Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৪৯

    ॥ ঊনপঞ্চাশ ॥

    বেগমসাহেবার মুখ গোমড়া। কাল থেকে আলম সাবেরও মনমেজাজ ভালো নেই। পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র আন্দোলন ক্রমেই মারমুখী। দেশের বাণিজ্য মূলত পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে। সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিম পাস্তিানের শোষণের ক্ষেত্র পূর্ব পাকিস্তান। এই নিয়ে কাল রাতে তর্কবিতর্ক। শেখ মুজিবর রহমন আমাদের বাঁচার দাবী ও ছ-দফা কর্মসূচীর নাম দিয়ে একটি ঐতিহাসিক পুস্তক রচনা করেছেন। ঘরে ঘরে এই পুস্তকখানির কদর বাড়ছে। কেন বাড়ছে?

    ছ-দফা জিন্দাবাদ। ছাত্রদের স্লোগান।

    ৭ই জুন অমর হোক।

    স্বায়ত্তশাসন আমাদের প্রাণের দাবী, জানের দাবী।

    এইসব স্লোগানে স্লোগানে সারা পূর্ব পাকিস্তান উত্তাল। আলম সাব যত ভাবেন, তত পীড়াবোধ করেন। বাঙালির নিজস্ব সত্তা আবিষ্কারে সেই যে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল—আজও তা দুর্বার।

    একজন উচ্চপদস্থ আমলার পক্ষে চুপচাপ থাকা ছাড়া অথবা এ-সবের বিরোধিতা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। কাল রাতে বেগমসাহেবা কেন যে এত উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল তিনি বুঝতে পারছেন না। সোনাবাবুর বাসায় গেছে তাতেও তিনি আপত্তি করেননি, কিন্তু মুশকিল, বেগমসাহেবা বোঝেনা, হিন্দু ঘেযা ব্যাপারটাই পশ্চিম পাকিস্তানীদের কাছে ঘোরতর দেশদ্রোহিতার শামিল।

    এসেই ঘরে ঢুকে হঠাৎ আলম সাবের দিকে আঙুল তুলে বলেছিল, জানেন সাহেব, নিস্তার নাই। আপনার মিঞাগ নিস্তার নাই। এই মিঞাগ বলে ফতিমা আসল কী বলতে চায় আলম সাব বোঝেন। তিনি কেবল বলেছিলেন, শোনেন, মাথা গরম করে লাভ নাই। কী হয়েছে বলবেন ত।

    —কিচ্ছু হয়নি।

    তারপরই গজগজ করছিল, আমাদের সহজ, ন্যায্য দাবী যখনই উঠেছে, জিগির, ইসলাম বিপন্ন। কোন ইসলাম, কে সে ইসলাম, মানুষের চেয়ে বড় ইসলামে এমন কোনো কথা নেই।

    —ফতিমা! আলম সাব গর্জে উঠেছিলেন।

    —ফতিমার মেজাজ ভাল ছিল না। দুটো বাচ্চা শিশু ঘরবন্দী—মা কাছে নেই, বাপটা তো চিরকাল ভীতু স্বভাবের। পালিয়ে এসেছিলেন, বাপ-জ্যাঠার সঙ্গে। এখন কী, এখন কোন বেহস্তে আছেন! তারপরই আলম সাবের প্রতি জেদী বাঙাল স্বভাবের হয়ে গেল। পূর্ব পাকিস্তানের মজলুম জনগণের পক্ষে কথা বললেই দেশদ্রোহী। শেরে বাংলা ফজলুল হককে পর্যন্ত আপনের সাধের মিঞারা দেশদ্রোহী বলেছে। পাকিস্তানের জাতীয় নেতা সোহরাবর্দীকে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে কারাবরণ করতে হয়। কী কসুর কন! দাবীর কথা বলতে গেলে দেশদ্রোহিতার বদনাম, জেল-জুলুমের ঝুঁকি!

    আলম সব বুঝতে পারছিলেন না, কী হয়েছে তাঁর বেগমসাহেবার। এত চটে গেছে কেন! সবাইকে যেতে হবে বলে দিলাম। জনাব ভুট্টোর গদি গ্যাছে—হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে হাজার বছরের জেহাদ—আমাদের কী আসে যায়! বলেন, আয়ুবশাহী কী করেছেন, দুর্নীতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তিনি কোথায়? ইয়াহিয়া চক্রান্ত করছে। মাসুল দিতে হবে। আমি জানি, রেহাই নাই। এই সেদিন মজলুম জনতা জালেম আয়ুবশাহীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে লড়েছিলেন। হাজার হাজার মানুষকে নির্বিচারে আটক। কত দিন চলবে। বলেন! চুপ করে থাকলেন কেন! ধর্মের দোহাই—আহা রে ধর্ম আমার। ছাত্রলীগ সম্পাদক ফেরদৌশী কোরেশীরে কেন আটক করল, তোলারাম কলেজের ছাত্রনেতা মনিরুল ইসলামের কী অপরাধ—আটক হলেন তিনি। ধর্মের দোহাই! মতিয়া চৌধুরী—এঁরা মুসলমান না! বলেন আমি কী মিছা কথা বলছি। ৭ই-এর ঐতিহাসিক পূর্ব পাকিস্তান বন্ধ সফল হয়েছিল কার জোরে! আয়ুবের রুদ্র রোযের বলি কুড়িটি তাজা প্রাণ। এরা আবার ধর্মের দোহাই দেয়। বলে কিনা ইসলাম বিপন্ন।

    আলম সাব সব জানেন, বোঝেন – দেশটা না আবার ভেঙে যায়! এই সেদিন প্রদেশব্যাপী জুলুম প্রতিরোধ দিবস পালন – সারা পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে ব্যাপক গণ আন্দোলন—পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের মুখ্য সমর্থক ইতেকাফ গোষ্ঠী ও তার নির্ভীক সম্পাদক মানিক মিঞার কারাবরণ—কী যে হবে! আলম জানেন, এখনও বৈদেশিক সাহায্যের শতকরা ৮০ ভাগ পশ্চিম পাকিস্তানে খরচ করা হয়। সামরিক খাতে ৯০ শতাংশ। তিনি বোঝেন, বিপুল হারে এই শোষণের একদিকে পূর্ব বাংলার শিল্পোন্নয়ন মার খেয়েছে, বেকারের হার ক্রমশ পাহাড়প্রমাণ, মাথাপিছু, আয় তুলনামূলকভাবে অনেক কম—উচ্চ শিক্ষিতের হার ভয়াবহ ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অথচ পাকিস্তানের রপ্তানির শতকরা ৭০ ভাগ আয় পূর্ব পাকিস্তানের পণ্য থেকে। তবু আলম যুক্তি খাড়া করার চেষ্টা করেন। আর সেই যুক্তিতে ফতিমা নিমেষে জল ঢেলে দেয়।

    রাখেন ধর্ম। ধর্ম দিয়া পানি খামু। আপনের মিঞা ভাইগ লগে কিসের ঐক্য আছে কন। ধর্মের ঐক্য। হায়রে পোড়া কপাল মালয় মরক্কোর সঙ্গে ধর্মের ঐক্য কম আছে! কন! তারা ধর্মের দোহাই দিলে কী করবেন কন? ও মিঞাভাইরা আমরা আপনেগ কলিজার মানুষ—আমরা এক দেশ! আমরা এক রাষ্ট্র—মানবেন।

    আলম বোঝেন কোনো যুক্তিই তাঁর ধারে কাটে না। তাঁরও মনে হয়, বেগমসাহেবার কথায় যথেষ্ট গুরুত্ব আছে। তিনি নিজেই আর সাহস পান না—কে কখন কী শুনে ফেলবে—ফতিমার মাথায় কেড়া উঠলে সে একগুঁয়ে হয়ে পড়ে। যা মুখে আসে বলে দেয়। কোনো কিছুর ধার ধারে না।

    এই হলো গে বিপন্ন স্বভাব তার। তখন সে নিজেই একখানা রেকর্ড চালায়। আমরা হলামগে পাকিস্তানের বান্দা—এত সব ভেবে কী হবে! আপনে খারাপ আছেন! বলুন পরী-হুরীর মতো ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশে—কার দৌলতে, মিঞাগ দৌলতে!

    —একদম বাজে বকবেন না জী। আমি কারো বান্দা না। মনে রাখবেন। আপনে বান্দা হইতে পারেন, আমি কোন দুঃখে বান্দা হইতে যামু। আল্লা ছাড়া আমি কার-অ বান্দা না।

    গহর উপরে উঠে দেখছে, বেগমসাহেবা দু-পিস পাঁউরুটি চা-এ ডুবিয়ে খাচ্ছে। আর কিছু না। কার উপর এই অভিমান সে বোঝে না। আলম সাহেব গহরকে চোখ টিপে বাইরে নিয়ে গেলেন। বললেন, মেজাজ গরম। মর্জি বোঝা ভার। কাল থেকেই চলছে। কিছু খাচ্ছে না। রাতেও ফিরে এসে খায়নি। কেবল চোখের জলে ভেসে গেছে। কিছু তো বলে না। সকালে বের হতে চাইলে নিয়ে যাবি। যা বলবে করবি।

    কুদ্দুস একবার উঁকি দিয়ে দেখে গেল। সকালের নাস্তা কিছুই মুখে দেয়নি মেমসাব। চা-পানি খেতে হয় খেয়েছে—তারপর উঠে গেছে শোবার ঘরে। দড়াম করে দেরাজ খুলল, বন্ধ করল। গোসল ঘরে ঢুকল, বের হলো। সাফসুতরো হয়ে এই সাতসকালে কোথাও যেন বের হবে—প্যানট্রিতে ঢুকে বলল, টাকা থাকল। সাব কী নাস্তা করবেন জেনে নিও। আমি বের হচ্ছি।

    মেমসাবের খোঁপা উঁচু করে বাঁধা। কপালে নীল রঙের টিপ। খুশ মেজাজে থাকলে গানের কলি ঠোঁটে নড়ে। গুনগুন করে গান গায়—কিছু গান সেওঁ শুনে মুখস্থ করে ফেলেছে। কাফেরদের গান—গা জ্বলে যায় কুদ্দুসের। তা আজ স্নানের ঘরে কিংবা সাজগোজ করবার সময়ও চুপচাপ। রাতে মিঞা বিবির তা চলেছে সে জানে। মিঞা বলছেন, এটাতো ঠিক ফতিমা বিবি, পাকিস্তান সৃষ্টির সময় পর্যন্ত পূর্ববঙ্গবাসীরা প্রকৃত স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব কী জানত না!

    কুদ্দুসের ঘর থেকে শোবার ঘরটি আলগা —কিন্তু করিডর লম্বা—করিডর ধরে নিঃশব্দে হেঁটে গেলে সব শোনা যায়। দরজা বন্ধ থাকলেও। আলম সাব নিরীহ ভদ্রগোছের মানুষ। চিল্লাতে জানেন না। আস্তে কথা বলেন, জোরে হাসেন না। বেগমসাহেবা একেবারে বিপরীত। বাঙালদের এটা নাকি স্বভাব। তারা তো জারজ সন্তান না, মিনমিনে গলায় কথা বলবে! বেগমসাহেবা প্রায় চিৎকার করে বলেছিল, ঝুট কথা।

    সাহেব বলছিলেন, বর্ণ হিন্দুদের দাস ছিলাম আমরা!

    —মিছে কথা! বিবি মানতে রাজি না। কে এক সোনাবাবুকে বাড়িতে নিয়ে আসার পরই তেনার রুদ্রমূর্তি

    কুদ্দুস এত সব বোঝে না—ভাষা সংস্কৃতি নিয়েও যেন সাব কী বলছিলেন—আর তক্ষুনি জালিম আয়ুবশাহীর বিরুদ্ধে গালাগাল, কী কইলেন, আমাদের কোনো ভাষা নাই, হিন্দুগ ভাষায় কথা বলি! কি কইলেন, আমাদের কোনো সংস্কৃতি নাই! কবিগুরু, নজরুল, জসীমউদ্দিন, জীবনানন্দ ভাইসা আইছে—তেনারা খেজুর গাছের নিচে বইসা মদিরায় আসক্ত হইয়া কবিতা লেখেন নাই—কসুর হইছে! কন—তেনারা কারা! তেনারা উর্দু ভাষার কবি না বাংলা ভাষার? আমাদের সংস্কৃতি নাই, মিঞাগ আছে। শরম লাগে না আপনের জী, আপনে অগো চিন্তায় বুঁদ হইয়া আছেন।

    আলম সাহেবের আর মুখে রা নাই। তেজ মরেনি। বাঙালিকে অপমান করলেই বেগম সাহেবা মাথা ঠিক রাখতে পারে না। কুদ্দুস এটা টের পেয়েছে। সে নিজেও কখন যে বেগমসাহেবার কথা শুনে ঘাড় নাড়তে থাকে –ঠিক, ঠিক কথা। ইমানের কথা। কখনও এমন সব সরল শব্দমালা তাকে তাড়না করতে থাকে যে নিজেও গুনগুন করে গান গাইতে থাকে আড়ালে—কেমন যুশ পেয়ে যায়—বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুণ্য হউক পুণ্য হউক পুণ্য হউক হে ভগবান।

    বেগম সাহেবা মাঝে মাঝে রেকর্ড চালায়, জোরে জোরে কবিতা আবৃত্তি করে—বিধর্মী ব্যাপার স্যাপার সব—তবু কখন সে নিজেও চুপচাপ দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনতে ভালোবাসে। তার স্মৃতিশক্তি প্রখর—সে বোঝে এইসব সুর এবং শব্দমালার মধ্যে বেগম সাহেবার এক গভীর আনন্দ কেন যে সে গান গাইতে গেলে কাঁদে—সে বোঝে না—ইদানীং এটা আরও বেড়েছে—ও আমার দেশের মাটি তোমার পায়ে ঠেকাই মাথা

    ফতিমা সিঁড়ি ধরে নেমে যাচ্ছে। যাবার সময় বসার ঘরে আলম সাবকে বলে গেল, জীবের হচ্ছি। সোনাবাবুর বাসায় যাচ্ছি। বাসে চলে যাব।

    —বাসে যাবেন কেন?

    —না, আপনার অসুবিধা হবে।

    —হবে না তো বলছি।

    রাজবাড়ির গেটে নেমে গেল ফতিমা। ঘড়িতে দেখল আটটা বেজে গেছে। সোনাবাবু বাড়ি থাকবেন না। সোনাবাবু না থাকলেই ভাল। মানুষটাকে তো সে ভালই চেনে। সে অন্তত বাসার ভিতরে ঢুকে টুটুল মিণ্টুর স্কুলের পোশাক পরিয়ে দিতে পারবে। তার কেন যে এই কাজগুলির মধ্যে অনন্ত এক আগ্রহ সৃষ্টি হচ্ছে! কে দেখে! কাল যা দেখে গেল, সুখিকে কাজের মেয়ে বুঝতে অসুবিধা হয়নি। এতটুকু দুটো দেবশিশুকে ফেলে রেখে কেউ যেতে পারে!

    কিন্তু বাড়িতে ঢুকে অবাক। সোনাবাবু অফিস যাননি। তাকে দেখেই কেমন শিশুর মতো বলে ফেললেন, তুই! কী ব্যাপার। আজ আবার ওদের নিয়ে বের হবি বুঝি!

    —অফিস গেলেন না! বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথাটা বলল। ভিতরে ঢুকতে সাহস পাচ্ছে না। টুটুল মিণ্টু ছুটে গিয়ে ফতিমাকে জড়িয়ে ধরেছে। ব্যাগ থেকে কী সব বের করে টুটুলের হাতে দিল। রঙের বাক্স। লম্বা ড্রইং খাতা। মিণ্টুকে দিল একটা লাল রিবন।

    সোনাবাবু মুখ ব্যাজার করে বসে আছেন। চোখে মুখে অনিদ্রার ছাপ। ক্লিষ্ট দেখাচ্ছে খুব। যেন একটা বড় ঝড়ের মুখে পড়ে গেছেন। অন্য সময় হলে, এতটা যেন নিষ্প্রাণ তাঁকে কিছুতেই মনে হতো না।

    মিণ্টু বলল, জানো, বাবা না অফিসে যাবে না। অফিসে গেলে বাবা আর ফিরে আসবে না। বউরাণী বারণ করে দিয়েছে। রাজবাড়ির অফিসে বাবাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। কারা বাবার খোঁজখবর নিচ্ছে। বাবা তো ম্যানেজার।

    সোনাবাবুর কোনো সাড়া নেই। সে ঢুকে যাওয়ায় কি বামুনের সংসারে কোনো অনাচার ঢুকে গেল! সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না। সোনাবাবু না বললে, সে ভিতরেও যেতে পারে না। কাল তাকে হাত ধরে ভিতরে টেনে নিয়ে না এলে সে এতটা ঢুকতেও আজ সাহস পেত না। ধনমামা যদি জানতে পারেন, ফতিমা তাদের পুত্রের আবাসে জলচল হয়ে গেছে তবে খুবই নিন্দার ব্যাপার হতে পারে।

    অতীশ এবার উঠে দাঁড়াল। ব্যাগটা তার নিজের ঘরে রেখে এসে ডাকল, সুখি শোন। সুখি এলে বললো, চা করে দে। ফতিমা চা খাবি তো!

    —খাব।

    —খাবার কিছু করে দিস। তোর দেখছি ছেলেমানুষী যায়নি। আমার জন্য কোত্থেকে কামরাঙ্গা আনলি! এখন কী আর কামরাঙ্গা খাবার বয়েস আছে? দুজনেই নদীর দুপারের মানুষ হয়ে গেছি বুঝিস না!

    —খুব বুঝি! আমি তো আপনের কাছে আসি না। টুটুল মিণ্টুর কাছে আসি। আপনি বাসায় থাকবেন জানলে আসতাম না। দূর-দূর ছাই-ছাই অনেক করেছেন। এই মিণ্টু কী হলো! তোরা দাঁড়িয়ে থাকলি কেন! আয় আমার সঙ্গে। তোদের স্কুলের জামা-প্যান্ট বের কর। কোথায় আছে?

    —বাবা যে স্কুলে যেতে দিচ্ছে না! কেবল বলছে, সাবধানে থাকবে। কোথাও বের হবে না। দরজা খোলা রাখবে না।

    —দরজা খোলা রাখলে কী ভূত ঢুকে পড়বে! যত্ত সব।

    অতীশ বলল, আলম সাবের খবর কী!

    —ভাল!

    —তুই চলে আসিস, ওর অসুবিধা হবে না!

    —ওটা আপনাকে ভাবতে হবে না। আপনি কেমন হয়ে যাচ্ছেন! কী হয়েছে বলুন তো!

    —তুই নাকি খুব সুন্দর নাচতে পারিস?

    —নাচলে দোষ হয়?

    –না, তা বলছি না। তোদের তো নাচ-গান নিষিদ্ধ। আলম সাব নির্ভেজাল ভালমানুষ—যা খুশি করতে পারছিস!

    –দেখুন সোনাবাবু, কী নিষিদ্ধ, কি নিষিদ্ধ নয় আপনার কাছে জানতে আসিনি। আগে বলুন, বাসায় আমি এলে কোনো অনাচারে পড়ে যাবেন কিনা! আপনার নিন্দা হবে কিনা!

    –কলকাতায় এ-সব আছে নাকি!

    –থাকতেও পারে। কলকাতায় না থাক ধনমামা বেঁচে আছেন। তিনি জানতে পারলে আর আপনার বাসায় আসবেন! বলুন, ঠিক করে বলুন।

    —যদি নাই আসেন তাতে আমার কী!

    —আপনের তো কিছু নয়। নানীর কথা ভুলে যাচ্ছেন কেন! নানী বলত না, তোমার আচরণে কারো ধর্মে আঘাত লাগলে তাও গুণাহ। মনে আছে?

    —আরে ওনারা সেকেলে মানুষ! যাঁর যা প্রাপ্য তাঁরা মেনে নিতেন। তিনি ছিলেন সরল সোজা মানুষ। আমরা কী আর তা আছি! তুই বল! তুই জানিস আমি জাহাজে ছিলাম। জাহাজে আমার সহকর্মীরা সব তোর জাতভাই।

    —জাহাজে কী করতেন!

    –কাজ করতাম। জাহাজী। এক ঝটকা খেয়েছিলাম—ভদ্রা জাহাজের সেকেন্ড অফিসার এক থাপ্পড় মেরেছিলেন, বিফ খানে সাকতা কী নেই! আমি বলেছিলাম, নেই, ব্যাস, ঝটকা। কান বনবন করে উঠলে বলেছিলাম, সাকতা। বিফ খানে সাকতা। জাহাজী হবে আর বিফ খেতে রাজি থাকবে না, হয়! সেকেন্ড অফিসার জাতে বামুন। বামুন হয়ে বামুনকে বিফ নিয়ে নাজেহাল। বোঝ এবার! জানিস, হা-অন্ন মানুষের কোনো ধর্ম থাকে না। তুই ভিতরে আসতে পারিস। তুই বাইরে সেদিন বসে থাকলি, খারাপ লাগল না বসে থাকতে! আমি কী ছোটলোক! ছোটলোকের বাসায় ঢুকলে জাত যাবে!

    —আমার জাত না আপনার জাত!

    —জানি না যা। তারপরই সোনাবাবু হঠাৎ ক্ষেপে গিয়ে বললেন, তোরা আমাকে আর কত অপমান করবি! তোরা আমাকে আর কত জ্বালাবি! ঠিক এই মুহূর্তে ‘তোরা’ বলতে ফতিমা জানেই না, সোনাবাবু কি বোঝাতে চাইছেন। তোরা মানে, বনি, নির্মলা, চারু, বউরাণী। তিনি যেন বারবার এক আঘাটায় উঠে আসছেন। কেউ তাঁকে নিস্তার দিচ্ছে না।

    —বৌদি যদি কিছু মনে করেন!

    —কে! নির্মলার কথা বলছিস! বেচারা! তার সবকিছু পছন্দ অপছন্দ আমাকে ঘিরে। সে যে চাকরি করছে, তাও। কারণ সে তো জানে, তার উপার্জন আমার সংসারে বড় খুঁটি। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে ছেলেমেয়েকে ফেলে এত দূরে পড়ে আছে। তার কষ্ট আমি বুঝি। এখন যা হাল শেষ পর্যন্ত সেই থাকবে। আমি আর কত দিন আছি জানি না।

    —সোনাবাবু!

    ফতিমা কেমন আঁতকে ওঠার মতো কথাটা বলল।

    অতীশ তক্তপোশে শুয়ে পড়ল। প্যান্ট খুলল না। পায়ে মোজা। বোধহয় আর বসে থাকারও শক্তি পাচ্ছে না। কী হয়েছে! সুখিদির সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। আর তখনই দরজায় কেউ কড়া নাড়ছে। মিণ্টু দৌড়ে যাচ্ছিল দরজা খুলতে তড়াক করে লাফিয়ে উঠল অতীশ। সে হাঁ হাঁ করে ছুটে যাচ্ছে—আর বলছে, খুলবি না। না দেখে দরজা খুলবি না। মিণ্টু দাঁড়া।

    ফতিমা এতেও অবাক হয়ে গেল। দরজা খোলার নামে কেউ এমন ত্রাসে পড়ে যেতে পারে সে ভাবতে পারে না। দরজা খুললে কী হবে! চেনাজানা মানুষ না হলে দরজায় কড়া নাড়বে কেন! ফতিমা দেখল, দরজার ফাঁক দিয়ে তিনি দেখছেন, বাইরে কে দাঁড়িয়ে।

    —অ কুম্ভবাবু! আসুন।

    বেঁটেখাটো, চুল খাড়া, হোঁৎকামতো একজন লোককে নিয়ে সোনাবাবু ভিতরে ঢুকতে গেলে ফতিমা একপাশে সরে দাঁড়াল। লোকটা কিছু ফাইলপত্র নিয়ে এসেছে—সোনাবাবু পাতা উল্টে সই করে গেলেন। কারখানার কেউ হবে। বাড়িতে এসে সই করিয়ে নিচ্ছে। কারখানায় কী কোনো বড় উৎপাত শুরু হয়েছে! যে মানুষটি অফিস যাবে বলে বের হয়েছিল, তাকে যেতে দেওয়া হয়নি। দরজা খুলতে গেলে ত্রাসের সৃষ্টি হচ্ছে। এমন সুরক্ষিত রাজবাড়িতে সোনাবাবুর এত ত্রাসের কী কারণ থাকতে পারে সে বুঝতে পারছে না।

    লোকটা সইসাবুদ করিয়ে নিয়ে বের হবার মুখে ত্যারছা চোখে তাকাল। ফতিমা এক পলকে দেখল, চোখ নামিয়ে নিল। টুটুলের হাত ধরে বাথরুমের দিকে চলে গেল।

    কুম্ভবাবু ফিরে এসে বলল, দাদা চিনলাম না তো!

    কুম্ভ অতীশের আত্মীয়-স্বজন সবাইকে মোটামুটি চেনে। এবং রাজবাড়িতে চাউর হয়ে গেছে, সোনাবাবুর বাড়িতে তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে একজন নারী যাওয়া-আসা শুরু করেছে। সুখি চাউর করে দিয়েছে সব। তবু কুম্ভ অতীশের দিকে তাকিয়ে জানার আগ্রহবোধ করলে, সে বলল, আমার আত্মীয়া। ঠিক আত্মীয়া কথাটাতেও যেন ছোট করা হলো ফতিমাকে। ফতিমা ব্যাগের মধ্যে আর কী এনেছে জানেনা। যা সব হুটোপুটি শুরু করেছে বাথরুমে, ফতিমার সায়া, শাড়ি জলে ভিজে যেতেই পারে।

    কুম্ভ চলে গেলে, সে কী করবে ভেবে পেল না। বিদেশী আতরের ঘ্রাণ এই ঘরে উড়ছে। এক আশ্চর্য ফুলের সুঘ্রাণ শরীরে মেখে রাখে ফতিমা। সে ভেবেই পেল না সব ফেলে এই নারী কোন আকর্ষণে তার কাছে হাজির। সে খুব উৎসাহ পাচ্ছে না। ফতিমা জানেই না তার মাথার উপর খাঁড়া ঝুলছে। বলতেও পারছে না। বললেই যেন হা হা করে হেসে উঠবে। জানের আশঙ্কায়, ইজ্জতের ভয়ে, জাত যাবে বলে দেশ ছেড়ে বিলকুল সব পাড়ি দিলেন। এখানে আপনার খাঁড়া ঝুলবে কেন মাথায়! এখানে ফরাস পাতা আছে, গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছড়ানো আছে, তার উপর দিয়ে হেঁটে যাবেন বলেই তো সব জলের দামে বেচে দিয়ে বাপ-জ্যাঠারা আপনার চলে এসেছেন। জাত থাকল কোথায়! জাহাজে গেলেন, বিফ খেলেন কী খেলেন না বড় কথা না, বড় কথা আতঙ্কটা এখানেও তাড়া করল—আর ভাবলেন, হা-অন্ন মানুষের কোনো ধর্ম নাই। বুঝুন ঠ্যালা।

    ফতিমা বের হয়ে বলল, আমি ওদের স্কুলে দিয়ে আসছি। ফিরছি না। স্কুল থেকে ফের ওদের পৌঁছে দেব। ওদের গায়ে কে হাত দেয় দেখব।

    অতীশ কেমন বিমূঢ় হয়ে যাচ্ছে। সে বলল, তুই যাবি! কিছু হবে না তো!

    —যাব। কিছু হবে না। আমি তো আছি।

    –না, না ভাবছিলাম।

    —কী ভাবছিলেন বলুন। সোনাবাবু, আপনি কেমন হয়ে গেছেন! জোরে হাসতে পারেন না, জোরে কথা বলতে পারেন না, আপনার মুখ এ-ভাবে কে বন্ধ করে দিয়েছে! আপনাকে আমার ভয় করে। আপনি চুপচাপ থাকলে আমি ভয় পাই—অ আজার বালথাজার!

    —সঙ্গে সঙ্গে অতীশ বলল, ছবিটার কিছু বুঝেছিস!

    ফতিমা বলল, সব বুঝিনি। তবে বুঝেছি, দরকারে গাধাটাকেও ঈশ্বর মনে করা যায়। তা না হলে পাপ কাজ করেই তিন কিশোর আর কিশোরী গাধার কানে কানে বলবে কেন! কনফেস করবে কেন!

    —কনফেস! কিসের কনফেস!

    —ওরা যা পাপকাজ করত।

    —কনফেস করলে, পাপ থাকে না বলছিস!

    —না, থাকে না। আপনি স্বাভাবিক নেই সোনাবাবু। সব শুনে আমার ভাই মনে হয়েছে। আমার তো কোনো পাপ নেই। আপনি নিজের ভিতর গুমরে মরছেন। আপনার বাতিদানটায় কে ভর করে আছে বলুন! আপনি তাঁকে কনফেস না করে আমার কাছে করুন।

    অতীশ ভেবে পেল না, ধূপবাতিদানের কথা ফতিমা জানল কী করে! টুটুল মিণ্টু তবে সব বলে দিয়েছে। অতীশ বুঝল, কাউকে কনফেস করা সত্যি দরকার। অন্তত ধূপবাতিদানটায় যে বনি আশ্রয় নিয়েছে, সে খুলে বললে বুঝতে পারবে, তার স্মৃতিভ্রংশ কেন। কেন সে মনে করতে পারে না, কোনো দ্বীপে সে কেন মাঝে মাঝে একা বসে থাকে। সে তখন জাহাজের ছোটবাবু হয়ে যায়।

    চা এনে দিলে বড় বেশি দ্রুত ফতিমা চা খেল। সুখি ওদের খাইয়ে দিয়েছে। ওরা লাফাতে লাফাতে বের হয়ে গেল। সে একা। এবং আশ্চর্য সে যেন দেখতে পাচ্ছে, সেই সমুদ্রে, সে বোটে ভেসে যাচ্ছে… বণির কাতর অনুরোধ, ছোটবাবু তুমি তাঁর স্মরণ নাও।

    সেই স্মরণ এখন তার নিজের জীবনের কাছে—একা থাকলেই অস্বস্তি বাড়ে। সে কেমন নিস্তেজ হয়ে পড়ছিল—মৃত্যুর বীভৎস ছবি তার চোখে ভাসছে। যারা এসেছিল—তারা যে-ভাবেই হোক তাকে খতম করবে। এই রাজবাড়িও সুরক্ষিত নয়। যেন কেউ সেই অনুসরণকারীদের ভূমিকা নিতে এই মূহুর্তে প্রস্তুত। তার কেমন দমবন্ধ হয়ে আসছিল। কুলুঙ্গির নিচে গিয়েও সে স্বস্তিবোধ করতে পারল না—তবু সে বলল, আমি শেষ হয়ে যাব বনি। আর্চির অশুভ প্রভাবই শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করেছে।

    এবং এ-সব নিষ্ঠুর ক্রিয়াকলাপ, যেন গলার কাছে সে ক্ষুরের ধার টের পাচ্ছে। সে গলায় হাত দিল। তার গলার কাছে ক্ষুর তুলে ঠিক কণ্ঠনালী চেপে ধরেছে কেউ—সে দম নিতে পারছে না। তার চোখ বড় হয়ে যাচ্ছে। ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। সে কী নিজেই তার গলা টিপে ধরেছে। গলা না বুক। বুকে এত যন্ত্রণা কেন। কেমন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। আততায়ীরা তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। গাছে বেঁধে ফেলছে—এবং মুহূর্তে চারপাশ তার অন্ধকার হয়ে যেতে থাকল। সে কোনো রকমে তক্তপোশ ধরার চেষ্টা করছে, পারছে না। সে পড়ে যাচ্ছে। গভীর অতল গুহার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। পড়ে যাচ্ছে। চিৎকার করে উঠল, পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }