Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. নৃসিংহ অবতারের কাহিনী

    নৃসিংহ অবতারের কাহিনী

    লক্ষ্মী-নারায়ণের দর্শন উদ্দেশ্যে একবার ব্রহ্মার মানসপুত্র চতুঃসেন বৈকুণ্ঠধামে এসে হাজির হলেন। কিন্তু দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে জয় ও বিজয় নামে দুই দ্বারী। তারা তাকে বাধা দিলে তিনি তাদের অভিশাপ দিলেন– অসুরবংশে জন্ম হবে এবং তিন জন্মে শাপ মুক্ত হয়ে আবার বৈকুণ্ঠ ঠাঁই পাবে।

    এক জন্মে তারা দিতির পুত্র হয়ে হিরণ্যাক্ষ ও হিরণ্যকশিপু নামে জন্ম লাভ করে। বরাহরূপী শ্রীবিষ্ণু ওই হিরণক্ষের বিনাশ ঘটালে হিরণ্যকশিপু অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়। সে ঠিক করল ওই মৎস্য, কূর্ম ও বরাহ রূপধারী হীন নারায়ণের মাথা শূল দ্বারা ছিন্ন করে ভ্রাতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবে।

    সে নিজেকে অজেয়, অমর করবার বাসনায় মন্দর পর্বতে গিয়ে কঠোর তপস্যায় ব্রতী হল। ব্রহ্মার উদ্দেশ্যে সেই তপস্যার ফলে হিরণ্যকশিপুর মস্তক হতে সৃষ্টি হল ধূমযুক্ত তমোময় অগ্নি। চারদিকে ছড়িয়ে সেই অগ্নি নদী ও সমুদ্র সকালে বিচলিত হল, ধরণী কেঁদে উঠল, দৈত্যের তপস্যার তেজ দেখে দেবতারা ভীত হলেন। তাঁরা তাড়াতাড়ি ব্রহ্মার সমীপে সে প্রণাম নিবেদন করে বললেন– হে তাত, আমরা হিরণ্যকশিপুরের তপস্যার ঘোর প্রভাবে দুর্বিষহ কষ্ট ভোগ করছি। আপনি আমাদের রক্ষা করুন।

    ব্রহ্মা মন্দর পর্বতে এলেন। হিরণ্যকশিপুকে দেখা দিয়ে বললেন– হে বৎস তোমার তপস্যায় আমি মুগ্ধ, বলো কী বর প্রার্থনা করো।

    হিরণ্যকশিপু বললেন–প্রভু আমাকে অমর হবার বর দান করুন।

    –শোনো, জগতে কেউ অমর হয় না, ব্রহ্মা বললেন–তবে তোমাকে এমন বর দেব যা জগতে দুর্লভ। জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে তোমার মৃত্যু হবে না, ঘরের ভিতরে বা বাইরে তোমার মুত্যু হবে না। দিনে বা রাতেও তোমার মরণ হবে না। আমার সৃষ্ট প্রাণীগণের দ্বারা তোমার মৃত্যু হবে না। কোনো অস্ত্র তোমায় মারতে পারবে না। যুদ্ধে তুমি সর্বদা হবে অজেয়।

    ব্রহ্মার বর শুনে দৈত্য অত্যন্ত খুশি হল। এবার সে ব্রহ্মার বরে বলীয়মান হয়ে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর প্রতি বিষোদগার করতে শুরু করল। স্বর্গ মর্ত্য পাতালে সমস্ত দেবাসুর, মনুষ্য, গন্ধর্ব, যক্ষ ও রাক্ষসদের কাছে নিজেকে অজেয় প্রমাণ করল। স্বর্গরাজ্য অধিকার করে ইন্দ্রের বাসভবনে রাজা হয়ে অবস্থান করতে শুরু করল।

    সকল দিক অধিকার করার পরও দৈত্যের মনের অভিলাষ এখনও পূর্ণ হয়নি। হিরন্যকশিপুর পত্নী ছিলেন কয়াধু। তার চার পুত্র। সবচেয়ে ছোট ছেলের নাম প্রহ্লাদ। সেই পুত্র সত্য প্রতিজ্ঞ ও জিতেন্দ্রিয়, বালক সুলভ কোনোরকম আচরণ তার মধ্যে দেখা যেত না। সর্বদা শ্রীহরির পাদপদ্মে মতি ছিল ব্যাপ্ত। প্রহ্লাদের এ হেন আচরণ দেখে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপু অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হলেন। তিনি পুত্রকে তার আদর্শ মেনে চলার আদেশ দিলেন। কিন্তু কোনো ফল হল না দেখে হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদকে পাঠিয়ে দিলেন শুক্রাচার্যের এই দুই পুত্র ষণ্ড ও অর্ঘকের কাছে। সেখানে থেকে প্রহ্লাদ দানবীয় শিক্ষা লাভ করবেন।

    কিন্তু প্রহ্লাদের এসব শিক্ষাদীক্ষার প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। তার কাছে শ্রীকৃষ্ণ একজনই। শ্রীবিষ্ণুর মাহাত্ম কীর্তনই তার কাছে শ্রেষ্ঠ বিদ্যা। কিছুদিন পরে পুত্র গৃহে ফিরে এলে পিতা হিরণ্যকশিপু তাকে কোলে বসিয়ে বললেন, এতদিন ধরে তুমি গুরুর কাছে কী শিক্ষা লাভ করলে?

    অম্লান বদনে প্রহাদ জবাব দিলেনশ্রবণ, কীর্তন, বিষ্ণুস্মরণ, পাদসেবন, অর্চন, বন্দন, দাস্য সখ্য ও আত্মনিবেদন এই নয় প্রকার ভক্তি। যে শিক্ষা লাভ করে ভগবানের প্রতি সম্যক মন-প্রাণ সঁপে দেওয়া যায়, তাই হল শ্রেষ্ঠ বিদ্যা। অথচ যে গুরুর কাছে আপনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন, তার এ সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই।

    পুত্রের কথা শুনে পিতা রাগে ফেটে পড়লেন। বললেন– গুরু যদি এ শিক্ষা না দিয়ে থাকে তোর এমন দুর্মতি হল কীভাবে?

    প্রহ্লাদ বললেন– পরমার্থ গতি ভগবান শ্রীহরিকে জানতে হলে চাই বাহ্যিক বিষয়গুলির প্রতি অনীহা। বিষয় স্পৃহাশূন্য উদারচেতা মহত্তম ব্যক্তিগণের চরণরেণু দ্বারা যে পর্যন্ত অভিজ্ঞতা না হওয়া যায়, সেই পর্যন্ত বেদবর্ণিত কাজ এবং কর্মের অনুষ্ঠান করলেও মানবের প্রতি সংসার দুঃখজনক। সে শ্রীহরির চরণকমল স্পর্শ করতে পারে না।

    দৈত্যরাজ ক্রোধে কাঁপতে কাঁপতে ছেলেকে কোল থেকে মাটিতে নামিয়ে দিলেন। এবং তাকে বধ করার আদেশ দিলেন।

    শূল হাতে অনুচরের দল ছুটে এল। প্রহ্লাদের মতি শ্রীহরির চরণে সমর্পিত। তাই ওই শূলের আঘাত প্রহ্লাদের ক্ষতি করতে পারল না।

    দৈত্যরাজ তাকে হত্যার জন্য নানারকম ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন সামান্যতম। পাগলা হাতির পায়ের তলায় ফেলে দিলেন, পর্বতের চূড়া থেকে নীচে ফেলে দিলেন, বিষ প্রয়োগ করলেন, দিনের পর দিন অনাহারে রাখলেন, বিষধর সাপেদের মাঝে ছেড়ে দিলেন, কিন্তু কিছুতেই ওই নিষ্পাপ শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত বালক প্রহ্লাদের বিনাশ ঘটাতে পারলেন না।

    দৈত্যপতি ভ্রূ-কুঞ্চিত করে চিন্তা করতে লাগলেন, এসময় এগিয়ে এলেন শুক্রাচার্যের পুত্রদ্বয়– ষণ্ড ও অর্ঘক। তারা বললেন– হে দৈত্যরাজ, আপনার ভঙ্গি দেখে সমস্ত লোকপাল গণ ভয়ে কম্পমান। প্রহ্লাদ বালক, তার আর দোষ কী, সৎসঙ্গের অভাবের ফলেই তার মধ্যে এমন বুদ্ধিভ্রংশ ঘটে গেছে। পিতা শুক্রাচার্য এসে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে বরুণের পাশ দিয়ে বেঁধে রাখুন। দেখবেন, কোথাও যেন পালিয়ে না যায়।

    গুরু পুত্রদ্বয়ের বাক্যে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপু পুত্র প্রহ্লাদকে গৃহস্থ ধর্মী রাজগণের উপযুক্ত যে ধর্ম, তা শিক্ষা দিতে আদেশ করলে, শুক্রাচার্যপুত্র ষণ্ড ও অর্মক তাঁকে ধর্ম, অর্থ, ও কাম বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করলেন। তথাপি প্রহ্লাদ অন্যান্য বালকদের সঙ্গে সেই শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক তত্ত্বকথা শোনাতেন।

    গুরুগৃহে অন্যান্য ছাত্রদের উদ্দেশ্যে তিনি মিষ্টি হেসে বলতেন- হে অসুরনন্দনগণ, ভাগবত ধর্ম সন্ধানে জ্ঞান বাল্যকালেই শিক্ষা নেওয়া উচিত। কারণ আশি লক্ষ যোনিতে ঘুরে তারপর মনুষ্য যোনিলাভ করা যায়। এই মনুষ্য জন্মই বিষ্ণুর আরাধনায় পরমার্থ দাতা। কামনায় তাড়িত হলে বিষ্ণু ভক্তি অর্জন করা যায় না। বাল্যকাল থেকে বিষ্ণুর প্রতি মতি স্থির রাখলে জীবনে কোনো কিছুতেই ভীত হতে হয় না। শ্রীহরির পাদপদ্ম লাভ করে পরম গতি সম্ভব যা অতি মঙ্গলকর।

    হে রাজন সখাবৃন্দ, শ্রীহরি অতি সহজেই প্রসন্ন হন। কারণ তিনি সকল প্রাণীর হৃদয়েই অবস্থান করছেন। যে কোনো জন, যে কোনো সময় তার মনের উপাচার দিয়েই তার পাদবন্দনা করতে পারে। যদি আমরা তাঁর নামকীর্তন করতে পারি, আর তার চরণসেবা করতে সমর্থ হই তাহলে বলুন মুক্তিও তার কাছে তুচ্ছ বলে মনে হবে।

    বপ্রহ্লাদের সখারা তার মুখে এমন ধর্মতত্ত্ব উপদেশ শুনে বিস্মিত হত। তারা জানতে চাইল, কার কাছ থেকে প্রহ্লাদ এমন বিদ্যা লাভ করেছেন।

    প্রহ্লাদ বললেন– আমি মাতৃজঠরে থাকাকালীন আমার পিতা কঠোর তপস্যা করতে মন্দর পর্বতে চলে গিয়েছিলেন। এই অবসরে দেবতারা দৈত্যদের আক্রমণ করলেন। দৈত্য প্রধানরা তাদের সবকিছু নিয়ে পালিয়ে গিয়ে প্রাণরক্ষা করেন। দেবরাজ ইন্দ্র এই অবসরে আমার মাকে হরণ করলেন। ইন্দ্র কর্তৃক হিরণ্যকশিপুর মহিষীকে হরণ করার কালে নারদ মুনির সঙ্গে ইন্দ্রের সাক্ষাৎ ঘটে। পথের মাঝে নারদ জানতে চাইলেন- হে ইন্দ্র এই নারী হরণের কারণ কী?

    ইন্দ্র বললেন–ইনি কয়াধু, হিরণ্যকশিপুর পত্নী, কয়াধু গর্ভবতী। এক অসুরের জন্ম দেবে ওই গর্ভ। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি তাকে মেরে ফেলব। তাই আমি এই নারীকে হরণ করে নিয়ে যাচ্ছি।

    দেবর্ষি নারদ বললেন– তুমি ভুল করছ। এর গর্ভে বেড়ে উঠছে এমন এক শিশু যে নিজগুণে ভগবত ভক্ত হবে। এর বিনাশ ঘটলে তোমাকে অচিরেই স্বর্গ ত্যাগ করতে হবে। শ্রী প্রহ্লাদ বলতে থাকেন– নারদের বাক্য শুনে ইন্দ্র আমার মাকে ত্যাগ করে চলে গেলেন স্বর্গলোকে। নারদ তারপর আমার মাকে নিজের আশ্রমে নিয়ে গেলেন আর বললেন।–তোমার স্বামী হিরণ্যকশিপু প্রাসাদে ফিরে না আসা পর্যন্ত তুমি নিশ্চিন্তে এখানে বাস করো। আর তুমি হবে ইচ্ছা প্রসবিণী।

    নারদ তারপর আমার মাকে ভগবত তত্ত্বকথা শোনাতে লাগলেন। মায়ের গর্ভে বসে আমি সেই সকল উপদেশ শ্রবণ করেছিলাম। যা আজও বিস্মৃত হইনি আমি।

    জন্ম মৃত্যুর আবর্তন বিনাশ করার জন্য অনেক উপায় থাকলেও ভক্তি যোগ থেকেই দেবর্ষি নারদ শ্রেষ্ঠ বলে অভিহিত করেছেন। গুরু সেবা, সকল লব্ধ বস্তু সমর্পণ, সাধুসঙ্গ, ঈশ্বরের প্রতি আরাধনা, শ্রদ্ধা সহকারে শ্রীকৃষ্ণের গুণকীর্তন, শ্রীগোবিন্দের পাদপদ্ম চিন্তন– সবই ভক্তি যোগে করেন– ফলে ঘটে থাকে। সকল প্রাণীতেই শ্রীহরি বাস করেন– একথা স্মরণে রেখে হিংসা ভুলে যাওয়া উচিত। এভাবে পঞ্চইন্দ্রিয় ও ষড়রিপুকে বশীভুত করা সম্ভব। লাভ হয় ভক্তি, যে ভক্তির দ্বারা শ্রীহরির চরণে চিত্তনিবেদিত হয়। তাই সখাগণ, তোমরা চিত্তমাঝে সেই পরম পুরুষ শ্রীকৃষ্ণের চিত্র অঙ্কিত করে তার ভজনা করো।

    প্রহ্লাদের মুখ নিঃসৃত মধুক্ষরা ভক্তিব্যঞ্জক শব্দাবলী বালকদের অভিভূত করল। বালকেরা আর আচার্যের শিক্ষা গ্রহণ করল না।

    ছাত্রদের এমন ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা দেখে গুরু শুক্রাচার্য সমস্ত ঘটনা দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুকে জানালেন। তিনি পুনরায় পুত্র নিধনের চেষ্টায় মেতে উঠলেন। হুঙ্কার দিয়ে বললেন– ওরে অবোধ বালক। আমি ক্রুদ্ধ হলে ত্রিভুবন থরথর করে কেঁপে ওঠে ভয়ে, আর তুই সামান্য এক বালক হয়ে আমার আদেশ অমান্য করছিস কোন্ সাহসে? তোকে আমি মৃত্যুপুরীতে পাঠিয়ে দেব।

    –রাজন, আপনি প্রহ্লাদের পিতা, ক্রোধ সংবরণ করুন। ওই ক্রোধই আপনার আসল শত্রু। যে পরম পুরুষ সকলের বল, সেই বিষ্ণুর প্রতি মতি রাখুন। অসুরভাব ত্যাগ করুন।

    হিরণ্যকশিপু বললেন– ওরে পাপিষ্ঠ। তুই কি জানিস, এই ত্রিভুবনে আমি সকলের পরমেশ্বর। তোর মৃত্যু অনিবার্য। দেখি তোর বিষ্ণু তোকে কীভাবে বাঁচায়। যদি সবেতেই তার অবস্থান হয়, তাহলে এই পাথরের স্তম্ভে তাকে দেখছি না কেন?

    প্রহ্লাদ ধীর কণ্ঠে জবাব দিলেন– পিতো! শ্রীবিষ্ণু সবেতেই বিরাজমান। অতএব এই স্তম্ভেই তিনি বর্তমান।

    শ্রী নারদ বললেন– ক্রোধের বশবর্তী হয়ে তখন হিরণ্যকশিপু ভঙ্গ হস্তে তেড়ে এলেন। তিনি সজোরে আঘাত করলেন সামনের পাথরের স্তম্ভে। অতি ভীষণ শব্দ শোনা গেল এবং পরমুহূর্তে এক নর সিংহের আবির্ভাব ঘটল। যার অর্ধেক নর এবং অর্ধেক পশুর। তার ভয়ানক দুটি চোখ ফুটে বেরোচ্ছে দুটি গোলা, অতি উন্নত ও তীক্ষ্ণ দাঁতের সারি। খঙ্গের মত ধারালো তার জিভ, অতি ভয়ংকর সেই মূর্তি। ইনিই স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

    এমন বিকট রূপী নরসিংহের মূর্তি দেখে হিরণ্যকশিপু ভাবলেন, মহামায়াবী হরি এইভাবে তার বিনাশ করতে চাইছে।

    ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে গদা ঘোরাতে ঘোরাতে দৈত্যরাজ ছুটে এলেন। নরসিংহকে বধ করতে উদ্যত হলেন। নরসিংহরূপী শ্রীহরি হিরণ্যকশিপুকে গ্রহণ করলেন। ঠিক যেমন গড়ুর মহাসর্প গ্রহণ করে তাকে আক্রমণ করে, আবার ছেড়ে দিলেন।

    নরসিংহের হাত থেকে রেহাই পেয়ে দৈত্যরাজ ভাবলেন, তার ভয়ে নরসিংহ কম্পমান। এবার তিনি খঙ্গ ও চক্র নিয়ে সেই ভয়ংকর নরসিংহকে আক্রমণ করতে উদ্যত হলেন।

    নরসিংহের বিকট হাসিতে ফেটে পড়লেন। সভার দ্বারদেশে নিজের উরুদ্বয়ের উপর দৈত্য রাজকে স্থাপন করে নিজের নখর দিয়ে তার উদর বিদীর্ণ করে দিলেন। পিতামহ ব্রহ্মার বচনানুসারে দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপুর বিনাশ ঘটল। সন্ধ্যার সময় দ্বারদেশে শ্রীহরির উরুর ওপর তার নখরাঘাতে দানবরাজের মৃত্যু হল।

    দৈত্যরাজের অন্যান্য অনুচরদেরও নৃসিংহ তার নখের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত করে দিলেন। হাজার হাজার অসুরের মৃত্যু হল। তখনও তিনি ক্রোধে উন্মাদ। তিনি সিংহাসনে এসে বসলেন। তার ভয়ংকর মুখ ও চেহারা দেখে কেউ তার সম্মুখে যেতে সাহস করল না। আকাশ থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হল। অপ্সরা ও গন্ধর্বগণ নৃত্যগীতে তাকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করল। ব্রহ্মা, শিব, ইন্দ্র এবং অন্যান্য দেবতাগণ, প্রজাপতিগণ, চতুর্দশ মনু, সকলেই করজোড়ে তার বন্দনা করতে লাগলেন। তা সত্ত্বেও তার রাগ প্রশমিত হল না।

    শ্রীব্রহ্মার আজ্ঞায় শ্রীপ্রহ্লাদ পায়ে পায়ে এগিয়ে এলেন নৃসিংহদেবের কাছে। মাটিতে পড়ে তার পাদস্পর্শ করলেন। শ্রী নৃসিংহদেব বালক প্রহ্লাদকে হাত ধরে উঠিয়ে বালকের মস্তকে আপনার কমল হস্ত রাখলেন। ভগবানের করস্পর্শে শ্রীপ্রহাদের শরীরে বিদ্যুৎ শিহরণ ঘটে গেল, রোমাঞ্চিত হলেন তিনি। দুচোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ল আনন্দের বারিধারা। চিত্তে তার অপার আনন্দ। তিনি নিজের বুকে নৃহরির পদযুগল স্থাপন করলেন। তার স্তব করতে শুরু করলেন।

    দেবর্ষি নারদ বললেন–শ্রীপ্রহ্লাদের মুখে শ্রীহরির গুণকীর্তন শুনে নৃসিংহদেব সন্তুষ্ট হলেন। তার ক্রোধ দূর হল। তিনি প্রহ্লাদকে বললেন– হে বৎস, তোমার স্তবে আমি প্রসন্ন হয়েছি। বলো কী বর তুমি চাও?

    প্রহ্লাদ বললেন– হে শ্রীহরি, যে জিনিস মনকে মলিন করে, তা আমি চাই না। যে কাজ বীজ, প্রাণ, আত্মা, ধর্ম, ধৈর্য, বুদ্ধি, লজ্জা, শোভা, তেজ, স্মৃতি ও সত্যকে ধ্বংস করে সেই কামবীজের বিনাশ আমি চাই, আপনি আমাকে সেই বর দান করুন।

    নৃসিংহদেব বললেন– হে প্রহ্লাদ, আমি জানি, তুমি আমার একান্ত ভক্ত। তোমাদের মতো ভক্তদের পরলোকে বা ইহলোকে কোনো ভোগবিলাসের প্রতি আসক্তি থাকে না। তথাপি তোমাকে এই মন্বন্তর পর্যন্ত দৈত্যকুলে বাস করে সমস্ত রকম ভোগ করতে হবে।

    প্রহ্লাদ বললেন– হে দেব, আপনার পবিত্র স্পর্শে আমার পিতা ধন্য হলেন। কিন্তু উনি আপনাকে অনেক নিন্দা করেছেন। এ জন্য তাকে যেন পাপ ভোগ না করতে হয়, এই আমার প্রার্থনা।

    শ্রীকৃষ্ণ বললেন– হে বৎস, দৈত্যবংশে জন্মে তুমি এই কুলকে পবিত্র করেছ, এক বংশ পুরুষের সঙ্গে তোমার পিতাও পাপ মুক্ত হয়েছেন।

    নৃসিংহদেবকে প্রফুল্ল বদনে বসে থাকতে দেখে ব্রহ্মা এগিয়ে গেলেন। তিনি শ্রীভগবানের স্তব করতে লাগলেন।

    ভগবান বললেন– হে পদ্মযোনিব্রহ্মা, খল প্রকৃতির সাপকে দুধ পান করালে যেমন অনিষ্টেরই প্রশ্রয় দেওয়া হয়, সেইরকম, আপনি আর কখনও এইসব অসুরদের বরদান করবেন না।

    এই কথা বলে শ্রীহরি সেখান থেকে অন্তর্হিত হলেন।

    এবার দৈত্য ও দানবদের রাজা করা হল প্রহ্লাদকে। ব্রহ্মা এবং অন্যান্য দেবতাগণ তাকে আশীর্বাদ করলেন। প্রহ্লাদ তাদের পৃথক পৃথক ভাবে চরণ বন্দনা করলেন। তারপর সকলে যে যার ভবনে ফিরে গেলেন।

    চতুঃসেনের অভিশাপ মতো দ্বিতীয় জন্মে জয় ও বিজয় রাবণ ও কুম্ভকর্ণ রূপে রাক্ষসযযানিতে জন্ম লাভ করল। শ্রীরামচন্দ্র তাদের বিনাশ ঘটিয়েছিলেন। অনন্তর তারা এই যুগে শিশুপাল ও দন্তবক্র রূপে জন্মলাভ করে। শ্রীহরির প্রতি শুক্রবারের কারণ তোমারই স্বচক্ষে শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা মুক্ত হয়েছেন। মৃত্যুর সময় যে যা চিন্তা করে মৃত্যু গ্রহণ করে, পরজন্মে সে সেইরূপ লাভ করে।

    বিষ্ণু বিচিত্রময় চরিত্র এই পুণ্য আখ্যান যে পাঠ করে, যে শ্রবণ করে, তার সমস্ত পাপের বিনাশ ঘটে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }