Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৪ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেত লামার মন্দির – ৯

    ৯

    পাইন বনে প্রবেশ করল দীপাঞ্জনরা। কোথাও কোনো শব্দ নেই। সূর্য ডোবার সাথে সাথে কনকনে ঠান্ডা যেন মুড়ে ফেলেছে বনের ভিতরটাকে। এক হাত দূরের কিছু দেখা যাচ্ছে না। শুধু টর্চের আলো মাটির ওপরে পড়ে যেখানে হাঁটার জন্য আলোকবৃত্ত রচনা করছে সেখানেই শুধু আলো। সেই অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে দীপাঞ্জনরা উপস্থিত হল মন্দিরের সামনে। অন্ধকারের মধ্যে যেন আরও অন্ধকার মন্দিরটা। এক অদ্ভুত প্রেত অবয়ব নিয়ে সে দাঁড়িয়ে আছে। দীপাঞ্জন একবার টর্চের আলোটা মন্দিরের বাইরে চারদিকে ঘোরালো। কিন্তু তেমন কোনো কিছু চোখে পড়ল না। ধীর পায়ে মন্দিরের ওপর উঠলেন অ্যান। সঙ্গে দীপাঞ্জন আর জুয়ান। মন্দিরের ভিতর ঢুকে বেশ বড় একটা মোমবাতি জ্বালালেন জুয়ান। এবার বেশ কিছু মোমবাতি সঙ্গে করে এনেছে দীপাঞ্জনরা। একটার পর একটা ঘর অতিক্রম করে দীপাঞ্জনদের নিয়ে অ্যান প্রবেশ করলেন সেই হলঘরে। দীপাঞ্জন তার টর্চের আলো ফেলল ঘরের কোনগুলোতে আর মূর্তির সামনে যেখানে অবনীবাবুর দেহটা পড়েছিল সেই জায়গাতে। না, কেউ কোথাও নেই। পুলিশ দেহ তুলে নিয়ে গিয়ে রক্ত ধুয়ে দিয়ে গেছে। হলঘরটাতে ঢোকার পর আরও বেশ কটা মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘরের এদিকে ওদিকে বসিয়ে দিলেন। মোটামুটি আলোকিত হয়ে উঠল ঘরটা। যদিও ঘরের কোনের অন্ধকারগুলোতে সে আলো পৌঁছচ্ছে না। মেরী অ্যান দীপাঞ্জনদের নিয়ে হাজির হল সেই অদ্ভুত ভয়ঙ্কর মূর্তির সামনে। অদ্ভুত এক জিঘাংসা যেন ঝরে পড়ছে মূর্তির চোখ থেকে।

    দীপাঞ্জনের হাত থেকে টর্চটা নিলেন মেরী অ্যান। তারপর দেওয়ালের গায়ে সিলিং-এর কাছে মূর্তির মাথার অনুরূপ যে মাথাগুলো আছে সেগুলোর ওপর টর্চের আলো ফেলতে ফেলতে বললেন, ‘দেখুন এই মাথাগুলো সব ক্লক ওয়াইজ সাজানো। কিছু বুঝতে পারছেন? আপনারা একজন মূর্তির পিছনে যান। আর একজন মূর্তির পাশে সরে দাঁড়ান। এই বলে তিনি নিজেও মূর্তির এক পাশে সরে দাঁড়ালেন। তার কথা অনুসরণ করে দীপাঞ্জন মূর্তির পিছনে গিয়ে দাঁড়াল। আর জুয়ান একপাশে সরে এলেন। অ্যান জুয়ানকে বললেন, ‘মূর্তির বুকের কাছটা ভালো করে খেয়াল করুন।

    তারপর তিনি দীপাঞ্জনকে বললেন, ‘মূর্তির মাথাটা ক্লক ওয়াইজ, অর্থাৎ আপনার দিক থেকে অ্যান্টি ক্লক ওয়াইজ ঘোরাবার চেষ্টা করুন।’

    নির্দেশ শুনে দীপাঞ্জন দু-হাতে মাথাটা চেপে ঘোরাবার চেষ্টা করতে লাগল। বেশ জোরে চাপ দেবার পর হঠাৎ কট করে একটা শব্দ হল। জুয়ান দেখতে পেল মাথাটা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে হাতখানেক লম্বা একটা তীক্ষ্ণ লৌহ শলাকা বাইরে বেরিয়ে এল। দীপাঞ্জন এরপর মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই মাথাটা দ্রুত নিজের জায়গাতে ফিরে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই শলাকাটা আবার সুড়ুৎ করে মূর্তির স্ফীত শরীরের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল। এরপর জুয়ান ব্যাপারটা পরখ করার জন্য মূর্তির পিছনে গিয়ে দাঁড়ালেন, আর দীপাঞ্জন সামনে এক পাশে। জোরে চাপ দিয়ে জুয়ান মূর্তির মাথাটা এক পাশে ঘোরাতেই আবার বেরিয়ে এল সেই মৃত্যু শলাকা। মাথাটা ছেড়ে দিতেই আবার সেটা অন্তর্হিত হল। মূর্তির পিছন থেকে জুয়ান বেরিয়ে আসার পর অ্যান দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘এবার কীভাবে লোকটার মৃত্যু হয়েছিল নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন? সামনে থেকে কেউ মাথাটা ঘোরালেই শলাকাটা বেরিয়ে এসে বুক বা পেট ফুঁড়ে দেয়। আঘাত পেয়ে মূর্তির মাথা থেকে হাত খসে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই, মাথা মাপের জায়গাতে ফিরে আসে, আর শলাকাটাও দেহ থেকে বেরিয়ে মূর্তির মধ্যে ঢুকে যায়।’

    এরপর তিনি বললেন, ওই ভদ্রলোকের ঘরে আমি কাল সন্ধেবেলা গেছিলাম। কথা প্রসঙ্গে আমি তাঁকে গল্প করেছিলাম যে আমার স্বামী একবার আমাকে বলেছিলেন যে এই মূর্তির মাথাটা নাকি ঘোরে। এতে আমি ব্যাপারটার সত্যি মিথ্যা জানি না। সত্যিই আমি কিন্তু শলাকা বেরিয়ে আসার ব্যাপারটা কাল রাতের আগে জানতাম না। তাহলে তাকে সাবধান করে দিতাম। যাই হোক কাল রাত দুটো নাগাদ তিনি আমার ঘরে কড়া নাড়লেন। দরজা খুলতেই তিনি আমাকে বললেন যে কিছুতেই তাঁর ঘুম আসছে না। সামনের লনে তিনি একটু হাঁটবেন। ঘুম চোখে আমি গিয়ে দরজা খুলে দিলাম। বাইরে বেরোলেন তিনি। আমি ঘরে ফিরে এলাম। কিন্তু তার পরই হঠাৎ আমার মাথায় এল যে ভদ্রলোক সত্যি বলেছেন তো? নাকি তিনি অন্য কোনোখানে যাচ্ছেন? সঙ্গে সঙ্গে ঘুম ভাব আমার কেটে গেল। আমি বাড়ির বাইরে বেরোলাম। বাড়ির পিছনে এসে দেখি চাঁদের আলোতে পাইন বনের দিকে যাচ্ছেন তিনি। আমি বুঝতে পারলাম তাঁর গন্তব্য ওই মন্দির। কিন্তু এত রাতে এভাবে কেন? কৌতূহলবশত আমিও তাকে অনুসরণ করলাম। আমি খোঁড়া মানুষ। স্বাভাবিক নিয়মেই তিনি আগে মন্দিরে ঢুকেছিলেন। আমি যখন ও ঘরে ঢুকলাম তখন এই মূর্তির কাছে একটা বড় মোম জ্বলছিল। আমি সেই আলোতে দেখলাম ভদ্রলোক মূর্তিটার সামনে দাঁড়িয়ে দু-হাতে মাথাটা ঘোরাবার চেষ্টা করছেন। আর তারপর যা হল আপনারা বুঝতে পারছেন। ঘটনাটা দেখে আমি এত ভয় পেয়ে গেছিলাম যে মন্দির থেকে বেরিয়ে বাড়িতে ফেরার জন্য ছুটতে শুরু করলাম। তখনই আমার পা থেকে চটি খসে গেছিল। বাড়িতে ফিরে আমি আপনাদের বা পুলিশকে কিছু বললাম না এই ভয়ে যে পাছে আমাকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনাদের কথার জালে আটকে গিয়ে ব্যাপারটা আমাকে বলতেই হল। এখন মনে হচ্ছে আগে বললেই ভালো হত। এত উৎকণ্ঠা আর ভয়ের মধ্যে আমাকে থাকতে হত না।—দীর্ঘশ্বাস একটানা কথা বলে থামলেন বৃদ্ধা।

    জুয়ান বললেন, ‘হ্যাঁ, এ কথাটা আপনি আগেই আমাদের বললে কাউকে এ হাঙ্গামায় পড়তে হত না।’

    বেশ কয়েক মুহূর্ত নিস্তব্ধে কেটে গেল। দীপাঞ্জন এক সময় প্রশ্ন করল, “কিন্তু এই ঘাতক মুর্তিটা বানানো হয়েছিল কেন?’

    বৃদ্ধা জবাব দিলেন, ‘আমি জানি না।’

    ‘কিন্তু আমি জানি।’—হঠাৎ একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এল ঘরের কিছুটা তফাৎ থেকে। কখন যেন ঘরের মধ্যে কোথা থেকে উপস্থিত হয়েছে সেই লামা। যাকে গ্রামবাসীদের হাত থেকে বাঁচিয়েছিল দীপাঞ্জনরা। লোকটাকে দেখে অবাক হয়ে গেল দীপাঞ্জন আর জুয়ান। লোকটার এক হাতে ধরা একটা ব্যাটারি লাইট। তিনি লাইটটা এরপর জ্বালালেন। মনে হয় সেটা সংকেত ছিল। কারণ তার সঙ্গে সঙ্গেই ঘরে প্রবেশ করল সেই ভূত তাড়ানো লামার দল। তাদের কয়েকজনও ব্যাটারি ল্যাম্প জ্বালিয়ে ফেলল। আলোকিত হয়ে উঠল ঘর।

    জুয়ান বিস্মিত ভাবে লোকটাকে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি কে?

    লামা জবাব দিলেন, ‘আমি ভূত-প্রেত নই। আমার পরিচয় আমি পরে দিচ্ছি। আগে আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিই। এই ঘাতক মূর্তিটাকে আসলে বানানো হয়েছিল এ মন্দিরে যারা গুপ্তধন খুঁজতে আসবে তাদের ভুল পথে পরিচালিত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবার জন্য।’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘তার মানে?’

    লামা বললেন, “যারা গুপ্তধন খোঁজে তারা সাধারণত অনুসন্ধান করে গুপ্তধনের কাছে পৌঁছবার জন্য কোনো সংকেত কোথাও রাখা আছে কিনা? কারণ সাধারণত কোনো সংকেত ভেদ করেই গুপ্তধন হাতে আসে। আর এই ভাবনাটাকেই কাজে লাগিয়েছিল যারা এই মন্দিরের ধন সম্পদ রক্ষা করতে চেয়েছিল তারা। ধরা যাক, কোনো গুপ্তধন সন্ধানী এই মন্দিরে এল। এ ঘরে ঢুকে এই মূর্তিকে দেখেই তার মনে হবে এই মূর্তির মুখগুলোকে। মুখগুলোকে দেখে তাদের সন্দেহ দৃঢ় হবে যে নিশ্চয়ই এই মূর্তি আর মুখগুলোর মধ্যে গুপ্তধনের কোনো ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে। ব্যাপারটা নিয়ে ভাববে গুপ্তধন সন্ধানী। তারপর এক সময় সে আবিষ্কার করবে যে ক্লক ওয়াইজ সাজানো মাথাগুলো আসলে মূর্তির মাথাটা যে ঘোরে তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মাথাটা ঘোরালেই কি খুলে যাবে গুপ্তকক্ষের পথ বা দরজা? এই ভেবে গুপ্তধন সন্ধানী যেই মাথাটা ঘোরাতে যাবে ওমনি শলাকা বিদ্ধ হবে সে। গুপ্তধনের কাছাকাছি আর তার পৌঁছোন হবে না কোনোদিন।’

    দীপাঞ্জনদের কাছে এবার স্পষ্ট হয়ে গেল ব্যাপারটা।

    এরপর লামা দীপাঞ্জনদের অবাক করে দিয়ে বললেন, ‘আমি অবশ্য কিছুটা কাকতালীয় ভাবেই সে কক্ষের সন্ধান পেয়েছি। একটা পাখির বাচ্চা মাটিতে পড়ে গেছিল তাকে তুলে দিতে গিয়ে।’

    জুয়ান বললেন, “তাহলে এখানে সত্যি গুপ্তধন বা গুপ্তকক্ষ আছে?’

    লামা বললেন, ‘হ্যাঁ, আছে। চলুন আপনাদের সেখানে আমি নিয়ে যাচ্ছি। বিশেষত মিসেস মেরী অ্যানের সেখানে অতি অবশ্যই যাওয়ার দরকার।’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘হ্যাঁ, চলুন।’

    লামাবেশী লোকটা সেই হলঘরসংলগ্ন একটা ঘরের দিকে এগোলেন। দীপাঞ্জন, জুয়ান আর লাঠিতে ভর দিয়ে অ্যান তাকে অনুসরণ করলেন। ঘরের ভিতর ঢুকল সবাই। লামা একটা দেওয়ালের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। সেখানে দেওয়ালের গায়ে কোমরের উচ্চতায় বেশ কয়েকটা কুলুঙ্গি আছে। দেওয়ালটার মাথার ওপরে একটা ছোট তাকের মতো জায়গাতে একটা ফিঙে পাখির মতো পাখি বাসা বেঁধেছে। আলো আর লোকজন দেখে বেশ ঘাবড়ে গেছে পাখিটা। লামা বললেন ওর বাসায় ছানা আছে। সেটা পড়ে গেছিল। আমি এই কুলুঙ্গিতে ভর দিয়ে দেওয়ালের গা বেয়ে ওপরে উঠতে যেতেই ব্যাপারটা ঘটেছিল। কি ঘটেছিল দেখাচ্ছি। এই বলে তিনি কুলুঙ্গির ভিতর হাত ঢুকিয়ে একটু চাপ দিতেই তার হাতটা যেন কুলুঙ্গির একটু ভিতরে ঢুকে গেল। ঘড় ঘড় শব্দে পাশের দেওয়ালের একটা অংশ কিছুটা ফাঁক হয়ে গেল। উন্মোচিত হল গুপ্তকক্ষের দরজা।

    দীপাঞ্জন জানতে চাইল ‘এ দরজা আবার বন্ধ হয় কী ভাবে?’

    লামা জবাব দিল, ‘আবার ওখানে চাপ দিয়েই। চলুন ও ঘরটাতে যাওয়া যাক।’

    সেই ফোকর গলে দীপাঞ্জনদের তিনজনকে নিয়ে লামা প্রবেশ করলেন সে ঘরে। তাকে অবশ্য কুঠুরী বলাই ভালো। ছয়-ফুট মতো চওড়া আর পনেরো ফুট মতো লম্বা একটা প্যাসেজ। দীপাঞ্জনরা এবার বুঝতে পারল কেন অবনীবাবুর হিসাব মিলছিল না।

    ঘরের ভিতরে কিছুটা এগিয়ে বাতিটাকে উঁচু করে তুলে ধরলেন লামা। এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ল তাদের। ঘরের কোনে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দুপা ছড়িয়ে বসে আছে একটা নরকঙ্কাল। এখনও তার পায়ে চামড়ার বুট জুতো, আর গায়ে লাল চাদরের অংশ লেগে আছে। আর তার কোলের কাছে ধরা আছে একটা ডালা-খোলা বক্স। বেশ কিছু অলংকার, গোলাকার চাকতি সেই বাক্স থেকে মাটিতে ছড়িয়ে পড়ে আছে। মাকড়শার জাল আর ধুলোমাখা হলেও সেগুলো যে সোনার তা বুঝতে অসুবিধা হল না দীপাঞ্জনদের। পাশ থেকে অ্যান আর্তনাদ করে উঠলেন, ‘ও মাই গড! এ নিশ্চয়ই হেনরী। আমার স্বামী, ওইতো ওর গলায় একটা সোনার ক্রস ঝুলছে!’-এই বলে তিনি সম্ভবত বিহ্বল হয়ে টলে পড়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু জুয়ান তাকে ধরে ফেললেন। হ্যাঁ সত্যি একটা সোনার ক্রস ঝুলছে কঙ্কালের গলাতে। লাঠিতে ভর দিয়ে নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন ভদ্রমহিলা। লামা বললেন, ‘এ অঞ্চলের পুরনো সব পুলিশ ফাইল আমি খুঁটিয়ে পড়েছি। সেখানে আপনার স্বামীর অন্তর্ধানের ব্যাপারটা আমি পড়েছিলাম। কদিন আগে ও ঘরে ঢুকে কঙ্কালটা দেখে আমিও একই কথা ভেবেছিলাম।’

    আরও কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ ভাবে কেটে গেল। জুয়ান এরপর অ্যানকে প্রশ্ন করলেন, ‘আপনারা কি এখানে গুপ্তধন খুঁজতে এসেছিলেন? কীভাবে জানলেন এখানে সত্যি গুপ্তধন আছে?’ অ্যান এবার চোখ মুছে কিছুটা ধাতস্থ হয়ে বললেন, ‘দাদুর ডায়েরি দেখে। তবে কোথায় গুপ্তধান লুকানো আছে তা তাতে লেখা ছিল না। গ্রামবাসীরা যে লামাকে পিটিয়ে মেরেছিল তাকে শেষ মুহূর্তে উদ্ধার করে দাদু বাঁচাবার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও সে চেষ্টা কাজে আসেনি। মৃত্যুর আগে সেই লামা দাদুকে শুধু এটুকু বলে গেছিলেন যে এ মন্দিরে ধন সম্পদ লুকানো আছে।’—এই বলে থেমে গেলেন তিনি।

    জুয়ান জিজ্ঞেস করলেন ‘তারপর? আপনার স্বামীর মৃত্যু কী ভাবে ঘটল?’

    অ্যান বললেন ‘গুপ্তধনের সন্ধানে এখানে চলে এলাম আমরা। আমার স্বামী প্রতি রাতে লামা সেজে এখানে এসে গুপ্তধনের সন্ধান করতেন। যেদিন গ্রামবাসীরা এই মন্দিরে আগুন লাগায় সেদিনও তিনি এখানে আসবেন বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। আজ বুঝতে পারছি উনি সেদিনই গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছিলেন, কিন্তু মন্দিরে আগুন লেগে যাওয়াতে আর বাইরে বেরোতে পারেননি। এখানে আগুন ঢোকেনি ঠিকই, কিন্তু নিশ্চয়ই ধোঁয়াতে মারা যান।’ লামার পোশাকে থাকা লোকটা জানতে চাইলেন, ‘পরে ওনাকে আপনি এখানে খুঁজতে আসেননি?”

    চোখের জল মুছে বৃদ্ধা বললেন, ‘এ জায়গা আগুনে পুড়িয়ে দেবার কিছু দিন পর এসেছিলাম, কিন্তু খুঁজে পাইনি।’

    লামা বললেন, এবার সব রহস্যের সমাধান হল। চলুন এবার ফেরা যাক। বাক্স আর কঙ্কালটা বাইরে বার করার ব্যবস্থা করতে হবে। দ্রুত ফরেনসিক তদন্ত শেষ করে কঙ্কালটা যাতে মিসেস অ্যানের হাতে কবর দেবার জন্য তুলে দেওয়া যায় সেই ব্যবস্থাও আমি করব।’

    অ্যান বললেন, ‘হ্যাঁ, দয়া করে সেই ব্যবস্থা করবেন।’

    জুয়ান বললেন ‘হ্যাঁ, এবার তবে বাইরে চলুন। মিসেস অ্যান আপনাকে কি ধরতে হবে?’

    অ্যান বললেন, না। আমি নিজেই যেতে পারব।’ এই বলে তিনি বাইরে বেরোবার জন্য এগোলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজলঙ্গীর অন্ধকারে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article লাল রক্ত কালো গোলাপ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }