Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এবং তারপর – অজেয় রায়

    মধুরা নিরুদ্দেশ – সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়

    মধুরা মিত্র, নবম শ্রেণি, বিদ্যাসুন্দরী হাই স্কুল, হুগলি। কম্পিউটারে তৈরি করা কাগজটা ব্যাগ থেকে বার করে উলটেপালটে দেখছিলেন মায়াদি। এটা তা হলে মধুরার ব্যাগ। নাম, স্কুলের ঠিকানা সেই কথাই বলছে। ব্যাগ দিতে আসা ছেলেটিকে চেয়ারে বসিয়ে রেখে মধুরার বাড়িতে ফোন করলেন তিনি।

    স্কুলে এখন টেন, টুয়েলভের টেস্ট চলছে। সাড়ে চারটের পরে তাঁরা কয়েকজন খাতা গুছিয়ে ঘরে তালা দিয়ে বেরোবার ব্যবস্থা করছিলেন। আর একটু পরে এলেই ছেলেটি তাঁদের পেত না। তাঁরাও ছেলেটিকে ধরতে পারতেন না।

    ব্যাগটা কোথায় পেলে ? পুরনো প্রশ্নটাই আবার করছিলেন প্রতিমাদি, চুল উসকোখুসকো জামায় তালি লাগানো নেহাতই সাধারণ চেহারার ছেলেটি চায়ের দোকানে কাজ করে। বারবার নানারকম জেরার উত্তর দিতে দিতে হাঁফিয়ে উঠছিল।

    “নদীর ধারে যে ডাস্টবিনটা আছে, আমাদের দোকানের সব ময়লা তো ওখানেই ফেলতে যাই। ওটার পাশে দেখি দু’-একটা কুকুর ব্যাগটা নিয়ে টানাটানি করছে। ভিতরে টিফিন কৌটোয় খাবার ছিল, গন্ধ পেয়েছে মনে হয়। ঢিল মেরে কুকুর দুটোকে তাড়িয়ে দিলাম। তারপর আপনাদের স্কুলের নাম দেখে এখানে নিয়ে এসেছি।”

    “তুমি পড়তে পারো ?”

    মাথা চুলকোয় ছেলেটা। “নাইন অবধি পড়েছি। তারপর বাবা মরে গেল। মা, ভাইবোনেরা সব না খেয়ে থাকবে…। তা দু’বছর হল কাজে লেগেছি। এবার আমি যাই, ব্যাগটা আপনাদের দিয়ে, দোকানের বাজার করতে হবে।”

    “এক্ষুনি তো যাওয়া চলবে না।” গম্ভীর গলায় কথাগুলো বলতে বলতে ঘরে ঢোকেন স্কুলের সেক্রেটারি নীলমাধব রায়। মধুরার পাড়ার লোক। ছেলেটির দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে বলেন, “এই মেয়েটি হারিয়ে গেছে দু’দিন হল। ওর সম্বন্ধে খবর পেলেই থানায় জানানো হচ্ছে। থানা থেকে বড়বাবু মধুরার বাবাকে নিয়ে এলেন বলে।”

    রোদে পুড়ে ছেলেটার মুখ শুকিয়ে গিয়েছে। “আমি তো কিছু জানি না। শুধু ব্যাগটা পেয়ে নামটা দেখে…।”

    “জানো না যে, তাই ওদের বলবে। ভয়ের কিছু নেই। আমরা তো আছি।”

    নীলমাধববাবুর কথা শেষ হলে নিরুপায় ভঙ্গিতে বেচারি চেয়ারে হেলান দেয়। ঘরের অন্য মানুষগুলো চুপচাপ বসে আছে। গত দু’দিন মধুরা নিরুদ্দেশ। ঝড় বয়ে যাচ্ছে স্কুলের উপর দিয়ে। স্কুলে টেস্ট চলছে। টেন, টুয়েলভের এটাই শেষ পরীক্ষা। দুটো হাফে পরীক্ষার মাঝে, টিফিন ব্রেকের সময় নাইন আর এইটকে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। ছুটিটা আগের দিনই নোটিস করা হয়। হাফ-ইয়ারলি, গার্জেন-টিচার মিটিং, অনেকগুলো ঘর লাগবে। মেয়েরা যেমন যায় তেমনই চলে গিয়েছে। চারটের পরে মধুরার গার্জেন এসে হাজির। দুটোর সময় মধুরা বাড়ি না গিয়ে গেল কোথায় ? বেশ বুদ্ধিমতী ঠান্ডা স্বভাবের মেয়ে। এদিক-ওদিক আড্ডা মারবে না যে দেরি হলেও নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। তবু মায়াদি বলেছিলেন, একটু দেখুন, হয়তো কোনও বন্ধুর বাড়ি গিয়েছে।

    না, পাওয়া গেল না কোথাও। হাসপাতাল, নার্সিংহোম সব জায়গায় খোঁজ করা হয়েছে। গেল কোথায় ? জলজ্যান্ত মেয়েটা। উবে যেতে পারে না। যদি বা একটা খবর এল, কাজের কাজ কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে না। স্কুলের মাঠে স্কুটারের আওয়াজ। বড়বাবুকে নিয়ে মধুরার বাবা এসেছেন, টিচারদের ফাঁকা কমনরুমে সবাইকে বসান বড়দি, ছেলেটাকে মেন্টাল সাপোর্ট দিতে হবে, মনে মনে ভাবেন তিনি, ভাল কাজ করতে এসে থানায় গেলে ওর ভবিষ্যৎ ঝরঝরে। সেটা তো তিনি হতে দিতে পারেন না। বড়বাবু ঢোকেন, সঙ্গে মধুরার বাবা, আধময়লা জামাকাপড় মুখে ভরতি দাড়ি, হতেই পারে, পুরো আড়াই দিন মেয়েটার খোঁজ নেই।

    বড়বাবু চেয়ারে বসা ছেলেটির মুখোমুখি আর একটা চেয়ারে চেপে বসেন। তরপর ছেলেটাকে ফের সেই পুরনো প্রশ্ন করেন। “আচ্ছা এবার বল তো, ব্যাগটা ঠিক কোথায় পেলি ?”

    একটা ঝকঝকে ঘরের ধবধবে বিছানায় শুয়ে আছে মধুরা। না শুয়ে বইও পড়তে পারত। ঘরে তাকভরতি অনেক বই। টিভি নেই। এই একটা ব্যাপারই ওকে হতাশ করেছে। বাইরের পৃথিবীর কোনও খবরই পাওয়া যাবে না। কোনও কিছু যে থাকবে না তা জানাই আছে। চোখ রগড়ে আবার চারদিকে তাকায় মধুরা, অন্য বিছানাগুলোতে তিনটি অচেনা মেয়ে অঘোরে ঘুমোচ্ছে। ওরাও কি ওর সঙ্গেই এসেছে ?

    ঘরের লাগোয়া বাথরুমে যাবে বলে উঠে দাঁড়ায়। মাথাটা হঠাৎ টলে যায়। ওকে কি ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল ? তাই হবে। না হলে শুধু শুধু এত মাথা টলবে কেন ? সম্ভবত চারপাশের মেয়েগুলোকেও ওষুধ দেওয়া হয়েছে। এতটুকু নড়াচড়া নেই।

    বাথরুমে গিয়ে মুখেচোখে বেশ করে জলের ঝাপটা দেয়। ঘুম অনেকটাই কেটেছে। ঘুমের ঠিক আগের অবস্থাটা কিছুতেই খেয়ালে আসছে না। এই ঘরটাও একেবারে নতুন ওর কাছে। তা হলে কি ঘুমন্ত অবস্থাতেই এখানে এসেছে ?

    না, তা তো নয়। পরিষ্কার মনে আছে টিফিনে ছুটি হয়ে যেতে স্কুল থেকে বেরিয়েছিল। স্কুলের সামনের ‘ছাত্রবন্ধু’ দোকান থেকে খাতা কিনেছে। পেনের রিফিল পালটেছে। দোকানে ভিড় ছিল। পনেরো মিনিট বাদে বেরিয়ে দেখে রাস্তা প্রায় ফাঁকা। গেটের সামনে দারোয়ানজি দাঁড়িয়ে। আর কেউ নেই কোথাও।

    স্কুল থেকে বাড়ির হাঁটা দূরত্ব মিনিট কুড়ির। একা থাকলে অন্যদিন রিকশায় যায়। শীতকাল তাই হাঁটার ইচ্ছা হয়েছিল। জি. টি রোড-এর পাশের ফুটপাতে কাচের কাপডিশ, ফুল, রঙিন ফিতে, ক্লিপের দোকানগুলো তখন বন্ধ। প্রায় দুটো বাজে। রিকশাওয়ালারা এই সময় খেতে যায়।

    গাড়িটা খুব আস্তে এসেছিল। কোনওরকম আওয়াজ ওর কানে যায়নি, অথবা ও-ই অন্যমনস্ক ছিল। গাড়ি পাশে দাঁড় করিয়ে বিনোদবিহারী লেনে কীভাবে যাবেন জিজ্ঞেস করছিলেন এক ভদ্রলোক। তারপর ঝপ করে মুখে কিছু একটা চাপা পড়ে, পরের ঘটনা আর মনে নেই।

    দুইয়ে দুইয়ে চার করলে বাকিটা সহজেই অনুমান করা যায়। এই ধপধপে বিছানা আর মোটরগাড়ির মধ্যের ফাঁকটার কোনও স্মৃতি ওর নেই। তবে নিশ্চয়ই ও অজ্ঞান ছিল। না হলে যারা ওকে নিয়ে এসেছে এত সহজে তারা ছাড়া পেত না। ক্যারাটেতে স্কুলেই হলুদ বেল্ট পেয়েছিল। তারপরে ও ভরতি হয়ে শিখেছে। খুব একটা খারাপ ছাত্রী ছিল না। কিছুক্ষণ অন্তত যুঝতে পারত।

    ওসব আপাতত মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিল মধুরা। চারপাশে যারা শুয়ে আছে সবাই ওরই বয়সি। ওরা না জাগা অবধি অন্য ব্যাপারগুলো দেখা যাক। দরজাটা ভাল করে টেনে দেখল বন্ধ আছে। জানলাগুলো ভিতরের দিকে, টানা বারান্দার দেওয়াল, দেখা যায় পরদা সরালে। বাইরের দিকে কোনও জানলা নেই, বাথরুমের জানলার গ্রিল অনেক উঁচুতে। পালানোর কোনও সুযোগ নেই। বিছানায় বসে বসে ভাবছিল কী করা যায়। ঠিক সেই সময়েই দরজার চাবি খোলার আওয়াজ পাওয়া গেল। আর ও ঝপ করে বিছানায় গড়িয়ে দিল শরীর, একটা হাত চোখের উপর আড়াআড়ি রাখা, দেখলে মনে হবে অঘোরে ঘুমোচ্ছে বুঝি।

    ঘরে ঢুকেছে দু’জন। দু’জনেই পুরুষমানুষ। গলার আওয়াজ শুনতে শুনতেই মধুরার মনে হল অন্য বিছানাগুলোর দিকে ওরা এগিয়েছে। হাতের আড়াল থেকে ওদের অনায়াসে দেখা যায়।

    একজনের লম্বা পেটা চেহারা, চুল বা চেহারার গড়ন দেখে মনে হয় বয়স ত্রিশ ছাড়ায়নি। আর একজন পঞ্চাশ বা ষাটের কোঠায়। বেশ ভারিক্কি গলার আওয়াজ। কমবয়সি লোকটা ওর কথা মন দিয়ে শুনছে। মনে হয় ও-ই সবকিছু ঠিক করে থাকে। নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল ওরা।

    “ব্যবস্থা হয়ে গেছে ?”

    “চলছে। টিকিট কাটা হয়েছে।”

    “নামগুলো ঠিকঠাক ?”

    “হ্যাঁ। ও নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না।”

    “বাঃ। এরই মধ্যে ভুলে গেলে গতবছর তো ওই নিয়েই কেলেঙ্কারি হল। পাশপোর্ট রেডি ?”

    “না। ওটার ব্যাপারে কথা হয়েছে। টাকাও দিয়েছি ঠিক জায়গায়, মনে হয়, হয়ে যাবে।”

    “মনে হয় মানে ? হতেই হবে।”

    “অন্যদিকগুলোর খবর রাখেন ? পুলিশ তোলপাড় করছে, বাজার বেশ গরম। আজকের বেশিরভাগ কাগজই কভার করেছে, এ-সময়ে ঠিকমতো গা-ঢাকা না দিতে পারলে…।”

    “কী হবে ? আর তো ক’টা দিন। অপারেশন সাকসেসফুল হলে এখানে আর ফিরছি না।”

    চোখ বন্ধ অবস্থাতেই মধুরা বুঝতে পারল লোকদুটো ঝুঁকে তাকে দেখছে। যতদূর সম্ভব স্থির হয়ে পড়ে রইল সে। খুব ভয় করছিল, ভেতরের উত্তেজনা না বাইরে বেরিয়ে আসে।

    ওরা চলে যাওয়ার পরও বেশ খানিকক্ষণ চুপচাপ চোখ বুজেই শুয়ে ছিল সে। দরজা লক হয়ে যাওয়ার পর সেই ঘরে শুধু ঘড়ির টিকটিক। মনটা খুব খারাপ লাগছিল। মা’র মুখ, বাবার মুখ মনে পড়ছিল। প্রতিদিন দাদির কাছেই শোয়, সেদিনও দাদি বলেছিলেন, শোনো দিদিভাই, বড় হচ্ছ। রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করবে। কতরকম দুষ্টু লোকজন থাকে।

    দাদির কথায় খুব হেসেছিল। তুমি এমন বলো-না। আমি যেন ছোট বাচ্চা, কেউ তুলে নিয়ে চলে যাবে, অবশেষে দাদির কথাই সত্যি হল।

    চোখ বুজে থাকতে থাকতেই একটু অন্যমনস্ক হয়ে গেছিল। চটকা ভেঙে গেল দরজার আওয়াজে। টয়লেটের দরজা খুলছে একটি মেয়ে। আর একটি মেয়েও ওই আওয়াজে বিছানার উপর উঠে বসেছে। শুধু অঘোরে ঘুমোচ্ছে একজন। ওর ডোজটা হয়তো বেশি হয়ে গিয়েছে।

    মধুরা চোখ খুলতেই ওদের সঙ্গে চোখাচোখি, মুখে কোনও কথা না বলেই বাকি দু’জন এসে চুপচাপ বসে গেল ওর বিছানায়। মধুরার মনে হল প্রবলেমটা তাকেই সলভ করতে হবে। ওরা খুব নার্ভাস প্রকৃতির। ফরসা মেয়েটি কথা শুরু করে। “আমার নাম মৌসুমী, নৈহাটিতে থাকি।” ঘুমিয়ে থাকা মেয়েটিকে দেখিয়ে ও বলে, “ওকে বোধহয় সবার শেষে এনেছে। এখনও ঘুম ভাঙেনি।” অন্য মেয়েটির বিষন্ন ভাব মুখেচোখে ফুটে উঠেছে। কোনওরকমে উচ্চারণ করে, “আমি শতরূপা। শ্রীরামপুরের মাহেশের কাছে আমার বাড়ি।”

    মধুরার দিকে দু’জনেই তাকিয়ে, ও হাসে। “আমি মধুরা, হুগলির…।”

    আর কোনও কথা শুরু করার আগেই দরজার চাবি খোলার শব্দ। ঘরে ঢুকেছে একজন আধবুড়ো লোক, তার হাতে একটা বড় ট্রেতে ধোঁয়া ওঠা খাবার, চাউমিন আর চিলি চিকেন।

    মৌসুমীদের মুখ শুকনো, খাবে কি খাবে না ভাবছে। মধুরাই প্রথম হাত বাড়াল। ওকে দেখেই কথা না বাড়িয়ে খাওয়া শুরু করল ওরা। খাওয়া শেষ হলে লোকটা ফাঁকা প্লেট নিয়ে চলে গেল। দরজা বাইরে থেকেই লক হল আবার। আশ্চর্য ! আর-একজন তখনও জাগেনি।

    মোটামুটি আলোচনায় বোঝা গেল ওদের তিনজনকেই প্রায় একই পদ্ধতিতে ধরা হয়েছে। মধুরা ছাড়া এরা কেউই জানে না এদের উদ্দেশ্য কী। সবটা খুলে বললে আরও ঘাবড়ে যাবে, তাই ওদের সম্ভাব্য বিদেশযাত্রার ব্যাপারটা বেমালুম চেপে গেল মধুরা। কিছুক্ষণ বাদেই ওই মেয়েটিরও ঘুম ভাঙল।

    ঘুমন্ত মেয়েটি উঠে বসতেই আবার খাবার এল। মধুরা এবার নিশ্চিন্ত হল, এ ঘরে কোথাও ক্যামেরা লাগানো আছে ? অন্য ঘরে বসে ওদের গতিবিধি সবই জেনে নিচ্ছে ওরা। দরজা লক হতেই সবার অনুমতি নিয়ে আলো নিভিয়ে দিল ও। তবে সে আর কতক্ষণ। দিনের আলো ফুটলে তো আর কোনও কিছুই আড়াল করা যাবে না।

    নতুন মেয়েটির নাম মৌ। এসেছে উত্তরপাড়া থেকে। সবাইকে ফিসফিস করে একটা কথাই বলল মধুরা, “তোমরা বুঝেছ নিশ্চয়ই আমরা ভয়ংকর বিপদে পড়েছি। তবে ওই গানটা মনে আছে তো ? বিপদে আমি না যেন করি ভয়।”

    মধুরাদের ছবি বড় বড় করে ছাপা হয়েছে কাগজে। একই দিনে কাছাকাছি চারটি শহরের স্কুলপড়ুয়া চারজন মেয়ে নিখোঁজ। এ তো আর ভোজবাজি নয়। প্রচুর বকুনি খেয়ে পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে, তবু সুরাহা কিছুই হচ্ছে না।

    এসব খবর মধুরারা জানে না। ওদের এক সপ্তাহের বন্দিজীবনে নতুন কোনও ঘটনা ঘটেনি। সেই একই ঘরে আছে। হঠাৎ ওদের তৎপরতা বেড়ে গেল। নতুন নতুন লোক ঘরে আসছে-যাচ্ছে। মধুরা বুঝল, এবার যাওয়ার দিন ঘনিয়ে আসছে।

    এতদিন খাওয়ার শোওয়ার কোনও অস্বাচ্ছন্দ্য রাখেনি ওরা। এমনকী পরার জন্যও দু’সেট জামাকাপড় দিয়েছে। চুল আঁচড়াবার আয়না-চিরুনি, গায়ে মাখার সাবান, পাউডার, দাঁত মাজার পেস্ট-ব্রাশ, একদম হোটেলের ব্যবস্থা।

    আগে খেতে দেবার লোকটি ছাড়া নিয়মিত ঘরে আর কেউ আসছিল না। ও-ই ছাড়া জামাকাপড় নিয়ে যেত। সেদিন রাতে অন্য একজন এসে তাদের লাইন করে দাঁড় করিয়ে হাইট মেপে নিল। মনে হয় বিশেষ কিছু পোশাকআশাক তৈরি হবে। যাবার সময় বলে গেল কোনও কারণেই ঘরের আলো নেভাবে না। ঘরের কোথায় যে টিভির ক্যামেরা লাগানো আছে, মধুরা আবিষ্কার করে উঠতে পারেনি। যদিও নিশ্চিতভাবেই বুঝেছে শুধু ছবি নয় ওদের কথাবার্তাও যাতে পৌঁছে যায় সে ব্যবস্থা আছে।

    আলো নেভানোর উপায় নেই। ফলে সাধারণ গল্পগুজব ছাড়া কোনও কথাই হচ্ছে না। পালাবার প্ল্যানিং বন্ধ।

    মধুরা ভাবছিল যা করার তা পথেই করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না।

    গাড়ির মধ্যে বসেছিল ওরা। সিস্টার রোজি, সিস্টার মেরি, সিস্টার লারা আর সিস্টার রীনা, ওদের সঙ্গে আরও একজন ফাদার আর সিস্টার আছেন। বেরোবার আগে প্রথমদিনের চোখ বুজে থাকা অবস্থায় দেখা ভদ্রলোক এসেছিলেন ওদের ঘরে। উনি বলেছিলেন খুব সংক্ষেপে তবে তার কথা বুঝতে ওদের একটুও অসুবিধে হয়নি।

    “শোনো মেয়েরা, এক্ষুনি একজন মেকআপম্যান আসবেন। তিনি তোমাদের পোশাক পরতে সাহায্য করবেন। তোমাদের হাবভাব যেন নর্মাল থাকে। সঙ্গে আরও দু’জন যাচ্ছেন। তা ছাড়াও সামনে পেছনে আমাদের পাহারা আছেই। এতটুকু এদিক-ওদিক দেখলে গুলি ছুড়তে দেরি হবে না। কথাটা বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই।”

    ওরা ঘাড় নেড়েছিল। “গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার পর আমাদের ছুটি। তার আগে সারা রাস্তা তোমরা মুখ বন্ধ রাখবে।”

    “আমরা কোথায় যাচ্ছি।” জিজ্ঞেস করেছিল মৌ। মেয়েটার বয়স বেশি নয়, সেভেনে পড়ে। “আমি জানি না,” ভদ্রলোক যথারীতি গম্ভীর।

    দু’দিন ধরেই মেয়েটা মুষড়ে আছে, কিছুই খাচ্ছে না। এবার চিৎকার করে ছুটে গেল ভদ্রলোকের দিকে। ওঁর জামা চেপে ধরেছে। “দয়া করে আমাদের ছেড়ে দিন। প্লিজ, একটু দয়া করুন। আমরা কাউকে কিছু বলব না।”

    মৌসুমী আর শতরূপা মুখে হাত চাপা দিয়ে কাঁদছে। খালি মধুরার চোখ রাগে জ্বলছে। ভাবছিল ক্যারাটের এক প্যাঁচে শয়তানটাকে শায়েস্তা করা যায়, কিন্তু লাভ কী তাতে ?

    ভদ্রলোক কিছু না বলে মৌয়ের হাত থেকে জামা ছাড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। দরজা আবার বন্ধ হয়ে গেল।

    দেওয়ালে নখের আঁচড় কেটে দিনের হিসাব রাখছিল মধুরা, জ্ঞান আসার পর, দিনদশেক কেটেছে। ওরা ওদের গন্তব্যে চলেছে।

    যাওয়ার ঠিক আগেই প্রতিদিনের মতো দুধের গ্লাসের ট্রে নিয়ে এসেছিল বুড়ো মতন লোকটা, তখন ওদের সিস্টারের পোশাকে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুড়ো কোনওদিন কথা বলে না। কেন যে হঠাৎ বলে উঠল, “দুধ আর বিস্কুট খেয়ে নিন। অনেক দূর যেতে হবে।”

    কী মনে হতে দুধের গ্লাস হাতে বিষম লাগার ভান করে বাথরুমে ঢুকে পুরো দুধটাই বেসিনে ফেলে দিয়েছিল ও। তারপর বেসিন থেকে জল নিয়ে চুমুক দিয়ে খাওয়ার ভান করেছে।

    গাড়িতে যেতে যেতে দেখছিল শতরূপা, মৌ, মৌসুমী সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। অথচ ওর চোখে ঘুম নেই। মিছিমিছি চোখ বুজে বসে ছিল, এরকম উদ্বিগ্ন অবস্থায় ওদেরও ঘুমনোর কথা নয়। নিশ্চয়ই ওষুধের রি-অ্যাকশান।

    রাস্তায় গাড়িটা একবার থেমে গেল। ফাদার ড্রাইভারকে বললেন, “এনি প্রবলেম ?”

    “হ্যাঁ দেখছি।” ড্রাইভার নামল গাড়ি থেকে।

    মধুরা চোখ খোলেনি, এমনকী যখন গাড়ি ঠেলার জন্য অনেক লোকজন হাজির হল তখনও চুপচাপ ছিল। ফাঁকা রাস্তায় সুযোগ নেওয়াটা ওর যুক্তিযুক্ত মনে হয়নি।

    এয়ারপোর্টে রিপোটিং-এর পর থতমত খেয়ে গেল ওরা সকলেই। ভয় পেলেও কাঁদা চলবে না। মৌয়ের মুখ থমথম করছে, বেশ বোঝা যায় কোনওরকমে কান্না আটকাচ্ছে। চারপাশে সুসজ্জিত মানুষের ভিড়। আধুনিক সব যন্ত্রপাতি। লাউঞ্জের সোফায় বসে সবদিকেই নজর যাচ্ছিল ওর। যদিও শতরূপাদের ঝিমুনির সঙ্গে তাল রেখে মধুরা নিজেও ঢুলছে, তবু নজর এড়ায়নি সোফার আশপাশে বেশ কিছু মানুষ হাতে কাগজ বা ম্যাগাজিন নিয়ে ওদের দিকেই তাকিয়ে আছে।

    এখানেও ক্যারাটের প্যাঁচ চলবে না। বুঝেছিল ও। এরা বেশ সংগঠিত। কোথাও কোনও ফাঁক নেই। তবু কেন জানি না মধুরার মনে হল ওকে কিছুতেই ওরা নিয়ে যেতে পারবে না। পাশেই ফাদার। কিছু দূরেই শতরূপার পাশে বসে আছেন সিস্টার। বোর্ডিং কার্ড চেক হয়ে গিয়েছে। মালপত্র ওজন হচ্ছে। রানওয়ে অবধি বাস যাবে। বাসে ওঠার ডাক এখনও আসেনি। ঢুলতে ঢুলতেই ভাবছিল মধুরা এবার আকাশে উড়বে। বাবা, মা বা আর কেউ ওদের সন্ধান পাবে না।

    বাসে ওঠার আগে মেটাল ডিটেকটারের মধ্যে দিয়ে যেতে হল ওদের সবাইকে। মধুরা লক্ষ করল ফাদার, সিস্টার দু’জনেই অবলীলাক্রমে গলে গেলেন। তার মানে কাছে কোনও রিভলভার বা ছোরাছুরি নেই। শতরূপা, মৌ, মৌসুমী, মধুরা চলেছে লাইন করে। সামনে ফাদার পেছনে সিস্টার, মধুরা ফাঁক খুঁজছে, দেখছে এদিক-ওদিক। সবাই এগিয়ে যেতে ব্যস্ত। সিস্টার এসে নিঃশব্দে পাশ ঘেঁষে দাঁড়ালেন।

    এইবার ও বুঝতে পারল, ওর দিকে বিশেষ দৃষ্টি রেখেছেন ওঁরা। প্লেনে পাশাপাশি সিট সবার। সবগুলো টিকিটই ফাদারের হাতে। তিনজনের বসার ব্যবস্থা। ফাদারের পাশে শতরূপা, মৌ। পরের সারিতে সিস্টার, ও আর মৌসুমী। এ ছাড়া প্লেনের ভেতর ওদের আর কোনও লোকজন আছে কি না ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।

    বিরাট গর্জন করে চাকা গড়াতে শুরু করল। প্লেন এবার ছুটছে। দূরের ঘরবাড়ি ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। প্লেন উড়তে শুরু করতেই খুব গা গুলিয়ে উঠল মধুরার। একহাতে মুখ চেপে টয়লেটের দিকে ছুটল। পিছনে সিস্টার। বাথরুমে ঢোকার আগেই এয়ার হোস্টেস এসে গিয়েছেন। যত্ন করে ওকে ধরে ঢুকিয়ে দিতে দিতে সিস্টারকে ফিরে যেতে বললেন উনি।

    বম্বে এয়ারপোর্টে নামার পর মুখ বুজে চলছিল ওরা চারজন। কেবল উত্তেজনায় ফুটছিল মধুরা। এখান থেকেই আসল উড়ান শুরু হবে ওদের। এতগুলো দিন কেটে গেল। শেষপর্যন্ত মুক্তি ঘটল না।

    গেটের মুখেই এবারও গাড়ি তৈরি। মৌসুমী ফিসফিস করে বলল মধুরাকে, “তোমার উপর ভরসা ছিল।” জবাবে ঠোঁট উলটে নিরুপায়ের ভঙ্গি করে ও।

    বড় বড় বাড়িগুলোর পাশ দিয়ে গাড়ি চলছে। হাঁ করে শহর দেখার কথা। চওড়া রাস্তা, বিশাল বিশাল বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং। কিন্তু গাড়ির মধ্যে নকল সিস্টারেরা মুখ নিচু করে বসে আছে। চারপাশে দেখার কোনও উৎসাহই নেই।

    গাড়িটা সাদা একটা দোতলা বাড়ির কম্পাউন্ডে ঢুকল। সামনে সুন্দর বাগান। নুড়ি পাথরের পথ। গাড়ি থেকে নেমে মৌয়ের হাত ধরে এগোচ্ছেন ফাদার। দারোয়ান পেছনের গেট বন্ধ করতে যাবে, হঠাৎ হুড়মুড় করে হর্ন বাজিয়ে চারটে জিপ ঢুকে পড়ল ভেতরে। জিপগুলো থেকে বেশ কিছু পুলিশ নেমেই ঘিরে ফেলল ওদের। ফাদার চট করে সরে যাবার চেষ্টা করতেই ক্যারাটের প্যাঁচে ওকে ধরাশায়ী করল মধুরা।

    কিছুক্ষণ বাদে পুলিশের জিপে বাড়ি ফিরছিল ওরা। হাসি হাসি মুখে মৌসুমী জিজ্ঞেস করে মধুরাকে, “বমিটা তা হলে তোমার সত্যি সত্যি পায়নি।”

    মধুরাও হাসে। “একেবারে পায়নি তা নয় তবে একটু পাওয়াটাকে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াটাই নাটক। বাথরুমের কাছে এয়ারহোস্টেসের দাঁড়িয়ে থাকাটা আগেই লক্ষ করেছিলাম, একটা চান্স নিয়ে নিলাম। ভদ্রমহিলা বুদ্ধিমতী, সবকিছু সুন্দর ম্যানেজ করেছেন।”

    সামনে বসে থাকা পুলিশ অফিসার এবার ঘাড় ঘুরিয়ে হাসেন। “কে বেশি বুদ্ধিমতী, তা নিয়ে তর্ক করছি না। তবে এ বছরের সাহসিকতার প্রেসিডেন্ট মেডেলের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে তোমার নামটাই নমিনেশান পাবে।”

    ২ জুলাই ২০০৩

    অলংকরণ: ওঙ্কারনাথ ভট্টাচার্য

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }