Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026

    আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী

    July 15, 2026

    কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

    July 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    আবদুর রহমান আল-আরিফি এক পাতা গল্প91 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পর্দাবিরোধীদের তিনটি দলিল এবং তার জবাব

    পর্দাবিরোধীদের তিনটি দলিল এবং তার জবাব

    প্রথম দলিল

    হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস। যা ইমাম মুসলিম রাহিমাহুল্লাহ তার কিতাব সহিহ মুসলিম শরীফে উল্লেখ করেছেন। হাদিসটি হলো–

    عن جابر رضي الله تعالى عنه أن التي صلى الله عليه وسلم وجه في آخر خطبة العيد للنساء .. ثم أمر النساء بالصدقة .. قال جابر : فقامت امرأة من يطة يا رسول الله ؟ .. إلى آخر الحديث … عاۓ اين فقال: الاء

    হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের খোতবা শেষে নারীদের দিকে মনোযোগি হলেন। তিনি তাদেরকে সদকা করার হুকুম দিলেন। তখন নারীদের মধ্য হতে মলিন চেহারার অধিকারীণী এক নারী দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল হে আল্লাহর রাসূল! কেন? (মুসলিম শরিফ, হাদিস নং-৮৮৫)

    হাদিসটিতে হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু প্রশ্নকারী নারীটির বর্ণনায় ‘মলিন চেহারার অধিকারীণী’ শব্দটি বলেছেন। বোঝা যায় সেই নারীর চেহারা তখন অনাবৃত ছিল।

    জবাব

    প্রথম কথা হলো এই ঘটনাটি হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু ছাড়াও আরো কয়েকজন সাহাবী বর্ণনা করেছেন। যারা সবাই ঈদের নামাযে শরিক ছিলেন এবং মেয়েটিকে দেখেছেন। হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু ব্যতিত হযরত আবু হুরায়রা, ইবনে মাসউদ, ইবনে আব্বাস, ইবনে ওমর, আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু-দের থেকে হাদিসটির বর্ণনা পাওয়া যায়।

    কিন্তু হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া অন্য কেউ সেই নারীর চেহারার বর্ণনা দেননি। সম্ভবত হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু সেই নারীটিকে পূর্ব থেকেই চিনতেন এবং পর্দার বিধান অবতীর্ণ হওয়ার আগে তাকে দেখেছিলেন। এটাও হতে পারে যে, ‘মলিন চেহারার অধিকারীণী’– তার উপাধী ছিল। আর হযরত জাবের ব্যতিত অপরাপর সাহাবীদের সেকথা জানা ছিল না।

    হযরত ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনায় ‘এক মহিলা’ শব্দটির উল্লেখ রয়েছে। যাকে সম্ভান্ত্র নারীদের মধ্যে গণ্য করা হতো না। (আল-মুসতাদরাক লিল হাকিম, ২/১৯০ ও মুসনাদে আহমদ, ১/৩৭৬)

    ইবনে ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনায় এসেছে– এক সুঠাম দেহসৌষ্ঠববিশিষ্টা নারী বলল’। (মুসলিম শরিফ, হাদিস নং-৭৯)

    ইবনে ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু দূর থেকে দেখেই তাকে সুঠাম দেহসৌষ্ঠববিশিষ্টা বলে আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু তার চেহারার কোনো বর্ণনা দেননি।

    ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনায় কেবল ‘এক মহিলা বলল’ এরূপ এসেছে। (বুখারী শরিফ, হাদিস নং-৯৭৯)

    হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহুও ‘এক মহিলা বলল’– বলে রেওয়ায়াত করেছেন। (মুসলিম শরিফ, হাদিস নং-৮০)

    হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা পাওয়া যায় মহিলাগণ বলল, হে আল্লাহর রাসূল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)’ (বুখারী শরিফ, হাদিস নং-৩০৪)

    হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু ব্যতিত সেখানে আরো পাঁচজন সাহাবী উপস্থিত ছিলেন। যাদের কারো বর্ণনায় মহিলাটির চেহারার কথা উল্লেখ নেই। সম্ভবত হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে আগে থেকেই জানতেন। হতে পারে মহিলাটি দাঁড়ানোর সময় তার চেহারা থেকে উড়না সরে গিয়েছিল আর ইত্যবসরে হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে দেখে ফেলেছিলেন। আর ফিকাহ শাস্ত্রের একটি সর্বস্বীকৃত মূলনীতি হলো কোনো রেওয়ায়েতের ব্যাখ্যায় সন্দেহ-সম্ভাবনার উপস্থিতি থাকলে, হয়তো এটা নয়তো ওটা– এরূপ সংশয় হলে সেই রেওয়ায়াতকে দলিল হিসেবে পেশ করণ ও গ্রহণ কোনোটিই বৈধ নয়।

    দ্বিতীয়ত যদি মেনেও নেয়া হয় যে, সেই নারীটির চেহারা খোলা ছিল, তাহলে এমনও হতে পারে যে, সেই নারীটি ছিল বয়োবৃদ্ধা। যার ওপর পর্দার আবশ্যিকতা ছিল না। আর এরূপ হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। কারণ, কোনো যুবতী নারী ভরা মজলিশে এতো পুরুষের সামনে দাঁড়িয়ে এমন নির্ভয়ে কথা বলতে পারে না। হয়তো সে নিজেকে বয়োজেষ্ঠ্য ভেবে দাঁড়িয়ে ছিল।

    তৃতীয়ত সেই মহিলাটি কোনো সম্ভ্রান্ত বংশীয় ছিল না। তদুপরি তার ‘মলিন চেহারার অধিকারীণী’ হওয়াটা সে বাঁদী হওয়ার প্রতি ইঙ্গিতবাহী। কারণ, সে যুগের দাসী-বাঁদীদের চেহারা এরূপই হতো আর ইসলামি শরিয়তে দাসী-বাঁদীদের জন্য চেহারার পর্দা ওয়াজিব নয়।

    চতুর্থত এটা পর্দার বিধান অবতীর্ণের পূর্বের ঘটনা হতে পারে। কারণ, ঈদের নামায ২য় হিজরীতে ওয়াজিব হয়েছিল। আর পর্দার বিধান অবতীর্ণ হয়েছিল ৫ম অথবা ৬ষ্ট হিজরীতে।

    দ্বিতীয় দলিল: খুসআমি মহিলার ঘটনা

    নারীদের চেহারা খোলা রাখার পক্ষে যারা বলেন– তাদের দ্বিতীয় দলিল হলো বুখারী শরীফে উল্লেখিত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একটি হাদিস।

    হাদিসটি হলো–

    اع: عبد الله بن عباس رضي الله عنما قال : أردف النبي -صلى الله عليه وسلم- الفضل بن الثي -صلى الله عليه وسلم – للناس يفتيهم فأقيلي اعام وكان الفضل الحلا وضيئا فوق -صلى الله عليه وسلم- فطفق األفضل ير وأحبه امرأة من خثعم وطبيئة تشتت ال الحها فالتفت النبي -صلى الله عليه وسلم – إلى الفضل وهو ينظر إليها فأخذ يذقن الفضل قعدل وځيه عن النظر إليها. متفق عليه.

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, একদা ঈদুল আযহার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযল ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু কে স্বীয় সাওয়ারীর পেছনে বসিয়ে নিলেন। ফযল ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু সুন্দর-সুপুরুষ ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের প্রশ্নের জবাব দিতে থামলেন। ইত্যবসরে খাসআম গোত্রের এক সুশ্রী নারী রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কিছু জিজ্ঞেস করল। হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহু তার দিকে তাকিয়ে রইলেন এবং তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেন।

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছনে তাকিয়ে দেখলেন ফযল সেই নারীটির দিকে তাকিয়ে আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চিবুক ধরে চেহারাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন’ (বুখারী শরিফ, হাদিস নং-৬২২৮)

    জবাব

    প্রথম কথা হলো আলোচ্য হাদিসে একথা সুস্পষ্টরূপে বর্ণিত হয়নি যে, মহিলাটির চেহারা অনাবৃত ছিল। মহিলাটিকে সুশ্রী বলা হয়েছে। আর কোনো মহিলার সৌন্দর্য সম্পর্কে অবগতি লাভের জন্য তার চেহারা দেখা জরুরী নয়। হাত-পায়ের সৌন্দর্য দেখেও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ও রূপ-লাবণ্যের সজীবতা অনুমান করা যায়। যদি বাস্তবিকই মহিলাটির চেহারা খোলা থাকত তাহলে বর্ণনাকারী তাকে وضيئة (সুশ্রী) শব্দ না বলে جميلة (সুন্দরী) বলত।

    দ্বিতীয়ত হাদিসের বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে দেখার পর তার (حسن) সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেন। এখানে বলা হয়নি যে, তার (جمال) রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হলেন। আরবী ভাষায় حسن এবং جمال শব্দদুটির মাঝে কিছুটা পার্থক্য আছে। جمال শব্দটিকে চেহারার রূপ-মাধুরী বোঝাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আসলে মহিলাটির মার্জিত চাল-চলন হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহু কে প্রভাবিত করেছিল। তাই বর্ণনাকারী এখানে حسن শব্দটি ব্যবহার করেছেন। চেহারার কমনীয়তার বর্ণনা করতে চাইলে তিনি অবশ্যই جمال শব্দটি ব্যবহার করতেন।

    তৃতীয়ত ধরে নিলাম যে, মহিলাটির চেহারা তখন অনাবৃত ছিল। তাহলে হজ ইত্যাদিতে নারীদের জন্য চেহারা খোলা রাখা জায়েয হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর মুখ অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতেন না। কারণ, তিনি তো কোনো হারাম কাজে লিপ্ত ছিলেন না।

    চতুর্থত হযরত আলী ইবনে আবি তালিব রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা রয়েছে, হযরত আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার চাচাত ভাইয়ের ঘাড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন কেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি একজন যুবক পুরুষ ও যুবতী নারীকে দেখলাম এবং তাদের দুজনের ব্যাপারে শয়তানের (প্রতারণার) আশঙ্কা করছিলাম। (মুসনাদে আহমদ, ১/৭৫)

    অতএব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহু এর ঘাড় শুধু এই ভেবেই ঘুরিয়ে দেননি যে, তিনি যেন এক সুন্দরী নারীর অপরূপ দেহের দিকে তাকান এবং তার সুমিষ্ট কণ্ঠের মনোহরী বচন শুনতে না পান। বরং নেপথ্য কারণ এটাও ছিল যে, হযরত ফযল রাযিয়াল্লাহু আনহুও একজন সুদর্শন যুবক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আশঙ্কা হচ্ছিল যে, তাকে দেখে সেই মহিলাটিও ফেতনায় পড়ে যাবে। তিনি উভয়ের দিকে উভয়ের দৃষ্টিপাত না হওয়াটা কামনা করছিলেন। আর এভাবেই তিনি দুজনের জন্যেই ফেতনার দ্বার রুদ্ধ করে দিলেন।

    আলোচ্য হাদিসটির কোথাও ওই মহিলাটির চেহারা খোলা থাকার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই। বরং হাদিসটি চেহারার পর্দার আবশ্যিকতার ব্যাপারে আরেকটি মজবুত দলিল।

    তৃতীয় দলিল

    ইমাম আবু দাউদ রাহিমাহুল্লাহ তার কিতাবে একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন–

    عائشة أن أسماء بنت أبي بكر دخلت على رسول الله صلى الله عليه اعر خالد بن دريك ع يصله وسلم عليها ثياب رقاق فأعرض عنها وقال : يا أسماء إن المرأة إذا بلغت المحيض خدا ان یری منها إلا هذا وهذا ، وأشار إلى وجهه وكفيه.

    হযরত খালিদ বিন দুরাইক উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন– একদা আসমা বিনতে আবু বকর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এখানে আসলেন। তার গায়ের কাপড়টি পাতলা ছিল। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন এবং বললেন, আসমা! প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর মেয়েদের চেহারা ও হস্তদ্বয় ব্যতিত শরীরের অন্য কোনো অঙ্গ দৃশ্যমান হওয়া উচিত নয়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪১০৪)

    জবাব

    এই হাদিসটি যঈফ (দূর্বল)। এটিকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করা যাবে না।

    কারণ :

    * হাদিসটি বর্ণনা করার পর ইমাম আবু দাউদ রাহিমাহুল্লাহ নিজেই লিখেছেন যে, এটি খালেদ ইবনে দুরাইকের পক্ষ থেকে একটি মুরসাল রেওয়ায়াত। খালেদ ইবনে দুরাইক হযরত আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা এর যুগের ছিলেন না।

    * এই হাদিসের সনদে সাঈদ বিন বশীর আবু আব্দুর রহমান বসরী নামের এক রাবী আছেন। মুহাদ্দিসীনে কেরাম যাকে যঈফ বলেছেন। যার বর্ণিত হাদিসকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করা হতো না।

    * হাদিসের সনদে কাতাদাহ এবং ওলিদ বিন মুসলিম নামী আরো দুজন রাবী আছেন, যারা হাদিস বর্ণনায় ‘তাদলিস’ করে থাকেন। তাই তাদের থেকে বর্ণিত হাদিস প্রমাণ হিসেবে পেশযোগ্য নয়।

    উপরিউক্ত তিনটি দোষের কারণে হাদিসটি যঈফের স্তরে পড়ে। সুতরাং এটিকে দলিল হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।

    এতটুকু পড়ার পর সারা কিতাব থেকে মাথা তুলল। মিহার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল, আমার কাছে এ ব্যাপারে চতুর্থ আরেকটি জবাব আছে। যা থেকে প্রমাণিত হয় যে, এই হাদিসকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে সম্বোন্ধ করা ঠিক নয়। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রী হযরত আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা এর সাথে বসে আছেন। আর ওনার শালিকা আসমা– যিনি হযরত আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে দশ বছরের বড় ছিলেন, পাতলা কাপড়ের পোষাক পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে এসে যাবেন! বিষয়টি কিছুতেই বোধগম্য হবার নয়।

    কেননা অজ্ঞতার যুগের আরব নারীরাও যথাযথ পর্দা করত। সে যুগের এক নারীর ঘটনা। একবার রাস্তা দিয়ে চলার সময় হঠাৎ বেখেয়ালে তার মাথা থেকে উড়না খসে পড়ল। সে তৎক্ষণাৎ এক হাতে উড়না ধরল আর অন্য হাতে দ্রুত চেহারা ঢেকে নিলো। এ দৃশ্য দেখে এক কবি একটি কবিতা আবৃতি করল–

    سقط الصيف و ترد إسقاطه *

    فتناولته واقتنا باليد

    উড়নাটি তার পড়ে গেছে খসে, স্বেচ্ছায় নয় ভুলে

    এক হাতে সে মুখটি ঢেকেছে অন্য হাতে উড়না তুলে

    (দিওয়ানুন নুবাগা জিবয়ানী ১: ২৪)

    একবার ভাবো, প্রাক-ইসলাম যুগের নারীরাই যদি পর্দার ব্যাপারে এতটা সচেতন থাকে, তাহলে ইসলাম-যুগের নারীরা কেমন হবে?

    বেশ, এবার বেপর্দার সূচনা কিভাবে হলো, সেই ঘটনাটি বলো।

    সারা ঘড়ির দিকে তাকাল। হায় আল্লাহ! আমার আব্বা আমাকে নিতে আসার সময় হয়ে গেছে।

    না, সারা! ওই ঘটনা না শুনে আমরা তোমাকে ছাড়ছি না। মিহা ও উরাইয জিদ ধরল।

    আচ্ছা, শোনো তাহলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026
    Our Picks

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

    July 15, 2026

    আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য – আব্দুল হামীদ ফাইযী

    July 15, 2026

    কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

    July 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }