Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলৌকিক ও রোমাঞ্চ সমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    অসম্পূর্ণ বই এক পাতা গল্প585 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বটুকবাবুর ছুরি – অজেয় রায়

    চোরাবাজার থেকে বেরিয়ে হ্যারিসন রোডে এসে দাঁড়ালেন বটুকবাবু। মাঝে মাঝে অফিস-ফেরতা তিনি এই বাজারে এসে ঢুঁ মেরে যান। এখানে বেশির ভাগই সেকেন্ড-হ্যান্ড জিনিস, কাজেই নতুনের চেয়ে দাম কম। অনেক সময় রীতিমতো সস্তাই মেলে। বটুকবাবু চোরাবাজারে এসে টুকিটাকি জিনিস দেখেন। কেনাকাটি করেন কদাচিৎ, তবে দাম-টামগুলো ধারণা করে রাখেন। ভবিষ্যতে সুবিধে হলে কেনা যাবে!

    আজ কিন্তু সত্যি একটা জিনিস কেনার ইচ্ছে ছিল। একটা ছুরি। একখানা ছুরি ছিল তাঁর; বহু বছর ব্যবহারে ক্ষীণ হয়ে গতকাল সেটি একখণ্ড শক্ত পিচবোর্ড কাটতে গিয়ে দেহরক্ষা করেছে। একেবারে মাঝখান থেকে দু-আধখানা।

    কয়েকটা ছুরি দরদস্তুর করলেন বটুকবাবু; কিন্তু কেনা হয়ে উঠল না শেষপর্যন্ত। যেটা পছন্দ হল, দামে পোষাল না। আর কম দামি জিনিস যা দেখলেন তা মনে হল টিকবে না বেশিদিন।

    বড়োরাস্তার ফুটপাথ বেয়ে বটুকবাবু অল্প কিছুদূর এগিয়েছেন এমন সময় কে একজন খাটো গলায় তাঁর খুব কাছ থেকে ডেকে বলল, ‘ছুরি নেবেন স্যার? ভালো ছুরি আছে।’

    বটুকবাবু চমকে তাকালেন।

    বছর ষোলো-সতেরোর একটা ছেলে। পরনে নীল রঙের হাল-ফ্যাসানি ফুলপ্যান্ট এবং চকরা-বকরা হাওয়াই শার্ট। শার্টের অর্ধেক বোতাম খোলা। পায়ে রবারের চপ্পল, চুলে বাহারের টেরি। শীর্ণ মুখে পানের ছোপ ধরা একসারি এবড়োখেবড়ো দাঁত বের করে ধূর্ত হাসল ছেলেটা।

    একদম বখাটে টাইপ। ছোকরা পকেটমার গোছের কিছু হওয়া আশ্চর্য নয়। বটুকবাবু আড়ষ্ট হয়ে থতমত খেয়ে আওড়ালেন, ‘হ্যাঁ মানে ছুরি… একটা… আছে ছুরি?

    ছেলেটা আরও কাছে ঘেঁষে এল। সে দুহাত জোড়া করে বটুকবাবুর বুকের কাছে তুলল এবং প্রায় ম্যাজিকের মতো তার হাতের চেটোর মধ্যে আবির্ভূত হল একখানা ছুরি। সে তার দেহ নিয়ে ছুরিটা আড়াল করে দাঁড়াল, যাতে চলমান পথচারীর কৌতূহলী দৃষ্টি সেটা সহজে না দেখতে পায়! তারপর নীচু গলায় বলল, ‘দারুণ চাকু স্যার। দেখুন—’

    ছুরিখানা একনজরে দেখেই বটুকবাবুর ধারণা হল— চমৎকার জিনিস। অন্তত ছয় ইঞ্চির বেশি লম্বা ফলাটা চকচকে করছে। পিতলের চওড়া হাতল। এ বস্তুর ঢের দাম তবু জিজ্ঞেস করলে, ‘কত?’

    —‘দশ টাকা।’

    ছেলেটা ইতিমধ্যে মুঠোর ভিতর দিয়ে ছুরি লুকিয়ে ফেলেছে। কেমন সন্ত্রস্তভাবে ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক-সেদিক চাইছে।

    দশ টাকা দেওয়ায় সংগতি নেই বটুকবাবুর, কিন্তু এ ছুরির দাম ওর চেয়ে খুব কমবে বলে মনে হয় না। তিনি মাথা নেড়ে বললেন, ‘নাঃ, থাক।’

    —‘কত দেবেন?’ অধীর কণ্ঠে প্রশ্ন করল ছেলেটা। যেন তার ভারি গরজ, ছুরিখানা বিদায় করতে পারলে সে বাঁচে।

    বটুকবাবু দুম করে বলে বসলেন, ‘দুই।’

    ছেলেটা হাঁ হয়ে গেল। বলল, ‘সে কী? জিনিসটা দেখুন, বাজারে কী দাম হবে জানেন?’

    —‘না ভাই, পারব না।’

    ছেলেটা হতাশভাবে বলল, ‘আচ্ছা আর দু-টাকা দিন।’

    —‘আর একটা টাকা দিতে পারি। তার বেশি নয়।’

    —‘তাই দিন।’

    বটুকবাবু পকেট থেকে তিনটে টাকা বের করামাত্র ছেলেটা ছোঁ মেরে নিয়ে তাঁর হাতে ছুরিটা গুঁজে দিল।

    বটুকবাবু কেমন দ্বিধায় পড়লেন। এত সস্তায় দিয়ে দিল— জিনিসটা সত্যি ভালো তো? না ভুল করলাম? আমতা আমতা করে বললেন, ‘ছুরিটা ভালো হবে তো? বেশ কাটা-টাটা যাবে তো? টিকবে তো?’

    ছেলেটি যাবার জন্য মুখ ঘুরিয়েছিল, এবার সে ফিরে দাঁড়াল। তার মুখে বাঁকা হাসি। সে চাপা স্বরে বলল, ‘জরুর কাটা যাবে স্যার। কার হাতের চাকু জানেন?’

    কথাটা বলে সে এক বিচিত্র ভঙ্গি করল এবং পরক্ষণেই ঘুরে দ্রুত মিলিয়ে গেল ভিড়ের মাঝে

    বটুকবাবু কয়েক মুহূর্ত হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। কী বোঝাতে চাইল ছেলেটা? যাকগে ভেবে লাভ নেই। ছুরিখানা পকেটে ফেলে তিনি তাড়াতাড়ি চলতে শুরু করলেন।

    অনেকখানি হেঁটে খানিক বাসে চড়ে, অবশেষে বটুকবাবু যখন কালীঘাটে তাঁর বাসায় পৌঁছলেন তখন সন্ধ্যা নেমেছে।

    একটা প্রকাণ্ড পুরানো আমলের ইট-বের-করা বাড়ি। একগাদা ভাড়াটে, পায়রার খোপের মতো টুকরো টুকরো অংশ নিয়ে আছে। নীচের তলায় একটা দরজায় তালা খুলে ভিতরে ঢুকলেন বটুকবাবু। সুইচ টিপতে একটা কম পাওয়ারের বালব জ্বলে উঠল।

    খুপরি ঘর। দেয়াল ও ছাদের জায়গায় জায়গায় পলস্তরা খসে পড়েছে। ঘরে একখানা তক্তপোশ, একটা টেবিল, একটা টুল ও একটি আলনা, ব্যাস শুধু এই আসবাব। বেশি কিছুর জায়গাও নেই। ঘরের কোণে ট্রাঙ্ক ও বাক্স, আর কয়েকটি বাসনপত্র।

    শ্রীযুক্ত বটকৃষ্ণ দাস ওরফে বটুকবাবু একা থাকেন। বছর পঁয়তাল্লিশ বয়স। বিয়ে থা করেননি, কিন্তু দায়দায়িত্ব আছে। মেদিনীপুর জেলার গ্রামে তাঁর দেশের বাড়িতে থাকেন বিধবা দিদি তিন ছেলে মেয়ে নিয়ে। তাদের ভার বটুকবাবুর, মাসে মাসে টাকা পাঠাতে হয়। বৌবাজারে এক সওদাগরি অফিসে সামান্য মাইনের চাকরি করেন তিনি, গোবেচারি ভালোমানুষ লোক, কারো সাতে পাঁচে নেই। গোলমাল হাঙ্গামা দেখলে সভয়ে এড়িয়ে চলেন। অফিস করে ফিরে সোজা নিজের কুঠুরিতে ঢোকেন। পারতপক্ষে বের হন না।

    তবে মাঝে মাঝে অফিস থেকে বাসায় ফিরতে দেরি হয়। বটুকবাবু বই বাঁধাইয়ের কাজ জানেন। অফিসের ফেরত কোনো কোনো দিন চলে যান এক দপ্তরির কাছে। সেখানে বই বাঁধাই করেন। কোনোদিন তাঁর সাহায্য দরকার হলে দপ্তরিই খবর পাঠায়। দুটো বাড়তি পয়সা রোজগার হয়। অবসর সময়ে ঘরে অর্ডার নিয়ে বইখাতা বাঁধান।

    এমনি বটুকবাবুর জীবন একঘেয়ে। খুবই টেনেটুনে চালান। বেশি পয়সা খরচ করে কোনো ফুর্তি করা বা শখ মেটানোর ক্ষমতা তাঁর নেই।

    কিন্তু মানুষটি কল্পনাবিলাসী।

    বাইরে যখন সূর্য অস্ত যায়, নিজের খাটে শুয়ে শুয়ে হরেক রকম কল্পনা করেন, যা করতে সাধ হয় কিন্তু সাধ্য নেই। সুখের বিষয় এর জন্য পয়সা লাগে না। কেবল মনের রুদ্ধ দ্বারগুলি খুলে দাও। নাগালের বাইরে জগতের কত অজানা দেশ, অজানা অদেখা মানুষজন দৃশ্যকল্পনার রঙে বাস্তব হয়ে ফুটে ওঠে। কল্পনায় কত আমোদ। কত আনন্দের স্বাদ নেয় মন। প্রাণটা হালকা হয়ে যায়। রঙিন হয়ে ওঠে। দিনগত একঘেয়েমি থেকে খানিক মুক্তি পায়।

    একটি পুরনো গাইডবুক আছে বটুকবাবুর।

    ভারতের দর্শনীয় স্থানগুলির বিবরণ আছে তাতে। সময় পেলে তিনি বইখানি পড়েন। ওই অপূর্ব জায়গাগুলিতে কী ভাবে যাবেন? কী কী দেখবেন? কোথায় কোন ধর্মশালা বা হোটেলে থাকা যায়— ইত্যাদি সম্বন্ধে যা যা লেখা আছে- সব তাঁর মুখস্থ! প্রতিবার পুজোর সময় ভাবেন— এবছর আর হয়ে উঠল না। সামনের বছর সুবিধে হলে বেরিয়ে পড়ব। অন্তত একটিবার ঘুরে আসব। আবার নিভৃতে এও জানেন, সামনের বছর কেন, কোনোকালেই হয়তো তাঁর বেড়ানোর সাধ মিটবে না! এই কলকাতা শহরেই কাটাতে হবে বছরের পর বছর। বড়ো জোর দু-চার বছর অন্তর একবার কয়েকদিনের জন্য দেশে যাওয়া। ব্যাস।

    বটুকবাবুর দেশের বাড়িখানা বিশাল। অট্টালিকা বলা চলে। তবে এখন জরাজীর্ণ। বহু শরিকে ভাগ হয়ে গেছে। মাত্র দুটি পরিবার ছাড়া এখন আর কেউ থাকে না ও বাড়িতে। ঠাকুর্দার আমল অবধি বটুকবাবুদের অবস্থা ভালো ছিল। তারপর পড়ে যায়।

    দেশের বাড়িতে একটা ভারি সুন্দর মোমবাতিদান পেয়েছিলেন বটুকবাবু। ঠাকুমার সিন্দুকে ছিল। নকশাকাটা কুচকুচে কালো কাঠের স্ট্যান্ড। তার মাথায় বিলিতি কাচের ঘেরাটোপ। কলকাতায় ঘরের তাকে সাজিয়ে রেখেছেন জিনিসটি। মোমবাতিটিও লাগিয়ে রেখেছেন। তবে সে মোম জ্বালেন না কখনো। ইলেকট্রিক আলো না থাকলে বরং লন্ঠন ব্যবহার করেন।

    মোমবাতিদানটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে পূর্বপুরুষের কত বিচিত্র বিলাস, ঐশ্বর্যগরিমা কল্পনায় ভাসে। বটুকবাবু শুনেছেন, তাঁর বাবার এক ঠাকুরদা ছিলেন দুর্ধর্ষ প্রকৃতির। তিনি নাকি ডাকাতিও করতেন লুকিয়ে লুকিয়ে। ওই দুর্দান্ত পুরুষটির রক্তধারা কি আমার ধমনীতে বইছে? ভেবে তিনি রোমাঞ্চিত হন। আবার হাসিও পায়।

    বটুকবাবু একবার একটা চমৎকার সেকেন্ডহ্যান্ড ফাউন্টেন পেন কিনেছিলেন। একেবারে জলের দরে। পেনটা হাতে নিয়ে ভাবতে বসেন— কে ব্যবহার করত এই কলম? হয়তো কোনো সাহিত্যিক। কী লিখেছেন এটা দিয়ে? কেমন দেখতে ছিলেন? বরাত মন্দ! পেনটা কয়েকদিন বাদেই পিকপকেট হয়ে যায়।

    বাঁধাইয়ের জন্যে যেসব বই আসে রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার বা ঐতিহাসিক কাহিনি থাকলে বটুকবাবু তা পড়ে ফেলেন। কল্পনার খোরাক জোটে।

    বটুকবাবু বাইরের ধুতি শার্ট গেঞ্জি ছেড়ে লুঙ্গি পরলেন। হাত মুখ ধুলেন। উনুন ধরিয়ে বারান্দার কোণে রান্নাঘরে ভাত চাপালেন। তারপর শোবার ঘরেতে এসে পিচবোর্ড, কাগজ, আঠা, ছুঁচ সুতো ইত্যাদি বাঁধাইয়ের সরঞ্জাম গুছিয়ে নিয়ে মেঝেতে বসলেন। এইবার তিনি কেনা ছুরিটা হাতে নিয়ে মন দিয়ে দেখতে বসলেন।

    নাঃ, ঠকিনি। অতি উত্তম জিনিস। খুব মজবুত ইস্পাতে তৈরি। ছুরির একটা খাপ বানিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এ বস্তু যেন বটুকবাবুর হাতে মানায় না।

    ছুরিখানা কার ছিল? ছেলেটা অমনভাবে বলল কেন— কার হাতের চাকু জানেন? কে ছিল এর ভূতপূর্ব মালিক? ছুরি না বলে একে বরং ছোরা বলাই উচিত।

    ছোরা! শব্দটি উচ্চারণ করতেই এর ভূতপূর্ব মালিকের চেহারা নিয়ে একটা কল্পনা দানা বাঁধে। সে চেহারা, সে মুখ নিষ্ঠুর। যেখানে যত গুণ্ডা বা খুনি জাতীয় লোক দেখেছেন বটুকবাবু বা শুনেছেন যাদের কথা— যারা অনায়াসে ছোরা-ছুরি চালায়— তাদের মূর্তি একের পরে এক মনে ভেসে ওঠে। আর সব কজনকে মিলিয়ে মিশিয়ে একটা নৃশংস বীভৎস রূপ খাড়া করার চেষ্টা করেন।

    এ ছুরিতে কি মানুষের রক্ত লেগেছে কখনো? বোধ হয় লেগেছে। বোধহয় কেন, নিশ্চয়ই লেগেছে। হয়তো বারবার।

    মানুষের ভিতরকার আদিম পশুটা যখন লোভে উন্মত্ত হয়ে আক্রমণ করেছে অন্য মানুষকে— এই ছুরি ছিল তার হাতিয়ার। হয়তো বটুকবাবুর মতো অনেক নিরীহ লোককে আঘাত করেছে এই ছুরি। আবার হয়তো গুণ্ডাদের নিজেদের মধ্যে হানাহানির সময় তপ্ত নররক্তের স্পর্শ পেয়েছে এই শাণিত ইস্পাত ফলা!

    ভাবতে ভাবতে গরম হয়ে উঠল বটুকবাবুর শরীর। ডানহাতের পাঁচ আঙুলে শক্ত করে চেপে ধরলেন ছুরির বাঁটটা। বোধহয় এমনিভাবেই বাগিয়ে ধরা হত ছুরিখানা! আর অমনি করে— ঝুঁকে হাত চালালেন বটুকবাবু।

    খ্যাঁচ।

    সামনে একটা প্যাকিং বাক্স ছিল। শিশি বোতল কৌটো কাঠের টুকরো- এমনি টুকিটাকিতে ঠাসা। বটুকবাবুর ছুরি বাক্সের পাতলা কাঠের গায়ে আমূল বিঁধে গেল। ফের হ্যাঁচকা টানে খুলে এল ছুরি।

    বাঃ। নিজের তৎপরতায় অবাক হয়ে গেলেন বটুকবাবু। এখনও এত তাড়াতাড়ি হাত চালাতে পারি। ফলাটায় কী ভীষণ ধার! কিন্তু ফুটো হয়ে গেল যে বাক্স? ঘন ঘন নিশ্বাস পড়ছে। তীব্র চোখে তিনি খুঁজতে থাকেন অন্য কোনো নিশানার সন্ধান।

    হঠাৎ বটুকবাবুর মনে হল, মুঠোর মধ্যে ছুরিটা যেন নড়েচড়ে উঠল। যেন এটা জীবন্ত বস্তু। বুঝি ওর ঘুম ভেঙেছে। অস্থির হয়ে উঠেছে।

    তিনি শিউরে উঠে ছুরিটা ফেলে দিলেন। ঠং আওয়াজ তুলে সেটা নিশ্চল হয়ে পড়ে থাকে মেঝেয়।

    বটুকবাবু একটুক্ষণ সন্দিগ্ধভাবে তাকিয়ে রইলেন ছুরিখানার দিকে। তারপর হেসে উঠলেন জোরে।

    স্রেফ অতিরিক্ত কল্পনার ফল।

    ওই জড় বস্তুটিতে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই, থাকতে পারে না। অসম্ভব।

    ঝকঝকে ফলাটা কেমন অসহায়। যেন এক হিংস্র শ্বাপদ বন্দী হয়ে আছে।

    মৃদু হেসে বিড়বিড় করে ছুরিটাকে উদ্দেশ্য করে বললেন— ‘ওহে, তোমার জারিজুরি খতম! আগের জীবন ভুলে যাও। এবার থেকে শুধু বোর্ড কাটো, কাগজ কাটো, আলু কাটো, বেগুন কাটো। ব্যাস, তার বেশি নয়।’

    বটুকবাবু সত্যি সত্যি পিচবোর্ড কাটতে শুরু করলেন বইয়ের মলাটের জন্যে। কচকচ করে আলু কাটলেন কয়েকটা। তবে তিনি অনুভব করলেন ছুরিখানা হাতে নিলেই বেশ চনমনে লাগে। দেহে মনে কেমন উত্তেজনা ছড়ায়। অনেকক্ষণ ক্ষিপ্রগতিতে কাজ করলেন। কাজ মানে প্রধানত ছুরি দিয়ে এটা সেটা কাটাকাটি। অবশ্য ফাঁকে ফাঁকে উঠে গিয়ে রান্নাটা সেরে নিলেন। রাত হয়ে যাচ্ছে। বটুকবাবু কাজ বন্ধ করলেন। তারপর খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়লেন।

    ছুরিটার কথা ভাবতে ভাবতে তাঁর ঘুম আসতে সময় নিল। পরদিন রাত প্রায় নটা। বটুকবাবু বাসায় ফিরছেন।

    অফিসের পর গিয়েছিলেন দপ্তরির দোকানে। কিছু কাজ করেছেন। তাই ফিরতে দেরি হল।

    বাড়ির কাছাকাছি এসে পড়েছেন। পাড়াটা ভালো নয়। কাছেই একটা বস্তি। সেখানে কিছু খারাপ ধরনের লোকের বাস। রাতে প্রায়ই বস্তিতে চেঁচামেচি হল্লার আওয়াজ ওঠে। ওখানকার গুণ্ডাদের জোরজুলুম সইতে হয় পাড়ার ভদ্র বাসিন্দাদের। ছিনতাইও হয় কখনো কখনো।

    সরু রাস্তা। জোর এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে খানিক আগে। তার ওপর লোডশেডিং চলছে। চারিদিক অন্ধকার। কেবল মেঘে ঢাকা এক ফালি চাঁদের আবছা আলোয় সামান্য নজর চলে।

    রাতে এমনিতেই লোক চলাচল কম। আজ একেবারে জনহীন। রাস্তার একপাশে কারখানা। তার লম্বা লম্বা টিনের শেড। অন্যদিকে উঁচু উঁচু বাড়ির খাড়া দেয়ালের সারি।

    কারখানায় এখন ছুটি। অন্ধকার বাড়িগুলোয় কারো সাড়াশব্দ নেই। শুধু রেডিও-নিঃসৃত এক তীক্ষ্ণ গানের সুর ভেসে আসছে ওপরের কোনো জানালা দিয়ে।

    বটুকবাবুর গা ছমছম করতে লাগল। পথটুকু পেরতে পারলে বাঁচি!

    বহুদিনের চেনা রাস্তা। তবু সাবধানে পা টিপে টিপে হাঁটতে হচ্ছে। খোয়া-ওঠা পথে জল জমেছে জায়গায় জায়গায়। পা পড়লে মচকাবে।

    এই রাস্তা সিধে গিয়ে এক আড়াআড়ি রাস্তায় মিশেছে। বটুকবাবু বাঁ ধারে ঘুরবেন। তেমাথার মোড়ে পৌঁছে তিনি থমকে দাঁড়ালেন। কার চাপা আর্তস্বরে কথা কানে এল। কী ব্যাপার?

    মোড়ের ঠিক মুখোমুখি, আড়াআড়ি রাস্তা পেরিয়ে একখণ্ড ফাঁকা জমি। রাস্তা ও জমির সীমানা দিয়ে গেছে একটা নোংরা জলের নালা। বটুকবাবু কারখানার পাঁচিলের গায়ে ঘেঁসে এলেন। একটু আড়ালে থাকা ভালো। তারপর উঁকি মেরে অন্ধকার ফুঁড়ে উৎকণ্ঠিত দৃষ্টি মেললেন।

    রাস্তার ওপারে হাত পনেরো দূরে নালার ধারে দুটো ছায়ামূর্তি। চেনা যাচ্ছে না। কান খাড়া করলেন বটুকবাবু।

    —‘দোহাই বাবা, আমি গরিব মানুষ।’

    —‘চ্যাপ। দাও ব্যাগ। বের করো। এই তো’– কাতর কণ্ঠে যে কথা বলল তাকে চিনতে পারলেন বটুকবাবু। হারান ঘোষ। এই পাড়াতেই থাকেন। বাজারে আলাপ হয়েছিল। ভবানীপুরে এক কাপড়ের দোকানে কাজ করেন।

    আর এই কর্কশ কন্ঠের মালিককেও চিনতে ভুল হল না। ওর নাম ছক্কু। মানে লোকে ওই নামে ডাকে। লোকটা ষণ্ডা— ভয়ংকর স্বভাব। অনেক খুন জখমও নাকি করেছে। সবাই ওকে ভয় পায়। মাত্র মাসখানেক আগে এই ছকু বটুকবাবুর কাছ থেকে পাঁচ টাকা নিয়ে নিয়েছিল। হুঁ, জোর করেই। অবশ্য মুখে বলেছিল ধার।

    সন্ধে নাগাদ বাসায় ফিরছিলেন বটুকবাবু। বস্তির কাছে অতর্কিতে ছক্কু তাঁর পথ আগলে দাঁড়িয়েছিল— ‘দেখি দাদু, আপনার মানিব্যাগটা।’

    বটুকবাবু বাধ্য হয়ে ব্যাগ বের করে দিয়েছিলেন।

    ব্যাগে পাঁচটি টাকাই মাত্র সম্বল ছিল। নোটখানা পকেটে পুরে গম্ভীর মেজাজে বলেছিল ছক্কু— ‘ধার নিলুম। শোধ দিয়ে দেব। তবে একটু মনে করিয়ে দেবেন মশাই। নইলে ভুলে যাই। বড্ড ঝুটঝামেলায় ব্যস্ত থাকি কি না।’

    ফলে বটুকবাবুকে মাসের শেষ সপ্তাহে স্রেফ ডাল ভাত খেয়ে কাটাতে হয়েছিল। তরকারি কেনার সামর্থ্য হয়নি।

    ছক্কুর কাছে টাকা ফেরত চাইতে তাঁর সাহসে কুলোয়নি। চাইলেও দিত না নির্ঘাত। উল্টে ফ্যাসাদে পড়তেন।

    —‘বাঃ, এ যে অনেক টাকা। বহুত আচ্ছা।’ ছক্কুর কণ্ঠে বিকট উল্লাস শোনা গেল।

    —‘সব নিয়ো না বাবা। আজ মাইনে পেয়েছি। ঘরে যাব। অনেক ছেলেপুলের সংসার।’ অসহায় মিনতি জানালেন হরেনবাবু।

    —‘আঃ ঘাবড়াচ্ছেন কেন? ধার নিচ্ছি। শোধ দিয়ে দেব। তবে একটু খেয়াল করিয়ে দেবেন।’

    –‘দোহাই বাবা–’

    –‘ফের কাঁদুনি। ঘড়িটা খুলে নিইনি তোর বাপের ভাগ্যি। আর এট্টা কতা বললে দেব নালায় চুবিয়ে! যা ভাগ।’

    একটা ধাক্কা মারার আওয়াজ হল।

    একটি ছায়া শরীর হোঁচট খেয়ে পড়ল মাটিতে।

    কড়া সুরে ছক্কুর শাসানি শোনা গেল— ‘খবরদার, থানায় রিপোর্ট করলে জানে মেরে দেব কিন্তু’-

    হারানবাবুর খর্বকায় মূর্তি প্রায় দৌড়ে চলে গেল বটুকবাবুর সামনে দিয়ে। হয়তো আরও নির্যাতনের আশঙ্কায় পালিয়ে গেলেন।

    বটুকবাবু রুদ্ধশ্বাসে তাকিয়ে আছেন।

    নিরীহ শান্তিপ্রিয় ভদ্রজনের এমন দৃশ্য চোখে দেখাও বিপদ। সাক্ষী হলে গুণ্ডার কোপে পড়ার সম্ভাবনা। মানে মানে সরে পড়াই কর্তব্য। অন্যদিন হলে তাই করতেন বটুকবাবু, নিঃশব্দে পিছিয়ে যেতেন গলির ভিতরে। অনেকখানি ঘুর হলেও অন্যপথে বাসায় ফিরতেন। কিন্তু আজ তিনি নড়তে পারলেন না।

    বটুকবাবুর মনে আজ কিন্তু লেশমাত্র ভয় জাগেনি। বরং কী এক প্রচণ্ড উত্তেজনায় মাথায় যেন আগুন ছুটছে। বিস্ফারিত চক্ষু। নিজের অজান্তে কখন তিনি বজ্রমুষ্টিতে আঁকড়ে ধরেছেন নতুন ছুরির বাঁটটা। অন্যান্য জিনিসের সঙ্গে ছুরিটাও ছিল কাঁধের ঝুলিতে।

    হরেনবাবু চলে যাওয়ার পর ছক্কু একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল একই জায়গায়। ফস করে জ্বলে উঠল একটা দেশলাইকাঠি।

    ছক্কু সিগারেট ধরাচ্ছে।

    ঘোর কৃষ্ণবর্ণ পটভূমিতে সেই ক্ষুদ্র আলোকশিখা অতি উজ্জ্বল দেখাল। আগুনের আভায় স্পষ্ট হয়ে উঠল ছক্কুর রুক্ষ কঠিন মুখের খানিকটা। তার কোঁচকানো তামাটে গাল, মোটা গোঁফ, পুরু ঠোঁটের মাঝে লাগানো সিগারেট। আর দেখা গেল তার লালরঙা গেঞ্জির বুক ও পেটের খানিক অংশ।

    সহসা বটুকবাবুর মুঠোর মধ্যে ছুরিখানা মোচড় খেয়ে ছটফট করে উঠল তাঁর সারা দেহে যেন বিদ্যুৎ তরঙ্গ বয়ে গেল। দুরন্ত রাগ ও ঘৃণায় যেন চৌচির হয়ে গেল হৃৎপিণ্ড।

    চকিতে তিনি গুঁড়ি মেরে অল্প নীচু হলেন। সঙ্গে তাঁর ছুরিকাবদ্ধ ডানহাত বেরিয়ে এল ঝুলির ভেতরে। হাতটা উঁচু হল। পিছনে হেলল। এবং পরমুহূর্তে আকর্ণটানা ছিলা থেকে তীর যেমন আকর্ষণমুক্ত হওয়া মাত্র ছিটকে এগোয় তেমনি লাফ দিল সম্মুখে-

    তীরের মতো সাঁ করে উড়ে গেল ছুরিখানা।

    হেঁচকি তোলার মতো একবার আওয়াজ হল এবং জ্বলন্ত দেশলাই কাঠিটা হঠাৎ ছক্কুর হাত ফসকে পড়তে পড়তে গেল নিভে।

    ছক্কুর দীর্ঘ ছায়া শরীর কুঁকড়ে গেল। এলোমেলো ভাবে কয়েক পা ফেলে হেঁটে সে হুমড়ি খেয়ে পড়ল। মিশে গেল পথের আঁধারে।

    কিছু অস্পষ্ট আওয়াজ। ব্যাস, তারপর সব নিস্তব্ধ।

    থরথর করে কাঁপছেন বটুকবাবু। কী যে ঘটল ঠাহর করতে পারছেন না। সমস্ত তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা বুঝি স্বপ্ন, অলীক। আচ্ছন্নের মতো তিনি পা চালালেন।

    বটুকবাবু টলতে টলতে ঘরে ঢুকলেন। কোনোরকমে ঘামে ভেজা জামাটা টেনে হিঁচড়ে খুলে ছুড়ে দিলেন আলনায়। রাতে ফিরতে দেরি হলে রান্নাবান্নার হাঙ্গামা করেন না। মুড়ি-টুড়ি যাহোক খেয়ে নেন। আজ কিন্তু খেতে রুচি হল না। দারুণ অবসাদ ও ক্লান্তিতে তখুনি মূর্ছিতের মতো লুটিয়ে পড়লেন বিছানায়।

    মুখে রোদ্দুরের তাত লেগে বটুকবাবুর ঘুম ভেঙে গেল। খোলা জানলা দিয়ে বেশ রোদ আসছে। বেশ বেলা হয়ে গেছে। ধড়মড় করে উঠে বসলেন বিছানায়।

    উঃ! মাথাটা যেন পাথরের মতো ভারী। অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। ডান কাঁধ টনটন করছে ব্যথায় আর গা পুড়ে যাচ্ছে জ্বরে। গলা শুকিয়ে কাঠ। হাতড়ে হাতড়ে খাটের পাশে কুঁজো থেকে গড়িয়ে একগ্লাস জল খেয়ে আবার তিনি শুয়ে পড়লেন। এমনকী গত রাত থেকে ঠায়-জ্বলা ঘরের বাল্বটা নেবানোর শক্তি ও পেলেন না।

    এরপর তিনদিন তিনরাত কোথা দিয়ে যে কেটে গেল বটুকবাবু ভালো করে টের পেলেন না। ইতিমধ্যে প্রতিবেশী শ্যামবাবু কখন তাঁর ঘরের ভেজানো দরজা ঠেলে ঢুকেছেন— জ্বর দেখে ডাক্তার ডেকে এনেছেন— ওষুধ এনে দিয়েছেন— শ্যামবাবুর স্ত্রী তাঁর সেবাযত্ন করেছেন— কিছুই প্রায় খেয়াল নেই।

    চতুর্থ দিনে বটুকবাবুর জ্বর ছাড়ল।

    সকালবেলা তিনি ধীরে ধীরে কলতলায় গেছেন, আর একজন ভাড়াটে বিষ্টুবাবু সেখানে দাঁতন করছিলেন। বটুকবাবুকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন— ‘কী দাদা জ্বরে পড়েছিলেন? এখন কেমন?’

    —‘ভালো। জ্বর ছেড়েছে।’

    —‘হুঁ, বেশ কাহিল দেখাচ্ছে।’

    বিষ্টুবাবু কাছে সরে এলেন। সতর্ক চোখে চারপাশ দেখে নিয়ে ফিসফিস করে, ‘মশাই শুনেছেন কাণ্ড?

    —‘কী?’

    —‘সেই যে গুন্ডা, ছক্কু খুন হয়ে গেছে। আপনি জ্বরে পড়লেন— সেই রাতে।’

    —‘কে মারল?’ বটুকবাবু অবাক ভাবে বললেন।

    —‘কে জানে। ছুরি মেরেছিল। নালার ভিতর পড়েছিল মুখ থুবড়ে। সকালে আবিষ্কার হল। পুলিশ এসে নিয়ে গেল বডি। এক্কেবারে ডেড। পাড়ায় খুব হৈ চৈ। কে মেরেছে ধরা পড়েনি। ওই আর কি! আর কোনো গুন্ডার কীর্তি। বেটারা এইভাবেই মরে। উঃ, বাঁচলুম মশাই! আপদ গেছে!’

    —‘ছক্কু লোকটা আস্ত শয়তান। আমার পাঁচ টাকা কেড়ে নিয়েছিল ও মাসে। লোকটাকে কবে জানি দেখলাম? খুব শিগগিরি।’ বটুকবাবু ভাবতে চেষ্টা করেন।

    নাঃ, মনে পড়ছে না। রগের কাছে টিপটিপ করে ওঠে।

    যাকগে। যত্ত সব গুন্ডা বদমাইশ। মরেছে ঠিক হয়েছে। বটুকবাবু ছক্কুর চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলেন।

    দিন চারেক বাদে কিঞ্চিৎ সুস্থ হয়ে বাঁধাইয়ের কাজ করতে গিয়ে নতুন কেনা ছুরিটার খোঁজ পেলেন না বটুকবাবু। ঘরে তন্নতন্ন করে খুঁজলেন। নেই। দপ্তরির কাছে খোঁজ করলেন। সেখানেও নেই।

    দপ্তরি বলল, ‘হ্যাঁ, সেদিন একখানা নতুন ছুরি এনেছিলেন বটে, কিন্তু এখানে তো ফেলে যাননি।’

    ইস, অমন খাসা ছুরিখানা হারাল বুঝি? দপ্তরির দোকান থেকে বেরিয়ে আর কোথাও গিয়েছিলাম কি? কোথায় যে ফেললাম?

    বটুকবাবু কিছুতেই তা মনে করতে পারলেন না।

    শারদীয়া ১৩৮৭

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুড়ঙ্গ রহস্য – শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    Related Articles

    অসম্পূর্ণ বই

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    জালালগীতিকা সমগ্ৰ – যতীন সরকার সম্পাদিত

    January 8, 2026
    অসম্পূর্ণ বই

    সরস গল্পসমগ্র – অজেয় রায় (অসম্পূর্ণ)

    January 8, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }