Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. জাম্ববান কথিত পুরাকল্পীয় রামায়ণ

    জাম্ববান কথিত পুরাকল্পীয় রামায়ণ

    মানুষের ২৪ ঘণ্টায় এক দিবা রাত্র। এক বৎসর হয় ৩৬৫ দিনে। ৪,৩২,০০০ বৎসর কলিযুগ, দ্বাপরযুগ ৮,৬৪,০০০ বৎসরে ১২,৯৬,০০০ বৎসরে ত্রেতাযুগ আর সত্যযুগ ১৭,২৮,০০০ বৎসরে। এই চারটি যুগ এক করে দিব্যযুগ। এইভাবে ব্রহ্মার একদিন হয় ১০০০ দিব্য যুগে। এর সমপরিমাণ সময়ে ব্রহ্মার এক রাত্রি। ব্রহ্মর এক দিবারাত্রকে এক কল্প বলে ভগবান শ্রীগোবিন্দ যিনি অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের মালিক তিনি প্রতি কল্পেতেই তার লীলার পুনরাবৃত্তি করেন। প্রতিবারেই কিন্তু তিনি একই রকম লীলা করেন না। রাম অবতারে দেখা যায় যে তিনি কুম্ভকর্ণকে আগে বধ করে পরে রাবণকে বধ করেছিলেন। কিন্তু অন্য কল্পে দেখা যায় তিনি রাবণকে আগে বধ করে পরে কুম্ভকর্ণকে বধ করেন। সবাই জানে যে সমুদ্র বন্ধনের জন্য পাথর জলে ভাসিয়ে তিনি লঙ্কায় গমন করেছিলেন, কিন্তু অন্য কল্পে দেখা যায় মহাদেবের ধনুর সাহায্যে সকল বানর সৈন্যাদি লঙ্কা পারাপার করে।

    অন্য এক কল্পে ভগবান রামচন্দ্র যেভাবে লীলা বিলাস করেছিলেন, সেই কাহিনী কমলাগণ ব্রহ্মার শ্রীমুখ থেকে শ্রবণ করে ঋষরাজ জাম্ববান এই কল্পের শ্রীরামচন্দ্রের কাছে বর্ণনা করেন।

    অযোধ্যার মহারাজ দশরথ সুমনা নামে এক সুন্দর রাজ্য জয় করবার প্রবল বাসনা নিয়ে গুরুদেব বশিষ্ঠাকে প্রণাম করে যুদ্ধের জন্য অনুমতি চাইলেন। অনুমতি লাভ করে ব্রহ্মার আরাধনা করে শত অক্ষৌহিনী সেনা নিয়ে একটি সুন্দর শ্বেতবর্ণ অশ্বের পিঠে চড়ে যুদ্ধে যাত্রা করলেন। ২১,৮৭০ রথ, ২১,৮৭০ গজ, ৬৫,৬১০ অশ্ব এবং ১,০৯,৩০৫ পদাতিক নিয়ে এক অক্ষৌহিনী হয়। সুমনা রাজ্যের রাজার নাম সাধ্য দশরথের সঙ্গে এক মাস ব্যাপী যুদ্ধ করে পরাজিত ও বন্দী হলেন। সাধ্য রাজার পুত্র ভূষণ কতিপয় সৈন্য নিয়ে দশরথের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এলে, তার রূপ দেখে দশরথের মনে স্নেহ দয়ার উদয় হল। ভাবলেন এই বালকের সঙ্গে যুদ্ধ করলে এর পিতামাতা দুঃখ পাবে। আমারও এক পুত্র এমনি সুন্দর ছিল। সেই পুত্র ভল্লুকের আক্রমণে প্রাণ না হারালে তার এমনিই বয়স হত। একে দেখে আমার তার কথা মনে পড়ছে। আমি এর সঙ্গে যুদ্ধ করব না, তবে একে কৌশলে বন্দী করব।

    এমন চিন্তা করে ভূষণকে রাজা দশরথ কৌশলে বন্দী করলেন। তারপর সাধ্য ও ভূষণের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে তাদের রাজ্য ফিরিয়ে দিয়ে সেই রাজপ্রাসাদেই এক মাস অবস্থান করলেন। প্রত্যেক দিন ভূষণকে দেখে আনন্দ পেতেন আর মনে মনে ভাবতেন, এ যদি আমার পুত্র হত, তা হলে না জানি আরও কত সুখ হত। আমার কিভাবে পুত্র লাভ হবে, সে বিষয়ে এই সাধ্যকে জিজ্ঞাসা করি।

    মনে মনে এই কথা চিন্তা করে সাধ্যকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাজা দশরথকে বললেন, একাদশীতে উপবাস, বিষ্ণু পূজা, বিষ্ণুর নামকীর্তন, বিষ্ণুর অঙ্গে ধৃত লেপন, তুলসী দ্বারা বিষ্ণুর সেবা ও বিভিন্ন পুষ্পের দ্বারা বিষ্ণুর পূজা করতে হবে। শ্রীহরির প্রতিকামনায় বিভিন্ন ব্রত করতে হবে। ভগবান বিষ্ণু প্রসন্ন হলে অভীষ্ট সিদ্ধ হবে।

    মহারাজ দশরথ সাধ্যের উপদেশ শুনে অযোধ্যায় এসে উপদেশ মতো সমস্ত কাৰ্য্য করলেন। বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে পুত্র কামনায় যজ্ঞ করলেন, সেই যজ্ঞাগ্নি থেকে ভগবান নারায়ণ উত্থিত হয়ে দশরথকে বর প্রার্থনা করতে বললেন।

    দশরথ বললেন–আমাকে দীর্ঘজীবি, লোকোপকারী অতি ধার্মিক চার পুত্র দান করুন। তারপর রাজার চার মহিষী কৌশল্যা, সুমিত্রা, সুরূপা ও সুযেশা বললেন–আমাদের গর্ভে এক এক করে পুত্রের জন্ম হোক, কৌশল্য বললেন–হে নারায়ণ, আপনি যদি আমার প্রতি প্রসন্ন থাকেন, তাহলে আপনিই আমার পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করুন।

    শ্রীহরি প্রসন্ন হয়ে বললেন–তাই হবে। এই কথা বলে তিনি যজ্ঞীয় চরুতে প্রবেশ করলে রাজা সেই চরু চার ভাগ করে চার মহিষীকে দিলেন ভক্ষণ করবার জন্য। পরে কৌশল্যার গর্ভে রাম, সুমিত্রার গর্ভে লক্ষ্মণ, সুরূপার গর্ভে ভরত ও সুবেশার গর্ভে শত্রুঘ্ন জন্মগ্রহণ করেন। ব্রহ্ম চার পুত্রের নামকরণ করলেন।

    একদিন এক ব্রহ্মরাক্ষস এসে রামকে গ্রহণ করলে রাম মুচ্ছিত হন। রাজা দশরথ কোলে নিলেও রামের মূচ্ছা ভঙ্গ হল না। মূচ্ছিত রামকে নিয়ে বশিষ্ঠ মুনির আশ্রমে গেলে মুনিবর রামের গায়ে মন্ত্রপুত্র ভস্ম নিক্ষেপ করে ব্রহ্মরাক্ষসের হাত থেকে মুক্ত করলেন।

    তারপর বশিষ্ঠদের চার কুমারকে উপনয়ন দিয়ে নানাবিধ নীতিশাস্ত্র পাঠ দিলেন, ধনুর্বেদ, আয়ুর্বেদ, যুদ্ধবিদ্যাও শিক্ষা দিলেন।

    পুত্রগণের যৌবনকালে রাজা দশরথ তাদের বিবাহের কথা চিন্তা করে নানা দেশে দূতদের পাঠালেন সুন্দরী কন্যার সন্ধানে। কিছুদিন পরে এক দূতের মুখে তিনি শুনলেন, বিদর্ভনগরে রাজা জনকের সীতা নামে এক কন্যা আছে, যাকে তিনি যজ্ঞের দ্বারা লাভ করেছেন। সর্বলক্ষণ সম্পন্না সেই কন্যা রামের উপযুক্ত এবং রাজা জনকও তার কন্যাকে রামকে দান করতে ইচ্ছুক আছেন।

    এই সংবাদ পেয়ে রাজা দশরথ বিদর্ভনগরে বশিষ্ঠদেবকে পাঠিয়ে বিবাহের লগ্ন স্থির করে নির্দিষ্ট দিনে লোকজন সহ চার পুত্রকে নিয়ে মিথিলায় গমন করলেন।

    তারপর মিথিলারাজ সপরিজনে ধান্য দূর্বা, দিয়ে সমাগত সবাইকে সম্বর্ধনা করে তার পুরীর কাছে নবনির্মিত বাসস্থানে নিয়ে এলেন।

    এই সময়ে দেবর্ষি নারদ মিথিলায় আগমন করলে, বিদেহরাজ তাঁর চরণ পূজা করে জিজ্ঞাসা করলেন-হে দেবর্ষি কাল আমার জানকীর বিবাহ আপনি উপস্থিত থেকে বিবাহকাৰ্য্য সমাপন করবেন।

    নারদ বললেন–আগামীকাল বিবাহের লগ্ন ভাল নয়। এই শুনে বিদেহরাজ গর্গ মুনিকে ডেকে পুনরায় লগ্ন স্থির করবার জন্য বললে, নারদ ও গর্গচার্য্যের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হল।

    অবশেষে স্থির হল, আগামীকাল ক্ষত্রিয় বিবাহ হতে পারে। তা স্বয়ম্বর নিয়মেই সাধিত হওয়া দরকার।

    এই কথা শুনে জনকরাজ ভাবলেন, বর বাড়িতে উপস্থিত, এদিকে কন্যার স্বয়ম্বর হবে কিভাবে? এতে বরকে অপমান করা হবে। চিন্তায় পড়লেন তিনি। দশরথকে গিয়ে দুঃখিত ভাবে সবকথা বললেন–জনকরাজ। দশরথ কোন আপত্তি করলেন না। তখন রাজা দিকে দিকে স্বয়ম্বরের বার্তা পাঠালেন।

    কিন্তু জনকরাজা মনে মনে ভাবছেন এ আমি কি করলাম। রামকে কন্যা দেব স্থির করেও স্বয়ম্বরের উদ্যোগ করা উচিত হয়নি। তখন তিনি পার্বতীসহ মহেশ্বরের ধ্যান করতে লাগলেন।

    সেই ধ্যানে তুষ্ট হয়ে মহেশ্বর দর্শন দিলেন, বললেন–আমি বর দান করবার জন্য এসেছি। তুমি বর প্রার্থনা করো।

    জনকরাজা তার বিপদের কথা মহেশ্বরকে জানিয়ে বললেন–হে মহেশ্বর, এই অবস্থায় রাম যাতে আমার জামাতা হয়, যাতে বিবাহকাৰ্য্য নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তার ব্যবস্থা করুন। এই আমার নিবেদন।

    মহাদেব বললেন–এই আমার পিনাক ধনু তুমি রেখে দাও। যে জন এই ধনুতে জ্যা রোপণ করবে, তাকেই কন্যাদান করবে। এই কাৰ্য্য রাম ছাড়া আর কেউ করতে পারবেনা।

    এই কথা বলে মহেশ্বর পিনাক ধনুটি রেখে অন্তর্হিত হলেন। মিথিলায় সকলের মনে জনকনন্দিনী সীতাকে বিবাহ করবার ইচ্ছা জাগল। ইন্দ্র, সূর্যদেব, অন্যান্য দেবতাগণ, অসুর, রাক্ষস সবাই ধনুতে জ্যা রোপণ করতে ব্যর্থ হল।

    তারপর রাজা দশরথ সকলের শেষে রামকে পাঠালেন। রাম পিতার চরণবন্দনা করে উপস্থিত সর্বজনকে নমস্কার করে সেই ধনুকে স্পর্শ করলেন। তারপর প্রণাম ও প্রদক্ষিণ করে বাম হস্তদ্বারা সেই ধনু তুলে তার অগ্রভাগ নত করে তার মধ্যভাগ জানু রেখে এক হাতে অগ্রভাগে জ্যা রোপণ করলেন। এই দৃশ্য দেখে সকলেই আশ্চৰ্য্য হল। তখন রাজা জনক রামকে কন্যা সম্প্রদান করলেন। অন্যান্য রাজারা এতে অপমানিত বোধ করে রামের সঙ্গে যুদ্ধ করলেন। রাম যুদ্ধে তাদের পরাজিত করে সীতাকে নিয়ে অযোধ্যায় ফিরে গেলেন।

    দশরথ রামকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করলে সবাই যখন খুশি হলেন, তখন ভরতের মা কেকয় রাজের কন্যা সুবেশা রামের প্রশংসায় খুশি হতে পারলেন না। তিনি পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুসারে দশরথের কাছে দুটি বর চাইলেন। এক, রাম চৌদ্দ বৎসরের জন্য বনে বাস করবে। দুই, ভরত অযোধ্যার রাজা সিংহাসনে বসবে।

    এই বর প্রার্থনায় রাজা দশরথ দুঃখিত হলেও মিথ্যাবাদী হবার ভয়ে অতিকষ্টে স্বীকার করলেন।

    রঘুনাথ পিতা-মাতার চরণ বন্দনা করে বনে যাত্রা করলেন। সীতাদেবী ও লক্ষ্মণও রামের সঙ্গে বনে গমন করল। প্রথমে একদিন উদ্যানে অবস্থান করে জানিৰ্মাণ করলেন। বসন ত্যাগ করে গাছের ছাল পরলেন। সর্বাঙ্গে ভস্ম মাখলেন। তার পর তারা বনে প্রবেশ করলেন। সেখানে তারপর রাক্ষস বধ করে বহু অদ্ভুত কর্ম সাধন করলেন। তারপর মারীচের সাহায্য রাবণ সীতাকে হরণ করলে, রাম পঞ্চবটী বন থেকে ঋষ্যমূক পর্বতে গমন করলেন। তারপর ক্লান্তি দূর করবার জন্য লক্ষ্মণের কোলে মাথা রেখে শয়ন করলেন। তখন শুনতে পেলেন কাছাকাছি কেউ মধুর গান গাইছে। উপর দিকে তাকিয়ে দেখলেন, স্বর্ণবর্ণের একটি বানর যার কর্ণে কুণ্ডল, গলায় যজ্ঞোপবীত। সেই বানরকে দেখে রাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন–তুমি কে? তোমার নাম কি?

    বানর বলল–আমার নাম হনুমান। সুগ্রীবের লোক আমি। এই বলে রামকে প্রণাম করে সে সুগ্রীবের কাছে গিয়ে বলল দেব, দ্বিতীয় নারায়ণের মতো এক সুন্দর ঘনশ্যাম যুবা পুরুষকে দেখলাম। মাথায় জটা, অজানুলম্বিত বাহু, দেখে মনে হল তিনি পরম যশস্বী। আর একজন যুবকও আছেন সাথে । মনে হয় তারা কোনো রাজার পুত্র।

    হনুমানের মুখে সব শুনে সুগ্রীব জল আর পূজার দ্রব্য নিয়ে রামের কাছে এসে, তাদের পদ প্রষালন করে আহারের জন্য ফল দিয়ে বললেন–কে আপনারা? এখানে কিসের জন্য এসেছেন?

    সুগ্রীবের প্রশ্নের উত্তরে লক্ষ্মণ বললেন–মহারাজ দশরথের পুত্র আমরা, আমাদের নাম রাম ও লক্ষ্মণ। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য আমরা বনে এসেছি। বর্তমানে আমার অগ্রজের ভাৰ্য্যাকে কেউ অপহরণ করেছে, তার খোঁজে এসেছি, তাকে উদ্ধারের জন্য আমরা সমুদ্র পার হতে পারি, পাতালে প্রবেশ করতে পারি, এমনকি ইন্দ্রকেও রাজ্যচ্যুত করতেও প্রস্তুত আছি।

    তার উত্তরে সুগ্রীব বললেন–কয়েকদিন পূর্বে এক রমণীকে লঙ্কার রাজা হরণ করে নিয়ে যায়। যাবার সময় সেই রমণী কাঁদতে কাঁদতে এই অলঙ্কারগুলি ফেলে দিয়ে যান। এইগুলি তার কিনা দেখুন।

    রাম সেই অলঙ্কারগুলি দেখে বুঝতে পারলেন, সেগুলি সীতারই অলঙ্কার। তখন সুগ্রীবকে বললেন–রাবণ কোন্ দিকে গেছে? উত্তরে সুগ্রীব বললেন–দক্ষিণ দিকে রাবণ গেছে।

    তারপর সুগ্রীব রামকে বললেন–যে, সে স্থানহীন, ভাৰ্যাহীন হয়ে এই বনে অবস্থান করছে। তার রাজ্য ও পত্নীকে তার ভাই বালী হরণ করেছে। তখন রাম বালীকে বধ করে কিষ্কিন্ধ্যার সিংহাসন সুগ্রীবকে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করলেন। তারপর বালী ও সুগ্রীবের মধ্যে মল্লযুদ্ধের সময় রাম বালীকে বধ করলেন।

    সমুদ্রতীরে এসে রাম সুগ্রীবকে জিজ্ঞাসা করলেন–কত দূরে লঙ্কা? সীতা কোথায়? কিভাবে শত্রুকে বধ করব?

    হনুমান বলল-লঙ্কায় প্রবেশ করে সীতার খোঁজ করব, সবকিছু জানব, তারপর হয় সন্ধি না হয় যুদ্ধ, যা হবার হবে। অনুমতি দিন, আমি লঙ্কায় যাই। রামের অনুমতি নিয়ে হনুমান লঙ্কায় প্রবেশ করে অশোক কাননে সীতাকে দেখতে পেল। তারপর লঙ্কায় বহু বন ভেঙে বন রক্ষকদের বধ করলে, রাক্ষসেরা হনুমানকে বেঁধে তার লেজে আগুন ধরিয়ে দিল। হনুমান লঙ্কা দগ্ধ করে আবার রামের কাছে। ফিরে এসে সকল ঘটনা জানাল।

    জাম্ববান বললেন–আমি নারদের মুখে শুনেছি বানর সেনার সাহায্যে রাম লঙ্কাপুরী ছারখার করবেন। তাহলে আমাদের এখন সমুদ্র পার হতে হবে।

    কিভাবে সমুদ্র পার হবেন, এই কথা চিন্তা করে রাম শঙ্করের আরাধনা করলেন। তখন শিবলিঙ্গ থেকে তেজোময় মূর্তি আবির্ভূত হলেন। তাঁর মাথায় কিরীট, সর্বাঙ্গে অলঙ্কার, অঙ্গের জ্যোতিতে দশদিক আলোকিত, তিনি পদ্মাসনে বসে। তার কোলের উপর পার্বতী।

    মহাদেবকে দর্শন করে রাম তাঁকে প্রণাম জানিয়ে বললেন–আমি সীতাকে উদ্ধারের জন্য লঙ্কায় যাব। সমুদ্র পার হবার একটা উপায় বলে দিন।

    শঙ্কর বললেন–কোন চিন্তা নেই, আমার পিনাক ধনু আছে। সেই বিশাল ধনুকের এক প্রান্ত এপারে রেখে অন্য এক প্রান্ত লঙ্কায় রাখবে। তাহলেই তার উপর দিয়ে সকলে সহজেই পার হয়ে যেতে পারবে। রাম সেই ধনুক পূজা করলেন। মহাদেব সেই ধনুক রামকে দিলে ধনুকটিকে তিনি লঙ্কা অভিমুখ সমুদ্র ফেলে দিলেন। সেই ধনুকের অগ্রভাগ সমুদ্রের অপরপারে লঙ্কার তটে গিয়ে লাগল। তখন রাম। লক্ষ্মণ সহ সুগ্রীবের সকল সৈন্যবল খুব সহজে পিনাক ধনুর ওপর দিয়ে লঙ্কা গিয়ে পৌঁছলেন।

    সুগ্রীবের বানর সৈন্যরা লঙ্কার প্রাচীরে উঠে গাছের ডালপালা, অট্টালিকা সমস্ত কিছু ভাঙচুর আরম্ভ করল। রাক্ষসেরা তাদের তাড়া করল। রাক্ষসেরা অট্টালিকার ভাঙা স্তম্ভ নিয়ে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে দিল। এই যুদ্ধে রাক্ষস জাতির বহু বালক, বৃদ্ধ, বণিতা হতাহত হল। তখন রাবণের আদেশে ইন্দ্রজিৎ এসে বানরদের সঙ্গে যুদ্ধ করলে বানরেরা ভয়ে পালিয়ে গেল।

    হনুমান ভীত বানরদের যুদ্ধে উৎসাহ দিয়ে তাদের দশ ভাগে বিভক্ত করল। তখন ইন্দ্রজিৎ আকাশের অলক্ষ্যে থেকে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করলেন। কেউ তাকে দেখতে পায় না। তখন হনুমান আর জাম্ববান লাফ দিয়ে আকাশে উঠে পর্বতের শৃঙ্গ দিয়ে প্রহার করে ইন্দ্রজিৎকে মাটিতে ফেলে। দিলেন। আর সঙ্গে সঙ্গে বাণ মেরে লক্ষ্মন ইন্দ্রজিৎকে বধ করলেন।

    তারপর অতিকায় আর মহাকায় নামে দু’জন রাক্ষসের সঙ্গে রাম ও সুগ্রীবের যুদ্ধ হল। শেষে হনুমান ও জাম্ববান এর সঙ্গে যুদ্ধ করে দুই রাক্ষস তাদের হাতে বন্দী হল।

    রাম বন্দী দুই রাক্ষসকে বললেন–রাবণ আর তার মন্ত্রীগণকে গিয়ে বল, যেন সীতাকে ফিরিয়ে দেয়, তা না হলে আমরা লঙ্কাপুরের কাউকে জীবিত রাখব না।

    অতিকায় রাক্ষস তখন বলল–আমরা স্থির করেছি আপনার সঙ্গে যুদ্ধ করব। বিদ্যুৎম্মানী নামে এক মহারাক্ষস সৈন্য পরিচালনা করে তখন দৃশ্য বা অদৃশ্য ভাবে যুদ্ধ করবে। কিছু পরে দেখবেন রাবণ যুদ্ধক্ষেত্রে অন্য দিক থেকে এসে আপনাকেই নিধন করবেন। কুম্ভকর্ণ প্রভৃতি পরাক্রমশালী রাক্ষসগণ ভীষণমূর্তি ধারণ করে আপনাকে বন্দী করে সীতার কাছে নিয়ে গিয়ে তার সামনেই আপনাকে বধ করবে।

    তার উত্তরে রাম বললেন–ও হে, বলবানের অসাধ্য কি? তোমরা কি জান যে তোমাদের বিষম বিপদ খুব কাছেই?

    তখন অতিকায় বলল–হে রাম, কোনমতেই রাবণকে আপনি বধ করতে পারবেন না। কারণ লঙ্কাদ্বারে যে পঞ্চানন মূর্তি আছে, যে তাকে এক বাণে পাঁচ খণ্ডে ছেদন করতে পারবে, তারই হাতে রাবণের মৃত্যু হবে, অন্যথায় রাবণকে কেউ মারতে পারবে না।

    রাবণের মৃত্যুর উপায় জানতে পেরে রাম সঙ্গে সঙ্গেই ধনুতে শর সন্ধান করে লঙ্কাদ্বারের শিব মূর্তিকে পাঁচখণ্ড ছেদন করে দিলেন। এই দেখে রাক্ষস দুজন বুঝতে পারল যে রাক্ষস বংশ এবার নির্মূল হবে, তখন তারা রামের চরণে শরণ নিয়ে বলল–মহাশয়, অনুগ্রহ করে আমাদের বালক পুত্রগুলিকে রক্ষা করবেন। তাদের কথায় সম্মতি জানিয়ে রাম তাদের ছেড়ে দিল।

    তারপর সুগ্রীবের সৈন্যরা রাবণের প্রথম প্রাচীরটি ভেঙে দ্বিতীয় প্রাচীর ভাঙবার উপক্রম করলে রাবণ নিজে এসে বহু বাণ মারতে মারতে রামের সামনে উপস্থিত হলেন। প্রথমে রাবণ রামকে পাঁচবাণে বিদ্ধ করলেন। তাদের মধ্যে ঘোরতর যুদ্ধ আরম্ভ হল। শেষে রামের বাণে রাবণ ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহ নিয়ে পালিয়ে গেলেন।

    পরের দিন রাবণ রাজসভায় বসে মন্ত্রীদের সঙ্গে যখন শলাপরামর্শ করছেন তখন বিভীষণ তাঁকে বললেন–শত্রুর এবং নিজের শক্তি ভালভাবে বুঝে শত্রু শক্তির অপেক্ষা নিজের শক্তির অধিক হলে, তবেই যুদ্ধ করা উচিত। নতুবা প্রাণ নাশের সম্ভাবনা থাকে। আপনি দুর্বল তাই বলবান রামের সঙ্গে আপনার যুদ্ধ করা কোনমতেই উচিত নয়। বালী, মারীচ প্রত্যেককেই রাবণ যমালয়ে পাঠিয়েছেন। একবাণে পঞ্চানন মূর্তি ছেদন করেছেন রাম। কাজেই সীতাকে আপনি প্রত্যর্পণ করে রামের চরণে আশ্রয় নিন। অন্যথায় তার হাতে বিনাশ হবেন।

    বিভীষণের সৎ উপদেশ শুনে রাবণ ভীষণ ক্রুদ্ধ হয়ে বলেন–বিভীষণ তুমি বীর নও, রাক্ষস নও। রাজার কর্তব্য তুমি জান না। পররাজ্য, পরস্ত্রী, পরদ্রব্য বলপূর্বক হরণ করা বীর পুরুষের ধর্ম, তোমার ক্লবদের জন্য সে ধর্ম নয়। তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকলে যাও, শত্রুর পদতলে গিয়ে পড়। আমি তোমার কথা মানতে পারছি না।

    তখন বিভীষণ রামের চরণে গিয়ে আশ্রয় নিলেন। তাকে সাদরে গ্রহণ করলেন রাম। তারপর হল মহাসংগ্রাম। কিছুতেই রাবণকে বধ করা যাচ্ছে না। তখন বিভীষণের দিকে রাম দৃষ্টিপাত করলে, যে বাণে রাবণের মৃত্যু হবে সেটি বিভীষণ দেখিয়ে দিলে সেই বাণের দ্বারা রাম রাবণকে বিনাশ করলেন।

    তারপর অসময়ে রাবণের ভাই কুম্ভকর্ণের ঘুম ভাঙিয়ে তাকে যুদ্ধে পাঠালে, যুদ্ধে এসেই সে বহু বানরকে খেয়ে ফেলল, গদা হাতে রামের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এসে, রামকে আঘাত করার চেষ্টা করলে একটি মাত্র বাণের দ্বারা তার ভবলীলা শেষ করে দিলেন রাম।

    তারপর রাম বিভীষণের দ্বারা রাবণের শ্রাদ্ধাদি কর্ম করে রাবণের নামে শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করলেন। লঙ্কারাজ্যে বিভীষণকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। সীতাকে অগ্নি পরীক্ষার দ্বারা শুদ্ধি করে উমা মহেশ্বরের চরণে উভয়ে প্রণাম করলেন।

    তারপর মহাসমরোহে সকলে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করে বশিষ্ঠ মুনির চরণে প্রণাম করে নাগরিকদের অভিনন্দন গ্রহণ করে স্বগৃহে প্রবেশ করলেন।

    দেবতারা রাবণ বধের জন্য পরমানন্দ লাভ করে শ্রীরামের বহু স্তব স্তুতি করে ফিরে গেলেন। অযোধ্যাবাসী প্রজাবৃন্দ রামকে বললেন–যে, আপনি শত্রু নিধন করে ফিরে এসেছেন, আপনি আমাদের সর্বদা পালন করুন।

    রঘুনাথ তাদের কথায় খুশি হয়ে বস্ত্রাদি দান করে সকলকে সমাদৃত করলেন। তারপর মুনিগণ রামকে আশীর্বাদ করে স্ব স্ব আশ্রমে ফিরে গেলেন।

    তারপর বিভিন্ন সৎকর্মানুষ্ঠানের দ্বারা ভগবান রামচন্দ্র সর্বজনে প্রিয় হয়ে সমগ্র রাজ্যকে শান্তিময় করে তুললেন।

    যিনি এই উপাখ্যান শ্রবণ ও কীর্তন করবেন, তার সকল দুর্গতি নষ্ট হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }