Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. স্মরণশক্তি ও তিন আঙুলের কেরামতি

    ০৩. স্মরণশক্তি ও তিন আঙুলের কেরামতি

    মন-নিয়ন্ত্রণ টেকনিকের সাহায্য নিলে, টেলিফোন গাইড ব্যবহার করার দরকার হবে না আপনার, সবগুলো টেলিফোন নাম্বার মনে থাকবে। স্বভাবতই, আপনার এই ক্ষমতা দেখে তাজ্জব হয়ে যাবে বন্ধুরা। কিন্তু এখানে একটা প্রশ্ন আসছে, আপনি কি আসলেও টেলিফোন নাম্বার মনে রাখতে চান? আমি জানি, অনেকে চায় না। কোনো নাম্বার দরকার হলে গাইডের বা নোট বুকের পাতা উল্টে সেটা বের করে নেয় তারা। আগেই বলেছি, ফল পেতে হলে বাসনা থাকা চাই। টেলিফোন নাম্বার স্মরণ রাখার বাসনা অনেকের ততোটা জোরালো নয়। কিন্তু টেলিফোন নাম্বার দরকার হলেই যদি প্রতিবার শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটতে হতো, বাসনাটা তাহলে জোরালো না করে উপায় থাকতো না।

    বাসনা, বিশ্বাস আর প্রত্যাশা এই তিন বিধির কারণে শুধু গুরুত্বপূর্ণ কাজে ছাড়া এই টেকনিক ব্যবহার করা উচিত নয়। এই তিন বিধি ঠিকমতো পালন না করলে কোনো কাজে সাফল্য আশা করা বোকামি হয়ে যাবে। আমরা অনেকেই আমাদের স্মরণশক্তি বাড়াতে চাই, কারণ এই শক্তিটা যথেষ্ট পরিমাণে নেই বলে মনে করি। কিন্তু এই অভাববোধটাই যথেষ্ট নয়। কোন্ বিশেষ ক্ষেত্রে স্মরণশক্তি বাড়লে আপনি সত্যি উপকৃত হবেন, উপকৃত হতে চান, সেটা আগে নির্ধারণ করতে হবে আপমাকে। ভেবে চিন্তে দেখুন, কি ধরনের বিষয় স্মরণ করতে না পারার দরুন আপনাকে বিপদে বা অসুবিধায় পড়তে হয়। তারপর পরিমাপ করুন, এই অক্ষমতা দূর করার জন্যে নিজের মধ্যে কতোটুকু আগ্রহ এবং বাসনা রয়েছে। পরিমাণ যদি কম হয়, বাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন।

    আগের পরিচ্ছেদের অনুশীলন গুলো আপনি যদি চর্চা করে দক্ষতা অর্জন করে থাকেন, হয়ত অপ্রত্যাশিতভাবে আপনার স্মরণশক্তি আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। আলফায় পৌঁছে মনের পর্দায় ছবি দেখতে এবং অতীতের ঘটনা জ্যান্ত করে তুলতে শেখা, এগুলো আপনাকে নতুন যোগ্যতা এনে দিয়েছে। আলফা লেভেলের এই কাজকর্ম বিটা লেভেলের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে, কাজেই আপনি আলাদা ভাবে চেষ্টা না করলেও আপনার মন হয়ত নানা ভাবে আপনার উপকারে লাগাতে চাইছে। তবু, আরো অনেক উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে।

    আপনি যা ভুলে গেছেন বলে বিশ্বাস করছেন সেটা নিশ্চয়ই কোনও ঘটনার সাথে জড়িত। সেটা যদি একটা নাম হয়, এখানে ঘটনা হবে সময়, যখন নামটা আপনি। শুনেছেন বা পড়েছেন। হারিয়ে যাওয়া একটা জিনিস মন থেকে খুঁজে বের করা কঠিন কোনো কাজ নয়। মনের পর্দা কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সে তো আপনি জানেনই। আপনাকে শুধু সংশ্লিষ্ট ঘটনাটা মনের পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে হবে, তাহলেই যেটা মনে করতে চাইছেন, মনে পড়ে যাবে।

    আসলে আমরা বোধহয় কেউই কিছু ভুলে যাই না। বড়জোর বলা যেতে পারে, মনে করতে পারি না। দুটোর মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

    বিজ্ঞাপন জগত ভুলে যাওয়া আর মনে করতে না পারার পার্থক্যটা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরে। টিভির বিজ্ঞাপন আমরা অনেকেই দেখি। সংখ্যায় ওগুলো এতো বেশি আর এতো অল্প সময়ের জন্যে দেখানো হয় যে গত হপ্তায় যেগুলো দেখেছি সেগুলো থেকে দশটার একটা তালিকা তৈরি করতে বললে আমরা হয়ত বা তিন কি চারটের বেশি মনে করতে পারবো না।

    ধরুন, সিগারেট, লিপস্টিক আর ব্যাটারীর কথা আপনার মনে আছে। আপনি মার্কেটে গেলেন, নারকেল তেল কিনবেন। দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই টি, ভিতে দেখা নারকেল তেল কোম্পানির বিজ্ঞাপনটার কথা মনে পড়ে গেল আপনার। আসলে বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের সচেতন মনে যতোটা তারচেয়ে বেশি ছাপ ফেলে অবচেতন মনে, সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গ না এলে অবচেতন মন থেকে তথ্যটা সচেতন মনে সহজে উঠে আসে না।

    তা সে যতই তুচ্ছ আর নগণ্য হোক, প্রতিটি বিষয় আর ঘটনারই ছাপ নেয় আমাদের ব্রেন। বিষয়টা আমাদের কাছে যতো গুরুত্বপূর্ণ আর ছাপটা যতো স্পষ্ট হয়, ততো তাড়াতাড়ি আর সহজে সেটা আমরা মনে করতে পারি।

    সার্জিক্যাল অপারেশনের সময় একটা ইলেকট্রোড ব্রেনকে আলতোভাবে স্পর্শ করলো। জাদুর কাঠির ছোঁয়া পেয়ে বহুকাল আগে ভুলে যাওয়া একটা ঘটনা খুঁটিনাটি বিবরণসহ পুরোটাই মনে পড়ে গেল, এতোই পরিষ্কার ভাবে যে আওয়াজ শুনতে, ঘ্রাণ নিতে এবং ছবি দেখতে পাওয়া গেল। ছোঁয়া হলো ব্রেনকে, মনকে নয়। অতীত ঘটনা ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে রোগীকে সচেতন করে তোলা পর্যন্ত সমস্ত প্রস্তাবই আসছে ব্রেনের কাছ থেকে, কিন্তু তা সত্ত্বেও সে (ব্রেন) জানতে পারে, কিছু একটা বলে দেয় তাকে–আসলে, এগুলো সে নিজে উদ্ধার করছে না। এখানেই কাজ করছে। মন–মহা-পর্যবেক্ষক, মহাশক্তিশালী, সবই যে ব্যাখ্যা করতে পারে–কখনো। কোনো ইলেকট্রোড যাকে স্পর্শ করতে পারেনি বা পারবে না। আমাদের নাকের ডগার। মতো মন নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় বিরাজ করে না।

    ফিরে আসা যাক স্মরণ প্রসঙ্গে। আপনি যেখানে বসে আছেন সেখান থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে একটা গাছ, সেই গাছ থেকে একটা পাতা ঝরে পড়ছে। এই ঘটনা আপনি মনে করতে পারবেন না, কারণ ঘটনাটা আপনি চাক্ষুষ বা অনুভব করেননি, সেটা আপনার জন্যে কোনো গুরুত্ব বহন করে না।

    এই যে আপনি চেয়ারে বসে বইটা পড়ছেন, এই পড়ার সময়েও হাজার হাজার অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন আপনি অথচ সে ব্যাপারে আপনি পুরোপুরি সচেতন নন। আশপাশে যা ঘটে চলেছে, আপনি যা অনুভব করছেন, এক লাখ ভাগের এক ভাগও আপনি তা সচেতন ভাবে উপলব্ধি করছেন না, কারণ আপনার সমস্ত মনোযোগ রয়েছে পড়ার দিকে। শব্দ হচ্ছে, গন্ধ আছে, আপনার চোখের কোণে দৃশ্য আছে, আপনি চেয়ারটার স্পর্শ অনুভব করছেন, হয়তো ঘাড়ে একটা মশা বসেছে, হয়তো ডান পায়ের জুতো আঁটো হওয়ায় একটু কষ্ট হচ্ছে, কামরার টেমপারেচার .এর কোনো শেষ নেই। এসব ব্যাপারে আপনি একেবারে সচেতন নন, তা নয়, কিন্তু সতর্কতার সাথে, সরাসরি সচেতন নন। ব্যাপারটা ঘোলাটে, পরস্পর বিরোধী লাগছে? তাহলে এক মহিলার কথা আলোচনা করা যাক, প্রসব করানোর জন্যে যাকে জেনারেল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে অজ্ঞান করা হয়েছিল। তার ঘটনাটা আমাদেরকে আরো পরিষ্কার ভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।

    সন্তান পেটে থাকার সময় এই মহিলা ও তার চিকিৎসকের মধ্যে সুন্দর একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুজনের প্রতি দু’জনের গভীর বন্ধুত্ব এবং, আস্থা ছিলো। সন্তান প্রসবের সময় হতে রুটিন অনুসারে জেনারেল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে অজ্ঞান করা হলো মহিলাকে, স্বাস্থ্যবান নিরোগ এক সন্তানের জন্ম দিলো সে। কয়েক ঘন্টা পর আবার যখন তাকে দেখতে এলো ডাক্তার, আশ্চর্য রকম এড়িয়ে যাওয়া ব্যবহার করলে মহিলা, এমন কি অকারণে রেগে উঠতেও দেখা গেল তাকে। সেদিন, পরদিন, তারপর দিন, একই ঘটনা ঘটতে লাগলো। মহিলা কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ এভাবে বদলে গেল কিভাবে, ডাক্তার বুঝতে পারে না। মহিলার মনেও এই প্রশ্ন, ডাক্তারের ওপর এই বিতা কেন আমার? দুজনেই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতে লাগলো এর কারণ আবিষ্কারের জন্যে। হঠাৎ এই পরিবর্তন, এর একটা ব্যাখ্যা না থেকেই পারে না।

    ওরা ভাবলো, মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা কোনো স্মৃতি হয়তো এই পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে। তাই ঠিক হলো, সম্মোহনের সাহায্য নেবে তারা।

    সম্মোহিত করা হলো মহিলাকে। ডাক্তারের সাথে অতি সম্প্রতি যা যা ঘটেছে এক এক করে স্মরণ করিয়ে ধীরে ধীরে তাকে নিয়ে যাওয়া হলো আরো পিছনের ঘটনার দিকে। বেশি পিছনে যেতে হলো না, পাওয়া গেল সমাধান।

    গভীর সম্মোহিত অবস্থায় ডেলিভারি রুমে তার জ্ঞান ফিরে আসার ঘটনাটা স্মরণ করতে পারলো মহিলা। এর সংলগ্ন পিছনের ঘটনাটা তার মনে থাকার কথা নয়, কারণ। তখন অজ্ঞান অবস্থায় ছিলো সে। কিন্তু আশ্চর্য! দেখা গেল, অপারেশন চলাকালে ডাক্তার। আর নার্স যা যা বলেছে সব তার মনে আছে। অজ্ঞান, একজন রোগিনীর সামনে কথা বলেছে তারা, কথা আর আচরণের মধ্যে তাই ফুটে উঠেছিল নির্লিপ্ত একটা ভাব। কখনো মহিলাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছে তারা, কখনো সন্তান প্রসব হতে দেরি হচ্ছে দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেছে। তাকে একটা জড় পদার্থ হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছিল, ব্যক্তি হিসেবে নয়। তার বোধ আর অনুভূতির কথা বিবেচনা করা হয়নি।

    তাই প্রশ্ন ওঠে, আদৌ কি অজ্ঞান বা অচেতন হওয়া সম্ভব? আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা হয় মনে করতে পারি বা পারি না, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন। করছি এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতাই স্পষ্ট ছাপ রাখছে ব্রেনের ওপর।

    তবে কি এর মানে এই যে আজ থেকে দশ বছর পর এই পৃষ্ঠাটির নম্বর মনে করার কৌশল শিখতে পারবেন আপনি? পৃষ্ঠার নম্বরটি আপনি হয়তো লক্ষ্য করেননি, কিন্তু ওটা আছে। বলা যেতে পারে, চোখের কোণ দিয়ে ওটাকে আপনি দেখেছেন। হয়তো শিখতে পারবেন, কিন্তু সম্ভাবনা কম। কারণ ব্যাপারটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, এবং সম্ভবত কোনো কালেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে না।

    কিন্তু গত হপ্তায় সুদর্শন যে যুবকটিকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দেখেছিলেন, তার নাম মনে করতে পারবেন কি? আপনি যখন প্রথম নামটা শুনলেন, ওই সময়টাই একটা ঘটনা। সহজ কাজ যেটা আপনাকে করতে হবে, ওই সময়ের আশপাশের সময়গুলোকে মনের পর্দায় ফুটিয়ে তোলা। নির্দিষ্ট একটা ঘটনার কথা মনে করতে পারছেন না, কিন্তু তার আগে পরে কি ঘটেছে তা আপনার মনে আছে। আগের ঘটনাগুলো মনের পর্দায় ফুটিয়ে তুলুন, ধীরে ধীরে ভুলে যাওয়া ঘটনার দিকে এগোন, নামটা আপনি আবার শুনতে পাবেন।

    আরাম করে বসুন। হাত-পা ঢিল করে দিন। নিজের লেভেলে চলে যান। পর্দায় ছবি দেখুন। এতে সময় লাগবে আপনার পনেরো থেকে বিশ মিনিট। তবে আরো একটা উপায় আছে, এ-ও জাদুমন্ত্রের মতো কাজ দেয়। এটাকে সাধারণত ইমার্জেন্সী মেথড বলা হয়। এই পদ্ধতির সাহায্যে তৎক্ষণাৎ মনের এমন একটা লেভেলে পৌঁছে যাবেন আপনি, যেখান থেকে তথ্য মনে করতে পারা খুব সহজ।

    বোতামে চাপ দিলে আলো জ্বলে, বলতে পারেন এই পদ্ধতিটিও সেই রকম একটা বোতাম। বোতামটা যখন সত্যি আপনার হয়ে যাবে, তারপর থেকে যতোই ওটাকে ব্যবহার করবেন ততোই ওর কর্ম-গুণ বাড়তে থাকবে। জিনিসটাকে নিজের করার জন্যে বার কয়েক ধ্যানমগ্ন অবস্থার সাহায্য নিতে হবে আপনাকে।

    সহজ এই পদ্ধতি। বৃদ্ধ, তর্জনী আর মধ্যমা, এই তিনটে আঙুল একসাথে করুন, সাথে সাথে মনের একটা গভীর লেভেলে পৌঁছে যাবেন আপনি। এই মুহূর্তে চেষ্টা করতে পারেন আপনি, কিছুই ঘটবে না। জিনিসটা এখনো আপনার পোষ মানেনি, তাই আপনার আদেশ মানবে না। পোষ মানাতে হলে একটু খাটতে হবে। রাজি?

    নিজের লেভেলে চলে যান, তারপর নিজেকে বলুন, (শব্দ করে বা মনে মনে), ‘যখনই আমার এই তিন আঙুল এক করবো’–এখন এক করুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য নিয়ে, তখনই মনের এই লেভেলে চলে আসবো, এবং আমার উদ্দেশ্য পূরণ হবে।

    এই অনুশীলন প্রতিদিন এক হপ্তা চর্চা করুন। প্রতিবার একই বাক্য ব্যবহার করা। উচিত। দিন কয়েকের মধ্যেই আপনার মন তিন আঙুল এক করার সাথে সাথে ধ্যানমগ্ন হয়ে পড়ায় অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। তারপর একদিন হয়ত একটা কিছু মনে করতে চেষ্টা করবেন আপনি হয়ত একটা নাম–কিন্তু কোনোমতেই সেটা মনে পড়বে না। যতোই চেষ্টা করবেন, ততোই গোঁ ধরে থাকবে নামটা, কিছুতেই মনে আসতে চাইবে না। ইচ্ছাশক্তি শুধু যে ব্যর্থ হবে তাই নয়, এটা একটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এই যখন অবস্থা, আপনাকে ঘাবড়াতে নিষেধ করবো। শান্ত হোন। বুঝতে চেষ্টা করুন যে নামটা আপনার মনে পড়বে, কারণ আপনার আয়ত্তে রয়েছে সেই বোতাম, যেটা টিপলেই মনে পড়ে যাবে নামটা।

    বিদেশী এক স্কুল শিক্ষক ছাত্রদেরকে বানান শেখাবার জন্যে তিন আঙুল পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন। হপ্তায় বিশটা করে শব্দের বানান শেখাতে পারেন তিনি। ছাত্রদের পরীক্ষা করার জন্যে এক এক করে প্রতিটি শব্দের বানান তিনি জিজ্ঞেস করেন না, চলতি হপ্তায় যে ক’ টা নতুন শব্দ তারা শিখেছে সবগুলো খাতায় লিখতে বলেন তিনি। তিন আঙুল পদ্ধতির সাহায্যে, মনের পর্দায় নতুন শেখা শব্দগুলো দেখতে পায় ছাত্ররা, নির্ভুল বানান সহ সেগুলো খাতায় লিখতে কোনো অসুবিধে হয় না তাদের। এই পরীক্ষায় সবচেয়ে মাথামোটা ছাত্রটির সফল হতে সময় লাগে পনেরো মিনিট।

    ট্যাক্সি ড্রাইভার ছাত্রটির কথা মনে আছে? তার একটা বিদঘুঁটে সমস্যা ছিলো। একজন আরোহী হয়ত এমন এক জায়গায় যেতে চাইলো, যেখানে অনেক দিন আগে একবার গেছে ড্রাইভার, রাস্তাঘাট এখন আর ভালো করে মনে নেই। গাড়ি স্টার্ট দেয়ার আগে একটু সময়ের জন্যে ধ্যানমগ্ন হলে খুব কম আরোহীই সেটা ধরতে পারবে। তিন আঙুলের পদ্ধতি ব্যবহার করে মনের পর্দায় ভুলে যাওয়া জায়গাটা দেখে নেয় সে। পদ্ধতিটি শেখার পর থেকে এই ধরনের কোনো সমস্যায় পড়ে ভুগতে হয় না তাকে।

    মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখার আগে ছাত্রটি লেখাপড়ায় মোটেও ভালো ছিলো না। তারপর দ্রুত শেখা বা স্পীড লার্নিং পদ্ধতি ব্যবহার করা ধরলো সে। ছাত্র হিসেবে এখন সেরাদের একজন সে, তিন আঙুল পদ্ধতি ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়ে আশ্চর্য ভালো রেজাল্ট করছে। এই পদ্ধতি সম্পর্কে পরের পরিচ্ছেদে আলোচনা করবো আমরা। তার আগে তিন আঙুল পদ্ধতি কোন কাজে কিভাবে ব্যবহার করবেন, সে সম্পর্কে কিছু অনুশীলন।

    এক নম্বর পরিচ্ছেদে তিন–এক (৩-১) পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, মনে আছে। তো? এখানে ওই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে হবে।

    প্রথম কাজ, যে-কোনো হাতের প্রথম তিনটে আঙুল এক করুন। এটা ব্যবহার করায় ইতিমধ্যে আপনি যদি অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, আঙুল তিনটে এক করার সাথে সাথে বিটা থেকে গভীর লেভেলে পৌঁছে যাবেন।

    স্কুল বা কলেজের একটা পড়া মুখস্থ করতে চান আপনি। তিন আঙুল তো এক করাই আছে, এবার তিন–এক পদ্ধতি ব্যবহার করে আরো গভীর লেভেলে চলে যান। তারপর নিজেকে বলুন, আপনি এক থেকে তিন পর্যন্ত গুণতে যাচ্ছেন, এবং তিন পর্যন্ত গোণার সাথে সাথে চোখ খুলে পড়াটা পড়তে শুরু করবেন। পড়াটা কি, শিরোনাম এবং বিষয় উল্লেখ করুন।

    তারপর বলুন, ‘কোনো শব্দ আমার মনোযোগ নষ্ট করতে পারবে না, আমার মনোনিবেশে একাগ্রতা এবং বুঝতে পারার ক্ষমতা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।”

    এবার এক থেকে তিন পর্যন্ত গুণুন, চোখ মেলুন, এবং পড়তে শুরু করুন।

    পড়াটা শেষ করে, আবার তিন–এক পদ্ধতির সাহায্যে গভীর লেভেলে চলে যান, তারপর নিজেকে বলুন, এই মাত্র যে পড়াটা আমি শেষ করলাম (পড়াটা কি, শিরোনাম এবং বিষয় উল্লেখ করুন), সেটা আমি তিন আঙুল পদ্ধতির সাহায্যে ভবিষ্যতে যখন খুশি চাইলেই মনে করতে পারবো।

    কলেজের লেকচার মনে রাখতে চান আপনি। তিন আঙুল তো এক করা আছেই, এবার তিন–এক পদ্ধতি ব্যবহার করে গভীর লেভেলে চলে যান। তারপর নিজেকে মনে মনে বলুন, আপনি একটা লেকচার শুনতে যাচ্ছেন (শিরোনাম, বিষয় এবং লেকচারের নাম উল্লেখ করুন)।

    নিজেকে বলুন, আপনি তিন আঙুল পদ্ধতি ব্যবহার করতে যাচ্ছেন, লেকচার চলাকালে চোখ খোলা রাখবেন, অন্য কোনো শব্দ আপনার মনোযোগ নষ্ট করবে না, আপনার একাগ্রতা এবং বুঝতে পারার ক্ষমতা অনেক গুণ বেড়ে যাবে, এবং লেকচারটা (শিরোনাম বিষয় এবং লেকচারারের নাম উল্লেখ করুন) ভবিষ্যতে যখন খুশি চাইলেই তিন আঙুল পদ্ধতির সাহায্যে মনে করতে পারবেন।

    এবার নতুন একটা পদ্ধতি। এটাকে আমরা তিন দফা পদ্ধতি বলতে পারি।

    প্রথম দফা।

    পরীক্ষার হলে প্রশ্নগুলো যেভাবে সব সময় পড়েন, সেভাবেই পড়ুন, তবে কোনো বিষয় নিয়েই বেশিক্ষণ মাথা ঘামাবেন না। কোনো প্রশ্নের উত্তর যদি তৈরি থাকে, সাথে সাথে লিখে ফেলুন। আর তৈরি না থাকলে ওটাকে বাদ দিয়ে পরেরটা ধরুন।

    দ্বিতীয় দফা।

    তিন আঙুল পদ্ধতির সাহায্যে প্রথম দফায় যা করেছেন এবারও তাই করুন, তবে এবার যে-সব প্রশ্নের উত্তর তৈরি নেই সেগুলোর ওপর একটু বেশি সময় দিন। উত্তর যদি আসে, লিখে ফেলুন। আর যদি না আসে, ওটাকে বাদ দিয়ে পরেরটা ধরুন।

    তৃতীয় দফা।

    তিন আঙুল পদ্ধতি ব্যবহার করে যেসব প্রশ্নের উত্তর আসেনি সেগুলো পড়ুন, এবারও যদি উত্তর না আসে, চোখ বন্ধ করুন, বন্ধ পাতার ভেতর একটু ওপর দিকে স্থির করুন দৃষ্টি, আপনার প্রফেসর, টিচার বা লেকচারারকে মনের পর্দায় দেখুন, তারপর প্রশ্নের উত্তরটা জিজ্ঞেস করুন তাঁকে। তারপর মাথা পরিষ্কার করে নিয়ে আবার উত্তর পাবার জন্যে চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করুন। তিন আঙুল পদ্ধতির আরো ব্যবহার আছে। ধ্যানী সাধু আর যোগীরা এই পদ্ধতি কয়েক শতাব্দী আগে থেকে ব্যবহার করে আসছেন। যখন কোনো যোগী বা সাধুর ধ্যানমগ্ন অবস্থার ছবি বা ভাস্কর্য দেখবেন, লক্ষ্য করলেই চোখে পড়বে, তাঁর হাতের তিনটে আঙুল এক করা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র
    Next Article মা – মাক্সিম গোর্কি (অনুবাদ : বিমল সেন)

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }