Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আধুনিক গরু-রচনা সমগ্ৰ – মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ এক পাতা গল্প276 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রশংসার নিন্দা

    মানুষ প্রশংসা করে দুই ধরনের মানুষকে। এক. যাদের প্রশংসা প্রাপ্য; দুই. যাদের প্রশংসা প্রাপ্য নয়। আমার আলোচনার বিষয়বস্তু প্রশংসার এই দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রাপকেরা, এবং একই সাথে, এ প্রশংসা যারা করেন তারা। এ প্রশংসা কখনো প্রশংসাকারীর মনের ভেতর থেকে আসে না, আসে তার বনের ভেতর থেকে। মানুষের মগজে স্বার্থসিদ্ধির যে-বনটি রয়েছে, সেটিই এ প্রশংসার আসল উৎস, আর এ প্রশংসাগুলোকেই আমরা বলি তোষামোদ বা দালালি।

    মানুষ তোষামোদ করে কেন? এ প্রশ্নের সরল উত্তর হলো, তোষামোদ যাকে করা হয়, তিনি সেটি খুব উপভোগ করেন। তবে আসল কারণটি এরকম সরল নয়। তোষামোদের প্রকৃত কারণটি বুঝতে হলে সবার আগে আমাদেরকে এর পেছনের রাজনীতিটি বুঝতে হবে।

    লক্ষ করলে দেখা যাবে, যারা তোষামোদ করেন, তাদের অধিকাংশ‍ই সমাজের পিছিয়ে-পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ। ‘পিছিয়ে-পড়া জনগোষ্ঠী’ বলতে অনেকে দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক, মজুর ও অশিক্ষিত জনগণকে বুঝে থাকেন, যা সঠিক নয়। পিএইচডি করা সম্পদশালী মানুষও ‘পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী’র অংশ হতে পারেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে ছাত্র-শিক্ষকরা আছেন, এবং আমাদের যারা সরকারি কর্মচারী, তারাও এ জনগোষ্ঠীর অংশ। এমন কি প্রধানমন্ত্রীর সাপেক্ষে, আমাদের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরাও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ। বিষয়টি ধন-সম্পদ বা শিক্ষা-দীক্ষার নয়, বিষয়টি ক্ষমতা ও মেরুদণ্ডের।

    কোনো অসম সমাজে ক্ষমতা দ্বারাই নির্ধারিত হয় মানুষের সামাজিক নিয়তি। সমাজটিতে কে কতোখানি সমীহ পাবে, কে কতোটুকু প্রভাব বিস্তার করবে, তা নির্ধারিত হয় ওই সমাজে মানুষের ক্ষমতার বণ্টন দ্বারা। প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজে ক্ষমতার এ বণ্টন সুসম হলেও, অগণতান্ত্রিক বা ছদ্মগণতান্ত্রিক সমাজসমূহে এ বণ্টন অসম। এ অসম সমাজগুলোকে বলা যেতে পারে শয়তানের সমাজ।

    শয়তানের সমাজে ক্ষমতার কিছু মই তৈরি হয়। এটি আপনা-আপনিই হয়, এবং এ মইয়ে চড়ার জন্য যে-গ্রাহকশ্রেণি, সেটিও আপনা-আপনিই সৃষ্টি হয়। তোষামোদ যিনি করেন, তিনি এ ক্ষমতার মইয়ের পাদদেশের অংশ, আর তোষামোদ যিনি উপভোগ করেন, তিনি এ ক্ষমতার মইয়ের চূড়ার অংশ। মইটির চূড়ার জীবন আর তলার জীবন এক নয়। এ দুই জীবনের বৈষম্য যতো বেশি হয়, সমাজে উৎপাদিত মোট দালালির পরিমাণও ততো বেশি হয়।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক

    কিন্তু সমাজ যদি প্রকৃত অর্থেই গণতান্ত্রিক হয়, তাহলে ওই সমাজে ক্ষমতার এ মইটি থাকে না। ইংল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী যখন ট্রেন ও সাইকেলে চড়ে অফিস করেন, বা কোনো পাবলিক পার্কে তাঁরা যখন জটলাবিহীন হাঁটাহাঁটি করেন, অথবা কোনো হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তাঁরা যখন রোগীর তিরস্কারের শিকার হন, তখন আমরা বুঝতে পারি— তাঁদের সমাজে ক্ষমতার ওই মইটি নেই। ওখানে মইয়ের বদলে আছে নানা পথ। এসব পথের যেকোনো একটি ধরে হাঁটলে একজন মানুষ সরল পথেই পৌঁছুতে পারেন ক্ষমতার কেন্দ্রে। তবে তাদের দেশে ক্ষমতার যে- কেন্দ্রবিন্দু, তা খুবই পানসে। ওই কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে তাঁরা দেখতে পান, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির জীবনের চেয়ে সাধারণ নাগরিকের জীবনই অধিক আরামের। এ জন্য নানা তুচ্ছ কারণে তাদেরকে আমরা পদত্যাগ করতে দেখি। অনেকেই একবার প্রধানমন্ত্রী হলে, বাকি জীবনে আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নাম নেন না।

    তারা জানেন, ক্ষমতা আর দায়িত্ব এক জিনিস নয়। দায়িত্ব পালন করা একটি পরিশ্রমের কাজ, যা ক্লান্তিকর। কিন্তু ক্ষমতা মাদকের মতো। সারাক্ষণ শুধু উপভোগ করতে ইচ্ছে হয়। উত্তেজনা আর উত্তেজনা। যে- ব্যক্তি মাদকে অভ্যস্ত, সে সহজে মাদক ছাড়তে চায় না। কেউ ৩৩৩ নাম্বারে ফোন করে খাদ্য-সাহায্য চাইলে তাকে খাদ্য সাহায্য দেওয়াটা হলো দায়িত্ব। আর তাকে খাদ্য-সাহায্য না দিয়ে কোনো অজুহাতে জেল-জরিমানা করাটা হলো ক্ষমতা। ক্ষমতা প্রয়োগের এ স্বাদ মাদক নেয়ার চেয়েও মিষ্টি। শরীরে হেরোইন বা কোকেন নিলে যে আবেশ আসে, ক্ষমতা চর্চা করার সময়ও এরকম জাদুকরী আবেশের সৃষ্টি হয়।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    শিক্ষা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    Library
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অনুবাদকের পরিষেবা

    ক্ষমতার যারা শিকার বা ভিক্টিম, তারা এটি অনুধাবন করতে পারে। তখন তাদেরও সাধ জাগে, ক্ষমতা, সম্মান, সমীহ— এ মাদকগুলোকে একটু চেখে দেখার। এ চেখে দেখার বাসনা থেকেই ক্ষমতার মইয়ের পাদদেশ থেকে তারা নানা জনের নামে স্লোগান দেন, পোস্টার সাঁটান। তাদের বিশ্বাস— স্লোগান ও পোস্টারের শব্দে বিরক্ত হয়ে, একদিন-না- একদিন মইয়ের চূড়ায় থাকা ব্যক্তিটি, কিছু ক্ষমতার বিস্কুট তাদের দিকেও ছুড়ে মারবেন।

    বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে ‘বড় ভাই’ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার পেছনের কারণও ক্ষমতার এ মাদককে একটু চেখে দেখা। শিক্ষক— রাজনীতির যে-ছাগলটি, এটিও এ কারণেই টিকে আছে। কেবলই শিক্ষক, কেবলই অধ্যাপক, এ জীবন খুব নীরস। জীবনকে সরস করতে হলে স্বাদ পেতে হবে উপাচার্য বা কোনো কমিশনের চেয়ারম্যান পদের। প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজে এ স্বাদ শিক্ষকরা স্বাভাবিক পথেই পান; কিন্তু আমরা যে-সমাজে আছি, সেখানে এ স্বাদ পেতে হলে একজন শিক্ষককে হাঁটতে হয় নানা বিকৃত পথে।

    এ বিকৃত পথগুলোরই একটি হলো তোষামোদ বা ফন্দিবাজি প্রশংসা। তারা জানেন, কার প্রশংসা করলে কী পাওয়া যাবে। সত্যেন বোস বা জগদীশচন্দ্রের প্রশংসা করে যে কোনো লাভ নেই, কাজী নজরুলের মাজার জিয়ারত করে যে কোনো নগদ প্রাপ্তির আশা নেই, এটি তারা বুঝেন। এ জন্য তারা বেছে বেছে প্রশংসা করেন শুধু বিশেষ বিশেষ মানুষদের, আর জিয়ারত করেন শুধু বিশেষ বিশেষ মাজার। বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মাজারে আমি অনেককেই যেতে দেখি, কিন্তু তারা ওই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে কতোটা ভালোবাসেন তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। যারা ওই ব্যক্তিকে ভালোবাসেন, তাদের তো খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ যাওয়ার কথা নয়; কানাডা ও লন্ডনে তাদের আরেকটি বাড়ি থাকার কথা নয়। আমার তো মনে হয়, গ্রামের মানুষরা যে নানা পীর-মুর্শিদের মাজারে মানত আদায় করে থাকে, সেগুলো অনেক বেশি অকৃত্রিম ও ভালোবাসাপূর্ণ।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা অনুবাদকের পরিষেবা
    Books
    অনলাইন বুক
    বই পড়ুন

    তোষামোদের যে-রাজনীতিক রূপটি, তা শুধু ক্ষমতার মই বেয়ে উপরে ওঠার রূপ নয়। ক্ষমতার মইটির কাছাকাছি থাকাও তোষামোদকারীর লক্ষ্য থাকে। বিসিএসের কথাই ধরা যাক। এমন অনেক মানুষ আমি পেয়েছি, যারা ট্রাফিক সার্জেন্টের হাত থেকে মোটরসাইকেল বাঁচানোর জন্য পুলিশ ক্যাডারের কারও ছবি ফেসবুকে দিয়ে তোষামোদ করে থাকে। আমার ধারণা, এ ধরনের তোষামোদ ওই পুলিশ কর্মকর্তাও বুঝতে পারেন, কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলেন না (কেউ কেউ হয়তো উপভোগও করেন)। এ কথা প্রশাসন ক্যাডারের তরুণদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এক ছেলেকে দেখলাম, প্রশাসন ক্যাডারে সুযোগ পাওয়া এক তরুণের জন্য ৩০-৩৫ লাইনের একটি অভিনন্দন-রচনা লিখে ফেসবুকে প্রকাশ করেছে।

    বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের তরুণরা যে অভিনন্দন কম পান, এর কারণও ক্ষমতা। মানুষ জানে, ট্রাফিক সার্জেন্ট মোটরসাইকেল আটকালে কলেজের শিক্ষক কোনো কাজে আসবে না।

    আবার কেউ কেউ ‘অমুক ক্ষমতাধর আমার পরিচিত, তার সাথে আমার ওঠাবসা আছে’— এটি জাহির করতেও তোষামোদ করে থাকে। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে যতো পোস্টার আছে, তার আশি ভাগ এ ঘরানার পোস্টার। এর উদ্দেশ্য হলো, চারপাশের মানুষকে একটু সতর্ক করে দেয়া, যেন পোস্টারওয়ালার সাথে কেউ লাগতে না আসে।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা উপন্যাস

    কোনো রাষ্ট্রে আইনের শাসন বহাল থাকলে, এবং রাষ্ট্রের পরিচালকদের ওপর মানুষের আস্থা থাকলে, এ ধরনের তোষামোদের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। তোষামোদের প্রয়োজন পড়ে তখন, যখন মানুষ টের পায় যে— কোনো মানবিক নীতি ও আইন দ্বারা সমাজ শাসিত হচ্ছে না। সমাজ শাসিত হচ্ছে কিছু মানুষের খামখেয়ালি দ্বারা, অথবা কিছু মানুষ কর্তৃক উদ্ভাবিত নিপীড়নমূলক আইনের

    আইনের শক্তিতে। আমাদের দেশের নিম্ন আদালতগুলো মাত্র দু-তিন মিনিট শুনানি নিয়ে মানুষকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে থাকে। একজন মানুষকে জামিন না দেয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একজন বিচারক মাত্র তিন মিনিটে কীভাবে নেন? একমাত্র খামখেয়ালি ছাড়া আর কোনো উপায়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব বলে মনে করি না।

    বিচারের আগেই কাউকে শাস্তি দেয়ার মানসিকতা, সমাজে তোষামোদ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। মানুষ যখন টের পায় যে, কোথাও বেআইনি পীড়নের শিকার হলে আদালতগুলোও তাকে রক্ষা করতে পারবে না, তখন সে আদালতের বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করতে থাকে। এ চেষ্টা থেকেই সে নানা ক্ষমতাধর ব্যক্তির তোষামোদ করে থাকে। তার আশা, ভবিষ্যতে কোনো বিপদে পড়লে, আদালত তাকে রক্ষা না করলেও পোস্টার বা ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া বিশেষ ক্ষমতাবান ব্যক্তিটি তাকে রক্ষা করবেন। কিন্তু বিচারকরা যদি স্বাধীনভাবে মানুষের মৌলিক অধিকারগুলির সুরক্ষা দিতেন, তাহলে এ ধরনের তোষামোদ কমে যেতো।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    Books
    সাহিত্য পত্রিকা
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    এখানে আমি একটি উদাহরণ দিতে চাই। দিলদার গ্রুপের দুই ছেলে একটি মামলার পর বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। তারা হয়তো এমন কাউকে তোষামোদ করতেন, যিনি তাদের যেকোনো দুর্যোগ থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখেন। কিন্তু দিলদার গ্রুপের ছেলেরা একপর্যায়ে বুঝতে পারেন, দেশে ফিরে যাওয়াই ভালো। এ জন্য তারা বিদেশ থেকেই জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তাদের এ আবেদন শুনেনইনি। উল্টো উষ্মা প্রকাশ করে তাদের জরিমানা করেন। এটি কেন করা হয়েছিলো? এর পেছনে খামখেয়ালি ছাড়া কী এমন যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে? যিনি একটি মামলাকে আইনিভাবে মোকাবেলা করার জন্য দেশে ফিরতে চাচ্ছেন, এবং এ উদ্দেশ্যে দেশের আদালতের কাছে জামিন প্রার্থনা করছেন, তাকে আদালত সে সুযোগ না দিয়ে দেশের কী উপকার করলো? কোনো উপকারই করেনি। আদালত দিলদার গ্রুপের ছেলেদের পুনরায় তোষামোদের দিকেই ঠেলে দিলেন। এরপর তারা তাদের নিজস্ব তোষামোদি প্রক্রিয়াতেই দেশে ফিরে এসেছিলেন, এবং চব্বিশ ঘণ্টার ভেতরেই জামিন লাভ করেছিলেন।

    কোনো রাষ্ট্রে অন্তত একটি প্রতিষ্ঠান থাকতে হয়, যেটির ওপর ধনী- গরিব সকল মানুষ নির্ভয়ে নির্ভর করতে পারবেন। যেকোনো প্রকৃত গণতন্ত্রে আদালতগুলোই এ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অনুবাদকের পরিষেবা
    Library
    বাংলা কমিকস
    বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

    কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন, মানুষ তো অরাজনীতিক কারণেও তোষামোদি করে থাকে, এটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন? যেমন ছাত্র কর্তৃক শিক্ষকের তোষামোদি, ভক্ত কর্তৃক লেখকের তোষামোদি, অনুসারী কর্তৃক মতাদর্শের তোষামোদি, ইত্যাদি।

    দেখুন, এ তোষামোদগুলোও রাজনীতিক, কিন্তু এর রাজনীতিক রূপটি এতোটা প্রকাশ্য নয় বলে তা সহজে ধরা যায় না। একজন ছাত্র অবশ্যই তার শিক্ষকের প্রশংসা করতে পারেন, কিন্তু তা যখন প্রশংসার গণ্ডি পেরিয়ে তোষামোদের আকার ধারণ করে, তখন বুঝতে হবে ছাত্রটির অন্য মতলব আছে। সে হয়তো কোনো কোর্সে নাম্বার বেশি পেতে চায়, অথবা ওই শিক্ষকের বিশেষ কোনো ক্ষমতার আনুকূল্য পেতে চায়। আমি কয়েকজন ছাত্রকে চিনি, যারা ভালো ‘রিকমেন্ডেশান লেটার’ পাওয়ার আশায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের তোষামোদি করতো। এ কারণগুলো কিন্তু রাজনীতিক। ছাত্র তার ভবিষ্যৎ লাভের আশায় এ তোষামোদি করে থাকে।

    এটি লেখকদের বেলায়ও ঘটে। কিছু অসৎ ভক্ত, নানা অভিপ্রায়ে তাদের পছন্দের লেখকের তোষামোদি করে থাকে। যেমন- ভিন্নমতের কোনো লেখককে ঘায়েল করা, অপছন্দের কোনো মতাদর্শের বিরুদ্ধে আরামদায়ক যুক্তি উদ্ভাবন করা, লেখকের সাথে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করা, লেখকের সাথে আমার খাতির আছে, এ খবর সমাজে প্রচার করা, মিথ্যে প্রশংসা করে লেখককে ধ্বংস করা, এরকম নানা কারণে ভক্তরা লেখকের তোষামোদি করতে পারে। ভক্তদের এ আচরণগুলোও রাজনীতিক। রাজনীতি শুধু ভোটে দাঁড়ানো বা ইলেকশন করা নয়, ইলেকশনের বাইরেও রাজনীতি আছে। মানুষ জন্মের পর থেকে কবরে ঢোকার আগ পর্যন্ত যা করে, তা সবই রাজনীতিক কর্মকাণ্ড। এমনকি প্রার্থনাও। তারা জানে, বেহেশতেরও নানা স্তর আছে। উঁচু স্তরের ফেরদাউস রেখে নিচু স্তরের ‘মাকাম আল-আমিন’-এ তারা কেন যাবে?

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    শিক্ষা
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ

    বিভিন্ন মতাদর্শের অনুসারীরা, তাদের নিজ নিজ মতাদর্শের পক্ষে, বা ওই মতাদর্শের কোনো প্রচারকের পক্ষে, যে-তোষামোদ বা দালালি করে থাকেন, তাও রাজনীতিক। হাজার হাজার মতাদর্শের মধ্যে তার মতাদর্শের মাথাটিকেই তিনি সবচেয়ে উঁচুতে রাখতে চান। এ জন্য যা যা করা দরকার তিনি তা করেন। এতে তোষামোদকারীর কিছু ইহলৌকিক ও পারলৌকিক স্বার্থও জড়িত থাকে। বাংলাদেশে যে ওয়াহাবি-সুন্নি মারামারিটি আছে, তা টিকে আছে মূলত এ দুই মতাদর্শের অনুসারীদের তোষামোদির কারণে। এক পক্ষের অনুসারীরা আরেক পক্ষের অনুসারীদের ধুলোয় মিশিয়ে দিতে চান। তাদের নেতারা এমন এমন অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন, যা স্রেফ এ অনুসারীদের খুশি এবং চাঙ্গা রাখার জন্যই বলেন। এখানে তোষামোদের একটি উল্টো চিত্র পাওয়া যায়। সব জায়গায় নিচের মানুষরা উপরের মানুষদের তোষামোদি করলেও এখানে দেখা যায় নেতারা তোষামোদ করছেন অনুসারীদের! এক মাহফিলে আমি নিজ কানে শুনেছি, এক পক্ষের বড়ো বক্তা আরেক পক্ষের বড়ো বক্তাকে ‘পানখোর বুইড়া ছাগল’ নামে অভিহিত করছেন, এবং এটি শুনে মাহফিলের শ্রোতারা খুব আনন্দ পাচ্ছেন।

    তোষামোদের উপকারিতা কী? তোষামোদের কোনো উপকারিতা নেই। এর শুধু অপকারিতাই আছে। হ্যাঁ, ব্যক্তিগত লাভ এতে কিছু হয়, কিন্তু তা আসলে লাভের মুখোশে ক্ষতি। তোষামোদ, তোষামোদকারী ব্যক্তি ও এর গ্রহীতা উভয়ের ব্যক্তিত্বকেই নষ্ট করে। যার সুযোগ ছিলো উৎকর্ষ সাধনের, সে তোষামোদ পেয়ে ধাবিত হয় অবকর্ষের দিকে। যেকোনো সমালোচনাকেই সে গিবত মনে করে, এবং সমালোচনাকারীকে জ্ঞান করে শত্রু। এটি তাকে ধীরে ধীরে স্বেচ্ছাচারী একনায়কে পরিণত করে। প্রশংসা ছাড়া সে আর কিছু শুনতে চায় না। মাদকাসক্তের মতো সে হয়ে ওঠে প্রশংসাসক্ত। এই তোষামোদের মাদক যাকে একবার পেয়েছে, তার শরীর না হোক, আত্মা যে কবুতরের খোপ হয়ে গেছে, এ ব্যাপারে আমার সন্দেহ নেই।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    শিক্ষা
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বুক শেল্ফ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    পিডিএফ

    তোষামোদ একপ্রকার আনন্দ-অভ্যাসের সৃষ্টি করে। ফলে যাদের ক্ষমতা আছে তোষামোদ প্রাপ্তির, তারা সারাক্ষণ এমনভাবে কাজ করেন, যেন কাজটি শেষে তারা কিছু তোষামোদ পান। শুধু প্রশংসা পাওয়া তাদের লক্ষ্য নয়। তাদের লক্ষ্য হলো মাদকের মতো উপভোগ্য তোষামোদ, যা পেয়ে তারা অবশ ও বুঁদ হয়ে থাকবেন আনন্দ সুখে। ফলে কোনো নীতি বা প্রিন্সিপল নয়, তারা তাদের কাজে প্রাধান্য দেয়া শুরু করেন ব্যক্তিগত আবেগকে।

    যেমন, কয়েক মাস আগে কিছু ক্ষমতাধর ভদ্রলোক, লম্বা চুলের ছেলেদেরকে সেলুনে ঢুকিয়ে চুল ছাঁটাতে বাধ্য করেছেন। তাদের দাবি, এগুলো অসামাজিক চুল। আমার ধারণা, তারা নিউটনকে রাস্তাঘাটে পেলে তাকে ধরেও সেলুনে ঢুকিয়ে দিতেন। এই যে কাজগুলো, এগুলো কিন্তু পরিষ্কারভাবে অসাংবিধানিক কাজ। একজন স্বাধীন নাগরিকের যেভাবে খুশি সেভাবে চুল রাখার অধিকার রয়েছে।

    যারা ক্রিমিনাল ল’ পড়েছেন তারা জানেন যে, বিনা সম্মতিতে কারও একটি চুল স্পর্শ করা হলো ‘ব্যাটারি অফেন্স’, কারও একটি চুল কাটা হলো ‘অ্যাকচুয়াল বডিলি হার্ম বা এবিএইচ অফেন্স’, এবং চুল কাটাতে গিয়ে কারও মাথার তালু কেটে ফেলা হলে, তা হবে ‘গ্রিভাস বডিলি হার্ম বা জিবিএইচ অফেন্স’, এবং এর প্রত্যেকটিই কিন্তু ফৌজদারি আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    শিক্ষা
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    নতুন উপন্যাস
    PDF
    বাংলা ইসলামিক বই

    কিন্তু ভদ্রলোকেরা এসবকে আমলে না নিয়ে, আমলে নিয়েছেন সামাজিক বাহ্বা প্রাপ্তিকে। এই অন্ধ বাবা খুবই মারাত্মক তোষামোদি। কোনো সমাজে অন্ধ মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলে, এরকম বাহ্বা খুব বেড়ে যায়। তখন ক্ষমতাকে যারা উপভোগ করেন, দায়িত্বকে যারা ক্ষমতা জ্ঞান করেন, এবং ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করাকে যারা ক্ষমতা-চর্চা মনে করেন, তারা নিয়মিত মাদকের মতো এ বাবা পেতে চান।

    তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় তোষামোদ যিনি করেন তার। সে তোষামোদ করতে গিয়ে পরিণত হয় দাস বা গোলামে। এক মানুষ আরেক মানুষের দাসে পরিণত হচ্ছে, এটিকে আমি উৎসাহিত করতে পারি না। একবার কারও গোলাম হয়ে গেলে, তার বিরুদ্ধে কথা বলা খুব মুশকিল হয়ে ওঠে। তিনি কোনো অন্যায় করলে, তার প্রতিবাদ করা গোলামের পক্ষে আর সম্ভব হয় না।

    এ জন্য হৃদয় থেকে সালাম না এলে কাউকে সালাম দেয়া যাবে না। হৃদয় থেকে প্রশংসা না এলে কারও প্রশংসা করা উচিত হবে না। কাউকে ভয় পেয়ে তার সম্পর্কে ভালো ভালো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অপ্রয়োজনীয় স্লোগান পরিহার করতে হবে। নিজেকে ক্ষুদ্র ভাবার মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে। শরীরের মেরুদণ্ডের চেয়ে মনের মেরুদণ্ডটিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। মস্তিষ্কের ঘুমন্ত ক্ষমতাকে জাগ্ৰত রাখতে হবে।

    আরও দেখুন
    শিক্ষা
    শিক্ষার
    বাংলা ই-বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বইয়ের

    বিশেষ উদ্দেশ্যে ক্ষমতাবান মানুষদের ছবি, ফেসবুক ও পোস্টারে প্রচার করার অভ্যাস বাদ দিতে হবে। হিংসা ও বিদ্বেষের দাস হওয়া যাবে না। এগুলো মানুষের আত্মমর্যাদার সাথে যায় না। দায়িত্বকে দায়িত্ব জ্ঞান করতে হবে। এটিকে ক্ষমতা ভাবার অর্থ হলো- আপনি একজন অদক্ষ ও বেঁটে মানুষ। দায়িত্ব পালনের জন্য আপনি উপযুক্ত নন। অন্যের মতো হওয়ার চিন্তাও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোকে সম্মান করা শিখতে হবে। কারও দুর্ভোগকে উপভোগ করা যাবে না। পালবেঁধে নয়, একা একা চলার অভ্যাস করতে হবে। মনে রাখতে হবে- ভেড়ার পাল যতো বড়ো হয়, ভেড়ার ভাগ্যও ততো ছোটো হয়।

    প্রশংসা করতে হবে পরিমিতভাবে। প্রশংসা করার আগে ভেবে দেখতে হবে, লোকটি প্রশংসার যোগ্য কি না। প্রশংসা পেতে পারেন, এমন কোনো কৃতিত্ব তার আছে কি না। কাউকে রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশংসা করা যাবে না। কেউ সরকারি টাকায় কিছু করে দিলে, তার জন্য প্রশংসা করতে হবে করদাতাদের। কারণ করদাতারা টাকার যোগান না দিলে, তিনি ওই কাজটি করতে পারতেন না। যারা জনগণের টাকার কৃতিত্ব নিজেদের পকেটে নিতে চান, তাদের ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে।

    আরও দেখুন
    শিক্ষার
    শিক্ষা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    ই-বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার সেবা

    হ্যাঁ, কেউ যদি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, তবে তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে পারেন। কিন্তু তোষামোদ করা যাবে না। ধন্যবাদ ও তোষামোদ এক জিনিস নয়। কারও কাজে খুশি হলে তাকে পরিমিত ভাষায় আপনার খুশি হওয়ার ব্যাপারটি জানিয়ে দিন। এতে তিনি কাজ করতে উৎসাহ পাবেন। কিন্তু কখনো অতিরঞ্জিত প্রশংসা করে তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেবেন না। কারণ প্রশংসা একপ্রকার ঘুমের বড়ি। এ বড়ির কাজ হলো– সক্ষম মানুষকে অক্ষম করে তোলা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিভার গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাহমুদুল হকের গল্প
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }