Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৬৬

    ॥ ছেষট্টি ॥

    সোনার স্বদেশ যাত্রা

    অতীশের প্রায়ই কেন যে মনে হয়, এটা তার জন্মান্তর। সে জলে ডুবে যাচ্ছিল ফতিমা হাত বাড়িয়ে ডাঙ্গায় তুলে দিয়ে গেছে। সেই ফতিমারও খবর নেই। কতদিন হয়ে গেল ফতিমার শেষ চিঠি উড ফোর্ড গ্রীন থেকে। টুটুল মিণ্টুর কথাই সে বেশি জানতে চাইত। ঠিকানাটাও মনে আছে। তিরাশি মোংখাম এভিনিউ, উড ফোর্ড গ্রীন, এসেকস্, লণ্ডন। তারপর সে নিজেই কেমন নিখোঁজ হয়ে গেল। সেদিন বাসায় ফিরে এলে নির্মলা বলল, বাংলাদেশ থেকে কে তোমাকে চিঠি দিয়েছে।

    —কৈ দেখি!

    তার চিঠি আজকাল একটু বেশীই আসে। পাঠক পাঠিকাদের চিঠি আসে। টুটুল মিণ্টু চিঠি খুলে পড়ে। নির্মলাও। কে দিয়েছে চিঠি, এমন না বলে, নির্মলা শুধু বলল, বাংলাদেশ থেকে কে তোমাকে চিঠি দিয়েছে!

    বাংলাদেশে তার আত্মীয়স্বজন কেউ আছে মনে করতে পারল না। চিঠিটা কার তাও বলছে না। বাংলাদেশ বললেই ভিতরটা কেন যে তার গর্বে ভরে যায়। চিঠিটা কে দিয়েছে জানার আগ্রহ না যত, বাংলাদেশের খাম পোষ্টকার্ড দেখতে কেমন, এটাই যেন তাকে বেশি উদ্রগ্রীব করে তুলছে।

    মিণ্টু ও-ঘরে পড়ছে। টুটুল মিণ্টু আর আগের মতো সে এলেই কাছে ছুটে আসে না। বড় হয়ে গেলে বাধ হয় এসবই হবার কথা। কেমন দূরত্ব তৈরী হচ্ছে। ওরা পড়ার টেবিল থেকে উঠে একবার শুধু উঁকি দিয়ে দেখে গেছে।

    বাংলাদেশের চিঠি বলতেই ফতিমার মুখটাও কেন যে ভেসে উঠল সে বুঝতে পারছে না। ফতিমা নির্মলার স্কুলে গিয়ে কি যে মন্ত্র পড়ে এল সেই জানে। নির্মলার তখন এক কথা, না আর না। আর থাকছি না। খুব হয়েছে! মাস্টারির চাকরিটা ছেড়ে ছুড়ে চলে এল।

    —কি হল, চিঠিটা দিলে না!

    অতীশ নির্মলাকে খোঁজাখুজি করছে। ঘর ফাঁকা। কেউ নেই। চিঠির খবর দিয়ে নির্মলা রান্নাঘরে ঢুকে গেল! সুখি কি করছে! আর তখনই সুখির মুখ দরজায়।

    —কাকা কিছু বলছেন!

    তার রাগ হচ্ছিল। বাংলাদেশের চিঠির যেন কোনও গুরুত্ব নেই। পাঠক পাঠিকাদের চিঠির মতো। পাঠক পাঠিকারা কি লিখবে সে জানে, হয় গালমন্দ, না হয় প্রশংসা। সে তাদের চিঠি নিয়ে কখনও বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে না। লেখার টেবিলে পেপার ওয়েট চাপা দিয়ে রাখা হয়। সে সময়মতো পড়ে। চিঠিগুলি খোলা থাকে। মিণ্টুর এটা খারাপ স্বভাব, কি কৌতূহল বোঝে না, পাঠক পাঠিকাদের চিঠি সে খুলে পড়বেই। তার মাঝে মাঝে হাসি পায়। বাবার জন্য চিন্তা! তাদের বাবাকে আবার না কেউ কেড়ে নেয়।

    সুখি দরজা থেকে নড়ছে না।

    সে বিরক্ত মুখে বলল, না কিছু বলছি না।

    সুখি চলে যাচ্ছিল, সে ফের ডেকে বলল, তোর কাকিমা কি করছে!

    —বাজার গোছাচ্ছে।

    তা গোছাতেই পারে। নির্মলা স্কুল ফেরত বাজার করে আসে। লোকাল ট্রেনে সে যায়। আশ্চর্য মনে হয় সব। যেন ফতিমা চাকরিটা ছাড়িয়ে না আনলে, এ-চাকরিটা তার হত না। লোকাল ট্রেনে আধঘণ্টাও লাগে না। তার একজন প্রকাশক কত সহজে একটা ফোনে, এখানকার স্কুলের চাকরিটা করে দিয়েছিল। কার যে কোথায় প্রভাব থাকে—সে বুঝে উঠতে পারে না। কত দৌড় ঝাপ, কত চেষ্টা, শেষে কি না, শুধু একটা ফোন। শুধু দরখাস্ত নিয়ে সেক্রেটারীর কাছে হাজির হওয়া। চার- পাঁচদিনের ভিতর এপয়েন্টমেন্ট। যেন বাবার কথাই ঠিক, চেষ্টা করবে। চেষ্টার ত্রুটি রাখবে না। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন না হলে কিছু হয় না। ফতিমা আসার পরই তার ভাগ্য বোধ হয় ফিরছিল। সেই তাকে আত্মহনন থেকে রক্ষা করে গেল। ঘোর থেকে মুক্তি দিল। বাংলাদেশের চিঠি —ফতিমাও তাকে দিতে পারে। তার কেন যে মনে হল ঠিক ফতিমাই চিঠি দিয়েছে। ফতিমাকে নির্মলা খুব একটা পছন্দ করে না জানে। এ-জন্য চিঠিটা নিয়ে নির্মলার অনাগ্রহ থাকতেই পারে।

    চিঠিটা কে দিল, কোথায় রেখেছে জানার জোরটাও অতীশ হারিয়ে ফেলল সঙ্গে সঙ্গে। সে সোফায় গা এলিয়ে দিয়েছে। এ-ঘরে একটা সিঙ্গল খাট। ও-ঘরে ডাবল খাট একদিকে। একটা সিঙ্গল খাট ইদানীং কিনেছে। ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে গেলে আলাদা শুতেই হয়। ঘরগুলি এত প্রশস্ত যে অনায়াসে কাঠের পার্টিশান করে তিনটে বেডরুম, একটা বসার ঘর করে নেওয়া যায়। ইচ্ছাও আছে। নির্মলা মাথা পাতছে না। ঢাকুরিয়ার দিকে দু-কাঠা জমি কেনার কথা হচ্ছে। টাকার খুব দরকার। লেখা থেকে রোজগার বাড়ছে। নির্মলার আয়, তার চাকরি, সব মিলে মনে হয় না আর সে এ-শহরে নির্বান্ধব। তার নিরাপত্তার অভাবটাও আর নেই। রাজবাড়ির চাকরি থাকল কি গেল আসে যায় না। নির্মলা বাজি রেখেছে যেন। বাপের বাড়ির সঙ্গে তার যে গোপন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, এটা সে আজকাল বেশ টের পায়। জমি কিনে বাড়িটা করা না পর্যন্ত তার স্বস্তি নেই।

    অতীশ একটা সিগারেট ধরাল। কেমন আলস্য লাগছে। একবার ও-ঘরে উঠে গেল। মিণ্টুকে বলল, কে চিঠি দিয়েছে রে। চিঠিটা কোথায়!

    —দাঁড়াও দেখছি।

    আরে মেয়েটা তো যজাবে শেষ পর্যন্ত। তর সয় না। মেয়ের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে! এখুনি আবার তার মাকে গিয়ে না বলে, বাবা চিঠিটা চাইছে। অতীশ তাড়াতাড়ি বলল, থাক। পড়ছিস পড়।

    টুটুলের খাতায় মলাট দেওয়া। নির্মলা সুন্দর হস্তাক্ষরে, টুটুলের নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাস, ছবির মতো লিখে রেখেছে। ক্লাস সিক্‌স কথাটা বেশ বড় করে লেখা। সংসারের কোনো দায়িত্বই আর এখন তার হাতে নেই। এমন কি টাকা পয়সার হিসাবও নির্মলা রাখে। লিখছ লেখ। কে তোমাকে সবতাতে মাথা গলাতে বলছে।

    নির্মলা ঘরে ঢুকে অবাক। অতীশ সোফায় হেলান দিয়ে চোখ বুজে সিগারেট টানছে।

    —কী হল! বসে থাকলে কেন! হাত মুখ ধুলে না! জামাকাপড় ছাড়লে না!

    —যাচ্ছি।

    সে উঠে পড়ল! তার কেন যে ফের মনে হল চিঠিটা ফতিমাই দিয়েছে। ফতিমা বাসায় রাতও কাটিয়ে গেছে—নির্মলা এও জানে। ক’দিন মুখ গোমড়া—সেই থেকে কেন যে নির্মলা ফতিমার নাম শুনতে পারত না। ফতিমার চিঠি এলে কিংবা টুটুল মিণ্টুর জন্মদিনে উপহার পাঠালেও রাগ করত। ফতিমাকে কি খারাপ কিছু লিখেছে নির্মলা। লিখতেই পারে। ফতিমা কি সে জন্য যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন করে দিল!

    বাথরুমে এত সব ভাবলেও খুলে বলার সাহস নেই। নির্মলার উপর দিয়ে কত বড় ঝড় গেছে সে টের পায়। স্বামী, নিরাপত্তা বোধের অভাবে মানসিক অবসাদে ভুগলে কার না জীবন বিপন্ন হয়। এ-সব মনে হলেই আর সে নির্মলার উপর রাগ অভিমান কিংবা কোনো ক্ষোভ পুষে রাখতে পারে না।

    সে বাথরুম থেকে বের হয়েই ডাইনিং টেবিলে গিয়ে বসল। রান্না ঘরের পাশের ঘরটা খাবার ঘর করে নিয়েছে নির্মলা। কিছুটা অন্ধকার সব সময় থাকত। আগে কয়লা ঘুঁটে রাখা হত। আরশোলার উপদ্রব ছিল খুব। বাসায় গ্যাস আসার পরই, ঘরটা ফাঁকা হয়ে গেল। চুনকাম করিয়ে, তারটার পাল্টে ডানিং টেবিল কিনে সৌখিন খাবার ঘর বানিয়ে ফেলেছে।

    বিকেলের জলখাবার খেয়ে তাকে বাসা থেকে আজকাল বের হতে হয়। এখন আর অফিস থেকে সে কলেজস্ট্রীট পাড়ায় সোজা চলে যেতে পারে না। নির্মলার কড়া হুকুম। বাসায় ফিরে মুখে কিছু দিয়ে রোজ যে যায়, তাও না। তবে প্রায়দিনই যায়। তার বাসা থেকে কলেজস্ট্রীট দূরও না। কয়েক মিনিটের পথ। এতে তার বিশেষ অসুবিধা হবার কথা না। কফি-হাউসে তার একটা আড্ডা আছে। সেই আড্ডায় না গেলে বন্ধু বান্ধবরা রুষ্ট হয়। সে যায়।

    খাবার টেবিলেও বলতে পারল না, কৈ চিঠিটা দাও। কে দিল চিঠি!

    চিঠি সম্পর্কে সে আর বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখাল না। ফতিমাই দিয়েছে। দেখা যাক, বাংলাদেশ হয়ে যাবার পর ফতিমা কেমন আছে। যেতে টেতে লিখতে পারে। জায়া জননী জন্মভূমির কথা কেউ ভুলতে পারে না। নিজের জন্মভূমিতে ফিরে যাবার আনন্দ কম না। বাংলাদেশ হবার পরই কুম্ভবা একদিন বলেছিল, চলুন যশোর থেকে ঘুরে আসি। বাংলাদেশটা কেমন দেখতে দেখে আসি। আপনার বাংলাদেশে তো এখন কাতারে কাতারে লোক যাচ্ছে। চেকপোষ্টে কেউ কাউকে আটকাচ্ছে না।

    সে বলেছিল, যশোর গিয়ে কি হবে, গেলে জন্মভিটায় যাব। যশোর যশিডি আমার কাছে সমান।

    —তুমি আবার বের হবে! নির্মলার প্রশ্ন।

    সে চাতালে দাঁড়িয়েছিল। বেশ গরম পড়েছে। ক’দিন বৃষ্টি না হওয়ায় ভ্যাপসা গরম। পাখার হাওয়াতে কেমন গরম বাতাস ঝলকাচ্ছে। চাতালে এসে দাঁড়ালে—কোথা থেকে যেন ঠাণ্ডা হাওয়া উঠে আসে। নীলরঙের বেতের চেয়ার পাতা থাকে। দেয়ালে আলোর ডুম জ্বালা থাকলে এখানটায় বসে বেশ আয়াস করা যায়। বইটই পড়া যায়। ঘরের কোলাহলও তেমন টের পাওয়া যায় না।

    নিৰ্মলা তবু চিঠিটা দিচ্ছে না। চিঠি গোপন করার ইচ্ছে থাকলে বলতই না, বাংলাদেশ থেকে কে তোমাকে চিঠি দিয়েছে। তবু নির্মলা নিজে চিঠি না দিলে, সে যেন বলতেও পারবে না। দেশে তো আর কেউ নেই। সব ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিয়েছে। না, কোনো আত্মীয়স্বজনেরও চিঠি নয়। সবাই রানাঘাট, ধুবুলিয়া অথবা আগরপাড়া বেলঘরিয়া, কেউ পলতায় কলোনিতে আশ্রয় নিয়েছে। নির্মলা সব খবরই রাখে। কোনো আত্মীয়স্বজনের নাম করে চিঠিটা চাইতে সাহস পাচ্ছে না।

    সে কেন যে বলল, না। বের হচ্ছি না। কেন যে বলল?

    তখনই চিঠিটা এগিয়ে দিল। বলল, মঞ্জু কে হয় তোমার! মঞ্জু দিয়েছে।

    —মঞ্জু দিয়েছে!

    —হ্যাঁ। কে হয় তোমার?

    —কেউ না। কবিরাজদার মেয়ে। ফতিমা তো বলেছিল, মঞ্জুরা নাকি দেশ ছেড়ে আসেনি! কি লিখেছে! বেঁচে আছে তাহলে!

    —যেতে লিখেছে।

    অতীশ কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে গেল। দেশটায় গৃহযুদ্ধে কত মানুষ প্রাণ দিয়েছে। লুণ্ঠন, গৃহদাহ, অগ্নি সংযোগ, গণহত্যা আত্মহত্যা নির্বাচারে চলেছে। তবু মঞ্জু দেশ ছাড়েনি! মঞ্জু কি তার বয়সী, না ছোট, না কিছু বড়, এতদিন পর কিছুই মনে করতে পারছে না। সেই শৈশবেই মঞ্জু যে কত পেকে গিয়েছিল, হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। ফতিমা শহরে চলে গেলে, মঞ্জুই ছিল তার শৈশবের সঙ্গী। মঞ্জুর কথা ভাবলেই অন্ধকারে একটা সাদা মোম জ্বলছে এমন কেন জানি মনে হয়। সে বসার ঘরে ঢুকে খামটা দেখল। বাংলা ভাষায় লেখা, বাংলাদেশ। শাপলা ফুলের নীলরঙের ছবি খামটায়। সে অপলক ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকল। রান্নাঘরের কাজ বোধ হয় শেষ। নির্মলা আঁচলে হাত মুছে পাশে বসল।

    মিণ্টু বলল, মা আসব।

    নির্মলার শাসন আছে। বড়রা কথা বললে, ছোটদের কাছে থাকতে নেই। অবশ্য সে ছোট নেই, হাবভাবে বুঝিয়ে দিতে কসুর করে না।

    —অঙ্ক হয়ে গেছে। নির্মলার প্রশ্ন।

    —সব হয়নি। এটা দেখতো। মিলছে না।

    নির্মলা অঙ্ক বইটা হাতে নিল। খাতাটাও। তারপর কি ভেবে বলল, সকালে দেখব। এখন রেখে দাও।

    মিণ্টু ততক্ষণে পাশের ডিভানে বসে পড়েছে। ফ্রক টেনে হাঁটু ঢাকছে।

    মিণ্টুর দিকে তাকিয়ে অতীশ বলল, দেশ ছেড়ে আসার সময় বোধ হয় মিণ্টুর মতো বড় ছিল। একই বয়েস। আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি।

    —বোধ হয় কেন!

    ওরা তো ঢাকা শহরে থাকত। স্কুলের ছুটিতে বাড়ি আসত। যখন দেশ ছাড়ি মঞ্জু ফতিমা সব ঢাকার। আমাদের অঞ্চলে মেয়েদের কোনো স্কুল ছিল না।

    মিণ্টু উঠছে না। টুটুল চলে এসেছে। বাবা মা সামনা-সামনি বসে। বাবার হাতে সেই খামটা। মা চিঠিটা পড়েছে। তারাও পড়েছে লুকিয়ে। মা পছন্দ করে না, বাবার চিঠি ছেলে মেয়ে পড়ুক। তবু যে পড়ে এটা টের পায় নির্মলা। কিছু বলে না। অন্তত মানুষটার কোনো গোপন খবর থাকুক কেউ তারা চায় না। পাঠিকাদের ন্যাকামির শেষ থাকে না। কোথাকার জল কোথায় গড়াবে শেষ পর্যন্ত কে জানে! ছেলে মেয়ে বড় হচ্ছে—এটা টের পাইয়ে দেবার জন্যও খোলামেলা আচরণ—সংসারী মানুষের বেশী দূর যাওয়া ঠিক নয়, অতীশের চিঠি পড়ার অধিকার সবারই আছে ইঙ্গিতে তাও বুঝিয়ে দেওয়া।

    মিণ্টু বলল, তোমাকে যেতে লিখল কেন বাবা?

    —তাতো জানি না। আর লিখলেই যাই কি করে।

    নির্মলাই বলল, মঞ্জুর কথা তো কখনও বলনি!

    —কার কথা বলেছি! ফতিমার কথা বলেছি! ও গায়ে পড়ে না এলে বুঝতেই পারতে না আমরা কত বড় প্রকৃতির মধ্যে বড় হয়ে উঠেছিলাম। টুটুল কিছুই দেখল না। কত বড় আকাশ, কত নদী নালা, কত কাশফুল, ঢাকের বাদ্য, বিসর্জনের বাজনা, নদীর পাড়ে হ্যাজাকের আলোর মাধুর্যই ওরা টের পেল না।

    কেমন ঠোঁটে সামান্য বিদ্রুপের হাসি ফুটে উঠল নির্মলার। বলল, যাবে নাকি! ঢাকের বাদ্যি শুনতে।

    অতীশ চোখ তুলে তাকাল। নির্মলার মুখের রেখাতে ভাঁজ পড়লে সে টের পায়। তবু বলল, যেতে তো ইচ্ছে করে। এ সুযোগে নিজের জন্মভিটায় ঘুরে আসা যেত। অনেকে তো যাচ্ছে। আর তখনই ফতিমার অনুযোগ যেন শুনতে পায়। ফতিমা যেন বলছে, আপনার এত লেখা পড়লাম, কোথাও মঞ্জু নেই।

    সে বলেছিল, তুই আছিস?

    ফতিমা বলেছিল, নামে না থাকলেও কামে আছি।

    এটা ঠিক, মঞ্জুর কথা যেন ফতিমাই মনে করিয়ে দিয়ে গেল। মঞ্জু, অবনী, রসো, সুভাষ, নন্দ, নারান সবাই তারা সমবয়সী ছিল। অবনী কিছুটা বয়সে বড়। তাদের গাঁয়ে দুজন রসো ছিল। পাল বাড়ির রসো, নাপিত বাড়ির রসো। নাপিত বাড়ির রসো আর চন্দদের বুড়ি পালিয়ে নৌকায় শাপলা তুলতে গিয়ে জলে ডুবে গেছিল। নিখোঁজ। পরে বর্ষা নেমে গেলে জলে কাদায় তাদের কঙ্কাল খুঁজে পাওয়া গেছিল।

    আজ কেন জানি অতীশের মনে হল, তার শৈশব কেমন ছিল, সবার জানা দরকার। সে তার লেখায় বার বার ঘুরে ফিরে শৈশবের কথাই লিখে যাচ্ছে। কিন্তু তবু যেন শেষ হয় না। রসোবুড়িকে নিয়ে সুন্দর গল্প সৃষ্টি হতে পারে। মঞ্জুকে নিয়েও। মঞ্জুর কথা কবিরাজ বাড়ির কথা না লিখে যেন ভালই করেছে।

    সহসা মিণ্টু বলল, তুমি গেলে আমরা যাব বাবা।

    —যাবে। যাবে বলে, চিঠিটা শেষ করল। কয়েক লাইনের চিঠি। কত কথা মনে পড়ছে।

    সে বলল, জান কি বোকাই না ছিলান। নির্মলা যেন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, কি বলে!

    -–জান, দেশ স্বাধীন হল, আর বাবা জ্যাঠাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। ১৫ আগষ্ট দিনটা অভিশাপ হয়ে নেমে এল। বাবা, মেজ জ্যাঠামশাইকে এত বিচলিত হতে কখনও দেখিনি! বাবা জ্যাঠামশাই, ঠাকুরদার শ্মশানে বসে হাউ হাউ করে কাঁদছেন। আমরা সবাই নিথর। ফতিমার উপর, ওর জাতভাইদের উপর কি ক্ষোভ। আমরা কেউ না! এখন বুঝি, সহিষ্ণুতা থাকলে ধর্ম। অসহিষ্ণুতা ধর্মকে প্রেতাত্মা করে ছেড়ে দেয়। প্রেতাত্মার তাড়া খেয়ে লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু এ-দেশে। আমরাও।

    নির্মলা বলল, তুমি কি মনে করছ, দেশটার উপর তখন প্রেতাত্মা ভর করেছিল।

    —তাইতো মনে হয়। দেখ, আমি পোড় খাওয়া মানুষ। জীবনে কম ঘাটের জল খাইনি। অথচ আমিই কি করে ভেবে ফেললাম, ধূপদানিটা আমার ঈশ্বর। সব অমঙ্গল থেকে সেই আমাকে রক্ষা করবে। ফতিমা না এলে এটা টের পেতাম না। সে না এলে আমার বোধ হয় জন্মান্তরও হত না।

    মিণ্টু বাবার এতসব ভারি ভারি কথা কখনও শোনেনি। এক জীবনে তারা দেখেছে দুশ্চিন্তায় বাবার মুখ কালো। বাবা তাদের ধূপকাঠি জ্বালিয়ে বসে থাকত। বাবার সেই আচ্ছন্ন অবস্থা দেখলে তার কান্না পেত। এখন বাবা হাসিখুশি মানুষ। তাদের নিয়ে বাবা রঙ্গ তামাসা করতেও ভালবাসে।

    টুটুল বলল, বাবা আমরা যাব। তোমার সঙ্গে যাব।

    —নাও হয়ে গেল! যাব কি না তার ঠিক নেই। তেনারা এখনই লাফাতে শুরু করেছেন! যাবে না কেন!

    —যাও না, ঘুরে এস। মনটা ভাল হবে। নিজের দেশ মাটি কার না দেখতে ইচ্ছা হয়।

    নির্মলা এত সহজে রাজি হবে সে ধারণাই করতে পারে নি।

    —ঘুরে এলে লেখার খোরাক পাবে। ঘর ছেড়ে কোথাও তো যেতেই চাও না। তারপরই বলল, বোকামির কথা বললে, সেটা কি!

    —আর বল না, তখন তো আমি খুব ছোট না! তের চোদ্দ বছরের ছেলে। তবু কেন যে নিখোঁজ জ্যাঠামশাইর জন্য অর্জুন গাছে বার্তা রেখে এলাম, জ্যাঠামশাই আমরা হিন্দুস্থানে চলিয়া গিয়াছি ইতি সোনা। আসলে ক্ষোভ থেকে। জ্যাঠামশাই ফিরে এলে যেন বোঝে হিন্দুদের জন্যও একটা দেশ আছে। ফতিমাকে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছিলাম, তোরা আমার কেউ না। তোদের দেশ আছে, আমাদেরও একটা দেশ আছে। অথচ দ্যাখ ফতিমা না এলে বোধ হয় আরোগ্য লাভ করতাম না। ধূপদানির হাত থেকে মুক্তি পেতাম না।

    বার বার ফতিমার কথা বলায় নির্মলা যেন রুষ্ট। ফতিমা না এলে তার জন্মান্তর ঘটত না কিসের জন্মান্তর, এই যে আরোগ্যলাভ! ফতিমাই তো বলেছে, সব বলুন, সব মনে করার চেষ্টা করুন, তারপর কি, তারপর মনে করতে পারছেন না, আচ্ছা আমি বলছি, যেন ফতিমা সব জানত বনির নিখোঁজ হওয়া, অ্যালবাট্রস পাখির মৃতু সব যেন সে ধরিয়ে দিয়েছিল। সূতো আলগা ছিল, সে তা জুড়ে দিতেই তার সব মনে পড়ে গেল। স্মৃতি বিভ্রম থেকে তার উদ্ধার। জীবনের পাপ বোধ থেকে আত্মরক্ষার উপায় সে যে বাতলে দিয়ে গেল! জীবন থাকলেই পাপ থাকে পুণ্য থাকে। পাপ পূন্য জীবনের বড় ব্যাধি। ব্যাধি থেকে মুক্ত হোন। ঘোরে পড়ে যাবেন না। অতীতকে এত কে মনে রাখে। আপনার টুটুল মিণ্টু আছে না! তাদের কথা ভাববেন না! আর পাপ কার নেই। পাপ ভাবলে পাপ, পুণ্য ভাবলে পূণ্য। আপনি কে? আপনার ক্ষমতা আছে কিছু করার! তাঁরই মর্জি। আপনি তাঁর আজ্ঞাবহ দাস।

    ফতিমার কথা বেশী বলা ঠিক হবে না বুঝেই, সে চুপ করে গেছিল।

    নির্মলা রান্নাঘরে সুখিকে কি বলতে গেল, আবার ফিরে এল। বসল। বলল, তোমার বোকামিটা কি বুঝলাম না। তা গাছে লিখে দিয়ে আসতেই পার। নিখোঁজ জ্যাঠামশাই ফিরে এলে বুঝতে পারবেন, দেশটা আর বাংলাদেশ নেই। পূর্ব পাকিস্তান হয়ে গেছে। ওতে বোকামির কি আছে!

    —বোকামির কিছু নেই বলছ! হিন্দুস্থানে চলিয়া গিয়াছি! হিন্দুস্থান কি রাজার বাড়ি। এলেই আমাদের ঠিকানা পেয়ে যাবে! বোকামি না! কোনো ঠিকানা নেই। হিন্দুস্থানের কোথায়, কি ঠিকানা, কিছুই তো লিখিনি। বড় বড় অক্ষরে হিন্দুস্থান লিখে রেখে এসেছিলাম শুধু।

    নির্মলা বলল, কোথায় গেলেন তিনি। কেন গেলেন!

    —সেই তো রহস্য। মঞ্জু দেশ ছেড়ে এল না। এটাও কম বড় রহস্য না। ওর বাবা অবিনাশ কবিরাজ। তাঁর সাধ্যের বাইরে চলে গেলেই ডাক পড়ত তারিণী কবিরাজের। তিনি ছিলেন এলাকার ধন্বন্তরী। রমণী কবিরাজের জামাই। রমণী কবিরাজের পশার ছিল খুব। বাড়ির অসুখে বিসুখে তাঁকে ডাকা হত। তিনি ঘোড়ায় চড়ে ওষুধ ফেরি করতে বের হতেন। তাঁর সাধ্যের বাইরে চলে গেলেই ডাক পড়ত তারিনী কবিরাজের। তিনি ছিলেন এলাকার ধন্বন্তরী।

    ঘোড়ার কথা শুনেই টুটল লাফিয়ে উঠল।

    —ঘোড়াটা কত বড় বাবা!

    —খুব বড়। কি ছুটত! কদম দিলে আমরা পিছু নিতাম।

    নির্মলা বলল, থামতো। ঘোড়া কত বড় তোমার বাবা বোঝাবে কি! যাও পড়তে বসগে। এই মিণ্টু বসে থাকলি কেন। পড়াশোনা নেই! গল্প পেলে আর নড়তে চায় না।

    অতীশ চিঠিটা ফের পড়ছিল। মঞ্জুর সুন্দর হস্তাক্ষরে লেখা। মুখ তুলে বলল, আজ না হয় নাই পড়ল। ওরা তো আমার স্বদেশ দেখেনি। ওদের বড়ঠাকুরদা পাগল ছিলেন, ঐ পর্যন্ত জানে।

    নির্মলা বলল, উনি কি একেবারে উন্মাদ ছিলেন!

    —না আদৌ না।

    —কি করতেন সারাদিন?

    —বৈকখানার বারান্দায় বসে থাকতেন। হাত কচলাতেন। আর ক্ষণে ক্ষণে গ্যাৎচোরেৎ শালা বলতেন। মিণ্টু বলল, গ্যাৎচোরেৎ শালা কি বাবা!

    —তা আমরাও জানি না। মঝে মাঝে নিরুদ্দেশ হয়ে যেতেন। আমরা খুঁজতে বের হতাম দল বেঁধে। আবু শোভা মতি গগনি, কালপাহাড়, মেজদা সবাই। কখনও আমি একা। কখনও ফতিমা থাকত সঙ্গে। মঞ্জু বাড়ি এলে সেও যেত। অবনী রসো কেউ বাদ যেত না। নদী নালার দেশ—বন-জঙ্গলের দেশ। সেই দেশে এমন একজন মানুষ না থাকলেও যেন এত প্রিয় মনে হত না দেশটাকে। বাড়িতে কত লোকজন তখন। বাবা জ্যাঠা কাকারা, মা জেঠি ঠাকুমা, ঠাকুরদা, মাষ্টারমশাই। ইশম দাদা, সোনালি বালির নদী, তরমুজ খেত, শীতে অথবা হেমন্তে আসত জসীম। মুড়াপাড়ার বাবুদের হাতি নিয়ে চলে আসত। কোজাগরি লক্ষীপূজা, সাদা জ্যোৎস্নাধূসর মাঠ, আবেদালির বিবি বিলে ডুবে গেল—কত স্মৃতি—সবাইকে জড়িয়ে বড় হচ্ছিলাম। যত বড় হচ্ছি, তত পাতা ঝরে যাচ্ছে। এখন তোমাদের ঘাটে নৌকা ভিড়িয়েছি।

    নির্মলা বোধ হয় খোঁটা দিয়ে কথা বলছ ভাবল! সে কিছুটা তুচ্ছ বোধ করল নিজেকে। বলল, অন্য ঘাটে নৌকা ভিড়লে বেশি সুবিধা হত বুঝি!

    —আরে না না। আমি এসব ভেবে বলেছি! বুঝছ না কেন, চিঠিটা আমার স্বদেশকে বড় বেশি মনে করিয়ে দিচ্ছে। কী ক্ষোভ, সব ক্ষোভ ফতিমার উপর। এমন সুন্দর বাংলাদেশ, তার নাম পাল্টে হয়ে গেল পূর্ব-পাকিস্তান। বল সহ্য হয়। স্বদেশে ফিরি না ফিরি, এটা যে কত বড় মর্যাদার প্রশ্ন এখন সেটা আরও বেশি টের পাচ্ছি। যদি যাই পূর্ব পাকিস্তানে যাচ্ছি না, যদি যাই, বাংলাদেশে যাচ্ছি। মঞ্জুদের লাল ইটের বাড়ি, নীল রঙের ডাক বাকস, ওর বাবার লাল রঙের ঘোড়া—মঞ্জু ঘোড়ায় চড়তে পারত। নির্মলা বুঝল, তার মানুষটা সারা জীবনই ঘোড়ায় চড়ে ছুটতে চেয়েছে। দিগ্বিজয়ে বের হবার কার না ইচ্ছে হয়। কিন্তু স্বদেশের নাম পাল্টে দিয়ে তাকে যেন এতদিন খোঁড়া করে রেখেছিল। দেশের জন্য এত মায়া পোষণ করে তার মানুষটা আজ প্রথম টের পেল। বলল, কবে যাবে?

    —যাব। হাসুকে চিঠি দাও। ও আসুক। ও এসে থাকুক। তোমাদের একা ফেলে যাই কি করে!

    —কি দরকার! এলেই যাই যাই করবে। আমরা তো জলে পড়ে নেই। ক’দিনের জন্য এসে হবেটা কি।

    গল্পে গল্পে বেশ রাত হয়ে গেল। টুটলের চোখে ঘুম নেই। ঢুলছে না। বাবা তার বয়সী ছিল, তার বয়সে বাবার নানা দুষ্টুমির খবর পেয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। কেবল এক কথা, তারপর বাবা?

    —তারপর! তারপর যে রাজপুত্র রাজকন্যার ঘরে বন্দী হয়ে গেল। আর নড়তে পারল না। কেউ তাকে উদ্ধারও করতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }