Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আধুনিক গরু-রচনা সমগ্ৰ – মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধর্ষণের সাথে পোশাকের সম্পর্ক

    ধর্ষণের সাথে পোশাকের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা আলোচনা করার আগে, ধর্ষণ কী, তা একটু বুঝা জরুরি। ‘ধর্ষণ’ শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে যে-ছবিটি আসে, তা একটি অসহায় নারী ও একজন শক্তিমান পুরুষের। পরিস্থিতিভেদে পুরুষের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে। এ পুরুষেরা ধর্ষণ করার সময় নারীর শরীরকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বলপূর্বক দখলে নিয়ে থাকে। এ সময় নারীদেহটি আর নারীর থাকে না। সেটি হয়ে ওঠে ধর্ষকের সম্পত্তি। ধর্ষক পুরুষ তখন নারীটির শারীরিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে চরিতার্থ করতে থাকে নিজের সুখ।

    তবে ধর্ষণ শুধু নারী-পুরুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন দুর্বল পুরুষও একজন শক্তিমান পুরুষ দ্বারা ধর্ষণের শিকার হতে পারেন। সম্প্রতি আমরা জেনেছি যে, বাংলাদেশের কিছু মাদ্রাসায়, শক্তিমান পুরুষ শিক্ষকদের হাতে দুর্বল পুরুষ ছাত্ররা, অর্থাৎ শিশুরা, প্রায়ই ধর্ষণ বা বলাৎকারের শিকার হচ্ছে। শুধু মাদ্রাসা নয়, সমাজের অন্যান্য অংশেও এ ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। পার্থক্য হলো, ধর্ষণের পুরুষ ভিক্টিমরা অধিকাংশই শিশু, এবং এ শিশুরা কখনো ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানাতে চায় না। বাংলাদেশের আদালতগুলোতে কোনো ধর্ষিত পুরুষ মামলা দায়ের করেছে, এমন খবর সচরাচর শোনা যায় না। ফলে সমাজের একটি বড়ো অংশ ধরে নিয়েছে যে, ধর্ষণ শুধু নারীদের বেলায়ই ঘটে থাকে; পুরুষদের বেলায় নয়।

    কিন্তু ‘ধর্ষণের পেছনে পোশাক দায়ী’– এ তর্কটি কেবল নারীদের বেলায়ই উঠে থাকে। ধর্ষণের পুরুষ ভিক্টিমদের বেলায় এ তর্কটি কখনো ওঠে না। মাদ্রাসার কোনো ছাত্রের পোশাক তার শিক্ষককে আকৃষ্ট করেছে, এমন দাবি কখনো শুনিনি। কেউ যদি বলতো, এই এই পোশাক পরলে শিশুরা আর বলাৎকারের শিকার হবে না, তাহলে কিছু বিষয় বুঝতে আমার খুব সুবিধা হতো। যেহেতু সমাজ কেবল নারীর পোশাকের সাথেই ধর্ষণের সম্পর্ক খুঁজছে, পুরুষ বা শিশুর পোশাকের সাথে তা খুঁজছে না, তাই আমি এ আলোচনাকে কেবল নারীর পোশাকের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখবো।

    কিছুদিন আগে এ বিষয়ে আমি পাঠকদের কাছে মতামত জানতে চেয়েছিলাম। তাদেরকে প্রশ্ন করেছিলাম, ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাক দায়ী, এমনটি কারা কারা মনে করেন, এবং কেন মনে করেন?

    প্রায় ২৫০ জন নারী-পুরুষ ফেসবুক কমেন্ট ও মেসেজে আমাকে তাদের মতামত জানিয়েছিলেন। কেউ কেউ বলেছেন পোশাক দায়ী, কেউ কেউ বলেছেন পোশাক দায়ী নয়। অনেকে বলেছেন— ধর্ষণের বহু কারণের মধ্যে পোশাকও একটি কারণ। কয়েকজন মেসেজে তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করেছেন। একজন নারী তার নিজের ধর্ষণের ঘটনা বিশদভাবে খুলে বলেছেন।

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    পোশাক
    পোশাকের
    স্কার্ট
    কাপড়ের সেরা দোকান
    বস্ত্র
    বাংলা বই
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    প্রশ্ন হলো, ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী বা পোশাকও একটি কারণ, এ দাবিটি কারা করে থাকে? কোনো ধর্ষক কখনো এমন দাবি করেছে কি না?

    বাংলাদেশের আদালতে ফৌজদারি অপরাধের বিচার কাজ পরিচালনা করেন, এমন কয়েকজন বিচারক জানালেন— ‘আমরা অনেক ধর্ষণ মামলার আসামির জবানবন্দি নিয়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো আসামিকে বলতে শুনিনি, নারীর পোশাক দেখে সে ধর্ষণে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।’

    এখানে আমার নিজের অভিজ্ঞতাও একটু বলতে চাই। আমি ব্রিটেন, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহু ধর্ষণ মামলার রায় পড়েছি। কোনো মামলাতেই এমন কিছু পাইনি যে, ধর্ষক কোনো নারীর পোশাক দেখে তার ওপর হামলে পড়েছেন। এমনকি প্রিভি কাউন্সিলের কোনো রায়েও এমনটি পাইনি।

    সুতরাং বলা যায়, ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাক দায়ী, এ দাবিটি মূলত তাদের, যারা নিজেরা কখনো কোনো নারীকে ধর্ষণ করেননি। অর্থাৎ, যারা কখনো ডাকাতি করেননি, তারা অনুমান করছেন ডাকাতির কারণ। এ অনুমানে তারা বের করেছেন— গৃহস্থের ঘরের দেয়াল দুর্বল ছিলো বলেই ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু গভীরভাবে কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, পৃথিবীর কোনো ঘরের দেয়ালই অভেদ্য নয়। হোয়াইট হাউস এবং ক্রেমলিনের দেয়ালও দুর্বল। কোনো দেয়াল শক্ত কি না, এটি মূলত নির্ভর করে ডাকাতদের হাতে থাকা দেয়াল ভাঙার প্রযুক্তির ওপর।

    আরও দেখুন
    পোশাকের
    স্কার্ট
    পোশাক
    বস্ত্র
    ফ্যামিলি গেম
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

    শুধু সাধারণ মানুষই যে ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাককে দায়ী করেন, ব্যাপারটি এমন নয়। সমাজে যাদের ‘অসাধারণ’ মানুষ ধরা হয়, তাদেরও একটি বড়ো অংশ এমন মনে করে থাকেন।

    ১৯৯৬ সালে ভারতীয় বিচারকদের ভেতর একটি জরিপ চালানো হয়েছিলো, যেখানে ৬৮ শতাংশ বিচারক মতামত দিয়েছিলেন যে, নারীদের পোশাক পুরুষদেরকে ধর্ষণে উদ্বুদ্ধ করে থাকে।

    এখানে একটি বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। ১৯৯৬ সালে ভারতের বিচার বিভাগে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় ছিলো না বললেই চলে। ফলে, এ ৬৮ শতাংশ বিচারকের মতামত মূলত পুরুষ বিচারকদের মতামত। জরিপে অংশগ্রহণকারী বিচারকদের ৫০ শতাংশ যদি নারী হতেন, তাহলে জরিপের ফলাফল একই রকম হতো বলে মনে করি না।

    তবে একটি ব্যাপার এখানেও সত্য, জরিপে অংশগ্রহণকারী বিচারকদের কারোরই ধর্ষণের অভিজ্ঞতা নেই। আমি বলছি না যে ধর্ষণের কারণ অনুসন্ধানের জন্য ধর্ষণের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন, কিন্তু এ বিষয়টি খেয়াল না রাখলে আমার পরবর্তী আলোচনা বুঝতে অসুবিধা হবে।

    আরও দেখুন
    পোশাক
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাকের
    স্কার্ট
    বস্ত্র
    ফ্যামিলি গেম
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Books

    প্রশ্ন হলো, পোশাক কীভাবে একজন নারীকে ধর্ষকের কাছে আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপন করে? বা আদৌ করে কি না? এখানে লক্ষ রাখা দরকার, ধর্ষণ করেন এমন পুরুষের সংখ্যা সমাজের মোট পুরুষ-সংখ্যার এক শতাংশেরও কম হবে। অর্থাৎ, সব পুরুষই ধর্ষণ করেন না, কেউ কেউ করেন। যদি নারীদের পোশাক ধর্ষণের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতো, তাহলে সমাজে ধর্ষকের সংখ্যাটি অনেক বেশি হতো।

    ধরা যাক কোনো নারী ‘অসামাজিক’ পোশাক পরে বাইরে বের হয়েছেন। ‘অসামাজিক’ বলতে আমি বুঝাচ্ছি এমন পোশাক, যা সমাজের অধিকাংশ মানুষের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ নয়, এবং যা কোনো পুরুষের মনে কাম আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারে। ‘সমাজ’ একটি সীমাবদ্ধ ধারণা, কারণ এটি ভৌগোলিকভাবে সার্বজনীন নয়। চীনে যা সামাজিক পোশাক, বাংলাদেশে তা অসামাজিক। আবার বাংলাদেশে যা সামাজিক পোশাক, চীনে তা অসামাজিক। অর্থাৎ, পোশাকের একটি সামাজিক সীমা আছে, যা নির্ধারিত হয় ওই সমাজের সংস্কৃতি ও বাসিন্দাদের আবেগ দ্বারা।

    আবার কোনো কোনো সমাজে এটি নির্ধারিত হয় ধর্ম দ্বারা। কিন্তু ধর্ষণের ধরনের কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। পৃথিবীর যেকোনো অঞ্চলে ধর্ষণের ধরন মোটামুটি একই। ধর্ষণের সময় একজন ভারতীয় ধর্ষক যা করেন, একজন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্ষকও তাই করেন। যদিও তাদের দুজনের সমাজ এক নয়।

    আরও দেখুন
    বস্ত্র
    ফ্যামিলি গেম
    পোশাক
    স্কার্ট
    পোশাকের
    কাপড়ের সেরা দোকান
    বাংলা অডিওবুক
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

    ফলে বলা যায়, ধর্ষিত নারীর পোশাক সমাজভেদে ভিন্ন হলেও ধর্ষণের মূল রূপ সব সমাজে একই। ধর্ষণের সংজ্ঞার দিকে তাকালেও এটি টের পাওয়া যায়। যুক্তরাজ্যের ‘সেক্সুয়াল অফেন্স অ্যাক্ট ২০০৩’ অনুযায়ী, কোনো মানুষ (ধরা যাক তার নাম A) ধর্ষণের অপরাধে দোষী হবেন যদি তিনি:

    (ক) অন্য কোনো মানুষের (ধরা যাক তার নাম B) ভ্যাজাইনা, এনাস, অথবা মুখের ভেতর তার পেনিস প্রবেশ করান; এবং

    (খ) এ কাজে B-এর সম্মতি ছিলো না; এবং

    (গ) B সম্মতি দিয়েছে, এমন মনে করার কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ A- এর ছিলো না।

    পৃথিবীর সব ভৌগোলিক অঞ্চলেই ধর্ষণের মূল সংজ্ঞা (এক্টাস রয়স ও মেনস রিয়া) যুক্তরাজ্যের সংজ্ঞার অনুরূপ, অথবা কাছাকাছি। শুধু আমেরিকার চেয়ে উন্নত একটি দেশে, এ সংজ্ঞায় ‘প্রতারণামূলকভাবে সম্মতি আদায় করিয়া’ নামক একটি বাক্য ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ’ নামক একটি উদ্ভট প্রথা চালু করেছে। এ ব্যতিক্রমটি, আর কিছু আরব ও আফ্রিকান দেশ বাদ দিলে, সব গণতান্ত্রিক দেশেই ধর্ষণের সংজ্ঞা মোটামুটি এক।

    আরও দেখুন
    পোশাকের
    স্কার্ট
    ফ্যামিলি গেম
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাক
    বস্ত্র
    পিডিএফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার

    কোনো দেশই ধর্ষণের সংজ্ঞায় উল্লেখ করেনি যে- ‘অসামাজিক’ পোশাক পরা নারীর ক্ষেত্রে ‘বলপূর্বক সঙ্গম’-এ নারীটির সম্মতি রয়েছে, এমনটি ধরে নেওয়া যাবে। লক্ষ করুন, কানসেন্ট বা সম্মতি প্রতিষ্ঠার ‘ল অব এভিডেন্স’ আমি এখানে আলোচনা করছি না।

    অর্থাৎ, আইনপ্রণেতারাও, ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাক দায়ী — এরকম কোনো মনোভাব দেখাননি। একমাত্র ব্যতিক্রম সম্ভবত বিজেপির উগ্র হিন্দুবাদী এমপি বানওয়ারি লাল সিংহল। দিল্লিতে গণধর্ষণের ঘটনার পর তিনি রাজস্থানে ইশকুলের মেয়েদের স্কার্ট পরা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন। যদিও তার এ দাবি ধর্ষণ প্রসঙ্গে ছিলো না, ছিলো যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে, তবুও গুরুত্ব বিবেচনায় উল্লেখ করলাম।

    এবার আমি ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাক দায়ী— এ দাবির পেছনের কারণগুলো একটু খতিয়ে দেখতে চাই। প্রথমত, এ দাবিটি সাধারণত তুলে থাকে পুরুষরা। আবার কিছু দেশের আইনই এমন যে, রাষ্ট্র নিজেই ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাককে দায়ী করে থাকে। রাষ্ট্র এ কাজ সরাসরি করে না, কিন্তু পরোক্ষভাবে করে। যেমন সৌদি আরব। ধর্ষিতা ভিক্টিমকে সেখানে পর্দাপ্রথা লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তি দেওয়ার বিধান আছে। সৌদি গেজেট ২০০৯ সালে খবর প্রকাশ করেছিলো যে, গণধর্ষণের শিকার হওয়া এক নারীকে ১০০ ঘা চাবুক ও ১ বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। বহুল আলোচিত কাতিফ প্রদেশের ঘটনাটিতেও ধর্ষিতা ভিক্টিমকে ৯০ ঘা চাবুক এবং ৬ মাসের জেল দেওয়া হয়েছিলো (এ সাজা পরে দ্বিগুণ করা হয়েছিলো, যদিও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি বাদশাহ তা বাতিল করেছিলেন)। ওই মেয়েটিকে ৬ জন সৌদি পুরুষ অপহরণপূর্বক ধর্ষণ করেছিলো। মেয়েটি ছিলো শিয়া সম্প্রদায়ের।

    আরও দেখুন
    পোশাক
    স্কার্ট
    পোশাকের
    বস্ত্র
    কাপড়ের সেরা দোকান
    ফ্যামিলি গেম
    গ্রন্থাগার সেবা
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

    এ কারণে সৌদি আরবে, কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হলেও তিনি মুখ খুলেন না। কারণ বিচার চাইতে গেলে দেখা যাবে, পর্দাপ্রথার ফাঁক-ফোকরে ফেলে উল্টো তাকেই চাবুক মারা হয়েছে, এবং ঢুকানো হয়েছে জেলে। ফলে, ঘোলা চোখে দেখলে মনে হবে— কঠোর আইনের কারণে সৌদিতে ধর্ষণ কম। কিন্তু তা সঠিক নয়। সৌদিতে বছরে পাঁচ হাজার ধর্ষণ হলেও কাগজপত্রে মনে হবে কয়েকটি।

    সৌদি আরবের এমন মনোভাব সমগ্র মুসলিম বিশ্বেই কমবেশি ছড়িয়ে আছে। এ জন্য মুসলিম দেশগুলোতে ধর্ষণের জন্য ভিক্টিমকে দায়ী করার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মুসলিমদের ধারণা, হিজাব বা বোরকা পরা থাকলে নারীরা ধর্ষিত হবেন না। কিন্তু কোনো হিজাব পরা নারী যখন ধর্ষণের শিকার হন, তখন তারা পোশাককে দায়ী করতে চান না।

    পোশাকের কারণে ধর্ষণ ঘটে বা ধর্ষণের পেছনে পোশাক একটি কারণ— এ তর্কের মূল উদ্ঘাটন করতে আমি এবার নারীদের শরীর থেকে পোশাক ফেলে দিতে চাই।

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    স্কার্ট
    পোশাকের
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাক
    বস্ত্র
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কবিতা

    ধরা যাক, পৃথিবীতে কোনো পোশাকই নেই। এ অবস্থায় কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হবেন কি না? তর্কের দাবি অনুযায়ী, পোশাকহীন পৃথিবীতে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু নাইজেরিয়ার কোমা সম্প্রদায়ের দিকে যদি আমি তাকাই, তাহলে দেখতে পাবো কোমা সমাজে ধর্ষণ নেই বললেই চলে। সেখানে নারী-পুরুষ কেউই ‘পোশাক’ পরেন না। তাদের স্তন ও নিতম্ব অনাবৃত থাকে।

    আপনি বলতে পারেন, কোমা সমাজে নারীদের ‘আকর্ষণীয় দেখায় না। তারা দেখতে কালো। এ জন্য তারা পোশাক না পরলেও ধর্ষিত হন না। হ্যাঁ, আপনার কাছে মনে হতে পারে তারা আকর্ষণীয় নন, কিন্তু তাদের সমাজে তারা একে অপরের কাছে আকর্ষণীয়। না হলে তারা বিলুপ্ত হয়ে যেতো। আর বাংলাদেশ ও ভারতের বহু নারীর চেয়ে কোমা নারীদের শারীরিক গঠন নান্দনিক। কিন্তু কোমা পুরুষেরা তাদের ধর্ষণ করছে না।

    পোশাকহীন নারীদের এবার ধীরে ধীরে পোশাক পরানো যাক। প্ৰথমে শর্ট প্যান্ট, ব্রা, টাইট ব্লাউজ, প্যান্টি ইত্যাদি; যেরকমটি আমরা পশ্চিমা সমাজের কোনো সমুদ্র সৈকতে গেলে দেখে থাকি। কোনো সমাজে এর চেয়ে খোলামেলা পোশাক আর হতে পারে না। তবে শুধু পশ্চিমা সমাজ নয়, দুবাইয়ের সৈকতেও আমি এমন পোশাক পরা নারী দেখেছি। এ নারীরা দেখতে আকর্ষণীয়। তাদের শরীর সুগঠিত। চেহারা ফর্সা। অর্থাৎ যা যা দেখলে একজন পুরুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা জাগতে পারে, তার সবই এ নারীদের মধ্যে উপস্থিত। বহু পুরুষ গোপনে তাদের ছবি তুলে থাকে। তারা যখন সাগরে সাঁতার কাটেন, তখন অনেক পুরুষ তাদের দেখার জন্য এমনি এমনি পানির নিচে ডুব দিয়ে থাকে। কিন্তু সৈকতে, এমন পোশাক পরা নারীদের কেউ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন— এমনটি সচরাচর শোনা যায় না। যদিও গত সপ্তাহে (জুলাই, ২০২১), এরকম একটি ঘটনা যুক্তরাজ্যের বনমাথ বিচে ঘটেছে। এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত যুবক, পানিতে খেলতে থাকা একটি মেয়েকে কথা বলতে বলতে হঠাৎ টান মেরে সাগরের একটু গভীরে নিয়ে যায়, এবং পানিতেই তাকে ধর্ষণ করে। ভিক্টিমের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ছেলেটিকে এখন খুঁজছে।

    আরও দেখুন
    বস্ত্র
    ফ্যামিলি গেম
    পোশাকের
    পোশাক
    কাপড়ের সেরা দোকান
    স্কার্ট
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    আমি চীন ও তাইওয়ানের রাস্তায় খুব খোলামেলা পোশাক পরা মেয়ে দেখেছি। এরা পশ্চিমা দেশগুলোর চেয়েও খোলামেলা পোশাক পরে থাকে। শুধু উরু নয়, অনেকের নিতম্বের তলদেশ পর্যন্ত অনাবৃত থাকে। কিন্তু এমন অবস্থায় রাস্তাঘাটে এরা কেউ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, এরকমটি কখনো শুনিনি।

    কয়েকটি দেশে আমি মেয়েদের সাথে ‘মিক্সড ডরমেটোরি’-তে থেকেছি। এমনও হয়েছে— আমি দোতলা খাটের নিচতলায় ঘুমিয়েছি, আর উপরতলায় ঘুমিয়েছে কোনো আমেরিকান বা জার্মান তরুণী। দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। পোশাকও খোলামেলা। বাংলাদেশের সিনেমা-নাটকের কেউ এ সৌন্দর্যের ধারে-কাছে আসতে পারবে না। হাত বাড়ালেই তার শরীর নাগাল পাওয়া যায়। কিন্তু হাত বাড়ানোর কথা কখনো ভাবতেও পারিনি। কারণ আমি জানি যে, মেয়েটির সম্মতি ব্যতীত কিছু করে আমি পার পাবো না। আমার পাঠকদের মধ্যে এমন অনেকেই হয়তো আছেন, যাদের এরকম অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    প্রশ্ন হলো, তাহলে ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাক দায়ী বা পোশাক একটি কারণ— এমন দাবি সমাজে উঠছে কেন? এর উত্তরে আমি বলবো, সাধারণ যৌন আকাঙ্ক্ষাকে ধর্ষণের সাথে গুলিয়ে ফেলার ফলেই এমন দাবি উঠছে। এটি একটি সামাজিক ভুল। সমাজভেদে কিছু পোশাক নারীদেরকে পুরুষদের সামনে আকর্ষণীয় হিশেবে উপস্থাপন করতে পারে। তবে এ ক্ষমতা যতোটা না পোশাকের, তার চেয়েও বেশি শরীরের। নোংরা শরীরের, কঙ্কালসার, দরিদ্র কোনো নারী, যতোই আকর্ষণীয় পোশাক পরুক না কেন, তাকে দেখে কোনো পুরুষের কাম জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু একই পোশাক, স্বাস্থ্যবান, সুগঠিত শরীরের কোনো নারী পরলে, তাকে দেখে কাম জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। হাজার হাজার বছর ধরে নারী- পুরুষেরা সমাজে, পরস্পরের প্রতি এ আকর্ষণ বজায় রেখেছে বলেই মানুষ টিকে আছে। এটুকু না থাকলে মানুষ পরিবার গঠন করতে আগ্রহ পেতো না।

    আরও দেখুন
    পোশাক
    স্কার্ট
    ফ্যামিলি গেম
    বস্ত্র
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাকের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    সাধারণ পুরুষরা ভাবছে, ‘কারও শরীর দেখা গেলে বা শরীরের গড়ন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেলে আমাদের যেহেতু কাম জাগে’, সেহেতু ধর্ষকদেরও নিশ্চয়ই একই প্রক্রিয়ায় কাম জাগে!

    ভুলটা এখানেই, এবং এ ভুল শুধু ধর্মীয় রক্ষণশীল সমাজেই সীমাবদ্ধ নয়। পশ্চিমা সমাজেও এ ধারণা কমবেশি চালু আছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের পুরুষদের মাঝে ‘দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ পত্রিকা এ বিষয়ে একটি জরিপ করেছিলো। ৫৫ শতাংশ পুরুষ দাবি করেছিলো, নারীরা যতো বেশি শরীর উদোম করা পোশাক পরবে, ততো বেশি তারা যৌন হয়রানির শিকার হবে।

    তবে এ ক্ষেত্রেও জরিপে অংশগ্রহণকারী পুরুষদের যদি জিগ্যেস করা হতো শরীর উদোম করা পোশাক দেখে আপনি কোনো নারীকে কখনো যৌন হয়রানি বা ধর্ষণ করেছেন কি না? তাহলে অধিকাংশই উত্তর দিতেন- না, আমি করিনি। অর্থাৎ, সমাজের বাসিন্দাদের সাধারণ যৌন আকর্ষণবোধকে ধর্ষকের যৌন আকর্ষণবোধের সাথে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে ধর্ষণের পেছনে নারীর পোশাক দায়ী, বা পোশাক একটি কারণ, এ তর্ক সমাজে জীবিত থাকছে।

    আরও দেখুন
    বস্ত্র
    ফ্যামিলি গেম
    স্কার্ট
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাকের
    পোশাক
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    আবার অনেকের ধারণা, কোনো নারী শরীর-উদোম করা পোশাক পরছেন, এর অর্থ হলো, তিনি কোনো পুরুষের সাথে মিলিত হতে চাচ্ছেন। অবশ্যই কোনো পুরুষের সাথে তার মিলিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে, কিন্তু সে-পুরুষটি তো যেকোনো পুরুষ নন। তিনি মিলিত হতে চান তার পছন্দের পুরুষের সঙ্গে।

    তাকে দেখে যদি মনে হয় যে, তার পছন্দের পুরুষ হওয়ার সক্ষমতা আপনারও আছে, বা তাকে আপনি একান্ত সান্নিধ্যে পেতে ইচ্ছুক, তাহলে আপনার ভালো লাগার কথা তাকে জানান। পুরুষরা শতো শতো বছর ধরে এ প্রক্রিয়াতেই নারীদেরকে প্রেম নিবেদন করে আসছে। কিন্তু প্রেমের কোনো চেষ্টা না করে জোর করে নারীটির শরীর দখলে নিতে হবে, এমন চিন্তাই ধর্ষণের মূল কারণ (রক্ষণশীল ধর্মীয় সমাজের ক্ষেত্রে ‘প্রেম’ শব্দটির জায়গায় ‘বিয়ে’ শব্দটি ব্যবহার করা যেতে পারে)।

    প্রশ্ন আসতে পারে, কোনো নারী শরীর-উদোম করা পোশাক না পরেও পুরুষদের মনে যৌন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারে কি না? এখানে আমার উত্তর হলো, পারে। যৌন আকাঙ্ক্ষা একেক সমাজে একেকভাবে তৈরি হয়। ধর্মীয় রক্ষণশীল সমাজে ‘শালীন’ বা ‘ধর্মীয়’ পোশাক পরেও একজন নারী পুরুষদের মনে যৌন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারেন। এখানেও একটি ব্যাপারে আমরা ভুল করে থাকি। আমরা ধরেই নিই যে, কেবল কোনো নারীর দিকে তাকালেই আমাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা জাগে। আসলে তা নয়। কোনো নারীকে না দেখেও একজন পুরুষের মনে যৌন আকাঙ্ক্ষা জাগতে পারে। কল্পনা ও পূর্ব অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে বড়ো ভূমিকা রাখে। এটি একটি সাবজেক্টিভ মেন্টাল কনস্ট্রাক্ট। একেক ব্যক্তির মনে এটি একেকভাবে ঘটে।

    আরও দেখুন
    পোশাকের
    কাপড়ের সেরা দোকান
    পোশাক
    ফ্যামিলি গেম
    স্কার্ট
    বস্ত্র
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস
    Library

    ফলে, বোরকা বা শালীন পোশাক পরেও একজন নারী ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির শিকার হতে পারেন। যেমন মিসরে ধর্ষণের শিকার অধিকাংশ নারীর পরনেই বোরকা পাওয়া যায়। নাইজেরিয়ান মিলিটারির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বুকো হারামের কবল থেকে উদ্ধার হওয়া নারীদের ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিলো। এ নারীদের সবাই বোরকা পরা ছিলেন। আমি তাদের কয়েকজনের জবানবন্দি পড়েছিলাম, যা খুবই বিভীষিকাময়। মূলত তাদেরকে খাবার দেয়ার কথা বলে ধর্ষণ করা হতো। যারা ধর্ষিত হতেন, কেবল তারাই খাবার পেতেন।

    ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী- এমন দাবির কয়েকটি দিক আমি উপরে দেখিয়েছি। তবে আরেকটি দিকও আপনাদের দেখাতে চাই। দিকটি হলো— ধর্মীয় পোশাকের প্রতি ধর্মপ্রচারকদের পক্ষপাতিত্ব। সমাজে ধর্মীয় পোশাককে প্রতিষ্ঠিত করার একটি উপায় হিশেবেও এমন দাবি ওঠানো হয়ে থাকে। ধর্মীয় পোশাক না পরলে নারীরা ধর্ষণের শিকার হবেন— এ বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারলে সমাজে ধর্মীয় পোশাককে সহজে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। মুসলিম দেশসমূহে এরকম বার্তা খুবই কার্যকরী। এটি একসাথে পাঁচটি কাজ করে। এক— ধর্মীয় পোশাক না পরার কারণে নারীদেরকে লজ্জা দেওয়া; দুই— কেউ ধর্মীয় পোশাক না পরা অবস্থায় ধর্ষণের শিকার হলে তাকে উদাহরণ হিশেবে ব্যবহার করা; তিন— ধর্ষকের অপরাধকে হালকা করে দেওয়া; চার— সমাজে ধর্মীয় পোশাক পরার উপকারিতা প্রচার করা; পাঁচ— ভবিষ্যৎ ধর্ষকদের জন্য একটি অজুহাত সৃষ্টি করা।

    এ জন্য কেউ ‘ধর্ষণের জন্য পোশাক দায়ী’ বা ‘পোশাক একটি কারণ’— এমনটি দাবি করলে, দাবিটি স্রেফ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে করা হচ্ছে কি না, এটিও আপনাদের মাথায় রাখা দরকার।

    আমার মনে হয় এবার আমি আমার নিজস্ব ব্যাখ্যায় যেতে পারি। আমি মনে করি, ধর্ষণের মূল কারণ ক্ষমতার বৈষম্য। সমাজে দুই ধরনের ধর্ষক আছে। এক. যারা ধর্ষণ কী তা জানে না, দুই. যারা ধর্ষণ কী, তার শাস্তি কী, তার সবই জানে, কিন্তু তারপরও ধর্ষণ করে।

    আমার পাশের গ্রামে একটি অমুসলিম পাড়া আছে। ওই পাড়ায় ধর্মীয় উৎসবের সময় আমাদের গ্রাম থেকে প্রতি বছর কয়েকজন যুবক যেতো, যাদের কাজ ছিলো– রাত গভীর হলে উপাসনালয়ের কাছ থেকে কোনো অমুসলিম মেয়েকে মুখ চেপে ধরে কোলে করে মাঠে নিয়ে আসা (এটি আমার শৈশবের ঘটনা, এখন এরকম হয় না)। লক্ষ করুন, উপাসনালয়ের আশেপাশে তখন মুসলিম পরিবারের মেয়েরাও থাকতো। কিন্তু কখনো কোনো মুসলিম পরিবারের মেয়েকে তারা তুলে আনতো না। এখানেই লুকিয়ে আছে ক্ষমতার ব্যাপারটি।

    ওই গ্রামে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, ফলে তাদের কোনো মেয়েকে তুলে আনলে তোলপাড় হয়ে যাবে— এ বোধ যুবকদের ছিলো। এ জন্য তারা সবসময় অমুসলিম মেয়েদের তুলে আনতো, এবং কয়েক ঘণ্টা পর ফেরত দিয়ে আসতো। সাধারণত কোনো মেয়ে প্রস্রাব করার জন্য উপাসনালয় বা ঘরের পেছনে গেলে এটি ঘটতো।

    আমি এ যুবকদের কয়েকটি দলের সাথে কথা বলেছি, এবং কথা বলে বুঝেছি যে, ধর্ষণ কী, তা তারা জানে না। ধর্ষণের শাস্তি কী, এ ব্যাপারেও তাদের কোনো পরিষ্কার ধারণা নেই। তারা শুধু জানে, যে-কাজের জন্য তারা মেয়েদেরকে উঠিয়ে আনে, সে-কাজটি গোপনে করতে হয়। কেউ দেখে ফেললে বিচার-শালিস বসতে পারে। অর্থাৎ অপরাধ-নিরোধক হিশেবে ‘ক্রিমিনাল ল’ বা ‘ফৌজদারি আইন’ এখানে কোনো ভূমিকা পালন করছে না।

    তারা আরো একটি বিষয় আমাকে জানিয়েছে। মাঠে আনার পর মেয়েটি কোনো চিৎকার-চেঁচামেচি করতো না। কারণ চিৎকার-চেঁচামেচি করলে মানুষ ঘটনাটি জেনে যাবে, এবং মানুষ জেনে গেলে মেয়েটির বিয়ে হবে না। মেয়েদের মাথায় এটি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ধর্ষিতা মেয়ের বিয়ে এ সমাজে হয় না। ফলে মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয়েও বছরের পর বছর চুপ করে থাকছে। এ জন্য যুবকেরা এটিকে স্বাভাবিক কাজ বলে ধরে নিয়েছে। তাদের ভেতর এ নিয়ে কোনো অপরাধবোধও নেই। তারা জানেই না যে এটি একটি অপরাধ। তারা শুধু জানে, এটি একটি বড়ো গুনাহ!

    তারা আরো দাবি করেছে, অমুসলিম মেয়েরা নাকি মনে মনে চায় যে তাদের তুলে আনা হোক! আমি বললাম, তাহলে মুসলিম মেয়েরাও তো মনে মনে এরকম চায়, তাদের তোমরা তুলে আনো না কেন? এ ব্যাপারে তাদের উত্তর হলো, আমাদের জাতের কাউকে তুলে আনলে অসুবিধা আছে, কিন্তু ওই মেয়েদের কাউকে তুলে আনলে বিপদ নেই। কেউ দেখে ফেললেও সমস্যা নেই। ওরা আমাদের কিছু করতে পারবে না।

    অর্থাৎ, বিপদে না পড়ার সম্ভাবনাটি এখানে বড়ো কারণ। ধর্ষণ তখনই ঘটে, যখন ধর্ষক বুঝতে পারে যে ধর্ষণ করার পরও সে নিরাপদে থাকবে। এ জন্য সে প্রথমেই, যাকে ধর্ষণ করবে তার ক্ষমতা মেপে নেয়। ক্ষমতা মাপার এ পদ্ধতিটি একটু জটিল। টার্গেটকৃত নারীর পারিবারিক সুনাম, রাজনীতিক প্রভাব, আর্থিক সচ্ছলতা, সাম্প্রদায়িক পরিচয়, ঘটনার সময় আশেপাশে কেউ থাকবে কি না, নারীটির কাছে কোনো অস্ত্র আছে কি না, ধর্ষণ করার জন্য পরিবেশ উপযুক্ত কি না, ধর্ষণের সময় ভিক্টিম নীরব থাকবে কি না, ধর্ষণের পর মামলা হবে কি না, ইত্যাদি বিষয় ধর্ষক আমলে নিয়ে থাকে। যদি সে দেখে, পরিস্থিতি তার অনুকূলে, ধর্ষণ করে সে পার পেয়ে যাবে, ঘটনাটি জানাজানি হবে না, তার পরিচয় প্রকাশ পাবে না, বা প্রকাশ পেলেও ভয়ে তাকে কেউ কিছু বলবে না, তাহলে সে ধর্ষণ করার ঝুঁকি গ্রহণ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে ভিক্টিম কী পোশাক পরলো-না-পরলো, তাতে তার কিছু আসে-যায় না। কারণ ভিক্টিমের পোশাক ভিক্টিমের ক্ষমতা কাঠামোর কোনো অংশই নয়। একটি নির্জন রাস্তায়, একজন ব্রা পরা অস্ত্রধারী নারীর চেয়ে একজন নিরস্ত্র বোরকা পরা নারীর ধর্ষণের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

    এ জন্য পর্যাপ্ত জনসমাগম আছে, এমন স্থানে সাধারণত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে না।

    বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামে. ডাকাতেরা ডাকাতির সময় ধর্ষণ করে থাকে। এর কারণও ক্ষমতা। নিরস্ত্র গৃহকর্তার ক্ষমতা তখন শূন্য থাকে। অস্ত্রধারী ডাকাতদের মুখে তিনি তার পরিবারকে সুরক্ষা দিতে পারেন না। কিন্তু তিনি যদি কোনোভাবে ভারী অস্ত্র দিয়ে ডাকাতদের ঘায়েল করে ফেলতে পারেন, তাহলে কিন্তু ধর্ষণ ঘটবে না। এ কথা যুদ্ধাবস্থার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আক্রান্ত দেশের জনগণ যদি উপযুক্ত মারণাস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, তাহলে আগ্রাসী দেশের সেনারা কাউকে ধর্ষণ করার সুযোগ পাবে না।

    বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যে-ক্ষমতা কাঠামো আছে, তাতে একজন মন্ত্রীর মেয়ের ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা, একজন কৃষকের মেয়ের ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে অনেক কম।

    এখানে আমি আরেকটি বিষয় বলতে চাই। কিছু কিছু সমাজে, কোনো নারী ধর্মীয় পোশাক পরলে বা সাধারণ মানের ‘শালীন’ পোশাক পরলে, মানুষজন ধরে নেয় যে নারীটির ক্ষমতা কম। বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ধর্ষকেরা প্রায়ই নারীর পোশাক দেখে তার পারিবারিক ক্ষমতা নির্ণয়ের চেষ্টা করে থাকে। মেয়েটি শিক্ষিত কি না, এ তথ্যও তারা পোশাক দেখে অনুমান করার চেষ্টা করে। ধর্মীয় ও দরিদ্র পোশাক পরা নারীদের সামাজিক লজ্জা বেশি। এ জন্য যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে, তাদের চুপ থাকার সম্ভাবনাও বেশি। ফলে ঘটনাটি পুলিশের নজরে না যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এটি ধর্ষকদের আশ্বস্ত করে। ধর্মীয় ও দরিদ্র পোশাক পরা নারীরা একটু সহজ-সরল হয়, এমন ধারণাও সমাজে প্রতিষ্ঠিত আছে। ফলে কোনো উপযুক্ত স্থানে, এ নারীদের ধর্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা অন্য নারীদের চেয়ে অনেক বেশি।

    যৌন হয়রানির ক্ষেত্রেও আমার এ বক্তব্য সত্য। কিছুদিন আগে বুয়েটে যে ঘটনাটি ঘটলো (ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে একটি মেয়েকে নগ্ন ছবি পাঠানো), সেখানে ছেলেগুলো যদি জানতো যে মেয়েটি কোনো ক্ষমতাধর পরিবারের সন্তান, তাহলে ওরা এমনটি করতো বলে মনে হয় না। করলেও পরিচয় লুকিয়ে করতো। আমি গ্রামাঞ্চলে দেখেছি, ইশকুল ছুটি হলে ইউপি চেয়ারম্যানের মেয়ের দিকে কেউ শিস ছুড়ে দেয় না, কিন্তু দরিদ্র-ক্ষমতাহীন পরিবারের মেয়েদের দেখলে শিস দেওয়া হয়।

    তবে সাধারণ প্রেম নিবেদনের উপায়সমূহকে, যেমন কোনো মেয়েকে দেখে গান গাওয়া, হেসে ওঠা, কবিতা আবৃত্তি করা, তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে মেসেজ পাঠানো, চিঠি লেখা, ইত্যাদিকে একটি সীমা পর্যন্ত আমি যৌন হয়রানি বলতে রাজি নই। বরং এগুলোর সুস্থ চর্চা না থাকলে, সমাজে যৌন হয়রানি বেড়ে যেতে পারে। মেয়েরা ছেলেদেরকে, ছেলেরা মেয়েদেরকে, তাদের ভালোলাগার কথা যেন নির্ভয়ে জানাতে পারে, এ নিশ্চয়তা সমাজে থাকতে হবে।

    আমি আমার বক্তব্যের প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। শুধু অবদমিত কামের বিষয়টি একটু আলোচনা করতে চাই।

    সাধারণত ধর্মীয় রক্ষণশীল সমাজে নারী-পুরুষের কাম বেশি অবদমিত থাকে। এ অবদমন, দরিদ্র সমাজে বিয়ের পরও বজায় থাকতে পারে। কারণ দরিদ্র সমাজে, একটি বাচ্চা হওয়ার পর নারীদের শরীর প্রায়ই ভেঙে যায়। অপুষ্টি এখানে বড়ো ভূমিকা রাখে। কেউ কেউ বিয়ের আগে বাবার বাড়িতে যে-মানের খাবার পেতেন, বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে এসে সে- মানের খাবার পান না। ফলে স্বামীর কাছে তার শারীরিক আকর্ষণ কমে যায়। এ স্বামীদের কেউ কেউ ধর্ষক হয়ে উঠতে পারেন। আমি ছোটোবেলায় এরকম কয়েকটি ঘটনার শালিস প্রত্যক্ষ করেছিলাম।

    তবে বিবাহিত পুরুষদের চেয়ে অবিবাহিত পুরুষরাই ধর্ষণে বেশি অংশ নিয়ে থাকে (সব সমাজে এটি সত্য নাও হতে পারে)। কারণ তাদের কামই বেশি অবদমিত থাকে। এখানেও একটি ব্যাপারে আমরা ভুল করে থাকি। অনেকের ধারণা, অবদমিত কাম কেবল রক্ষণশীল ধর্মীয় সমাজেই থাকে। কিন্তু এটিকে আমার সঠিক মনে হয় না। পশ্চিমের মুক্ত সমাজেও অবদমিত কামের অস্তিত্ব আছে। বহু আমেরিকান পুরুষ, পছন্দের সঙ্গিনীর অভাবে একা একা জীবনযাপন করেন। অনেক পেশাদার অপরাধী আছেন, যাদের স্বাভাবিক নারী সংসর্গে যাওয়ার সুযোগ হয় না। এ পুরুষদের কেউ কেউ নানা সুযোগে ধর্ষক হয়ে উঠতে পারেন।

    এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা জরুরি। অনেকে অবদমিত কামকে ধর্ষণের বড়ো কারণ মনে করে থাকেন, যা আমার কাছে ভুল মনে হয়। কারণ সমাজে, সব পুরুষেরই কমবেশি অবদমিত কাম থাকে। কিন্তু তা ধর্ষণ করার জন্য যথেষ্ট নয়। এগুলো বড়োজোর কাউকে বিকল্প সঙ্গিনী বা প্রেমিকা খুঁজতে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। যে নারীরা আকর্ষণীয় পোশাক পরেন, তাদের সাথে হয়তো এ পুরুষদের প্রেম বা বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কিন্তু পোশাক দেখে তারা ধর্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়বেন, এমন কল্পনা উদ্ভট।

    প্রশ্ন উঠতে পারে, নারীদের পোশাক পুরুষদের অবদমিত কামকে জাগিয়ে তুলতে পারে কি না? আমি আগেই বলেছি, শুধু পোশাকের এ ক্ষমতা নেই। শরীরের গঠন এবং সৌন্দর্য এখানে মুখ্য। পোশাক যদি নারীর শরীরের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলতে পারে, তাহলে তা পুরুষদের মনে নারী সংসর্গ পাওয়ার একটি আবেগ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু এ আবেগ মূলত প্রেমের আবেগ। কোনো নারীকে একান্তে পাওয়ার আবেগ। এ আবেগ ধর্ষণের আবেগ নয়।

    এ আবেগ তৈরির পেছনে প্রধান কারণ— নারীদের পোশাক পুরুষদের মনে, নারীদেহ নিয়ে একটি কৌতূহল তৈরি করতে পারে। সমাজভেদে এ কৌতূহলের মাত্রা কমবেশি হয়। তবে ‘শালীন’ পোশাক এ কৌতূহল কমিয়ে দেয় আর ‘অশালীন’ পোশাক এ কৌতূহল বাড়িয়ে দেয়— এমন দাবির কোনো ভালো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বরং উল্টোটা অনেক সময় ঘটে থাকে। বোরকা পরা অনেক নারী, যারা হয়তো বাস্তবে দেখতে অতোটা আকর্ষণীয় নন, তারাও একজন আকর্ষণীয় নারীর সমান কৌতূহল তৈরি করতে পারেন। যেমন বাংলাদেশের পুরুষেরা মিসরের বোরকা পরা কোনো নারীকে দেখলে প্রচণ্ড কৌতূহল অনুভব করবে। কারণ মিসরের নারীদের শারীরিক আকার বাংলাদেশের নারীদের চেয়ে বড়ো। ফলে, ওই বোরকার ভেতর কী আছে, তা দেখার জন্য বাংলাদেশের পুরুষেরা ভেতরে ভেতরে কৌতূহলী হয়ে উঠতে পারে।

    আমি দুবাইতে একটি সবজি মার্কেটে এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। ওই মার্কেটে কিছু মিসরীয় নারী টম্যাটো কিনতে আসতেন, যাদের পরনে থাকতো বোরকা। মার্কেটের বাংলাদেশি ও ভারতীয় শ্রমিকরা, ওই নারীদের দিকে হাঁ করে চেয়ে থাকতো। তাদের কিন্তু মুখ বা শরীর দেখা যেতো না। বোরকার ভেতর নিশ্চয়ই অনেক সুন্দর শরীর লুকিয়ে আছে— এমন কল্পনা থেকেই তারা হাঁ করে থাকতো। তাদের নানা মন্তব্য শুনে আমি নিশ্চিত হতাম, তাদের অবদমিত কাম জাগ্রত হয়ে গেছে।

    সুতরাং, বোরকা পরলে বা ‘শালীন’ পোশাক পরলে কোনো পুরুষ আকৃষ্ট হবে না, আর বোরকা না পরলে বা ‘অশালীন’ পোশাক পরলে পুরুষেরা আকৃষ্ট হবে – এমন দাবি ভিত্তিহীন। সামাজিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকের কাছে এমনটি মনে হতে পারে, কিন্তু এটি সার্বজনীন নয়। যেকোনো পোশাকের নারীই পুরুষদের আকৃষ্ট করতে পারে, যদি ওই নারীর শরীরের প্রতি পুরুষদের কৌতূহল জাগ্রত হয়। পুরুষরা নিশ্চিত হতে চায়, ওই নারীর সঙ্গ পেতে তাদের ভালো লাগবে কি না।

    অনেকে দাবি করেন, ইন্টারনেটে ‘অশ্লীল’ ছবি ও ভিডিও দেখে দেখে, বা রাস্তাঘাটে ‘অশালীন’ পোশাকের নারী দেখে দেখে, ধীরে ধীরে একজন পুরুষের মনে ধর্ষণের ইচ্ছা তৈরি হতে পারে। এটিও ভ্রান্ত ধারণা। কাম জাগ্রত হওয়া আর ধর্ষণের ইচ্ছা তৈরি হওয়া এক জিনিস নয়। কোনো পুরুষ তার জাগ্রত কামকে নানা উপায়ে চরিতার্থ করতে পারেন (যেমন— বিয়ে, লিভ টুগেদার, ইত্যাদি)। তবে আরো উপায় আছে, যা আমি এখানে খুলে বলার প্রয়োজন অনুভব করছি না। কাম চরিতার্থ করার একমাত্র উপায় ধর্ষণ, এমন দাবি উন্মাদ ছাড়া আর কারও পক্ষে করা সম্ভব নয়। কিন্তু সঙ্গমের বাসনাকে ধর্ষণের বাসনার সাথে গুলিয়ে ফেলে অনেকেই এ ভ্রান্তি সমাজে ছড়াচ্ছেন।

    আর ‘অশ্লীল’ ভিডিও বা ‘অশালীন পোশাক’ আবিষ্কারের বহু আগে থেকেই সমাজে ধর্ষণ আছে। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সময়েও ধর্ষণ ছিলো। ধর্ষণ তখনই ঘটে, যখন অবদমিত কাম বা শখ বা প্রতিহিংসার সাথে, ক্ষমতার হিসেবটি ধর্ষকের অনুকূলে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিভার গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাহমুদুল হকের গল্প
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }