Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অষ্টাদশ পুরাণ সমগ্র – পৃথ্বীরাজ সেন সম্পাদিত

    পৃথ্বীরাজ সেন এক পাতা গল্প3681 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. রাজা দিবোদাসের কথা

    রাজা দিবোদাসের কথা

    সৃষ্টির রক্ষার জন্য আলো, বাতাস, জল এই তিনটি অবশ্যই চাই। কোন একটির অভাব যদি হয় তাহলে সৃষ্টি থাকবে না। একসময় পৃথিবীতে একটানা ষাট বছর ধরে চলল অনাবৃষ্টি। সব জলাশয় গেল শুকিয়ে। ফসল জন্মালো না। চারিদিকে দেখা দিল অনাহার মহামারী। এইসব দেখে চিন্তায় পড়লেন ব্রহ্মা, তাঁর সাধের সৃষ্টি এইভাবে বিলুপ্ত হবে। এর একটা সমাধান করতেই হবে। তিনি কি করবেন বুঝতে পারছেন না। সত্যলোক থেকে চলে এলেন পৃথিবীতে। ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলেন সবকিছু। পৌঁছালেন কাশীতে। সেখানে রিপুঞ্জয় নামে এক রাজর্ষি তপস্যায় মগ্ন ছিলেন।

    ব্রহ্মা তাঁর কাছে গিয়ে বললেন– হে রাজর্ষি, তুমি পৃথিবীর রাজা হও। রিপুঞ্জয় বললেন– না বিধাতা তা হয় না। রাজকার্য আমার ভালো লাগে না। তাই তো তপস্যায় বসেছি। দয়া করে আমাকে এই দায়িত্ব নিতে বলবেন না।

    ব্রহ্মা বললেন– হে রাজন, তুমি একবার এই পৃথিবীর দিকে চেয়ে দেখ, চারিদিকে এত হাহাকার! তুমি পরম ধার্মিক। তুমি রাজা হলেই পৃথিবীতে আবার শান্তি ফিরে আসবে। পৃথিবী শস্য-শ্যামলা হবে। প্রজারা সুখে বাস করবে। তাই পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্যই তোমাকে এই কাজ করতে বলছি।

    স্বয়ং ব্রহ্মা অনুরোধ করছেন। তাঁর বাক্য অমান্য করা উচিত নয়। রিপুঞ্জয় বললেন– হে বিধাতা, আমি আপনার আদেশ পালন করতে রাজী আছি। কিন্তু একটা শর্তে।

    ব্রহ্মা কি শর্ত জানতে চাইলেন। রাজর্ষি বললেন– দেবতাগণকে ফিরে যেতে হবে স্বর্গে। আর যক্ষ, নাগ, গন্ধবআদি যার যেখানে বাস সবাই চলে যাবে সেখানে। পৃথিবীতে থাকবে কেবল মানুষ, অন্য কেউ নয়।

    রাজর্ষির কথায় ব্রহ্মা স্বস্তি পেলেন না, তবুও সৃষ্টিকে রক্ষার জন্য রাজী হলেন রিপুঞ্জয়ের শর্তে।

    দিবোদাস নাম নিয়ে রিপুঞ্জয় হলেন পৃথিবীর রাজা। তারপর তিনি ঢেঁড়া পিটিয়ে ঘোষণা করলেন–দেবতারা ফিরে যাবে দেবলোকে। যক্ষরা যক্ষলোকে, নাগেরা নাগলোকে, পৃথিবীতে থাকবে কেবল মানুষ। অন্য কারো থাকা চলবে না। দিবোদাসের শর্ত মেনেই ব্রহ্মা তাঁকে পৃথিবীর সম্রাট করেছেন। কাজেই প্রতিবাদ করতে পারবেন না। এই ব্যাপার তিনি শিবের সঙ্গে পরামর্শ করতে চাইলেন। এইজন্য তিনি কাশীতে গেলেন, শিব তখন প্রাসাদ থেকে বেরিয়েছেন মন্দারকে বর দেবার জন্য। ব্রহ্মাকে দেখেই বললেন– আমি এক্ষুনি কুলদ্বীপ যাব, সঙ্গে পার্বতী, তুমিও চল আমার সঙ্গে। মন্দার কঠোর তপস্যা করছে, তাকে বর দিয়ে আসি।

    ব্রহ্মা যে কথা বলতে এলেন সে কথা তার বলা হল না।

    তিনজনেই পৌঁছলেন মন্দারের সামনে। মন্দার চোখ মেলে তাকাল, সামনে ব্রহ্মা আর হর-গৌরী। খুব খুশি হয়ে প্রণাম জানাল সে।

    তখন মহাদেব বললেন– হে মন্দার, তুমি এমন কঠোর তপস্যা করছ কেন? কোন্ বর পেলে তুমি খুশি হবে।

    মন্দার বলল– আপনি সপরিবারে আমার উপরেই বাস করুন। তাতেই আমি ধন্য হব। অন্য কোন ইচ্ছা আমার নেই।

    মন্দারের প্রার্থনা শুনে মহাদেব মুস্কিলে পড়লেন। তাঁর সাধের কাশী, এমন সুন্দর স্থান ছেড়ে অন্য কোথাও থাকতে তার ইচ্ছা নেই। কিন্তু মন্দার যেভাবে কঠোর তপস্যা করেছে, তাকে বর দিতেই হবে।

    ব্রহ্মা এতক্ষণ যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না, তা তিনি এবারে পেয়ে গেলেন। বললেন– দিবোদাসের কথা। শর্ত অনুসারে দেবতাদি সকলকেই পৃথিবী ছেড়ে থাকতে হবে। হে হর, মন্দারেরও অভিলাষ পূর্ণ হবে। আপনি মারেই বাস করুন। আপনি যদি মন্দারের বাসনা পূর্ণ না করেন, তাহলে দিবোদাসের কাছে আমি মিথ্যাবাদী হয়ে যাব। ব্রহ্মার কথা শুনে শিব বললেন– তাই হোক। তোমার কথা রক্ষা হবে, আর মন্দারের বাসনা পূর্ণ হবে।

    সপরিবারে মহাদেব চললেন কুলদ্বীপে। দেবতারা চললেন স্বর্গে। নাগ-যক্ষ সবাই যে যার জায়গায় চলে গেলেন। দেবতারা স্বর্গে ফিরে সেখানকার ভোগসামগ্রী উপভোগ করছেন। কিন্তু তাঁদের মনে পড়ে আছে সেই পৃথিবীর দিকে। মন্দারে শিবের কোন কষ্ট নেই। তবুও যেন শান্তি নেই। সকলেই চিন্তা করেন দিবোদাস তো মানুষ। মানুষের পরমায়ু আর কত হবে একদিন তো মরবেই তখন যাওয়া যাবে পৃথিবীতে।

    একের পর এক বছর কাটে। আশি হাজার বছর পার হয়ে যায়। তবু দিবোদাস জীবিত থাকে। মহাদেব কাশীতে ফিরতে পারছেন না। দেবতাদের মনেও স্বস্তি নেই। তাঁরা চিন্তা করছেন কিভাবে দিবোদাসের পতন হবে।

    গুরু বৃহস্পতির কাছে জানতে চাইলেন, দেবতারা কেমন করে দিবোদাসের পতন হতে পারে। বৃহস্পতি বললেন– দেখতে হবে তার শাসন ঠিক ঠিক চলছে কিনা? যদি না চলে তবেই তার পতন ঘটানো সম্ভব। তখন গোপনে দেবতারা সারা পৃথিবী ঘুরে দেখল– না কোন অধর্মই নেই কোন অশান্তি নেই। তাহলে তাকে পতন করা যাবে কীভাবে? সবাই চিন্তায় পড়লেন। বৃহস্পতি বললেন– তোমরা পৃথিবী ছেড়ে চলে এসেছে। কিন্তু তোমাদের শক্তিকে রেখে এলে কেন? সেই শক্তিকেও যদি সরিয়ে নাও, তাহলে রাজা বিপদে পড়বে।

    দেবতারা অবাক হয়ে বললেন– কি রকম, বৃহস্পতি বললেন– অগ্নি চলে এসেছে। কিন্তু তাঁর শক্তিতে অর্থাৎ অগ্নির সাহায্যে মানুষ রান্নাবান্না করছে। বরুণ চলে এসেছে। কিন্তু তাঁর শক্তি জল পৃথিবীর সর্বত্রই আছে। তাই তোমরা চলে এলেও তোমাদের শক্তিতে দিবোদাসের খুব সুবিধাই হচ্ছে। দেবতারা বৃহস্পতির কথা শুনে চিন্তা করলেন, সত্যি তো! আমরা এ কথাটা একবারও ভেবে দেখিনি।

    তখন দেবতারা প্রত্যেকেই তাঁদের শক্তিকে আকর্ষণ করে নিলেন। পৃথিবীতে আর আগুন জ্বলে না। আর জলের অভাবে সব কাজ বন্ধ। তেষ্টায় গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। শস্যক্ষেত্রে ফসল শুকিয়ে যাচ্ছে। সবাই ছুটে এল রাজদরবারে। দিবোদাসকে জানালো বিপদের কথা। শুধু প্রজাদের কষ্ট নয়, খোদ। রাজার প্রাসাদেই আগুনের অভাবে রান্নাবান্না বন্ধ। তখন দিবোদাস সবাইকে শান্ত করে বললেন–আমার একটু ভুলের জন্য সকলের এত কষ্ট হল। দেবতাদের পৃথিবী থেকে চলে যেতে বলায় তাঁরা চলে গেলেন। কিন্তু তাঁদের শক্তি সব ছিল। এখন তাঁরা আমাকে জব্দ করার জন্য তারা তাদের শক্তিকেও টেনে নিলেন। যাতে তোমরা সকলে আমার প্রতি বিদ্রোহ কর, প্রজাগণ তোমরা ভয় পেয়ো না। আমি একাই সব শক্তি সৃষ্টি করে তোমাদের সকল অভাব দূর করব।

    তারপর মহাযোগী দিবোদাস কেবলমাত্র কুলদেবতা ভাস্করকে রেখে আর সকলকে বিদায় দিয়ে নিজেই যোগবলে সমস্ত শক্তি সৃষ্টি করে সকল প্রজাগণকে শান্তিতে রাখলেন।

    পৃথিবীর রাজা বৃহস্পতির বুদ্ধিকে ব্যর্থ করে দিলেন। দেবতারা ভাবলেন তাহলে কি তাঁরা কখনও পৃথিবীতে আসতে পারবেন না? ওদিকে মহাদেবও দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছেন, মনে নেই কোন আনন্দ, মুখে নেই কথা, পার্বতী স্বামীর অবস্থা দেখে খুবই দুঃখ পান।

    তখন পার্বতী শিবকে বললেন–একটা মানুষকে এত ভয়? হে মহেশ, আপনি ইচ্ছা করলেই দিবোদাসকে সরিয়ে দিতে পারেন। আর কাশীতেও বাস করতে যেতে পারেন। শিব বললেন–পার্বতী তুমি যা বলছ, তা তত সহজ নয়। যা ইচ্ছা করব, তাই করা যায় না। ধর্মের রক্ষক হয়ে অধার্মিকের মত আচরণ আমাদের সাজে না। দিবোদাস যতক্ষণ ধর্মপথে থাকবে, ততক্ষণ আমরা তার কোন ক্ষতি করতে পারি না। আগে জানতে হবে তার দ্বারা কোন অধর্ম হচ্ছে কিনা?

    মহাদেবের চেষ্টায় যোগিনীদের পাঠিয়ে দিলেন পৃথিবীতে তার অনুমতি নিয়েই, চলল তারা সর্বত্র ঘুরে ঘুরে দেখল নানান বেশ ধরে, কেউ ভাল খায়, কেউ তুকতাক করে, লোকের মন ভোলাতে চেষ্টা করে, কিন্তু না, কেউ সফল হল না, পৃথিবীর প্রজারা সকলেই ধর্মপরায়ণ।

    যোগিনীরা এখন কি করবে? ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলে হর-পার্বতী কথা শোনাবে। তারা ভাবল, তার চেয়ে কাশীধামেই থেকেই যাই।

    থেকেই গেল তারা। যোগিনীরা ফিরল না দেখে শিব সূর্যকে ডেকে বললেন– হে আদিত্য, তুমি গিয়ে দেখ তো, পৃথিবীর মানুষেরা কি সকলেই ধর্মপথে রয়েছে? যদি থাকে, তাহলে তাদের কোন ক্ষতি করো না। আর যদি কোন অধর্ম দেখতে পাও, তাহলে আমাকে বলবে।

    সুর্যদেব কাশীতে এলেন। নানা বেশ ধরে ঘুরতে লাগলেন সর্বত্র, কিন্তু কোথাও কোন অধর্মের চিহ্ন পর্যন্ত দেখতে পেলেন না। কি বলবেন শিবকে? তাই ফিরে না গিয়ে স্যও রয়ে গেলেন কাশীতে। মহাদেব আর কাশী ছাড়া থাকতে পারবেন না, তাই ব্রহ্মাকে ডেকে বললেন– ব্রহ্মা তুমি দিবোদাসের শর্ত মেনে নিয়ে আমাকে ও সকল দেবতাগণকে এমন বিপাকে ফেলেছ যে, তার সীমা নেই। এখন কি যে করা যায়? তুমি একবার পৃথিবীতে গিয়ে দেখ না, যদি কোন অধর্মের চিহ্ন থাকে।

    ব্রহ্মা কোন উত্তর না করেই কাশীতে এসে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বেশ ধরলেন। উপস্থিত হলেন দিবোদাসের কাছে। রাজা ব্রহ্মাকে দেখেই সিংহাসনে ছেড়ে উঠে পড়লেন, প্রণাম জানালেন ভক্তিভরে। আসনে বসিয়ে নানা সেবাযত্ন করলেন, তারপর হাতজোড় করে বললেন– হে ব্রাহ্মণ ঠাকুর, আপনার জন্য আমি কি করতে পারি?

    ব্রাহ্মণবেশী ব্রহ্মা বললেন– এই কাশী এক পুণ্য ক্ষেত্র, এখানে আমি যজ্ঞ করতে চাই। আমি গরীব ব্রাহ্মণ, যজ্ঞ করার অর্থ আমার নেই। তাই আমি এসেছি আপনার কাছে, আপনি যদি এই ব্যবস্থাটুকু করে দেন, তাহলে আমার কামনা পূর্ণ হয়। আপনি একজন মহান ধার্মিক রাজা, আপনার রাজ্যে সকল প্রজাই সুখে আছে। যদি আপনি আমার এই সুখের ব্যবস্থা করেন।

    ব্রাহ্মণের কথা শুনে দিবোদাস খুব খুশি হল। বললেন– হে ব্রাহ্মণ, আজ আমার পরম সৌভাগ্য, বহুদিন হল আমি রাজত্ব করছি। এমন প্রস্তাব নিয়ে কেউ আগে আসেনি। আমার রাজকোষে যত অর্থ সঞ্চিত রয়েছে, তার এক পয়সাও আমি আমার নিজের জন্য ব্যয় করিনি। সবই জমা আছে। আজ আমি সেইসব অর্থ আপনাকে দান করলাম যজ্ঞের জন্য, আপনি যজ্ঞ শুরু করুন।

    ছদ্মবেশী ব্রহ্মা যজ্ঞ শুরু করলেন। সকল সামগ্রী সংগ্রহ করে দিলেন রাজা দিবোদাস। একান্ত অনুগত দাসের মত তিনি আনন্দের সঙ্গে সকল কাজে সহায়তা করলেন। এক এক করে দশটি যজ্ঞ করলেন ব্রহ্মা। রাজা তার ভাণ্ডার উজাড় করে দিলেন। দিবোদাস ধার্মিক রাজা ছিলেন। ব্রহ্মা কোন খুঁত পেলেন না। কাজেই তাই আর স্বর্গে ফিরে যাওয়া হল না। রয়ে গেলেন কাশীতে।

    মহাদেব অস্থির হয়ে পড়লেন। পাঠালেন সেরা সেরা ছত্রিশজন অনুচরকে। সবাই চেষ্টা করল কোনো খুঁত ধরার জন্য। কিন্তু না সকলেই ব্যর্থ হল। রয়ে গেল তারা কাশীতে। মহাদেবের উৎকণ্ঠা আরো বাড়ল। যে যায় কাশীতে সে রয়ে যায়। ফিরে আসে না কেউ। ব্যাপারটা কি? কেউ ফিরছে না কেন? যাই হোক, আমি যেতে না পারি আমার আপনজন তো সকলেই যেখানে গিয়ে বাস করছে। তাদের থাকা মানে আমারই থাকা হল।

    কিন্তু মহেশ্বরের মন মানল না। মনে পড়ল গণেশের কথা, ডাকলেন তাঁকে। বললেন–গণেশ, তুমি তো জানো, কাশী আমার প্রিয়। কি একটা সামান্য কারণে সেখানে যেতে পারছি না, অনেককেই পাঠালাম সেখানে, কেউই ফিরে এল না। আসলে ব্যাপারটা যে কি, তা বুঝতে পারছি না। তুমি একবার গিয়ে দেখতো, কোথাও কোন অশান্তি আছে কিনা?

    পিতার আদেশে গণেশ চললেন কাশীধামে। দেখলেন– কোথাও কোনো অশান্তি নেই। দিবোদাস বললেন, এখন আর আমার ভালো লাগে না। এ থেকে আমি রেহাই পেতে চাই।

    গণেশ বললেন–আপনার সব কিছুই আমি জানি। তবে আমি নিজে কিছু বলব না। আজ থেকে আঠারো দিন পরে আপনার কাছে এক ব্রাহ্মণ আসবেন, তিনিই সব বলবেন আপনাকে।

    এই কথা বলে গণেশ চলে গেলেন কাশীতে। এদিকে গণেশ ফিরে না চাওয়ায় শিব বিষ্ণুর শরণাপন্ন হলেন। তখন বিষ্ণু লক্ষ্মীকে নিয়ে গরুড়ের পিঠে চড়ে এলেন কাশীতে। বিষ্ণু ধরলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর বেশ। নাম ধরলেন পুণ্যকর্তা, লক্ষ্মী হলেন পরিব্রাজক আর গরুড় তাদের শিষ্য বিনয় কীর্তি।

    এভাবে তারা নগরে ঢুকে বৌদ্ধশাস্ত্রের সহজিয়া পথ শেখাতে লাগলেন সবাইকে। কেউ এর প্রশ্ন করলে, সহজভাবে বুঝিয়ে দিলেন পুণ্যকীর্তি। বলতে লাগলেন–যাগযজ্ঞ, পূজামে, পশুবলির দ্বারা স্বর্গলাভ হয় না। মানুষের দেহটা বেশিদিন থাকতে পারে না। রোগ-জরা গ্রাস করবে। মুক্তি কথার অর্থ হল আনন্দ, তা যদি পেতে হয়, দেহের সামর্থ্য থাকতে থাকতেই করা উচিত।

    সবাই পুণ্যকীর্তির কথা শুনে বুঝল ইনি ঠিক কথাই বলছেন, দেহটা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে কিছুই ঠিক থাকে না। ভয়ে ভয়ে সবাই কাশী ছেড়ে চলে যেতে লাগল। এদিকে রাজঅন্তঃপুর থেকে রানিরাও শুনেছেন গুণমুগ্ধ রূপী গণেশের গণনার অকাট্য সত্যতা। তাই দূত মারফত তাঁকে গোপনে অন্দরমহলে আনিয়ে জানতে চাইলেন, তাদের ভবিষ্যতের কথা। গুণমুগ্ধ তাদের হাত না দেখেই এমন সব কথা বলতে লাগলেন, যা সেই রানিরা ছাড়া অন্য কেউই জানেন না। অবাক হয়ে গেলেন সকলে তার অদ্ভুত গণনায়। গজানন এইভাবে কৌশলে রানিদের মনও জয় করলেন।

    একদিন কথায় কথায় রানি লীলাবতী রাজা দিবোদাসকে গণকের কথা বললেন। এমন একটা। গণনা ইতিপূর্বে কেউ কখনই শোনেনি। রাজার ইচ্ছা হল গণকঠাকুরের সঙ্গে দেখা করবেন। রানি দূতের দ্বারায় গুণমুগ্ধকে আনালেন রাজদরবারে। রাজা তাঁর পরিচয় নিয়ে সমাদর করে সেদিনের মতো বিদায় দিলেন।

    রাজার মনটা চঞ্চল হয়ে উঠল। পরদিন সকালেই আবার ডেকে পাঠালেন সেই গণকঠাকুরকে। রাজসভায় নয়, একেবারে অন্দরমহলে নিজের ঘরেই। বসবার আসন দিয়ে রাজা জিজ্ঞাসা করলেন–আপনাকে দেখে আমার মনে হচ্ছে, আপনি একটা সৎ পরামর্শ দিতে পারবেন। তাই ডেকে পাঠালাম আপনাকে। বহুদিন হল রাজ্যশাসন করছি, কিন্তু করার মতো কোন কিছুই লক্ষ্য পড়ল না তার তখন। বাবার কষ্টের কথা চিন্তা করে গণেশ একটা উপায় স্থির করলো। গণৎকারের বেশ ধরলেন। গুণমুগ্ধ নাম ধরলেন। সংসারের মানুষেরা ভাগ্যের ফলাফল জানতে খুব আগ্রহী। ঘুরতে লাগলেন প্রতি দ্বারে। প্রথম প্রথম কেউই তেমন আগ্রহ দেখাল না। কিন্তু গণেশ তাদের মুখ চোখ দেখেই বলতে লাগলেন। তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা।

    নগরবাসীরা বুঝতে পারল, গণকঠাকুর যা বলেছে সবই সত্য, মোটেও তিনি কাউকে ঠকাচ্ছেন না। তখন অনেকেই তার শরণ নিল। এখন গণেশ বুঝলেন– তার ফাঁদে পা দিয়েছে অনেকেই এবার নতুন খেলা শুরু করা যাক। সবাইকে স্বপ্ন দেখালেন রাতে। পরের দিন সকালে তাদের কাছে গিয়ে স্বপ্নের কথা হুবহু বলে দিতে লাগলেন। তারপর বললেন–এই রাজ্যে অল্পদিনের মধ্যেই খুব ক্ষতি হবে। খুব সাবধানে থাকা দরকার। কিংবা যদি কাশী ছেড়ে অন্য কোনো স্থানে চলে যেতে পারো, তাহলে কিন্তু কোনো বিপদের সম্ভাবনা থাকবে না।

    এইভাবে গণেশ প্রায় প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা ভাবে একই কথা বলতে লাগলেন।

    ইতিমধ্যে সবাই গুণমুগ্ধের কথায় বিশ্বাস করেছে। এখন তাই আর অবিশ্বাস করার কথা থাকে না। তখন আনন্দ পেয়েও কি হবে?

    তখন মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল। ধর্মের নামে অনাচার শুরু করে দিল সবাই। গণেশ এতদিন সবাইকে বিভ্রান্ত করে রেখেছিলেন তাই বিষ্ণুর দ্বারা এত সহজেই মানুষ অত্যাচারী হয়ে উঠল।

    পুণ্যকীর্তি পুরুষদের আর পরিব্রাজিকা নারীদের উপর সহজেই প্রভাব বিস্তার করল। দলে দলে প্রায় সকলেই আসতে লাগল। তাদের শিষ্য-শিষ্যা হল। জাতিভেদ কেউ আর মানল না, বর্ণভেদও লোপ পেয়ে গেল। অনাচারে ভরে গেল দেশ।

    যত অনাচার বাড়তে লাগলো, তত কমল দিবোদাসের প্রভাব। গণকঠাকুর বলছেন আঠারো দিন পরে এক ব্রাহ্মণ এসে সব বলবেন রাজাকে। তাই রাজা নিত্যই গুণছেন সেই দিনটি কবে আসবে, চারিদিকে অশান্তি, অনাচার সব খবরই পান তিনি। তাই মনটা ছটফট করেছে সেই ব্রাহ্মণের অপেক্ষায়। নির্দিষ্ট দিনে রাজার যেন সময় আর কাটতেই চায় না। এমন সময় এলেন সেই সুদর্শন ব্রাহ্মণ। রাজা দিবোদাস বুঝতেই পারলেন গণকঠাকুরের বলা সেই ব্রাহ্মণ এসে গেছেন। রাজা লুটিয়ে । পড়লেন তার চরণে, সিংহাসনে বসিয়ে পাদ্যাদি দিয়ে পূজা করলেন।

    তারপর বললেন, আজ আমার পরম সৌভাগ্য দীর্ঘদিন ধরে পৃথিবী শাসন করছি। প্রজাদের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য দেখলাম। এখন আর পারছি না। এখন আপনি বলুন, আমি এর থেকে কেমন করে মুক্তি পেতে পারি। ব্রাহ্মণবেশী বিষ্ণু বুঝতে পারলেন– গণেশের দ্বারা কিভাবে পথ সব পরিষ্কার হয়ে আছে। জিজ্ঞাসা করলেন –আপনি তো সাধারণ রাজা নন রাজর্ষি, তাহলে আপনার মনে অশান্তির কারণ কি?

    রাজা বললেন–কেন এমন হল? হয়তো দেবতাদের বিতাড়িত করে নিজেই সব দায়িত্ব নেওয়ার অপরাধে এমন হল। ব্রাহ্মণ বললেন–না না সেজন্য নয়, তাতে দেবতাদের তো কোন অপকার হয়নি। রাজা বললেন–তাহলে কেন আমি এত দুর্বল, বুঝতে পারছি না। এখন আপনি যা বলবেন আমি তাই করব।

    ব্রাহ্মণ বললেন–এই কাশীধাম হল দেবাদিদেব মহাদেবের প্রিয় স্থান, আপনি তাকে এখান থেকে বের করে দিয়ে ভালো করেননি। আপনি তার আরাধনা করুন, সাতদিনের মধ্যেই আপনার অশান্তি কেটে যাবে।

    দিবোদাস ব্রাহ্মণের কথামতো গঙ্গার তীরে নতুন এক প্রাসাদ তৈরি করলেন। এক শিবলিঙ্গ তৈরি করে প্রতিষ্ঠা করে নিত্যদিন তার সেবা পূজা করলেন। একমনে ধ্যান করতে লাগলেন।

    কাশীর পঞ্চনদের কাছে বিষ্ণু রয়ে গেলেন, গরুড়কে পাঠিয়ে দিলেন মন্দারে, দিবোদাসের সব খবর জানালেন শিবকে।

    মাত্র সাতদিন শিব সাধনার পর দিবোদাস মুক্ত হয়ে চলে গেলেন স্বর্গে।

    শিব ফিরে এলেন কাশীতে। কিন্তু সেই পুরোনো প্রাসাদে নয় নতুন প্রাসাদ তৈরি করে দিলেন বিশ্বকর্মা, বহু সোনা আর রত্নরাজি দিয়ে। সেই প্রাসাদে মহাদেব পুরো পরিবার নিয়ে আজও বাস করছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141 142 143 144 145 146 147 148 149 150 151 152 153 154 155 156 157 158 159 160 161 162 163 164 165 166 167 168 169 170 171 172
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    Related Articles

    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ২ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৩ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ৪ (অনুবাদ : পৃথ্বীরাজ সেন)

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    বাংলার মাতৃসাধনা – পৃথ্বীরাজ সেন

    September 16, 2025
    পৃথ্বীরাজ সেন

    সিডনি সেলডন রচনাসমগ্র ১ – ভাষান্তর : পৃথ্বীরাজ সেন

    September 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }