Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. কালীর তপস্যা

    কালীর তপস্যা

    শিব পার্বতীকে বিবাহ করে কৈলাসে আনলেন। পার্বতী রাজার কন্যা। শিবের নিজস্ব কোনো ঘর নেই। তিনি থাকবেন কোথায়? এতোদিন ঘরের প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু এখন ঘর না হলেই নয়, তাই বিশ্বকর্মাকে ডেকে ঘর নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হলো। তৈরি হল বিশাল প্রাসাদ। পার্বতী সেই প্রাসাদ দেখলেন এবং বললেন, মোটামুটি ঠিক আছে। তবে আমার বাবার প্রাসাদের থেকে সামান্য ছোটো। একেবারে নিরাশ্রয়ের থেকে এই ভাল। তিনি মহাদেবকে বললেন, যেদিন গৃহে প্রথম প্রবেশ করা হবে সেদিন যেন একটা যজ্ঞ করা হয়।

    পার্বতীর কথা শুনে মহেশ্বর খুব খুশি হলেন। গৃহস্থদের মত তিনি যজ্ঞ করলেন। সেই যজ্ঞে ঋষিগণ, দেবতাগণ আর যতসব প্রমথগণও এলেন। মহা ধুমধামে যজ্ঞ ক্রিয়া শেষ হল, নানারকম ভক্ষ্য ভোজে সবাই খুশি হল।

    উমা সেই গৃহে মহাদেবের সঙ্গে আনন্দে থাকতে লাগলেন। আগে শিব একা একা থাকতেন, ‘বোম্‌ বোম্’ করে ঘুরে বেড়াতেন। এখন তিনি পার্বতীকে নিয়ে গার্হস্থ জীবনযাপন করছেন। কারও কোনও কষ্ট নেই।

    মহাদেব একদিন কথার ছলে পার্বতীকে ‘কালী’ বলে সম্বোধন করলেন। শিব একটু রসিকতা করেছিলেন কিন্তু উমা বুঝতে পারেন নি। তিনি মনে খুবই দুঃখ পেলেন। তখন তাঁর মনে দীনতা এলো। তিনি অভিমান করে বললেন–হে পরমেশ্বর, কোন গাছকে যদি কুঠার দিয়ে কেটে ফেলা হয় তখন কাটা জায়গা দিয়ে আবার কচি পাতা বের হয়। তারপর গাছটি বিশাল বৃক্ষের আকার ধারণ করে। কিন্তু কেউ যদি কটু কথা বলে কাউকে আঘাত করে তাহলে সেই মনোব্যথা দূর করা যায় না। মুখ থেকে যে বাক্যবাণ বেরোয় সেটা যখন আঘাত করে, আহত জন সব সময় মনোবেদনা ভোগ করে।

    যিনি জ্ঞানবান হন, তিনি কখনও কটুবাক্য প্রয়োগ করেন না। হে নাথ, আজ তুমি ধর্ম অতিক্রম করলে আর কোনদিন যাতে তুমি আমাকে কালী’ না বলতে পারো তার জন্য আমি তপস্যা করতে চাই। তুমি অনুমতি দাও।

    এই বলে পার্বতী শিবের চরণে প্রণাম করলেন। তখন শিব কিছুক্ষণ চিন্তা করে উমাকে তপস্যার অনুমতি দিলেন।

    স্বামীর অনুমতি পেয়ে উমা ব্যোমযানে উঠলেন। তারপর হিমালয়ে এক শৃঙ্গে একটি সুন্দর জায়গা পরিদর্শন করে সেখানে তপস্যায় বসলেন। তখন তিনি ভাবতে লাগলেন –একা তপস্যায় বসলে অনেক রকম বাধাবিঘ্ন আসতে পারে। তাই তিনি তাঁর চারজন সখীকে ডেকে পাঠালেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে জয়া, বিজয়া, জয়ন্তী, আর অপরাজিতা হাজির হলেন। খুব আনন্দের সঙ্গে তারা পার্বতীর সেবায় ব্রতী হলো।

    একদিন শিবকে পাবার জন্য গিরিরাজের কন্যা একমনে কঠোর তপস্যায় মন দিলেন। পার্বতী যেমন তপস্যা করেছিলেন, এখন ঠিক তেমনি তপস্যা করলেন।

    একদিন একটি বাঘ ঘুরতে ঘুরতে আশ্রমে ঢুকে পড়ল। সে দেখল একটি নারী একপায়ে দাঁড়িয়ে তপস্যা করছে। তখন বাঘটি ভাবল–এই নারী তপস্বিনী, একে খাওয়া উচিত হবে না। তপস্যায় সিদ্ধ হলে এই নারী যখন বরলাভ করবে, তখন আমি একে খাইনি বলে আমিও বরলাভ করবো।

    বাঘ যখন এই সমস্ত ভাবছে, তখন পার্বতীর চার সখী সেখানে ছিল না। সেই বাঘ তখন সেখানেই বসে রইলো। চার সখী আশ্রমে বাঘকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু বাঘকে শান্ত থাকতে দেখে তারা যে যার কাজ করতে লাগলো।

    বিধাতাকে প্রসন্ন করার জন্য পার্বতী কঠোর তপস্যা করছেন। এভাবে একশো বছর পার হয়ে গেল। ব্রহ্মা তুষ্ট হয়ে উমার সামনে উপস্থিত হলেন।

    ব্রহ্মা বললেন, আমি তোমার তপস্যায় সন্তুষ্ট। এখন তুমি বল, কি প্রার্থনা তোমার?

    ব্রহ্মার কথা শুনে দেবী পার্বতী খুব খুশি হলেন এবং বললেন, হে পদ্মাসন, আমাকে বর দেবার আগে এই বাঘটিকে বর দিন।

    দেবীর কথা শুনে ব্রহ্মা সেই বাঘকে বর দিলেন–হে বাঘ, তুমি সানপত্য লাভ করবে। ভগবানে তোমার ভক্তি থাকবে আর সব জায়গাতেই তোমার জয় হবে।

    বাঘকে ব্রহ্মা বরদান করার পর পার্বতীকে বললেন, এবার তুমি বর চাও। তুমি যা চাইবে আমি তাই দেবো।

    তখন দেবী পার্বতী ব্রহ্মাকে বললেন, আমার গায়ের রঙ কালো, এই রঙকে আপনি সোনার বর্ণ করে দিন।

    ব্রহ্মা বললেন–তাই হবে, এই বলে তিনি চলে গেলেন।

    দেবী তখন কৃষ্ণবর্ণ মূর্তি ত্যাগ করে সোনার প্রতিমার রূপ ধারণ করলেন। দেবী যে দেহটি পরিত্যাগ করলেন, সেখান থেকে আর একজন দেবীর উৎপত্তি হলো। সেখানে ইন্দ্র উপস্থিত হয়ে বললেন–হে দেবী, তোমার দেহকোষ থেকে উৎপন্ন এই দেবীর নাম হবে কৌশিকী, এই কৌশিকী আমার ভগ্নী হল। তাই আমি হলাম কৌশিক। হে পর্বত নন্দিনী, এই দেবীকে এখন আমাকে দাও।

    পার্বতী ইন্দ্রের সব কথা শুনলেন, এবং তারপরে তিনি কৌশিকীকে ইন্দ্রের হাতে তুলে দিলেন। ইন্দ্র তাকে নিয়ে আনন্দে বিন্ধ্যাচলে চলে গেলেন। বিন্ধ্যাচলের সৌন্দর্য দেখে দেবী খুব খুশি হলেন। বললেন–আমি এখানেই বাস করবো।

    ইন্দ্র তখন দেবীকে সেখানেই স্থাপন করলেন। একটা সিংহকে এনে তার বাহন করে দিলেন। তারপর বললেন–হে দেবী, এই বিন্ধ্যপর্বত তোমার অধিষ্ঠানের জন্য ধন্য, আর পুণ্যক্ষেত্র রূপে পরিগণিত হবে। আর তুমি বিন্ধ্যবাসিনী নামে খ্যাত হবে। দেবতাগণ এখানে এসে যথাবিধিমতো তোমার পূজা করবে। সবার পূজা পেয়ে তুমি বিজয়িনী হবে। আর তুমি আমাদের শত্রুদের সংহার করবে।

    এইভাবে দেবীকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করলেন ইন্দ্র এবং তারপরে তিনি নিজে ইন্দ্রপুরীতে ফিরে গেলেন।

    পার্বতী এদিকে ব্রহ্মার বর লাভ করে খুব খুশি হয়েছেন। তিনি আনন্দে কৈলাসে গিয়ে মহেশ্বরের চরণে প্রণাম করলেন। পার্বতীকে দেখে শিব একেবারে অবাক। প্রেমপূর্ণভাবে তখন গৌরীকে আলিঙ্গন করলেন, পরিহাসছলে তিনি উমাকে কালো বলেছিলেন, আর সেইজন্যই আজ গৌরী স্বর্ণপ্রভা সমউজ্জ্বলা।

    শিব পার্বতীর সঙ্গে কৈলাসে খুব আনন্দের সঙ্গে বাস করছেন। তাঁরা হাজার বছর ধরে রতিক্রিয়ায় রত হলেন, অগত্যা সবাই ছুটলেন ব্রহ্মার কাছে, সবার মুখে একই কথা, কেন এমন হল?

    স্থির হয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন ব্রহ্মা। অন্তর্যামী দেখতে পেলেন হর- গৌরীর রতিক্রিয়ার ফলে এমন হচ্ছে দেবগণকে জানালেন সেই কথা। সেজন্য ত্রিভুবন আক্রান্ত।

    ব্রহ্মা দেবতাদের এই কথা বলে চুপ করে গেলেন। শঙ্করের এই মোহ কীভাবে নাশ হবে তার উপায় তিনি বললেন–না। যতকাল শিবের এই মোহের সমাপ্তি না হয়, ততকাল তারা সেখানে অবস্থান করবেন বলে স্থির করেন।

    শঙ্করের এই রতিক্রিয়া শেষ হলে নিশ্চয় তাঁর পুত্র হবে। হাজার বছর রতিক্রিয়ার ফলে যে পুত্র হবে, সে নিশ্চয় খুব তেজস্বী হবে।

    এই সকল কথা ভেবে ইন্দ্র খুব ভয় পেয়ে গেলেন দেবতাদের এই আলোচনা শুনে। শঙ্করের পুত্র যদি খুব তেজীয়ান হয়, তাহলে সে যুদ্ধে ইন্দ্রকে হারিয়ে দিয়ে স্বর্গের সিংহাসন লাভ করবে। কাজেই আর দেরি করা উচিত নয়। সব দেবতাগণ চললেন কৈলাসের মন্দার পর্বতে কিন্তু শিবের প্রাসাদ ঘরে যেতে কেউ সাহস করছেন না। না জানি কি বিপদ ঘটবে।

    সব দেবতারা ঠিক করলেন, তারা অগ্নিকে সেখানে পাঠাবেন। কারণ দেবতাদের মধ্যে সব থেকে ছোটো হল অগ্নি। সবাই তাকে ভৃত্যের মতো খাটায়।

    সবার আজ্ঞায় অগ্নি ভয়ে ভয়ে শিবের দ্বারের কাছে গেলেন। সেখানে গিয়ে ভাবতে লাগলেন সেখানে তিনি ঢুকবেন কি করে, কারণ দ্বারদেশে দ্বারপালিনিরূপে নন্দী দাঁড়িয়ে আছেন, দেখে সবারই ভয় লাগে। বহু চিন্তা করলেন, কিন্তু তিনি কোনো উপায় বার করতে পারলেন না।

    তিনি হঠাৎ করে দেখতে পেলেন একটি হাঁসের দল সেই দ্বারদেশ দিয়ে বাইরে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি উপায় স্থির করে ফেললেন। ওই হাঁসগুলো সন্ধ্যায় যখন প্রসাদে ঢুকবে তখন তাদের সঙ্গে তিনিও হাঁসরূপে ঢুকে পড়বেন। সেই ভাবেই নন্দীকে ফাঁকি দিয়ে প্রাসাদে ঢুকে পড়লেন।

    তারপরে হংস দেহে শঙ্করের মাথার কাছে গিয়ে বললেন–হে মহেশ্বর, আপনি কি করছেন? আপনার গৃহের দ্বারে কত দেবতা বসে আছেন, আপনি একবার গিয়ে দেখুন।

    শঙ্কর এই কথা শুনে চমকে উঠলেন। তখন তিনি পার্বতীকে ছেড়ে অগ্নির সঙ্গে দ্বারের বাইরে এলেন। দেবতাদের দেখলেন। তিনি দেখলেন তার অপেক্ষায় সবাই দাঁড়িয়ে আছেন।

    শিবকে দেখতে পেয়ে দেবতারা তাঁকে প্রণাম করলেন। মহেশ্বর তখন বললেন, আপনারা কিসের জন্য এসেছেন? যদি কোনো বরের প্রয়োজন থাকে, তাহলে আমি এক্ষুনি দিয়ে দিচ্ছি।

    তখন দেবতারা বললেন, হে ঈশ্বর, আপনি মহতি মৈথুন কাজে লিপ্ত আছেন। তা থেকে বিরত হোন।

    মহেশ্বর বললেন, আপনারা যা চাইছেন তাই হবে। কিন্তু এই মৈথুনে এ পর্যন্ত যে রেতঃ সংগৃহীত হয়েছে, আপনাদের মধ্য থেকে কাউকে ধারণ করতে হবে।

    শঙ্করের কথা শুনে দেবতারা একেবারে ভেঙে পড়লেন। মাথা নিচু করে সকলে উঠে পড়লেন। কারো মুখে কোনো কথা নেই। মহাবলবান শিব রেতঃ ধারণ করতে পারবে কে? তাই সবাই বিশেষ চিন্তাগ্রস্ত হলেন।

    অগ্নিদেব সকল দেবতাদের অবস্থা নিরীক্ষণ করলেন। তিনি নিজে শিবের কাছে গিয়ে বললেন, হে মহেশ্বর, আপনার রেতঃ আমাকে দিতে পারেন।

    শঙ্কর তার রেতঃ অগ্নিদেবকে দিলেন! অগ্নি তা পান করে পরিতৃপ্ত হলেন। তার পর শঙ্করকে সবাই প্রণাম করে যে যার গৃহে চলে গেলেন।

    শিবের শুক্র পান করে ক্রমে ক্রমে অগ্নি হীনবল হয়ে পড়লেন। এইভাবে পাঁচ হাজার বছর কেটে যায়। অগ্নি আর সেই রেতঃ তেজ সহ্য করতে পারছেন না দেখে দেবতারা ভাবতে লাগলেন, কী করা যাবে। সবাই যুক্তি দিলেন পিতামহের কাছে যাবার।

    অগ্নি ব্রহ্মলোকে চলেছেন। যেতে যেতে তাঁর কুটিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো। তিনি সব ঘটনা বললেন–জলময় কুটিলাকে। তারপর অগ্নি অনুরোধ করলে কুটিলাকে বললেন, শিবের রেতঃ ধারণ কর। তুমি যদি এই কাজ কর তাহলে তোমার সুন্দর পুত্র হবে। সেই পুত্র সকলের কাছে প্রশংসা পাবে।

    কুটিলা গিরিরাজের কন্যা, কুটিলা চিন্তা করে দেখল এমন সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। তখন অগ্নিকে কুটিলা বলল, শিবের রেতঃ তার জলে ফেলে দিতে।

    কুটিলার কথা শুনে অগ্নি খুব খুশি হয়ে সেই রেতঃ ফেলে দিলেন কুটিলার জলে। কুটিলা আনন্দের সঙ্গে সেই রেতঃ ধরে রাখলেন।

    অগ্নিদেব পাঁচ হাজার বছর ধরে রেখেছিলেন শিবের রেতঃ। তাই অগ্নির মাংস, মেদ, রক্ত, মজ্জা, রোম, চক্ষু, মাথার চুল, গোঁফ-দাঁড়ি পর্যন্ত সোনার মত হয়ে গেল। তখন থেকেই অগ্নিদেব ‘হিরণ্যরেতা নামে খ্যাত হলেন।

    কুটিলাও শিরেয় রেতঃ ধরে রাখলেন পাঁচ হাজার বছর ধরে। এতে তার গর্ভ পূর্ণ হল। কিন্তু তিনি এই গর্ভ ধরে রাখতে না পেরে ব্রহ্মার কাছে গেলেন, ব্রহ্মা তাকে দেখে বললেন, তোমার গর্ভ কে তৈরি করল?

    কুটিলা তখন সব ঘটনা বলল। তিনি বললেন, আমি পাঁচ হাজার বছর ধরে আছি কিন্তু পুত্র প্রসব হচ্ছে না।

    পিতামহ বললেন, তুমি উদয়াবনে যাও। সেখানে বিশাল শরবন আছে, সেখানে তুমি এই গর্ভ ত্যাগ কর, আরও দশ হাজার বছর পরে ওর থেকে পুত্রের জন্ম হবে।

    ব্রহ্মা কথামতো কুটিলা উদয়াবনে গেল এবং সেখানে তিনি মুখ দিয়ে গর্ভ পরিত্যাগ করলেন।

    এইভাবে দশ হাজার বছর কেটে গেল। সেই তেজের প্রভাবে উদয়াবনে বৃক্ষলতা, পশু-পক্ষী সবই সোনার মত রং হয়ে গেল। তারপরে সেই তেজঃ থেকে এক পুত্রের জন্ম হল। শিশুটি মুখে আঙুল দিয়ে ‘উঙা উঙা’ কাঁদতে লাগল।

    বনের মধ্যে সেই সময় ছয়জন কৃত্তিকা ঘুরছিল। তারা শুনতে পেল একটি সদ্যোজাতের কান্না, তারা গিয়ে দেখল শিশুটি অপূর্ব সুন্দর, তারা ভাবল এমন জায়গায় সদ্যোজাত শিশু এল কেমন করে? কে ফেলে দিয়ে গেল? যাইহোক তারা সকলেই শিশুটিকে কোলে নিতে চাইল। সকলেই তাকে নিজের স্তনপান করাতে চাইল।

    অগ্নিকে ডেকে ব্রহ্মা বললেন, গুহ নামে তোমার পুত্র হল সে কেমন হল। ব্রহ্মার কথা শুনে অগ্নি অবাক হলেন এবং ব্রহ্মাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি গুহ কাকে বলছেন? এই নামে আমি কাউকে চিনি না।

    তখন ব্রহ্মা বললেন–তুমি যে শঙ্করের রেতঃপান করেছিলে এবং তুমি কুটিলাকে দিলে পরে কুটিলা তা শরবনে ফেলেছে, তা থেকেই পুত্র জন্মেছে, তারই নাম গুহ।

    ব্রহ্মার কথা শুনে অগ্নি তাড়াতাড়ি শরবনের দিকে গেল। যেতে গিয়ে কুটিলার সঙ্গে দেখা হলো। কুটিলা জিজ্ঞেস করলো, তুমি কোথায় যাচ্ছো?

    অগ্নিদেব বললেন, শরবনে যাচ্ছি সেখানে আমার পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে।

    কুটিলা শুনে বললেন, সে তো আমার পুত্র। তুমি তাকে ধরে রাখতে পারোনি বলে আমি তাকে ধরেছিলাম, কাজেই সে আমার পুত্র।

    তুমি ঠিক বলেছো কিন্তু আমি যদি তোমাকে না দিতাম, তাহলে তুমি পেতে কেমন করে?

    এইবারে দুজনে ঝগড়া করতে লাগলেন, তখন নারায়ণ জিজ্ঞেস করলেন কলহের কারণ।

    অগ্নি বললেন–শঙ্করের তেজে শরবনে এক পুত্রের জন্ম হয়েছে, সেই পুত্র কার? এই নিয়েই আমাদের দ্বন্দ্ব।

    নারায়ণ তখন তাদের শিবের কাছে যেতে বললেন। তিনিই বলতে পারবেন এই পুত্র কার।

    দুজনেই তারা চলল শিবের কাছে। শিবকে প্রণাম জানিয়ে তাকে তারা জিজ্ঞেস করলেন, শরবনে যে পুত্রের জন্ম হয়েছে সেটি কার?

    তাদের কথা শুনে শিব আনন্দে বললেন, আজ আমি পুত্রের মুখ দেখতে পাব।

    পার্বতী সব শুনে বললেন, চলুন, আমরা এক্ষুনিই যাই সেই বালকের কাছে। সেই পুত্রকে দেখার জন্য আমার মনটা বড় অস্থির হয়ে উঠেছে। আর বালকটিকে নিয়ে যখন এতো দ্বন্দ্ব তখন তাকে জিজ্ঞেস করলেই জানা যাবে কে তার পিতা-মাতা।

    উমার কথা শুনে শিব তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়লেন কুমারকে দেখার জন্য। সঙ্গে গেলেন গিরিজা, পাবক আর কুটিলা।

    তাঁরা গিয়ে দেখলেন কুমার দুজন কৃত্তিকার কোলে শুয়ে আছেন। ছয়মুখ দিয়ে প্রত্যেকের স্তন্য পান করছে।

    সেই কুমার তাদের প্রত্যেকের অভিসন্ধি বুঝতে পারলেন, তিনি কুমার মূর্তি দেখালেন শঙ্করকে। বিশাল দেহে দেখা দিলেন গিরিরাজকে। আর সুন্দর রূপ দেখালেন কুটিলাকে এবং অগ্নিকে দেখালেন মহান রূপ। শঙ্কর, শঙ্করী, অগ্নি, কুটিলা সকলেই কুমারকে দেখে খুশি হলেন। কৃত্তিকাগণ তখন উপলব্ধি করলেন এই পুত্র শিবের।

    শিব কৃত্তিকাগণকে বললেন, এই শিশু তোমাদের। তাই আমি এর নাম দিলাম কার্তিকেয়। আর এই শিশু কুটিলার কুমার, পার্বতীর স্কন্দ।–আর গুহ আর পাবকের মহাসেন। আর সে যেহেতু সারবনে জন্মেছে তাই তার নাম হবে সারস্বত।

    নামকরণ করার পর শিব দেবতাদের এবং ব্রহ্মাকে স্মরণ করলেন। তারা সকলে এসে হর পার্বতীকে প্রণাম জানালেন। এবং তারা ছয় মুখ যুক্ত শিশুকে দেখে অবাক হলেন। তার দেহ থেকে সূর্যের জ্যোতি বের হচ্ছে।

    অগ্নিকে সকল দেবতারা বললেন, হে পাবক, এই বালকের দেবকার্য অভিষেক কার্য সমাধা কর আমরা এখন কুরুক্ষেত্রে সরস্বতী তীর্থে গিয়ে এই কুমারের অভিষেক করব। এই কুমারের জন্য আমরা বহুকাল প্রতীক্ষা করে আছি। এই কুমারের হাতেই মরবে তারকাসুর।

    শিব দেবতাদের কথায় খুব খুশি হলেন। দেবতাগণ তখন কুমারকে নিয়ে কুরুক্ষেত্রে গেলেন। মহা ধূমধামে সেখানে ঋষি ও ব্রহ্মা অভিষেক করলেন কুমারের। তাঁকে অনেক বনৌষধি ও সাত সমুদ্রের জল ঢেলে স্নান করানো হলো। অভিষেক অনুষ্ঠানে সন্দর্য ও চারণগণ মধুর গীত গাইলেন এবং নানারকম বাদ্য বাজালেন।

    উমা তার স্কন্দকে কোলে নিলেন এবং তাকে আদর করলেন এবং চুমু খেলেন। শিব, কুটিলা, অগ্নি সবাই খুব আনন্দিত হলেন। তারপর সেই কুমারকে দেবসেনাপতি পদে বরণ করা হলো। শিব, ব্রহ্মাদি এবং সকল দেবতারা সেই কুমারের সাহায্যের জন্য বহু বাণকে উপহার দিলেন। কার্তিকের বাহনের জন্য গরুড় তাঁর পুত্র ময়ূরকে দিলেন। তারপর সেই কুমার পিতা-মাতাকে প্রণাম করলেন। বিষ্ণু, ব্রহ্মাদি দেবতাগণকে প্রণাম জানিয়ে ময়ূরের পিঠে চড়লেন এবং তারকাসুরকে বিনাশ করবার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }