Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আত্ম-উন্নয়ন – বিদ্যুৎ মিত্র

    বিদ্যুৎ মিত্র এক পাতা গল্প140 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. কল্পনার শক্তি

    ০৮. কল্পনার শক্তি

    ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে মুক্ত হওয়ার সহজ একটা উপায় আছে সেটা হলো কল্পনা। কল্পনা খপ করে লক্ষ্যবস্তু ধরে ফেলে। যা চায় তাই পায় সে।

    – কল্পনা আমাদের জন্যে একটা অত্যন্ত কাজের, দরকারী হাতিয়ার। এর কাছ থেকে উপকার পাবার কোনো শেষ সীমা নেই। সেজন্যেই এই বইয়ের প্রথম দিকে বার বার করে বলা হয়েছে, গভীর স্তরে পৌঁছে মনের পর্দায় জ্যান্ত ছবি দেখাটা আপনাকে ভালো করে শিখে নিতে হবে। আপনি যদি বিশ্বাস, বাসনা আর প্রত্যাশা দিয়ে কল্পনাকে উজ্জীবিত করতে পারেন, এবং উদ্দেশ্য আর লক্ষ্য চাক্ষুষ করার কাজে এমনভাবে ব্যবহার করতে পারেন, যার ফলে উদ্দেশ্য আর লক্ষ্যগুলো আপনি দেখতে, অনুভব করতে, শুনতে, স্বাদ নিতে এবং এমন কি প্রায় ছুতে পারবেন, তাহলে জীবনের কাছ থেকে কিছু চেয়ে আপনাকে কখনো নিরাশ হতে হবে না।

    ড. কুয়ে বলেছেন, ‘ইচ্ছা শক্তি (Will Power) আর কল্পনার মধ্যে বিরোধ বাধলে কল্পনাই সব সময় জেতে।

    যদি ভাবেন, একটা বদভ্যাস ত্যাগ করতে চান আপনি, সম্ভবত নিজের সাথে প্রতারণা করছেন। সত্যি যদি ওটা ছাড়তে চান, আপনা থেকেই আপনাকে ছেড়ে যাবে ওটা। আপনার আসলে চাওয়া উচিত বদভ্যাসটি ছাড়লে কি লাভ হবে, সেইটা। এই লাভটা যখন পাবার জন্যে অস্থির হয়ে উঠবেন, তখনই ছাড়তে পারবেন ক্ষতিকর অভ্যেস। লাভ পাবার জন্যে অস্থির হওয়া, এটা একটা শেখার বিষয়। লাভ পাবার জন্যে কিভাবে অস্থির হতে শিখতে হয় তা যখন জানা হয়ে যাবে আপনার, অবাঞ্ছিত অভ্যেস ছেড়ে দেয় তখন আর সমস্যা হবে না।

    খারাপ অভ্যেস সম্পর্কে বেশি চিন্তা করা, ছেড়ে দেবো বলে বার বার প্রতিজ্ঞা করা, অনেক সময় এর ফল হয় উল্টো, অভ্যেসটা আরো শক্তভাবে জড়িয়ে ধরে আপনাকে। ব্যাপারটা অনেকটা ঘুম আনার জন্যে অস্থির হয়ে ওঠার মতো, যতোই আপনি অস্থির হবেন ততোই আপনি জেগে থাকবেন, ঘুম আসতে চাইবে না।

    এখন দেখা যাক এসব ব্যাপার আমরা নিজেদের কাজে কিভাবে ব্যবহার করতে পারি। এখানে আমরা দুটো অভ্যেস নিয়ে আলোচনা করবো। একটা হলো অতিভোজন, অপরটা ধূমপান।

    আপনি যদি ওজন কমাতে চান, আপনার প্রথম কাজ হবে সমস্যাটাকে খতিয়ে পরীক্ষা করা। এই কাজ আপনি জেগে থাকা অবস্থায় অর্থাৎ বিটা লেভেলে করবেন।

    আগে জানুন, আপনার সমস্যা অতিভোজন, নাকি ব্যায়ামের অভাব, নাকি দুটোই?

    এমনও হতে পারে, অতিভোজন নয়, খাচ্ছেন আপনি পরিমাণ মতোই, কিন্তু খাচ্ছেন ভুল খাবার, সেটাই মেদ বাড়িয়ে তুলে সমস্যার সৃষ্টি করছে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে কি কি খাবেন আর কি কি খাবেন না সেটা ঠিক করতে হবে আপনাকে, তাহলেই ওজন কমানো সম্ভব হয়ে উঠবে।

    তারপর নিজেকে প্রশ্ন করুন, ওজন কমাতে চাইছেন কেন? আপনি কি এতোই মোটা যে আপনার স্বাস্থ্য বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে? এতোই মোটা যে বেচে থাকাটা কষ্টকর হয়ে উঠেছে? নাকি ভাবেন, আরো রোগা হতে পারলে আরো সুন্দর দেখাবে। নিজেকে? যেটাই হোক, ওজন কমাবার যুক্তি হিসেবে দুটোই শক্তিশালী।

    আগে জানুন, ওজন কমিয়ে তা থেকে কি লাভ পেতে চান আপনি।

    এমন হতে পারে, আপনি হয়তো পরিমিত খাওয়াদাওয়া করেন, যতটুকু দরকার ততোটুকু ব্যায়ামও করে চলেছেন নিয়মিত, এবং আপনার ওজনও খুব নয়, সামান্য বেশি। সেক্ষেত্রে আমাদের পরামর্শ হবে, ডাক্তার যদি আপত্তি না করেন, সামান্য এই বাড়তি ওজনটুকু নিয়েই আপনি সন্তুষ্ট থাকুন। শরীরের নিজস্ব নিয়ম-শৃঙ্খলা আছে, সেটা অকারণে ঘাঁটাঘাঁটি না করাই তো ভালো। তাছাড়া, জীবনে সমস্যা কি আর একটা? এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেগুলো, সেগুলো সমাধানের জন্যে ব্যবহার করুন এই বিদ্যা।

    তবু যদি মনে করেন আপনার ওজন কমানো দরকার, এবং কারণটাও আপনার জানা থাকে, তাহলে আপনার পরবর্তী কাজ হবে ওজন কমাতে পারলে কি কি লাভ হবে তার একটা তালিকা তৈরি করা। ‘ দেখতে আমি আরো সুন্দর হবো, এই ধরনের লাভের কথা বলছি না। নিরেট কি লাভ হবে সেটা বিবেচনা করুন। সম্ভব হলে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সাহায্য নিন। উদাহরণ থেকে নিয়মটা বুঝে নিন।

    দর্শনঃ যখন রোগা ছিলেন তখনকার একটা ফটো বের করুন।

    স্পর্শ : কল্পনা করুন, আবার যখন রোগা হবেন, আপনার হাত, উরু আর তলপেট চুলে কি রকম মসৃণ লাগবে।

    স্বাদ : নতুন যে পথ্য গ্রহণ করতে হবে, সেগুলোর স্বাদ কল্পনা করুন। ঘ্রাণঃ যে খাবারগুলো খেতে হবে সেগুলোর ঘ্রাণ কল্পনা করুন।

    শ্রবণ : আপনি যাদের মতামতের দাম দেন তারা আপনাকে রোগা হতে দেখে খুশি হয়ে কি বলবে সেটা কল্পনা করুন।

    কিন্তু শুধু পাঁচটা ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে ছবি দেখাও যথেষ্ট নয়। সেই সাথে দরকার ভাবাবেগও।

    কল্পনা করুন, মনের মতো রোগা হতে পারলে কি রকম খুশি লাগবে আপনার, আত্মবিশ্বাস কতোখানি বেড়ে যাবে।

    এসব প্রয়োজনের কথা মনে রেখে, এবার আপনি নিজের লেভেলে চলে যান। পর্দা তৈরি করুন, সেই পর্দায় ফুটিয়ে তুলুন আপনার এখনকার চেহারা। ছবিটাকে ডানদিকে সরিয়ে পর্দা থেকে বের করে দিন, তারপর নতুন একটা ছবি আনুন বাঁ দিক থেকে। এই ছবিতে নিজেকে রোগ দেখুন, ঠিক যতোটা রোগা হতে চান। ইচ্ছে করলে পুরনো ফটোটাও দেখতে পারেন। এই ছবিটা দেখার সময় নিজেকে স্মরণ করিয়ে দেবেন, আপনি কি কি খাবার খেয়ে রোগা হতে চাইছেন।

    আপনার নতুন চেহারার দিকে তাকিয়ে থাকার সময় সমস্ত ছোটোখাটো ব্যাপার খুটিয়ে লক্ষ্য করুন। এই রকম রোগা হলে আপনার কেমন লাগবে, এক এক করে কল্পনা করুন। এই রকম রোগা হতে পারলে কি কি সুবিধে হবে, এক এক করে কল্পনা করুন। কল্পনা করুন, জুতোর ফিতে বাঁধার জন্যে ঝুঁকে পড়ার সময় কেমন লাগবে আপনার। সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় ওঠার সময়? এখন যে পোশাকগুলো ছোটো হয় সেগুলো পরলে?

    সময় নিয়ে, তাড়াহুড়ো করবেন না, সুবিধে আর লাভগুলো অনুভব করুন। এক একবার এক একটি ইন্দ্রিয়ের সাহায্য নিন, ওপরে যে নিয়ম দেয়া হয়েছে।

    এবার আপনার পথ্যগুলোকে পর্দায় নিয়ে এসে ভালো করে দেখুন আরেকবার। কি কি খাবেন শুধু তাই নয়, পরিমাণে কতোটা খাবেন তাও দেখুন। তারপর নিজেকে বলুন, এই খাবারগুলো এই পরিমাণেই আপনার শরীরের জন্যে দরকার, অন্য কোনো খাবার বা এর চেয়ে বেশি নয়। বলুন, অন্য কোনো খাবারের জন্যে আপনার লোভ জাগবে না।

    ধ্যান করার এখানেই শেষ। দিনে দুবার চর্চা করলেই হবে।

    বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় অন্য কোনো খাবারের চিন্তা বা ছবি যেন মনে না আসে, যেগুলো আপনার খাওয়া নিষেধ। এতোদিন ওগুলো যে বেশি খেয়েছেন তার কারণ আপনি ওগুলো পছন্দ করেন। কাজেই ওগুলোর কথা শুধু চিন্তা করলেই আপনার কল্পনা আজেবাজে দিকে ছুটে যেতে চাইতে পারে।

    আসল কথা হলো হা-সূচক চিন্তা-ভাবনা। এতে যদি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেন, ওজন কমানো কোনো সমস্যা নয়। কি হারাবেন সেটা না ভেবে ভাবুন কি লাভ করবেন।

    আরেকটা কথা। ওজন কমাবার প্রোগ্রাম যখন তৈরি করবেন, পরিষ্কার ধারণা। থাকতে হবে আপনার, ঠিক কতোটা ওজন কমাতে যাচ্ছেন আপনি। তা না হলে প্ল্যানটা বিশ্বাস্য বলে নাও মনে হতে পারে। আপনার বাড়তি ওজন যদি পঞ্চাশ পাউও হয়, তাহলে এক হপ্তার মধ্যে চলতি বছরের বিশ্ব সুন্দরী বা বাস্কেট বল খেলোয়াড় করিম আবদুল জব্বারের মতো হতে চাওয়াটা যুক্তিসঙ্গত হবে না। তা হতে চেয়ে মনের পর্দায় ছবি দেখলেও ফল হবে অশ্ব ডিম্ব।

    প্রথম ক’দিন রসগোল্লা বা চর্বিযুক্ত মাংসের কথা বার বার ফিরে আসতে পারে মনে। পুরনো অভ্যেস, আপনি ছাড়তে চাইলেও, ওরা আপনাকে ছাড়তে চাইবে না সহজে। ওগুলোর কথা মনে পড়ে গেলে রসনা যদি লোলুপ হয়ে ওঠে, তখন কি করবেন? তখন হয়তো ধ্যানমগ্ন হওয়ার সুযোগ থাকবে না, কাজেই ওগুলোর প্রভাব থেকে মুক্ত হবার জন্যে অন্য উপায় ধরতে হবে আপনাকে।

    বুক ভরে শ্বাস নিন। তিনটে আঙুল এক করুন। তারপর নিজেকে আগের কথা গুলোই বলুন, ধ্যানমগ্ন অবস্থায় যেগুলো বলেছিলেন। পথ্যগুলো কল্পনা করুন, তারপর বলুন, ‘শুধু এই খাবারগুলোই আমার শরীরের জন্যে দরকার। বলুন, ‘এগুলো ছাড়া অন্য কোনো খাবারের জন্যে আমার লোভ জাগবে না। এই সুযোগে আপনার রোগা পাতলা হ্যাঁণ্ড সাম ছবিটা একবার যদি দেখে নিতে পারেন, ভালো হয়।

    মন-নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি চর্চা করলে সামগ্রিক ভাবে আপনার মানসিক অবস্থার উন্নতি হবে, তাতে করে বিশেষ কোনো চেষ্টা ছাড়াই নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে আপনাআপনি উপকৃত হবে আপনার শরীর। তার ওপর যদি বিশেষ একটা সমস্যা সমাধানের ভ একটু চেষ্টা করেন, অতি চমৎকার সুফল ফলার সম্ভাবনা ষোলো আনা। ওজন কমায় জন্যে অস্থির হবার দরকার নেই, সহজ সরল ভাবে পদ্ধতি ধরে এগোন, সামগ্রিক মানসিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আপনার শরীর নিজেই প্রয়োজনীয় ওজন কমাবার কাজে নেমে পড়বে।

    ওপরে যে পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে তার নানা দিক আছে, সেগুলোও আপনি। ব্যবহার করতে পারেন। এই দিকগুলো আপনি দেখতে পাবেন ধ্যানমগ্ন অবস্থায়। একজন লোকের কথা বলি। সে শ্রমিক। আলফা লেভেলে পৌঁছে নিজেকে বলতো, ‘শুধু আমার শরীরের জন্যে ভালো খাবারগুলো খেতে চাইবে আমি, তাছাড়া আর কিছু খেতে ইচ্ছে করবে না আমার। ‘হঠাৎ করেই দেখা গেল মিষ্টি, আলু, মাংস, এরকম অনেক খাবারের প্রতি অরুচি এসে গেছে তার, বদলে ভালো লাগতে শুরু করেছে সবুজ শাকসজি। লোকটা চার মাসে চল্লিশ পাউণ্ড ওজন হারায় সামান্যতম অসুস্থ না হয়ে।

    আরেক মহিলা, তিনিও এই একই টেকনিক ব্যবহার করেন। একদিন বাজার করতে গিয়ে এক বাক্স মিষ্টি কিনে নিয়ে এলেন। প্রত্যেকের জন্যে হিসেব করে কেনা, মাথা পিছু একটা করে। ছেলেমেয়েদের জন্যে তিনটে, মেহমানদের জন্যে পাঁচটা, স্বামীর জন্যে একটা, বাড়ির ঝি-র জন্যে একটা। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘নিজের জন্যে কেনার কথা আমার মনেই পড়েনি! বাড়িতে এসে ব্যাপারটা উপলব্ধি করলাম। আনন্দে আমার কাঁদতে ইচ্ছে করলো।

    একজন কৃষক, একশো পঞ্চাশ ডলার দিয়ে একটা স্যুট তৈরি করালো। মাপের চেয়ে অনেক ছোটো করে তৈরি করালো স্যুটটা। এতো ছোটো যে ট্রাউজারটা কোমর পর্যন্ত তুলতেই পারে না, বোতাম লাগাতে পারে না জ্যাকেটের। ‘ সেলসম্যান লোকটা আমাকে পাগল ভেবেছিল। কিন্তু পর্দা টেকনিক ব্যবহার করে চার মাসে পয়তাল্লিশ পাউণ্ড হালকা হই আমি। স্যুটটা এখন নিখুঁত ভাবে ফিট করে।

    প্রতি ক্ষেত্রেই ফলাফল এতো সুন্দর হয় না। তা অবশ্য হবার কথাও নয়। ভালো ফল পাবার ব্যাপারটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। একটা নিয়মের ভেতর থাকার জন্যে যেসব শর্ত মেনে চলা দরকার সবার পক্ষে সে-সব শর্ত মেনে চলা সম্ভব হয় না। আসল কথা হলো, চাওয়া। এই চাওয়া যদি দুর্বল হয়, ফলাফলও দুর্বল হতে বাধ্য।

    প্রসঙ্গক্রমে এখানে ডেনভারের ক্যারোলিন ডি স্যাপ্তি আর জিম উইলিয়ামের একটা এক্সপেরিমেন্টের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

    ক্যারোলিন এক মাসের জন্যে একটা কর্ম-শিবিরের আয়োজন করেন। কথা ছিলো, পঁচিশ জন নারী-পুরুষ হপ্তায় একবার করে এক জায়গায় জড়ো হবে। এদের মধ্যে পনেরো জন প্রত্যেকটি অধিবেশনে উপস্থিত থাকলো, কিন্তু বাকি দশজন। অংশগ্রহণ করলো অনিয়মিত ভাবে। নিয়মিত পনেরো জনের গড় হিসেবে দেখা গেল, সোয়া চার পাউণ্ডের একটু বেশি করে ওজন কমেছে। প্রত্যেকেরই কমেছে ওজন। তবে অনিয়মিতদের কমেছে গড়ে মাত্র এক পাউণ্ড।

    এক মাস পর, এদের পনেরোজনের খোঁজখবর নিতে গিয়ে ক্যারোলিন জানতে পারেন, সাতজন এখনো একটু একটু করে ওজন হারাচ্ছে, আটজন স্থির হয়ে আছে আগের জায়গায়। একজনেরও ওজন বাড়েনি। আর অনিয়মিত দশজনের আটজনই ফিরে গেছে আগের ওজনে।

    .

    ধূমপান একটা ভয়ঙ্কর বদভ্যাস। আপনি যদি ধূমপায়ী হন, প্রাক্তন-ধূমপায়ী হওয়ার জন্যে ধূমপান ছেড়ে দিতে শুরু করার এখনই সময়। ওজন কমাবার জন্যে আমরা যা করেছি, এক্ষেত্রেও ছোটো ছোটো সহজ নিয়ম ধরে এগোবো, যাতে মন থেকে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের নির্দেশ পেয়ে তা মেনে চলা শিখতে প্রচুর সময় পায় আমাদের শরীর।

    কেন ছাড়বেন তাই নিয়ে বিটা লেভেলে যুক্তির অবতারণা করার কোনো দরকার নেই, ছাড়তে চাওয়ার কারণগুলো সবার কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট। দরকার যেটা, কি কি লাভ হবে তার একটা তালিকা তৈরি করা। পরে এই লাভগুলো এতো পরিষ্কার, উজ্জ্বল ভাবে মনের পর্দায় দেখবেন যে নিজে থেকেই তখন ধূমপান ছাড়তে ইচ্ছে হবে।

    নিজের লেভেলে চলে যান। দিনের যে সময়ে প্রথম সিগারেট ধরান সেই সময় এবং পরিবেশটা মনের পর্দায় দেখুন। নিজেকে পরিষ্কার ভাবে দেখতে পেতে হবে, আপনার শরীরের সমস্ত পেশী ঢিল হয়ে আছে, কোনো উত্তেজনায় ভুগছেন না। এই মুহূর্তটি থেকে পরবর্তী একটি ঘন্টা দেখতে হবে নিজেকে আপনার, এই সময় সাধারণত যা যা করে থাকেন আপনি সব করবেন, শুধু সিগারেট খাওয়া ছাড়া। সময়টা যদি সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটা হয়, নিজেকে বলুন, এখন থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত আমি একজন প্রাক্তন-ধূমপায়ী হিসেবে থাকবো। প্রাক্তন- ধূমপায়ী হিসেবে এই একটা ঘন্টা উপভোগ করবো আমি। প্রাক্তন-ধূমপায়ী হিসেবে এই সময়টা কাটানো একেবারে সহজ, এতে আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি।

    এই অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে আপনাকে যতদিন না বিটা লেভেলে ওই সময়টায় ধূমপান না করেও সম্পূর্ণ শান্ত এবং অনুত্তেজিত থাকতে পারেন। এই একই নিয়ম ধরে দ্বিতীয় ঘন্টার জন্যে সাজেশন দেবেন নিজেকে, তারপর তৃতীয় ঘন্টার জন্যে, এভাবে সময় বাড়াবেন। ধীরে-সুস্থে এগোনোই ভালো, তাড়াহুড়ো করলে আপনার শরীরের ওপর অত্যাচার করা হয়ে যাবে, যা তার প্রাপ্য নয়। কারণ, আপনার শরীর নয়, অভ্যেসটা আমদানী করেছিল আপনার মন। তাড়াবার কাজটা তাকেই করতে দিন। কল্পনার সাহায্য নিয়ে আপনার মনই পারবে অভ্যেসটাকে বিদায় করতে।

    ধূমপানের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্যে দু’একটা পরামর্শ।

    ১। ঘন ঘন ব্র্যাণ্ড বদল করুন।

    ২। দিনের যে সময়টায় আপনি প্রাক্তন-ধূমপায়ী নন, সিগারেট ধরাতে যাবার। আগে প্রতিবার নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, ‘সত্যিই কি এটা এখন আমার দরকার আছে?’ বেশিরভাগ সময় উত্তর হবে, না। যতোক্ষণ না সত্যি ওটা দরকার হচ্ছে ততোক্ষণ। অপেক্ষা করুন।

    ৩। অভিশাপ মুক্ত সময়ে কখনো যদি ধূমপান করার প্রচণ্ড ইচ্ছা জাগে, যদি মনে। হয় এখন আপনার সিগারেট খাওয়া দরকার, বুক ভরে বাতাস নিন, তিন আঙুল এক করুন, এবং ধ্যানমগ্ন অবস্থায় যে শব্দ ব্যবহার করেছিলেন সেই একই শব্দ ব্যবহার। করে নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিন, ‘যাই ঘটুক না কেন, এই একঘন্টা আমি অধূমপায়ী থাকতে চাই, থাকতে পারবো।’

    .

    ধূমপান নিয়ন্ত্রণ করার আরো টেকনিক আছে, মূল পদ্ধতিটির সাথে সেগুলোও আপনি। ব্যবহার করতে পারেন। আট বছর ধরে দিনে দেড় প্যাকেট সিগারেট খেতো এক লোক, আলফা লেভেলে পৌঁছে মনের পর্দায় দেখলো, এতোদিন ধরে যতো সিগারেট খেয়েছে সব এক জায়গায় জড়ো করায় বিরাট এক তূপ তৈরি হয়েছে, সেই স্কুপে আগুন। ধরিয়ে দিলো সে।

    এরপর সে মনের পর্দায় দেখলো, সিগারেট যদি না ছাড়ে তাহলে ভবিষ্যতে যতো সিগারেট খাবে সেগুলো এক জায়গায় জড়ো করায় আরো একটা বিরাট স্তূপ তৈরি হয়েছে, তাতেও আগুন ধরালো সে। এর আগেও এই লোক বেশ কয়েক বার সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিল, কিন্তু এবার মাত্র একবার ধ্যানমগ্ন হয়ে সেই যে সিগারেট ছাড়লো, আর ধরেনি। ছেড়ে দেয়ার পর কোনো অসুবিধে হয়নি তার, কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ারও শিকার হয়নি।

    নিয়মিত অনুশীলনের জন্যে এখানে কয়েকটা ফর্মুলা দেয়া হলো।

    অভ্যাস নিয়ন্ত্ৰণঃ ভোজন (১)

    আপনার বাড়তি ওজনের পরিমাণ যদি খুব বেশি হয়, এবং এই ওজন যদি কমাতে চান, তিন–এক পদ্ধতির সাহায্যে নিজের লেভেলে চলে যান, তারপর আপনার ওজন সমস্যাটা বিশ্লেষণ করুন। ধ্যানমগ্ন অবস্থায় চিন্তা করে বের করুন কোন ধরনের খাবার আপনার এই ওজন-সমস্যার জন্যে দায়ী। যে খাবারগুলো দায়ী বলে মনে হবে, প্রত্যেকটিকে মনের পর্দায় দেখুন, এক এক করে প্রত্যেকটির গায়ে বড় লাল অক্ষরে লিখুন–না।

    অভ্যাস নিয়ন্ত্ৰণঃ ভোজন (২)

    আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান, যেসব খাবার খেলে ওজন বাড়ে সেগুলো বেশি করে খেতে অভ্যস্ত হোন। খাবারগুলো চিবিয়ে, ধীরে ধীরে খাবেন। যে-সব খাবার সামনে নিয়ে বসবেন সেগুলোর দিকে গভীর মনোযোগ থাকা চাই, যাতে স্বাদ এবং গন্ধ পুরোপুরি উপভোগ করা সম্ভব হয়ে ওঠে।

    অভ্যাস নিয়ন্ত্ৰণঃ ধূমপান।

    দিনের প্রথম সিগারেট যখন ধরান তখন সিগারেট না ধরিয়ে ধ্যানমগ্ন হোন, নিজেকে বলুন, প্রথম সিগারেটটা একঘন্টা পর ধরাবো। এইভাবে সময়টা একঘন্টা একঘন্টা করে বাড়াতে থাকুন, যতদিন না দিনে মাত্র দু’একটা সিগারেট খাওয়ার সময় পান হাতে। এভাবে যদি কমিয়ে আনতে পারেন, একেবারে ছেড়ে দেয়া তখন আর কোনো সমস্যা হবে না।

    আপনি যাদের ভালোবাসেন তাদের মুখ চেয়ে সিগারেট ছেড়ে দেয়া উচিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র
    Next Article মা – মাক্সিম গোর্কি (অনুবাদ : বিমল সেন)

    Related Articles

    বিদ্যুৎ মিত্র

    সুখ-সমৃদ্ধি – বিদ্যুৎ মিত্র

    October 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }