Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ২

    ।। দুই।।

    রাতেই অতীশ ভেবেছিল, স্ত্রীকে চিঠি লিখবে। ওর ধারণা ছিল, নির্মলা তার এটাচিতে খাম রেখে দিয়েছে। কারণ কোথাও গেলে নির্মলার এটা স্বভাব। পৌঁছেই একটা চিঠি। সময়মত চিঠি না পেলে নির্মলা ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু এটাচিটা খুলে দেখল, খাম অথবা পোস্টকার্ড কিছুই দেয়নি। নির্মলার এত বড় ভুল হয় না। পরে মনে হল, নির্মলা ওকে ছেড়ে থাকতে হবে ভেবে খুব ভেঙে পড়েছিল। কারণ বিয়ের পর সে অতীশকে ছেড়ে বেশিদিন থাকেনি। কলকাতায় অতীশ যাচ্ছে। সেখানে কি কাজ কি মাইনে, কিছুই জানা নেই। সেখানে এমন মাইনে আশা করে না যাতে করে বাসা ভাড়া করে থাকতে পারে অতীশ। বাসার খরচ চালিয়ে এমন উদ্বৃত্ত আর অতীশের হবে না, যাতে করে বাবা-মা ভাই-বোনেদেরও ভরণপোষণ করতে পারে। ফলে নির্মলা ভেবেছিল, অতীশ প্রবাসী হযে গেল। তার সঙ্গে মাঝে মধ্যে এবার থেকে কখনও সখনও প্রবাসী মানুষের মতোই দেখা হবে। এই বিরহে সে ক’দিন থেকেই পীড়া বোধ করছিল এবং ভুলটাও তার সে জন্য হয়েছে।

    চিঠিটা লেখা খুব জরুরী ভাবল। চিঠিটার জন্য নির্মলার অপেক্ষা কি গভীর সে এ-মুহূর্তে টের পাচ্ছে। নধরবাবু তাকে সাহায্য করতে পারে। সে নধরবাবুর কাছেই একটা খাম পেয়ে গেল। এবং ঘরে এসে প্রথমেই লিখল, কল্যাণীয়াসু—এখানে মঙ্গলমতো পৌঁছেছি। আজ থেকেই কাজে বহাল হলাম। মাইনে স্কুলে যা পেতাম আপাতত মনে হচ্ছে তার চেয়ে বেশিই হবে। মূল প্রাসাদ সংলগ্ন একটা দোতলা বাড়িতে এক কামরার ঘর দিয়েছে। সেখানে আছি। কোনও অসুবিধা নেই। তারপরই লেখার ইচ্ছে হল, কিছু কিছু ঘটনা চোখে খুব ঠেকে। কিন্তু এটা লেখা যুক্তিযুক্ত ভাবল না। নির্মলার স্বভাব একটুকুতেই ভেঙে পড়া। তখন ওর শরীর ভেঙে পড়ে। বিয়ের আগে নির্মলা ভারি সুন্দর ছিল দেখতে। চোখে মুখে বালিকাসুলভ হাসি লেগেই থাকত। কিন্তু একজন স্কুল শিক্ষকের পক্ষে আর্থিক নিরাপত্তা তত প্রবল ছিল না বলে তাকে প্রায়ই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তুলত। আর বিয়ের বছর পার না হতেই পেটে মিণ্টু হাজির। তখন নির্মলার এমনও মনে হয়েছে অতীশ অবিবেচক। অতীশ বাইরের বারান্দায় অনেকদিন চুপচাপ সন্ধ্যায় নির্জনে বসে থেকেছে সেজন্য। বারান্দা থেকে গাছপালার ফাঁকে কিছু নক্ষত্র দেখা যেত আকাশে। অনেক দূরের নক্ষত্র দেখতে দেখতে সে এক রহস্যময় জগতে ডুবে যেত। সেই জগৎ স্বপ্নের মতো। কোনো দূরাতীত স্বপ্ন তাকে তাড়া করে বেড়ালে, নির্মলা বলত, এই অন্ধকারে চুপচাপ কেন। আমি তোমাকে কিছু বলেছি! তুমি রাগ করেছ?

    অতীশ নির্মলার কথায় বলত, না না। এমনি বসে আছি।

    নির্মলা বলত, তুমি মাঝে মাঝে এত কি ভাব বলত!

    —কী ভাবি!

    —বাবা কখন থেকে প্রসাদ নিতে ডাকছে।

    —বৈকালি হয়ে গেছে?

    —কখন! কাঁসিঘণ্টা বাজল শুনতে পাওনি। কোথায় চলে যাও বলত!

    অতীশ বুঝত সে ধরা পড়ে গেছে। সে বলত, গল্পের একটা চরিত্র ভারি কূট খেলা খেলছে। ঠিক ধরতে পারছি না।

    অতীশ সমুদ্র থেকে ফিরে আসার পর পত্রপত্রিকায় ছোট্ট একটা খবর বের হয়েছিল। সেই খবর থেকেই অতীশ কোনও কাগজের সম্পাদকের নজরে পড়ে গেছিল। একটা লেখা লিখেছিল, সুনাম পেয়েছে। দুটো একটা লেখা লিখলে সযত্নে ছাপা হয়ে যায় বলে বাড়তি কিছু পয়সা আসে। ফলে চর্চা করে লেখার। এমন কথায় নির্মলা আর কোন অভিযোগ তুলতে পারত না। সে বলত, এস খাবে। বাবা তোমার জন্য বসে আছেন।

    তারপরই কেন জানি মনে হল অতীশের, অসীম অনন্ত আকাশের নিচে জীবন বয়ে যায়। তার জীবন বয়ে যাচ্ছে, ভাঙা হাল ছেঁড়া পাল নৌকায়। কখনও হাওয়া বয়, পালে হাওয়া লাগে। মনে হয় জীবন বড়ই মনোরম। কখনও হাওয়া থাকে না, পালে হাওয়া লাগে না—নিঝুম চারপাশ, বড়ই গুমোট। চাকরি ছেড়ে দেবার পর এমন মনে হয়েছিল তার। আবার পালে বাতাস লেগেছে—নিরুদ্দিষ্ট যাত্রা—কারণ সে জানে না, কোথায় কিভাবে সে শেষপর্যন্ত কোন ঘাটে নোঙর ফেলবে। সে এ- জন্য তার চিঠিতে চাকরি পাবার কথাটা খুব উৎসাহের সঙ্গে প্রকাশ করতে পারছে না। চাকরি সম্পর্কে দ্বিধা আছে এখনও। তারপর সেই মানুষটার ফিসফাস কথাবার্তা। তুমি খুন হয়ে যাবে নবীন যুবক– ঘরের চারপাশটা সে দেখল, বড়ই জীর্ণ আবাস। অনেকদিন এদিকটায় প্রাসাদের কোনও সংস্কার হয়নি। দেয়ালের কোথাও ইট বের হয়ে আছে। ছাদের কড়ি বরগা আলগা। চাপা পড়তে পারে—আসলে কি এই ঘরটায় তাকে থাকতে দিয়েছে বলেই মানুষটা তাকে এভাবে সতর্ক করে দিয়ে গেল। সে ভাবল, কালই কুমার বাহাদুরকে বলবে, একটা ভাল থাকার ঘর দিন। ভয় করে। যে কোনও সময় ধসে পড়তে পারে সব। এ-সব কিছুই চিঠিতে অবশ্য লেখা চলে না। আর কি লিখবে বুঝতে পারছে না। বাবা-মার খবর, ঠিকমত পত্রের জবাব, টুটুল এবং মিণ্টুর খবর নিতে পারে। সে ত শেষ লাইনে এগুলি লিখবেই। নির্মলাকে আরও কিছু লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। আসলে এত ছোট চিঠি পেলে নির্মলা দুঃখ পাবে। সে লিখল, নির্মলা আমি ফেমিলি কোয়ার্টার পাব মনে হচ্ছে। পেলে, এখানকার কোনও স্কুলে যদি কোনরকমে তোমাকে ঢুকিয়ে দিতে পারি তবে খুব অসুবিধা হবে না। আমার টাকায় বাড়ির খরচ, তোমার টাকায় ওখানকার খরচ! তুমি নিজেও জান, তোমাকে ছেড়ে আমি থাকতে পারি না। এক রববারের ছুটিতে চলে যেতে পারি। কবে যাব লিখব না! গিয়ে অবাক করে দেব।

    আর কি লিখবে! লিখতে পারে! প্রাসাদের কথা লিখলে চিঠিটা বেশ বড় হয়ে যাবে। সে লিখল সব ঘুরে ফিরে দেখলাম। কলকাতার ওপর এমন খোলামেলা জায়গা আশাই করা যায় না। একটা খুদে সাম্রাজ্য বলতে পার। প্রাসাদের চারপাশে বিরাট জেলখানার মতো পাঁচিল। বাইরে থেকে মনে হবে, কেউ থাকে না বাড়িটাতে। ভেতরে ঢুকলে টের পাওয়া যায় সব। বড় বড় দুটো পুকুর, খেলার মাঠ, গোয়ালবাড়ি, বেয়ারা, বাবুর্চি খানসামাদের থাকার জন্য একটা ছোটখাট পাড়া আছে। ছোট ছোট ঘর—বস্তির মতো কিছুটা। বাবুদের জন্য মাঝারি সাইজের ঘর। কিছুটা ছিমছাম। প্রাইভেট সেক্রেটারির জন্য আলাদা দোতলা বাড়ি। গাছপালা ফুলের বাগান সবই আছে। তুমি থাকলে আরও ভাল লাগত নির্মলা। তারপরই কেন যে লিখল, আমি সাঁতার কাটছি। পারে উঠব বলে সাঁতার কাটছি। কতদিন থেকে সাঁতার কাটছি। ঠিক একদিন তীর দেখতে পাব। আর তখনই মাথার মধ্যে ঠুক ঠুক করে কে যেন তার পেরেক পুঁতে দিচ্ছে।

    —না ছোটবাবু,সামনে কিছু দেখা যাচ্ছে না।

    —কিছু না?

    —না।

    —পাখিটা?

    —এলবা এলবা! ছোটবাবু চিৎকার করে ডাকতে থাকল; হোয়েআর ইউ আর। নট ইন দা স্কাই, নট আপন দা সি—হোয়েআর ইউ আর? অতীশ চিঠি লেখা বন্ধ করে দিল। ছোটবাবু তুমি কে, তুমি কেন আবার আমার মধ্যে ঢুকে যাচ্ছ! তোমাকে আমি কবে কোথায় রেখে এসেছি ঠিক মনে করতে পারছি না। আসলে মনে করতে পারছি না, না মনে করতে আর চাই না। তুমি মাঝে মাঝে এমন বিড়ম্বনায় ফেলে দাও কেন! কেমন আচ্ছন্ন বোধ করি। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, আমার একসময় একজন ছোটবাবুর জীবন ছিল। তারপরই কেমন অসহায় চোখে তার দিকে কে যেন তাকিয়ে থাকে। সেই চোখ দুটো কবেকার দেখা যেন—মাথার মধ্যে স্মৃতি কামড় বসালে সে অস্থির হয়ে ওঠে। এবং সে জানে, ছোটবাবু তার ভিতর ঢুকে গেলে তার আর সারারাত ঘুম হবে না। শুধু এ-পাশ ও- পাশ করবে। একা থাকলে এসব বেশি মনে হয়। পাশে নির্মলা থাকলে, মিণ্টু টুটুল থাকলে সেই স্মৃতি সহজেই সে ভুলে থাকতে পারে। এবং বিড়ম্বনার হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্যই অতীশের মনে হল, নির্মলাকে কাছে রাখা দরকার। তা না হলে সে পাগল হয়ে যেতে পারে। বংশে এটা আছে। এবং সেই শৈশবের কোনও পাগল মানুষের জীবন, তার জীবনে এসে ধীরে ধীরে ভর করার যেন একটা চক্রান্ত করছে।

    কারণ কখনও মনে হয় কোন সমুদ্রগামী জাহাজের সে নাবিক, কখনও মনে হয়, গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে সে পথ হাঁটছে। আবার কখনও দেখতে পায় নীল আকাশ, বিশাল সমুদ্র, একটা অতিকায় পাখি, নিরিবিলি আকাশ, সব শেষে একটা সামান্য বোটে সে আর এক বালিকা। কখনও মরীচিকার মতো সমুদ্রের অপদেবতারা তার পিছু নেয়। সেইসব অপদেবতারা যেন এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। জলে ছলাৎ ছলাৎ শব্দ, ছায়া ছায়া মূর্তি, সব কঙ্কালের মতো কী যেন হাওয়ায় ভাসমান। একে একে নেমে আসছে তারা। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে চাইছে। আর এলবার ডাক, এলবা যেন সেই অপদেবতাদের প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য মাঝে মাঝেই হাঁকছে—আমাকে অনুসরণ কর। একদিন না একদিন ডাঙ্গা দেখতে পাবে। ডাঙ্গা দেখতে পেলেই অপদেবতারা আর ভয় দেখাতে পারবে না।

    অতীশ একসময় দেখল, খাম খোলা, চিঠি লেখা বন্ধ। অন্য এক যুবক এসে তাকে বলছে, কি কেমন আছ? সে কে? দেখতে পেল, সে আর কেউ নয়, সেই ছোটবাবু। তার আগেকার স্মৃতি।

    ছোটবাবু বলল, আমি মরে গেছি ভেব না।

    অতীশ বলল, জানি।

    —তুমি পাপ কাজ করেছ।

    অতীশ বলল, না না আমি কোনও পাপ কাজ করিনি।

    —তুমি খুন করেছ। কেউ সাক্ষী নেই। কেবলমাত্র আমি এখনও সাক্ষী।

    অতীশ বুঝল, আজ তাকে ছোটবাবু আবার জ্বালাবে। সে বাথরুমে ঢুকে চোখে মুখে জল দিল। ঘাড়ে জল দিল। ভাবল স্নান করলে ভাল হয়। সে তারপর স্নান করে নিল। এবং সে বাইরের দিকে তাকাল। গাড়ি-বারান্দার বড় আলোটা জ্বলছে। ঘরে ঘরে আলো। মানুষজন অনেক থাকে এ বাড়িতে। রাত খুব বেশি হয়নি। গাঁয়ের মতো ন’টা বাজলেই যে বেশি রাত ভাবা সেটা এখানে অচল। বরং যেন সারাদিন সব মানুষের খাটাখাটনির পর এখন একটু হৈ-চৈ করা। পাশের ঘরে কারা তাস খেলছিল। এদের কাউকে সে এখনও ভাল চেনে না। তাস খেলায় তার কোনও আকর্ষণ নেই। সে খেলাটা কখনও শেখার চেষ্টা করেনি। আজ কেন জানি তার মনে হল, সময় কাটাবার এমন একটা আকর্ষণ জীবনে তৈরি করা দরকার। এখন এই খেলাটা জানলে কত কাজে লাগত। আর যাই হোক ছোটবাবু অসময়ে এসে তাকে বিব্রত করতে পারত না।

    সে তাড়াতাড়ি চিঠিটা নিয়ে আবার বসল। বুঝতে পারল জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন আর এক লাইন বেশি ভাবা যায় না। সে চিঠিটা সংক্ষিপ্ত করল। খুব ছোট চিঠি। এবং খামে ভরে ঠিকানা লিখে বের হয়ে গেল। এখন তার চারপাশে কিছু মানুষজন দরকার। অন্তত রাস্তায় বের হয়ে যদি হাঁটতে হাঁটতে দোকানপাট দেখতে দেখতে আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে।

    ছোটবাবু বলল, পালাচ্ছ কেন?

    —কে পালাচ্ছি!

    —পালাচ্ছ না! কিন্তু যাবে কোথায়?

    —কোথাও না।

    —খুব সাধুজন হয়ে গেছ না?

    অতীশ বলল, দেখ ছোটবাবু আমি নিজেকে সাধুজন ভাবি না। তবে আমি খারাপ মানুষ না। ভাল থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করছি। স্কুলে তুমি দেখলে ত কেমন চক্রান্ত করছিল তারা।

    —তোমার জন্য ওদের অসুবিধা হচ্ছিল। ওরা তা সহ্য করবে কেন?

    —তাই বলে মিছিমিছি আমাকে ভাউচার সই করে দিতে হবে। যা নয় তাই লিখতে হবে!

    —লিখলেই পারতে। চাকরি ছাড়ার কি হল!

    অতীশ বলল, ওদের সঙ্গে পেরে উঠছিলাম না।

    —এখানেও পেরে উঠবে না, যতদূরেই যাও একজন আর্চি তোমাকে অনুসরণ করবেই।

    —আমি মানি না।

    সিঁড়িটা অন্ধকার। অতীশ পা টিপে টিপে নামছিল। সিঁড়িতে তবে কেউ আলো জ্বেলে দেয় না। হয়ত দেওয়া হয়, কেউ আলোর ডুম চুরি করে নিয়ে যায়। সে পা টিপে টিপে নামছিল। ছোটবাবু এখনও গা ঘেঁষাঘেঁষি করে আছে। প্রায় তার শরীরের সঙ্গে লেপ্টে থাকার মতো। যখনই কোনও অনিশ্চিত জীবনে সে পা দেয়, তখনই ছোটবাবুর যেন পোয়াবারো। ছোটবাবু না আর্চির! আবার পাওয়া গেছে। সে নামতে নামতে বলল, কতক্ষণ আমাকে অনুসরণ করবে! দেখি কতক্ষণ করতে পার! আমি গেলে তিনি খুব খুশী হবেন। জানো রাধিকাবাবুটি কুমারবাহাদুরের খুব বিশ্বাসীজন। এ- রাজ-বাড়িতে পাকশালায় প্রথম কাজ নিয়ে এসেছিল কুমারবাহাদুরের বাবার আমলে। সেই মানুষ এখন রাজবাড়ির অফিস সুপার। খুব প্রতাপ মানুষটির। তিনি নিজে এসে আমাকে ঠিকঠাক হয়ে না বসা পর্যন্ত বাসায় খেতে বলেছেন। খুব আপনজনের মতো ব্যবহার।

    এ-সব ভাবতে ভাবতে সে নিচে নামল। সামনে সবুজ লন, সারি সারি কামিনীফুল এবং গন্ধরাজ ফুলের গাছ। কিছু ফুলের গন্ধ আসছিল। সে দাঁড়িয়ে গা ঝাড়া দিল। কাউকে ঝেড়ে ফেলতে চাইল। দেখলে কেউ ভাববে মানুষটার জামার মধ্যে পোকা ঢুকে গেছে। সে গোপনেই এসব করে থাকে। কারণ তার জানা আছে সবার সামনে সে এটা করলে তার মধ্যে কিছু অস্বাভাবিক ব্যাপার আছে টের পাবে। আর তখনই অন্ধকার ছায়া থেকে কে যেন উঠে এসে বলল, না না জামা ঝাড়বে না। ওখানে কিছু নেই।

    আরে সেই লোকটা! যেন বিয়েবাড়ি থেকে নেমন্তন্ন খেয়ে ফিরছেন। পরনে আদ্দির পাঞ্জাবি পাটভাঙা ধুতি। হাতে বেলফুলের মালা। একা। সঙ্গের সেই লাঠিয়ালটিও নেই। পায়ে শু চকচক করছে। খুবই দিলদরিয়া মেজাজ। মুখ কামানো।

    অতীশ বলল, আপনি!

    এই ভ্রমণ সেরে এলাম।

    —কোথায় গেছিলেন?

    —রাজবাড়ি।

    —এটাই তো রাজবাড়ি।

    —ধুস। বলে, ছোটবাবুর হাত চেপে ধরল। বলল, নবীন যুবক, একা থাকতে ভয় পাচ্ছ!

    —না না। রাধিকাবাবুর বাসায় যাব বলে বের হয়েছি।

    অতীশের চোখমুখ রাস্তার আলোতে স্পষ্ট। সে ভাল করে অতীশের মুখটা দেখল। বলল, না না এভাবে ভয় পাওয়া ঠিক না। আমি এভাবে ভয় পাই না। আমার সঙ্গে এস। ভয় পেলে মানুষের জীবনে করার কিছু থাকে না। আমার মতো তোমাকে তখন ভূতে পেয়ে বসবে।

    লোকটা তার হাত ধরেই আছে। যেন কত চেনাজানা মানুষ। নির্বান্ধব শহরে বড়ই বান্ধব। হাত ছাড়ছে না। গা থেকে আশ্চর্য সুবাস উঠছে। অতীশ কি করবে ভেবে পেল না। কি বলবে বুঝতে পারল না।

    —দাঁড়িয়ে থাকলে কেন, এস।

    —কোথায়?

    —কেন, আমার ঘরে। তখন উঁকি দিয়েছিলে, এখন ভাল করে দেখে যাও।

    —আপনার ওখানে যাওয়া বারণ।

    —কে বারণ করেছে!

    নাম বলতে অতীশ ইতস্তত করছিল। তারপর মনে হল, তখন সেই বাবুটি তো তাঁকে দেখেছে। তাঁর সামনেই সতর্ক করে দিয়ে গেছে অতীশকে। সে বলল, কেন দেখেননি!

    —অ হ, নধর। সেই ইতর লোকটা। রাজার খায়, রাজার দাড়ি উপড়ায়। ওর কথা তোমাকে শুনতে কে বলেছে!

    —না, উনি তো…..।

    —আরে কিছু না। এ-বাড়িতে কার তেজ কত, কখন কতটা থাকে কেউ কিছু বলতে পারে না। অতীশ ভেবে পেল না এমন কেন হয়। দুপুরে এই লোকটাকেই আটকে রাখা হয়েছিল। এখন এই লোকটা ভীষণ তেজের সঙ্গে কথাবার্তা বলছে। মাথায় যেন কোনও গণ্ডগোল নেই! একেবারে সংসারী মানুষের মতো কথাবার্তা।

    —আরে এস এস। নবীন যুবক, তুমি অত কি ভাবছ। সংসারে যত ভাববে তত মরবে। অতীশ অগত্যা লোকটাকে অনুসরণ করল। সিঁড়ি পার হয়ে দোতলায় উঠতেই দেখল, চুনট করা শান্তিপুরী ধুতি পরনে। যেন কেউ তাকে সাজিয়ে দিয়েছে।

    লোকটির কি তবে কারাদন্ড হয়েছিল। রাজবাড়িতে গোপনে কি সেই আগেকার বিচারের বিধিব্যবস্থা আছে! নির্দোষ প্রমাণিত হবার পর পুরস্কার মিলেছে! স্বৈরাচারী রাজরাজড়াদের এমন খামখেয়ালীর কথা সে বইয়ে পড়েছে। কে জানে সে যে এখানে দুম করে চাকরিটা পেয়ে গেল, সেটাও কোনো খামখেয়াল কিনা। সে ভয়ে ভয়ে অগত্যা তাঁকেই অনুসরণ করতে থাকল। এই মানুষটাকেই এ-বাড়িতে স্বাধীন মনে হল তার। সে তাঁর খুশিমতো চলে। পছন্দ না হলে, তালা দিয়ে রাখে, পছন্দ হলে বেশভূষায় সাজিয়ে দেওয়া হয়। কোনো কিছুতেই তাঁর যায় আসে না। আজ এমন কি ঘটেছে যার জন্য মানুষটির কপাল খুলে গেল! অতীশের কিছুটা কৌতূহল, সেই দুপুর থেকে এই লোকটা তাকে অজস্র চিন্তা- ভাবনার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাকে বলে গেল কেন, তুমি খুন হয়ে যাবে নবীন যুবক।

    ওরা যেতেই তাস খেলার কেউ একজন বলল, ঐ যায়। আর একজন বলল, ও মানসদা ছুটি মিলেছে বুঝি!

    —তাস খেলছ খেল। বাজে কথা বল কেন?

    লোকটার নাম তবে মানস। সে বলল, মানসদা আপনার ঘরে যাওয়া আমার ঠিক হবে?

    —আমি তোমাকে খেয়ে ফেলব ভাবছ।

    —না তা না….

    ওরা তখন দরজার কাছে এসে গেছে। মানসদা দরজায় দাঁড়াতেই একজন নফর লোক তাকে কুর্নিশ করল। সে মানসদার ঘরদোর সব সাফ করে দিচ্ছে। ঝাড়পোঁচ করছে। ধুলো উড়ছিল। মানসদা অতীশকে বলল, নাকে রুমাল দাও। শহর আর গাঁয়ের ধুলো এক মনে কর না, এখানকার ধুলোতে সংক্রামক ব্যাধির জীবাণু খুব বেশি থাকে।

    প্রায় বস্তাখানেক ছেঁড়া কাগজের টুকরোর একটা ডাঁই। এই ঘরে এত ছেঁড়া কাগজ আসে কি করে! অতীশ একটুকরো ছেঁড়া কাগজ তুলতেই দেখল ওতে গুঁড়ি গুঁড়ি লেখা। পিঁপড়ের মতো, আলোটা জোর নয় বলে সে পড়তে পারছে না। মানসদা কেমন ক্ষেপে গিয়ে ওর হাত থেকে টুকরো কাগজটা ছিনিয়ে নিল, তুমি বড়ই আহাম্মক দেখছি। এ-সব পড়তে হয় না। অনেক গূঢ় কথা লেখা আছে। এমনিতেই মাথা খারাপ করে ফেলেছ, এ-সব পড়ে আরও মাথা খারাপ হয়ে যাক আর কি! এই বেটা, বাঙ্গাল ভূত, কাগজগুলি নিচে নিয়ে পুড়িয়ে দিবি?

    —তাই অর্ডার আছে হুজুর।

    মানসদা কেমন ভূত দেখার মতো অতীশকে দেখল। ছোঁড়াটা মরবে। তারপর মুখ চেপে দিল হাতে। একটা কথা না আর। তোমাকে ঢুকতে দিয়েছি এ-ঘরে। মনে রাখবে, অনেক জন্মের পুণ্যফল এটা। তুমি জান না, কতটা তোমার অধিকার। তারপর পা টপকে শুচিবাই মানুষের মতো নিজের খাট পর্যন্ত গেলেন। সোফা আছে, সেন্টার টেবিল আছে, পাখা আছে, ঘরের ফাটলে কিছু লেখা গোপনে ঢুকে যাচ্ছিল, অতীশ সেই লেখা দেখতে গেলেও টেনে আনল। বলল, বোসো। ঠিক হয়ে বোসো। অন্যের গোপন লেখা দেখতে হয় না। অনেক দেশ-টেশ ঘুরেছ শুনেছি—এ আক্কেলটা হয়নি কেন?

    তারপর সোফায় বসে ওপরের দিকে চাইলেন। গুনগুন করে গানের কলি ভাঁজলেন একটা—ও ফুলবনে যেও না ভোমরা। তোমার কেমন লাগছে সুরটা। খাওয়া হয়েছে? অসুবিধা হলে বলবে।

    এতগুলো প্রশ্নের একসঙ্গে জবাব দেবে কিভাবে। সে বলল, বেশ ভাল ঘর। বড়। একজনের পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু অতীশ বিস্মিত, এই মানুষটি প্রায় তার সব জানে। সে বলল, বিদেশ-টিদেশ ঘুরেছি আপনাকে কে বলল?

    এটা রাজার বাড়ি। নবীন যুবক, তোমার নাম অতীশ দীপঙ্কর ভৌমিক। স্কুলে মাস্টার ছিলে। পোষাল না। ছেড়ে দিলে। এখানে সব চাউর হয়ে যায়। এখানে কিছু গোপন থাকে না। কত পাপ এ-বাড়িতে, সবাই মনে করে বড়ই গোপন—কাকপক্ষীতেও টের পায় না! তারপর থেমে থেমে বললেন, নবীন যুবক, ঈশ্বরের বাগানের চেহারাটাই এই। এত ভাব কেন?

    নফর লোকটা ছেঁড়া টুকরো কাগজগুলো এখন বারান্দায় বস্তাবন্দী করছে। পরনে খাকি হাফ- প্যান্ট হাফ শার্ট। ছেঁড়া। জায়গায় জায়গায় ছিট কাপড়ে তালি মারা। সে তারপর আবার ঘরে ঢুকে দেখল, কোথাও যদি ভুলক্রমে এক টুকরো থেকে যায়, না নেই। নিশ্চিন্তে সে সেই গন্ধমাদনটি মাথায় নিয়ে চলে গেল। মানসদা উঠে গিয়ে লোকটার নির্গমন দেখলেন। এবং বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে থাকলেন। এ ঘরে অতীশ আছে যেন তাঁর আর মনেই নেই। সে এবার ভাল করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল। দেয়ালে হিজিবিজি লেখা। কাঠ কয়লা পেনসিল, ইটের টুকরো যখন যা হাতের কাছে পাওয়া গেছে তাই দিয়ে লেখাগুলোর কাজ সারা হয়েছে। আর বিচিত্র সব জীব-জন্তুর মুখ। এসব যেন পৃথিবীর নয় অন্য কোন সৌরলোকের। প্রতিটি জীব-জন্তুর নিচে কিছু লেখা। উঠে না গেলে পড়া যাবে না। কিন্তু উঠতে সংকোচ হচ্ছে। অথবা বড় সংক্রামক ব্যাধির মতো সেই যে ভয় গ্রাস করেছে তাকে তা থেকে, সে কিছুতেই অব্যাহতি পাচ্ছে না। সে কারণে সে বসেই থাকল। জীব-জন্তুগুলো কাছে গিয়ে দেখতে পেল না। কিছুটা হাঁসজারু হাতিমি বকচ্ছপের মত এরা দেয়ালে উঁকি দিয়ে আছে। ছবিগুলো দেখে শিল্পীর নিখুঁত হাতের প্রশংসা করতেই হয়। চারপাশের দেয়ালে এমন সব হিজিবিজি অজস্র লেখা আর জীব-জন্তুরা একত্রে কতদিন থেকে যেন বাস করে আসছে।

    তখনও মানসদা দাঁড়িয়ে আছেন রেলিং ভর করে। অতীশ দেখল, বিছানার চাদর বালিশের ওয়াড় পাট ভাঙা। এই মাত্র বদলে দিয়ে গেছে কেউ। সেন্টার টেবিলে ফুলদানি, ওতে রজনীগন্ধার গুচ্ছও রাখা হয়েছে। তাজা শিশির বিন্দুর মতো ফোঁটা ফোঁটা জল লেগে আছে গায়ে। সে হাত দিয়ে দেখল, হাতে জল লাগছে। এত তাজা আর নিটোল ফুলের পাপড়ি—আর দেয়ালে অস্বাভাবিক সব কথাবার্তা। অদৃশ্য গোপন ইচ্ছার এক প্রিয়তম খেলা। গানের কলি থেকে তার মনে তখনই কিছু প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। কিন্তু মানসদা রেলিঙে এখনও অনড়। কি দেখছেন! সে তখন দূর থেকেই দেখতে পেল, সেই বড় মাঠটায় অগ্নিশিখা। তারপর দাউদাউ করে কি জ্বলে উঠল। মানসদা আগুনে কাকে যেন জ্বলতে দেখলেন—তাঁর সর্বস্ব কেউ যেন জালিয়ে দিচ্ছে। তিনি ঘরে ফিরে বললেন, ঈশ্বরের বাগানে রোজ এমন কত ঘটনা ঘটছে, কে আমরা তার খবর রাখি।

    অতীশ দেখল মানুষটির চোখ এখন ভারি বিষণ্ণ। তার সঙ্গে আর একটি কথা বলছেন না। বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে পড়েছেন। যেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন। কারণ মানুষটার শরীর কেঁপে কেঁপে যাচ্ছিল। খোলস বদলাবার সময় সরীসৃপদের যাতনার মত এক অতীব যাতনা সারা শরীরে তার কষ্টের সূচ ফোটাচ্ছে কেউ।

    অতীশ এতে ভারী বিড়ম্বনা বোধ করল। কিছুই জানতে পারছে না। কাউকে কোনও প্রশ্ন করতে পারছে না। নতুন মুখ সব। এসে বুঝেছে—এখানে অদৃশ্য কিছু চক্রান্ত সব সময়েই চলছে। দৈবের মতো হঠাৎ তা কারো মাথার ওপর নেমে আসে। যখন টের পাওয়া যায় তখন আর করার কিছু থাকে না।

    সে অগত্যা বলল, উঠছি মানসদা।

    মানসদা কেমন সংবিং ফিরে আসার মতো বললেন, তোমার খাওয়া হয়ে গেছে?

    —আজ্ঞে না।

    —আমরা একসঙ্গে খাব। অনেক খাবার। অনেক। তুমি সঙ্গে থাকলে আমি খাওয়ায় স্বস্তি পাব।

    আর তখনই অতীশ প্রশ্ন করল, আমি কেন খুন হয়ে যাব? খুন হয়ে গেলে কে একসঙ্গে বসে খেতে পারে বলুন?

    —নবীন যুবক,—বলতে বলতে তিনি উঠে বসলেন। তোমার চোখ এত গভীর কেন। তুমি কি সুদূরের কিছু দেখতে পাও?

    সে বলল, আমার কথার জবাব দিন।

    —নবীন যুবক, অনেক দিন হয়ে গেল, মাঠঘাট পার হয়ে কোথাও যাবে বলে রওনা হয়েছিলে। শেষে এক রাজার বাড়িতে হাজির। রাজা তোমাকে নিয়ে এসেছেন তাঁর ভাঙা প্রাসাদের ফাঁক-ফোকর বন্ধ করার জন্য। কোন গর্তে তুমি হাত দেবে কে জানে। কোথায় কালসাপ ফণা তুলে আছে গর্তে বাইরে থেকে কি করে বুঝবে। মাথায় হাত পড়লে তোমায় তারা ছেড়ে দেবে ভাবছ?

    অতীশ প্রতিটি কথা স্পষ্ট শুনতে পেল। সে বলল, একজন খাঁটি মানুষ কিন্তু আমাকে বলেছেন স্ট্রাগল ইজ দ্য প্লেজার।

    —পারলে কোথায়। তা’হলে পালালে কেন? মাস্টারি ছেড়ে পালালে কেন?

    অতীশ দেখল তখন দুজন বয় বাবুর্চি। দরজার পাশে দাড়িয়ে একজন খানসামা। লাইন বন্দী হয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে। হাতে তাদের নানা রকমের কারুকাজ করা প্লেট। প্লেটে রকমারী সুস্বাদু খাবার। সেন্টার টেবিল সরিয়ে বড় ভাঁজ করা টেবিলে খেতে দেওয়া হয়েছে। সাদা চাদর বিশাল। মাঝে একটা প্রজাপতি উড়ছে। দূরে একটা টিকটিকির ছবি। লেজ নাড়ছে টিকটিকিটা। প্রজাপতিটা জানেও না পেছনে একটা রাক্ষস। লোভে লালসায় লেজ নাড়ছে। যে কোন মুহূর্তে তাকে গিলে ফেলতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }