Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৫০

    ॥ পঞ্চাশ ॥

    ফতিমা ফিরে এসেছিল। ভুলে ব্যাগ ফেলে রেখে গেছে। আর তখনই দেখল দরজা খোলা। সুখি নেই। কেউ নেই। সে বুঝতে পারছে না, সুখি গেল কোথায়। ভিতরে ঢুকে তার শরীর কেঁপে উঠল। সে ডাকল সুখিদি। বাথরুমে সুখিদি স্নান করছে। আর ঘরের মধ্যে কে পড়ে আছে উপুড় হয়ে।

    সে চিৎকার করে উঠল, সোনাবাবু! সোনাবাবু – সোনাবাবু কেমন করছেন!

    তার প্রিয় সোনাবাবু তক্তপোশে মাথা রেখে পড়ে আছেন। শরীরের একাংশ ঝুলছে নিচে। সে তাড়াতাড়ি পা দুটো তক্তপোশে তুলে ডাকল, সোনাবাবু! সোনাবাবু!

    কোনো সাড়া নেই।

    সে অস্থির হয়ে উঠেছে। বিছানা পেতে কোনরকমে মাথাটা বালিশের উপর রাখার চেষ্টা করছে। ভারি। পারছে না। সে এবারে না পেরে চিৎকার করে উঠল, সুখিদি, শীগির এসো! শীগির। বাথরুমে জলের শব্দ এবং এক অরাজক নৈঃশব্দ তাকে তাড়া করছিল। বালিশ চাদর সব কেমন সোনাবাবুর পক্ষে বেমানান। বালিশে ওয়াড় আছে—সাবানে কাচা সস্তা চাদর বিছানো। তার বুক ভারি হয়ে আসছিল। সোনাবাবুদের সেই বৈভব থেকে এখানে—তার চোখ ফেটে জল আসছে। একদন্ডে কী হয়ে গেল! সোনাবাবু ভাল নেই। ভাল নেই। সে কিছুই জানে না। সে অস্থির হয়ে উঠছে। বুকের কাছে কান পেতে শুনল, নাকে হাত রেখে দেখল—নিঃশ্বাস পড়ছে। একেবারে স্বাভাবিক মুখ। সুখি ছুটে এসেছে। আসতেই বলল, ধরো। পায়ের দিকটা ধরো। প্যান্ট-শার্ট পরনে। সে জামার বোতাম আলগা করে দিল। দৌড়ে গেল বাথরুমে—জল এনে চোখে মুখে জলের ঝাপটা দিল। আর দেখছে বড় করে নিঃশ্বাস ফেলছেন সোনাবাবু। কিন্তু সাড়া নেই। ডাক্তার, ডাক্তার দরকার। কে আছে আর সোনাবাবুর, সে জানে না। সুখিদিকে বলল, সুখিদি, তুমি পাশে থাকো। আমি আসছি। ব্যাগ থেকে একটা চিরকুট বের করে দ্রুত লিখল, সাহেব, আমার বড় বিপদ। সোনাবাবু কেমন করছেন। শীগির সেলিম ডাক্তারকে নিয়ে চলে আসুন।

    তারপর পাগলের মতো সে ছুটে বের হয়ে গেল। গহরকে চিঠি দিয়ে বলল, সোনাবাবু অসুস্থ কেউ নেই। একদন্ড দেরি করবে না। শীগগির চলে যাও। সাহেবের কাছে চলে যাও।

    গহর দেখল, মেমসাবের মুখে বিষাদ। থমথম করছে মুখ। কী বিপদ সে জানে না। কিন্তু প্রিয়জনের কষ্ট মানুষকে কতটা কাতর করে এই পরী—হুরীর মুখখানি না দেখলে বোঝার উপায় থাকে না। গোটা রাজবাড়িতে খবরটা ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগল না। ফতিমা শিয়রে বসে কপালের ঘাম মুছিয়ে দিচ্ছে—আর শুধু সময়ের অপেক্ষা। সে জানে আলম সাহেব ছাড়া এ-মুহূর্তে তার নিদারুণ বিপদের গুরুত্ব কেউ টের পাবে না। অপরিচিত লোকজন সব। দরজায় এসে দাঁড়াচ্ছে। সে কাউকে চেনে না। সে কে তারাও জানে না। এক অপরিচিতা নারী শিয়রে বসে আছে অতীশবাবুর।

    কুম্ভবাবু, নধরবাবু, রাধিকাবাবু, কুম্ভবাবুর স্ত্রী হাসি আর রাজবাড়ির সব আমলারা ঘিরে আছে। হাসপাতালের কথা বলছে, ডাক্তারের কথা বলছে, তাকে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। এই রাজবাড়ির অভ্যন্তরে এত মানুষজনের বাস আছে সে আগে টের পায় নি। জানালার ও-পাশে পাতাবাহারের গাছ। ওখানে মানুষজনের ভিড়। সে শুধু বলছে আপনারা ঘরে ঢুকবেন না। ভিড় করবেন না। প্লিজ। মুহূর্তের মধ্যে কারা যেন স্থির করে ফেলেছে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। রাজবাড়ির গাড়ি হাজির। তবু তো সময় লেগে যায়। সে বলতেই পারছে না, ফুল স্পীডে পাখা চালিয়ে দিয়েছে। আনাড়ি সে, জানে না কী করলে সোনাবাবুর কষ্ট লাঘব হবে।

    এরই মধ্যে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত কথাবার্তা শুনে সে জেনে ফেলেছে, কারা এসেছিল, সোনাবাবু কখন অফিসে আসে, কোন পথে আসে কখন যায়—তবে সেই অনুসরণকারীরা সোনাবাবুর ভেতরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তাঁর জীবন জখম করতে চায়। একজন সুদর্শনা রমণী ঢুকতেই সবাই রাস্তা করে দিচ্ছে। তিনি এসে পায়ের সামনে দাঁড়ালেন। অতীশের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলেন এবং কাকে যেন নির্দেশ দিলেন কোনো নার্সিংহোমের সঙ্গে কথা বলতে।

    প্রায় যখন তারা ঠিকই করে ফেলেছে, তুলে নিয়ে যাওয়া হবে সোনাবাবুকে, তখনই সহসা সে কেন যে উন্মাদের মতো বলতে থাকল, না না। উনি না এলে আমি ওঁকে তুলে নিতে দেব না।

    কুম্ভবাবু স্তম্ভিত। বউরাণীর মুখের উপর কথা বলছে! কে এই নারী?

    সুখিকে ইশারায় ডেকে বলল, কে তিনি!

    সুখি বলল, টুটুলের পিসি হয়!

    সুতরাং জোর খাটাবার যে অধিকার আছে যুবতীর, যে অনায়াসে বলতে পারে, না। না তো এ- ভাবে পড়ে থাকবে! কিন্তু অধিকারের প্রশ্ন। বৌদি বাসায় নেই। বৌদির বাপের বাড়ির ফোনের কী নাম্বার তাও তারা জানে না। তারা ঠিকই করতে পারছে না এই পরিস্থিতিতে কী করা যায়।

    বউরাণীও যেন জোর হারিয়ে ফেলছে।

    আর তখনই স্যুট-কোটপরা দুজন পুরুষের আবির্ভাব। ফতিমার কাছে এটা এ-মুহূর্তে আবির্ভাবের শামিল।

    —ফতিমার বুকে জল এসে গেছে।

    —টুটুল মিণ্টুকে স্কুলে দিয়ে এসে দেখছি—সে আর বলতে পারছে না। তার স্তব্ধ চোখে-মুখে জল ফেটে বের হয়ে আসছে।

    আলম সাব ঝুঁকে দাঁড়ালেন।

    ফতিমা টিনের চেয়ার টেনে আনল। সেলিম নাড়ি দেখলেন। চোখ টেনে দেখলেন। প্রেসার নিলেন। স্টেথোস্কোপ বসালেন বুকে। পিঠে। সব স্বাভাবিক। তিনি বললেন, হাসপাতালে নেওয়া চলবে না। তিনি বললেন, একটু গরম জল। ফতিমা নিজের মধ্যে ছিল না। সে ছুটে গেল রান্নাঘরে। তোলা উনুন। একটা স্টোভ। সুখিকে বলতে পারত, কিন্তু সবাই কেমন উচাটনে পড়ে গেছে। কেবল সে ক্রমে স্থির এবং অবিচল থাকার চেষ্টা করছে। সে গরম জল করে নিয়ে গেলে দেখল, আরও একজন কে ছুটে আসছেন। তিনি যে এই রাজবাড়ির দন্ডমুন্ডের কর্তা, বুঝতে তার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হলো না। সেলিমকে বললেন, আরে আপনি!

    শহরের সেরা একজন ডাক্তার রাজবাড়ির অন্দরে! এমন প্রভাবশালী মানুষ থাকতে পারে তিনি ছাড়া, যার একডাকে চলে আসতে পারে ডাক্তার সেলিম!

    কুমার বাহাদুর বললেন, কী বুঝলেন?

    মনে হচ্ছে, মানসিক অবসাদে হয়েছে। ভয়ের কিচ্ছু নেই। ওঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারলে ভাল হতো। তাঁকে ডেকে দিন।

    ফতিমা বলল, আমাকে বলুন। বৌদি এখানে নেই। কুম্ভবাবু লোকটিকে সে আগে দেখেছে। কুম্ভর কাছে গিয়ে সে বলল, আপনি বৌদির কাছে লোক পাঠিয়ে দিন।

    কুম্ভ বলল, তিনি তো বর্ধমানের দিকে কোন গাঁয়ে আছেন। কোথায় তা জানিনা।

    —সুখিদি, তুমি জানো!

    সুখিও বিশেষ কিছু বলতে পারল না।

    আশ্চর্য, এত নিঃসঙ্গ সোনাবাবু! তাঁর স্ত্রীর খবর কেউ রাখে না। এখানে আর কারা আছেন, যাঁদের খবর দেওয়া অত্যন্ত জরুরী। দেখা গেল টুটুলের মামার বাড়ির খবরও কেউ রাখে না। বালিগঞ্জে টুটুলের মামার বাড়ি, এইটুকু খবর ছাড়া বিশেষ কিছু জানা গেল না।

    সেলিম তাকালেন আলম সাবের দিকে। আলম সাব বললেন, কাছের বলতে আপনাদের মেমসাব ছাড়া তাঁর আর কেউ নেই দেখছি।

    তিনি বললেন, একটা কাজ করতে হবে। আচ্ছন্নভাব কেটে গেলে, প্রিয়জনের সান্নিধ্যই তাঁকে আরোগ্যলাভ করাবে। তিনি ভেঙে পড়েছেন। যা শুনলাম, তাতে তো মনে হয়, দীর্ঘদিন থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছেন।

    কুম্ভ বলল, একবার তো কাউকে না বলে না কয়ে বৌদির কাছে চলে গেছিলেন।

    —কবে সেটা?

    —তা পাঁচ-সাত মাস হবে। মাঝে মাঝে ঘোরে পড়ে যেতেন।

    —কিসের ঘোর।

    —তা জানি না। এমনিতে সব ঠিকঠাক থাকে। সরল সোজা মানুষ। কাজপাগলা মানুষ। মাঝে মাঝে তাঁর এক কথা, পচা টাকার গন্ধ। তখনই দেখছি, কী অফিসে, কী বাড়িতে গোছা গোছা ধূপবাতি জ্বালিয়ে চুপচাপ বসে আছেন। ইদানীং কিছু ছোকরা অফিসে এসে খবর নিয়ে গেছে, তিনি কখন অফিসে যান। ফেরেন। কয়েক মাস আগে পাশের এক তেলকলের ম্যানেজার খুন হলেন। নকশাল প্রচারপত্র পড়েছিল খুনের জায়গায়।

    অতীশ সোজা পড়ে আছে বিছানায়। ভীষ্মের শরশয্যা যেন। মনে হচ্ছে সব বুঝতে পারছে অথচ কথা বলতে পারছে না, চোখ মেলে তাকাচ্ছে না। কেবল নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়া কোথাও বিন্দুমাত্র জীবনের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    সেলিম বললেন, মেমসাব বড় ঝামেলায় পড়ে গেলেন। ঠিক আছে সাহেব। এটা থাকল—এই ওষুধগুলো দিতে হবে। বলে আলম সাবের হাতে প্রেসক্রিপশন তুলে দিলেন। তারপর ফতিমাকে ইশারায় বাইরের চাতালে ডেকে নিয়ে গেলেন সেলিম।

    ফতিমা অতি কষ্টে বলল, কী বোঝলেন, খুলে বলুন। আমার কাছে কিছু লোকাবেন না।

    সেলিম সব শুনেছেন রাস্তায়। আলম সাবই তাঁকে বলেছেন। এ তো আর শুধু তাঁর সোনাবাবু না। স্বপ্নের মানুষ। শৈশবের টুকরো টুকরো ছবিও আলম সাব হাসতে হাসতে সেলিমকে বলেছেন! জানেন তো আমার বেগমসাহেবা অবুঝ। কিন্তু এমন দরাজ দিলও কারো মধ্যে দেখিনি।

    ফতিমাকে সেলিম বললেন, জ্ঞান ফিরলে, তাঁর প্রিয়জনকে দেখতে চাইবেন। বড় দরকার প্রিয়জনের সান্নিধ্য। আপনি পারবেন?

    —পারব।

    —তবে আর আশঙ্কার কিছু নেই। অতীশবাবুর স্ত্রী না আসা পর্যন্ত আপনার এখানে থাকা দরকার।

    —থাকব।

    আলম সাব সেলিমকে নিয়ে চলে যাবার মুখে ফতিমা ছুটে গেল। বলল, সাহেব, একটা কথা।

    —বলেন।

    —এদিকে আসুন।

    আবার আলমকে চাতালে নিয়ে এসে ব্যাগ থেকে দুটো দশ টাকার নোট বের করে দিয়ে বলল, পীরের দরগায় সিন্নি দিয়েন সোনাবাবুর নামে। দোয়া মাঙবেন আল্লার কাছে। দু-একদিন আপনার অসুবিধা হবে। বৌদি এলেই আমার নিষ্কৃতি মিলবে।

    আলম সাব বললেন, শেষে আপনার স্বপ্নের মানুষ, এখানে এসে উঠলেন! কিচ্ছু নেই!

    ফতিমা একটা চাবি বের করল রিঙ থেকে। চাবিটা আলম সাবকে দিয়ে বলল, দুটো সাদা চাদর, বালিশের পাটভাঙা সাদা ওয়াড়, একটা পাশ-বালিশ পাঠিয়ে দেবেন। আর ফুলদানিটা। আপাতত গিয়েই এগুলো গহরভাইকে দিয়ে পাঠিয়ে দেবেন মনে করে।

    আর কিছু!

    আর কিছু গোলাপ ফুল। সাদা লাল দুরকমের গোলাপ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }