Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. মুখের কথাই মন্ত্র

    ০৭. মুখের কথাই মন্ত্র

    ভূমিকায় বলা হয়েছে, প্রথমবার পড়ার সময় কোনো অনুশীলন চর্চা করবেন না। কিন্তু নিচের অনুশীলনটা সেই নিষেধের আওতায় পড়ে না, এটা আপনি এখুনি একবার চর্চা করতে পারেন। করার সময় আপনার সমস্ত কল্পনাশক্তি ব্যবহার করবেন।

    আসুন, এবার শুরু করা যাক।

    কল্পনা করুন বাড়ির কিচেনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আপনি, হাতে একটা লেবু। লেবুটা আপনি এইমাত্র বের করেছেন রেফ্রিজারেটর থেকে, আপনার হাতের তালুতে ওটা ঠাণ্ডা লাগছে। লেবুর বাইরের দিকটা ভালো করে লক্ষ্য করুন, হলুদ মোমের মতো গা। লেবুটার দুই প্রান্তে ত্বকের রঙ বদলে গেছে, বিন্দু বিন্দু সবুজ ভাব দেখতে পাচ্ছেন আপনি। একটু চাপ দিন, আঁটসাঁট, শক্ত ভাবটুকু অনুভব করুন, অনুভব করুন। ওজনটুকু।

    এবার নাকের কাছে তুলে লেবুটার গন্ধ নিন। লেবুর মতো গন্ধ আর কিছুর নয়, তাই না? এবার লেবুটাকে মাঝখানে কেটে দু’ভাগ করুন, তারপর একভাগের ঘ্রাণ নিন। গন্ধটা এখন তীব্র। এবার দু’সারি দাঁতের মাঝখানে নিয়ে টুকরোটাকে গভীর ভাবে একটা কামড় বসান, রসটুকু ছড়িয়ে দিন আপনার মুখের ভেতর সবখানে। লেবুর মতো স্বাদ আর কিছুর নয়, কি বলেন?

    এ পর্যন্ত এসে, আপনি যদি আপনার কল্পনা শক্তিকে ঠিকমতো ব্যবহার করে থাকেন, নিশ্চয়ই আপনার জিভে পানি এসে গেছে।

    আসুন, এবার এই ঘটনার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা যাক।

    শব্দ, নিছক শব্দ, আপনার স্যালিভারি গ্ল্যাণ্ড কে সচল করে তোলে। শব্দগুলো এমন। কি বাস্তবকেও প্রতিফলিত করেনি, আপনি একটা কিছু কল্পনা করেছিলেন, সেই কল্পনাটাকে প্রতিফলিত করেছে। লেবু সম্পর্কে শব্দগুলো আপনি যখন পড়ছিলেন, সেই মুহূর্তে আপনি আসলে আপনার ব্রেনকে বলছিলেন, আপনার কাছে একটা লেবু আছে। যদিও আসলে ছিলো না, ঠিক আছে বলে বোঝাতেও চাননি আপনি। কিন্তু আপনার ব্রেন ব্যাপারটা সিরিয়াসলি নেয়, স্যালিভারি গ্ল্যাওকে বলে, ‘লোকটা একটা লেবুতে কামড় দিচ্ছে! জলদি, ধুয়ে অ্যাসিড় সাফ করে ফেললো। গ্লাও নির্দেশটা পালন করেছে।

    আমরা সবাই জানি, আমাদের ব্যবহার করা শব্দগুলো অর্থ প্রতিফলিত করে, এবং এই অর্থ খারাপ বা ভালো, সত্যি বা মিথ্যে, শক্তিশালী বা দুর্বল হতে পারে। সত্যি তাই, কিন্তু সত্যের এটা অর্ধেক মাত্র। শব্দ শুধু বাস্তবকে প্রতিফলিত করে না, তারা বাস্তবতা তৈরিও করে–যেমন মুখের লালা।

    ব্রেন যে শুধু আমাদের ইচ্ছা আর উদ্দেশ্যের সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা দিতে পারে তাই নয়, তথ্য সংগ্রহ করে নিজের ভাঁড়ারে জমাও রাখতে পারে সে, সেই সাথে আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণ ভারও নিজের হাতে রেখেছে। তাকে যদি, ‘আমি এখন একটা লেবু খেতে যাচ্ছি, বা এই ধরনের কিছু বলা হয়, অমনি কাজ শুরু করে দেয় সে।

    এবার মনের ঘর-দুয়ার পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়া উচিত আমাদের। এর জন্যে কোনো অনুশীলন নেই, ব্রেনকে চালু করে দেয়ার জন্যে কি ধরনের শব্দ আমরা ব্যবহার করবো শুধু সে ব্যাপারে সতর্ক থাকলেই হবে।

    এই পরিচ্ছেদের প্রথমেই যে অনুশীলনটা চর্চা করলেন ওটাকে নিউট্রাল বা নিরপেক্ষ বলা যেতে পারে–শারীরিক ভাবে ভালো বা মন্দ কিছুই ঘটেনি। কিন্তু শব্দকে অতো নিরীহ মনে করার কোনো কারণ নেই। আমাদের ব্যবহার করা শব্দের যেমন উপকার করার ক্ষমতা আছে তেমনি ক্ষতি করার ক্ষমতাও আছে।

    চায়ের কাপে চুমুক দিতে গিয়ে কেউ হয়তো বললো, ‘চা তো নয়, যেন কানা চোখের পানি। চা খুব পাতলা হয়েছে, রঙ হয়নি, তাই এ-কথা বলা। আপাতঃ দৃষ্টিতে এই কথাগুলোর ক্ষতি করার কোনো ক্ষমতা আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু দেখা গেল, যারা চা খাচ্ছিলো তাদের মধ্যে একজন চায়ের কাপে চুমুক দিতে পারলো না, বা ইতিমধ্যে দিয়ে থাকলে তার মধ্যে বমি বমি একটা ভাব জাগলো। এ থেকে কি প্রমাণ হয় না, শব্দ ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে? খেতে বসে ছোটো ছেলেরা প্রায়ই একটা খেলা। খেলে। খাবার জিনিসকে তারা দুর্গন্ধময় বা দেখতে কুৎসিত কোনো জিনিসের সাথে তুলনা করে। মাখন হয়ে যায় হলুদ মল, ভাত হয়ে যায় নর্দমার পোকা, ইত্যাদি। কিন্তু ভালো একটা খাবারকে মল বা নর্দমার কীট বলে ভান করা সবার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই দেখা যায়, কিছু না খেয়েই দু’একজন উঠে গেল।

    আমরা বড়রাও এই খেলা খেলছি বৈকি। জীবনের প্রতি আমাদের যে আকর্ষণ সেটা আমরা অনেকেই নেতিবাচক বা না-সূচক চিন্তা আর কথা ব্যবহার করে হারিয়ে ফেলছি। হ্যাঁ-সূচক কথার মতোই না-সূচক কথারও ধার এবং ক্ষমতা আছে, না-সূচক কথা বার বার ব্যবহার করে সেই ধার ও ক্ষমতা আমরা আরো বাড়িয়ে তুলি। ফলে জীবনের কাছ থেকে চেয়ে পাবার মতো কিছুই থাকে না।

    ‘কেমন আছো?’

    ‘আমাদের আর থাকাথাকি! দিন কেটে যাচ্ছে এই আর কি।‘

    কিংবা, ‘ভালো না।’ অথবা, ‘বেঁচে আছি সে তো দেখতেই পাচ্ছো!’

    এই ধরনের কথায় কিভাবে সাড়া দেয় আমাদের ব্রেন?

    হয়তো মাথাব্যথা কোনমতে ছাড়তে চায় না। ঘাড়ে ব্যথা পাই। আবহাওয়া। বদলের সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়ি। সর্দিটা ভালো হতে চায় না। তবে জেনে রাখা ভালো যে ডাক্তার আর ওষুধের পিছনে যতো টাকা আমরা খরচ করি, তার একটা মোটা অংশ খরচ করাবার কৃতিত্ব আমাদের ব্যবহার করা কথাবার্তার। জীবনের প্রতি আমা দের দৃষ্টিভঙ্গি যদি ইতিবাচক বা হাঁ-সূচক না হয়, আমাদের ব্রেনও নেতিবাচক বা না-সূচক ভূমিকা পালন করে। সে বলে, ‘এই লোক মাথায় ব্যথা চাইছে। ঠিক আছে। ওকে দেয়া হচ্ছে মাথাব্যথা।’

    ক্ষতিকর কিছু বললেই সাথে সাথে ব্যথা পাই না আমরা, ক্ষতিটাও তখুনি ঘটে না। শরীরের স্বাভাবিক প্রবণতা সুস্থ থাকা, তার সমস্ত আচরণ আর নিজস্ব গতিধারা সুস্থতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। রোগ আর অসুস্থতাকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও তার যথেষ্ট। কিন্তু এই প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় যখন আমরা ক্ষতিকর শব্দ ব্যবহার করে সেই ক্ষমতার গায়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছড়ি। একটা সময় আসে, আমরা যা চাই শরীরকে দিয়ে ঠিক সেটাই আদায় করিয়ে নিতে পারে ব্রেন।

    দুটো জিনিস আমাদের ব্যবহার করা শব্দ বা কথার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এক, আমাদের মনের লেভেল। দুই, আমরা যা বলি তাতে আমাদের ভাবাবেগের মাত্রা।

    ‘ইস, প্রচণ্ড ব্যথা লাগছে!’ সত্যি যদি প্রচণ্ড ব্যথা না-ও লাগে কথাটা আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে বলা হলে প্রচণ্ড ব্যথা সত্যি সত্যি অনুভব করবেন আপনি। ‘গুছিয়ে কোনো কাজ করবো, তার কোনো উপায় নেই এখানে!’ গভীর বিশ্বাসের সাথে কথাটা বলা হলে পরিবেশ সত্যি সত্যি বৈরি হয়ে উঠবে, যেখানে গুছিয়ে কাজ করা কিছুতেই সম্ভব হবে না।

    .

    ফ্রান্সের এমিল কুয়ে একটা সাজেশন তৈরি করে বিখ্যাত হয়ে আছেন। ‘ডে বাই ডে, ইন এভরি ওয়ে, আই অ্যাম গেটিং বেটার অ্যাও বেটার।’ হাজার হাজার লোকের গুরুতর অসুখ সারিয়ে দিয়েছে এই শব্দ ক’ টা। ড. কুয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলছি, এই বাক্যটির জন্যে তাঁকে আমি শ্রদ্ধা করি। তাঁর সেল-মাস্টারী থু অটোসাজেশন বইটি অমূল্য জ্ঞান দিয়েছে আমাকে।

    একজন কেমিস্ট হিসেবে প্রায় ত্রিশ বছর কাজ করেছেন ড, কুয়ে। সম্মোহন নিয়ে পড়াশোনা এবং গবেষণা করার পর তিনি নিজেই একটা সাইকোথেরাপি উদ্ভাবন করেন, যার ভিত্তি হলো অটোসাজেশন। ইংরেজি উনিশ শো দশ সালে নান্সিতে তিনি একটা ফি ক্লিনিক খোলেন, যেখানে তিনি সফলতার সাথে হাজার হাজার লোকের চিকিৎসা করেছেন। তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে ভালো হয়েছে বাত, ভয়ঙ্কর জাতের মাথাব্যথা, হাঁপানি, হাত বা পায়ের প্যারালাইসিস, তোতলামি, টিউমার, আলসার ইত্যাদি। কিন্তু এ-ব্যাপারে তাঁর নিজের বক্তব্য ছিলো, তিনি কাউকে সুস্থ করেননি, শুধু মানুষকে শিখিয়েছেন নিজেদের কিভাবে সুস্থ করে তুলতে হয়। রোগ যে সারতো সেটা কোনো গল্প-কথা নয়, বাস্তব প্রমাণ আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় উনিশ। শো ছাব্বিশ সালে তাঁর মৃত্যুর সাথে সাথে পদ্ধতিটিও হারিয়ে যায়। তাঁর এই পদ্ধতি যদি অত্যন্ত জটিল আর কঠিন হতো, এবং ফলে মাত্র অল্প দু’ একজন বিশেষজ্ঞ চর্চা করার জন্যে শিখতে পারতো তাহলে আজও হয়তো টিকে থাকতো সেটা। পদ্ধতিটা একেবারে সহজ। যে কেউ শিখতে পারে, তাই অতটা মূল্য পায়নি ওটা কারও কাছে।

    মাত্র দুটি মৌলিক বিধির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে পদ্ধতিটি।

    ১। একবারে মাত্র একটি বিষয়ে চিন্তা করতে পারি আমরা, এবং

    ২। আমরা যখন কোনো চিন্তার ওপর গভীর মনোযোগ আরোপ করি, তখন চিন্তাটা সত্যি হয়ে ওঠে, কারণ আমাদের শরীর-মন সেটাকে অ্যাকশন বা তৎপরতায় রূপান্তরিত করে।

    কাজেই আপনি যদি ভেতরের মেশিন চালু করে শরীর বা মনকে সুস্থ করে তুলতে চান, যেটা হয়তো না-সূচক চিন্তা-ভাবনার (সচেতন বা অবচেতন) দরুন অচল হয়ে পড়ে আছে, তাহলে পর পর ত্রিশ বার এই বাক্যটি আওড়ান-’প্রতিদিন সবদিক থেকে উন্নতি করছি। সকাল-বিকেল, ছন্দ মিলিয়ে বলতে থাকুন ত্রিশবার করে, তাহলেই জানবেন ড. কুয়ের পদ্ধতি ব্যবহার করছেন আপনি।

    আগেই বলেছি, ধ্যানমগ্ন অবস্থায় শব্দের ক্ষমতা অনেক গুণ বেড়ে যায়। তাই আলফা বা থিটা লেভেলে পৌঁছে এই সাজেশনটা প্রতিদিন একবার দিলেও পারেন। কিন্তু এই সাজেশনের সাথে আরো ক’ টা শব্দ যোগ করবেন, ‘না-সূচক চিন্তা, না সূচক সাজেশন আমার মনের কোনো লেভেলেই কোনো প্রভাব ফেলে না।’

    শুধু এই বাক্য দুটোই বেশ অনেকগুলো ফল দিতে পারে। এখানে একজন মার্কিন সৈনিকের কথা উল্লেখ করবো। হোসে সিলভার ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি হয়েছিল সে, কিন্তু একদিনের বেশি ক্লাস করার সুযোগ পায়নি, হঠাৎ নির্দেশ পেয়ে তাকে চলে যেতে হয়। ইন্দো-চীনে। তার শুধু মনে ছিলো কিভাবে ধ্যান করতে হয়, আর এই বাক্য দুটো।

    ইন্দো-চীনে একজন পাজি সার্জেন্টের অধীনে কাজ করতে দেয়া হলো তাকে। ভয়ঙ্কর বদ-মেজাজী, মদ্যপ সার্জেন্ট; দুর্বল কাউকে পেলে তার ওপর অত্যাচারের স্টীম রোলার চালিয়ে দেয়। মনের সাধ মিটিয়ে অত্যাচার চালাবার জন্যে নতুন আসা এই সৈনিকটিকেই বেছে নিলো সে।

    দু এক হপ্তা কাটতেই দেখা গেল, কাশতে কাশতে রাত দুপুরে ঘুম ভেঙে যায় সৈনিকটির। কয়েক দিন পর, যা কোনোদিন ছিলো না, সেই হাঁপানিতে আক্রান্ত হলো। সে। ডাক্তাররা তাকে অত্যন্ত যত্নের সাথে পরীক্ষা করে রায় দিলো, শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ। ইতিমধ্যে আরো নানা রকম অসুস্থতা ছেকে ধরলো তাকে। কাজে মন বসে না, শরীর দুর্বল লাগে। কোনো কাজ দিলে লেজেগোবরে করে ফেলে। তার অবস্থার যতো অবনতি হচ্ছে, সার্জেন্টের ভয়ঙ্কর মনোযোগও তার ওপর সেই পরিমাণে বাড়ছে।

    তার ইউনিটের আর সবাই ড্রাগসের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু সৈনিকটি আশ্রয় নিলো সেই দুটো বাক্যের। ভাগ্য ভালো বলতে হবে, রোজ তিনবার ধ্যানমগ্ন হবার সুযোগ পেতো সে। ফলাফল? তার নিজের ভাষায় শুনুন, মাত্র তিন দিনের মধ্যে সার্জেন্টের অত্যাচার থেকে বেঁচে গেলাম আমি। আমাকে যা করতে বলতে সব আমি করতাম, কিন্তু তার খোঁচা মারা একটা কথাও আমাকে স্পর্শ করতো না। হাঁপানি আর সর্দি-কাশি সারতে এক হপ্তাও লাগেনি।

    মনের যে ক’ টা লেভেলে আমরা মন-নিয়ন্ত্রণ চর্চা করি, শব্দ তার চেয়েও গভীর লেভেলে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। ওকলাহোমার একজন নার্স-অ্যানেসথেটিস্ট, মিসেস জিন মাব্রে তাঁর রোগীদের সাহায্য করার জন্যে এই জ্ঞানটা কাজে লাগান। অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে একজন রোগীকে অজ্ঞান করার পরপরই তিনি তার কানের কাছে মুখ নামিয়ে সাজেশন দিতে শুরু করেন। প্রায় সব ক্ষেত্রেই আশ্চর্য ফল পাওয়া গেছে। কেউ কেউ দ্রুত সেরে উঠেছে, আবার কেউ বেঁচে গেছে প্রাণে।

    একদিন একটা অপারেশনের সময়, যখন প্রচুর রক্তক্ষরণ আশা করা হচ্ছিলো, কিন্তু তার কোনো লক্ষণ নেই দেখে অবাক হয়ে গেল সার্জেন। রক্ত বেরুচ্ছে, কিন্তু তা নেহায়েতই সামান্য। ব্যাপারটা কি? জানা গেল, রোগীকে অজ্ঞান করার পর তার কানে। কানে মিসেস মাত্রে বলেছেন, ‘তোমার শরীরকে বলো যেন বেশি রক্ত না ফেলে। অপারেশন চলাকালেও, প্রতি দশ মিনিট পর পর এই সাজেশন দিয়ে গেছেন তিনি।

    আরেকটা অপারেশনের সময় তিনি ফিসফিস করে বলেছিলেন, তুমি জেগে উঠে অনুভব করবে, তোমার আত্মীয় স্বজন বন্ধুবান্ধব সবাই তোমাকে ভালোবাসে, নিজের ওপরও তোমার ভালোবাসা জন্মাবে। এই রোগিনী তার সার্জেনকে বিশেষ উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল। সারাক্ষণ উত্তেজিত হয়ে থাকতো মহিলা, যে-কোনো ব্যথাই অমঙ্গল ডেকে নিয়ে আসবে বলে ভয় পেতো। এই প্রবণতার ফলে সেরে উঠতে প্রচুর সময় লেগে যাবে। কিন্তু জ্ঞান ফিরে এলে দেখা গেল তার চেহারায় নতুন একটা ভাব। এর তিন মাস পর সার্জেন মিসেস মাব্রেকে জানালেন, তাঁর সেই সদা উত্তেজিত রোগিনী সম্পূর্ণ বদলে গেছে। অপারেশনের ধকল খুব তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠেছে সে, শুধু তাই নয়, জীবনের প্রতি নতুন আকর্ষণ ও বিশ্বাস জন্মেছে তার, অস্থিরতা কেটে গিয়ে তার মধ্যে এসেছে শান্ত একটা ভাব।

    মিসেস মাত্রের কাজগুলো থেকে তিনটে ছবি পাই আমরা। এক, মনের গভীর স্তরে শব্দ বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন বা বিশেষ তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে। দুই, যতোটুকু ধারণা করা হয় শরীরের ওপর তারচেয়ে অনেক বেশি কর্তৃত্ব রয়েছে মনের। তিন, আগেই অবশ্য কথাটা বলা হয়েছে–আসলে আমরা অচেতন হই না, সব সময় সচেতন থাকি।

    ঘুমন্ত ছেলেমেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে অনেক মা-বাবাই চিন্তা করেন, এই ছেলেকে মানুষ করবো কিভাবে! লেখাপড়ায় মন নেই, সারাদিন শুধু ভাই-বোনদের সাথে ঝগড়া-ঝাঁটি, ডানপিটের একশেষ, কারো কোনো শাসনই মানে না। এসব ভেবে উদ্বিগ্ন হওয়ার চেয়ে যদি ঘুমন্ত ছেলেমেয়ের কানের কাছে ঠোঁট নামিয়ে ফিসফিস করে কিছু উপদেশ, সাজেশন ইত্যাদি দেয়া হয়, আশ্চর্য ফল পাওয়া যেতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র
    Next Article মা – মাক্সিম গোর্কি (অনুবাদ : বিমল সেন)

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }