Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. সুদর্শনের বেতালত্ব মোচন

    সুদর্শনের বেতালত্ব মোচন

    পূর্বে গালব নামে এক মহর্ষি ছিলেন, সত্যবাদী, শুচিব্রত ব্রহ্মধ্যান যুক্ত মহর্ষি নিজের আশ্রমে বসেই তপঃসাধনা করতেন। তাঁর কন্যা কান্তমতী মহারূপবতী। সে বাবার কাছে থাকত, বাবার কাজে সে সাহায্য করত। ফুল তোলা, বেদীর মার্জনা, হোমের কাঠ সংগ্রহ করত, বাবার সেবাও করত।

    একদিন কান্তমতী ফুল তুলতে বনে গেল। ফুল তুলে সে বাড়ি ফেরার সময় সুদর্শন আর সুকর্ণ নামে দুজন বিদ্যাধর কুমার বিমান থেকে সেই কান্তমতাঁকে দেখতে পেলেন।

    তাঁরা মনে ভাবলেন, মদনের স্ত্রী রতির মতো সুন্দরী এই কন্যা দেখতে। সুদর্শন তাকে দেখে বিমান থেকে নেমে জিজ্ঞেস করল, তুমি কার কন্যা? তোমার রূপ দেখে আমি মোহিত হয়েছি। তোমাকে রতির মত দেখে কামানলে দগ্ধ হয়েছি। আমি সুকুণ্ঠ। বিদ্যাধরপতির পুত্র, নাম সুদর্শন। তুমি যদি আমাকে পতিরূপে গ্রহণ কর, তাহলে তুমি সকল ভোগই পাবে।

    কান্তমতী বলল– আমি মহর্ষি গালবের কন্যা, পিতাকে সাহায্য করার জন্য আমি ফুল তুলতে এসেছিলাম, এখন সময় হয়ে গেছে। যদি আমি যেতে দেরি করি তাতে পূজার সময় অতীত হয়ে যাবে। তাতে আমার প্রতি পিতা কুপিত হবেন। কাজেই আমি এখনই ফিরে যাব। বর্তমানে আমি কুমারী, পিতার অধীন। যদি আমাকে একান্তই কামনা করেন, তাহলে আমার পিতার কাছে গিয়ে আমাকে প্রার্থনা করুন।

    এই কথা বলে কান্তমতী আশ্রমের দিকে চলল, তখন সুদর্শন কামতাড়িত হয়ে পেছনে থেকে ছুটে এসে তার এলোকেশ ধরে টানলেন।

    মুনিকন্যা কাঁদতে লাগল, — হে পিতা, এই বিদ্যাধরের পুত্রের হাত হতে আমাকে রক্ষা কর, এই দুরাত্মা আমাকে ধরেছে।

    গন্ধমাদন পর্বতবাসী মুনিগণ মুনিকন্যার কান্না শুনে গালবকে জানালেন, তারপর সকলেই সেই কন্যার কাছে এলেন। দেখলেন কান্তমতীর হাত ধরে এক যুবক আর তার কিছুদূরে আর এক যুবক দাঁড়িয়ে আছেন। তখন মহর্ষি গালব কুপিত হয়ে বললেন– হে বিদ্যাধরাধম, তুই যখন এমন কুকর্ম করেছিস, তখন তুই মনুষ্যজন্ম লাভ করবি, তারপর বেতাল ভাব ধরে রক্ত মাংসাদি খাবি। রাক্ষস প্রায় বেতালমন সকলে নারীগণকে গ্রহণ করে, তুই তেমন বেতালবৎ বাধ্য করেছিস, তাই তুই মানুষ হয়ে পরে বেতালত্ব লাভ করবি। আর তোর সঙ্গের এই যুবক তোকে যখন পাপ কর্ম করতে নিষেধ করেনি, একেও মানুষ জন্ম লাভ করতে হবে, তবে এর দ্বারা দুষ্কর্ম হয় নি। তাই একে বেতাল জন্ম নিতে হবে না।

    দুই বিদ্যাধর কুমারকে অভিশাপ দিয়ে মহর্ষি কন্যাকে নিয়ে নিজের আশ্রমে ফিরে গেলেন। মুনির শাপ শুনে সুদর্শন ও সুকর্ণ অতিশয় চিন্তিত হয়ে পড়লেন, এবং তাঁরা তাঁদের কর্তব্য স্থির করে যমুনা তীরে বসবাসকারী গোবিন্দস্বামী নামে এক ব্রাহ্মণের ঘরে জন্ম নিলেন। তাঁদের নাম হল বিজয় ও অশোক, ক্রমে ক্রমে তাঁরা যৌবন লাভ করলেন।

    সেই সময় স্থানটিতে সারাবছর ধরে অনাবৃষ্টি চলে, এর ফলে দূর্ভিক্ষ দেখা দেয়, তখন গোবিন্দস্বামী পত্নী ও পুত্রদের নিয়ে কাশীধামে গেলেন। পথে প্রয়াগে তারা এক সন্ন্যাসীকে দেখে প্রণাম করলেন। তখন সেই সন্ন্যাসী ব্রাহ্মণকে আশীর্বাদ করে বললেন– হে ব্রাহ্মণ, তোমার এই জ্যেষ্ঠ পুত্র বিজয়ের সঙ্গে তোমার বিয়োগ হবে।

    ব্রাহ্মণ সন্ন্যাসীর কথায় খুব দুঃখ পেলেন। সন্ধ্যাকালে সান্ধ্যপসানাদি করলেন। তারপরে রাত্রিতে এক শূন্য দেবালয়ে শুয়ে থাকলেন। গোবিন্দস্বামীর স্ত্রী আর তার ছোট পুত্র অশোক পথশ্রমের জন্য মাটিতে একটা কাপড় বিছিয়েই তাঁরা শুয়ে পড়লেন। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়লেন। বিজয়কে । গাঢ়ভাবে আলিঙ্গন করে তার শীত দূর করার চেষ্টা করল তারা, কিন্তু বিজয় সুস্থবোধ করলেন না।

    বিজয় তার বাবাকে জানান তার খুব শীত করছে। তার জন্য একটু আগুনের ব্যবস্থা করতে। তাই নিকটবর্তী গ্রামে গিয়ে গোবিন্দস্বামী আগুনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করতে লাগলেন। কিন্তু কোথাও পেলেন না। শেষ পর্যন্ত ফিরে এসে পুত্রকে বললেন, আমি অনেক বাড়িতে গিয়েছিলাম কিন্তু এতো রাত্রিতে কেউ দরজা খুলল না।

    বিজয় পিতার কথা শুনে বললেন– বাবা তুমি মিথ্যা কথা বলছ, ওই তো সমানে এক ভীষণ অগ্নিশিখা দেখা যাচ্ছে। ওখান থেকে তুমি আমার জন্য আগুন এনে দাও, এই ভীষণ শীত আমি সহ্য করতে পারছি না। গোবিন্দস্বামী পুত্রের কথা শুনে বললেন– বিজয় আমি মিথ্যা বলছি না। তুমি যে আগুন দেখতে পাচ্ছ সেটা মড়াপোড়ানোর আগুন, ওই চিতা থেকে আগুন নিলে আয়ুঃক্ষয় হয়, আমি সেই ভয়ে ওখান থেকে আগুন নিই নি।

    বিজয় বললেন– ওই আগুন চিতার হোক বা যজ্ঞের তোক আমাকে বাঁচাবার জন্য তাড়াতাড়ি নিয়ে আসুন, আগুন ছাড়া আমি বাঁচব না।

    গোবিন্দস্বামী কোন উপায় না দেখে ওই চিতার আগুন আনতে চললেন। বিজয়ও সঙ্গে গেলেন। চিতার কাছে গিয়ে বিজয় সেই চিতাকে আলিঙ্গন করতে গেলেন, কিন্তু সহসা কি এক কথা ভেবে তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। তারপর বাবাকে বললেন–বাবা, এই আগুনের মধ্যে রক্তের কি একটা জিনিস খুব উজ্জ্বল ভাবে জ্বলছে।

    বস্তুটি গোবিন্দস্বামী ভালোভাবে দেখে বললেন–ওটা একটা মানুষের মাথা, রক্ত মাংসে ভরা।

    তখন বিজয় একটা কাঠ নিয়ে সেই নরকঙ্কালের উপর আঘাত করলেন, তখন সেই নরকঙ্কালের মাথাটি ফেটে গিয়ে তার থেকে রক্ত ছিটকে এসে বিজয়ের মুখে পড়ল। বিজয় সেই রক্ত জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন। তখন সে অতি ভয়ঙ্কর বিরাট আকার ধারণ করলেন। সেই রাত্রিতেই তাঁর দুটো দাঁত মুখের বাইরে বেরিয়ে এল। তিনি পিশাচ হয়ে গেলেন, তখন ভয়ঙ্কর শব্দে হাসতে লাগলেন। তারপর সে তার নিজের পিতাকেই আক্রমণ করতে উদ্যত হলেন।

    ঠিক সেই সময় আকাশবাণী হল–ওরে বেতাল তুই এমন কাজ করিস না।

    তখন সেই বেতালরূপী বিজয় বাপকে ছেড়ে দেয়। এবং তারপরে আকাশ পথে চলে যায়। সেখানে গিয়ে অন্যান্য বেতালের সঙ্গে মিলিত হয়। নরকপাল ফাটিয়েই পিশাচ হয়েছিল বলে, সবাই তার নাম দিল কপালস্ফোটন। তারপরে অন্যান্য পিশাচরা তাকে নিশাপতি নরাস্থিভূষণের কাছে নিয়ে যায়। তাকে সেনাপতি পদে বরণ করে নেয়। একদিন এক যুদ্ধে গন্ধর্ব চিত্রসেন নরাস্থিভূষণকে বিনাশ করে। তখন পিশাচপতি হলেন কপালস্ফোটন।

    এইভাবে বিদ্যাধরের পুত্র সুদর্শন মহর্ষি গালবের শাপে প্রথমে মনুষ্য জন্মলাভ করার পরে পিশাচত্ব লাভ করলেন।

    দেবালয়ে ফিরে এসে গোবিন্দস্বামী তার স্ত্রী ও কনিষ্ঠ পুত্রকে সব কথা বললেন। এই ঘটনা শুনে সকলে কাঁদতে লাগলেন। তাদেরকে এভাবে কাঁদতে দেখে সমুদ্র দত্ত নামে এক বণিক তাদেরকে নিয়ে গেলেন এবং আশ্রয় দিলেন।

    গোবিন্দস্বামীর কনিষ্ঠ পুত্র অশোক দত্ত নানা শাস্ত্রে পণ্ডিত হয়ে উঠল। এবং বীর নামে খ্যাতি লাভ করল।

    একদিন কাশিধামের অধিপতি প্রতাপমুকুটের কাছে এক মল্লবীর রাজা এলেন। সেই মল্লবীরকে পরাজিত করবার জন্য দ্বিজপুত্র অশোককে ডাক দিলেন। বললেন– মল্লযুদ্ধে তোমাকে দাক্ষিণাত্যের অধিবাসী মল্লবীরকে হারাতে হবে। যদি তুমি তাকে পরাজিত করতে পারো তাহলে তুমি আশানুরূপ পুরস্কার পাবে।

    রাজার কথামত অশোক দাক্ষিণাত্যের সেই মহামল্লরাজকে ভীষণভাবে আক্রমণ করল। অল্পক্ষণের মধ্যেই মল্লরাজ মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। তার দেহ থেকে প্রাণবায়ু বের হয়ে গেল। যে দক্ষতার সঙ্গে দ্বিজপুত্ৰ মল্লযুদ্ধে জয়লাভ করল, তা দেবতাদের পক্ষেও সম্ভব ছিল না। এতে রাজা প্রতাপমুকুট খুব খুশি হলেন। তিনি অশোককে বহু ধন ও বহু গ্রাম দিলেন। একদিন অশোকের সঙ্গে রাজা প্রতাপমুকুট ঘোড়ায় চড়ে নির্জন অরণ্যের মধ্যে বেড়াতে বেরিয়েছেন। পথে তাঁরা শুনলেন, কে যেন বলছে- হে রাজা, আমি অল্প অপরাধ করেছি। আমার এক শত্রুর ইচ্ছায় এক নিষ্ঠুর দণ্ডপাল আমাকে শুলে চড়িয়েছে। আজ চারদিন হয়ে গেল, আমি শূলের উপরে আছি। কিন্তু এখনো আমার প্রাণ বেরোচ্ছে না। আসলে দুষ্কৃতীকারীদের প্রাণ কখনই সুখে বের হয় না।

    আমার এখন খুব তৃষ্ণা পেয়েছে। আপনি আমার তৃষ্ণা মেটান।

    এই কথা শুনে রাজা অশোককে বললেন–শূলের ওপরে কোনো নিরাপরাধ ব্যক্তি তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়েছে, তুমি তাকে জল দাও। অশোক একপাত্র জল নিয়ে সেই তৃষ্ণার্ত ব্যক্তির কাছে গেল। গিয়ে দেখতে পেল এক নব যুবতী শূলের নীচে বসে আছে। সেই যুবতাঁকে দেখে অশোক জিজ্ঞাসা করল– তুমি কে? এখানে এই নির্জন শ্মশানে বসে আছো কেন? তখন নারীটি বলল- এই পুরুষটি আমার স্বামী। রাজা একে শূলে চড়িয়েছেন। আমি আমার স্বামীর সঙ্গে সহমরণে যাব। তাই এখানে বসে ওর মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছি। আমরা স্বামী শূলের উপর ঘাড় তুলে জল চাচ্ছে। কিন্তু আমি নীচে থেকে জল খাওয়াতে পারছি না।

    অশোক নারীর কথা শুনে বলল– তুমি আমার কাঁধে চড়ো, এবং তারপরে তোমার স্বামীকে জল খাওয়াও।

    অশোক ঘাড় নীচে করল। তখন সেই নারী তার কাঁধে চড়ে বসল। অশোক দেখতে পেল নতুন রক্ত মাটিতে পড়ছে। অবাক হয়ে উপরদিকে চেয়ে দেখল সেই নারী শূলে চড়ে লোকটিকে খাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে অশোক সেই নারীর নূপুর পরা পা দুটিকে দেখে চেপে ধরল। তখনই সেই নারী নূপুর ছেড়ে পালিয়ে গেল। তারপর অশোক সেই একখানি নূপুর নিয়ে রাজার কাছে এলো, এবং শ্মশানের সব কথা রাজাকে জানাল। সেই নূপুরটি রাজার হাতে তুলে দিল।

    অশোকের বীরত্বব্যঞ্জক কাজ দেখে রাজা খুব খুশি হলেন। তিনি নিজ কন্যার সঙ্গে তার বিবাহ দিলেন। একদিন রাজা প্রতাপমুকুট সেই দিব্য নুপুর দেখে ভাবছেন এই নূপুরের আর একগাছি কোথায় পাওয়া যাবে? রাজাকে চিন্তিত দেখে অশোক ভাবল, এই নূপুরটি শ্মশানে যার কাজ থেকে পাওয়া গেছে, দ্বিতীয়টিও তার কাছে পাওয়া যেতে পারে। তখন সে ঠিক করল শ্মশানে গিয়ে মাংস বিতরণ করলে তা খেতে ভূত, নিশাচর, বেতাল সবাই আসবে। তখন সেই রাক্ষসীকে দেখতে পাওয়া যাবে। আর সে রাক্ষস, পিশাচ, বেতালদের বিন্দুমাত্র ভয় পাই না।

    এই কথা স্থির করে সে প্রচুর মাংস নিয়ে শ্মশানে গেল। রাক্ষস, পিশাচ, বেতালদি আনন্দে সেখানে এসে মাংস খেল, অনেক রাক্ষস কন্যাও এল তাদের মায়েদের সঙ্গে। তাদের মধ্যে এক রাক্ষসীকে দেখে সে চিনতে পারল, এই সেই রাক্ষসী যে কাঁধে চড়ে মাংস খেয়েছিল, যার একটা নূপুর নিয়েছিল। অশোক তাকে দেখে বলল- হে রাক্ষসী, তোমার অপর নূপুরটিও আমাকে দাও। সেই রাক্ষসীটির নাম ছিল বিদ্যুৎ, সে অপর নূপুরটাও দিয়ে দিল। সেই সঙ্গে নিজের কন্যা বিদ্যুৎপ্রভাকেও দান করল, বিদ্যুৎপ্রভা ছিল অতীব সুন্দরী, তাকে লাভ করে অশোক খুব আনন্দিত হল। বিদুৎকেশী আপন জামাতাকে একটি স্বর্ণপদ্মও দেয়।

    অশোক নূপুর এবং স্বর্ণপদ্ম এবং বিদ্যুৎপ্রভাকে নিয়ে রাজার কাছে এল। রাজা নূপুর পেয়ে উৎফুল্লিত হলেন। এবং অশোকের প্রশংসা করলেন।

    অশোক একদিন নির্জনে বিদ্যুৎ প্রভাকে জিজ্ঞাসা করল– তোমার মা এই স্বর্ণপদ্ম কোথায় পেল? আমার ইচ্ছা করছে এমন অনেক পদ্ম আমি সংগ্রহ করি। বিদ্যুৎপ্রভা বলল– কপালস্ফোটন নামে এক বেতালপতি আছে। তার একটি সরোবর আছে। সেই সরোবরে সোনার কমল ফোটে। আমার মা সেই সরোবরে জলক্রীড়া করতে করতে ওই পদ্মটি তুলে এনেছে।

    অশোক তার কথায় খুব আনন্দিত হল। সে বলল তুমি আমাকে ওখানে নিয়ে চল। তখন অশোককে বিদ্যুৎপ্রভা সেই কাঞ্চন সরোবরে নিয়ে গেল। অশোক সেই সোনার পদ্মফুল তোলার চেষ্টা করল। তখন সেখানকার বেতালরা তাকে বাধা দিল। তখন অশোক অস্ত্র দিয়ে তাদের সবাইকে বিনাশ করল। তারপর সেখানে এল বেতালপতি কপালস্ফোটন, তাকেও মারার জন্য অশোক উদ্যত হল, তখন আকাশবাণী হল- অশোক আকাশের দিকে তাকাল। সে দেখতে পেল বিমানের মধ্যে বিদ্যাধরপতি। তাঁকে দেখা মাত্রই অশোক শাপমুক্ত হল এবং সে মানুষের রূপ ছেড়ে দিব্যরূপ ধরল।

    তখন সুকর্ণকে বিদ্যাধর নিজের বিমানে তুললেন। তাকে বললেন– সুকর্ণ, তোমার ভাই সুদর্শন মহর্ষি গালবের শাপে এই ভাবে বেতালরাজ হয়ে কাল যাপন করছে, আর তুমিও অপরাধের জন্য মানুষের ঘরে জন্মে ছিলে, কিন্তু সুদর্শন মুনি কন্যার কেশ ধরেছিল, তাই জন্য মুনিবর এর শাপমোচনের ব্যবস্থা করেননি। তাই চল আমরা স্বর্গে ফিরে যাই।

    তখন সুকর্ণ বলল- না, আমি সুদর্শনকে ছেড়ে একা স্বর্গে সুখভোগ করতে চাই না। যেমন করেই হোক তাকে আমি উদ্ধার করে নিয়ে যাব। এখন আমাকে আপনি বলুন, কেমন করে ভাই-এর শাপমোচন হবে?

    বিদ্যাধরপতি বললেন– এই মুনির শাপ কিন্তু দুর্নিবার। এ বিষয়ে বিশেষ কিছু আমি বলতে পারব না। এ কথা ব্রহ্মা পূর্বে ঘনকাদি মুনিগণকে বলেছিলেন। দক্ষিণ সমুদ্রের তীরে চক্ৰতীর্থের কাছে এক মহৎ তীর্থ রয়েছে। সেই তীর্থ দর্শন করলে মহা পাপরাশি নষ্ট হয়। কিন্তু সেখানে স্নান করলে যে কত পুণ্য হয়, তা আমার জানা নেই। সুকর্ণ, তুমি যদি সুদর্শনকে ওই তীর্থে স্নান করাতে পার, তাহলে মহর্ষি গালবের শাপ নাশ হতে পারে।

    সুকর্ণ তখন সেই বেতালপতি কপালস্ফোটনকে নিয়ে সেই তীর্থের জলে স্নান করাল, সঙ্গে সঙ্গে তার বেতালত্ব দূর হল এবং সে দিব্যরূপ লাভ করল। তারপর বিদ্যাধরপতি দুইপুত্রের সঙ্গে বিমানে চড়ে স্বর্গধামে চলে গেলেন। সেই তীর্থের নাম বেতালবরনদ তীর্থ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }