Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী

    আব্দুল হামীদ ফাইযী এক পাতা গল্প218 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পণ ও যৌতুক

    পণ ও যৌতুক

    এ তো গেল কনে ও মনের কথা; কিন্তু আসল ও পণের কথাটা বাকীই থেকে গেছে; যা বর্তমান বিবাহের মূল স্তম্ভ! বউ কেমন হবে না হবে, তার দ্বীন ও চরিত্র কেমন সে তো গৌণ বিষয়। মুখ্য বিষয় হল, ‘কত কি দিতে পারবে?’ তাই তো নতুন জামাই শ্বশুর বাড়ি গেলে ‘জামাইটা কার?’ প্রশ্নের উত্তরে একই কথা বলা হয় ‘জামাই টাকার!’

    পণ? পণ এক আশ্চর্য যাদু! পণের ‘সোনার কাঠি’ ও যৌতুকের ‘রূপার কাঠি’ দ্বারা মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে ইচ্ছাসুখ পেতে পারে।

    পণ; জাহান্নামকে জান্নাত এবং জান্নাতকে জাহান্নাম বানাতে পারে!

    পণ; নারীর অবমাননা, নারীর মর্যাদায় কুঠারাখাত, তার অধিকার হরণ।

    পণ; যুবজীবনের অভিশাপ। অশান্তির বিষাক্ত দাবানল।

    পণ; স্ত্রীর নিকট ব্যক্তিত্ব বিক্রয়ের মূল্য।

    পণ; ইসলামী বিধানের নির্লজ্জ বিরুদ্ধাচরণ।

    পণ; অর্থ-লোলুপতা, শোষণ ও পীড়ন।

    পণ; এক প্রকার ঘুষ। আর প্রিয় নবী (সাঃ) ঘুষদাতা ও গ্রহীতা উভয়কেই অভিশাপ করেছেন।”[1]

    পণ; অসৎ উপায়ে অন্যের অর্থ আত্মসাৎ। আর আল্লাহ বলেন,

    ﴿وَلاَ تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ وَتُدْلُوا بِهَا إِلَى الْحُكَّامِ لِتَأْكُلُوا فَرِيقاً مِنْ أَمْوَالِ النَّاسِ بِالأ ِثْمِ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ﴾

    “তোমরা অন্যায় ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না এবং জেনে-শুনে লোকেদের ধন সম্পদের কিয়দংশ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে বিচারকগণকে উৎকোচ দিও না।[2]

    বরপণের মাল হারামের মাল। কন্যাপক্ষের কথায় ‘হারামের মাল হারামে যাক।’ কারণ, সাধারণতঃ তা হয়, পূর্ব থেকেই ‘ফিক্স্‌ড ডিপোজিট’ করা সূদের অর্থ অথবা চুরি বা হরফ করা অথবা ভিক্ষা করা যাকাতের টাকা। পণে দেওয়া হালাল টাকা খুব কমই হয়। হালাল হলেও পণের নর্দমায় পড়ে তা হারামে পরিণত হয়ে যায়।

    কিন্তু এই সর্বনাশী বিষজীবাণু এল কোত্থেকে? অর্ধাঙ্গিনী পেতে গেলে তো অর্থ প্রদান করতে হয়; যেমন বহু মুসলিম দেশে আজও প্রচলিত। কিন্তু এ সমাজে এর প্রাদুর্ভাবের কারণ কি? এর কারণ কি বিজাতির অনুকরণ নয়? পণপ্রথার কারণ, মুসলিমের দ্বীন থেকে ঔদাসিন্য, নারী প্রগতির নামে বেলেল্লাপনা ও পর্দাহীনতা। পারা খসে পড়লে আয়নার এবং ছিলা থাকলে কলার মূল্য ও কদর অবশ্যই থাকে না।

    পাত্রীপক্ষের উচ্চ আশা; ঘুষ, হাদিয়া, বখশিশ্ বা পারিতোষিক দিয়েও বড় ঘর ঢোকা। উচ্চ শিক্ষিত সরকারী চাকুরী-জীবি পাত্রের জন্য কন্যা সহ লাখ টাকার নিলাম ডাকা!

    কিছু না নিয়ে বিয়ে করতে বা দিতে চাইলে পাত্রীপক্ষ ভাবে, পাত্রের নিশ্চয় কোন ‘খুঁত- টুঁত’ আছে। একথা কানে এলে সদিচ্ছা নিমেষে মোটা পণে পরিণত হয়।

    পণ না নিয়ে থাকলে সামান্য কলহ-দ্বন্দ্বের ফলে পাত্রীপক্ষ সন্ধির বদলে সহজে তালাক (খোলা) নিতে প্রস্তুত হয়। তালাক হলে দ্বিতীয় বিবাহে মোটা টাকার পণ নেওয়ার এরাদা পাক্কা হয়েই থাকে।

    মেয়েকে বঞ্চিতা করে ছেলের নামে জমি-ভিটে ইত্যাদি রেজিষ্ট্রী করে দেওয়াও পণ প্রথার এক কারণ। তবে এইভাবে বঞ্চিতা করার এক কারণও পণ-প্রথা। যেহেতু মেয়ের বিবাহের সময় পণ ও যৌতুকের জন্য ২/৩ বিঘা জমি বিক্রয় করে অথবা না করে সর্বমোট প্রায় ৪/৫ বিঘা জমির মূল্য যদি ব্যয় হয়ে থাকে, তবে তার আর অন্যান্য অংশীদাররা কেন বাকী জমির ভাগ ঐ মেয়েকে দেবে? যদিও এরূপ বুঝা ও আচরণ আল্লাহর ভাগ-বণ্টন আইনে অবৈধ হস্তক্ষেপ।

    সমাজে বিশেষ করে বিবাহ-শাদীতে উপহার উপঢৌকন দেওয়া-নেওয়ার প্রথা ও লৌকিকতার রেওয়াজ বড়। উপহারে প্রেম ও ভালোবাসা বর্ধিত হয়। নববধূর মন যেমন এই শুভ মুহূর্তে নতুন মানুষদের নিকট থেকে উপহার রূপে কিছু পেতে আকাঙ্ক্ষী হয়, তেমনি হয় নব জামাতার মন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অনুভূতিহীন পাত্রীপক্ষের জবাব থাকে ‘চায় না তো কি দোব? চাক্ তবে দোব।’ ফলে সেই আকাঙ্ক্ষিত লৌকিকতার সামান্য উপহারটুকু ‘চাওয়া’র ছাঁচে পড়ে ভবিষ্যতে অসামান্য পণরূপে প্রকাশ পায়।

    আবার পাড়ার ‘শাঁকচুন্নী’দের কথায় নিজেদের সম্ভ্রম রাখতে গিয়ে অনেক বরের মা দেখাদেখি পণ চেয়ে বসে। কনে সুন্দরী হলেও অনেকে পণে টাকা, জমি, টিভি, গাড়ি না নিয়ে চালাকী করে জামাই-বেটীকে সাজিয়ে দিতে বলে!

    ‘করেছিনু পণ, লইব না পণ বৌ যদি হয় সুন্দরী,

    কিন্তু আমায় বলতে হবে স্বর্ণ দেবে কয় ভরি?’

    কিন্তু এই পণপ্রথার অনিবার্য পরিণতি কি?

    এই বরপণ দিতে না পারলে শ্বশুরবাড়িতে কন্যার ভাগ্যে জোটে অকথ্য নির্যাতন, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা, গঞ্জনা, ভৎর্সনা। স্বামী বা তার বাড়ির লোকের পাশবিক অত্যাচার, অনাদর, অবহেলা। কমপক্ষে হতে হয় স্বামীর সোহাগহারা। পরিশেষে বিবাহ-বিচ্ছেদ; নচেৎ বধূর আত্মহত্যা অথবা লোভী পাষন্ডদের পরিকল্পিত বধূহত্যা।

    এই ভয়েই নারী নারীর দুশমন। মাতৃজঠরে কন্যা-ভ্রূণ হত্যা করা হয়। জন্মের পরও কন্যাহত্যা করা হয়। পরপর কন্যা জন্মালে স্বামী ও তার বাড়ির লোক বধূর প্রতি বেজার হয়ে যায়। এদের অবস্থা হয় সেই জাহেলী যুগের মানুষদের মত; যাদের-

    ﴿وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُمْ بِالْأُنْثَى ظَلَّ وَجْهُهُ مُسْوَدّاً وَهُوَ كَظِيمٌ، يَتَوَارَى مِنَ الْقَوْمِ مِنْ سُوءِ مَا بُشِّرَ بِهِ أَيُمْسِكُهُ عَلَى هُونٍ أَمْ يَدُسُّهُ فِي التُّرَابِ أَلا سَاءَ مَا يَحْكُمُونَ﴾

    “কাউকেও যখন কন্যা-সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়। তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়। ওকে যে সংবাদ দেওয়া হয় তার গ্লানি-হেতু সে নিজ সম্প্রদায় হতে আত্মগোপন করে। (সে চিন্তা করে,) অপমান সহ্য করে ওকে রেখে দেবে, না মাটিতে পুঁতে ফেলবে! সাবধান! ওরা যা সিদ্ধান্ত করে তা অতি নিকৃষ্ট।”[3]

    এই পণের কারণে স্বামীর ভাগ্যে মনমত স্ত্রী জোটে না। স্ত্রীর নির্মল প্রেম ও শ্রদ্ধা থেকে হয় বঞ্চিত। ‘তীর-বিঁধা-পাখী’ কখনো কি গান গাইতে পারে? নিজ পিতাকে যে পথে বসিয়েছে তাকে সুখ-সিংহাসনে কোন চক্ষে দেখবে? এর ফলে স্বামী স্ত্রীর দেহের স্পর্শ পায়, কিন্তু মনের নাগাল পায় না। কাজ পায় কিন্তু ‘খিদমত’ পায় না। যেমন শ্বশুর-বাড়িতেও সে হয় মানহারা, ওজনহীন।

    আর পাত্রীপক্ষের কথা? কত মেয়ের বাপ এই পণ-বন্যায় হচ্ছে ধবংস, পথের ভিখারী। পণের অভিশাপে নেমে-আসা দারিদ্র ও সহায়-সম্বলহীনতা তাকে ঠেলে দিচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তির পথে। বর বা তার বর্বর বাপ নিজের বিলাস-উদ্যান গড়তে উজাড় করে দিচ্ছে কনের বাপের ক্ষুদ্র নীড় খানিকে!

    এতে কি ঐ লোভাতুর সংসারে শান্তির কিরণ থাকে? নেমে আসে নিরন্তর অশান্তি ও কলহের ছায়া।

    এই সর্বগ্রাসী যৌতুক প্রথার ভয়ানক আক্রমণের ফলে সমাজে কত বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছে। পণ দিতে না পারায় বিবাহ না হলে অথবা বিলম্ব হলে বেড়ে চলে অবৈধ প্রণয়, ব্যভিচার, বেশ্যাবৃত্তি। পণ আনে অন্যান্য পাপ। গানবাজনার কথা বলতে গেলে পণের প্রতি ইঙ্গিত করে বলে, ‘গান-বাজনা হারাম, আর পণ নেওয়া হারাম নয়? গান-বাজনা হলে বিয়েতে থাকবে না, আর পণ-নেওয়া বিয়েতে কি করে অংশগ্রহণ করেছ?’

    পণপ্রথার মহামারীর কারণেই নারী-শিক্ষার গুরুত্ব যাচ্ছে কমে। কারণ বিয়ের সময় টাকাই যখন লাগবে তখন আবার শিক্ষা-দীক্ষা, আদব দানে কি লাভ? মেয়ের চরিত্র ও ধর্মের দিকটা খেয়াল করার প্রয়োজন কি? বরং টাকার অভাবেই কত শিক্ষিতার বিবাহ হচ্ছে অধম নিরক্ষরের সাথে। তাই বহু মূর্খ অভিভাবকের মন বলে,

    ‘কন্যা ঘরের আবর্জনা, পয়সা দিয়ে ফেলতে হয়,

    রক্ষণীয়া পালনীয়া শিক্ষণীয়া আদৌ নয়।’

    পণ থেকে বাঁচার জন্য অভিভাবক মেয়েকে করছে মেহনতী, স্বনির্ভরশীলা, ঠেলে দিচ্ছে পর্দাহীনতার পথে। নারী-পুরুষের অবাধ মিলামিশার চাকুরী ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যভিচারের পথে। ঘরে-বাইরে তাকে সুযোগ দিচ্ছে অবৈধ প্রণয়ে; ভাবছে, ‘ঘটে তো ঘটে যাক, পটে তো পটে যাক!’ কারণ, মেয়ে নিজেই স্বামী নির্বাচন করে নিতে পারলে তাদের রেহাই! কিন্তু ফল তাতে বিপরীত হয়ে কেবলমাত্র দুর্নাম এবং শ্বশুরবাড়িতে অকথ্য নির্যাতন ও দুঃখ তার সাথী হয়। আর সর্বশেষে পণ বা যৌতুক দিতে না পারলে বিচ্ছেদ ছাড়া আর কি?

    পণ চাই। নগদ চাই। ধারের কারবার নাই। এত খরচ, এত কিছুর পর বিয়ে ঘুরে যাবে। বর উঠে যাবে বিবাহ মজলিস থেকে; যদি কিছু টাকা বাকী থেকে যায় আক্‌দের সময়! এই ধৃষ্টতার ফলে কনে ও তার বাপ-মায়ের মাথায় কত বড় বজ্রাঘাত যে হয় তা অনুমেয়। কিন্তু সে আঘাত সমাজের মুখে কেবল ‘আহা’ হয়েই থেকে যায়। কনের আত্মহত্যার খবর শুনেও মনে আতঙ্ক আসে না। নিস্তেজ জড় সমাজের অভ্যন্তরে কোন চেতনা, কোন অনুভূতি, কোন আন্দোলন আনতে পারে না। এর কারণ অনেকটা এই যে, এই আঘাত যে খায় সেই এর জবাবে আরো বড় আঘাত দেয়। সুতরাং মার খেয়ে ও মার দিয়ে সমাজের অবস্থা হয়েছে মার-প্রতিযোগিতার মারমুখী কুশ্তীগীরদের মত। তাই শক্ত মাশুলে তা কোন আসরই করে না। কিন্তু এই মারে মারা পড়ে তারাই, যারা কুশ্তীগীর নয়। অর্থাৎ যারা কেবলমাত্র কন্যার পিতা অথবা যার কন্যার সংখ্যা তুলনামূলক বেশী।

    অনেক ক্ষেত্রে পণ নেওয়ার মত পাপের দায়িত্ব বর অথবা বরের বাপ স্বীকার করতে ইতস্ততঃ করে। একটু দ্বীনদরদী যুবক হলে নিজে পণ চায় না, কিন্তু মা-বাপ চায়। সে যদি তাদের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে মা-বাপের নাকি নাফরমান হয়ে যায়। কারণ, ‘মা-বাপ নারাজ হলে খোদা নারাজ!’ তাদেরকে নারাজ না করে মাতৃ-পিতৃভক্তির পরিচয় দেয় এবং স্রষ্টার অবাধ্য ও সৃষ্টির বাধ্য হয়ে পরের গলায় ছুড়ি চালায়। পক্ষান্তরে অন্যান্য ক্ষেত্রে মা-বাপের কথায় কোন আমলই দেয় না।

    আবার মা-বাপকে বললে বলে, ‘ছেলে মানে না, নিতে চায়।’ কিন্তু এই বলে তারা ছেলের কাছে অসহায়তা ও পিতামাতা হবার অযোগ্যতার প্রমাণ দেয়। প্রকৃতপক্ষে এসব কিছুই লুটেরাদের একটা পরিকল্পিত ছলনা মাত্র। পরের টাকা আত্মসাৎ করে সমাজের চোখ থেকে আত্মগোপন করার এক অপকৌশল।

    অনেকে এ বড় অঙ্কের অর্থকে ‘পণ’ ব’লে নিতে লজ্জাবোধ করে। তাই ঋণ, সাহায্য বা ব্যবসার পুঁজি ইত্যাদি নাম দিয়ে সমাজের চোখে ধূলো দিতে চায়। কিন্তু আল্লাহর কাছে তো আর ফাঁকি দেওয়া যায় না।

    চিরসাথী, শয্যাসঙ্গিনী ও অর্ধাঙ্গিনীকে টোপ বানিয়ে তাকে নানারূপ যন্ত্রণা দিয়ে অর্থ শিকারের বুদ্ধি, একটি নারীকে পণবন্দিনী করে সন্ত্রাসীর মত তার বাপের নিকট মুক্তিপণ চাওয়ার কৌশল, নিরীহ নারীকে জুয়ার গুটি করে অর্থলুটার ধান্দা, নির্লজ্জ বেহায়া ভিখারীর মত অন্যের নিকট হাত পেতে অর্থ আদায়ের মত ধৃষ্টতা কি কোন মুসলিম, কোন মানুষের হতে পারে?

    শীতের শাল চাই, ঈদের সেলামী চাই, মেলা দেখতে (?!) হাতখরচ চাই, বর্ষায় জামাই ও তার চোদ্দগুষ্ঠির জন্য গামছা চাই, সাতশ পরিবারে বিতরণযোগ্য আম-কাঁঠাল চাই, এ চাই, ও চাই। কোন্ অধিকারে এত চাই-চাই? শুধু এই জন্য নয় কি যে, বিয়াই-বাড়ির একটা মানুষ (বউ)কে খোরপোশ সহ তারা তাদের পদতলে অনুগ্রহ করে আশ্রয় দিয়েছে তাই?!

    অথচ একটি জীবন; যে তার যথাসর্বস্ব, আত্মীয়-স্বজন, মা-বাপ সকলকে ছেড়ে তার দৈহিক খিদমতকে শ্বশুর-শাশুড়ীর এবং তার দেহ-যৌবনকে স্বামীর পদতলে উৎসর্গ করার কোন মূল্য নেই?

    বাকী থাকল যদি কোন মা-বাপ তার মেয়ে-জামাইকে কিছু যৌতুক, কিছু উপহার খুশী হয়ে স্বেচ্ছায় দেয়, তবে তা দূষণীয় নয়; না দেওয়া, না নেওয়া। নবী (সাঃ) তাঁর কন্যা ফাতেমাকে কিছু যৌতুক দিয়ে স্বামীর বাড়ি পাঠিয়েছিলেন। যৌতুক হিসাবে তাঁকে দিয়েছিলেন একটি পশম-নির্মিত সাদা রঙের চাদর বা বিছানা, একটি ইযখির ঘাস-নির্মিত বালিশ এবং একটি চর্ম-নির্মিত পানির মশক।[4]

    তবে জামায়ের মনে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং না পেলে অন্তরে ব্যথা বা কারো নিকট অভিযোগ ও কথা যেন না হয়।[5]

    মুসলিম সমাজে পণ এক মহামারী। একে রুখবো কিভাবে?

    একে রুখার সবচেয়ে বড় ও একমাত্র উপায় হল পাক্কা ঈমান আনা। সমাজ যদি ঈমানের ছায়ায় আশ্রয় নেয় তাহলে এমন আরফার রোদের তাপ হতে সকলেই রেহাই পাবে। পরকালের উপর পূর্ণ বিশ্বাস না এলে এবং আল্লাহর কঠোর শাস্তিকে প্রকৃত ভয় না করলে পণ রুখা সম্ভব নয়। অর্থলোভ বড় মারাত্মক। যত পাওয়া যায় তত পেতে চায় আরো মন। কোন আইন, কোন সংগঠন পারে না এ মনের গতি রোধ করতে। কারণ, আকাশে ফাঁদ পেতে বনের পাখি ধরা অসম্ভব।

    দ্বীন ও আল্লাহ-ভীতির মাধ্যমেই সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শৈথিল্যের প্রগতি (!) বন্ধ হতে পারে। আর তা হলেই মানুষের মন থেকে রিপুর তাড়না দূরীভূত হবে। লোভ ও লিপ্সা কমে গেলে পরের ধনের প্রতি দৃক্‌পাত হবে না।

    আল্লাহর আইন পর্দাপ্রথা প্রচলিত হলে, নারীদেহ নিয়ে অশ্লীল ও নোংরা ছবি, নারীদেহ নিয়ে ব্যবস্যা-বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বন্ধ ক’রে, নারী-সৌন্দর্য দুর্লভ ক’রে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করলে নারীকে পুরুষ পণ দিয়ে নয় বরং মন ও ধন দিয়ে খুঁজে আনবে।

    সমাজের সকল সদস্যের ঐকান্তিক সত্যাগ্রহ ও প্রচেষ্টা যদি ‘পণ নেব না, পণ দেবও না’ এই শ্লোগানকে কর্মে রূপায়িত করা হয়, তবে পণ ‘হাড়োল’ এ বন হতে পলায়ন করে বাঁচবে।

    সামাজিক যৌথ-বয়কটের মাধ্যমে পণ গ্রহীতাদেরকে অপদস্থ করলে পণপ্রথার বিলোপ সাধন হতে পারে। ‘পণ নেওয়া বিয়েতে অংশ গ্রহণ করব না, সে বিয়ে খাবও না, তার বরযাত্রীও যাব না’ -এই সংকল্প হতে হবে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ব্যতীত তাতেও জয়লাভ সম্ভব নয়।

    মসজিদের ইমামগণ পণ নেওয়া বরের বিয়ে না পড়ালে কিছুটা কাজ হতে পারে। তবে এর পরিণাম শুভ নয়। এতেও ভোট হবে আর সে ভোটে জিতে উঠাও কঠিন। কারণ, বর্তমানে সমাজের মানুষ ইমামদের উপদেশ অনুযায়ী চলে খুব কম; পরন্তু ইমামদেরকেই সমাজের নির্দেশ ও আদেশানুসারে বেশীর ভাগই চলতে হয়! তাছাড়া বিয়ে পড়াবার জন্য আরো কত নিম-মোল্লা কাযী বর্তমান।

    সুতরাং দ্বীন, দ্বীনদার ও আলেম-ইমামদের যে সমাজে কোন মূল্যায়ন নেই, সে সমাজের ভ্রষ্টতার জন্য কেবল আলেম-ইমামদেরকে দায়ী করা ন্যায্য বিচার হবে না।

    এক বড় আশা আছে ভাবী প্রজন্ম কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীর উপর। এদের মধ্যে যদি দ্বীনী চেতনা ফিরিয়ে আনতে পারা যায়, তবে এরা, এই নওজোয়ানেরাই পারবে সমাজের এই দুর্গতির পথ অবরোধ করতে।

    ﴿وَاتَّقُوا اللهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ﴾

    (হে মানুষ!) “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আর নিঃসন্দেহে জেনে রাখ যে, আল্লাহর আযাব বড় কঠিন।”[6]

    অতএব হে যুবক বন্ধু! পণ দেখে নয়, বরং দ্বীন ও মন দেখে বিয়ের কথা পাকাপাকি করে ফেল। হ্যাঁ, তবে শুভকাজে দেরী করো না। আর তোমার এই শুভসন্ধিক্ষণে অশুভকে মোটেই স্থান দিও না। তবেই পাবে সেই সঙ্গিনী; যে হবে,

    পতিপ্রাণা সতী অনুরাগমতি স্বর্গসুষমা-সিক্তা,

    প্রীতি-বন্ধনে আসিবে তোমার আপনারে করি রিক্তা।

    ফুটনোট

    [1] (ইরওয়াউল গালীল ২৬২১নং)

    [2] (সূরা আল-বাক্বারা (২) : ১৮৮)

    [3] (সূরা আন-নাহল (১৬) : ৫৮-৫৯)

    [4] (মুসনাদে আহমদ, নাসাঈ, সহীহ ইবনে মাজাহ, আল্লামা আলবানী ৩৩৪৯নং)

    [5] (মাজাল্লাতুল বহুসিল ইসলামিয়্যাহ ২৬/৯৯)

    [6] (সূরা আল-বাক্বারা (২) : ১৯৬)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর
    Next Article ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }