Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৪২

    ॥ বিয়াল্লিশ ॥

    না, বইটার মাথামুণ্ডু কিছু বোঝা গেল না। শুধু কিছু দৃশ্য অতীশকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। এটাই লাভ। ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের কার্ড পেলে সে সব বই দেখে না। আসলে দেখার সময় করে উঠতে পারে না। পোলিশ কিংবা চেক ছবি হলে তার গরজ আরও কমে যায়। ইংরাজি হলে তবু কোনরকমে বুঝে নিতে পারে, বাদবাকি খরচের খাতায়। বন্ধুরা বলেছে মিস করিস না। দারুণ বই। কারখানা থেকে বের হয়ে দারুণ বইটি দেখার জন্য তিনটেতে ঢুকেছিল। কার্ডখানা পকেটে আছে। বইয়ের নাম মনে রাখাও কঠিন। উচ্চারণ বিদঘুটে—তবু সে তার নিজের মতো নামকরণ করে নিয়েছে—অ আজার বালথাজার’।

    বইটা শুরু হয়ে গেছিল। অন্ধকারে সে হলে ঢুকেছে। টর্চ হাতে কেউ তাকে বসার জায়গাটি দেখিয়ে চলে গেছিল।

    নির্জনমতো জায়গা, খামারবাড়ির দৃশ্য—তারপর সেলুলয়েডে ভাসমান চিত্রাবলী এবং এক বালিকার মুখ। সাব-টাইটেল দেখে কাহিনী বোঝার মতো ধৈর্য্য তার নেই। মুশকিল, সাব-টাইটেল ভেসে উঠল, অর্ধেক পড়তে না পড়তেই মুছে গেল। আবার ভেসে উঠল। পড়তে না পড়তেই শেষ। সবটা পড়ে ওঠা যায় না। ফলে ছবিও দেখা হয় না। সাব-টাইটেলও পড়া হয় না। এ-সব কারণে সে সোজা ছবিটাই দেখে। যতটা উদ্ধার করতে পারে। এবং ছবিটার মধ্যে আশ্চর্য লিরিক আছে টের পায়। বিশেষ করে বালিকার মুখ যখন উঁকি দেয়, সেই ছেলেগুলি আসে, তারপর তাদের সঙ্গে কী করতে যে বের হয়ে যায়—কিংবা তাঁবু পড়েছে, একটা গাধাকে টেনে আনা হচ্ছে কেন বোঝে না। গাধা মঞ্চে উঠে পায়ে কী সব নাচ দেখাচ্ছিল। কেউ বলছিল অঙ্ক কষছিল। এসব শোনার কিংবা দেখার চেয়ে সেই বালিকা এবং প্রকৃতির সুষমার জন্য তার বেশি অপেক্ষা। বালিকার ফ্রক, নরম সরল সাদাসিধে চোখ এবং কখনও গভীর তরল হাসি—এসব তাকে টানছে।

    বোধ হয় কোনো পরিত্যক্ত বাড়িতে ঢুকে গেল—কেন ঢুকল সে কিছু বুঝছে না। তারপরই সেই অমোঘ দৃশ্য—তার গা শিউরে উঠেছিল। লং সটে ছবিটা ক্রমে এগিয়ে এসে ঝপাস করে চোখে ভেসে উঠল—বালিকা না নারী উবু হয়ে পিছন ফিরে দেয়ালের পাশে বসে আছে। সম্পূর্ণ উলঙ্গ। দু-হাঁটুর ভিতরে মাথা গোঁজ করে মুখ লুকিয়ে রেখেছে। তার পিঠ, শিরদাঁড়া এবং হাপরের মতো শ্বাস প্রশ্বাসে পিঠের ওঠা নামা থেকে নিতম্বের গুরুগম্ভীর ভাঁজ স্পষ্ট। সঙ্গে রক্তের দাগ বোধহয় নাভিমূলে। বোধ হয় তাকে ধর্ষণ করে গেছে কারা। কিংবা কী কারণে এমন দৃশ্য সে ঠিক মগজে আনতে পারছে না। ওর ফ্রক প্যান্ট নিয়েও পালিয়ে যেতে পারে। বালিকা লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছে না বলেই, কিংবা উলঙ্গ অবস্থায় তো আর ছুটে যাওয়া যায় না—অসহায় আর্ত অনিশ্চিত আশঙ্কায় পাঁচিলের আড়ালে বসে আছে।

    হল থেকে বের হবার মুখে শুধু এই দৃশ্যটাই তাকে তাড়া করেছিল। অন্যমনস্ক। বালিকার নিতম্ব এত সাদা এবং পুষ্ট হয়! মানুষের প্রলোভন আকস্মিক কোনও দস্যুবৃত্তি থেকে কি! এরা তো বালিকার পরিচিত। কিংবা অপরিচিত এমনও হতে পারে—সে যাই হোক গল্পের মাথামুন্ডু নিয়ে তার কোনো ভাবনাই নেই—শুধু কষ্ট হচ্ছিল নারীর এই উলঙ্গ ছবি দেখানোর কী অর্থ থাকতে পারে।

    আর তখনই মনে হল, কেউ সিঁড়ির মুখে ডাকছে। ভিড়। গুঞ্জন। সবাই ম্রিয়মান ছবি দেখার পর। এরা হয়ত সব বুঝতে পেরেছে। সে পারে না। তার নিজের এ জন্য বেশ অস্বস্তি আছে। তাড়াতাড়ি বের হয়ে যাওয়া দরকার—কিন্তু কে ডাকছে—সোনাবাবু। কে ডাকে! সোনাবাবু, সে তো নামটা গতজন্মে ফেলে এসেছে কোনো নদীর পারে। কে ডাকে!

    —সোনাবাবু চিনতে পারেছেন না!

    ঝকমকে এক যুবতী ত্রিশ পঁয়ত্রিশের। তার বয়সী। সে ঠিক বুঝতে পারল না। হাতে সোনার বালা। পরনে কটকি শাড়ি।

    —আপনি সোনাবাবু না?

    যুবতীর গলায় দ্বিধা, আশঙ্কা। সে ভুল করে ডাকেনি তো! যুবতীর কপালে নীল রঙের কাচের টিপ।

    সে কেমন জলে ডুবে যাচ্ছিল।

    সোনাবাবু, ধানের জমি, পাটের জমি, আতাফল, নদীর চর এবং তিলফুলের চাষ-আবাদ পার হয়ে নথ পরা এক বালিকা চোখে ভেসে উঠতেই সে বলল, তুই ফতিমা না?

    —হ। যাউক ভুইলা যান নাই। ইস কী কমু আমার না বুকটা কেমন করতেছিল! কখন থাইকা দ্যাখছি। হলে ঢুইকা গ্যালাম। সাহসে কুলাইল না। যদি ভুল কইরা ফ্যালি।

    সে কেমন চঞ্চল হয়ে উঠেছিল। অথচ সব আত্মগোপন করে বলল, তুই! আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, তুই ফতিমা, এখানে তুই, তোর সঙ্গে দেখা, না না… বলে সে তাড়াতাড়ি সিঁড়ি ধরে নেমে গেলে ফতিমাও নেমে এল। সামনে দাঁড়িয়ে বলল, কৈ যাইবেন। খাড়ন দেখি। ভাল কইরা দেখি।

    সে মনে মনে বলল, অ আজার বালথাজার। কিছু বুঝছি না।

    লোকজন ভিড়। ফতিমা সব ভুলে গেছে। ফতিমার যেন কোনো লাজ-লজ্জা নেই। সোনাবাবু তার সামনে দাঁড়িয়ে। ইচ্ছে হচ্ছিল, সেই তো! সারা গায়ে তার হাতের স্পর্শে টের পেতে চাইছে। দু-হাতে মুখের নাগাল পাবার চেষ্টা করছে। কী দীর্ঘকায়। সেদিনের খোকাবাবুটি, এত ছিমছাম! চোখ বড় বড় করে তাকে শুধু দেখছে। তারপরই হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে থাকল। বাইরে এসে গাড়ির দরজা খুলে বলল, বসেন।

    অতীশ কী করবে ভেবে পাচ্ছে না। একেবারে সব কিছু ঝকঝকে। বিদেশী গাড়ি, সোফার সাদা পোশাক পরে, মাথায় ফেজ টুপি। ভেলভেটের কাপড়ে মোড়া আসন। রিনরিন করে ভিতরে রবীন্দ্র- সঙ্গীত বাজছে।

    অচানক ঘটনায় অতীশ কিছু বলতে পারছিল না। হতভম্ব। যেন ফতিমার হাতের খেলনাটি কেউ গোপনে চুরি করেছিল, তা আবার ফিরে পেয়ে সব কিছু ভুলতে রাজি। বাবুটিকে নিয়ে কী করবে ভেবে পাচ্ছে না। কত কথা বলছে, বড় ঠাকুরের খোঁজ পাওয়া গ্যাছেনি! ধনমামা বাঁইচা আছেনি! রিনরিন করে বাজছে, কী বাজছে সে শুনতে পাচ্ছে না। কেবল সেই শব্দমালা ভেসে আসছে- অ আজার বালথাজার। অতীশ বোকার মতো পাশে বসে আছে। সেই ফতিমা—নাকে নথ, বাপের জমিতে ছাগল দিতে আসত। তাকে নিয়ে গোপাটে দৌড়ে যেত। ছুঁত না। ছুঁয়ে দিলে সোনাবাবুকে স্নান করতে হবে।

    এই সেই ফতিমা, কত রঙের কাঁচপোকা সে সংগ্রহ করে রাখত। তারপর কলাপাতায় কাঁচপোকা বিছিয়ে গাছের ছায়ায় পাশাপাশি বসে বলত, কোনটা পছন্দ। দ্যাখ। রোদে বৃষ্টিতে তোর জন্য ধইরা আনছি।

    —আরে ঠিক হইয়া বসেন। আমারে ছুঁইলে জাত যাইব না। পেঁয়াজ রসুনের গন্ধ নাই। দ্যাখেন! বলে ফতিমা হাত বাড়িয়ে দিতেই অতীশ বলল, তর চোপাখান দ্যাখছি কমে নাই।

    —আমার চোপা! না আপনের! চিনতেই পারলেন না চাইয়া থাকলেন! ভূত দ্যাখলেন!

    —ভূত ছাড়া কী! তুই আমারে কোনখানে নিয়া যাবি! তুই এখানে আইলি কবে! কোনখানে উঠছস!

    —যামু যেখানে খুশি। ডর নাই। কি, পেঁয়াজ রসুনের গন্ধ আছে! কন কথা কন।

    —তুই যে কইতি নিমপাতার গন্ধ, তখন বুঝি দোষ হয় না!

    —ফতিমা হাতখানা বাড়িয়েই রেখেছে।

    —আরে ঠিক হইয়া বসেন। পা দু-খান সামনে ঠেলে দেন। কিছু মনে রাখতে পারেন না। নিমপাতার গন্ধ কইতাম, না তুলসিপাতার গন্ধ!

    —যাউকগা, আইজ আর কাইজা না। বলে আঁচলে মুখ মুছল। হাল্কা প্রসাধন—গাড়ির ভিতর বিদেশী আতরের ঘ্রাণ। ফতিমার শরীরেও। কত বছর পর। বিশ বাইশ বছর।

    সে বলল, নাকে নথ না থাকলে চিনতে পারতাম না।

    —আমি-অ।

    —তুই আবার কী!

    —তুলসিপাতার গন্ধ।

    —ধুস তুই কি না। কোনখানে নিয়া যাবি! আমার গায়ে কী আর তুলসিপাতার গন্ধ আছে? অতীশের অজস্র প্রশ্ন। ফতিমার কথা আজকাল প্রায় মনেই পড়ত না। অথচ দেশ ছেড়ে এসে, ফতিমার কথা ভাবলেই চোখে জল চলে আসত। ফতিমা বলল, আছে। তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। আমি জানতাম। ফতিমা জানতাম বলেই কী যেন ভুল করে ফেলল। যেন সোনাবাবুর সঙ্গে এ-ভাবে কথা বললে তাকে ঠিক চেনা যাবে না। সেই গোপাট, সেই অশ্বত্থ গাছ, বাস্তুপূজার প্রসাদ, কিংবা কাঁচালঙ্কার জমিতে হামাগুড়ি দিয়ে যাওয়া। বাপজান ডাকছে, ফতিমা তুই কোথায়! সোনাবাবু বলছে, এই, বাড়ি যা। তোর বাপজান মারবে। ফতিমা চুপি চুপি বলত, থামেন। কেবল কথা কয়। তাইন আমার কর্তা হইছ্যান।

    সে বইটা জেমসে দেখতে এসেছিল। ফতিমা তাকে নিয়ে পার্কসার্কাসের দিকে যাচ্ছে। হাত বাড়ানোই আছে। প্রায় নাকের কাছে।

    সে বলল, এই কী হচ্ছে! নামা হাত!

    সোনাবাবু কথা না। আমাগ সোনাবাবু এ-ভাবে কথা কয় না। ফতিমা ভাবল। হাতে গন্ধ নাই ত!

    আসলে দুজনেই দুজনকে আবিষ্কার করে এত অভিভূত—এত মুগ্ধ এবং এক অনাবিল রহস্যময়তায় ডুবে গিয়ে এমন এক প্রতিমা নিরঞ্জনের বাজনা বেজে উঠেছে যে, কেউ কিছুক্ষণ প্রথমে কোনো কথাই বলতে পারেনি। কথা শুরু হল একেবারে সেই শৈশবের আগ্রহ নিয়ে। ‘এই কী হচ্ছে’ এমন বললে যেন সোনাবাবু সত্যি যব-গমের খেতে আবার অদৃশ্য হয়ে যাবে।

    অতীশ বলল, গাঁয়ে গেলে আমাদের বাড়িতে যাস? ফতিমা কথা বলল না। কেমন অন্যমনস্ক হয়ে গেছে। কোনোদিন আর সোনাবাবুকে খুঁজে পাবে সে স্বপ্নেও ভাবতে পারত না। সেই সোনাবাবুকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে। কত বছর পর পাশাপাশি দুজনে। তার দামী গাড়ির নীলচে গভীর অন্ধকারে সে অপলক সোনাবাবুর দিকে তাকিয়েছিল। গাড়ি ঢুকছে—গেটে দুজন পুলিশ। তারা দেখল আলম সাবের গাড়ি। ভিতরে তার বিবি আছে।

    ফতিমা ঢুকেই দৌড়ে সিঁড়ি ভাঙছিল—অতীশ গাড়িতেই। অতীশ শুনতে পাচ্ছে, শুনছেন, আপনি কোথায়? কাকে যেন বলল, সাব কোথায়, তারপর দ্রুত আবার নেমে আসছে। সাঁজ লেগে গেছে আলো জ্বলে উঠছে। ফতিমা এখানে এমন একটা পশ এলাকায় থাকে! কলকাতায় আট দশ বছর হয়ে গেল অতীশ এসেছে, তবে এদিকটা সে এখনও ভাল চেনে না। থাকে রাজাবাজারের কাছে এক রাজবাড়িতে। অফিস, বাসা, নয়, কফি হাউসে আড্ডা। পাকিস্তানের পতাকা উড়ছিল। কেউ সেটা নামিয়ে নিচ্ছে। সামনে দেবদারু গাছ, আকাশে দুটো একটা নক্ষত্র।

    সে নেমেই দরজা খুলে দিল। বলল, ডর নাই! ধইরা রাখুম না। উপরে উঠতে আইজ্ঞা হউক। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে দেখল তার বয়সী ছিমছাম মানুষ, পাজামা-পাঞ্জাবি পরনে। সদ্য রাথরুম থেকে স্নান-টান সেরে গলায় পিঠে পাউডার বুলিয়ে বের হয়ে আসছে।

    ফতিমা বলল, বলুন কে!

    ভদ্রলোক তার দিকে তাকিয়ে আছে। হাসছে। যেন এমন বোকার মতো প্রশ্ন করলে বুঝবে কী করে! কাকে সে সঙ্গে নিয়ে এসেছে! যেন এটা দাবি, চিনতে হবে। এত যার কথা শুনেছেন, তাকে দেখে চিনতে না পারলে ফতিমার যেন সম্মান রক্ষা হবে না। ভদ্রলোক মাথা চুলকে বললেন, জি আপনার সেই সোনাবাবু! গালে তিল আছে বলেছিলেন!

    ফতিমা কেমন সুখে তলিয়ে যাচ্ছিল। চিনতে পেরেছে। তারই বয়সের যুবক মুখে তিল এবং চোখ মুখ শান্ত স্বভাবের—বর্ণনা যেন মুখস্থ হয়ে গেছিল আলম সাবের।

    এ এক আপ্রাণ খেলা জীবনের। কখন যে কী হয়। ফতিমা ভুলেই গেছিল সেই ঠাকুরবাড়ি কিংবা বটবৃক্ষের কথা—কিংবা ছোঁয়াছুঁয়ি নিয়ে শৈশবে বাবুটির কত নাকানি-চোবানি! মঞ্জু ছিল তার শত্রুপক্ষ।

    —আপনে ছুঁইয়া দিলেন আমারে!

    —মিছা কথা কইস না ফতিমা।

    —কমু একশ বার কমু। আসেন আমার লগে।

    —না যামু না। সাঁজ লাইগা গ্যাছে, বাড়ি গেলে বকব।

    —আইবেন না! এত কাছে। এক দৌড়ে যামু। এক দৌড়ে ফিরা আইবেন। আমারে দিয়া আসেন।

    —তুই যা না! খাড়াইয়া আছি।

    কথা কাটাকাটি কত অকারণ। ফতিমা চাইত বাবুটি তার সঙ্গে মাঠে নেমে আসুক, কিংবা গোপাটে। অথবা শীতের দিনে মটরশুঁটির জমিতে। গ্রীষ্মের তরমুজের জমিতে। নদীর চরায় আঁচল উড়িয়ে বাবুটির সঙ্গে তার ঘুরে বেড়াতে কী যে ভাল লাগত! সে তার জামগাছতলায় দাঁড়িয়ে দেখত বাবুটি মাঠ পার হয়ে খেজুরতলায় নেমে এসেছে কিনা! কিংবা জমিতে মাথায় কলাই করা থালায় ভাত নিয়ে যাবার সময়ও দেখত, বাবুটি কোথায়! সারাক্ষণ এই বাবুটির পোকার কামড়ে অস্থির থাকত। কখনও মাঠ পার হয়ে ঢুকে যেত টেবার জঙ্গলে। বুনো ফল তুলত। বাবুর হাতে দিয়ে বলত, খান। অক্লেশে খেত। তারপরই মুখে এক অসহায় ছবি।

    —এই ফতিমা!

    —কন।

    —বাড়িতে কইস না কিন্তু

    —কী কমু না।

    —তুই আমারে ছুঁইয়া দিলি!

    —ঠিক আছে কমু না। আমি যা কমু করবেন কিন্তু।

    —ঠিক আছে করমু।

    এই ‘করমু’ কখনও অগ্রাহ্য করতে চাইলেই ফতিমার এক কথা। খাড়ন মজা বুঝাইতাছি। বড়মামী, সোনাবাবু আমারে ছুঁইয়া দিছে।

    হায় হায়, তুই ফতিমারে ছুঁইয়া দিছস! তরে লইয়া কী করমু। যা যা ঘাটে যা। ডুব দিয়া আয়। শীতের উত্তুরে হাওয়ায় সোনা কাঁপছে। হিমঠান্ডা জলে স্নান, সে কেন ফতিমাকে ছুঁয়ে দিলে ক্ষণিকের জন্য অচ্ছুৎ হয়ে যেত বুঝতে পারত না। তার কান্না পেত। তারপরই ফতিমাকে দেখলে পালাত। কখন যে ফতিমা রুষ্ট হবে বুঝতে পারত না।

    কখনও লটকন ফল নিয়ে আসত কোঁচড়ে। বামুনের বাড়ি। তার নানী সঙ্গে আসত। আলগা থাকত সব সময়। বড়জেঠি পিঁড়ি বের করে দিত। কাফিলা গাছের নিচে বসে কত কথা বলত। বড়ঠাকুর কেমন আছে! দুইখান কুমড়ার লতা দিয়া গেলাম! জমির নতুন উচ্ছে উঠলে দিয়ে যেত। বাড়ির আতাফল হলে দিয়ে যেত। বড়ঠাকুর গিমাশাক খেতে ভালবাসে, নদীর চরা থেকে খুঁটে খুঁটে তুলে আনত গিমাশাক। ফতিমা থাকত সঙ্গে। তখন কী ভাল মেয়ে। কোঁচড়ে লটকন ফল। ভাঙছে আর খাচ্ছে। সোনাবাবু দেখছে, আর জিভে জল এসে যাচ্ছে। কিছু বলতে পারছে না। ফতিমার কাছে গেলেই ভয়। সোনা আবার তুই ফতিমার পিছনে লাগছস! কিন্তু কে বোঝায়, ফতিমা লটকন ফল নিয়ে এসেছে লোভে ফেলে দেবার জন্য।

    কখনও বেথুন ফল। মেয়েটা ঝোপে জঙ্গলের কত খবর রাখে! চোখ টিপে দিলেই হয়ে গেল। সোনা ছুটে খেজুরতলায় চলে যায়। ঝোপে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে। ফতিমা পা টিপে টিপে হাঁটে। তারপরই সহসা জঙ্গল থেকে ভেসে উঠলে এক দৌড়। বাঁশ বাগানের ভিতর পড়ে গেলেই আড়াল।

    —নেন ধরেন।

    বলে লটকনের থোকা দু-হাতে তুলে জেব ভর্তি করে দিয়ে ছুট।

    সোনাও ছুটছে।

    প্রকৃতির মধ্যে তারা তো এভাবেই বড় হয়ে উঠেছিল।

    নানী উঠে এলে ফতিমা জানে বড়মামী তুলসিপাতার জল ছিটিয়ে দেবে পিঁড়িতে। বড়ঘরের বারান্দার এক কোণে আলগা করে রেখে দেবে পিঁড়িটা। নানীও জানে ওটা তার পিঁড়ি। অন্য পিঁড়ি দিলে বলবে, আমার খান নাই! কোনো মানসম্মানের প্রশ্ন ছিল না। যার যেমন নিয়ম, ফতিমা দেখেছে, বাবা ঢাকা থেকে এলে খোঁজখবর নেবার সময় আগে ঠাকুরবাড়ির কুশল জানা চাই। বাপজান তো মাইজা কর্তার পরামর্শ ছাড়া এক-পা নড়তেন না।

    অতীশ অবাক হয়ে গেছে ভিতরে ঢুকে। আশ্চর্য রুচিবোধ গড়ে উঠেছে মেয়েটার মধ্যে। সাজানো ড্রইংরুম। সেলফে কত বাংলা বই। বঙ্কিমচন্দ্র, শরৎচন্দ্র, নজরুল, জীবনানন্দ, রবীন্দ্রনাথ। সোনার জলে বাঁধানো সব বই, এত যত্ন এত স্নেহ মমতা। সাদা মোমের মতো আশ্চর্য পবিত্রতা ঘরের মধ্যে। ফতিমা রেকর্ড প্লেয়ার খুলে দিল। অতুলপ্রসাদের গান। ফতিমা বলছে, মূসলমানের বাড়ি কিন্তু। জাত যাইব না তো! লইয়া তো আইলাম। তারপর আলম সাহেবের দিকে তাকিয়ে বলল, বাবুকে একটু ঘুরে দেখান, গা ধুয়ে আসছি।

    আশ্চর্য, অতীশ দেখছে, তার সঙ্গে কথা বলার সময় দেশের কথা, আর আলম সাহেবের সঙ্গে কথা বলার সময় কী সুন্দর মার্জিত ভাষা! বিশ বাইশ বছরে এত পরিবর্তন, সে কেমন বোকার মতো প্রশ্ন করে বসল, আপনি ঢাকার লোক?

    আলম সাহেব বললেন, জি না? ঢাকার হতে যাব কোন দুঃখে। বীরভূমের লোক আমি।

    —এখানে কতদিন!

    —এই তো এলাম। বাইরে ছিলাম। কিছুতেই আসা হচ্ছিল না। আপনার দুষ্টু মাইয়াটার জেদ কলকাতায় পোস্টিং নিন। বললেই তো আর হয় না। সরকার চায় না, কলকাতার অফিসে বাঙালী বেশি থাকুক। তবে জানেন তো মাইয়াখানা চিজ বিশেষ। মাঝে মাঝে বাঙাল ভাষা ব্যবহার করে যেন বোঝাতে চাইছে—ফারাক নাই কোনো মিঞা। যেন বলতে চাইছে, এতদিনে ভাইসাব, কার খোঁজে তিনি কলকাতায় আইছেন আইজ সেটা টের পাইলাম।

    ফতিমা গা ধুয়ে কলকা পাড়ের শাড়ি পরে বের হয়েছে। চুল উঁচু করে বাঁধা। সযত্নে আঁচলে গা ঢেকে রেখেছে। আলম সাহেবের দিকে তাকিয়ে বলছে, জানেন, চিনতে পারে না। ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে আছে। বলছি, আমি ফতিমা, চিনতে পারে না। নিমকহারাম।

    অ আজার বালথাজার।

    অতীশ নিমকহারাম কথাটাতে কিছুটা বিব্রত বোধ করল। সে মাথামুণ্ডু কিছু বুঝছে না! বিশ বাইশ বছর পর বালিকা যুবতী হলে কে কবে চিনতে পারে! কত পরিবর্তন। মুসলমানের বাড়ি তা তার মনে আছে? মোরগা-মুরগি উড়ে যেত। গাঁয়ে ঢোকার মুখে মানুষের বিষ্ঠা। মোরগ-মুরগি পায়ের নখে খামচাখামচি করত। তারপর কী সব ঠুকরে ঠুকরে খেত। তাড়া খেলে সেই নোংরা পায়ে মোরগা মুরগি উড়ে গিয়ে চালে বসত। ঘরে ঢুকে যেত। ওর মনে হত, ইস ফতিমার ঘেন্না-পিত্তি নেই। কোলে মোরগ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেই সে আর কাছে যেত না। দৌড়ে পালাত। ছুঁয়ে দিলে যেন সত্যি জাত যাবে।

    এমন একটা সাজানো গোছানো ফ্ল্যাটে ঢুকে অতীশ কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিল। তার বাসায় তিনখানা ঘর। সামনে করিডর। করিডর ধরে রান্নাঘরের ভিতরে ঢুকতে হয়। তারপর ও-পাশের দরজা দিয়ে গেলে বসার ঘর। শোবার ঘর। ঠিক বসার ঘর নয়—মা বাবা কিংবা কলোনি থেকে আত্মীয়স্বজনরা এলে ঘরটায় থাকে। দু-ঘরে দুটো তক্তপোশ। একখানা চেয়ার, একখানা টেবিল। দুটো ট্রাঙ্ক তক্তপোশের নিচে। স্ত্রী একটা স্কুলে কাজ করেন। কায়ক্লেশে চলে যায় তাদের। মা মাঝে মাঝে এসে থাকেন। কাজের মেয়ে সুখি সব সামলায়। না হলে বাচ্চা সামলানোর দায় তার।

    আলম সাব সব ঘরগুলোই দেখিয়েছেন। বসার ঘর। ডাইনিং স্পেস। সানমাইকার বিশাল ডাইনিং টেবিল। সাদা চাদরে ঢাকা। সাদা প্লেট, সাদা রুমাল গ্লাসে গোঁজা। জলের রুপোর জগ মিনা করা। কারুকাজ করা ঢাকনা। যেদিকে চোখ যাচ্ছে পরিপাটি জীবন। আলম সাব বললেন, যাই বলুন, ঘটি বাঙালে মিশ খায় না। আমার বিবিজান বড্ড এলোমেলো স্বভাবের। বাঙাল আর কাকে বলে। এত ছিমছাম তার পছন্দ না। তবে ঘটি বানিয়ে ফেলেছি। এখন নিজেই সব দেখেশুনে ঠিক রাখে। আর জানেন তো, কী দজ্জাল স্বভাব! যা ভাবে তাই করতে হবে। এসেই এখানে বলেছিল, ঠিক খোঁজ পাব। কোথায় লুকিয়ে থাকবে! বের করল! ঠিক বের করল খুঁজে। ও নাকি কোঁচড়ে লটকন ফল নিয়ে ঘুরত!

    —আরে না। ও তো হঠাৎ দেখা হয়ে গেল! অতীশ হেলান দিয়ে বসার সময় বলল। একটা গেস্ট কার্ড পেয়েছিলাম সেখানেই দেখা।

    —দেখা না হলেও খুঁজে বের করত। ওকে আপনি তো ভালই চেনেন। দেশভাগের পরই নাকি আপনারা চলে এসেছিলেন। ও নাকি তখন ঢাকায় পড়ছে। ওর বাবা তো জানেন, সুরাবর্দি সাবের চেলা ছিলেন।

    সোনার মনে হল, সে ফতিমার কোনো খোঁজখবরই নেয়নি। এটা ঠিক না! সে কিছুটা বিস্ময়ের গলায় বলল, সামুকাকা বেঁচে নেই!

    ফতিমা হাজির। বলল, আসেন। সোনাকে নিয়ে টেবিলে বসাল। বলল, মুসলমানের ঘরে নাস্তা করলে জাত যাইব না তো!

    অতীশ কিছুটা বিব্রত বোধ করছে।

    —কিছু না। মিষ্টি শুধু। পানি হিন্দু মাইয়া জ্যোৎস্নারে দিয়া আনাইছি। অরে কইছি সব ধুইয়া মুইছা যেন দেয়। গঙ্গাজল লাগব নাকি! বৌদি জানলে গোসা করব না তো!

    —খুব মজা করছিস না! অতীশ হেসে দিল। তারপর কেন যে মনে হল ফতিমার এই ক্ষোভ কিংবা আক্রোশ যেন স্বাভাবিক। সে বলল, আলম সাহেব ঠিক বলেছে। ঘটি বাঙালে মিশ খায় না। ফতিমার দিকে তাকিয়ে বলল, তর ভাবীরে দিয়া হাড়ে হাড়ে টের পাইতাছি।

    ফতিমার আঁচল উড়ে যাচ্ছিল পাখার হাওয়ায়। সে তার আঁচল সামলে যেন কিছুটা আলগা হয়ে দাঁড়াল। বলল, ঘটিদের কথা ছাড়ান দ্যান। তাইন থাকে বাঙ্গালগ লগে। ঘটির গন্ধ কিছুতেই মুছতে দিবেন না। যদি কন বাড়ি কোনখানে—কইব বীরভূম। আরে বীরভূমে তোমার আছেড়া কে! কেবল চৈত্র মাসের বিশ্বভারতীর ছবি তেনার চক্ষে ভাইসা ওঠে। সোনার দিকে তাকিয়ে বলল, আপনে বোঝান তাঁরে—দেশ একখানাই আছে—সেডা পদ্মা মেঘনার দেশ। মন জুড়াইয়া যায়। ঠাণ্ডায় পানি হইয়া যায়।

    আলম সাব হাসছিলেন। বললেন, ভাইসাব সামলান। একবার শুরু হলে থামতে চায় না। অতীশ বলল, আমি কিছু খাব না। তুই কেন এত আনিয়েছিস সব বুঝি না। এ-সময় আমি কিছু খাই না।

    —অ মুসলমানের বাড়ি। পেঁয়াজ রসুনের গন্ধ। আইচ্ছা কিছু খাইতে হইব না। বলে পাগলের মতো সব প্লেট তুলে নিতে গেলে সোনা ফতিমার হাত ধরে ফেলল। –তর মাথার ছিট গেল না! দে, জল দে। তুই দিবি। বাড়াবাড়ি করিস না। কবে আমার বাপ ঠাকুরদা কী করে গেছে, তার জন্য—! সে চোঁ করে জল এক গ্লাস খেয়ে বলল, আলম সাব, হাত লাগান। ও আমাকে আগের মতোই রাক্ষস ভেবেছে!

    আলম সাব, ফতিমা, সোনা তিনজনেই খেয়ে নিল—ফতিমার চোখমুখ এখন কী শান্ত স্বভাবের। নিরীহ। আলম সাব মুখ মুছে বললেন, আপনারা গল্প করেন। আমি বের হচ্ছি।

    ফতিমা বলল, না। বের হবেন না। আপনি থাকেন। আমি সোনাবাবুরে বাড়ি দিয়ে আসি। ভাবীর সঙ্গে আমার কথা আছে।

    অতীশ বলল, আরে না না। তোর যেতে হবে না। আমি বাসে চলে যেতে পারব। আলম সাব ব্যস্ত মানুষ। তাঁকে আটকাচ্ছিস কেন!

    ফতিমা কথা শোনার মেয়েই না। শুধু বলল, খুশি। ফতিমা নিজে গাড়ি চালাচ্ছে। সে পাশে বসে আছে। সোনার মুখে কথা নেই। কেমন কালো হয়ে গেছে! ফতিমা তার বাসার রান্নাঘরের ভিতর দিয়ে ঢুকলে, মা বলবেন, কেডারে। মাইয়াখানা কার? চিনা চিনা মনে লয়। সে কি জবাব দেবে! মাকে কী বলবে, ফতিমা, না প্রতিমা! কী বলবে সে!

    কেন প্রতিমা, কেন ফতিমা নয়! জীবনের মাথামুন্ডুও সে কিছু বুঝছে না।

    সেই সরল বালিকা বসে আছে পাঁচিলের পাশে মুখ গুঁজে। পিঠ দেখা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে উলঙ্গ শরীর। মুখ দেখা যাচ্ছে না। যাবতীয় পাপ থেকে মানুষের—মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।

    সে বলল, ফতিমা ভুল হয়ে গেল!

    —কী ভুল সোনাবাবু!

    —আমি তো বাসায় যাব না। কেউ নেই। তালা দেওয়া। তুই বরং আমাকে কফি-হাউসে নামিয়ে দে।

    সহসা সারা মুখ ফতিমার তিক্ততায় ভরে গেল। গাড়ি ঘ্যাচ করে থামিয়ে দিয়ে বলল, নামেন। নামেন গাড়ি থাইকা। নাইলে লোক ডাকাডাকি করমু।

    ধর্ষণের ছবিও এ-ভাবে নারীর মুখে ফুটে ওঠে না! ঘৃণা—এবং আকস্মিকতাই মানুষকে কখনও খন্ড-বিখন্ড করে দেয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }