Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরের বাগান – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1863 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈশ্বরের বাগান – ৭০

    ॥ সত্তর ॥

    মঞ্জু বলল, এটা আমার ঘর।

    অতীশ বলল, এ-ঘরে আগে অনজু পিসি থাকত।

    —তার আগে থাকত মা। মা মরে যাবার পর এ ঘরে কেউ থাকত না। অনজুদি শহর থেকে এলে থাকত।

    অতীশ বলল, কেয়া কোন ঘরটায় থাকে! এ-বাড়ি শত হলেও হিন্দুর বাড়ি—কেয়া এবাড়িতে থাকতে পারে এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছে না। বিশেষ করে মঞ্জুর ছুচিবাই দেখে সে এটা অনুমান করতেই পারে।

    —পাশের ঘরটাতে।

    —তোমার ঘর পার হয়ে যেতে হয়!

    —ও ঘরে আর একজন থাকে!

    অতীশ বুঝতে পারছে না সে কে?

    মঞ্জু বলল, এস দেখবে।

    অতীশ মঞ্জুর পেছনে পেছনে ঘরে ঢুকে গেল। কেয়া নেই। কিন্তু সে অবাক, আট দশ বছরের একটি ছেলে চুপচাপ শুয়ে আছে। চোখ দুটো ভীষণ তাজা, কিন্তু বড় রুগ্‌ণ।

    মঞ্জু বলল, আমার একমাত্র ছেলে নীলু।

    অতীশ ওর পাশে বসে ছেলেটার কপালে হাত রাখল। মঞ্জুকে উল্টে পেয়েছে, যেন ছোট মঞ্জু। ওর কি অসুখ ইচ্ছে ছিল প্রশ্ন করবে। কিন্তু ঠিক নীলুর সামনে এ-কথা বলা হয়ত ঠিক হবে না। মঞ্জু নীলুর মাথায় হাত রেখে বলল, তোমার সোনা দাদা। আমি ওকে বলেছি, সোনা কাকাকে চিঠি দিয়েছি, দেখবে সে ঠিক আসবে।

    অতীশ ছেলেটির দিকে তাকিয়ে থাকতে পারল না। চুল বেশ বড় হয়ে গেছে। মাথাটা একরাশ চুলে ঢাকা। অতীশের বলতে ইচ্ছে হল, তোমার মানুষটির কি খবর! কিন্তু কপাল এবং সিঁথি দেখে সে সাহস পাচ্ছে না। ছেলেটির চোখে আশ্চর্য মায়া। যেন তাকিয়ে থাকলেই সে টুটুল মিণ্টুর মায়ায় আটকে যাবে। টুটুলের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। যা দুষ্টু! রক্ষা, নির্মলা কলকাতার স্কুলে শেষ পর্যন্ত চাকরি পেয়ে গেছে। নির্মলাকে ছেড়ে তাকে আর থাকতে হয় না।

    মঞ্জু জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বলল, আমার এখন এই একমাত্র অবলম্বন সোনাকাকা।

    মঞ্জু এ-ভাবে সোনাকাকা ডাকলে সে ভয় পায়। যখন খুব স্বাভাবিক থাকে তখন মঞ্জু সোনাকে সোনা বলেই ডাকত। সোনাকাকা বললেই যেন মনে হয় নঞ্জু তার কাছে ভীষণ প্রত্যাশা নিয়ে বসে আছে। ঠিক ছেলেবেলার মতো। সোনাকে একদিন সে বলেছিল, তুমি আমার সম্পর্কে কাকা। তুমি অবনীকে বলে দাও না ওকে আমি ভালবাসি না।

    তার যে কি ভয় সে কথাটা বলতে! অবনী মঞ্জু খুব কম বয়সেই একটু বেশি পেকে গেছিল। আমি কি করে বলি! আমি বললে, সে ভাববে আমার কোনও স্বার্থ আছে মঞ্জু। তুমি বলে দিও। আমি বরং অবনীকে ডেকে নিয়ে আসব। আমরা বরং রসুন গোটার গাছের নীচে দাঁড়িয়ে থাকব। তুমি চুপি চুপি এসে অবনীকে বলে যেও

    মঞ্জু সব সময় সোজাসুজি কথা বলতে ভালবাসত। ভাল বাসাবাসির সঠিক মানে তখন সোনার খুব বেশী জানা ছিল না। অবনীকে বলে দিও, আমি ওকে ভালবাসি না মানে, ওকে আমার পছন্দ নয় ও খুব একগুঁয়ে। মানুষের সম্মান রাখতে সে জানে না। মঞ্জু এমন বলতে চাইত। তখন তাদের কৈশোর শুরু।

    ঘরে সামান্য আলো। খুব কম পাওয়ারের আলো জ্বালানো। বোধ হয় খুব বেশি আলো ছেলেটা সহ্য করতে পারে না। অতীশ একটা চেয়ারে বসে আছে এখন। সে এমন এক রুগ্‌ণ বালকের সঙ্গে কি যে কথা বলবে! বিশেষ করে মানুষের বিপদ দেখলে সে ঘাবড়ে যায়। মঞ্জু নানারকম সমস্যায় পড়ে তাকে আসতে লিখেছে। এটা একটা আনন্দের বেড়ানো যে নয় সারা বিকেল এখানে থেকে এবং কেয়ার সঙ্গে কথা বলেই বুঝতে পেরেছে।

    তাছাড়া সে পত্র-পত্রিকায় যা পড়েছে, যা অরাজকতা চলছিল, তাতে মঞ্জুর ভাল থাকার কথা না। মঞ্জুর কিছু একটা বিপদ হবারই কথা। না হওয়াই অস্বাভাবিক। সে জন্য খুব জোর দিয়ে ওকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারছে না। সে বরং নীলুকেই যেন প্রশ্ন করতে পারে, নীলু তুমি কেমন আছ।

    —আমি ভাল আছি।

    মঞ্জু পাশে দাঁড়িয়ে ম্লান হাসল।

    অতীশ টের পেয়েছে, মঞ্জুর মুখের হাসিটুকু ভীষণ হতাশার। ‘আমি ভাল আছি’ মঞ্জুকে খুব কষ্ট দিচ্ছে ভেতরে ভেতরে। নীলুর কি অসুখ তাও সে জানে না। তা ছাড়া সে বুঝতে পারল না মঞ্জু একে একে সব দেখাচ্ছে কেন। এক সঙ্গে সে কিছু বলছে না। দেখাচ্ছে না।

    সে যেন বলতে চাইল, মঞ্জু তুমি আমাকে আর কি কি দেখাবে বলে ভেবে রেখেছ।

    মঞ্জু বলল, এই নীলু আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ওর জন্য কিছু একটা আমি করে ফেলতে পারছি না।

    ঠিক নীলুর সামনে এমন কথা অতীশের ভাল লাগছিল না। এমন কথা বলার পরই বোধহয় মঞ্জু কাঁদে। কারণ সে দেখতে পাচ্ছে নীলু মুখ ঘুরিয়ে মাকে দেখার চেষ্টা করছে। মা এ-সব বলে আবার চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে কিনা। সে ঘাড় ঘুরিয়ে মাকে দেখার চেষ্টা করছে।

    অতীশ বলল, নীলু তোমার খাওয়া হয়েছে?

    নীলু মাথা নেড়ে বলল, হ্যাঁ।

    —তুমি কি খেতে ভালবাস?

    —আমার বেতের ডগা সেদ্ধ খেতে ভাল লাগে।

    অতীশ ভারি বিস্মিত হল। বেতের ডগা সেদ্ধ খেতে ভীষণ ভাল। সুগন্ধ আতপ চাল, একটু ঘি, একটু কাঁচা লঙ্কার ঘ্রাণ আর বেতের ডগা সেদ্ধ, ঠাকুমা যখন উপাসের দিন খেতেন তখন সে লালটু পলটু গোল হয়ে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকত—ঠাকুমা কখন ডাকবে। কখন বড় ভাতের দলা, একটু নরম বেতের ডগা সেদ্ধ হাতে হাতে দেবে। নীলুর এ-সব ভাল লাগে। খুব সহজ এ- সব এখানে পাওয়া। বেতের জঙ্গল মেলা। বেতের ডগা কেটে আনলেই হল। সে বলল, আর কিছু খেতে ইচ্ছে হয় না?

    নীলু পাশ ফিরে শুল। খুব ধীরে যেন কত কষ্ট হচ্ছে, এমন কষ্ট দেখে ওকে সাহায্য করতে গেলে মঞ্জু বাধা দিল।—ওকেই পাশ ফিরতে দাও।

    সে আর সাহায্য করল না। নীলু কোনও রকম পাশ ফিরে বলল, আমার ভীষণ মিষ্টি খেতে ভাল লাগে। মা দেয় না। তুমি আমাকে এনে দেবে?

    অতীশ বলল, দেব। তুমি ভাল হলেই এনে দেব।

    —আমি আর ভাল হব না সোনাদাদা।

    —কেন হবে না। কলকাতায় এসব অসুখ অসুখই না। সেখানে কত বড় বড় ডাক্তার আছে। দেখবে সেখানে গেলেই তুমি ভাল হয়ে যাবে। বলেই সে নিজের কাছে ভীষণ অপরাধী ভেবে ফেলল। আসলে সে এ-ভাবে কথা বলছে কেন। মঞ্জু তো তাকে নীলুর নিরাময় নিয়ে কোনও কথা বলেনি। মঞ্জু তো চিঠিতে লিখেছে, তোমাকে খুব দরকার। তুমি এস। সেটা যে কি সে জানে না। সে বলল, তোমার কিছুই হয়নি নীলু। কাল দ্যাখো আমি তুমি বারান্দায় বসে গল্প করব।

    মঞ্জু বলল, এস।

    অতীশ উঠে দাঁড়াল। আমি যাচ্ছি নীলু। অনেক রাত হয়েছে।

    —আর একটু বোস না।

    —কাল সকালে আবার তোমার ঘরে আসব।

    —মা তুমি একটু বসো।

    —তোমার দাদার শোবার ব্যবস্থা করে আসছি।

    —আমি জানি তুমি আর আসবে না!

    —কেন আসব না?

    —তুমি মা আমার ঘরে আসতে চাও না।

    —কি যে তুই বলিস নীলু?

    —আমি ঠিক বলছি দাদা। মা এ ঘরে ঢুকতেই ভয় পায়। কেয়া মাসিকে আমার ঘরে রেখে দিয়েছে।

    অতীশ ঘর পার হতে হতে এসব শুনছিল। মঞ্জু, নীলুর মৃত্যুর অপেক্ষায় কি তবে বসে আছে! সে এখন শুধু কি দিন গুনছে! যাতে মায়া কমে যায় নিষ্ঠুরতার সামিল যদিও, মঞ্জু সহসা কোনো বেশি প্রয়োজন না থাকলে ঘরে বোধ হয় ঢুকতে চায় না।

    মঞ্জু যেতে যেতে বলল, নীলু যতদিন আছে, আমাকে দাঁত কামড়ে এখানে পড়ে থাকতে হবে।

    অতীশ সোজা হেঁটে যাচ্ছে ওর ঘরের দিকে। মঞ্জু পেছনে আসছে, মঞ্জু আরও কথা বলবে। সে ওর কথায় বাধা দিল না। সে ঘরে ঢুকে সিগারেট ধরাল। মঞ্জু বড় খাটে মোটা তোষক ফেলে দিচ্ছে। তার ওপর সাদা ধবধবে চাদর। সব কাজ সে নিজ হাতেই করছে। কেয়া এ-সময় ওকে সাহায্য করতে পারত। কিন্তু এত রাতে সে কেয়ার সাড়াশব্দ একেবারে পাচ্ছে না।

    অতীশ কাল, কেয়া কোথায়?

    মঞ্জু যেন শুনতে গায়নি। সে মশারি ফেলে দেবার আগে বলল, তুমি শুয়ে পড়। মশারি গুঁজে দিচ্ছি।

    —ওটুকু আমি করে নিতে পারব মঞ্জু। তুমি বরং নীলুর কাছে যাও।

    মঞ্জু বলল, এখানে জল থাকল। পাশের জানালা খোলা রেখ না। আজকাল বড় চোরের উৎপাত হয়েছে।

    অতীশ বলল, এখানে কি করে আছ মাথায় কিছুতেই আসছে না।

    —গাঁয়ে থাকা তো অভ্যাস নেই তোমার! প্রথম প্রথম অস্বস্তি হবে। তারপর সয়ে যাবে। অতীশ বুঝতে পারল না মঞ্জু এর দ্বারা কি বোঝাতে চাইছে। সে কি এখানে অনির্দিষ্ট কালের জন্য এসেছে! মঞ্জুর কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে ইচ্ছে করলেই এখানে সে যতদিন খুশি থাকতে পারে। যেন তার সংসারের কোনও দায়-দায়িত্ব নেই। সে স্বাধীন মানুষ। এমন কি ইচ্ছে করলে সে এখানেই থেকে যেতে পারে। মঞ্জুর কথা শুনে ওর হাসি পেল। এবং এজন্যই বুঝি মঞ্জু কোনও কিছুতেই তাড়াহুড়ো করছে না। খুব ধীরে-সুস্থে সব বলা যাবে এমন ভাব। সে তবু বলল, মঞ্জু কবিরাজদাদা কবে মারা গেল?

    —প্রায় বছর পাঁচেক হবে।

    —তুমি কি তখন থেকে এখানেই আছ?

    —কোথায় যাব তবে।

    —বিয়ে হলে মেয়েরা তো বাপের বাড়ি থাকে না।

    —বিয়ের পর থাকতে পারে।

    —তা পারে।

    —তবে?

    মঞ্জু এই তবেটুকু বলেই আর দাঁড়াল না। মঞ্জুর সুন্দর কোঁকড়ানো চুলে আশ্চর্য সব ভাঁজ। সামান্য পরিশ্রমেই কপালে ওর ঘাম দেখা দেয়। যাবার সময় মঞ্জু চোখ তুলে তাকালে সে বুঝতে পেরেছিল, এ ঘরে একা এলেই মঞ্জু ঘেমে যায়। মঞ্জু তাড়াতাড়ি হাতের কাজ সেরে ফেলতে চায়। মঞ্জু চলে গেলে সে স্যুটকেসটা খুলে কি যেন বের করবে ভেবে বসে থাকল। সে কি বের করবে ঠিক মনে করতে পারছে না।

    সে এ-ভাবে বেশ খানিকটা সময় পার করে দিল। সে স্যুটকেসের এটা-ওটা ঘাঁটছে। আর কি যেন ভাবছে। মঞ্জু যাবার সময় দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে গেছে। বারান্দার দিকে দুটো জানালা খোলা। গোপাটে এখন বুকজল—নৌকা যায়, নৌকার শব্দ, ডিসপেনসারিতে বসে জব্বার চাচা কার সঙ্গে যেন কথা বলছেন। আর যেন কিছুর সাড়া নেই। শুধু চারপাশে কিছু আলো এবং মাঝে মাঝে সেই এক কীট-পতঙ্গের আওয়াজ ভেসে আসছে। সে কেন স্যুটকেসটা খুলেছে মনে করতে পারছে না।

    সে খুবই অবাক হয়ে গেল। আসলে কি সে অন্য কিছু ভাবছে। সে স্যুটকেসের ভেতর আসলে কিছু খুঁজছে না! খুঁজলেও এখন তা আর খুব তেমন দরকারী মনে হচ্ছে না! সে বসে আছে। মঞ্জু চলে যাওয়ায় এ-ঘরটায় সে কেমন একা। সে অনেক কথা জানতে চাইবে এমনই হয়তো ধারণা মঞ্জুর। মঞ্জু একসঙ্গে বোধহয় সব প্রশ্নের জবাব দিতে ভয় পাচ্ছে। সে বোধ হয় ভাবছে, একসঙ্গে তার ক্ষমতা নেই সব কথার জবাব সে তাকে দিতে পারে। মঞ্জুর হয়তো সেজন্য তাড়াতাড়ি কাজটুকু সেরে পরে সময় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে চায়।

    সে এবার বুঝতে পারল, মঞ্জুর চিঠিটা সে খুঁজছে। কোথায় রেখেছে চিঠিটা! সে আর একবার চিঠিটা পড়ে দেখতে চায়। তাড়াতাড়ির মাথায় সে চিঠিটা কবার পড়েছে—কিন্তু চিঠির ভাষার ভেতর যেতে পারেনি। এখানে এসে সে মঞ্জুকে দেখেছে, কেয়াকে জব্বার চাচাকে দেখেছে। গ্রামের আগের ছবি একেবারে পাল্টে গেছে। শুধু ঝোপ-জঙ্গল বন-বাদাড় গ্রামটার চারপাশে। সে আসলে স্যুটকেস খুলে চিঠিটাই খুঁজছে। মঞ্জুর চিঠি। চিঠিতে কি মঞ্জু কোথাও তাকে সোনাকাকা সম্বোধন করেছে!

    আসলে চিঠিটা সে পড়েছে। সোনাকাকা এমন শব্দ কোথাও লেখা নেই—তবু মনের ভেতর কখনও ভীষণ সংশয় দেখা দিলে নিজের চোখকে বার বার অবিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়। সে চিঠিটা বের করে পড়ল। না, মঞ্জু কোথাও সোনাকাকা লেখেনি। কেবল লিখেছে সোনা তোমাকে আমার এ-সময় ভীষণ দরকার। তুমি এস। কিসের দরকার, কেন জন্মভিটা দেখে যাবার আমন্ত্রণ—সে কিছুই বুঝতে পারছে না।

    সে এবার চিঠিটা ভাঁজ করে রেখে দিল। সে রাতের পোশাক পরে নিল। বাথরুমের কাজ সেরে হাতমুখ মুছে জানালার কাছে এসে একটা চেয়ার টেনে বসল। সামনে বারান্দা পার হলে ঘাসের লন। সে বুঝতে পারছে শুলে এখন তার ঘুম আসবে না। বরং বইটই পড়তে পারে। স্যুটকেস থেকে খুলে খবরের কাগজটা পড়তে পারে। যদি ঘুম আসে। সে কেমন বিব্রত বোধ করছে। চিঠি পেয়ে এমন হুট করে চলে আসাও বোধ হয় ঠিক হয়নি। ওর ছেলেটার অসুখ। মঞ্জু কি ভেবে ফেলেছে ছেলেটা কিছুতেই বাঁচবে না। ওর ছেলেকে কলকাতায় নিয়ে যদি কিছু করা যায়। সে কতটা কি করতে পারবে তাও বুঝতে পারছে না।

    আসলে মানুষের শৈশব সবচেয়ে প্রিয় তার কাছে। এবং এইসব গাছপালা মাঠ এবং রোদ্দুরে ঘুরে বেড়ানো, দত্তদের আমবাগানে শুয়ে শুয়ে পরীক্ষার পড়া করা, সব তার কাছে মনোরম এক স্মৃতি। এবং স্মৃতির ভেতর ফিরে এলে সবকিছুই রূপকথার মত মনে হয়। সে মঞ্জুকে, কেয়াকে, জব্বার চাচাকে এমন একটা অবস্থায় আবিষ্কার করবে ভাবতেই পারেনি। কেমন ওরা একটা রূপকথার দেশের মানুষ হয়ে গেছে। বিশেষ করে এই নির্জনতা গ্রামের, কোথাও আর মানুষের আবাস নেই, কেবল একটা লালরঙের ইঁটের বাড়ি, আর ডিসপেনসারি ঘর, নীল রঙের ডাকবাক্স ঘাসের লন আর পেছনে অনেকদূর পর্যন্ত দীঘির মতো বড় পুকুর, পুকুরের চার ধারে সারি সারি রসুন গোটার গাছ। মাঝে মাঝে সব আলো জ্বালা, যেন সব স্বপ্নের মতো জেগে আছে। সেখানে সে তার শৈশবকে কিছতেই খুঁজে পায় না। কি প্রাণান্ত ছিল, মঞ্জুর সেই খবর পৌঁছে দেওয়া অবনীকে।—অবনী তোকে মঞ্জু পছন্দ করে না। তুই আর মঞ্জুর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করবি না।

    অবনী বলেছিল, তুই ওকে বলেছিলি, ওর সঙ্গে কথা না বলতে পারলে আমার খুব খারাপ লাগে।

    —বলেছিলাম।

    —কি বলল?

    —বলল, খারাপ লাগলে তার আমি কি করব!

    অবনী দুঃখ পেলে সোনার ভীষণ খারাপ লাগত। সে, রসো, অবনী তারপর মাঠে মাঠে ঘুরে বেড়াতো। লটকন ফল চুরি করে আনত অবনী। ওরা ভাগ করে খেত। আর নানারকম ফন্দিফিকির খুঁজতো কি করে মঞ্জুর সঙ্গে কথা বলা যায়।

    সোনা অবনীকে বলত, বললাম অবনী দুঃখ পেলে আমাদের খুব খারাপ লাগে। তোর লাগে না?

    —কি বলল? অবনী বড় বড় চোখে তাকিয়ে থাকত।

    —বলল, না লাগে না।

    তারা ভাবত, মঞ্জু শহরের মেয়ে বলেই বোধ হয় ওরা যতটা সহজে খারাপ ভাবে মঞ্জু ততটা সহজে খারাপ ভাবে না। ওরা তো মঞ্জুর মতো সুন্দর মেয়ে কোথাও দেখেনি। মঞ্জু কবে আসবে, কারণ তাদের মনে আছে মঞ্জু ছুটিতে গাঁয়ে না এলে কেমন একটা খাঁ খাঁ ভাব সারাটা গাঁয়ে। সোনার আরও খারাপ লাগত, ফতিমা, সেই যে শহরে চলে গেল আর এল না। বিকেল হলেই তারা ডিসপেনসারির দাওয়ায় চুপচাপ বসে থাকত। সেনদাদা বলত, কিরে তোরা ভাস্কর লবণ নিতে এসেছিস। বোস দিচ্ছি। সেনদাদা ভাস্কর লবণ দিয়ে বলত, পুজোয় তো মঞ্জু আসবে না ভাইরা—ওর স্কুল খুললেই পরীক্ষা। পরীক্ষার পরে আসবে।

    অতীশের মনে আছে গোটা পুজোর মাসটা ওরা কেমন মনমরা হয়ে থাকত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআওরঙ্গজেব : ব্যক্তি ও কল্পকথা – অড্রি ট্রুসকে
    Next Article মানুষের ঘরবাড়ি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }