Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. ধ্বনির মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে বীরসেনের উপাখ্যান

    ধ্বনির মাহাত্ম্য প্রসঙ্গে বীরসেনের উপাখ্যান

    সিন্ধুদেশের মহারাজ বীরসেন যেমন বুদ্ধিমান, তেমনি বীর্যবান। গুরু আর গুরুজনগণের সেবা তার নিত্যকর্ম, সারা পৃথিবীতে যত রাজা, সকলেই তাঁর বশ্যতা স্বীকার করলেন।

    কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেই রাজা বীরসেন রাজা শনির কোপে পড়ে খুব দুঃখ-দুর্দশা ভোগ করলেন। গুপ্তভাবে তার শত্রুগণ তাকে আক্রমণ করে রাজত্বসহ সব কেড়ে নিল। তখন রাজা বীরসেন প্রাণভয়ে রাজসিংহাসন ছেড়ে পালিয়ে গেলেন পাঞ্চালনগরে। পাঞ্চালরাজ প্রথমে তাকে চিনতেই পারলেন না, তারপর ভাল করে দেখে বললেন, কে মিত্র! তোমার এই বেশ কেন? অমিত বিক্রম বীরসেন ইন্দ্রতুল্য যাঁর খ্যাতি, তার কিনা এই অবস্থা!

    বহুদিন পর বন্ধুকে দেখে খুব আদর আপ্যায়ন করলেন, তাঁর দুরাবস্থার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। রাজা বীরসেন অশ্রুসজল নয়নে বললেন–হে সখা, আমার দুর্ভাগ্যই আমাকে আজ এই অবস্থায় ফেলেছে। একদিন আমার শত্রুগণ আমার কাছে এল জীবিকার জন্য। গুপ্তভাবে এসেছে, আমি বুঝতেই পারিনি। তাদের গুণরাশি বিচার করে নানা পদে নিয়োগ করলাম।

    তারপর তারা আমাকে নিরন্তরভাবে কুমন্ত্রণা দিতে আরম্ভ করল, তাদের কথা শুনতে শুনতে আমার ন্যায়জ্ঞান হারালো, বিচারশক্তি হারিয়ে ফেললাম।

    তখন আমার পূর্বের যেসব মন্ত্রী আর বন্ধুবর্গ ছিল তারা আমার ব্যবহার দেখে খুব দুঃখ পেতে লাগল। এইরূপ চিন্তা করে তারা অতি দুঃখে আমাকে ছেড়ে যে যার নিজের ঘরে চলে গেল। শত্রুদের মনোবাসনা পূর্ণ হল, আমার ধনৈশ্বৰ্য্য কেড়ে নিয়ে সিংহাসন থেকে তাড়িয়ে দিল

    আমাকে। তখন আমাকে রক্ষা করবার কেউ নেই, তাই রাত্রিবেলা গোপনে অতিকষ্টে তোমার কাছে। এলাম। এখন বন্ধু তুমিই আমাকে রক্ষা কর। বীরসেনের দুঃখের কাহিনি শুনে পাঞ্চালরাজ খুবই মর্মাহত হলেন। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বন্ধুকে আশ্বাস দিয়ে বললেন, সখা কালের বিচিত্র গতি। তুমি এখন বিপদে পড়েছ, একদিন অবশ্যই তোমার শুভদিন আসবে। তবে ততদিন ধৈর্য ধরে আমার এখানেই থাক।

    পাঞ্চাল রাজ্যে বীরসেন রয়ে গেলেন, কিন্তু ভাগ্য তার প্রতিকূল, তার সুখ, শান্তি কখনও হবে না। একদিন এক স্বর্ণকার পাঞ্চাল রাজের কাছে একটি সুন্দর কারুকার্য করা রত্নহার নিয়ে এল। সেইদিন রাজসভায় যত সভাসদ ছিল সকলেই সেই হারের প্রশংসা করল। রাজা বীরসেনও দেখলেন সেই হার। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলেন। ইন্দ্রের সমান যাঁর ঐশ্বর্য ছিল–সে কিনা আজ দীন কাঙালের মত অন্যের আশ্রয়ে কালযাপন করছে। এদিকে পাঞ্চালরাজ বীরসেনকে বিষণ্ণভাবে বসে থাকতে দেখে নিজেই সিংহাসন থেকে উঠে তার কাজে গিয়ে তার হাত ধরে বললেন, সখা, এই হার তোমার গলায় সুন্দর মানাবে।

    এই কথা বলে তিনি নিজে সেই রত্নহার পরিয়ে দিলেন সিন্ধুরাজ বীরসেনের গলায়। সভাসদগণ সবাই অবাক, পাঞ্চাল রাজের বহু প্রশংসা করল সকলেই, একেই বলে প্রকৃত সখ্যতা।

    কিন্তু যারা অসৎ লোক, সিন্ধুরাজের সৌভাগ্য দেখে জ্বলতে লাগল –যে হার রানির জন্য আনা হল আর তার গলায় মানাবেও ভাল, তাকে না দিয়ে দেওয়া হল কিনা এক হতভাগ্যের গলায়! পাঞ্চাল রাজের এমন মিত্ৰতা দেখে সিন্ধুরাজও খুবই আশ্চর্য হলেন। তারপর বীরসেন বন্ধুকে বললেন–সখা, ত্রিভুবনে এমন বন্ধুপ্রীতি কখনও কোথাও শুনিনি। এবার আমার কথা রাখ–এই হার তুমি রানির গলায় পরাও, তাহলে আমি খুব খুশি হব।

    তখন পাঞ্চালরাজ হাসতে হাসতে বললেন–সখা, তুমি একি বলছ? সামান্য একটা হার তোমাকে দিতে পারি না? তোমার জন্য আমি আমার সমগ্র রাজ্য দিতে পারি, যে হার তোমাকে দিলাম, তা আমি কখনও ফিরিয়ে নিতে পারি না। আমি তোমার জন্য বনেও যেতে পারি, এমনকি তোমার জন্য প্রাণও দিতে পারি।

    এই কথা বলে পাঞ্চালরাজের সজল নয়নে অশ্রুধারা ঝরতে লাগল। সিন্ধুরাজ তাঁর বসন দিয়ে তার চোখের জল মুছিয়ে দিলেন। এমন সময় সঞ্জয় নামে সিন্ধুরাজের এক ভৃত্য যে প্রভুর একান্ত অনুগত, তাঁরই সঙ্গে লুকিয়ে এসেছে পাঞ্চালরাজ্যে, সব সময় বীরসেনের কাছেই থাকত, সহসা এসে বলল–মহারাজ, এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটল এইমাত্র। এখুনি আমাকে যে হারটা রাখতে দিলেন, সেটা আমি দেওয়ালে পোঁতা গজদন্তের উপর ঝুলিয়ে রাখলাম। আর তখনই সেই দেওয়ালে আঁকা একটি ময়ুর সহসা জীবন্ত হয়ে উঠল আর সেই হারটিকে খেয়ে নিল। তারপর যেমন ময়ুর মূর্তি, তেমনিই হয়ে গেল। হে মহারাজ, এ এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। আপনার চরণ ছুঁয়ে আমি শপথ করে সত্যই বলছি। সঞ্জয়ের কথা শুনে পাঞ্চালরাজ স্তম্ভিত হলেন। তারপর বীরসেনকে বললেন, হে সখা, এই যে অদ্ভুত কাণ্ড শুনলাম, এ বিষয়ে তোমার কি অভিমত বল। সঞ্জয় যা বলল তা যদি সত্যি হয়, তাহলে খেদ করার কিছুই নেই। তুমি দুঃখ কোরো না।

    বন্ধুর কথা শুনে বীরসেন কাঁদতে কাঁদতে বললেন, এ বিষয়ে ভৃত্যের কোন দোষ নেই। আমার ভাগ্য এখন প্রতিকূলে তাই এমন সব ঘটনা ঘটেছে। কাল বিধিই ময়ূরের মূর্তি ধরে সেই রত্নহার গ্রাস করল। আমার এই ভৃত্য কখনই মিথ্যা কথা বলতে পারে না। মহা ধার্মিক এই ভৃত্য। বিধির বিড়ম্বনার জন্য এমন ঘটছে।

    এইভাবে কথা বলে বীরসেন বিলাপ করতে লাগলেন। তখন পাঞ্চালরাজ বললেন, দুঃখ কোরো না বন্ধু, তুমি আমার কথা শোন। আমি প্রতিজ্ঞা করছি, যারা অহং শঠতাকারে আমার সখার রাজ্য হরণ করল, সেই দূরাচারদের আমি বিনাশ করব।

    তারপর তিনি সেনাপতিদের যুদ্ধের আয়োজন করার জন্য আদেশ করলেন। সহসা আশ্চর্যভাবে এক আকাশবাণী হল–শোন পাঞ্চালেশ্বর, তুমি প্রকৃত ক্ষত্রিয়, কিন্তু আমার একটি কথা শোন। আগামীকাল প্রভাতে তুমি মন্ত্রী-সেনাপতিদের নিয়ে মৃগয়া করবার জন্য বিন্ধ্যাগিরি বনে যাবে। সিন্ধুরাজও যাবে। সেখানে দেখতে পাবে কিরাত জাতির লোকজন আছে। তাদের মুখে শনির মাহাত্ম্য শুনবে, আর তার পূজা করবে। তাতে সিন্ধুরাজের কল্যাণ হবে। কিরাতরাজের সঙ্গে তার মিলন হবে। এইভাবে আমার আদেশ যদি পালন কর, তাহলে সিন্ধুরাজ তার রাজ্য ফিরে পাবে।

    পরদিন আকাশবাণীর উপদেশমত সবাই বেরিয়ে পড়ল সৈন্য সামন্ত নিয়ে। বিন্ধ্যগিরি বনে শিবির পাতলেন, কিছু মৃগয়াও করলেন। রাজা ফিরে এলেন শিবিরে, শিপ্রা নদীর তীরে শিবির নির্মাণ করে বিশ্রাম করছেন। এমন সময় কিরাতরাজ কয়েকজন লোক সঙ্গে নিয়ে তাঁদের সামনে এসে দাঁড়াল হাতজোড় করে। দুই রাজা তো অবাক, কে ইনি? কিরাতরাজের এক অনুচর তার পরিচয় দিয়ে বললেন–ইনি কিরাতরাজ। ইনি পরম ধার্মিক মহাবীর, তখন পাঞ্চালরাজ ও সিন্ধুরাজ আসন ছেড়ে উঠে কিরাতরাজের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আলিঙ্গন করলেন।

    তারপর কিরাতরাজের কিছু অনুচর সিন্ধুরাজের দিকে তাকিয়ে, সহসা তাঁর চরণে পড়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল–হে নাথ, আপনাকে বহুকাল পরে দেখতে পেলাম। আপনি আমাদেরকে পিতার সমান পালন করতেন। এই দাসগণকে ছেড়ে আর যাবেন না।

    মহারাজ বীরসেন দেখলেন, তাঁরই সব সামন্তরাজগণ তাঁর পদতলে পড়ে এমনভাবে কাঁদছে। তখন তিনিও অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন। তারপর ধৈর্য্য ধরে বললেন, বড়ই আশ্চর্য দৈবগতি, আমরা তার কিছুই বুঝি না। ভাগ্যে আরও কী ঘটবে কে জানে। তোমরা আমার সামন্তরাজা, সবাই মহাবীর, তথাপি কতই কষ্ট ভোগ করছ, জানি না আমার কপালে আর কি আছে, আমার যখন তোমাদের সঙ্গ ত্যাগ হল তারপর তোমরা এতদিন কোথায় ছিলে? আমার যেসব দক্ষ সেনাপতি ছিল তারা এখন কোথায়? আমার প্রভুভক্ত যেসব সৈন্য ছিল তারাও এখন কোথায় আছে? তাদের জীবিকা কেমন করে চলছে?

    এখন সব নানাবিধ প্রশ্ন করে মহারাজ বীরসেন কাঁদতে লাগলেন। তখন সেইসব সামন্ত রাজগণ সিন্ধুরাজকে বললেন, এই যে আপনার সামনে কিরাতরাজ, ইনি মহাবীর্যবান, পরম দয়ালু সত্যগন্ধ পরোপকারী।

    হে মহারাজ, আপনি যখন শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলেন, আমরা সৈন্য নিয়ে আপনাকে সাহায্য করতে গেলাম কিন্তু যখন শুনলাম আপনার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, তখন আমরা ভগ্ন মনোরথে ফিরে এলাম, তারপর আমরা সিন্ধুদেশ ছেড়ে গোপনে বনে বাস করতে লাগলাম। তারপর ভাবলাম, সিন্ধুরাজ সাধারণ পুরুষ নয়, নিশ্চয় তিনি কোথাও আছেন, আমরা গোপনে খোঁজ করতে লাগলাম। বহু দেশ ঘুরতে ঘুরতে এলাম এই কিরাতনগরে, কিরাতরাজ আমাদের বিষণ্ণ দেখে আমাদের পরিচয় জানতে চাইলেন।

    তারপর পরিচয় জেনে খুব যত্নে পুত্রবৎ আমাদের পালন করতে লাগলেন, আমরা খুব সুখে আছি। কিন্তু আপনার জন্য সবসময় চিন্তা হত। আর একটা কথা, আমরা যখন বনে পালিয়ে যাই, তখন পথে মহারানির সঙ্গে আমাদের দেখা হয়, তাকেও আমরা সঙ্গে করে নিয়ে এলাম এই কিরাতের ভবনে। তিনি আপনার বিরহে সর্বদা কাতর। আমরা আপনার পুত্রের সমান, রানিমাকে সবসময় সান্ত্বনা দিই, কিরাতপতি তাঁকে যত্নে রেখেছেন, তাকে মায়ের মতন শ্রদ্ধা করেন, আপনার দর্শন পাবেন এই আশাতেই রানিমা এখনও জীবনধারণ করে আছেন।

    তারপর কিরাতরাজ হাতজোড় করে সিন্ধুরাজ ও পাঞ্চালরাজকে বললেন, আমি দুজনের শরণ নিলাম। এই অধীনের ঘরে আপনারা আসুন।

    কিরাতরাজের কথা শুনে সিন্ধুরাজ বীরসেন আপন রানির চন্দ্রমুখ দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়লেন। রাজাকে নিয়ে কিরাতনগরে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে চলল সকল সৈন্য সামন্ত।

    তারপর কিরাতরাজ তার সেনাপতিকে আদেশ করলেন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে। সৈন্যরা সকলে যেন উপস্থিত হন।

    এদিকে বীরসেনের মহিষী দূতমুখে স্বামীর আসার খবর পেয়ে তাকে দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। এমন সময় বীরসেন প্রবেশ করলেন। উভয়ের দৃষ্টি বিনিময় হল দীর্ঘকাল পরে। রাজরানির হৃদয়ে শান্তি দান করলেন।

    তারপর রানি রাজাকে বললেন, হে মহারাজ, তুমি ভক্তিভরে শনিদেবের পূজা কর, মার্কণ্ডেয় মুনির মুখে আমি শনি পূজার বিধি শুনেছি।

    এই বলে রানি রাজাকে পূজার বিধান জানিয়ে দিলেন। তখন মহারাজ বীরসেন একান্ত অন্তরে বিধি অনুসারে শনিবারে শনিদেবের পূজা করলেন, শনিদেবের অনেক স্তব স্তুতি করলেন।

    সূর্যের পুত্র শনি সেই পূজায় তুষ্ট হয়ে দিব্যমূর্তি ধরে রাজাকে দেখা দিলেন। সেই মূর্তি দেখে রাজা আনন্দে মাটিতে পড়ে প্রণাম করলেন।

    শনিদেব রাজা বীরসেনের পূজায় সন্তুষ্ট হয়ে বর দিলেন। বীরসেন তুমি তোমার “হারানো রাজ্য ফিরে পাবে।” তারপর তিনি অদৃশ্য হয়ে গেলেন। কিরাতরাজ সিন্ধুরাজের বরলাভের বিষয় জেনে তাকে বললেন–গ্রহরাজ যখন সন্তুষ্ট হয়েছেন তাহলে আপনার মনোরথ নিশ্চয় সিদ্ধ হবে। এই বলে কিরাতরাজ নিজের সৈন্যদের নিয়ে পাঞ্চালরাজের সৈন্যদের সাথে মিলন করিয়ে দিলেন। এবং সিন্ধুনগরে উপনীত হলেন। রাজপুরী থেকে এক ক্রোশ দূরে তারা শিবির গঠন করলেন।

    সিন্ধুরাজকে পরাজিত করে নিষ্ঠুর যবনরাজ সিংহাসন অধিকার করে বসেছিলেন। এখন চরমুখে খবর পেয়ে কিরাত ও পাঞ্চাল রাজের আক্রমণ রুখতে নিজেদের সৈন্যদলকে সংঘবদ্ধ করে বাধা দেবার চেষ্টা করলেন। শুরু হল যুদ্ধ। অগ্নিসম শত্রুগণ মহাতেজ ধরে সহস্র বছর রণক্ষেত্রে মহাবল ক্ষত্রিয়দান যবনগণকে নানাভাবে বিধ্বস্ত করল।

    এমন সময় দিব্যরূপা ষোড়শী, মুক্তকেশী, নীলাম্বর পরিধান করে দানবদলনী চণ্ডী সেই যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত হলেন। তারপর দিব্য ধনুকের সাহায্যে বাণ মেরে অসংখ্য যবন সৈন্যকে বিনাশ করলেন। তা দেখে যবন সৈন্যরা ক্রোধভরে দেবীকে বিনাশ করবার জন্য ঘন ঘন শর মারতে লাগল। তখন পাঞ্চাল আর কিরাত সৈন্যগণ যবন সৈন্য নাশে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে ভীষণভাবে যুদ্ধ করতে লাগলেন। প্রলয়ে ধরণী যেমন কাপে সেইভাবে রণক্ষেত্র কাঁপতে লাগল এই যুদ্ধে। সেই পরমা সুন্দরী বদনা চণ্ডী আসলে কিরাতরাজের কন্যা, যুদ্ধক্ষেত্রে রমণীকে দেখে যবনরাজ কামার্ত হয়ে বললেন, হে সুন্দরী, তোমাকে যোদ্ধার বেশে মানায় না। আমার প্রাসাদে অন্তঃপুরস্থ সব সুন্দরীর থেকে তুমি সুন্দরী, আমার কাছে। এস।

    যবনরাজের কথা শুনে সিন্ধুরাজ বীরসেন ভীষণভাবে ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁর দিকে বাণ ছুঁড়তে লাগলেন। এখন সমস্ত যবন সৈন্য এক হয়ে সিন্ধুরাজকে বিনাশ করবার চেষ্টা করল।

    এদিকে কিরাতকন্যা যবনরাজের কথা শুনে রাগে অপমানে বক্ষশির অস্ত্র ছুঁড়ে মারলেন তাঁর উপর। যবনরাজ সেই বাণের তেজে ভস্মীভূত হয়ে গেল।

    যবনরাজের পতনের পর তার ভাই এল যুদ্ধক্ষেত্রে। ভ্রাতৃহত্যার রাগে কিরাতরাজের দিকে এগিয়ে নানা বাণ ছুঁড়ল। কিরাতরাজও রথ নিয়ে তার কাছে এলেন, তখন যবন একটা বিশাল গদা ছুঁড়ে মারলেন কিরাতরাজের দিকে, কিরাতরাজ অতি সহজেই সেই গদা হাতে ধরে নিলেন আর ছুঁড়ে মারলেন যবনের দিকে। যবনের সেনাপতি মরল সেই আঘাতে, কিন্তু যবনরাজের ভাই মরল না। দেখে কিরাতের কন্যা একটা শূল ধরে মন্ত্রপুত করে ছুঁড়ে দিলেন, মেঘের মত গর্জন করে সেই শূল পড়ল যবনের মাথায়, রক্তবমি করতে করতে মারা গেল সে, সিন্ধুরাজ রাগে খড়গ দিয়ে তার মাথাটা কেটে ফেললেন।

    যবন সৈন্য অল্প কিছু বেঁচে ছিল, তারা এই অবস্থা দেখে যে যেদিকে পারল ছুটে পালিয়ে গেল। ক্ষত্রিয়গণ পিছু ধাওয়া করে সকলকেই মেরে ফেলল।

    জয় হল সিন্ধুরাজের। কিরাতরাজকে আলিঙ্গন করলেন, তারপর পাঞ্চালরাজকেও আলিঙ্গন করলেন।

    কিরাতরাজের কন্যা যুদ্ধক্ষেত্রে এমনভাবে যুদ্ধ করল যে কিরাতরাজ অবাক হয়ে গেলেন।

    মেয়ে কোথায় শিখল এমন যুদ্ধ? গর্বিত পিতা জিজ্ঞাসা করলেন, এমন যুদ্ধ তুমি কোথায় শিখলে? তোমার যুদ্ধ দেখে মনে হল এ কোন মানবীর পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু একটা কথা বলি যখন সিন্ধুরাজ আমার অন্তঃপুরে আসেন রানিকে দেখবার জন্য, তখন তুমি তাকে দেখে অনুরক্তা হয়েছিলে, এখন আমার ইচ্ছা তোমাকে সেই সিন্ধুরাজের হাতে তুলে দিই।

    কন্যা আর কি বলবে? লজ্জায় মাথা নত করে থাকল, তারপর কিরাতরাজ সিন্ধুরাজকে সব কথা জানিয়ে কন্যার সঙ্গে বিয়ে দিলেন মহা ধুমধামে।

    তারপর সিন্ধুরাজ দুই পত্নীকে নিয়ে সবার কাছে বিদায় নিয়ে সিংহাসনে বসলেন। সকল সামন্তরাজাগণ নতশিরে তাঁকে রাজপদে বন্দনা করলেন, সিন্ধুনগরী আনন্দে মুখরিত হল।

    সিন্ধুরাজ বীরসেন কুলগুরুর কাছে শনি মন্ত্র গ্রহণ করে প্রতি শনিবারে গ্রহরাজের পুজো করতে লাগলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }