Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আধুনিক গরু-রচনা সমগ্ৰ – মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছাগল ও তার পিএইচডি ডিগ্রি

    ইংরেজি ‘ডক্টর’ শব্দটি মূলত ল্যাটিন ভাষার। এর অর্থ হলো ‘শিক্ষক বা ‘প্রশিক্ষক’। মধ্যযুগের দিকে ইউরোপে যারা ল্যাটিন ভাষা পড়াতেন, তাদের একটি লাইসেন্স লাগতো, যার নাম ছিলো ‘Licentia Docendi’। এই লাইসেন্টিয়া ডোসেন্ডির ইংরেজি অনুবাদ হলো ‘License to Teach’ বা শেখানোর লাইসেন্স। লাইসেন্সটিকে ডাকা হতো ‘Doctoratus’, যার ইংরেজি রূপ হলো ‘Doctorate’, এবং এ লাইসেন্স যার থাকতো, তাকেই বলা হতো ডক্টর, আর ডক্টর মানে হলো শিক্ষক।

    তখনকার দিনে ডক্টর ছিলেন চার্চের মোল্লারা, যারা বাইবেল পড়াতেন ও ব্যাখ্যা করতেন। চার্চের অনুমতি ছাড়া কেউ ‘ডক্টরেট ডিগ্রি’ বা ‘শেখানোর লাইসেন্স’ পেতো না। কিন্তু ১২১৩ সালে খ্রিস্টানদের পোপ ঘোষণা করলেন যে, আজ থেকে চার্চের পাশাপাশি প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয় ও শেখানোর লাইসেন্স বা ডক্টরেট ডিগ্রি দিতে পারবে। তবে এ ঘোষণার আগেও প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয় চার্চের অনুমতি নিয়ে কিছু ছাত্রকে ডক্টরেট ডিগ্রি দিতো। কিথ এলান তাঁর ‘Changing Doctoral Degrees : An International Perspective’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন যে— পৃথিবীর প্রথম ডক্টরেট ডিগ্রিটি দেয়া হয়েছিলো ১১৫০ সালের দিকে, প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে।

    সে-যুগে খ্রিস্টানদের এই ‘ডক্টরেট ডিগ্রি’-র মতো আরেকটি ডক্টরেট ডিগ্রি মুসলমানদেরও ছিলো। নাম- ইযাজাহ। ডক্টরেট দেয়া হতো ক্যাথোলিক চার্চ থেকে, আর ইযাজাহ দেয়া হতো মুসলিম মাদ্রাসা থেকে। কিন্তু দুটিরই অর্থ ছিলো এক: শেখানোর লাইসেন্স। যার ডক্টরেট ও ইযাজাহ আছে, তিনি শিক্ষকতা করতে পারবেন।

    ডক্টরেট ও ইযাজাহ, এ দুটির কোনটি আগে শুরু হয়েছিলো এ নিয়ে বিতর্ক আছে। অধ্যাপক জর্জ মাকদাইসির মতে, ডক্টরেট ডিগ্রির প্রচলন ঘটেছে মুসলিমদের ইযাজাহ ডিগ্রির অনুকরণে।

    এ কথা তাঁর ‘Scholasticism and Humanism in Classical Islam and the Christian West’ প্রবন্ধে উল্লেখ আছে। তবে টবি হাফ, নর্ম্যান ড্যানিয়েল, তাঁরা মাকদাইসির মতের সাথে একমত পোষণ করেন নি।

    সতেরো শতকের দিকে জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই ডক্টরেট ডিগ্রি বা শিক্ষকতার লাইসেন্সের নতুন নাম দিলো ‘Doctorate of Philosophy’ বা PhD (Philosophiae Doctor), এবং বাংলাদেশে কেউ কেউ এই ‘চযরষড়ংড়ঢ়যু’ শব্দের অর্থ করে থাকে দর্শন। কিন্তু এই ফিলোসোফি সেই ফিলোসোফি নয়। ডক্টরেট অব ফিলোসোফিতে যে-ফিলোসোফি শব্দটি আছে, তা মূলত গ্রিক ভাষায় শব্দটির আদি অর্থকে নির্দেশ করে। অর্থটি এরকম: খড়াব ড়ভ ডরংফড়স বা জ্ঞানের প্রতি মোহ। অর্থাৎ ক্ষমতা, অর্থবিত্ত, বা পদ-পদবি নয়, যে-ব্যক্তির জ্ঞান ও বুদ্ধিচর্চার প্রতি মোহ জন্মেছে, সে-ব্যক্তিই পিএইচডি। অথচ আমি দেখছি, ইদানীং ছাগলেরাও দলবেঁধে পিএইচডি নিচ্ছে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    শিক্ষা
    তার
    বিজ্ঞান
    শিক্ষার
    বাংলা ভাষার বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা
    বইয়ের

    ফিলোসোফি শব্দটি ব্যবহারের পেছনে অন্য কারণও আছে। তখন ইউরোপে ইতিহাস, গণিত, দর্শন, সামাজিক বিজ্ঞান, ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সকল বিষয়কে একত্রে ফিলোসোফি বলা হতো। এখন যেটিকে ‘কলা অনুষদ’ বা ‘ফ্যাকাল্টি অব লিবারেল আর্টস’ ডাকা হয়, সেটি ওই সময় ‘ফ্যাকাল্টি অব ফিলোসোফি’ নামে পরিচিত ছিলো। এ জন্য কেউ দর্শনে ডক্টরেট না করলেও, তার ডক্টরেট ডিগ্রিকে ‘ডক্টরেট অব ফিলোসোফি’ বলা হতো। সংক্ষেপে লিখা হতো: Dr. Phil.

    তবে কিছু কিছু জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়, পরবর্তীতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ডক্টরেটগুলিকে দর্শনের ডক্টরেট থেকে আলাদা করার জন্য ‘Doctor Rerum Naturalium’ বা ‘Doctor of Natural Sciences’ রাশিটি ব্যবহার করতে শুরু করে। এটিকে সংক্ষেপে লেখা হয়: Dr. rer. nat., এবং একইভাবে, কেউ সামাজিক বিজ্ঞান বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ডক্টরেট করলে লেখা হয় Dr. rer. pol., আইন বিষয়ে করলে লেখা হয় Dr. jur. ইত্যাদি। সুতরাং জার্মানিতে যা Dr. Phil. বা Dr. rer. nat. বা Dr. jur., ইংরেজি বিশ্বে তা PhD বা DPhil; বিষয় যা-ই হোক না কেন।

    উনিশ শতকের দিকে আমেরিকায় আরেক ধরনের ডক্টরেট ডিগ্রির প্রচলন ঘটে। এগুলোকে বলা হয় প্রোফেশোনাল বা ভোকেশোনাল বা পেশাগত ডক্টরেট ডিগ্রি। এদের একটি হলো ‘Doctor of Medicine’, যার ল্যাটিন নাম ‘Medicinae Doctor বা M.D., এবং আরেকটি হলো ‘Juris Doctor’ বা J.D.।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    বিজ্ঞান
    তার
    শিক্ষার
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

    এমডি হলো চিকিৎসা বিষয়ে পেশাদার ডিগ্রি, যা আমেরিকানরা ধার করেছে মূলত স্কটল্যান্ড থেকে, এবং জেডি হলো আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি। এ ডিগ্রিগুলো আমাদের এমবিবিএস ও এলএলবির মতো, কিন্তু দুটোই ডক্টরেট ডিগ্রি।

    এই অনেক ঘরানার ডক্টরেট ডিগ্রির একটি হলো গবেষণামুখী ডক্টরেট বা রিসার্চ-ডক্টরেট, এবং পিএইচডি বলতে গড়-মানুষরা এখন এটিকেই বুঝে থাকে। তাদের ধারণা, এটিই একমাত্র পিএইচডি ডিগ্রি, এবং এ ডিগ্রি যার আছে তিনি অমরত্ব লাভ করেছেন। সাংবাদিক ও প্রোপাগান্ডিস্ট ডক্টরেটরা সমাজে এই অপধারণার বিকাশ ও বিস্তৃতি ঘটিয়েছেন। প্রবন্ধটির শিরোনামে আমি যে-ছাগলদের কথা বলেছি, সে-ছাগলেরা পিএইচডির ধারণা তাদের কাছ থেকেই রপ্ত করেছে, এবং ডিগ্রিটি অর্জনে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ছে সর্বশক্তি নিয়ে।

    কে পিএইচডি পাবে ও কে পিএইচডি দেবে, এ নিয়ে পৃথিবীতে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। মক্তবের শিক্ষককে ডক্টর ডাকা যাবে কি না, এ প্রশ্নের সুরাহা হওয়া দরকার। আমি কি এ বইটি লেখার জন্য নিজেকে নিজে ডক্টরেট ডিগ্রি দিতে পারি? রবীন্দ্রনাথের কি উচিত হবে ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়ার জন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকিয়ে থাকা? বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আর কেউ ডক্টরেট ডিগ্রি দিতে পারবে না, এমন একচ্ছত্র নিয়ম কি বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর জন্য সুবিধাজনক? এ প্রসঙ্গে ভিটগেনস্টাইনকে মনে পড়ছে। ভিটগেনস্টাইনের সুপারভিশনে ক্যাম্বব্রিজে একটি ছাত্র পিএইচডি করছিলো। তার থিসিসের বিষয়বস্ত ছিলো- লিগ অব নেশনস বা প্রাক্তন জাতিসংঘের ব্যর্থতা

    আরও দেখুন
    তার
    গণিত
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা

    ছাত্রটি একদিন ভিটগেনস্টাইনকে জানালো- এ বিষয়ে আমার মৌলিকভাবে তেমন কিছু বলার নেই। যা লিখবো, তা ইতোমধ্যে অনেকেই লিখে গেছেন। পিএইচডির খাতিরে হয়তো একটি মোটা থিসিস লেখা হবে, কিন্তু এটি কোনো জ্ঞান উৎপাদন করবে না। শুধু লেখার জন্যই লেখা হবে।

    ভিটগেনস্টাইন বললেন, থিসিস লেখার দরকার নেই, তোমার যে এ উপলব্ধিটুকু হয়েছে, শুধু এটার জন্যই একটি পিএইচডি পাওয়া দরকার। তোমাকে আমি পিএইচডি ডিগ্রি দেবো।

    পৃথিবীর অধিকাংশ পিএইচডিই এখন কেবল ডিগ্রি নেওয়ার উদ্দেশ্যে করা। জ্ঞানের কোনো শাখায় এসব ডিগ্রি তেমন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে না। এগুলোর প্রায় সবই অন্যের কাজের পুনরুৎপাদন ও অনাবশ্যক এক্সটেনশন। এরকম পিএইচডি বছরে এক লাখ উৎপাদিত হলেও সভ্যতার কোনো উপকার হয় না।

    এখানে আমি আরেকটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই। ভিটগেনস্টাইন বিএ পড়ার সময় যে-থিসিসটি লিখেছিলেন, তা বই আকারে বেরিয়েছিলো। বইটিকে ক্যাম্বব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তীতে তাঁর পিএইচডি থিসিস হিশেবে বিবেচনা করেছিলো, এবং বার্ট্রান্ড রাসেলের সুপারিশে তাঁকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়া হয়েছিলো। অর্থাৎ বিষয়বস্তু গুরুত্বপূর্ণ হলে, একটি ছোট বই-ও পিএইচডি অর্জনের উপলক্ষ হতে পারে।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    গণিত
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষা
    বিজ্ঞান
    তার
    বাংলা উপন্যাস
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    তবে বাংলাদেশে পিএইচডি-প্রত্যাশীরা যে সাজিয়ে-গুছিয়ে থিসিস লিখেন ও প্রিন্ট করেন, তা দেখলে পল ডিরাক নিজের থিসিসটিকে খালে ফেলে দিতেন। বহু পিএইচডি গবেষক এখন থিসিসের বাঁধাই ও মলাট দিয়ে এর বিষয়বস্ত ঢেকে রাখতে চান। কারণ তারা জানেন, এটির ভেতরে কিছু নেই। এটি কিছু শূন্যের সমাহার। এর পাতায় পাতায় ফুটনোট। এর পাদটীকা, অর্থাৎ পায়ে টীকা আছে, কিন্তু কপালে কোনো টীকা নেই। এটি কোনো জ্ঞান উৎপাদন করেনি। পড়লে এ থেকে কোনো আলোর বিচ্ছুরণ ঘটবে না। এটি সবজি ক্ষেতে গজানো বিরক্তিকর ঘাস; যা মাঝে মাঝে ছাগল এসে খেয়ে যায়।

    তাই এটিকে ঢেকে রাখতে হবে সুন্দর মলাট দিয়ে, বাঁধাই করতে হবে উৎকৃষ্ট কারিগর দ্বারা। মানের যখন অবনমন ঘটে, সৌন্দর্য তখন মুখ্য হয়ে ওঠে। মানহীনতা ঢাকতে পিএইচডি শ্রমিকরা আশ্রয় নিচ্ছেন ভালো মানের কাগজ, ভালো মানের প্রিন্ট, ও ভালো মানের মলাটের। এ পরিশ্রমটুকুর জন্যই তাদেরকে পিএইচডি দেওয়া হচ্ছে।

    এগুলো যে মুদ্রিত আবর্জনা, কেরোসিনের সলতে, তা ওই পিএইচডি- প্রত্যাশী ও তার সুপারভাইজর জানেন। তারপরও এটিকে তারা প্রকাশ করেন। এটিই তাদের জীবিকা। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ময়লা সাফ করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আর এই পিএইচডি-শিল্পীরা ময়লা উৎপাদন করে রুটির সংস্থান করেন। সম্প্রতি আফ্রিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বয়স ও ক্ষমতায় তার চেয়েও বড়ো এক বুড়ো ছাত্রকে পিএইচডি দান করে রুটি হাতিয়ে নিয়েছেন। ছাত্রটিও খুশি। কারণ, তার কোনো কিছুর অভাব ছিলো না; শুধু নামের আগে একটি ড-এ ডট লাগাতে পারছিলো না। তার এ অভাব ঘুচে গেছে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    শিক্ষা
    তার
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষার
    গণিত
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    চুরির অপবাদ একসময় দখলে ছিলো গ্রামের সিঁধেল চোরদের; কিন্তু চোরদের অতীত গৌরব এখন ডক্টরেটদের দখলে। সম্প্রতি একটি বিশ্ববিদ্যালয় এমন দুই চোরকে গৌরবজনক শাস্তি প্রদান করেছে। তারা চুরি করেছিলো এক বিখ্যাত মনীষীর লেখা। অভিনয় করতে করতে তাদের এমন উন্নতি হয়েছে যে, তারা এখন ফুকো, রাসেল, রুশো, বার্কলে, বার্গসন, হেগেল, কান্ট, হিউম, হবস, ও সার্ত্রের চরিত্রে অভিনয় করছে। এ প্রতিভা নিঃসন্দেহে ঈর্ষণীয়।

    কিন্তু শাস্তি যাদের প্রাপ্য ছিলো, তারা না পেয়ে পেলো আহাম্মকেরা। আহাম্মক দিয়ে যে গবেষণা হয় না, তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বুঝতে নারাজ, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও পরিচালিত হচ্ছে অভিজ্ঞ আহাম্মক দ্বারা। একপাল আহাম্মক দেখাশোনা করছে আরেক পাল আহাম্মকের, এ এক ট্র্যাজেডি।

    বুলবুল কবির নামের একজনকে মনে পড়ছে, তিনি ভোলাগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ বিভাগের শিক্ষক। ২০১৫ সালে তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি পান, কারণ খুব শ্রমসাধ্য একটি পিএইচডি থিসিস তিনি লিখেছিলেন (কোনো কাজের ৯৮ শতাংশ নকল করা সত্যিই শ্রমসাধ্য ব্যাপার)।

    আরও দেখুন
    গণিত
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    শিক্ষার
    তার
    শিক্ষা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই

    মুশকিল হলো, থিসিসটি একদিন সুইডেনের গোটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোনাস নিলসনের নজরে আসে। নিলসন দেখতে পান, বুলবুল কবির নামক খাঁটি বাঙালি শিল্পীটি তার একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রায় হুবহু মেরে দিয়েছেন, এবং ভাগিয়ে নিয়েছেন পিএইচডি! ক্ষুব্ধ নিলসন ভোলাগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জনাব সোবহানাল্লাহকে চিঠি লিখে এর বিচার চান। বিচারক হিশেবে উপাচার্য সোবহানাল্লাহ্র সুখ্যাতি কে না জানে?

    বুলবুল কবিরকে চাঁদের আলো নামের একটি পত্রিকা জিগ্যেস করেছিলো, কেন আপনি এমনটি করলেন? বুলবুল কবির জবাব দিয়েছিলেন, কোনো গণ্ডগোল হয়ে থাকলে তার দায়ভার আমার সুপারভাইজর ও ভোলাগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের; এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। পরে একদিন চাঁদের আলো ভোলাগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে যায়, এবং বুলবুল কবিরের থিসিসটিকে খুঁজে বের করে। তারা দেখতে পায়, কে বা কারা যেন বুলবুলের শিল্পকর্মটিতে বেশ ঘষামাজা ও সংযোজন-বিয়োজন করেছে! গ্রন্থাগারিক মো. জয়নব আলির বক্তব্য ছিলো এরকম: “অতি সম্প্রতি ফাইজুল মোহাম্মদ বুলবুল কবীরের পিএইচডি অভিসন্দর্ভে কিছু ঘষামাজা নজরে এসেছে। চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ ওঠায় কেউ অবৈধ প্রক্রিয়ায় এ কাজটি করেছেন। ঘটনার তদন্ত প্রয়োজন।”

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    বিজ্ঞানের
    তার
    বিজ্ঞান
    গণিত
    শিক্ষা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    বুলবুল কবিরের সুপারভাইজর ছিলেন অধ্যাপক বদিউস সামাদ আবু। আবু সাহেব কি তার দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করেছিলেন? তিনি কি সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর বুলবুল কবিরকে জানিয়েছিলেন, কাকে বলে গবেষণা? সম্ভবত না। গবেষণা তাদের মুখ্য বিষয় ছিলো বলে মনে হয় না। তাদের লক্ষ্য ছিলো- কীভাবে কয়েক হাজার শব্দ এক করে কিছু বাক্য লেখা যায়, আর তা ছাপিয়ে ভাগিয়ে নেয়া যায় পিএইচডি। বুলবুল কবির এ কাজে দারুণ সফলতা দেখিয়েছেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণাকর্মে কতোটা ব্যর্থ, তাও বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন। বুলবুল কবিরকে আমি অভিনন্দন জানাই।

    পিএইচডির সাথে মানুষ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং কেউ কেউ অপ্রয়োজনীয়ভাবে পিএইচডি নিতে গিয়ে পরিণত হতে পারেন ছাগলে। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে, ছাগল শব্দটি এ অঞ্চলে বিবর্তিত হয়ে গেছে। এটি আর ছাগলদের দখলে নেই। ছাগলের মাংস, এমনটি আর বাজারে শোনা যায় না। শোনা যায়- খাসির মাংস, বকরির মাংস। রেস্তোরাঁয় গিয়ে এখন আর কেউ বলে না, আমি ছাগলের মাংস দিয়ে ভাত খাবো। মানুষের একটি অংশ, ছাগল শব্দটিকে নিজেদের করে নিয়েছে। শব্দটি শুনলে বা দেখলে, তারাই এখন প্রতিক্রিয়া দেখায়। ভাবে, মনে হয় আমাকে বললো! যাই, জবাব দিয়ে আসি!

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    গণিত
    তার
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই

    অপ্রয়োজনীয় পিএইচডি হলো সেগুলো, যেগুলো অর্জনের পেছনে কোনো একাডেমিক কারণ নেই। আছে সামাজিক কারণ। বাংলাদেশে অনেকেই পিএইচডিকে বিবেচনা করছেন সামাজিক মর্যাদা লাভের হাতিয়ার রূপে। কেউ হয়তো এমন একটি চাকরি করছেন, যেখানে পিএইচডির কোনো প্রয়োজনই নেই। কিন্তু তিনি উতলা হয়েছেন পিএইচডি নেওয়ার জন্যে। তার শখ হয়েছে, নামের আগে ‘ডক্টর’ লাগানোর। বাঙালির এমন মনোভাব তার চারিত্রিক হীনম্মন্যতার দিকেই ইঙ্গিত করে। সামাজিক মর্যাদার সাথে যে ‘ডক্টর’ শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি বুঝতে তারা নারাজ। উপরে ‘ডক্টর’ শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমি দেখিয়েছি যে, ডক্টরেট ডিগ্রি কোনো সামাজিক মুকুট নয়। এটি একটি প্রয়োজনীয় একাডেমিক ডিগ্রি।

    কিন্তু ছাগলদের কাছে এটি এখন সামাজিক মুকুট! তাদের দাবি, ডিগ্রিটি না থাকলে নামটি একটু লম্বা করে বলা যায় না। এটি তাদের শিং! কিছু পরিস্থিতিতে এ শিং দিয়ে নিজেদেরকে তারা রক্ষা করে থাকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এটিকে শিং হিশেবে গ্রহণ করেছে। কোনো বিষয়ে ‘শুধু আবুল’ এবং ‘ডক্টর আবুল’, এ দুইজন একই কথা বললে, ডক্টর আবুলের কথাকেই ছাগলসমাজ বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। বাঙালির কোনো অনুষ্ঠানে, মোহাম্মদ জব্বার ও ডক্টর মোহাম্মদ জব্বারের গুরুত্ব এক নয়। ডক্টর মোহাম্মদ জব্বারের দিকে মানুষ হাঁ করে তাকিয়ে থাকে।

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    গণিত
    বিজ্ঞানের
    তার
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ইসলামিক বই

    কিছু বেকুব, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টেক্কা দেওয়ার জন্য পিএইচডি নিচ্ছে। তারা বুঝাতে চাচ্ছে, আমরা তাদের চেয়ে কম কিসে? আমাদেরও ডক্টরেট আছে!

    ইদানীং ওয়াজ মাহফিলের বক্তারাও এ যুদ্ধে শামিল হয়েছেন। তারাও দলবেঁধে পিএইচডি নেয়া শুরু করেছেন। স্যারবৃন্দ টের পেয়েছেন, ‘ডক্টর’ নামের মুকুটটি মাথায় না থাকলে ফতোয়ার ওজন কমে যাচ্ছে, মানুষ যথেষ্ট সমীহ করছে না। কেউ কেউ হাসাহাসি করছে। সমাজ ধরে নিয়েছে, মাওলানা আশরাফের চেয়ে ডক্টর মাওলানা আশরাফের কথা অধিক সত্য। ডক্টর মাওলানা আশরাফ বানোয়াট হাদিস বললেও তা রাসূলের বাণী। তিনি মিথ্যা গল্প প্রচার করলেও সেটি ইতিহাস।

    যার পিএইচডি আছে, তিনি একজন বিশেষজ্ঞ, এমন ধারণা ভিত্তিহীন। ফাইনম্যান বলেছিলেন, পিএইচডির পরও কেউ গর্দভ থাকতে পারে। কেউ যদি তার ভেতরের গাধাটি বাঁচিয়ে রাখতে চায়, তাহলে পিএইচডির তাতে বাধা দেওয়ার সামর্থ্য কম। সভ্যতা যাদের জ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, তাদের অধিকাংশেরই পিএইচডি নেই।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    তার
    শিক্ষা
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    গণিত
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    PDF

    পিএইচডির কাজ কাউকে বিশেষজ্ঞ করে তোলা নয়। কেউ কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হবেন কি না, এটি এখানে ঐচ্ছিক। পিএইচডি এখন গবেষণা করার একটি প্রশিক্ষণ কোর্স মাত্র। এটি শিক্ষার্থীদের শেখায়, কীভাবে কোনো বিষয়ে গবেষণা করে সৃষ্টি করতে হয় গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান। ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ প্রশিক্ষণ স্নাতক কোর্সেও দেওয়া হয়। এ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির কিছু সম্ভাবনা তৈরি হয়। গবেষণা ভালো হলে, থিসিসগুলোতে মাঝে মাঝে নতুন জ্ঞান উৎপন্নও হয়। জ্ঞান সৃষ্টির সাথে বিশেষজ্ঞ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো বিষয়ে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি না করেও কেউ বিশেষজ্ঞ হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে পড়াশোনা ও অভিজ্ঞতাই মুখ্য, পিএইচডি নয়। তবে যিনি যে-বিষয়ে গবেষণা করেন, সে-বিষয়ে তার বিশেষজ্ঞ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, এটি মাথায় রাখতে হবে।

    বাঙালি ধরে নিয়েছে, যার পিএচডি আছে তিনি মহাজ্ঞানী। আর যার পিএইচডি নেই, তিনি কিছুই জানেন না। ছাগলেরা এ সুযোগটিই নিয়েছে। তারা ভুয়া পিএইচডির ঘাড়ে সওয়ার হয়ে অভিনয় করছে প্রকৃত পিএইচডিধারীর চরিত্রে। সমাজের মানুষ এ মনোভাব না পাল্টালে, পিএইচডির সামাজিক ‘মুকুট’ বেঁচে থাকবে, এবং ছাগলদের মাথায় এ মুকুট বিরাজ করবে চিরকাল। পিএইচডি নেবেন শুধু তারা, যাদের পিএইচডি দরকার। যারা গবেষণা করবেন, গবেষণা খাতে ক্যারিয়ার গড়বেন, অন্যদের গবেষণা শেখাবেন, বা যাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে পিএইচডি থিসিসে উৎপাদন করতে পারবেন নতুন কোনো জ্ঞান, কেবল তারাই যেন পিএইচডি নেন। অন্যরা এ মুকুট-প্রতিযোগিতা থেকে অব্যাহতি নেবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিভার গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাহমুদুল হকের গল্প
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }