Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যালবাট্রস – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প71 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যালবাট্রস – ৪

    চার

    শুনুন, মিস ব্যানার্জি, খবরের কাগজের কল্যাণে আমরা সকলেই জানি, মিসেস পদ্মিনী সিং কীভাবে মারা গিয়েছেন। তিনি উইকএন্ডটা কাটাতে গিয়েছিলেন কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে, সেখানে গিয়ে দু’দিন মহা আনন্দে কাটিয়েছেন উইথ প্লেন্টি টু ইট অ্যান্ড ড্রিংক—শেষ দিনে, রবিবার রাত্রে শি টুক অ্যান ওভারডোজ অফ স্লিপিং পিলস অ্যান্ড ওয়েন্ট টু বেড। ব্যাগের মধ্যে সুইসাইড নোট ছিল, খালি শিশিটাও ছিল টেবিলে, এর মধ্যে মার্ডারের প্রশ্নই ওঠেনি।

    আপনার একটা পিকিউলিয়র অবসেশন হয়েছে—যেহেতু হোটেলে ছুটি কাটাতে আপনিই ওঁকে পাঠিয়েছিলেন—সেইহেতু ইউ আর ব্লেমিং ইওরসেলফ অ্যান্ড ইম্যাজিনিং থিংস। খুন হয়নি। কেউ কাউকে খুন করেনি মিস ব্যানার্জি। লেটস গেট ডাউন টু দ্য বেসিকস—দেয়ার ওয়াজ নো মার্ডার হিয়ার—নোবডি ওয়াজ মার্ডারড—সো নো ওয়ান লুকিং ফর আ মার্ডারার ন্যাচারালি—এটা আপনার মাথা থেকে আমাদের বের করে ফেলতে হবে—ওয়ান্টিং টু গেট রিড অফ সামবডি, এবং কিলিং সামবডি, দুটো একদম আলাদা—দ্য ফ্যাক্ট দ্যাট শি ডিড মেক ইওর লাইফ আনবেয়ারেবল, ডাজ নট… —জানি, জানি, কিন্তু শুনুন ডক্টর মজুমদার, কফিতে বিষটা তো আমিই মিশিয়েছিলাম।

    —না, মিস ব্যানার্জি না, এটা একটা ডিলিউশনের ব্যাপার। ট্রাই টু থিংক লজিক্যাল—বিষ ওঁকে আপনি দেননি, আপনার পক্ষে দেওয়াটা সম্ভব ছিল না, আপনি সেখানে ছিলেন না। ধারেকাছে ছিলেন না আপনি।

    —তাই? কে বলল?

    —সকলেই। কেউ আপনাকে দেখেনি। হোটেলে প্রচুর সাক্ষী আছে। প্রত্যেকেই বলেছে ওঁর ঘরে কেউ যায়নি। পুলিশের রিপোর্টেও।

    —দেখতে—না—পাওয়া মানেই ছিলাম না? যাইনি? চোরকে তো কেউ দেখতে পায় না। তা বলে চোর চুরি করতে যায় না? লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়েছিলাম। লোক—দেখিয়ে যাইনি। ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে, বারান্দার মেঝেয় জলের ফোঁটাগুলি পড়ে ছিটকে উঠছে। চন্দননগরে থাকতে গঙ্গার বুকে বৃষ্টি পড়তো। জলের স্রোতে জলের ফোঁটাগুলি মিলে যেত। গঙ্গায় প্রচুর কচুরিপানা ভেসে যেত মাঝে মাঝে। রাত্তিরবেলায় দাদা স্রোতে ভেসে যাওয়া ছায়ামূর্তিগুলি দেখিয়ে আমাদের বলতো, ”ওই দ্যাখ জলজন্তু!” ‘জল’ শব্দের সঙ্গে ‘মাছ’ যায়, ‘হাঁস’ যায়, ‘শুশুক’ যায়, ‘তিমি’ যায়। বড়জোর ‘জলহস্তী’ যেতে পারে। ‘কুমীর’ যায়, ‘কামট’ যায়। কিন্তু ‘জন্তু’? জানি, কুমীর জন্তু, শুশুক জন্তু, তিমিমাছও দুগ্ধপোষ্য জন্তু। তবু ‘জন্তু’ বললেই মনে হয় ডাঙার। জঙ্গলে বাস। দাদা বলতো, ”ওই দ্যাখ, জলজন্তু!” মৌ আর আমি দেখতাম, অস্পষ্ট ছায়া ছায়া সব জলজন্তু সাঁতার কেটে কেটে সমুদ্রের দিকে ভেসে যাচ্ছে, আধো অন্ধকারে, তারার আলোয় পথ চিনে চিনে। সকালবেলা তাদের আর দেখা যেত না। সকালবেলায় নদীতে জলজন্তুরা ভাসে না। দিনের আলোতে শুধু কচুরিপানারই রাজত্ব।

    এমিলির কথা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ সেই কথা মনে পড়ল। পদ্মিনীমাসির গল্প শুনে শুনে মনের মধ্যে আবছায়া এমনই এক আলো—আঁধারি গড়ে উঠেছে, যে কচুরিপানাকেই জলজন্তু মনে হচ্ছে না তো? ঋত্বিকই ভুল, আমিই যে ঠিক, তারই বা কী স্থিরতা আছে।

    ঋত্বিককে বল, এমিলির ব্যাপার, আর মেসোর ব্যাপার, দুটো আমার মাথায় অনেকটা একরকমের হার্মফুল এক্সপিরিয়েন্স বলে মনে হচ্ছে। ঋত্বিক মোটে কানেই তুলল না। উড়িয়ে দিল।

    —”দুদ্দুর! মোটেই হার্মফুল এক্সপিরিয়েন্স নয়, লার্নিং এক্সপিরিয়েন্স বলা যেতে পারে—তাতে তো তোমারই উপকার, আমি যে তবু একটু আধটু জেনেশুনে গেলুম”—বলে টিপে টিপে হাসতে শুরু করে দিল।

    —মেসোর ব্যাপারেও তো পদ্মিনীমাসিও বলে লার্নিং এক্সপিরিয়েন্স—কিন্তু কথাটা কি ঠিক? প্লেন অ্যান্ড সিম্পল চাইল্ড অ্যাবিউস।

    —”কিন্তু আমি তো চাইল্ড নই, পিউ, আমি অ্যাবিউজডও হইনি অফ মাই অন ফ্রী উইল, একটা এক্সপিরিয়েন্স করেছি—ইট ইজ নট ইভন আর রিলেশনশিপ—জাস্ট আ পাসিং এক্সপিরিয়েন্স দ্যাটস অল। কোনও সম্পর্কই হয়নি এমিলির সঙ্গে আমার।

    —বুঝতে পারছো না কেন, তুমিও তো অ্যাডাল্ট—ওটা তো ছিল একটা ক্লিনিক্যাল ব্যাপারের মতো—নার্থিং রোম্যান্টিক…।”

    —”তবে ও তো ক্লিনিক্যালিই ওটা করাতে পারতো। তোমাকে কেন ব্যবহার করল? লোভ দেখাল কেন? ডাক্তারের কাছে গেলেই পারত।”

    —”এটা তোমার জেলাসির কথা পিউ—নো নীড টু বি জেলাস, ও আমার কেউ নয়—ওর প্রেমিকের সঙ্গে ও গোয়ায় চলে গেছে। তারপর বার্মিংহামে ফিরে যাবে—আমাদের আর জ্বালাতে আসবে না—ফরগেট হার! ইটস ওভার।”

    বললেই তো হল না, ভুলে যাও। বললেই বুঝি ভোলা যায়? আমাকে উইপোকার মতো কুরে কুরে খাচ্ছে ওই এমিলি—কি জানি হয়তো পদ্মিনীমাসিকে বললেই ভালো হত—এসব ব্যাপারে ওর নাম আছে।—উপদেশ দিতে পারতো ঋত্বিককে—কিন্তু ঋত্বিক তো পদ্মিনীমাসিকে সিরিয়াসলি নেয় না, ওর কোনও কথাই বিশ্বাস করতে চায় না। বলে ওর সবই বানানো, উইশফুল ফিলিং ডার্টি ড্রীমস—

    ঋত্বিক বলে, ”তোমার পদ্মিনীমাসিকে ডাক্তার দেখাও, ওর মাথার স্ক্রু ঢিলে। স্প্যানার লাগবে।” বলে, ”সব ওর কল্পনা। উইশফুল থিংকিং। ফ্রাস্ট্রেটেড মহিলা, বেচারির চারবার কেন, একবারও বিয়ে হয়েছে কিনা সন্দেহ!”

    পদ্মিনীমাসি বলে, ওর চারটে বর ছিল, একটাও বাঙালি না। প্রথমজন শিখ, বলবীর সিং—তার পরের জন আমেরিকান ইহুদী, স্টীভি, তার পরের জন ক্যারিবিয়ান—নিক, আর শেষজন পরম সুদর্শন এক গ্রীক পুরুষ,—খুব শক্ত নামটা, মনে থাকে না। তিনি বিখ্যাত শেফ। ইনি নাকি এখনও পদ্মিনীমাসির জন্য একটা স্বপ্নের মতো মেডিটেরেনিয়ান আইল্যান্ডের হোটেলে বসে বসে অপেক্ষা করছেন। (আরও তিনজন গার্লফ্রেন্ড সমেত অবশ্য।) ভদ্রলোক ক্ষেপে গেলে প্রচণ্ড মারধোর করেন। এটাই যা। নইলে পদ্মিনীমাসি ওকে ছেড়ে দিত না। ঋত্বিক হাসে, বলে, পুরোটাই গল্প। ”অমন কেউ নেই। উনি ওঁর নন—একজিস্টেড হাজব্যান্ডদের মধ্যে আর একজন…ইম্যাজিনারী ঘরসংসার—।” ইহুদী ভদ্রলোক ইস্রায়েলে সেটল করতে চলে গেছেন, পদ্মিনীমাসিকে নিয়ে যাননি। মাসির সহানুভূতি যেহেতু আরাফতের দিকে, তাই ওদের ছাড়াছাড়ি। পুরো পলিটিক্যাল কারণে। সেই ইহুদী বরটি উচ্চশিক্ষিত। ইউনিভার্সিটি প্রফেসর। আর রোমান্টিকও ছিলেন। নিজে রান্না করে, সুন্দর ক্যান্ডললাইন ডিনার সাজাতেন পদ্মিনীমাসিকে সারপ্রাইজ দিতে। ঋত্বিক বলে, দূর! রোম্যান্টিক না ছাই! ধর্মীয় মৌলবাদী কখনও রোমান্টিক হতে পারে? ইস্রায়েলে চলে যাচ্ছে যে নিজের বউ ছেড়ে, নিজের জন্মভূমি ছেড়ে, সে কখনও ওই সেন্সে রোম্যান্টিক নয়। Zionist-রা যদি রোম্যান্টিক হয় তাহলে তোগাদিয়াও তো রোম্যান্টিক। ঋত্বিকের সঙ্গে তর্ক করা বৃথা। এই একটি ব্যাপারেই ও পদ্মিনীমাসির ওপরে খুশি। ঋত্বিকও প্যালেস্টাইনের পক্ষে। ওরাই অবিচারের শিকার।

    আর ক্যারিবিয়ান ছেলেটি জ্যাজ মিউজিশিয়ান—অসাধারণ স্যাক্সোফোন বাজাতো, গানেরও দারুণ গলা!

    —তবে তাকে কেন ছেড়ে এলে পদ্মিনীমাসি?

    —তাকে? তার প্রবলেম ছিল রে।

    —কী প্রবলেম?

    — ভেবে ভেবে এখন আমার মনে হয় ছেলেটা আসলে প্রাইম্যারিলি গে ছিল বুঝলি? গে মানে জিনিস তো?

    —কিন্তু তাই যদি হবে, তবে তোমাকে বিয়ে করল না কেন? গে—রা তো বিয়ে করে না।

    —নিক যে আমার প্রেমে পড়ে গেল? অনেকেই তো বাইসেকসুয়াল হয়, যেমন ওই নিক। নিক হচ্ছে সব্যসাচী প্রেমিক বুঝলি, ডান হাতেও ছুরি চালায়, বাঁ হাতেও। হি স্লিপস উইথ মেন, অ্যান্ড উইথ উইমেন—হি ফাকস এভ্রিথিং দ্যাট মুভস। এই অনেকটা আমার মতোই আর কি। নিজের রসিকতায় পদ্মিনীমাসি নিজেই হেসে কুটিপাটি। পদ্মিনীমাসি চোখ মারে।

    —যাঃ কী যে বল না?

    —যাঃ কি রে? আমি লজ্জা পাই নাকি বলতে? সীতা, সাবিত্রীদের মতো বোরিং মেয়ে নাকি আমি? তুই এতদিনেও আমার গুণাগুণ কিস্যু চিনলি না? বুদ্ধু মেয়ে! বুঝবি কেমন করে, প্রথম দিনেই যে তুই আমাকে মাসি বানিয়ে ফেললি—নো ওয়ান হ্যাড ডেয়ারড টু ডু দ্যাট সো ফার—আমার কাছ থেকে তুই শিখলি না কিছুই—লুক—লুক অ্যাট মি—টেক আ ক্লোজ লুক—কী দেখছিস? বল কী দেখছিস? হোয়াট ডু ইউ সি?

    —খুব সুন্দর।

    নো নট দ্যাট, আই অ্যাম ওন উওম্যান—আ ফ্রী উওম্যান—

    —নো বডি ঔনস মাই বডি অর মাই সোল, আমি দেহে মনে স্বাধীন—দ্য ওয়ে মেন হ্যাভ বীন, দ্য ওয়ে মেন আর,…অ্যান্ড আই লাইক টু ইউজ মেন ফর মাই ঔন প্লেজার—যেটা পুরুষরা মেয়েদের নিয়েই সহস্র বছর ধরেই করে আসছে। যেটা মেয়েরা করলেই সমাজের মাথায় বজ্রপাত হয়। জীবনে মেয়েদের রোলই হচ্ছে টু বি সেলফলেস… টু বি সেলফ—স্যাক্রিফাইসিং…বি আ ডোরম্যাট! তোদের রবিঠাকুর বলেছে, ”আমার এ ধূপ না পোড়ালে গন্ধ কিছুই নাহি ঢালে?” আরে, ধ্যুৎ! যত্ত মরবিড চিন্তা, স্রেফ ম্যাসোচিজম ছাড়া আর কি বলবি একে?

    কেন গুরু, আমাকে তুমি পোড়াবে কেন? আমি কী করেছি? আমি বাবা পুড়তেও চাই না, তোর জন্য গন্ধ ঢালতেও চাই না। বরং তুমি গন্ধ ঢালতে চাও তো এসো আমিই তোমাকে পোড়াচ্ছি। তোমার সুগন্ধ শুঁকছি। আমি এই জীবনটাকে চুটিয়ে উপভোগ করতে চাই। আই অ্যাম হিয়ার টু এনজয় লাইফ টু দি ব্রিম! ‘লাইফ ইজ শর্ট’, স্টিভি সর্বদা বলত। তবে শোন, সেবারে আমরা গিয়েছি জুরিখে—স্টিভি আর আমি—উইন্টার স্পোর্টসের জন্য। স্টীভিটা না, একটা আস্ত শয়তান, ও যে কী না পারে—ওই স্নোয়ের মধ্যে, বললে বিশ্বাস করবি না পিউ…

    দিনরাত দিনরাত দিনরাত গজগজ গজগজ করে কথা বলে চলে পদ্মিনীমাসি, আমার কানের মধ্যে।

    .

    —মিস ব্যানার্জি, আপনি ঠিক কখন ওঁর কফিতে বিষটা দিলেন? এবং কোথায়?

    —কেন, ওর ঘরে গিয়ে? রাত্রে, খাবার পরে? রোজই তো খেয়ে উঠে ওর কফি খাওয়া চাইই, অভ্যাসে মেমসাহেব তো, পুরোদস্তুর!

    —আপনি কফিতে বিষ দিলেন, উনি দেখতে পেলেন না? উনি কিছু বললেন না?

    —বাথরুমে ছিল।

    —হোটেলের কেউই দেখতে পেল না আপনাকে? আপনি যে ওঁর ঘরে গেলেন? এতগুলি চোখ এড়িয়ে?

    —দেখতে না পেলে আমি কী করব?

    —হোটেলের সবাই পুলিসকে বলেছে সেদিন রাত্রে ওঁর ঘরে কোনও গেস্ট যায়নি। কেউ না।

    —ভুলভাল বলেছে। সবাই সর্বদা নজরদারি করছে নাকি? এ কি প্রাইম মিনিস্টারের ঘর? না অমিতাভ বচ্চনের?

    —কফিটা খাইয়েই আপনি বেরিয়ে এলেন? নিজে কফি খেলেন না? সেই কাপটা কই? ছিল না তো?

    —আমি কফি খাই না।

    —মিস ব্যানার্জি, আমি মনে করছি—আপনার নার্ভের ওপর প্রচণ্ড চাপ গেছে—এবং আপনাকে উনি এতটাই বিরক্ত করতেন যে আপনার মনে মাঝে মাঝে সত্যিই ওঁকে মেরে ফেলতে ইচ্ছে হত—দুর্ভাগ্যক্রমে এখন সেই ঘটনাটাই ঘটে গেছে বলে আপনার গিলট হচ্ছে, মনে মনে ধারণা হচ্ছে হয়ত বুঝি আপনিই—কিন্তু মিস ব্যানার্জি, সমস্ত রকম প্রমাণ বলে দিচ্ছে এটা খুন নয়, এটা সুইসাইড। আপনার এতে কোনও রোলই ছিল না, দেখুন, আপনার মাথা থেকে এই ভুল ধারণাটা মুছে ফেলা খুবই জরুরি। গিলটি লাগতেই পারে। আপনার হিডন উইশটা হঠাৎ ফুলফিলড হয়ে গেছে—কিন্তু ওটা তো সত্যি সত্যি আপনার রিয়্যাল উইশ ছিল না—তাহলে ওঁকে আপনি বাঁচিয়ে তুলে প্রতিরাত্রে নিজের ঘরে ডেকে এনে হাজির করতেন না। ইউ ওয়ান্ট হার টু লিভ। ইউ ওয়ান্ট হার অ্যালাইভ। ইউ ডোন্ট অ্যাকসেপ্ট হার ডেথ। দ্যাটস হোয়াই ইউ আর ক্রিয়েটিং দীজ ডিলিউশনস ইওরসেলফ—ভয় করবে কেন— এতে আপনার মনে স্বস্তি হচ্ছে, শান্তি হচ্ছে—সব আগের মতোই আছে বলে মনে হচ্ছে—পদ্মিনী সিংয়ের মৃত্যুটাকে আপনি ডিনাই করছেন ভেতরে ভেতরে—আর বাইরে বাইরে নিজেকেই দায়ী করছেন দুর্ঘটনাটার জন্য, যেহেতু এটা আপনি মনে মনে ভেবেছিলেন। ভাবনাটা কার্যকরী করা কিন্তু আপনার দ্বারা হয়ে ওঠেনি মিস বাসু—ওটা পদ্মিনী সিং নিজেই করেছেন। আপনি ওইদিন অফিস থেকে বেরিয়ে ওঁর হোটেলে যাননি, মিস বাসু, আপনার এক বন্ধুকে মিট করতে গঙ্গার ধারের একটা রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন, আইসক্রিম খেয়ে, গেস্ট হাউসে ফিরে এসে ডিনার করেছিলেন। আর বাইরে যাননি। পুলিশের কাছে আপনার সমস্ত মুভমেন্টের রিপোর্ট রয়েছে।

    কী যে আনন্দ পাও তুমি আমাকেই এসব শুনিয়ে। এমন সব কথা যা কাউকেই বলা যায় না, এমনকী ঋত্বিককেও না। একমাত্র পদ্মিনীমাসিই খোলাখুলি বলতে পারে ওইসব, অত সহজে—একটুও লজ্জা না পেয়ে। পারে কী করে? ঋত্বিক বলে, ”অবসেসিভ পাগলামি, তাই পারে। ও তো নর্মাল লোক নয়।” হতেই পারে পদ্মিনীমাসি নর্মাল নয়। আগে আগে পাগল দেখলেই চেনা যেত, পাগল। এখন যায় না। পাগলরা সুস্থলোক সেজে অফিস করে, সংসার করে। কে নর্মাল, কে পাগল, বোঝা তো সহজ নেই আর? আমি যখন প্রথম এখানে আসি তখন আমি অন্য মানুষ ছিলাম, ক’টা মাসের মধ্যে পদ্মিনীমাসি যেন আমাকে একটা আলাদা লোক তৈরি করে ফেলেছে।

    এই আলাদা লোকটা তৈরি না হলে হয়তো ঋত্বিকও এভাবে আসত না আমার জীবনে। মফঃস্বলের মিশনারী স্কুলের যে মেয়েটা এসেছিল, এ মেয়ে তো সে নয়। পদ্মিনীমাসির সঙ্গে থাকতে থাকতে পদ্মিনীমাসির গল্প শুনতে শুনতে আমি অন্যরকম হয়ে যাচ্ছি, ভালো না মন্দ সে কথা অপ্রাসঙ্গিক—তবে যতোই শুনব না, শুনব না, বলি না কেন, এটা তো ঠিকই যে আমার সর্বাঙ্গ ঝিমঝিম করে—পদ্মিনীমাসির গল্প শুনতে শুনতে ভেতরে একটা আকুলতা তৈরি হয়—সেটা কীসের জন্য তা জানি না—কিন্তু এটা জানি ভেতরে ভেতরে একটা বড়সড় বদল হয়েছে আমার। পদ্মিনীমাসি আমাকে সাজতে শিখিয়েছে। ওরই জন্য আমার মধ্যে মফঃস্বলী ছাপটা মুছে গেছে আস্তে আস্তে। শুধু সাজপোশাকে নয় চিন্তাধারাতেও …আগাগোড়া ভালো রেজাল্ট আছে আমার, সেই সুবাদেই ব্যাঙ্কে ভালো চাকরিটাও জুটে গেছে তাড়াতাড়িই—পদ্মিনীমাসির অনন্ত কথার স্রোত আমার ভেতরকার নিহিত মধ্যবিত্ততায় একটা প্রবল আঘাত করেছে, সে কথা স্বীকার না করে উপায় নেই! আরেকটা পরিবর্তনও অনুভব করছি ইদানীং, আমার মধ্যে জরুরি একটা বদল আসছে। ঋত্বিককে শুধু প্রেমিক বলে, বন্ধু বলেই মনে হচ্ছে না আর—ওকে আলাদা করে পুরুষ বলেও ভাবতে শুরু করেছি—সে ভাবনা ভালো না মন্দ সেটা বুঝতে পারছি না—অন্যকিছুর একটা প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে আমার শরীর মনের মধ্যে…

    কিন্তু পদ্মিনীমাসির আগলছাড়া কথার স্রোতে, অনর্গল কেচ্ছাকাহিনীর তোড়ে আমার নিজস্ব যা কিছু কামনা, যা কিছু স্বপ্ন, রুচি, শান্তি এমনকী স্বস্তিও—সব যেন কেমন তছনছ… ছিঁড়ে—খুঁড়ে…উড়ে—পুড়ে যাচ্ছে, নিজেকে কেমন যেন আর খুঁজে পাচ্ছে না। আমার কাছে ‘প্রেম’ তো এরকম অসার নয়। আমার কাছে ‘সম্পর্ক’ শব্দটার অন্য মানে। আমার কাছে ঋত্বিক একটা খেলনা নয়, তেষ্টা মেটানোর এক গেলাস জলও নয়, সে আমার পুরো জীবনের আধখানা।

    —চারবার বিয়ে করেছ বলেই তুমি বুঝতে পারছো না পদ্মিনীমাসি, আমার এই একবার বিয়ের জন্য মনে মনে প্রস্তুতিটা কতদূর জরুরি—

    আর এই ঋত্বিকের বিলিতি কলিগের কিম্ভূত কাজকর্ম। এটা বুঝি ছাগলামি নয়? স্বামীর কাছে মান থাকবে বলে আমার বোকা বুদ্ধু প্রেমিকটিকে এমন নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করা, এতে, এই ঘটনাতে আমার যে কী পরিমাণ টেনশন হচ্ছে, কী পরিমাণ উদ্বেগ হচ্ছে, তা তুমি বললেও বুঝতে পারত না পদ্মিনীমাসি, ঋত্বিকও বুঝছে না, ছোট ছোট জিনিসের রেশ গড়ায় বহুদূর পর্যন্ত—তোমার মেসোর শেখানো বড় হওয়ার মন্ত্র আজও তোমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে পদ্মিনীমাসি।

    —এখন যদি মেমসাহেবের এই বড় হওয়ার মন্ত্রটা ঋত্বিককে তাড়া করে বেড়ায় আমাদের জীবনভর—তার জন্য দায়ী কে হবে? ঋত্বিকের যদি ঘরে আর মন না বসে?

    তুমি বলেছিলে খুব ছোটবেলাতে একদিন রাত্তিরে তুমি খুব ভয় পেয়েছিলে, দৌড়ে গিয়ে বাবার ঘরের দরজায় ধাক্কা দিয়ে কেঁদে উঠেছিলে। বাবা দরজা খোলেননি। বাবার ঘরে কেউ ছিল—তাই বারবার ধাক্কা দিলেও বাবা দোর খোলেননি, তুমি চীৎকার করে কেঁদে উঠেছিলে—ঠাকুমার ঘর থেকে ঠাকুমা উঠে ছুটে এসেছিলেন, বাবা দোর খোলেননি।

    সেই বন্ধ দরজাটা তোমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে পদ্মিনীমাসি, আর মাঝে মাঝে সারা পৃথিবীটাই তোমার বাবার ঘরের দরজা হয়ে তোমার সামনে বন্ধ হয়ে যায়—

    তুমি বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদো—আমি ঠিক ঠিক বুঝতে পারি—তখন তোমার অন্ধকার দিন, তোমার ডিপ্রেশনের দিনগুলি শুরু হয়। অনর্গল বকবক করা বন্ধ। সারাদিন পথে পথে ঘোরা বন্ধ। সারাদিন অন্ধকার ঘরে শুয়ে জিন অ্যান্ড টনিক। অন্ধকার। নিঃশব্দ। মৌন। আমার সঙ্গেও কথা নয়। মিসেস মিত্রের সঙ্গেও কথা নয়। খাবারটা ঘরেই দিয়ে যায়। আবার থালা নিয়ে যায়। আদ্ধেক দিন ছোঁয়ও না। সব পড়ে থাকে। মিসেস মিত্র মনে করিয়ে ওষুধ খাইয়ে দিয়ে যান। আস্তে আস্তে এবার একদিন অন্ধকারের হিম গলে যায়, আবার শুরু হয়ে যায় নিরন্তর শব্দপ্রপাত। শুনতে শুনতে আমার মাঝে মাঝে মাথার মধ্যে কেমন কেমন করতে থাকে। মাঝে মাঝে মনে হয় ছুটে পালিয়ে যাই, নইলে তোমাকেই ঠেলে ফেলে দিই। মনে হয় অন্ধকারে ওই মেয়েটা তো আমিই সারা রাত্রি বন্ধ দরজার সামনে চীৎকার করে কাঁদছি—দরজা খুলছে না।

    .

    এইরকম অন্ধকার সময়ে তোমার নাকি সুইসাইডাল টেনডেনসি দেখা দেয়, মিসেস মিত্র ঘর থেকে সব ওষুধপত্র সরিয়ে নিয়ে যান—তুমি আমাকে নিজেই একদিন দেখিয়েছিলে, তোমার ব্যাগের মধ্যে—”আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”—বলে স্লিপ লিখে সই করে রেখেছো, পাছে কখনও ডিপ্রেশনের মধ্যে কিছু যদি ঘটিয়ে ফ্যালো। মিসেস মিত্রের যেন ঝামেলা না হয়।

    .

    নিজেকে কেবলই রূপকথার নায়িকা ভাবতে ভালোবাসতে তুমি—একটা চমৎকার নীল পাথর বসানো ছোট্ট রূপোর কৌটো দেখিয়ে আমায় বলেছিলে—”এর মধ্যে জহর আছে। পদ্মিনীর সেই জহরব্রতের বিষ”—খুব কড়া ঘুমের ওষুধ ছিল তার মধ্যে। তোমার ডাক্তারবাবু তোমাকে যে মনের ডাক্তারের কাছে পাঠালেন তুমি তার কাছে গিয়ে উপকার পাচ্ছিলে, তাঁর ওষুধ খেয়ে তোমার ডিপ্রেশন অনেক কমে গিয়েছিল, অনেক পরে পরে হচ্ছিল। গ্যাপও যেমন বাড়ছিল, ডিউরেশানও তেমনি কমছিল। অমন হঠাৎ করে ডাক্তারের কাছে যাওয়া বন্ধ করাটা তোমার ঠিক হয়নি পদ্মিনীমাসি। সর্বক্ষণ মৃত্যুচিন্তা তোমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়, যত রাজ্যের এলোমেলো অশ্লীল গল্প দিয়ে তুমি তাকে সরিয়ে রাখতে ঢেকে রাখতে চাও—জীবন মানেই তোমার কাছে সেক্স—মৃত্যুর বিপরীত শক্তি—কিন্তু সত্যিই কি তাই?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বভূমি – নবনীতা দেবসেন
    Next Article ভ্রমণ সমগ্র ২ – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    শব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন

    July 13, 2026
    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }