটি আমাকে বিক্রি করবেন বলে। এতক্ষণে হয়তো রেজিস্ট্রিও হয়ে গেছে।”

    “তার মানে আপনি এখন এই লজের মালিক? কত টাকায় কিনলেন?”

    “আড়াই লাখে কিনেছি।”

    “কিন্তু বাবু তো চার লাখ টাকাতেও এই লজ শ্যাম বিশোয়ালকে দিতে চাননি।”

    “সেটা ওঁর ব্যাপার।”

    “যদি কিনে থাকেন তা হলে আপনি ভুল করেছেন বাবু। শ্যাম আপনাকে কিছুতেই এখানে থাকতে দেবে না। হয়তো আপনিও খুন হবেন।”

    “সে কী! আমার অপরাধ?”

    “ওর মুখের গ্রাস আপনি কেড়ে নিয়েছেন।”

    আমি ভয় পাওয়ার ভান করে বললাম, “দোহাই চরনিয়া। সব কথা তুমি আমাকে খুলে বলো। তোমার বাবু আমাকে কিছুই না জানিয়ে বেচে দিয়েছেন। দরকার নেই আমার লজ কিনে। তোমার শ্যাম বিশোয়াল যদি আমাকে চার লাখ টাকা দেয় তো এই লজ আমি ওকেই দিয়ে দেব। তবুও তো দেড় লাখ টাকা প্রফিট হবে আমার।”

    চরনিয়া বলল, “সেটা যদি আপনি করেন তা হলে বুদ্ধিমানের কাজ করবেন।”

    “এসো তা হলে আমার ঘরে। তোমার মুখে সব শুনি। একটু আলোচনাও করি। তবে তুমি যখন এতই উপকার করলে আমার, তখন বিশ-পঁচিশ হাজার টাকা দালালি হিসেবে তোমাকেও দেব আমি। কিন্তু আগাগোড়া কীসব ব্যাপার আমাকে খুলে বলো দিকিনি?”

    চরনিয়া টাকার লোভে ভাল-মন্দ বিচার না করেই উঠে এল আমার ঘরে। তারপর বলল, “পঁচিশ হাজার টাকা যদি আপনি আমাকে দেন তা হলে আমি আর এ-দেশেই থাকব না। সম্বলপুরে আমার পৈতৃক ভিটেয় চলে যাব। তবে একটা কথা, আপনি যেন ভোরবেলা ভুলেও বেরোবেন না ঘর থেকে। শ্যাম বিশোয়াল আপনাকে মারবার জন্য ওত পেতে বসে আছে। ওর ধারণা আপনি পুলিশের লোক। আমিও কিন্তু তাই ভেবেছিলাম।”

    “বলো কী! তা বারণ যখন করছ তখন বেরোব না। এখন খুলে বলো তো সব শুনি, কীভাবে কী হল?”

    চরনিয়া এলেও আমি বড় আলো জ্বাললাম না। ডিম লাইটই জ্বলতে লাগল। ও বলতে শুরু করলে আমিও একমনে সব শুনতে লাগলাম। ও বলল, “এই শাম বিশোয়াল হল একজন কুখ্যাত ব্যক্তি। যত রকমের খারাপ কাজ সবই ও করে থাকে। এখন ওর মাথায় চেপেছে সিনেমার প্রোডিউসার হওয়ার। কয়েকটি ওড়িয়া ছবিতে অংশও নিয়েছে। ওর ইচ্ছে সমুদ্রের ধারে বাবুর এই বাড়িটা কেনে এবং এখানে ওর কাজকর্ম করে। আসলে এই বাড়ি এবং এখানকার লোকেশন তো শুটিং স্পট হিসেবে আইডিয়াল। বাবু কিন্তু ওর প্রস্তাবে একদম সায় দেন না। শ্যামও টাকার পর টাকা অফার করতে থাকে। বাবুও তাকে প্রত্যাখ্যান করতে থাকেন।”

    “কারণটা কী?”

    “প্রথমত, জায়গাটা বাবুরও পছন্দসই। দ্বিতীয়ত, শ্যামের সঙ্গে শত্রুতা। বাবুও তো একসময় খুব একটা ভালমানুষ ছিলেন না। জানি আমি সবই। ওয়াগন ব্রেকারদের লিডার ছিলেন। শেষমেশ একবার পুলিশের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে মালগাড়ির চাকায় একটা পা-ই খোয়াতে হল।”

    “ওঁর পা তা হলে মোটর অ্যাক্সিডেন্টে বাদ যায়নি।”

    “না। সেই দুর্ঘটনার পর বাবু সেইসব পাপের টাকা নিয়ে এখানে লজ করে ভালমানুষটি সেজে বসে আছেন।”

    “কিন্তু এর সঙ্গে ওই দুটি ছেলের খুন হওয়ার কারণটা কী? আমি অবশ্য জানতাম একটি ছেলে।”

    “সবাই তাই জানে। কিন্তু আমি জানি সে রাতে খুন হয়েছিল দুটো। গোরাবাবু আর কালাবাবু। আসলে ওই যে খুকুদিদিমণির ছবি দেখালেন তখন, ওঁরা হলেন যমজ বোন। ওঁরা দু’বোনে ছোটবেলায় চমৎকার লব-কুশের অভিনয় করত। আমি আগে কটকের জ্ঞানমঞ্চে দরোয়ানের কাজ করতাম তো। তা সেই জ্ঞানমঞ্চ উঠে গেলে এখানে এই বাবুর কাছে এসেছি।”

    “তারপর বলো।”

    “এইবার মেয়ে দুটি বড় হলে খুকুদিদিমণিরই কদর হল এখানে সবচেয়ে বেশি। মেয়ে হিসেবেও খুকুদিদিমণি অত্যন্ত ঠান্ডা প্রকৃতির। তা রীতাদিদির খুব অভিমান হল তাই নিয়ে। উনি কলকাতা চলে গেলেন। এ ছাড়া অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ ব্যাপারও ছিল বোধহয়। তাই দু’বোনের মধ্যে মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে গেল। ওদের বাবা-মা দু’মেয়ের কাছে দু’ প্রান্তে থাকতেন। তাঁরাও কেউ বেঁচে নেই আর।”

    “তোমার বাবু এঁদের চিনতেন?”

    “বোধহয় চিনতেন না। না হলে খুকুদিদিমণি যখন বিয়ের পর আমাদের লজে কয়েকদিনের জন্য এলেন তখন কথাবার্তায় বুঝতে পারতাম। কিন্তু আমি চিনেছিলাম। বাবুর সঙ্গে অবশ্য ওঁর বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি আমার। সে যাই হোক। খুকুদিদিমণি ইদানীং বেশ কিছুকাল অভিনয় জগৎ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। চাঁদিপুরের মাটিতে পা দিতেই শ্যামের চোখে পড়ে যান উনি। শ্যাম বারবার ওঁকে অনুরোধ করে তার নতুন ছবিতে কাজ করবার। খুকুদিদিমণি বা ওঁর স্বামী কেউই রাজি হন না। শ্যাম তখন গোরা ও কালাকে ওঁদের পিছনে লাগিয়ে দেয়। ওরা এসে এই লজেই ওঠে। এবং অনেক করে বোঝাতে থাকে দু’জনকে।”

    “গোরা কালা কে?”

    “ওরাও ওই জ্ঞানমঞ্চে কাজ করত। স্ক্রিন টানত ওরা। দিদিমণিও ওখানে অভিনয় করতেন। রামায়ণে সীতা, কৃষ্ণলীলায় রাধা হতেন। তা ওদের গায়ের রং ফর্সা আর কালো ছিল বলে ওইরকম নাম। ওরা দু’জনেই অনেক বুঝিয়েও যখন হার মেনে গেল, শ্যাম তখন খুকুদিদিমণিকে খুন করবার মতলব দিল ওদের। এই নিয়েই মতান্তর। ওরা বলল, যাকে আমরা চিরকাল দিদির মতো শ্রদ্ধা করেছি তার গায়ে হাত দেব? দরকার হলে তোমাকেই খতম করে দেব আমরা। তারই পরিণাম হল এই। গোরাকে মুখে চট চাপা দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে মারল শ্যাম। আর কালাকে ছুরি মারল ওর দলের লোকেরা। কালার লাশ ঝাউবনের বালিতে পোঁতা আছে। শ্যামের নজর এড়িয়ে এই কথাটা খুকুদিদিমণিকে বলেই ওদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলাম আমি।”

    “খুব ভাল কাজ করেছ। কিন্তু তোমার শ্যাম বিশোয়াল যেভাবে খুনের পর খুন করে তাতে তোমার বাবুকে এতদিন বাঁচিয়ে রাখল কী করে?”

    “আসলে বাবুকে খুন করলে সবাই তো আগে ওঁকেই ধরবে। তা ছাড়া সে-কাজ করলে এই বাড়িটা কিনবে কার কাছ থেকে?”

    “শ্যামের ব্যাপারে বাবুকে কখনও কিছু বলেছ তুমি?”

    “না। বাবু মাথা গরম করে কখনও যদি বলে দেন শ্যামকে তা হলে আমি খুন হয়ে যেতাম। তবে এটা ঠিক, এ-বাড়ি একান্ত না পেলে বাবুকে খুন ও করতই। তাই তো বাবু ফিরছেন না দেখে ভয় হচ্ছিল আমার।”

    “এবার তোমাকে একটা কথা বলি, তুমি কি জানো তোমার ওই খুকুদিদিমণিকেও খুন করা হয়েছে?”

    শিউরে উঠল চরনিয়া, “সত্যি বলছেন? এ তা হলে ওই শয়তানেরই কাজ। শ্যাম বিশোয়াল ছাড়া এ-কাজ আর কেউ করেনি।”

    আমি এবার একটু কঠিন গলায় বললাম, “এতক্ষণ তুমি আমাকে যা যা বললে তা আদালতে দাঁড়িয়ে বলতে পারবে?”

    “পারব। কেননা আমি বুঝতে পেরেছি আমি নিজের জালেই নিজে জড়িয়ে গেছি। আপনি নিশ্চয়ই পুলিশের লোক। আর আমাকে ধোঁকা দিতে পারবেন না। তবে জেনে রাখুন, আদালতের চৌকাঠ পর্যন্ত ওরা আমাকে পৌঁছতে দেবে না।” বলে উঠে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই একটা গুলি এসে লাগল ওর বুকে।

    মুহূর্তের অন্যমনস্কতায় জানলাটা খুলে রেখে কী ভুলই না করেছিলাম। এরপর সিঁড়িতে দুড়দাড় শব্দ। আমি বড় আলোটা জ্বেলে দরজা খুলে বাইরে এসেই দেখি আততায়ী ধরা পড়েছে সাদা পোশাকের পুলিশের হাতে।

    চরনিয়ার মরদেহ পুলিশের লোকেরা সরিয়ে নিয়ে গেল। শুধু শ্যাম নয় পালাতে গিয়ে ধরা পড়ল ওর দলের আরও দু’জন। সে রাতটা যে কীভাবে কাটল তা বলে বোঝানো যাবে না।

    পরদিন সকালে ফোন করলাম সোমেশ্বরকে। উনি এলেন। আমার বক্তব্য লিখে ফেললাম পুলিশকে দেওয়ার জন্য। শ্যাম বিশোয়ালও চাপের মুখে সব কথাই স্বীকার করল। এমনকী প্রতিশোধ নেবার জন্য ওই তরুণী-হত্যার কথাও অস্বীকার করল না। খবর পাঠালাম রীতা পারিয়ালের কাছে। আর তীব্র ভর্ৎসনা করলাম সোমেশ্বরকে। বললাম, “নেহাত মেজর ঘোষের নাম করেছিলেন তাই। না হলে মিথ্যে পরিচয় দেওয়া বার করে দিতাম আপনার। আপনার মতো একজন ওয়াগন ব্রেকারের খুন হওয়াটাই দরকার ছিল। আপনার সংস্পর্শে না থাকলে চরনিয়াটাও মরত না।”

    সোমেশ্বর মাথা হেঁট করলেন। আমি কোনও কথা না বলে নীচে নেমে এলাম। আমার কাজ শেষ। এবার পুলিশের কাজ পুলিশ করুক।

    ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯১

    অলংকরণ: দেবাশিস দেব

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }