Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রহস্যময় অন্তর্ধান – অজেয় রায়

    রানি ভিক্টোরিয়ার টাকা – অনিল ভৌমিক

    নৈহাটি স্টেশনে ট্রেন যখন পৌঁছল, তখন প্রায় চারটে বাজে। মা’র সঙ্গে মৈনাক স্টেশনে নামল। ওভারব্রিজ পার হয়ে রাস্তায় এল। কত রিকশা দাঁড়িয়ে। দু’জনে একটা রিকশায় উঠল।

    দু’জনে চলেছে মৈনাকের জেঠুর বাড়ি। দাদুর জন্মদিন পালন করেন জেঠু। ওরা নিমন্ত্রিত। প্রতি বছরই এই দিনে মৈনাকৱা আসে। এবার অফিসের কাজে আটকে পড়ে বাবা আসতে পারেননি।

    জেঠুর বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল রিকশা। দু’জনে নামল। মৈনাক দেখল, জেঠু বারান্দায় বসে আছেন। দু’জনে জেঠুর কাছে এল। জেঠু ততক্ষণে প্রায় ছুটে এসে মৈনাককে দু’হাতে বুকে তুলে নিলেন। নিঃশব্দ হাসি তাঁর মুখে। জেঠুর ছেলেমেয়ে নেই। বোধহয় এইজন্যই মৈনাকের ওপর জেঠুর ভীষণ টান।

    বিকেলেই জেঠুর লাইব্রেরি ঘর পরিষ্কার করা হয়ে গেল। একটা টেবিলের ওপর রাখা হল দাদুর ফোটো। জ্যাঠাইমা ফোটোতে চন্দনের ফোঁটা দিলেন। মালা পরালেন। মৈনাকের জেঠু সুনির্মলবাবু দাদুর ব্যবহৃত চশমা, চশমার খাপ, দোয়াত-কলম টেবিলে রাখলেন। মৈনাক যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি ভালবাসে সেটা সুনির্মলবাবুর কয়েনের থলেটা। সেই থলেতে আছে দাদুর জমানো কয়েনগুলো। মৈনাক এবার বলল, “জেই, দাদুর কয়েনগুলো তো আনা হয়নি। আমি আনব?”

    সুনির্মল বললেন, “যা তো, নিয়ে আয়। সিন্দুকে চাবি লাগানো আছে।”

    মৈনাক দৌড়ে নিয়ে এল রংছুট সিল্কের থলেতে দাদুর জমানো কয়েনগুলো। এনে টেবিলে রাখল।

    একেবারে ঘরোয়া অনুষ্ঠান। সুনির্মলের সহকর্মী বন্ধুবান্ধবরা স্ত্রী ছেলেমেয়েকে নিয়ে এলেন। অনুষ্ঠানে গানবাজনা হল। মৈনাক রবীন্দ্রনাথের ‘নিঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি খুব সুন্দর আবৃত্তি করল। খাওয়াদাওয়া হল।

    সবাই চলে গেল। শুধু সুনির্মলবাবুর সহকর্মী মিলনবাবু বাইরের বারান্দায় এসে বসলেন। সুনির্মলবাবুও এসে বসলেন। তখনই সুনির্মলবাবু মৈনাককে ডেকে বললেন, “মানু, বাবার জিনিসগুলো সব সিন্দুকে তুলে রাখ তো।”

    মৈনাক ছুটল লাইব্রেরি ঘরের দিকে।টেবিলের কাছে গেল।

    থলির বাঁধা ফিতেটা খুলে টেবিলে ঢালল কয়েনগুলো। কয়েনগুলো হাতে তুলে নিয়ে নিয়ে দেখতে লাগল। আকবরের আমলের লম্বাটে রুপোর চৌকোনা কয়েনটা দেখল। জেঠু বলেছেন, এটাতে আরবি ভাষায় কী যেন লেখা আছে। এবার খুঁজতে লাগল রানি ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা। কিন্তু সেই কয়েনটা তো নেই। মৈনাক বারবার কয়েনগুলো ছড়িয়ে দেখল। যাঃ, ভিক্টোরিয়ার টাকাটা নেই। মৈনাকের কেমন ভয় ভয় করতে লাগল।

    মৈনাক ছুটে বাইরের বারান্দায় এল। বলল, “জেঠু, ভিক্টোরিয়ার টাকাটা কাউকে দিয়েছ?”

    “না তো। কেন, ওই থলেতে নেই?”

    “না।” মৈনাক বলল, “আমি খুঁজে দেখেছি। নেই।’’

    সুনির্মলবাবু উঠে দাঁড়ালেন। চললেন লাইব্রেরি ঘরের দিকে। মিলনবাবুও চললেন। লাইব্রেরি ঘরে এসে টেবিলের কাছে গেলেন। কয়েনগুলো ছড়িয়ে দেখলেন। নাঃ, ভিক্টোরিয়ার টাকাটা নেই। মিলনবাবু বললেন, “সিন্দুকে কোথাও রাখোনি। তো?”

    “না। সারা দুপুর বাইরের বারান্দায় বসে আমি কয়েনগুলো পরিষ্কার করেছি। স্পষ্ট মনে আছে আমার। তারপর সব কয়েন থলেতে ভরে ফিতে বেঁধে সিন্দুকে রেখেছি।”

    “টেবিল থেকে পড়েও যেতে পারে।” মিলনবাবু বললেন।

    “ছড়িয়ে রেখেছিলাম। যদি টেবিল থেকে পড়ে যেত তা হলে শব্দ হত।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “তবু মেঝেটা খুঁজতে হবে।” মিলনবাবু বললেন।

    তিনজনে মেঝেয় খুঁজতে লাগল। না, মেঝের কোথাও নেই। এর মধ্যে সুনির্মলবাবু সিন্দুকটাও খুঁজে এলেন। না, নেই। মিলনবাবু বললেন, “সুনির্মলদা, ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা কি খুব দামি ছিল?”

    সুনির্মলবাবু নিঃশব্দে মাথা নাড়লেন।

    “তা হলে তো পুলিশে খবর দিতে হয়। দাঁড়াও সুনির্মলদা, নৈহাটি থানার এক ইনসপেক্টর মি. মিত্র, তাঁকে ফোন করছি। আমার খুবই পরিচিত।”

    আধঘণ্টার মধ্যে জিপে চড়ে মি. মিত্র এলেন। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে বললেন, “কী ব্যাপার মিলনবাবু?”

    মিলনবাবু সুনির্মলবাবুকে দেখিয়ে বললেন, “ইনি সুনির্মল চ্যাটার্জি। আমার কলিগ। ওঁর একটা দামি কয়েন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

    মি. মিত্রের সঙ্গে তার সহকর্মী একজন ছিলেন। তাঁরা চেয়ারে বসলেন।

    মি. মিত্র বললেন, “কখন কী করে জানলেন যে, কয়েনটা হারিয়েছে বা চুরি হয়েছে?”

    মিলনবাবু তখন লোকজনের আসা, অনুষ্ঠান হওয়া, খাওয়াদাওয়া সবই বললেন। মি. মিত্র উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, “চলুন, ফাংশানের জায়গাটা দেখি?”

    সকলে লাইব্রেরি ঘরে এল। মি. মিত্র চারদিকে দেখে নিয়ে টেবিলটার কাছে এলেন। টেবিলে ছড়ানো কয়েনগুলো দেখলেন। বললেন, “সবসুদ্ধ ক’টা কয়েন ছিল?”

    “আমি তো ঠিক…” মিলনবাবু বললেন। তারপর সকলের দিকে তাকিয়ে দেখলেন সুনির্মলবাবু আসেননি।

    মৈনাক বলল, “একশো সাইতিরিশটা।”

    মি. মিত্র মৈনাকের দিকে তাকিয়ে বললেন, “আর য়ু শিওর?”

    “শিওর, সঙ্গের কাগজটাতে কয়েনের লিস্টটা আছে। ওটা গুনলে—।”

    মিলনবাবু বললেন, “এর নাম মৈনাক― ও-ই প্রথম কয়েনগুলো রাখতে গিয়ে দেখেছে ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা নেই।”

    মি. মিত্র মৈনাককে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কী করে বুঝলে যে, এই কয়েনটা নেই।”

    “রানি ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা এর আগে আমি অনেকবার দেখেছি।”

    “হুঁ।” মি. মিত্র বললেন, “চলুন বারান্দায়। এখানে আর কিছু দেখার নেই।”

    তিনজনে বারান্দায় এসে বসল। মি. মিত্র সুনির্মলবাবুকে জিজ্ঞেস করলেন, “মি. চ্যাটার্জি, কয়েনগুলো আপনি কোথায় রাখতেন?”

    “সিন্দুকে।”

    “শুধু অনুষ্ঠানের দিন বের করতেন?”

    “হ্যাঁ।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “আচ্ছা, ঠিক মনে করে বলুন তো, দুপুর থেকে কারা কারা আপনার কাছে এসেছিল?” মি. মিত্র জানতে চাইলেন।

    “মহাবীর ইস্ত্রি ওলা এসেছিল। কাপড়চোপড় দিয়ে গেছে। নিয়ে গেছে।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “আর কেউ?”

    “হ্যাঁ, তারপর জয়ন্ত এল। খুব স্টুডিয়াস ছেলে। প্রেসিডেন্সিতে পড়ে। আজকে ওর কলেজ বন্ধ ছিল।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “জয়ন্ত কেন আসে?” মি. মিত্র বললেন।

    “আমার লাইব্রেরি থেকে বইটই নিয়ে যায়। পড়ে ফেরত দিয়ে যায়।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “জয়ন্ত কি বই নিয়ে গিয়েছিল?” মি. মিত্র বললেন।

    “হ্যাঁ। লাইব্রেরিতে গিয়ে বই দেখেটেখে দুটো বই নিয়ে গিয়েছিল।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “জয়ন্তকে বিশ্বাস করা চলে?”

    “অফ কোর্স। জয়ন্ত খুব ভাল ছেলে।” সুনির্মলবাবু গলায় জোর দিয়ে বললেন।

    “জয়ন্ত চলে যাওয়ার পর ওই কয়েনটা আপনি দেখেছিলেন?”

    “তখন আমি ওই ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা পরিষ্কার করছিলাম।” সুনির্মলবাবু বললেন।

    “আর কে কে এসেছিল?” মি. মিত্র বললেন।

    “এবার একটু আগের কথা বলি। মি. নন্দী আমাদের কলিগ, কলকাতায় বদলি হয়েছিলেন। সেই মি. নন্দী সকালে আমাকে ফোন করেছিলেন। বলেছিলেন তাঁদের ফ্ল্যাটের পাশেই থাকে এক অবাঙালি পরিবার। তাদের আত্মীয় ব্রজলাল শুক্লা, কানপুরে থাকে। ব্ৰজালালেরও নাকি নেশা কয়েন কালেকশনের। আমার কালেকশনটা দেখার জন্য ব্রজলালকে আমার কাছে পাঠাচ্ছেন।” একটু থেমে সুনির্মলবাবু বললেন, “ব্রজলাল এল। মোটরসাইকেল চেপে। মুখে ছাঁটা দাড়ি গোফ। আমি তখন বাইরের বারান্দায় বসে কয়েনগুলো পরিষ্কার করছিলাম। ব্রজলাল খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কয়েনগুলো দেখল। রানি ভিক্টোরিয়ার কয়েনটা দেখে ও যেন চমকে উঠল। কয়েনটা উলটেপালটে মনোযোগ দিয়ে দেখে বলল, ‘দিস কয়েন, সেল করবেন? আমি খুব বিরক্ত হলাম। বাবার কয়েনগুলো বিক্রি, এক্সচেঞ্জের অফার এর আগেও পেয়েছি। আমি স্পষ্টই বললাম― না।”

    “ভালই করেছেন,” মি. মিত্র বললেন, “কীই বা দাম দিত!”

    সুনির্মলবাবু একটু চুপ করে থেকে বললেন, “হি ওয়াজ রেডি টু পে ল্যাক্‌স।”

    মি. মিত্র বেশ চমকে উঠে বললেন, “বলেন কী! এনি ওয়ে, তারপর?”

    “এবার ব্রজলালকে ভাল করে দেখলাম। ওর কয়েনগুলো দেখা, চোখের ধূর্ত চাউনি দেখে বুঝলাম, ব্রজলালের কয়েন জমানো নেশা নয়। ও কয়েন নিয়ে ব্যাবসা করে। যা হোক, বিরক্ত হয়ে ওকে প্রায় তাড়িয়ে দিলাম।”

    “ব্রজলাল চলে যাওয়ার পর ওই রানির কয়েনটা দেখেছিলেন?”

    “হ্যাঁ। তারপর বিকেল নাগাদ কলকাতা থেকে আমার ভ্রাতৃবধূ তাঁর ছেলেকে নিয়ে এলেন।”

    “তা হলে আর কেউ আসেনি।”

    সুনির্মলবাবু একটু ভেবে বলে উঠলেন, “ইয়েস, ইয়েস, দ্য পোস্টম্যান, টেলিগ্রাম। মানে, দুপুরে একজন পোেস্টম্যান একটা টেলিগ্রাম নিয়ে এসেছিল। আমার এক ভাগনি দিল্লিতে থাকে, ও এম এসসি তে ফার্স্ট ক্লাস ফাস্ট হয়েছে। খবরটা দিতে আমি বাড়ির ভেতরে বেশ তাড়াতাড়িই এলাম।”

    “তখন টেবিলে আপনার কয়েনগুলো ছড়ানো ছিল, ধারেকাছে কেউ নেই। শুধু পোস্টম্যান। ভিক্টোরিয়ার টাকাটা তুলে নিয়ে চলে যাওয়া। ইজি, ইজি।’’

    মি. মিত্র উঠে দাঁড়ালেন। সঙ্গী ভদ্রলোকও উঠলেন। মি. মিত্র বললেন, “কালকে সকাল দশটা নাগাদ থানায় আসুন।”

    দু’জনে জিপে উঠলেন। খোলা গেট দিয়ে জিপ রাস্তায় এল।

    পরদিন পৌনে দশটা নাগাদ সুনির্মলবাবু মৈনাককে নিয়ে থানায় এলেন। মি. মিত্র বসতে বললেন। তারপর বললেন, “নৈহাটি পোস্ট অফিসের সেই পোস্টম্যান এখনও অফিসে এসে পৌঁছয়নি। কী ট্রেনের গোলমাল। আমার লোক রয়েছে।”

    ঘণ্টাখানেক পরে মৈনাক জানালা দিয়ে দেখল একটা রিকশা থানার সামনে দাঁড়াল। একজন বেশ বলিষ্ঠদেহী লোক আর একজন রোগামতো লোক নামল।

    রোগামতো লোকটি মি. মিত্রের ঘরে এসে দাঁড়াল। মি. মিত্র বললেন, “আপনিই জীবনকৃষ্ণ সাহা?”

    “আজ্ঞে হ্যাঁ।”

    বোঝাই গেল, জীবনকৃষ্ণ ভয়ে কাঁপছে। মি. মিত্র বললেন, “বসুন।” সুনির্মলবাবুকে দেখিয়ে বললেন, “ইনি সুনির্মল চ্যাটার্জি। গরফায় থাকেন। আপনি কাল দুপুরে এই ভদ্রলোকের বাড়িতে একটা টেলিগ্রাম ডেলিভারি দিয়েছেন?”

    “হ্যাঁ।”

    এবার মি. মিত্র বললেন, “সুনির্মলবাবু, এই পোস্টম্যানই কি টেলিগ্রাম ডেলিভারি দিয়েছিল?”

    ‘না, অন্য লোক।” মি. মিত্র চেয়ার ছেড়ে উঠে জীবনের কাছে এলেন। জীবনের জামার কলার ধরে তুলে দাঁড় করালেন। বললেন, “জীবন, তুমি মিথ্যে কথা বলছ।”

    জীবন এবার হাতজোড় করে বলল, “সার, যা ঘটেছিল সব বলছি। আমার চাকরিটা খাবেন না।”

    “তুমি যা বলতে চাও তা শুনে সব ব্যবস্থা হবে।” মি. মিত্র গলা চড়িয়ে বলে উঠলেন, “বলো।” তারপর চেয়ারে বসলেন।

    জীবন বলতে লাগল, “কাল দুপুরে সাইকেলে চেপে একটা টেলিগ্রাম নিয়ে ডেলিভারি দিতে যাচ্ছিলাম সুনির্মলবাবুর বাড়িতে। আমি এখানে নতুন জয়েন করেছি। লোকজন, পাড়া চিনি না। এখানে এসে এক স্টলওয়ালাকে বলতে ও ছোট একটা গলি দেখিয়ে বলল, সোজা যান, দেখবেন হলুদরঙের একটা একতলা বাড়ি। দোকানে বেঞ্চিতে আধশোয়া একজন যুবক ধড়মড় করে উঠে বসল। ছুটে আমার কাছে এল। বলল, “কী বেপার? আমি টেলিগ্রামের কথা বললাম। যুবকটি বলল, ‘এ তো কোন বেপারই নয়। টেলিগ্রাম আমাকে দিন। আমি ডেলিভারি দিয়ে আসব।’ আমি মাথা নাড়লাম। দাড়ি-গোঁফওয়ালা যুবকটি বলল, ‘হামি সুনির্মলবাবুর বহিনের ছেলে। মামাজিকে একটা সারপ্রাইজ দেব।’ আমি আবার মাথা নাড়লাম। প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে যুবকটি একটা পেটমোটা মানিব্যাগ বের করল। একটা একশো টাকার নোট আমার হাতে দিল। বলল, ‘তুমার জামা আমাকে দাও। আমার কী হল। আমি রাজি হলাম। লোকটি বলল, ‘হামি এক্ষুনি আসছি।’ সামনের সেলুনে ঢুকল। কিছুক্ষণ পরে যখন বেরিয়ে এল, দেখি দাড়ি-গোঁফ কামানো। অন্য চেহারা। আমি তাকে টেলিগ্রাম দিলাম। সই করার রসিদ দিলাম। ভাবলাম, সুনির্মলবাবুর ভাগনে, কী আর হবে। যুবকটি আমার জামা গায়ে দিল। আমার সাইকেলে চড়ে চলে গেল গলিটা দিয়ে।

    “কিছুক্ষণ পরে ফিরে এল। আমার জামাটা ফিরিয়ে দিল। তারপর একটা দাঁড় করানো মোটরবাইক চালিয়ে স্টেশনের দিকে চলে গেল।”

    মি. মিত্র বললেন, “বুঝলাম।” সুনির্মলবাবুর দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনার কলিগ মি, নন্দী কলকাতায় কোথায় থাকেন?”

    “মৌলালি।” সুনির্মলবাবু বললেন, “চারের এ আচার্য তে সি বসু রোড।”

    মি. মিত্র একটা কাগজে নাম-ঠিকানাটা লিখলেন। তারপর ফোন তুলে ডায়াল করলেন। দু’-একটা কথার পর বললেন, “মাইতি, মি. নন্দীর ঠিকানাটা লিখে নাও। মি. নন্দীর ফ্ল্যাটে যাও। তাঁর পাশের ফ্ল্যাটে এক অবাঙালি ফ্যামিলি থাকেন। তাঁদের জিজ্ঞেস করে জানো ব্রজলাল তাদের কেমন আত্মীয়, সে এখন কোথায়? পেলেই লালবাজারে নিয়ে এসো।” তারপর দু’জনের আরও কিছু কথা হল। মি. মিত্র ফোন রেখে সুনির্মলবাবুকে বললেন, “কিছুক্ষণের মধ্যেই মাইতি খোঁজ করে আমাকে জানাবে। আপনারা বাড়ি যান। আমি ফোনে সব জানাব।”

    সুনির্মলবাবু মৈনাককে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন।

    তখন রাত ন’টার কাছাকাছি। ফোন বাজল ক্রিং ক্রিং। সুনির্মলবাবু প্রায় ছুটে গিয়ে ফোন ধরলেন। মি. মিত্রের সঙ্গে কী কথা হল। ফোন ছাড়ার সময় বললেন, “মি. মিত্র, আপনি আর আপনার বন্ধু মি. মাইতি, আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। ফোন রেখে সুনির্মলবাবু হেসে মৈনাকের মা আর জ্যাঠাইমার দিকে তাকালেন। বললেন, “কালপ্রিট ব্রজলাল ধরা পড়েছে। আমার ভিক্টোরিয়ার টাকাটা পাওয়া গেছে।”

    মৈনাক ছুটে এসে সুনির্মলবাবুর কোমর জড়িয়ে ধরল। ইমামবাড়ার ঘড়িতে ঢং ঢং করে বাজনা বাজল। বাজনার সঙ্গে সঙ্গে মৈনাক গুনতে লাগল, “এক-দুই-তিন—।” ন’টা পর্যন্ত গুনল।

    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০২

    অলংকরণ: নিমলেন্দু মণ্ডল

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }