Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ২৩

    ।। তেইশ।।

    শিউপূজন ওর খাটিয়াতে শুয়ে আছে।

    ভাঙা চালের নিচে একটুকুন ছায়া। ঝিরঝিরে হাওয়া কলকাতায় বয়ে যাচ্ছে। কাকের উপদ্রব বাড়ছে। ওর চারপাশে আজকাল কাক উড়ছে খুব। শরীরে পচা গন্ধটা ভুরভুর করছে। সেই গন্ধে কাকেরা সব উড়ে আসে। ওর চালে খাটিয়ার পাশে কা কা করে ডাকে। ভয়ে সর্বক্ষণ সে তার ঘা ঢেকে রাখে। কখন কোন ধান্দাবাজ কাক ঠুকরে দেবে—ভয়টা সেখানেই। বাইরে কল, কল থেকে জল পড়ছে। ওর রক্ষিতা গত মাসে মারা গেছে। সেই থেকে সম্বল তুলসীদাসী রামায়ণ। মনে হাবিজাবি চিন্তার উদয় হলেই সুর করে রামায়ণ পড়তে বসে যায়। মেয়েমানুষ বাদে জীবন রুক্ষ মাঠের মত। একটা মাস মনে হয় গোটা একটা সাল। শরীরে এত পোকামাকড় আর কটু গন্ধ মানুষের থাকলে মানুষ বাঁচে কি করে! খুব দার্শনিক ভঙ্গীতে চোখের উপর হাত রেখে জীবনের হরকিসিম কিসসার কথা ভাবছিল।

    তখনই দেখল, ম্যানেজারবাবু কারখানার অফিসঘরে ঢুকছেন। শিউপূজন সম্মান দেখানোর জন্যে উঠে বসল। বলল, রাম রাম বাবুজী।

    অতীশ ঘাড় বাঁকিয়ে দেখল শিউপূজনকে। বলল, রাম রাম। হাত পা ব্যান্ডেজ করা একটা রুগ্ন মানুষ তেজী ঘোড়ার মতো বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। সংসারে কেউ নেই। দেশে নেই, ঘরে নেই। অতীশ শুনেছে, কি করে লোকটা অনেক টাকার মালিক। দু-পাঁচশ টাকা সহসা কারখানার দরকার হলে শিউপূজনকে বললেই দিয়ে যায়। সে কারখানার একটা শেড সেই কবে থেকে দখল করে আছে। আগের ম্যানেজার ওকে থাকতে দিয়েছিল। ডাইসপত্রের নিপুণ কারিগর বলে, লোকটা কোম্পানির পক্ষে খুবই দরকারী। এখনও খুব জটিল কোনও ডাইসপত্রে কোনও গন্ডগোল দেখা দিলে শিউপূজনের ডাক পড়ে। এই একটা কাজে সে এখনও পৃথিবীর দরকারী মানুষ।

    অতীশ ভাবল, আসলে শিউপূজন একটা ঘাটের মড়া।

    কিন্তু লোকে এটা টের পাবে বলেই শিউপূজন জোরে জোরে হাঁটার চেষ্টা করে। সাবলীল থাকতে চায়। ভাড়া আদায়ের সময় গরম কথা বলে। দুনিয়ায় যতক্ষণ বাস ততক্ষণ নড়েচড়ে বেড়াতে হবে! সে মোদ্দা কথাটা বুঝেই ঘরে বেড়া দেয়, চালে টালি দেয়, বিছানা রোদে দেয়, দোকান থেকে ঝাল খাবার আনিয়ে হুসহাস খায়। পাতে মাছি বসলে রাগ করে। জলে ফিটকারি দিয়ে রাখে। সর্বোপরি গন্ধ দূর করবার জন্য ঘরে সব সময় আতর ছড়িয়ে দেয়।

    অতীশের কেন জানি মনে হল পচন, এই হচ্ছে পচন যাকে বলে সারাটা কালই মানুষ বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে পচন ধরাচ্ছে। শেষে সেই নদীর পাড় এবং অগ্নিকুন্ড। সে বসল তার চেয়ারে, ড্রয়ার খুলল, কি দেখল, নিজেও জানে না। অভ্যাসবশে সে কাজগুলি করে যায়। তার যেমন চেয়ারটায় বসলে হাই ওঠে, আজও উঠল, অবশ্য রাতে ঘুম হয়নি, শরীরে কেমন একটা জ্বর-জ্বর ভাব।

    শিউপূজনের কথাবার্তা ধার্মিক মানুষের মতো। কথায় কথায় রামের বনবাস, সীতা হরণ, দুরাচারী রাবণের কথা বলে উদাহরণ দেবার মোক্ষম একটা প্রয়াস থাকে। পুণ্যের জয়, পাপের পরাজয় এই বোধটা লোকটার ভীষণ। রক্ষিতা সম্পর্কে সে কখনো চিন্তাশীল হয়নি। ভাড়া আদায় করা এবং কাক- পক্ষীকে খাওয়ানো তার ধর্মীয় কাজ। সে কালীঘাটে ফী হপ্তা রিকশা করে যায়। সেদিন একটা রিকশা দিনমান তার হেফাজতে থাকে।

    কপালে লাল চন্দনের ফোঁটা পরে। গরম পড়লে মাথায় দেশী কায়দায় ফেটী বাঁধে, ফুল, বেলপাতাসহ একটা বড় ঠোঙা আনে মিষ্টির। সেটা সে ছোঁয় না। বস্তির কার্তিক মল্লিকের সেজ ব্যাটা তখন তার সঙ্গী। সেই এসে ঘরে ঘরে প্রসাদী ফুল, বেলপাতা বিলোয়। আর বাকি ছয়-দিন ঘর আর খাটিয়া। সন্ধ্যায় দেশোয়ালী মানুষ আসে। সে মোমবাতি জ্বালিয়ে সুর ধরে রামায়ণ পাঠ করে শোনায়

    অতীশ একদিন এতো পুণ্যবান থাকার চেষ্টার বিষয়ে প্রশ্ন করলে যা বলেছিল তাতে বুঝেছে শিউপূজন এখন যা করছে সবই পরকালের জন্য। ইহকালে তার আর করার কিছু নেই এবং সে ভেবে ফেলেছে পরকাল তার খুবই উজ্জ্বল। সে পরকাল থেকে আবার পৃথিবীতে আসবে, নতুন মানুষ, শরীরে কোন রক্তপুঁজ নেই। ঘা নেই, ব্যথা-বেদনা নেই। সতেজ এবং সুশ্রী মানুষ। কোন এক অলৌকিক পৃথিবী থেকে সে তার সব জরা-ব্যাধি এমনকি মৃত্যুকেও জয় করে আসবে।

    অতীশের মনে হলো, শিউপূজনের ভরসা আছে, তার কিছুই নেই। সে এ সময় খুব অন্যমনস্ক হয়ে পড়লো। ঘরে কেউ নেই। ফোনটাও বাজছে না। ও ঘরে কুম্ভবাবু আসেন নি। সকালে কুম্ভবাবুর রাজবাড়িতে কি নাকি জরুরী কাজ আছে। সে বাসায় এসে বলে গেছে—অফিসে যেতে তার দেরি হবে। পাশের শেডে ঘটাং ঘটাং শব্দ। বোধহয় প্রিন্টিং মেশিনের প্লেট সেট করা হচ্ছে। বেলটিং তুলে দিচ্ছে কেউ এবং মোটর চালাবার আওয়াজে সে বুঝল কাজ পুরোদমে চলছে। সে কম কথার মানুষ। অর্ডারপত্র বেড়েছে। কুম্ভবাবুর আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও অর্ডারের অভাব ঘটেনি। কিন্তু সে বুঝতে পারে বাঘকে উপোসী রাখার মতোই সে আগুন নিয়ে খেলা করছে। মনের মধ্যে এই বিষয়টা সহসা খচ্ করে কামড় দিল। কুম্ভবাবুর উপরি রোজগার একদম বন্ধ বলা যাচ্ছে না। এখনও কিছু হচ্ছে। এই কিছু হওয়াটা বন্ধ করতে না পারলে অতীশ স্বস্তি পাচ্ছে না। এবং আরেকটা কাঁটা মাধব। সে জানে মাধব শুয়ে আছে পুরোনো বাড়ির রকে। রাস্তায় আসতে রকটা পড়ে। সে তার কারখানার কর্মীর এমন দুরবস্থা দেখবে না বলেই পট্টিবাজারটা ঘুরে আসে। রাজরোগে আক্রান্ত তার কারখানার কর্মী শুয়ে আছে রকে। দেখলে মনে হবে ম্যানেজার পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

    এখনও কিছু অতীশ করে উঠতে পারে নি। কুম্ভবাবু বলেছে, ঘুষ দিলে পরদিনই বেড পাওয়া যাবে। না দিলে পাবেন না। কলকাতায় না এলে অসুখ বিসুখের জন্য ঘুষ দিতে হয় অতীশ জানত না। কিছুক্ষণ পরেই কুম্ভবাবু এল। এসেই দু’ হাত ছড়িয়ে টেবিলে বসল—দাদা সুখবর।

    অতীশ জানে পৃথিবীতে আর তার সুখবর থাকতে পারে না। স্ত্রী অসুস্থ, টুটুলের জলের বাই, মিণ্টু বড় হচ্ছে, বাবা টাকার প্রত্যাশায় বসে থাকে, লেখার বিড়ম্বনা, মাথার মধ্যে আছে ঘায়ের মতো বিষণ্ণ এক পাপবোধ। সে ঘুষ দিয়েছে এবং তার যে সম্ভ্রমটুকু ছিল মনুষ্যত্বের, তাও এই কুম্ভবাবুরা হরণ করে নিল। সে কোনও সুখবরের প্রত্যাশা করে না। গেল রাতে আর্চি তাকে জ্বালিয়েছে। এই ক্লেশ থেকে আত্মরক্ষার কোন উপায় তার জানা নেই। শুধু একদিন টুটুলকে পিতা পিতামহের নাম বলার সময় কেন জানি মনে হয়েছিল এই বলার মধ্যে কোথাও তার পাপ খন্ডনের পরিত্রাণ থাকতে পারে। কুম্ভবাবু তার দিকে তাকিয়ে আছে এখনও। কুম্ভবাবু আশা করছে সে কিছু বলবে। অগত্যা কুন্তই ফের বলল—আপনার মাইনে বাড়ছে।

    —বাড়ছে কেন?

    কোথায় খুশি হবে, কোথায় সারা মুখে তৃপ্তি দেখা দেবে, তা না প্রশ্ন!

    —রাজা খুব খুশি।

    অতীশ বলল, ঘুষ দিলে রাজা খুশি থাকে জানতাম না।

    —জানলে ঘুষ দিতেন না?

    —না।

    —আপনি সত্যি একটা আবাল মানুষ দাদা।

    আবাল কথাটা তাকে বিড়ম্বনার মধ্যে ফেলে দিল।

    সে বলল—আবাল মানে?

    —ঐ নিজের কথা যে ভাবে না।

    —আমি তো নিজের কথা ছাড়া আর কিছু ভাবি না কুন্তবাবু। সব সময় নিজেকে নিয়ে বিপন্ন

    —কোথায় দাদা, মাইনে বাড়ছে, কত বাড়ছে, কবে থেকে বাড়ছে কিছুই বললেন না? শুধু বললেন, বাড়ছে কেন? এমন কথা কি কেউ বলে? আর কার বাড়ছে জিজ্ঞেস করলেন না? খুব গোপন দাদা, আমারও বাড়ছে।

    —বা বেশ। খুশী আপনি?

    —কি যে বলেন দাদা, খুশী হব না? এ কটা টাকায় চলে? কি মাগগি গন্ডার বাজার। রাজা মাইসে যাবার আগে অর্ডার করে গেছেন।

    কে খবর দিল এ প্রশ্নটা অবান্তর। ঠিক রাধিকাবাবুর খবর। সব সময়ই রাধিকাবাবু রাজবাড়ির খবর আগে পায়। তারপর পায় রাধিকার ছেলে কুম্ভ। কুম্ভ সেইসব খবর বয়ে আনে কারখানায়। সব সময় অতীশকে ভয়ের মধ্যে রাখে। এখনও রাজার সবচেয়ে বিশ্বাসভাজন হলেন তার বাবা রাধিকাবাবু। কুম্ভের পেছনে লাগতে গেলে সাপের ল্যাজে পা পড়বে। কথাবার্তায় কুম্ভ যেন অতীশকে এ বিষয়টাতে সজাগ রাখতে চেষ্টা করে।

    অতীশ বললো—আজ একবার ই এস আই অফিসে যান, বেডের কি হলো দেখুন

    —আপনি দাদা বেড বেড করে পাগল হয়ে গেলেন। এদিকে মাধব কি করেছে জানেন?

    অতীশ বললো—কি করেছে?

    —পয়সা রোজগারের ধান্দা। শালা মনুষ্য জাতটাই বেজন্মার বাচ্চা। অতীশ বুঝতে পারল না, ই এস আই-এর কথায় পয়সা রোজগারের ধান্দা এলো কোত্থেকে। সে নিজের ভয়ের কথা বললো না। রাস্তায় কালীবাড়ির সামনে পুরনো বাড়ির রোয়াকে মাধব বসে থাকে। ঝড় বৃষ্টি হলে পাশের শেডে গিয়ে বসে। নিমাই-এর বৌ খাবার দেয় দুপুরে। চাঁদা করে খাবারের পয়সা তোলা হচ্ছে। অতীশকেও দিতে হয়। কারখানার সব কর্মচারী এক দু টাকা করে দেয়। এবং ওষুধপথ্য যা আসছে তার কিছু নাকি চুরি করে মাধব বিক্রি করে দিচ্ছে। আরো যা খবর কুম্ভবাবু দিল তাতে সে তাজ্জব বনে গেল। বলল, বেড পেলেও ও হারামজাদাকে নিয়ে যেতে পারবেন না।

    অতীশ কি বলবে বুঝতে পারছে না। সে ভয়ে অন্য রাস্তা ধরে আসে কারখানায়। কারণ রাস্তার দু’পাশের মানুষগুলো দেখবে ঐ সিট মেটালের ম্যানেজার যায়। মাধব ওর কারখানায় কাজ করে বুকের ব্যামো বাধিয়ে বসেছে। অস্থানে কুস্থানে ফেলে রেখেছে এবং সব দায় যেন অতীশের—মানুষগুলো তাকে দেখে এমন ভাবতে পারে। এজন্য ভয়ে সে আজকাল ঘুরে আসে কারখানায়। সে দূর থেকেও দেখেছে, মাধব করুণস্বরে ডাকে, জোরে জোরে কাশে, যদি মানুষের দয়া হয়। সে হাত পেতে থাকে। পয়সা ভিক্ষা করে। এক দুদিন করতে করতে স্বভাবে দাঁড়িয়ে গেছে এখন এবং শিব মন্দিরের পুণ্যার্থীরা পূণ্য অর্জনের জন্য দু পয়সা পাঁচ পয়সা দিয়ে যায়। একটা পুঁটুলি বানিয়ে ফেলেছে রেজগি পয়সার। এতসব খবর কুম্ভ এক নিশ্বাসে বলে গেল। অতীশ মাথা নীচু করে শুনল।

    তারপর বলল—মাধব ইচ্ছে করে কারখানার অসম্মান করছে।

    অতীশ ভেতরে ভেতরে রুক্ষ হয়ে উঠছিল। সে বলল—এটা ইজ্জতের প্রশ্ন কুম্ভবাবু। কুম্ভ বলল—ইজ্জতের কথা বলছেন কেন?

    —মাধব সিট মেটালের কর্মী সবাই জানে। ওকে যেভাবেই হোক ওখান থেকে তুলে আনতে হবে।

    —জানলে বয়ে গেল।

    —সিট মেটালের একজন কর্মী রাস্তায় পড়ে থাকবে বলছেন কি!

    —তাহলে কোথায় পড়ে থাকবে, কোথায় রাখবেন? কেউ ঘর দেবে না ওকে

    —রাস্তা থেকে তুলে নিন। দেখি কি করা যায়।

    —রাখবেন কোথায়?

    অতীশ উঠে দাঁড়াল, বলল—আসুন।

    সদর রাস্তায় সিট মেটালের একজন কর্মী ভিক্ষা করছে! অতীশের মাথাটা কেমন গরম হয়ে উঠল। অসহায় অবস্থানের চেয়েও মারাত্মক ভিক্ষাবৃত্তি। যেন সারাটা কারখানার ইজ্জত নিয়ে টানাটানি করছে মাধব। অতীশ লাফিয়ে পার হয়ে গেল দু’নম্বর গেট।

    ডান দিক ধরে ঘুরে গেল। লেদ শপের পাশ দিয়ে ঘুরে বার্নিশ ঘরে ঢুকে ডাকল—এই শক্তি, এই পঞ্চা এদিকে আয়।

    কাঠের কিছু বাক্স প্যাকেজের জন্য রাখা। অতীশ সব নিজেই ঠেলেঠুলে সরিয়ে দিতে থাকল। কর্মীরা এই মানুষটাকে আর কিছু না করুক, বড় সমীহ করে। কোন দুষ্ট প্রভাবে না পড়লে তারা অতীশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে না। এবং কেউ কেউ ছুটে এসে দু’হাতে সরিয়ে দিচ্ছে সব। কুম্ভের মনে হচ্ছিল পাগলামি। সে চুপচাপ দেখে যাচ্ছে। আসলে সে কোনো গোপন রন্ধ্রপথ খুঁজছে যদি কোনও মওকা পাওয়া যায়।—অতীশ নামক বেয়াড়া জেদী মানুষের হাত মুচড়ে দেবার। ফলে সে যেন তামাশা দেখার মত উপভোগ করছে। কোন প্রশ্ন করছে না।

    অতীশ বলল—এই জায়গাটা খালি পড়ে থাকে। ওদিকের দরজা খুলে দিলে কারখানার সঙ্গে কোন যোগাযোগ থাকবে না। শিউপূজনের ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়া আসা করবে। আপনার কি মনে হয়?

    কুম্ভ খুব গম্ভীর গলায় বলল, আচ্ছা হবে। অফিসে চলুন।

    কুম্ভ জানে এখানে এই কর্মীদের সামনেই অতীশ কত বড় ইম্‌প্রাকটিক্যাল তা সে প্রমাণ করতে পারে। কিন্তু সদ্য মাইনে বেড়েছে এবং এত বড় অঙ্কের মাইনে রাজবাড়ির কনসার্নে কস্মিনকালে একধাক্কায় কারো বাড়েনি। এ বিষয়ে অতীশবাবুর পুণ্যফলই সব, সুতরাং এ সময়ে সে সবার সামনে মানুষটাকে নাকানি-চোবানি খাওয়াতে চায় না। কৃতজ্ঞতা বলে কথা। সে শুধু বলল আসুন, আসুন না আপনি!

    কুম্ভ আরো জানে লেবার জাতটাই নেমকহারাম। যত দেবে, তত দাবি বাড়বে। ওদের সামনে সে বলতেও পারে না, আপনি কি ক্ষেপেছেন মশাই! কার জায়গা! আপনার না আমার? কোম্পানির জায়গা, আপনি দেবার কে? হ্যাঁ, হয় সবই হয়। বোর্ড মিটিং-এ রেজলিউশন নিন। প্রস্তাব পাস হলে আপনি থাকতে দিতে পারেন। কেউ জানল না, ডিরেকটররা সব বাইরে, রাজা গেছেন মাইন্‌সে, আর তখন কিনা কথা নেই, বার্তা নেই একটা রাস্তার লোককে ধরে আনছেন। জায়গা দিচ্ছেন। জায়গা দিলে মৌরুসীপাট্টা পেয়ে যাবে না? আর উঠবে? ব্যাড প্রিসিডেন্ট তৈরী হবে না! এ সবই বলতে পারত কুম্ভ। কিন্তু চতুর মানুষদের যা হয়, সে অত আবাল লোক নয়, লেবারদের সামনে বলে অপ্রিয় হবে। সে অফিসে এসে বলল—আনবেন না।

    —আনলে কি হবে। এমনিতেই জায়গাটা খালি পড়ে থাকে, পুরনো লোহালক্কড় কাঠের বাক্স গাদা মেরে পড়ে থাকে। একটা মানুষকে সেখানে রাখলে কি হয়?

    —অনেক কিছু হয়। মানুষের যে দাদা দুষ্টুবুদ্ধি আছে। লোহালক্কড়ের তা নেই। পড়ে থাকবে কোম্পানির কোন অনিষ্ট করবে না, এরা অনিষ্ট করবে। থাকতে দিলে, উঠতে চাইবে না, মামলা মোকদ্দমা করলেও তুলতে পারবেন না। সাধে কে কবে ঝাড়ের বাঁশ সেধে নেয় বলুন!

    অতীশ বললো—আমাদের কারখানার কর্মী তাই বলে রাস্তায় বসে ভিক্ষে করবে?

    —করুক না। কতো লোক তো করে। সরকারই পারে না, আর আপনি তো কোন্ ছার।

    অতীশ বুঝতে পারল কুম্ভবাবুর ভীষণ আপত্তি। এই মানুষটা তার সব কাজের বিঘ্ন। সে কিছুটা পরাজয়ের গ্লানি বোধ করতেই ভেতরের সেই মানুষ, এক গোঁয়ার মানুষ উঁকি দিয়ে যায়। অতীশ বলে ওঠে, এখন তো নিয়ে আসি। রাজা এলে কথা বলে নেব। সে সুধীরকে ডেকে বলল—মনোরঞ্জনকে ডাক।

    তারপর কুম্ভর দিকে তাকিয়ে বলল—আপনিও রাজার কাছে চলুন। হাসপাতালে বেড যতক্ষণ না পাওয়া যাচ্ছে, এখানে এনেই রাখি।

    কুম্ভ খুব বেশি আর আপত্তি তুলল না। ধর্মের দিক থেকে সে ঠিক আছে। সে বার বার বারণ করেছে। যখন সওয়াল হবে রাজার কোর্টে তখন সে বলতে পারবে, বার বার বারণ করা সত্ত্বেও অতীশবাবু অধমের কথা কানে তুললেন না। তখন সে রাজার আদালতে একজন বিচক্ষণ মানুষ বলে প্রমাণিত হবে এবং যা যা বলে রেখেছিল, তাই যে প্রমাণিত হলো, সেটাও রাজা দেখতে পাবে। এখন তাড়াতাড়ি অতীশের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার জন্যই সে বলল—আপনার ওপর কোনও কথা নেই। নিয়ে আসতে চান নিয়ে আসুন। কিন্তু দাদা তখন বলবেন না, কুম্ভবাবু সঙ্গে ছিল। আমি আপনার আদেশ শুধু পালন করছি।

    অতীশ বুঝতে পারে, ভেতরে কূট বুদ্ধি কুম্ভবাবুর। সব সময় তাকে পরাজিত করে মজা দেখার বাসনা। কুম্ভ বলেই রেখেছে, সরকারই পারে না। সরকার পারে না কথার অর্থ, সরকার তার ইজ্জত রক্ষা করতে পারে না। একটা সরকারের অধীনে মানুষ রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করে, পকেট মারে, ছিনতাই করে, রাস্তায় শোয় এসব বড়ই অস্বস্তিকর বিষয়। এত বড় সরকারের যখন চক্ষুলজ্জা নেই, তখন আপনার থেকে কি হবে?

    অতীশ বুঝতে পারল, সে আর এক পা এগোতে পারবে না। কারখানার অতিরিক্ত ঘরটায় লোহা- লক্কড় পড়ে থাকবে, তবু একজন মানুষের ঠাঁই হবে না। আইন কার জন্য সে বুঝতে পারল না। লোহালক্কড়ের জন্য, না মানুষের জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }