Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৪ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ম্যামথের খোঁজে – ৪

    ৪

    আর গাড়ি যাবে না। পরদিন ভোরবেলা সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই সেই উন্মুক্ত জমিতে যাত্রা শুরু করল তারা। সঙ্গে জিনিসপত্র বলতে হালকা একটা তাবু, শুকনো খাবার, পানীয় জল আর রাইফেল। এছাড়াও লুমানি সঙ্গে নিল তার নিজস্ব জিনিপত্রগুলো। জমিটা মসৃণ নয়, আফ্রিকার প্রখর সূর্য মাটিটাকে চৌচির করে ফাটিয়ে রেখেছে। কোথাও পড়ে আছে জমাট বেঁধে পাথরের মতো শক্ত হয়ে যাওয়া মাটির ঢেলা। তাছাড়া ধুলো তো আছেই। চলতে লাগল সুদীপ্তরা। মাঝে মাঝে তারা দূরবিন দিয়ে দেখতে লাগল সেই কালো বিন্দুগুলোকে। তারাও এগোচ্ছে, কিন্তু এগোচ্ছে খুব মন্থর গতিতে। সুদীপ্তদের যাত্রাপথে চোখে পড়তে লাগল ধূলোর ওপর হাতির পদচিহ্ন, তাদের পায়ের চাপে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া মাটির ঢেলা। তিনটে সঞ্চারণশীল কালো বিন্দু ক্রমশ বড় হয়ে উঠতে লাগল। এক সময় খালি চোখেই দেখা যেতে লাগল তাদের। ঘণ্টা চারেক চলার পর হাতিগুলোর কাছাকাছি পৌঁছে গেল তারা। বড় হাতিটার কলেবর দেখে অবাক হয়ে গেল সুদীপ্ত আর হেরম্যান। তার রাজা হাতি নামকরণ সার্থক। এর আগেও আফ্রিকাতে এসে অনেকবার হাতি দেখেছে তারা। কিন্তু এত বড় হাতি কোনোদিন দেখেনি। উচ্চতায় অন্তত সে তের ফুট হবে। দাঁত দুটো প্রায় মাটি ছুঁয়ে অগ্রভাগটাকে ঈষৎ গুটিয়ে নিয়েছে। যেন সে চলমান একটা পাহাড়। আর তার সঙ্গী রক্ষী হাতি দুটোও আকারে অন্তত দুশ ফুট হবে। তাদের দাঁতের আকৃতিও বিশাল। যে দাঁত দিয়ে কোনো মানুষকে তুলে নিয়ে শূন্যে লোফালুফি খেলতে পারে। অজগর সাপের মতো শুঁড়গুলো যে কোনো প্রাণীকে টেনে দু-টুকরো করতে পারে। উপরে ফেলতে পারে কোনো গাছকে!

    লুমানি বলল ‘দেখলেন তো আমি কি বলেছিলাম?’

    হেরম্যান বললেন “সত্যি এটা রাজা হাতি “মফালম টেম্বো!”

    লুমানি বলল ‘আমরা এখন যে দূরত্বে আছি সেই দূরত্বেই ওদের অনুসরণ করব। এর চেয়ে কাছে গেলে ওদের চোখে পড়ে যেতে পারি। আর কখনও যদি ওরা ফিরে দাঁড়ায় তবে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বে। তবে এখন ওদের দিক থেকে আমাদের দিকে বাতাস বইছে। চট করে ওরা আমাদের উপস্থিতি টের পাবে না।’—এ কথা বলে সে মুখোশটা মাথা থেকে টেনে মুখ ঢেকে নিল। সুদীপ্ত জানতে চাইল ‘তুমি মুখোশ পরলে কেন?’

    লুমানি বলল ‘এটা জাদু মুখোশ, এটা পরলে কোনো বিপদ আসে না।’

    আফ্রিকান উপজাতিদের নানারকম সংস্কার থাকে। তাই সুদীপ্ত আর কথা বাড়াল না। অত্যন্ত মন্থর গতিতে চলছে সেই হস্তিযূথ। কখনও বা তারা দাঁড়িয়ে পড়ছে। আস্কারি হাতি দুটো মাটি থেকে শুঁড়ে করে ধুলো তুলে নিয়ে ছুঁড়ে দিচ্ছে তাদের রাজার গায়ে। কখনও আবার নিজেরাও মাখছে। লুমানি বলল ‘ওরা গায়ে ধুলো মাখে সূর্যের তাপ থেকে বাঁচার জন্য। ধুলোর আস্তরণ থাকলে রোদের তাপ সরাসরি চামড়া স্পর্শ করে না।’ সত্যিই খুব গরম। ঘামে পোশাক ভিজে যাচ্ছে সুদীপ্তদের। মাঝ দুপুরে পথে একটা ডোবা মতো পড়ল। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে জলপান করল। তারপর আবার এগোল তাদের যাত্রাপথে।

    কিন্তু এরপরই চলতে চলতে হাতিগুলো পিছন ফিরে তাকাতে শুরু করল। মাটিতে শুয়ে পড়তে লাগল সুদীপ্তরা। হেরম্যান, লুমানিকে জিজ্ঞেস করলেন ‘ওরা কি আমাদের উপস্থিতি অনুমান করেছে?’

    লুমানি বলল ‘ঠিক বুঝতে পারছি না। তবে ওদের আচরণে পরিবর্তন ঘটেছে।’

    এভাবে আরও কিছুক্ষণ এগোবার পর সেই হস্তিযূথেরা হঠাৎই থমকে দাঁড়িয়ে পরে ধীরে ধীরে পিছন ফিরল। সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়ল সুদীপ্তরা। একটা আস্কারি হাতি তার শুঁড়টাকে সাপের ফনার মতো আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে একটা ডাক ছাড়ল। হ্যাঁ, তারা কিছু দেখেছে! তারা কি সুদীপ্তদের দেখে ফেলেছে? যথা সম্ভব মাটির সাথে মিশে গিয়ে নিজেদের আত্মগোপন করার চেষ্টা করতে লাগল সুদীপ্তরা। ওই মহামাতঙ্গরা তাদের দিকে ছুটে এলে এই উন্মুক্ত জমিতে পালাবার পথ নেই। কিন্তু হাতিগুলো তা করল না। তারা আবার ঘুরে দাঁড়াল। তারপর যেন বেশ দ্রুতগতিতে এগোতে শুরু করল।

    মাটি থেকে উঠে দাঁড়াবার সময় হঠাৎই পিছনে নজর গেল হেরম্যানের। তিনি বলে উঠলেন ওটা কি?

    উঠে দাঁড়িয়ে সুদীপ্ত আর লুমানি হেরম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পিছনে তাকাল। সুদীপ্তরা দেখতে পেল যে পথ দিয়ে তারা এসেছে সে পথে দূর থেকে একটা ধুলোর ঝড় যেন এগিয়ে আসছে তাদের দিকে।

    লুমানি বলল ‘এবার বুঝতে পারছি টেম্বোগুলো ঘুরে দাঁড়াবার পর আবার এমনভাবে দ্রুত এগোচ্ছে কেন? ওটাই ওরা দেখেছে। সম্ভবত ওটা একটা গাড়ি!’

    সেই ধুলোর ঝড়ের দিকে তাকিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল সুদীপ্তরা। আর রাজা হাতি তার দেহরক্ষীদের নিয়ে সোজা ছুটতে শুরু করল তাদের পথে।

    সেই ধুলোর ঝড় যখন তাদের সামনে এসে দাঁড়াল তখন হাতির দল বেশ অনেকটা দূরে সরে গেছে।

    হ্যাঁ, একটা গাড়ি। হুড খোলা একটা ল্যান্ড রোভার। তার চালকের আসনে বসে মাসাই গ্রামের সেই গাইড বারকিন আর একজন শ্বেতাঙ্গ। তার কোলে রাখা আছে একটা রাইফেল।

    সুদীপ্তরা তাদের দেখে বেশ অবাক হয়ে গেল। গাড়ি থেকে নামল সেই শ্বেতাঙ্গ আর বারকিন বলে লোকটা। সুদীপ্তরাও কয়েক পা এগিয়ে তাদের সামনে দাঁড়াল। বারকিন দেঁতো হেসে বলল ‘এই বাওয়ানা হাতি শিকার করতে এসেছে। তাই এদিকে আসতে হল।’

    মাঝবয়সি শ্বেতাঙ্গ লোকটা হেরম্যানের দিকে করমর্দনের হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন ‘আমার নাম রজার্স ফাউলিং। জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাগরিক, আর বর্তমানে কর্মসূত্রে থাকি নাইরোবিতে। শিকারের শখ আছে। হাতি শিকার করতে এসেছি। আপনারা?’

    হেরম্যান এবার তার আর সুদীপ্তর নাম ঠিকানা বললেন।

    ফাউলিং-এরপর কোনো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই লুমানি মুখের ওপর থেকে মুখোশটা সরিয়ে নিয়ে বারকিনকে বলল ‘হাতি শিকারের জন্য বাওয়ানাকে তুমি এদিকে আনলে কেন? হাতি তো আমাদের ওদিকেই বেশি আছে।’ বারকিন কথাটা শুনে ধূর্ত হেসে বলল ‘কারণ, তোমার ওই বুড়ো হাতিটা এদিকেই এসেছে। বাওয়ানা হাতি শিকারের জন্য ফার্স্টক্লাস পাশ পেয়েছে। তেমন হাতি তো এই একটাই আছে। ফার্স্ট ক্লাস পারমিট যখন তখন বাওয়ানা অন্য হাতি শিকার করবে কেন?’

    কথাটা শুনেই চমকে উঠল সুদীপ্তরা। হাতি শিকারের জন্য তিন ধরনের পাশ বা পারমিট দেওয়া হয় এখানকার সরকারি দপ্তর থেকে। একশ পাউন্ড এক একটা দাঁতের ওজন পর্যন্ত নরমাল বা থার্ডক্লাস পারমিট, একশ থেকে দেড়শ পাউন্ড ওজনের জন্য সেকেন্ড ক্লাস। আর যে সব হাতির দাঁতের ওজন দেড়শ পাউন্ডের বেশি সেই সব মহামাতঙ্গ শিকারের জন্য ফার্স্ট ক্লাস পাশ। অর্থাৎ এই শ্বেতাঙ্গ শিকারীর লক্ষ সেই রাজা হাতি!

    ফাউলিং বললেন “হ্যাঁ, ফার্স্ট ক্লাস পাশ আছে আমার কাছে। পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করার পর আমি এ পাশ পেয়েছি। দ্বিতীয়বার হয়তো এ পাশ পাব না।”

    বারকিন এবার লুমানিকে প্রশ্ন করল ‘কিন্তু তুমি বাওয়ানাদের এদিকে এনেছ কেন? কয়েক মুহূর্তর জন্য নিস্তব্ধতা নেমে এল সবার মধ্যে। ওর লুমানিই বুদ্ধি করে ব্যাপারটা সামাল দিল। সে বলল ‘আমরাও এদিকে এসেছি ওই হাতিটা শিকারের জন্যই। আমার বাওয়ানাদের কাছেও ফার্স্ট ক্লাস পাশ আছে।’

    কথাটা শুনে বারকিন হেরম্যানকে বলল ‘তোমাদের তো আমি টুরিস্ট ভেবেছিলাম। তোমরা যে শিকারী তা বলনি তো?’ বাধ্য হয়ে হেরম্যানকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হল। তিনি বললেন ‘বলার প্রয়োজন হয়নি তাই বলিনি।”

    ফাউলিং ও লুমানি আর হেরম্যানের কথা শুনে বিস্মিতভাবে বললেন “কিন্তু সরকারি দপ্তর থেকে ওরা যে আমাকে বলল যে একটা ফার্স্ট ক্লাস পাশ এবার আমাকেই দেওয়া হয়েছে।

    যতক্ষণ না সেই রাজা হাতি আর তার সঙ্গী দুজন সেই কবরখানায় পৌঁছচ্ছে ততক্ষণ তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। হেরম্যান তাই বললেন আপনি ঠিকই শুনেছেন। তবে এটা স্পেশাল পাশ। নাইরোবিতে আমার এক বন্ধু থাকেন। সরকারি উঁচু মহলে তার জানাশোনা। সেই জোগাড় করে দিয়েছে পাশটা।’

    কথাটা শুনে ফাউলিং উষ্মাপ্রকাশ করে বললেন ‘যে পাশের জন্য আমাকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হল সে পাশ আপনি এত সহজেই পেয়ে গেলেন পিছনের দরজা দিয়ে! এ জন্যই এ দেশের এমন দুরবস্থা! এখন আমরা দু-দলই একটা হাতির পিছনেই ধাওয়া করব নাকি?”

    সুদীপ্ত হেসে বলল ‘আমরাই কিন্তু আগে পিছু ধাওয়া করেছি হাতিটার।

    ফাউলিং বললেন ‘তা করেছেন ঠিকই কিন্তু ওই হাতিটাকে শিকার করার অধিকার আমারও আছে। আগে কার শিকারের অধিকার তা নিশ্চয়ই পারমিটে লেখা নেই?

    সুদীপ্ত বলল ‘আবারও বলছি আমরা কিন্তু আগে এদিকে এসেছি। হাতিটাকে মারার নৈতিক অধিকার কিন্তু আমাদেরই! বারকিন বলল জঙ্গলে কিন্তু নৈতিক অধিকার চলে না। জোর যার মুলুক তার এই নিয়মই চলে। আমার বাওয়ানা যা ঠিক করবেন তাই হবে।’

    ফাউলিং সুদীপ্তদের উদ্দেশে বলল ‘আপনাদের সাহস দেখে আমি আশ্চর্য হচ্ছি! এই উন্মুক্ত ভূমিতে আপনারা পায়ে হেঁটে হাতি শিকার করতে বেরিয়েছেন। ওরা যদি আপনাদের তাড়া করে তখন কোথায় পালাবেন? তাছাড়া আপনাদের বন্দুকগুলো দেখে মনে হচ্ছে ও বন্দুকে হরিণ-অ্যান্টিলোপ বা চিতা শিকারের উপযোগী হলেও ওই অস্ত্র হাতি শিকারের জন্য যথার্থ নয়। নির্ঘাত বিপদে পড়বেন আপনারা। তার চেয়ে বরং সুযোগটা আমিই সফল ভাবে কাজে লাগাতে পারি।’ হেরম্যান বললেন ‘বিপদ তো সবার জীবনেই হঠাৎ আসতে পারে। হয়তো আপনি হাতির কাছাকাছি পৌঁছে গুলি চালালেন কিন্তু রাইফেল থেকে গুলি বেরোল না বা লক্ষভ্রষ্ট হলেন আপনি। অথবা আপনাকে যখন হাতি তাড়া করল ঠিক তখনই আপনার গাড়ির এঞ্জিন থেমে গেল। বিপদ অকস্মাৎ বজ্রপাতের মতোই মানুষের জীবনে নেমে আসে। আমরা যদি নিজেদের মধ্যে বিবাদ করি তবে লাভ তো হবেই না, উভয় পক্ষের ক্ষতিও হতে পারে। তার চেয়ে বরং কোন সমাধান সূত্রে আসা যাক।”

    ফাউলিং বললেন “কি সমাধান সূত্র?’

    হেরম্যান বললেন ‘আমরা আগে হাতিটাকে মারার চেষ্টা করি তারপর আপনারা।’ ফাউলিং একটু ভেবে নিয়ে হেসে বললেন ‘আপনাদের যা অবস্থা দেখছি তাতে উলটো ব্যাপারটাই না ঘটে। আপনারাই হয়তো শিকার হলেন তাদের। হয়তো আপনাদের দেহগুলো আমাকেই ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হল। ঠিক আছে আরও একটা দিন সময় পাবেন আপনারা। কাল সূর্যাস্তের মধ্যে আপনারা যদি হাতিটাকে মারতে না পারেন তবে পরশু সকাল থেকে আমি তাদের পিছু ধাওয়া করব। কাল সূর্যাস্তের সময় আপনারা যেখানে পৌঁছবেন সেখানেই আপনারা থেমে যাবেন। যদি আপনারা বেঁচে থাকেন তবে হাতিটা শিকার করে দাঁত দুটো কেটে নেবার পর আমার গাড়িতে আপনাদের অবশ্যই তুলে নেব। কাল সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই তাঁবু গাড়লাম আমরা।’

    হেরম্যান তার কথার প্রত্যুত্তরে বললেন আমাদের প্রথম সুযোগ দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এবার তবে চলি। আমাদের হাতে সময় কম।’

    বারকিন এবার লুমানির উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করে সুদীপ্তদের উদ্দেশ্যে বলল “তোমরা যার সাথে যাচ্ছ সে জন্য তোমাদের জন্য চিন্তা রইল। সাবধানে থেক।’

    সুদীপ্ত তার কথার জবাবে বলল ‘তোমার পরামর্শর জন্য ধন্যবাদ। হয়তো আবার দেখা হবে তোমাদের সাথে।’

    আবার হাঁটতে শুরু করল সুদীপ্তরা। সেই মাতঙ্গর দল ততক্ষণে তাদের দৃষ্টি পথের বাইরে চলে গেছে।

    কিছুটা এগোবার পর হেরম্যান বললেন ‘মিথ্যা কথা বলতে আমার খারাপ লাগল ঠিকই, কিন্তু এ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। ওই মফালম টেম্বোকে তো বাঁচাতে হবে।’

    সুদীপ্ত এবার লুমানিকে বলল ‘তোমাদের গ্রামের বারকিন কিন্তু পরশু রাতে আমাদের ল্যান্ড রোভোরে দেখা করতে এসেছিল তাকে গাইড হিসাবে নিয়োগ করার জন্য। যদিও সে আমাদের সাধারণ টুরিস্টই ভেবেছিল।’

    কথাটা শুনে লুমানি বলল, ‘ওই হল আসল শয়তান। হাতির দাঁত আর সিংহর চামড়ার চোরা চালানের জন্য বেশ কয়েকবার জেল খেটেছে বারকিন। গ্রামের লোকেরা ওকে ভয় পায় বলে গ্রাম থেকে তাড়াতে পারে না।’

    সুদীপ্ত বলল ‘কিন্তু এখন কী হবে। আমাদের হাতে সময় আছে কাল সূর্যাস্ত পর্যন্ত। পরদিন সকালেই হয়তো ওরা গাড়ি নিয়ে পৌঁছে যাবে। তারপর?’

    লুমানি বলল ‘আজ নিয়ে চারদিন হল টেম্বোরা যাত্রা শুরু করেছে। পরশু বিকাল নাগাদ তাদের বাঁশ বনে পৌঁছে যাবার কথা। সেখানে পৌঁছলে অবশ্য তাকে মারা অত সহজ হবে না, কিন্তু পরশু দুপুর নাগাদই হয়তো ওরা ধরে ফেলবে টেম্বোগুলোকে। যাতে তার আগেই তাদের বাঁশ বনের ভিতর প্রবেশ করানো যায় সে চেষ্টা করতে হবে।’

    সুদীপ্ত জানতে চাইল ‘কিন্তু কী ভাবে?’

    লুমানি জবাব দিল ‘ভেবে দেখি, কী উপায় বার করা যায়?’

    আবার চলতে থাকল তারা।

    সূর্য তখন প্রায় অস্ত যেতে বসেছে। ঠিক সেই সময় আবার সেই হস্তিযুথের দর্শন পেল তারা। বেশ অনেকটা পথ দৌড়ে এসে সূর্য অস্ত যাচ্ছে দেখে থেমেছে হাতিগুলো। তাদের সাথে নিরাপদ দূরত্ব রেখে সুদীপ্তরাও থামল। দিনের শেষ আলো ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশে। সেই আলোতে ফুটিফাটা ঘাসহীন এই রুক্ষ প্রান্তরকেও যেন আশ্চর্য সুন্দর মনে হচ্ছে। ধুলোখেলা শুরু করল হাতিগুলো। চোখে দুরবিন লাগিয়ে সুদীপ্তরা সে দৃশ্য অনুভব করতে লাগল। এক সময় সূর্য ডুবে গেল এই নিঃসঙ্গ প্রান্তরের বুকে। চোখের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল সেই তিনটে কালো অবয়ব। সুদীপ্তরা তাবু খাটিয়ে ফেলল। আগুন জ্বালানো যাবে না। হাতিগুলোর চোখে পড়তে পারে অগ্নিশিখা। আর আগুন জ্বালাবার কোনো উপকরণও মজুত নেই। কোনো গাছপালা নেই কোথাও। তাঁবু খাটাবার পর সুদীপ্তরা খেতে বসল। তাদের খাওয়া যখন শেষ হল তখন মাথার ওপর চাঁদ উঠতে শুরু করেছে। সেই চাঁদের দিকে তাকিয়ে হেরম্যান বললেন ‘মনে হয় আর দু-তিন দিন বাদেই পূর্ণিমা।’

    লুমানি বলল ‘আমি যেদিন হাতিদের কবরখানার দরজায় পৌঁছে ছিলাম সেদিনও পূর্ণিমা ছিল! হয়তো বা পূর্ণিমার রাতেই সেখানে পৌঁছয় টেম্বোরা। প্রেত হাতিরা তাদের ভিতরে নিয়ে যায়। সেই হিসাব মতোই যাত্রা শুরু করে টেম্বোরা, যাতে পূর্ণিমার রাতে তারা সেখানে পৌঁছতে পারে।’

    হেরম্যান বললেন ‘ব্যাপারটা অসম্ভব কিছু নয়। পশুপাখিরা প্রাকৃতিক ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন। আর হাতিতো বটেই, ওরা বেশ বুদ্ধিমান প্রাণী।

    খাওয়া সাঙ্গ হবার পর বেশ কিছুক্ষণ গল্প করে তাঁবুর ভিতর শুতে গেল সুদীপ্ত আর হেরম্যান। লুমানি বলল সে বাইরেই থাকবে। বলা যায় না হাতির দল কোনো কারণে এদিকে চলে আসতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজলঙ্গীর অন্ধকারে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article লাল রক্ত কালো গোলাপ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }